Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কংসাবতীর তীরে – কোয়েল তালুকদার

    কোয়েল তালুকদার এক পাতা গল্প138 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৮. রাধা, কৃষ্ণ কও

    ১৯৭১ সাল।

    আগস্টের শেষের দিকে হবে। চারিদিকে বর্ষার পানি থৈথৈ করছে। একদিন বিকেলের দিকে নৌকা করে আমাদের বাড়িতে একজন পঞ্চাশার্ধো লোক আসে। লোকটি আমার বাবার পূর্ব পরিচিত। কিন্তু কেউ আমরা তাকে চিনিনা। আগে কখনও দেখিনিও।

    লোকটি আমাদের বাহিরবাড়ির কাচারি ঘরে বসে বাবার সাথে কী যেন আলাপ আলোচনা করেন। আমরা কেউ সে কথা শুনতে পারিনি। লোকটি প্রায় ঘন্টাখানেক বাবার সাথে কথাবার্তা সেরে  নৌকা করে আবার চলে যান।

    লোকটি চলে যাবার পর বাড়ির ভিতর বাবা এসে মাকে বলেন – কাল একটি শরণার্থী পরিবার আমাদের বাড়িতে উঠবেন। তাকে আশ্রয় দিতে হবে। উনি খুব বিপদে আছেন। প্রত্যান্ত গ্রামে ওনার কোনো আত্মীয় স্বজন নেই। এর আগে অন্য একটি গ্রামে অন্য একটি বাড়িতে ওনারা কয়েক মাস ছিল। কিন্তু সেখানে থাকাটা নিরাপদ মনে করছেন না। তাই আমাদের বাড়িতে ওনারা হয়তো কটা মাস থাকবে।

    বাবার মতামতের উপর কারোর কোনও দ্বিমত পোষণ করার ক্ষমতা নেই। আমাদের বাড়িতে বেশ কয়েকটি ঘর আছে । তারই একটি ঘরে ঐ পরিবারের থাকার ব্যবস্থা করা হয়।

    পরের দিন সকালবেলা একটি ছইওয়ালা ছোট নৌকা করে ঐ ভদ্রলোক তার পরিবার নিয়ে আমাদের বাড়িতে চলে আসেন। সাথে ওনার স্ত্রী এক মেয়ে ও এক ছেলে। মেয়েটির বয়স আঠারো ঊনিশ হবে। আর ছেলেটির বয়স আট নয়।

    ভদ্রলোকের নাম শওকত হোসেন। সে নাকি  মহুকুমা অফিসের একজন কেরানী। কিন্তু বাবা আমাদের তার পূর্ণ পরিচয়, পেশা, এগুলো সবার কাছে  বলে বেড়াতে নিষেধ করলেন।

    আমি তখন অষ্টম ক্লাসে পড়ি। নিতান্তই গ্রামের ছেলে। শহরে অত যেতাম না কখনও। শহরের কাউকে দেখলে একটু বিস্ময়ে তাকিয়ে  দেখতাম। যেমন বিস্ময় চোখে দেখেছিলাম ওনাদের। বিশেষ করে সাথে আসা মেয়েটিকে। মেয়েটি দেখতে কেমন যেন ‘রূপ লাগি আঁখি ঝুরে’, বেতস পাতার মতো কোমল মুখশ্রী। মায়াকাটা চোখ, নির্মোহ চাহনি। মার্জিত পরিধেয় পরনে।

    ওনারা আসার সময় কোনও কিছু আনেনি। না কোনও বিছানা পত্তর, না কোনও হাড়ি পাতিল। আমার মা সবকিছু ব্যবস্থা করে দিলেন। বাবার সাথে শর্ত ছিল তারা নিজেরাই রান্নাবান্না করে খাবেন।

    মেয়েটির নাম আলেয়া। শহরের গার্লস কলেজে ইন্টারমিডিয়েট দ্বিতীয় বর্ষে পড়ে। আমি ওনাকে আপু বলে ডাকি। আপু খাঁচায় করে একটি ময়না পাখি নিয়ে এসেছিল। এই পাখিটিকে সে খুব ভালোবাসে ও আদর করে। শহরের বাড়ি থেকে ওনারা যখন পালিয়ে গ্রামে আসে তখন আলেয়া আপু অন্য কিছু না আনলেও এই পাখিটিকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিল।

    একদিন আমি আপুকে বলি – পাখিটি কথা বলে না?

    – বলে। কিন্তু পাখিটি অভিমান করেছে। সে এখন আর কথা বলে না।

    – ও কী কখনও আর কথা বলবে না?

    – বলবে একদিন।

    – কবে?

    – যেদিন দেশ স্বাধীন হবে সেই দিন।

    ২.

    ওনাদের ভিতর একটি রক্ষণশীলতা দেখতে পাই। আশেপাশে মানুষের সাথে খুব একটা মিশত না। নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বেশি বের হতো না। শওকত চাচার স্ত্রী মার সাথে প্রয়োজনীয় সুবিধা অসুবিধার কথা ছাড়া বেশি কথা বলত না। শওকত চাচাও তাই। উনি একটি রেডিও এনেছিলেন সাথে করে। রেডিওটি কানের কাছে নিয়ে আস্তে আস্তে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান শুনত। আর শুনত আকাশবাণী ও বিবিসির খবর। আর মাঝে মাঝে ভিতর বাড়ির বারান্দায় বসে বাবার সাথে গল্প গুজব করত। ওনারা কী কথা বলত আমরা তা শুনতে পেতাম না।

    আলেয়া আপু আমাকে খুব পছন্দ করত। আমিও তাকে খুব পছন্দ করতাম।  আমি তার চেয়ে প্রায় চার পাঁচ বছরের ছোট ছিলাম। আলেয়া আপু ছিল শহরের মেয়ে। কী সুন্দর করে কথা বলত। গুনগুন করে গান গাইত। আমি একদিন আপুকে বলি – তুমি গান গাইতে পারো?

    – পারি।

    – আমাকে একটি গান শোনাও না।

    – আমি যে হারমোনিয়াম আনিনি। খালি গলায় শোনাতে হবে।

    – খালি গলায়ই  শোনাও।

    আলেয়া আপু গাইছিল —

    ‘গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে,

    বলো কী হবে

    জীবন পাতার ছিন্ন পাতায় শুধু

    বেহিসাবে পড়ে রবে।’

    আলেয়া আপু প্রায়ই আমাকে গান শোনাত। আমি গ্রামে থাকতাম । অনেক ভালো গান তখন কখনও শুনিনি, জানতাম না অনেক গানের কথা। মনে পড়ে একদিন কালি সন্ধ্যায় আলেয়া আপু বলেছিল, চলো পুকুর ধারে যাই। জলের শব্দ শুনব। জলের উপর দেখব  চাঁদের ছায়া। আমি বললাম, পুকুর তো বন্যার জলে ভেসে গেছে।

    তবুও চলো, দেখব।

    সেদিন আকাশে উঠেছিল ত্রয়োদশী চাঁদ। সত্যি অপূর্ব জোছনায় ভাসছিল জল। কাঁঠাল গাছের গুড়িতে বসে আমরা জলছবি দেখি। আলেয়া আপু আবৃত্তি করছিল –

    “কেন মিছে নক্ষত্রেরা আসে আর? কেন মিছে জেগে ওঠে নীলাভ আকাশ?

    কেন চাঁদ ভেসে ওঠেঃ সোনার ময়ূরপঙ্খী অশ্বত্থের শাখার পিছনে?

    কেন ধুলো সোঁদা গন্ধে ভরে ওঠে শিশিরের চুমো খেয়ে- গুচ্ছে গুচ্ছে ফুটে ওঠে কাশ?’”

    ৩.

    আলেয়া আপু প্রতিদিন সকালে উঠে ময়না পাখিটিকে খাবার খাওয়াতো। হাতের আঁজলায় জল নিয়ে ময়নার ঠোঁট খুলে জল ঢেলে দিত মুখে। আমি আমাদের ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখতাম সেই দৃশ্য। কোনও কোনদিন কাছে গিয়ে বলতাম –

    ময়নাটা কেমন কিচিরমিচির করছে। তোমার সাথে কথা বলতে চায়।

    – ও বলবে না কথা। রাগ করেছে।

    – রাগ ভাঙাও।

    আমি বললাম, আমি যদি তোমার ময়না পাখি হতাম ঠিকই তোমার সাথে কথা বলতাম। কখনোই রাগ করতাম না!

    আলেয়া আপু আমার থুতনিতে টোকা দিয়ে বলে– ও আমার ময়না পাখিরে! তাই !

    আমাদের বাড়িতে পিয়ারা গাছ ছিল। আমি কাঁচা ঢাসা পিয়ারা পেড়ে এনে আলেয়া আপুকে খেতে  দিতাম। মাঝে মাঝে কাঁচা পিয়ারায় কামড় দিয়ে আপু বলত, এটি আমি খেতে পারছি না। এটি তুমি খাও।’ আমাদের একটি জাম্বুরা গাছও ছিল। জাম্বুরা পাকলে ভিতরের কোয়া গুলো টকটকে গোলাপি রঙের হতো। আলেয়া আপু জাম্বুরার কোয়াগুলো খেয়ে ঠোঁট ও জিহবা গোলাপি রঙ করে ফেলত। আমি বিস্ময় চোখে তাকিয়ে দেখতাম তা। আলেয়া আপু বলত – আমার ঠোঁট তোমার ভালো লাগছে! বলতাম, হ্যাঁ।

    আলেয়া আপু বলে – তুমিও কী রাঙাবে তোমার ঠোঁট? এস, রাঙিয়ে দিই।

    আর একদিন বিকালবেলা বাবাকে বলে নৌকায় করে ধনিদহ বিলে আমি আলেয়া আপু ও আলেয়া আপুর ছোট ভাই আদিব শাপলা আর কলমীলতা দেখতে যাই। নৌকা বাইছিল আমাদের বাড়ির কৃষি কর্মী সমীর আলী। দিগন্ত জুড়ে পানি থৈথৈ করছে। উপরে নীল আকাশ। সমীর আলীর বৈঠার শব্দে পানি ছলাৎ ছলাৎ শব্দ হচ্ছে। গাংচিল উড়ছে আকাশে। আমাদের নৌকা বিলের শাপলা ফুলের ভিতর দিয়ে চলছিল।  আলেয়া আপু শাপলা ফুল ছিঁড়ছিল আর জল ছুঁইছিল দুহাত দিয়ে।  কী অদ্ভুত করে নেমে আসছিল সেদিন সন্ধ্যা। আলেয়া আপু আমাকে ডাক দেয় – রঞ্জন!

    বললাম – জ্বি।

    – এখন তো গানের সময়! গান শুনবে না?

    – শুনব, গাও।

    আলেয়া আপু খালি কণ্ঠে গাইতে থাকে —

    এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়

    একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু

    কোন রক্তিম পলাশের স্বপ্ন

    মোর অন্তরে ছড়ালে গো বন্ধু!

    ….…

    বাতাসের কথা সে-তো কথা নয়

    রুপকথা ঝরে তার বাঁশিতে

    আমাদেরও মুখে কোন কথা নেই

    শুধু দু’টি আঁখি ভরে রাখি হাসিতে।

    আলেয়া আপুর কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে আমিও তার সাথে গাইছিলাম —

    ‘কিছু পরে দূরে তারা জ্বলবে

    হয়ত তখন তুমি বলবে

    জানি মালা কেন গলে পড়ালে গো বন্ধু।’

    ৪.

    দেখতে দেখতে দুই আড়াই মাস চলে যায়। দিনে দিনেই যুদ্ধের মোড় বদলাতে থাকে। বন্যার পানি সরে গিয়ে চরাচর জাগতে থাকে।  মনে হচ্ছিল বিজয় আসতে এখন  শুধু সময়ের ব্যাপার  মাত্র। মন প্রফুল্ল হওয়ার পাশাপাশি মনটা বিষাদেও জড়াচ্ছিল খুব । মন বলছিল – এই যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে আলেয়া আপু’রাও শহরে চলে যাবে। কতদূর সেই শহর!

    আমি আর আলেয়া আপু দুজন ইতোমধ্যে খুব ভালো বন্ধু হয়ে উঠি। কত খুনসুটি, কত লেনদেন। কত কথা বলতাম চাঁদনি রাতে উঠোনে শীতল পাটিতে বসে। আলেয়া আপু গুনগুন করে সুর তুলত — ‘আকাশে ঐ মিটিমিটি তারার সাথে কইব কথা, নাইবা তুমি শুনলে।’  যদিও অসম বয়স ছিল আমাদের। বিজয় ধেয়ে আসছে ভেবে মনবীণার তারে কেমন যেন টান লাগতে থাকে। মনে হচ্ছিল এই তার বুঝি ছিঁড়ে যাবে যে কোনও দিন, যে কোনও ক্ষণে।

    সেদিন ছিল হেমন্তের সন্ধ্যা। আমাদের কুসুমপুর গ্রাম ছিল গাছপালায় আশ্চর্য ছায়াছন্ন। প্রসন্ন নির্জনতায় আঁধার নেমে আসছিল তখন। বাড়ির পূর্বদিকে পুকুরপাড়। ঠিক তার পিছনটায় বাঁশ ঝাড়। রাত্রি আগমনের পদধ্বনি বাজছিল পাখিদের গানে। বুলবুলি, দোয়েল, হাঁড়িচাচা শিস দিচ্ছিল। আমি আর আলেয়া আপু হাঁটছিলাম বাঁশবনের পথে। পায়ের স্পর্শ লেগে শুকনো পাতাগুলো মর্মর করে শব্দ হচ্ছিল। দুজনেই নিশ্চুপ ছিলাম কিছুক্ষণ। আমি কম্পিত স্বরে আলেয়া আপুকে ডাকি – আপু।

    – কী!

    – তুমি চলে গেলে আমি খুব কাঁদব।

    – পাগল ছেলে, কাঁদবে কেন?

    আলেয়া আপু আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে। গভীর মমতায় আলিঙ্গনাবদ্ধ করে রাখে অনেকক্ষণ।

    সেই সজলঘন নির্জনতায় বুকের সঙ্গে বুক জড়িয়ে নিবিড় গাঢ় স্বরে আপু  বলে — ‘তুমি কী আমাকে ভালোবাসো?’

    – হ্যাঁ, আপু। তোমাকে অনেক  ভালোবাসি।

    –  এখনও তুমি অনেক ছোট। এত ছোট বয়সে বড়ো করে ভালোবাসতে নেই। কষ্ট পাবে। তোমার স্পর্শ  বুকে নিয়ে কেবল বয়ে বেড়ানো যায়। অন্য কিছু না। তুমি আরও বড়ো হও। বড়ো হয়ে যেদিন আমায় অনেক ভালোবাসা দিতে পারবে সেদিন আমি নিজেই উন্মুখ হয়ে আমার সবকিছু তোমাকে দিয়ে দেবো।

    ****

    অবশেষে চলে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ!

    ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭১ইং, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে বারবার ঘোষণা হচ্ছিল —

    ‘পূর্ব রণাঙ্গনে ভারতীয় ও বাংলাদেশি যৌথ বাহিনীর জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ইন চিফ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে, পাকিস্তান পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ড বাংলাদেশে অবস্থানরত পাকিস্তানের সব সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে আত্মসমর্পণ করেছে। “

    বিজয়ের সেই ক্ষণে কুসুমপুর গ্রামের মানুষেরা আনন্দ উল্লাসে ফেটে পড়ে। জয়বাংলা শ্লোগানে আকাশ বাতাস মুখরিত হয়ে উঠতে থাকে। রেডিওতে গান বাজতে থাকে -“পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে রক্তলাল রক্তলাল! প্রলয় এসেছে কোন্ সমুদ্রে রক্তলাল রক্তলাল” ‘জয় বাংলা বাংলার জয়।”

    তখন অপরাহ্ন সময়। আলেয়া আপু রেডিওতে ঘোষণা শুনে  দৌড়ে ঘরের ভিতর চলে যায়। ভিতর থেকে  ময়না পাখির খাঁচাটি উঠোনে নিয়ে আসে। তা ধিন্ ধিনের মতো নেচে নেচে ময়না পাখিকে সে বলে – “রাধা, কৃষ্ণ কও।”

    ময়না পাখিও বলে ওঠে – “রাধা, কৃষ্ণ কও।”

    আলেয়া আপু’রা ছিল হিন্দু পরিবার৷ এই কথা বাবা ছাড়া কেউ জানত না।

    আলেয়া আপু’রা আরও দুই দিন আমাদের বাড়িতে ছিল। যেদিন আপু’রা চলে যাবে সেদিন  সকালবেলা একটি ঘোড়ার গাড়ি এসে আমাদের বাড়ির পাশে এসে থামে। দেখলাম – শওকত চাচার পরনে সাদা ধূতি ও পাঞ্জাবি। চাচীমার সিঁথিতে সিঁদুর। আলেয়া আপু পরেছে লাল সবুজ সালোয়ার কামিজ। ওনারা সবাই টমটমে গিয়ে উঠে। যাবার সময় আলেয়া আপু আমাকে কাছে ডেকে বলে -‘ তুমি তোমার এই জয়ন্তী দিদিকে কখনও ভুলে যাবে না।’

    পরিশিষ্ট –

    জয়ন্তী দিদি’রা চলে যাবার তিনমাস পর বাবা একদিন শহরে যান। মহুকুমা অফিসের সেরেস্তায় গিয়ে জানতে পারেন – শ্রী সুবিমল রায় ( শওকত চাচা) বদলি হয়ে চলে গেছেন দূরের অন্য আর এক শহরে।

    এরপর কত বছর চলে গেছে। কতদিন কত রাত্রির উপরে চুপিসারে আমার দীর্ঘশ্বাস ঝরে পড়েছে। মহাকালের ললাটের উপর ঝরেছে অশ্রুবিন্দু। অস্ফুট করে জয়ন্তী দিদিকে কত ডেকেছি বেদনা মর্মর মুহূর্তে। বলেছি – ‘দিদি, আমি কত বড়ো হয়ে বুড়ো হয়ে গেলাম। কই, তুমি উন্মুখ হয়ে আমাকে আর ভালোবাসা দিতে এলে না তো।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার
    Next Article এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    কোয়েল তালুকদার

    মৃত কৈটভ ১ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    কোয়েল তালুকদার

    দাঁড়াও সময় (কাব্যগ্রন্থ) – কোয়েল তালুকদার

    January 6, 2026
    কোয়েল তালুকদার

    মাধবীরা কেউ নেই – কোয়েল তালুকদার

    January 5, 2026
    কোয়েল তালুকদার

    শুক্লপক্ষের তারা – কোয়েল তালুকদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }