Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কংসাবতীর তীরে – কোয়েল তালুকদার

    কোয়েল তালুকদার এক পাতা গল্প138 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. ব্যাক বেঞ্চ

    ইউনিভার্সিটিতে ক্লাস শুরুর প্রথম দিনেই ক্লাসে যেতে আমি দেরি করে ফেলেছিলাম। ক্লাস শুরু হয়ে গেলে সামনের দরজা দিয়ে রুমে ঢোকার নিয়ম ছিল না । তাই আমি পিছনের দরজা দিয়ে ঢুকে ব্যাক বেঞ্চে গিয়ে বসে পড়ি। ঐ ব্যাক বেঞ্চে বসতে গিয়ে দেখি আরও একটি মেয়ে বসে আছে।

    ক্লাস শেষ হলে করিডোরে এসে দাঁড়াই। পাশে বসা ঐ মেয়েটি অনেকটা কাছাকাছি আমার পাশে এসে দাঁড়িয়ে থাকে। দুজনেই চুপচাপ। কোনো কথা নেই। তারপর প্রথম কথা আমিই বলেছিলাম ওকে — তোমার নাম কী?

    — মরিয়ম।

    — কোথায় থেকে এসেছ?

    — বানরীপাড়া, বরিশাল ।

    তারপর এককথা, দু’কথা। তারপর দিনকয়েকের মধ্যে এই মেয়েটিই আমার বন্ধু হয়ে গেল।

    ক্লাসে আমরা ষাট জনের মতো ছেলেমেয়ে ছিলাম। তার ভিতর অর্ধেক ছিল মেয়ে। সব মেয়েদের ভিতর এই মেয়েটি ছিল সবচেয়ে নিরীহ ও সাধারণ । অন্যসব মেয়েরা ছিল তুলনামূলকভাবে আধুনিক। মরিয়ম ছিল গ্রাম থেকে আসা অতি সাধারণ একটি মেয়ে। আর এই মেয়েটি আমার বন্ধু হলো।

    মেয়েটিকে ক্লাসের অন্যসব ছেলেমেয়েরা খুব একটা পাত্তা দিত না। সবাই কেমন অবজ্ঞা করত। মেয়েটি ঠিকমতো কথাও বলতে পারত না। কথায় গ্রাম্য টান চলে আসত। চালচলন ছিল সাদামাটা। কোনো রূপসজ্জা করত না। একদম নিরাভরণ ছিল। আমি পর্যবেক্ষণ করেছি সবমিলিয়ে ওর দুই তিনটে সালোয়ার কামিজ ছিল।

    মেয়েটির সাথে কথা বলতে বলতে এবং ওর সাথে মিশতে মিশতে ওকে ভালো লেগে যায়। ওর ভিতর লুকিয়ে থাকা একটা অনন্য মাধুর্য রূপ ছিল। যা আমি আমার চোখে দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম।

    মরিয়মের গায়ের রং ছিল শ্যামলা ধরণের গৌরীয়। চুল ছিল কালো। সবসময় সাধারণ খোপা করে বেঁধে রাখত। প্রায়ই ওর চুল থেকে সুগন্ধি তেলের গন্ধ পেতাম। খুব একটা দামি তেল নয়। ওর চোখদুটো ছিল টানাটানা। অন্য মেয়েরা যেখানে আইব্রাউ করত মাসকারা লাগাত। মরিয়ম তা করত না। চোখের পাতার পালকগুলো ছিল ঘন। ঠোঁট ছিল নজরকাড়া কিন্তু লিপস্টিক দিয়ে তা রাঙিয়ে রাখত না। ওর ত্বক ছিল কোমল ও মসৃণ। শরীরের ভাজ ছিল সেতারের তারের মতো টানটান। সুডৌল শরীর সৌষ্ঠব। লম্বা পা। কোথাও বাড়তি কোনো মেদ নেই । গ্রামের একটি মেয়ে যে এমন রূপশ্রী হয়, তা সাধারণভাবে বোঝা যেত না।

    প্রথম দিনের মতো আমরা দুজন বেশির ভাগ সময় ব্যাক বেঞ্চেই বসতাম। ক্লাস শেষ হলে ঘুরেফিরে সেই আমরা দুজন। সেমিনার কক্ষে কিংবা লাইব্রেরিতে গিয়ে পড়াশোনা করতাম, টিফিনের সময় টিফিন খাওয়া সব একসাথেই। এইরকম একসাথে চলতে চলতে আমরা দুজন সম্পর্কে জড়িয়ে যাই।

    একদিনের কথা। ইউনিভার্সিটিতে ঐদিন হঠাৎ করেই একটি ছাত্র সংগঠন ধর্মঘট ডেকেছে। কোনও ক্লাস হবে না। মরিয়ম বলছিল – কী করব থেকে? বাসায় চলে যাই।

    ওকে বললাম – চলো কোথাও থেকে ঘুরে আসি।

    — কোথায় যাবে?

    — কোনও নদীর পাড়ে, কিংবা শালবনে । তোমার যেখানে যেতে মন চায়, সেখানেই চলো।

    — অনেকদিন ধরে সন্ধ্যা নদী দেখা হয় না। খুব মনে পড়ে আমাদের ঐ নদীর কথা। জলের ধ্বনি শুনতে ইচ্ছা করছে খুব , জলের ঢেউও দেখতে ইচ্ছে করছে।  চলো, কোনও নদীর পাড়ে চলে যাই।

    ওকে বললাম — তাহলে চলো, বুড়ীগঙ্গার তীরে।

    — আচ্ছা।

    চানখার পুলের কাছে থেকে আমরা একটি রিকশায় উঠি। রিকশার হুডি ফেলে কাটাসুর আর ফরিদাবাদের সরু গলির রাস্তা পেরিয়ে চলে যাই বুড়িগঙ্গার তীরে। নদীর কূল ছিল তখন জনারণ্য। কোথাও নিরিবিলি একটুও বসার জায়গা নেই। সারা নদী জুড়ে নৌকা আর লঞ্চ। লঞ্চের ভেঁপু’র শব্দে জলের ধ্বনি আর শোনা হলো না।  আমরা ফিরে চলে আসি ওয়ারীর  বলধা গার্ডেনে।

    গার্ডেনের গেট দিয়ে ঢুকে সাইকীতে চলে যাই। সাইকীতে আছে  নীল, লাল, সাদা, হলুদ, জাতের শাপলায় ভরা অনেক গুলো শাপলা হাউজ, বিরল প্রজাতির দেশী বিদেশী ক্যাকটাস, অর্কিড, এনথুরিয়াম, ভূজ্জপত্র গাছ, বিচিত্র বকুল, আমাজান লিলি ও সুরংগ সহ একটি ছায়াতর ঘর। আমরা গিয়ে ঐ ছায়াতর ঘরটিতে বসি। তখন ছিল আসন্ন দুপুর। চারদিকে থৈথৈ নীরবতা। অজানা অচেনা সব ফুলের গন্ধ ভেসে আসছিল!

    মরিয়ম বলছিল এত অদ্ভুত সুন্দর এই জায়গা! এত ছায়াময়!  এত ফুল চারদিকে!  এত ফুল ফুটে আছে!  আমার কী যে ভালো লাগছে!

    আমি ওকে বললাম — তাহলে একটা অভিজ্ঞান রেখে দাও এই অপূর্ব সুন্দর  মুহূর্তটির উপর।

    — কী অভিজ্ঞান?  বুঝিনি।

    — বোঝো নি?

    — না।

    — আদর।

    — দাও। নাও।

    এই প্রথম কোনো লাল টকটকে একটি ক্যাকটাসের কাঁটায় আমরা রক্তাক্ত হলাম।

    ****

    মরিয়ম থাকত ওর দূর সম্পর্কের এক মামার বাসায়। ঐ পরিবারের সাথে কথা ছিল যতশীঘ্র হোস্টেলে সিট পেলে মরিয়ম হোস্টেলে চলে যাবে। ও চেষ্টা করছিল হোস্টেলে সিটের জন্য। আবেদনও করে রেখেছিল। মরিয়ম হোস্টেলে সিট পেয়ে যায়৷ এবং  চলে আসে হোস্টেলে।

    হোস্টেলে ওঠার পর প্রথম যেদিন মরিয়ম ক্লাসে আসে ওকে সেদিন খুব উৎফুল্ল লাগছিল। ওকে বললাম – খুব আনন্দে আছ বুঝি!

    — হ্যাঁ, খুব ভালো লাগছে। আমার রুমমেট আমার অনেক  সিনিয়র । মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষা দেবে। নাম এষা। আমি ওনাকে এষা আপু বলে ডাকি। আমাকে প্রথম দিনই অনেক আপন করে নিয়েছে। আমাকে বলেছে — তুমি খুব ভালো মেয়ে।

    আমি বললাম — তাই?

    — হ্যাঁ।

    মরিয়ম ওর দু’হাতের আঙুল দেখিয়ে বলে — দেখ, উনি আমার নখে নেইলপালিশ লাগিয়ে  দিয়েছে।  নেইলপালিশ মাখতে মাখতে আপু বলছিল — তোমার এত সুন্দর হাত, এত সুন্দর নোখ! আর এই নোখে কোনো নেইলপালিশ মাখা নেই!  তাই কী হয়!

    জুতা খুলে পা দেখিয়ে বলে — এই দেখো আমার পায়ের নোখেও নেইলপালিশ দিয়ে দিয়েছে।

    আমি ওকে বললাম — খুব ভালো। তুমি একজন চমৎকার আপু পেয়েছ!

    – জ্বী।

    ক্লাস শেষে মরিয়মকে বলি — চলো, লাইব্রেরি বারান্দায় গিয়ে একটু বসি। দুজন ফুসকা খাব। চৈত্রের বিকালের কড়ই গাছের পাতা ঝরা দেখব। তোমার রাঙানো হাতের নোখ ছুঁয়ে বলব — ‘ভালোবাসি তোমাকে, ভালোবাসি তোমাকে এই রাঙা আঙ্গুলের সৌন্দর্য মাধুর্যের মতো।’

    মরিয়ম বলছিল — আজ দেরি করতে পারব না লক্ষীটি। এষা আপু আমাকে তাড়াতাড়ি যেতে বলেছে। আর একদিন বসবো লাইব্রেরি চত্বরে।

    আরেকদিন মরিয়মকে ক্লাসে দেখে তো অবাক হই। চুল  পিঠের উপর ছড়িয়ে আছে। খোঁপা বাঁধা নেই। দামী  সালোয়ার কামিজ পরেছে। ক্লাসের অনেকেই ওকে দেখে বিস্ময়ে অভিভূত হয়। অনেককে আবার দেখলাম, বন্ধুত্ব করার জন্য ওর সাথে খাতির করছে। আমি  প্রতিদিনের মতো আজও ব্যাক বেঞ্চেই বসেছিলাম। মরিয়ম বসেছিল সামনের বেঞ্চে অন্য সহপাঠীদের সাথে। ব্যাক বেঞ্চে আমার পাশে এসে আজ আর বসলো না।

    ক্লাস শেষ হলে আমি করিডোরে এসে দাঁড়িয়ে ওর জন্য অপেক্ষা করি। মরিয়ম  চলে আসে। ওকে বললাম — তোমাকে তো চেনাই যাচ্ছে না। একদম তিলোত্তমার মতো লাগছে।

    ও বলছিল — ‘আর বলো না। এষা আপু এইসব করেছে। সেই আমাকে চুল কেটে মাথায় শ্যাম্পু করে দিয়েছে। নতুন সালোয়ার কামিজ কিনে দিয়েছে। সে আমাকে বলেছে — ‘তুমি আমার ছোট হলেও  তুমি আমার পরমা বন্ধুও একজন।’

    আমি মরিয়মকে বললাম — তোমার এষা আপু খুব বড়োলোকের মেয়ে  তাই না?

    — হ্যাঁ, উনি বড়োলোকের মেয়ে। চট্টগ্রামে ওনার বাবা শিপিং এর ব্যাবসা করেন। আমি সালোয়ার কামিজ নিতে চাই নি। উনি আমাকে জোর করে কিনে দিয়েছে। তাও একটি নয়। চারটি।

    আমি ওকে বললাম, আজও কী তাড়াতাড়ি চলে যাবে? চলো না, কোথাও গিয়ে বসি। মরিয়ম মাথা নেড়ে সম্মতি জানালো। আমরা সেদিন কিছুক্ষণ বসেছিলাম ক্যাম্পাসের সবুজ ঘাসের উপর। প্রাণ খুলে খুব বেশি কথা বলা হলো না ওর সাথে। মনে  মনে বলছিলাম ওকে — ‘তোমার হৃদয় আজ ঘাস’।

    খুব ঘনঘন  মরিয়মের বেশভূষা ও গেটআপে পরিবর্তন দেখতে পাই। একটি সাধারণ মেয়ে দিনে দিনে অসাধারণ হয়ে উঠতে থাকে। একটি নির্জন লাবণ্যময়ী মেয়ে  হয়ে ওঠে ধ্রুপদী সৌন্দর্যের অধিকারিণী একটি মেয়ে। এইরকম সৌন্দর্যের মেয়েকেও অন্যরকম রূপবতী দেখায়। আমিও ওর এই রূপকে চেয়ে চেয়ে  উপভোগ করতাম।

    কিন্তু মরিয়ম আমাকে আগের মতো আর সময় দেয় না। একদিন ওকে বললাম — একজন এষা আপুকে পেয়ে তুমি আমাকে ভুলেই যাচ্ছ। উনি বুঝি তোমাকে খুব আদর করেন?

    — জ্বী, অনেক আদর করেন আমাকে। উনি আর একা  এক খাটে ঘুমাতে পারেন না। আমাকে ওনার কাছে গিয়ে শুইতে হয়। আমাকে জড়িয়ে ধরে  ঘুমান। আমি ওনার কাছে না শুইলে ওনার চোখে ঘুম আসে না। আমার শরীরের গন্ধে নাকি ওনার চোখে ঘুম চলে  আসে।

    আমি বললাম — খুব ভালো। এত সুন্দর একজন আপু তুমি পেয়েছ , যে তোমাকে সারাক্ষণ আদরে সোহাগে আর ভালোবাসায় জড়িয়ে রাখে।

    দিন যত যেতে থাকে মরিয়মও কেমন যেন বদলে যেতে থাকে। এখন প্রায়ই সে ক্লাসে আসে না। পড়াশোনায় আগের মতো মনোযোগ  নেই। আমি ওকে বলতাম, কী হয়েছে তোমার?  কোনও কিছুই বলত না ও।  কখনও হেয়ালি করে বলতাম –‘ তুমি এত সুন্দরী হয়ে গেছ, এত আগুনপোড়া রূপ তোমার !  তোমার তো আনন্দে থাকার কথা। তা এত বিষাদ নিয়ে থাকো কেন?’ মরিয়ম নির্বিকার থাকত।

    একদিনের ঘটনা দেখে আমি বিষাদে নিমগ্ন হয়ে যাই। সেই নিমগ্নতা আজও কাটিয়ে উঠতে পারিনি।  মরিয়ম সেদিন গলায় ওড়না পেচিয়ে ক্লাসে এসেছিল।  আমি ওকে বলি- তোমার কী ঠাণ্ডা লেগেছে?  মরিয়ম বলে- না।

    — তবে কী হয়েছে?

    — কিছু না।

    দুটো ক্লাস করার পর মরিয়ম বললো — ভাল লাগছে না। হোস্টেলে চলে যাব। আমি বললাম — চলো, হারিস মামার দোকানে বসে দুজন চা খাই। তারপর তুমি চলে যেও রুমে।

    — আচ্ছা।  চলো।

    চা খেতে গিয়ে মরিয়ম ম্যাসিভ একটি বিষম খায়। গলা থেকে সে ওড়নাটা সরিয়ে ফেলে। দেখতে পেলাম ওর গলায় জখমের চিহ্ন। আমি চমকে উঠি। কেমন যেন বুনো কামড়ের  দাগের মতো মনে হলো। কোনো কথা বলছিলাম না। মরিয়ম দ্রুত ওড়নাটা পুনরায়  গলায় পেচিয়ে নেয়।

    মরিয়ম  একদিন বলছিল — এষা আপু সম্ভবত জার্মানি চলে যাবেন এমফিল করার জন্য।  আমি বললাম,  তোমার কী এজন্য মন খারাপ?

    — হ্যাঁ।

    — তা কবে যাবেন উনি ?

    — আমাদের সামার ভ্যাকেশনের ভিতরই চলে যাবেন ।

    এরপর ইউনিভার্সিটি সামারের ছুটি হয়ে যায়। দুই মাস ক্লাস বন্ধ থাকবে। আমি গ্রামের বাড়ি চলে যাই। বাড়িতে যাবার আগে  মরিয়মকে বলেছিলাম — তুমি বাড়ি যাবে না?

    — না। এষা আপু যেতে দেবে না।

    মরিয়মই বলছিল — চলো কোথাও যাই।  মনটা ভালো লাগছে না।  বললাম, কোথায় যাবে?

    — তুমি যেখানে নিয়ে যাবে। সেখানেই যাব।

    আমি বললাম — আজ আর কোথাও যাব না।

    দেখলাম — মরিয়ম কাঁদছে।

    ****

    ভ্যাকেশন শেষে ফিরে আসি  ইউনিভার্সিটিতে। ঢাকায় পৌঁছতে পৌঁছতে সন্ধ্যা হয়ে যায় । হোস্টেলের রুমের তালা খুলে ভিতরে ঢুকি । রুম ভর্তি গাঢ় অন্ধকার। দু’মাসের বদ্ধ রুম থেকে  কেমন যেন একটি ভ্যাপসা গন্ধ নাকে এল। লাইট জ্বালাই। দরজার ফাঁক দিয়ে ডাকপিওন একটি চিঠি মেঝেতে ফেলে রেখে গেছে । খামের উপর লেখা দেখে বুঝতে পারলাম চিঠিটি লিখেছে মরিয়ম।

    চির-কল্যাণীয়েষু

    রঞ্জন,

    আমি এই দেশ ছেড়ে  সুদূর জার্মানিতে চলে যাচ্ছি। আমার পাসপোর্ট, ভিসা, অর্থ সবই এষা আপু ব্যবস্থা করেছেন।  তোমাকে আমার জীবনের অনেক কথা বলা হয়নি।  এখনও বলতে পারছি না।  শুধু এইটুকু বলছি — আমার জীবনধারা বদলে গেছে। এষা আপু বলেছে — আমাকে ছাড়া উনি নাকি বাঁচবেন না। তাই উনি আমাকে জার্মানিতে নিয়ে যাচ্ছে। ওখানে ওনার সাথেই থাকব। সে আমাকে একটি ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি করে দেবে।

    জানি না কেমন থাকব। তোমার কথা খুব মনে পড়বে। তুমি এত ভালো ছেলে ছিলে!  কী পরম সৌভাগ্য হয়েছিল আমার,  তোমাকে আমার জীবনের করে নিতে পারতাম।  বিধাতা আমাকে অমূল্য কিছু  দিয়েছিল ঠিকই , কিন্তু আমিই তা গ্রহণ করিনি।

    বার্লিন শহরের পাশে নাকি নীল জলের হ্যাভেল নদী প্রবাহিত। কোনও বসন্ত বিকালে ঐ নদীর তীরে যখন একাকী  ঘুরব, তখন মনে পড়বে আমাদের সন্ধ্যা নদীর কথা। যার তীরে কেটেছিল আমার শৈশব ও তারুণ্যের স্মৃতিক্ষরিত সময়কাল। পুরনো ঢাকার বলধা গার্ডেনের মতো কোনও উদ্যান  ঐ শহরেও হয়তো দেখতে পাব। সেই  উদ্যানেও হয়তো ফুটে থাকবে অজস্র অর্কিড, আমাজন লিলি ও লাল ক্যাকটাস। মনে পড়বে  এক দুপুরের একটি ক্যাকটাসের রক্তাক্ত হওয়ার কথা! কী শিহরণই না ছিল ঐ স্বর্গীয় মুহূর্তের!

    আমার সবচেয়ে প্রিয় ছিল  তোমার দুটো চোখ। কী যে  মায়াময় তার চাহনি! ঐ চোখে কোনও অশ্রু ঝরা মানায় না।  তুমি কখনোই আমার জন্য কাঁদবে না।  এই জীবনে যত কান্না আছে তা আমিই কেঁদে নেব।

    তোমার জীবনকে সুন্দর রেখো।

    — মরিয়ম।

    ****

    চিঠিটি পড়ে ঘরের আলোটা নিভিয়ে শুয়ে পড়ি। ভ্রমণে এত ক্লান্ত ছিলাম যে, কখন ঘুমিয়ে পড়েছিলাম  জানি না। সকালে ঘুম ভাঙে একটু দেরিতে। ভ্যাকেশনের পর আজ প্রথম ক্লাসে যাই। সেই প্রথম দিনের মতো আজকেও যেতে দেরি হয়ে গেল।  গিয়ে দেখি ক্লাস শুরু হয়ে গেছে। আমি পিছনের দরজা দিয়ে  ঢুকে ব্যাক বেঞ্চে গিয়ে বসি। আজ আর ঐ বেঞ্চে কেউ বসে নেই। আমি একাই বসেছিলাম ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার
    Next Article এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    কোয়েল তালুকদার

    মৃত কৈটভ ১ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    কোয়েল তালুকদার

    দাঁড়াও সময় (কাব্যগ্রন্থ) – কোয়েল তালুকদার

    January 6, 2026
    কোয়েল তালুকদার

    মাধবীরা কেউ নেই – কোয়েল তালুকদার

    January 5, 2026
    কোয়েল তালুকদার

    শুক্লপক্ষের তারা – কোয়েল তালুকদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }