Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    শ্রীপারাবত এক পাতা গল্প213 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কিতাগড় – ৮

    ৮

    ত্রিভন অবাক হয়ে রাজাদের কথা ভাবে। শিবিরের বাইরে তাদের আসতে দেখা গেল না একবারও। ভয় পেয়েছি নাকি? তীরের ভয়?

    ভয়টা অমূলক নয়। তৈরী হয়েই ছিল ত্রিভন। তাঁবুর বাইরে একবার এলে ফিরে যেতে হবে না। তবু নিজের দলের দুর্গতি দেখেও বাইরে আসার প্রয়োজন বোধ করল না? এ আবার কেমন রাজা? এদের বাপরাও বোধ হয় এমন ছিল। তাই দিনের পর দিন প্রজারা সুখনিদির কড়ি গুনে এল অথচ সতেরখানির দিকে তেড়ে আসার মতো বুকের পাটা হয়নি রাজাদের। রান্‌কোর দিকে দৃষ্টি ফেলে ত্রিভন। চোয়াড়দের দিকেও তাকায়। তারাও বোধহয় একই কথা ভাবছে। সঙ্কোচে মুখ লাল হয়ে ওঠে তার। সে নিজেও যে রাজা।

    —আপনিও তো আমাদের রাজা। রান্‌কো বলে ওঠে।

    ত্রিভন চমকায়।

    —কত তফাৎ। তাই আমাদের চোয়াড়দের সঙ্গে ওদের লোকের এত তফাৎ। রান্‌কো দীর্ঘশ্বাস ফেলে।

    জবাব দেয় না ত্ৰিভন।

    শত্রুদের পেছনের দলের কাছে সংবাদ পৌঁছেছে। দূর থেকেও একটা আলোড়ন অনুভব করা যায়। প্রস্তুতির আলোড়ন। এগিয়ে আসবে এবারে।

    —কি করবেন রাজা?

    —দেখব।

    —তীর ছুড়ে ফল হবে?

    —না। কেউ যেন একটা তীরও না ছোড়ে।

    চোয়াড়েরা রাজার আদেশে গা-ঢাকা দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।

    রান্‌কো বুঝতে পারে না তাদের পরবর্তী কার্যক্রম। প্রশ্ন করতে সাহস পায় না রাজাকে গভীর চিন্তার ছাপ রাজার মুখে। সে শুধু পেছনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে।

    সে দেখতে পায়। পেছনের দল এগিয়ে আসছে—এগিয়ে আসছে শ্যামসুন্দরপুর আর অম্বিকানগরের রাজার তাঁবুর দিকে। অসহিষ্ণু হয়ে ওঠে।

    —রাজা।

    —ধৈর্য হারিও না সর্দার। আরও একটু দেখো।

    —ওরা এগিয়ে এলে রাজারা বন্দুক ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

    —জানি।

    —এ পক্ষ থেকে তখন সাড়া না পেলে আরও এগিয়ে আসবে।

    —জানি।

    —তখন? পালিয়ে যাব আমরা? সতেরখানির চোয়াড়রা?

    —না। পেছু হটে যাবে। সম্মুখ যুদ্ধ যেখানে সম্ভব নয়, সেখানে পিছিয়ে যাওয়াকে কাপুরুষতা বলে না।

    —কিন্তু কতদূর? কিতাগড় পর্যন্ত?

    —না। বেশীদূর নয়। হয়তো এখন যেখানে দাঁড়িয়ে আছে, এখান থেকেই দেখবে অত বড় দল পাগলের মতো ছুটে চলেছে নিজের রাজ্যের দিকে

    —সে কি করে সম্ভব?

    —হাঁ সর্দার। বিজলী আমাকে ছেড়ে গেল বলে তোমাকে সে কথা বলার অবসর পাইনি। তুমি কি জান, বুধকিস্‌কু এসেছে আমার সঙ্গে?

    —কোথায়? না!

    —সুখনিদি আদায় করতে গিয়েছে। অনেকদিন আরামে ঘুমিয়েছে অম্বিকানগর আর শ্যামসুন্দরপুরের লোকেরা। এবারে পাওনা দিক।

    কয়েক মুহূর্ত স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে রান্‌কো। মস্তিষ্ক তার দ্রুত কাজ করে চলে। তার পরই আনন্দে চিৎকার করে ওঠে—রাজা। সত্যিই রাজা। আমার রাজা।

    —এ কি সর্দার

    —রাজা।

    শান্ত সমুদ্র যেন উদ্বেলিত হয়ে ওঠে। হাওয়া ছকের মতো মুহূর্তে তা ছড়িয়ে পড়ে প্রতিটি চোয়াড়ের মনে প্রাণে দেহে।

    বৃদ্ধ চোয়াড়টি মাথার চুল ছেড়ে। বোকা—আকাট বোকা সে। নইলে, রাজার সঙ্গে এসে, কিস্‌কু সর্দারকে চলে যেতে দেখেও কেন সে বুঝল না? রাজার এই কৌশল অন্ততঃ তার ধরে ফেলা উচিত ছিল। বৃথাই যুদ্ধ করেছে যুঝার সিংএর আমল থেকে। বৃথাই তার চুলগুলো দেখতে শণের মতো হয়েছে। অন্য চোয়াড়দের কাছে মুখ দেখাবার উপায় রইল না।

    গুড়ুম—মুড়ুম—

    ঢলে পড়ে বৃদ্ধ চোয়াড়। এলোপাথাড়ি গুলির একটি এসে সোজা তার বুকে বেঁধে। অসাবধান ছিল সে। শত্রুদের পেছনের দল কখন যে রাজাদের তাঁবুর সামনে পৌঁছেছে, কখন যে রাজারা নিজেদের নিরাপদ ভেবে সাহসী বীরের মতো তাঁবু থেকে বার হয়ে আন্দাজে গুলি ছুড়লেন- দেখেনি সে। কারও কাছে আর মুখ দেখাতে হল না তার। মরে বেঁচে গেল, যুঝার সিং-এর আমলের বহু যুদ্ধের যোদ্ধা। ঠোঁট দুটো তার বারকয়েক থর থর করে কেঁপে থেমে যায়।

    ত্রিভন আড় চোখে, একবার চেয়ে দেখে। শান্তির কোলে আশ্রয় নিয়েছে চোয়াড়। সবাইকেই হয়তো এভাবে যেতে হবে। আজ না হোক দুদিন পরে।

    —রাজা।

    —বল সর্দার।

    —ওকে চেনেন?

    —না।

    —ওর ছেলে নাগাদের সঙ্গে যুদ্ধে মারা গিয়েছিল। ওর নাতি বেঁচে থাকল শুধু।

    ত্রিভন আর একবার চায় মৃতের মুখের দিকে। খানিকটা রক্ত বার হয়ে এসেছে ঠোটের দুপাশ বেয়ে।

    —নাতিটা যুদ্ধে আসেনি তো?

    —না। কোনোদিনই পারবে না যুদ্ধ করতে। খোঁড়া—জন্ম থেকেই, আর বোবা।

    —আর কেউ নেই?

    —না।

    গুড়ুম গুড়ুম—

    ত্রিভন হেসে ওঠে। রান্‌কো অর্থ বোঝে না সে হাসির।

    —রাজাদের কাণ্ড দেখেছ সর্দার। এক জায়গায় দাঁড়াচ্ছে না। পাছে তীর গিয়ে লক্ষ্যভেদ করে।

    —বন্দুক ছোড়ার সময় একবার চেষ্টা করুন না রাজা।

    —মাথা দুটো আড়ালে থেকে যাচ্ছে। বুকও। সামান্য আহত করে লাভ কি?

    সকাল গড়িয়ে দুপুর হয়। এক পাও এগিয়ে এল না। শত্রুরা। রাজারা ভরসা পায় না। যাদের তীরের আঘাতে এতগুলো লোক ধরাশায়ী হল তারা হাওয়ায় মিলিয়ে যেতে পারে না। নিশ্চয়ই অপেক্ষা করছে—অপেক্ষা করছে অতি নিকটে আরও মারাত্মক রকমের আঘাত হানার জন্যে। সামনের বনটা দিনের আলোতেও রাজাদের মনে বিভীষিকার সৃষ্টি করছে।

    হঠাৎ তাদের মধ্যে একটা ব্যস্ত ভাব দেখা যায়। উত্তেজিত হয়ে ছুটোছুটি শুরু করে তারা। পেছনের আর একদল সৈন্য তাঁবুর সামনে এগিয়ে আসে। হাত পা নেড়ে চিৎকার করে কি সব বলতে শুরু করে। ভীড়ের মধ্যে দুই রাজা আর তাদের বন্দুককে দেখতে পাওয়া যায় না।

    —খবর এসে পৌঁছেছে। ঠোঁট কামড়ায় ত্ৰিভন।

    —হাঁ রাজা। রান্‌কোর চোখদুটো উজ্জ্বল।

    —ধনুক নিয়ে তৈরী থাকতে বল সবাইকে। হুকুম পাবার সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যেকে যেন কম করে চারটে তীর ছুড়তে পারে।

    চোয়াড়ের দল প্রস্তুত হয়।

    বৃদ্ধ চোয়াড়ের মৃতদেহ তখনো নরম। রান্‌কো তার ধনুক তূণ নিয়ে নিজের পাশে রাখে।

    —শত্রুদের পরিষ্কার করার সাধ ছিল এর—দেখে যেতে পারল না। মৃতের মাথা স্পর্শ করে আস্তে আস্তে উচ্চারণ করে রান্‌কো।

    রাজাদের তাঁবুর খুঁটি টেনে উপড়ে ফেলা হয়। সৈন্যরা তাদের জিনিসপত্তর পিঠে বেঁধে নেয়। ঠিক সেই সময়ে চার ঝাঁক তীর গিয়ে বেশ কিছুসংখ্যক লোককে মাটিতে ফেলে দেয়। আর্তনাদ ওঠে শত্রুদের মধ্যে। কান্নার আওয়াজ শুনতে পাওয়া যায়। আহতদের কান্না। যারা মরেছে, তাদের বলার কিছুই নেই, কিন্তু আহতেরা ফিরে যেতে চায় নিজের দেশে—স্ত্রীপুত্রের কাছে। সুখনিদি দিতে না পেরে তারা হয়তো অপরিসীম অত্যাচার সহ্য করছে।

    বিস্মিত চোয়াড়রা দেখে, আহতরা পড়েই রইল। কেউ তাদের তুলে নিয়ে গেল না। দুই রাজা যে যুদ্ধক্ষেত্রে উপস্থিত সেখানে এই অমানুষিক অবিবেচনা ঘটতে দেখে তারা চমকে ওঠে।

    শত্রুরা দৃষ্টির আড়ালে চলে যায় ধীরে ধীরে। আহতেরা হাত পা ছুড়ে কাঁদে।

    —চল রান্‌কো দেখে আসি ওদের। যদি কিছু সাহায্য করতে পারি।

    —বৃদ্ধের মৃতদেহটা?

    —হ্যাঁ, গাঁয়ে নিয়ে যাবার ব্যবস্থা কর এখুনি।

    রান্‌কোর আদেশে পাঁচজন বলিষ্ঠ চোয়াড় সামনে এগিয়ে আসে। বৃদ্ধকে তারা চেনে। বিষণ্ণ-মুখে একটি শিশু শালগাছ কেটে নিয়ে বৃদ্ধের মৃতদেহ সযত্নে তার সঙ্গে বেঁধে ফেলে। শালপাতা হাতে নিয়ে তার বুক আর মুখের শুকিয়ে যাওয়া রক্তটুকু মুছে নেয়। চোয়াড়ের দল স্তব্ধ হয়ে চেয়ে দেখে। চোখ তাদের চিক্‌চক্ করে ওঠে।

    —বিজলী? রান্‌কো প্রশ্ন করে।

    —ও এখানেই থাকবে সর্দার। এখানেই ওর সমাধি। যদি কোনোদিন সুসময় আসে—পাথর খোদাই করে অমর করে রেখে যাব ওকে। আর যদি সে সুযোগ না পাই, তবে বিস্মৃতির মধ্যে ডুবে যাবে ওর নাম, ওর মৃত্যুস্থান—এমনকি সতেরখানির একদিনের ইতিহাস।

    ধারতি দু-চোখ ভরা বিস্ময় নিয়ে রাজার মুখের দিকে চেয়ে থাকে। দুই রাজা যেখানে রাজ্য আক্রমণ করেছে, সেখানে এত তাড়াতাড়ি যুদ্ধ শেষ হওয়া সম্ভব নয়। একটি অমঙ্গলের আশঙ্কায় তার বুকের ভেতর কাঁপতে থাকে।

    কিতাগড়ের ওপর থেকে সে চোয়াড়দের সঙ্গে ফিরতে দেখেছে রাজাকে। পায়ে হেঁটে আসছিল রাজা। বিজলী কোথায়? শত্রুদের বল্লমের খোঁজ বোধহয় সহ্য করতে পারেনি এই বয়সে। কিন্তু রাজার গায়ে তো কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। ঘোড়াকে মেরে ফেলে, রাজাকে ছেড়ে দিতে পারে না তারা। তবে কি পালিয়ে এল সতেরখানির রাজা ত্রিভন সিং ভূঁইয়া? চোখ তুলে সোজা দৃষ্টি ফেলে রাজার ওপর। সে মুখে তখনো কোনো কথা নেই। শুধু একটা ম্লান হাসি লেগে রয়েছে।

    —বিজলী কোথায়?

    —সে নেই। রেখে এলাম। ত্রিভনের চোখ ছলছল করে ওঠে।

    —আর তুমি পালিয়ে এলে? চিৎকার করে ওঠে ধারতি।

    —ধারতি!

    রাজার আর্তনাদে স্তব্ধ হয় রাণী। দেখতে পায় এক অপরিসীম যন্ত্রণায় রাজার মুখ বিকৃত সে টলছে।

    —কি হল তোমার? অমন করছ কেন?

    কথা বলতে পারে না ত্রিভন। শুধু ইসারায়, জানায়, কিছুই হয়নি তার। ধারতি বিশ্বাস করে না। দুই হাতে জড়িয়ে ধরে ত্রিভনকে।

    অনেকক্ষণ চলে যায়। জীবনের সব চাইতে বড় আঘাতকে সামলে নেয় ত্রিভন। ধারতি তাকে কাপুরুষ ভাবে, তাকে অবিশ্বাস করে। এর চাইতে বড় আঘাত আর কি হতে পারে পৃথিবীতে।

    —আমি অন্যায় করেছি রাজা। ক্ষমা কর।

    —ক্ষমার কথা ওঠে না রাণী।

    —আমার মাথার ঠিক নেই। কেমন যেন হয়ে গিয়েছি।

    —খুবই স্বাভাবিক। তাছাড়া অত যত্নে যুদ্ধের বেশে সাজিয়ে দিলে—দুদিনের মধ্যে ফিরে আসব না বলে নয়। আমি রাণী হলে আমারও মাথার ঠিক থাকত না।

    —তুমি অমনভাবে বলছ কেন?

    —লিপুর, এতদিন পরে তুমি আমাকে এইটুকু চিনলে?

    চোখের জলের বাঁধ ভাঙে লিপুরের। রাজা চেয়ে থাকে শুধু। কোথায় যেন একটা বিরাট ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে—সে ফাটলকে আগের মতো করে তোলা খুবই দুঃসাদ্য ব্যাপার।

    ধারতি একসময় ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ায়। রাজার সামনে এসে তাকে প্রণাম করে বলে—বিদায় দাও বাঁশীওলা।

    —কোথায় যাবে?

    আঙুল তুলে ওপর দিকে দেখিয়ে দেয় ধারতি।

    —আত্মহত্যা করবে তুমি?

    —অন্য পথ আছে?

    —আমি তো ক্ষমা করেছি তোমাকে।

    —ক্ষমা পেয়ে বেঁচে থাকা যায় না। যতদিন ক্ষমার প্রশ্ন ওঠে না ততদিনই শুধু বাঁচা যায়। –শোন ধারতি, তুমি শুধু লিপুর নও, তুমি রাণীও। তাই একটা অবিশ্বাস মুহূর্তের জন্যে হলেও তোমার মনে স্থান পেয়েছিল। সেটা সত্যি নয়, শুধু একটা দুঃস্বপ্নের মতো। কালই এর প্রভাব হয়তো থাকবে না।

    —থাকবে রাজা। যতদিন বাঁচব, ততদিন থাকবে।

    —ভুল রাণী। কাঁটারাঞ্জার যে মেয়েটিকে আমি সমস্ত প্রাণ ঢেলে ভালোবাসি তার মন নিয়ে জিনিসটা ভাবতে চেষ্টা কর। তোমার ভুল বুঝতে পারবে। রাণীর মন নিয়ে ভেবো না।

    —সে ভাবে না ভেবে তো পারছি না।

    —তাই বা ভাবছ কই? তুমি জান, সময় ঘনিয়ে আসছে। অজগরের চাপে বিজলীর অপমৃত্যুই তার ইঙ্গিত দিচ্ছ। অম্বিকানগর আর শ্যামসুন্দরপুরের রাজারা দেশে ফিরে গেলেও, দুদিন পরে সব রাজা একসাথে এসে ঝাঁপিয়ে পড়বে তা তুমি জান। তখন? আমি তো আর ফিরব না। লালসিং-এর দায়িত্ব কে নেবে?

    রাণীর চোখ ছাপিয়ে জল গড়িয়ে পড়ে। ত্রিভনের কোলের মধ্যে মুখ গুঁজে ভাঙা ভাঙা স্বরে বলে—ভুলে যাও বাঁশীওলা। কাঁটারাঞ্জার পাথরের ওপর বসে এমন কত অন্যায়ই তো করেছি। কই, আঘাত তো পাওনি কখনো। সতেরখানির রাণী আমি, কিন্তু তোমার তো লিপুরই। ত্রিভনের মনে হয় ফাটলটা এর মধ্যেই অনেকখানি জুড়ে গেল। রাণীকে বুকের কাছে টেনে নেয় সে।

    .

    সীমান্ত ছেড়ে রান্‌কো একদিন কিতাগড়ে ফিরে আসে। ত্রিভন বিস্মিত হয়। সর্দারহীন চোয়াড়দের একা ছেড়ে আসার মতো কি কারণ ঘটল? রান্‌কোর মুখের দিকে চেয়ে কোনো বিপদের আভাস পাওয়া যায় না। বরং প্রফুল্লই মনে হয় তাকে।

    সারিমুর্মু একা এসে বসে এখন কিতাগড়ে। সব সময়ই বিষণ্ণ সে। নিজের ওপর বিরক্ত। এই বিরক্ত-ভাব বুধকিস্‌কু চলে যাবার পর থেকে বিতৃষ্ণায় পরিণত হয়েছে। রোজই রাজাকে সে একবার করে অনুরোধ করে কোনো একটা কাজ দেবার জন্যে। রাজা প্রতিবারই বলেছে তাকে যে তারা কাজ একেবারে শেষ সময়ে—কিতাগড় রক্ষার ভার। এ-কথায় সন্তুষ্ট হয়নি সারিমুর্মু। তার ধারণা রাজা তার ওপর নির্ভর করতে পারে না বলেই ওভাবে ভুলিয়ে রাখছে

    রান্‌কোকে দেখে সারিমুর্মু আনন্দ চেপে রাখতে পারে না। ছুটে গিয়ে জড়িয়ে ধরে বলে—সর্দার।

    —সর্দার। জবাব দেয় রান্‌কো।

    —আমি সর্দার নই। আমি ফালতু। মুমুসর্দারের চোখ ছলছল করে ওঠে।

    —তুমিই সর্দার। কিতাগড়ের আসল সর্দার।

    একটু সন্তুষ্ট হয় যেন সারিমুর্মু। রান্‌কোর চোখে বা কথার কৃত্রিমতার চিহ্ন নেই। সে আবেগের সঙ্গেই কথাগুলো বলে।

    —হাতে ওটা কি? সারিমুর্মু প্রশ্ন করে রান্‌কোর হাতের থলির দিকে চেয়ে।

    —এই জন্যেই তো আসতে হল। রান্‌কো রাজার সামনে এগিয়ে গিয়ে সন্তর্পণে থলিটা নামায়। শব্দ হয়।

    —টাকা? ত্রিভন প্রশ্ন করে।

    —হাঁ রাজা।

    —কোথায় পেলে?

    —সুখনিদি।

    —তার মানে?

    —ত্রিভন আর সারিমুর্মু একসাথে চমকে ওঠে। বুধকিস্‌কু কি তবে মৃত?

    —সর্দার বুধকিস্‌কুর কোনো বিপদ হয়নি রাজা!

    —সে কোথায়?

    —সীমান্তে।

    —তাকে রেখে তুমি চলে এলে?

    —কিছুতেই এলো না। হাতে পায়েও ধরেছি। বলল, নাঃ, এখানেই থাকব। যদি ভাগ্যে থাকে এখানেই মরব।

    —হঠাৎ এ পরিবর্তন কেন?

    —মনে হয় অম্বিকানগর আর শ্যামসুন্দরপুরের প্রতি ঘরে বাঘরায় সোরেণের নাম শুনেছে। আমরা কিছুই খবর রাখি না রাজা, কিন্তু বাঘরায় সোরেণ ও-সব অঞ্চলে বিখ্যাত।

    সারিমুর্মুর বুক দুলে ওঠে। কেন যেন তার চোখ ঝাপসা হয়। ছুট্‌কীর কথা মনে পড়ে হতভাগী—সত্যিই হতভাগী।

    সুখনিদির টাকা গুণে দেখার সময় কিছুক্ষণের জন্যে বিমর্ষতা ত্রিভনের মনকে আচ্ছন্ন করে। কত অত্যাচার সয়েই না টাকাগুলো দিতে হয়েছিল সাধারণ লোকদের। কিন্তু উপায় কি? সতেরখানির লোকেরাও আনন্দে নেই। অনেক দুঃখ, অনেক যন্ত্রণা তারা সহ্য করছে দিনের পর দিন। তাদের জন্যেই এই সুখনিদির একান্ত প্রয়োজন। দীর্ঘদিন ধরে কত পুরুষ বাইরে রয়েছে, তাদের পরিবারের ভার রাজাকেই নিতে হবে।

    —বুধসর্দারের সব লোক ফিরেছে?

    —দুজন ফেরেনি। বড় বেশী লোভে পড়েছিল তারা।

    —হুঁ। অস্বাভাবিক নয়। মানুষ তারা।

    .

    কিতাগড় থেকে বিদায় নিয়ে রান্‌কো নিজের কুটিরের দিকে রওনা হয়। অনেকদিন অযত্নে পড়ে রয়েছে সর্দার পারাউ মুর্মুর বাস্তুভিটে। যে কয়দিন বাটালুকায় থাকবে সংস্কার করবে সে। কিন্তু আবার তো যেতে হবে। শিগগিরই ডাক আসবে। সুখনিদির খবর বরাহভূমে পৌঁছতে বেশী দেরি লাগবে না। এবারে তরফের সবাইকেই হাতিয়ার ধরতে হবে। সালহাই হাঁসদাও বোধ হয় বাদ পড়বে না!

    রান্‌কো একসময়ে দেখে নিজের অজান্তে সালহাই হাঁসদার বাড়ীর কাছাকাছি এসে পড়েছে। ঝাঁপনীর চিন্তা অবচেতন মনে কাজ করে চলেছিল একথা আগে বোঝেনি। কিন্তু বাড়ীর ভেতরে গিয়ে তো ঢুকতে পারে না। ঝাঁপনী বাইরে দাঁড়িয়ে থাকবে এমন আশা করাও বৃথা

    কয়েকটি ছেলেমেয়ে খেলা করছিল শূয়োরের পালের পাশে। ঝাঁপনীর ছেলেমেয়ে। কতগুলো হয়েছে কে জানে। বোধ হয় প্রতি বছরই হয়েছে। কত বছর বিয়ে হয়েছে যেন? ত্রিভন সিং যতদিন রাজা হয়েছেন। কিতাডুংরিতে ঝাঁপনী আর তার ভাগ্য নিয়ন্ত্রণই রাজার জীবনের প্রথম বিচার।

    ছেলেমেয়েগুলোর একটা হঠাৎ চিৎকার করে কেঁদে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে বাড়ীর ভেতর থেকে সালহাইএর হুঙ্কার শোনা যায়। বাচ্চাটা তবু কেঁদে চলে। রান্‌কো তাড়াতাড়ি পা চালিয়ে দেয়। এবারে সালহাই আসবে নিশ্চয়, এসে বাচ্চাগুলোকে ঠেঙাতে সুরু করবে।

    কিন্তু না, সালহাই নয়। পেছনে ফিরে রান্‌কো চেয়ে দেখে ঝাঁপনীই এসেছে, কাঁদুনে বাচ্চাটাকে কোলে তুলে নিয়েছে। থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে রান্‌কো। ঝাঁপনী দেখুক তাকে! কিন্তু তাকায় না ঝাঁপনী বাচ্চাটির চোখ মুছিয়ে দিতে ব্যস্ত। ধমক দেয় অন্যগুলোকে। শেষে বাড়ীর ভেতরে চলে যায়। দীর্ঘশ্বাস বার হয় রান্‌কোর বুক ভেঙে। চলতে শুরু করে সে। অনেকটা পথ ঘুরে যেতে হবে তাকে।

    .

    নিজের কুটিরের সামনে এসে অবাক হয় রান্‌কো। এমন সুন্দরভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে রেখেছে কে? রাজা কি অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিয়েছেন তার অনুপস্থিতে! তাহলে তো তিনি জানিয়ে দিতেন খবরটা। তবে বোধহয় শুকোলরা দেখাশোনা করে। শত হলেও পারাউ সর্দারের ভিটে—সতেরখানিকে তীর্থস্থান। তার ওপর আবার রাণীর জন্মস্থান এটা।

    উঠোনে এসে দাঁড়ায় রান্‌কো। ঝক্‌ঝক্ করছে সমস্ত উঠোন—দাওয়া—দেয়াল। কালই যেন গোবর দিয়ে লেপে রেখে গিয়েছে। মনে মনে লজ্জিত হয় রান্‌কো। সে এখানে থেকেও এমন নিখুঁতভাবে রাখতে পারে না। না থাকাই ভালো তার। পারাউমুর্মুর স্মৃতিটুকু দীর্ঘদিন স্থায়ী হবে।

    দাওয়ার ওপর উঠে শুয়ে পড়ে রান্‌কো। বড় ক্লান্ত। সীমান্তের দিবারাত্রির সজাগ প্রহরী ছিল সে অন্য চোয়াড়দের পালা করে বিশ্রামের সুযোগ দিলেও, নিজের জন্যে সে বিশ্রামের অবসর খুব কমই খুঁজে পেয়েছে। অতবড় দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে অবসর পাওয়া সম্ভব নয়।

    ঘুমিয়ে পড়ে রান্‌কো। ঝাঁপনীর কথা ভাববারও অবসর দেয় না মস্তিষ্ক

    সে ওঠে বেলা গড়িয়ে গেলে। হয়তো আরও ঘুমোতো—রাত্রি এসে ভোরও হয়ে যেতে পারত। কিন্তু প্রচণ্ড তৃষ্ণায় ঘুম যায় ভেঙে। গলা শুকিয়ে উঠেছে।

    কলসি নিয়ে এখন ঝর্ণার যেতে হবে। একথা মনে করতেই অবসাদ অনুভব করে আবার। খাবারেরও ব্যবস্থা করতে হবে একটা কিছু। খাবার না হলে তবু কাটাতে পারবে। কিন্তু জল তার চাই—ই।

    দাওয়ার একপাশে মাটি দিয়ে তৈরী উঁচু জায়গাটায় কলসি রয়েছে। ওখানেই থাকে বরাবর। পারাউমুর্মুর আমল থেকে। সে কাছে গিয়ে হাত দিয়ে দেখে, কানায় কানায় ভর্তি কলসী। অবাক হয় একটু। ভেবে পায় না এইরকম জল-ভরে রেখে গিয়েছিল কি না। নিশ্চয়ই তাই। শুকোলরা বাড়ী পরিষ্কার রাখতে পারে, কিন্তু কলসীতে জল তুলে রেখে দেবে না। এতদিনের জল খাওয়া যায় না ভেবে, সে দুহাত দিয়ে তুলে দাওয়ার ওপর নিয়ে আসে কলসীটাকে। উপুড় করে জলটুকু ফেলে দিতে গিয়ে বাধা পায়।

    ঝাঁপনী দাঁড়িয়ে রয়েছে উঠোনের মাঝখানে—পাথরের মূর্তির মতো

    —ঝাঁপনী!

    —তুমি!

    কলসি ছেড়ে রান্‌কো দুহাত বাড়িয়ে দেয়। ছুটে এসে ঝাঁপনী আছড়ে পড়ে তার বুকের ওপর।

    —জানতে না? অনেকক্ষণ পরে রান্‌কো প্রশ্ন করে।

    —না।

    —তবে কেন এলে।

    —আসি তো।

    —রোজ?

    —প্রায়ই। জল ফেলছ কেন? কালই ভরে রেখে গিয়েছি।

    অবাক হয় রান্‌কো। ঝাঁপনীর মুখখানাকে তুলে ধরে চেয়ে থাকে তার চোখের দিকে। চোখ বন্ধ করে ঝাঁপনী।

    রান্‌কো অনুভব করে অনেক রোগা হয়ে গিয়েছে ঝাঁপনী। কিতাডুংরির নাচের সময়ের কথা ছেড়ে দিলেও, ধলভূম থেকে ফিরে আসার পরেও অদম্য-স্বাস্থ্যের বেয়াড়াপনা অনুভব করত ঝাঁপনীকে জড়িয়ে ধরলে। সে স্বাস্থ্য আর নেই। তার দুহাতের মধ্যে কেমন যেন গলে পড়েছে। শরীরের মাংস ঢিলে। চাপ দিলে হাড়ে ব্যথা লাগবে।

    চাপ দেয় না রান্‌কো। আলগোছে ধরে রাখে। ছেড়ে দিলে পড়ে যাবে ঝাঁপনী। মনে হয় ঘুমোচ্ছে। দিনে রাতে বাচ্চাগুলোর আর সালহাই এর জন্যে বিশ্রাম পায় না। চোখের কোলের গভীর কালো রেখাই তার প্রমাণ, নাকের পাশ দিয়ে হাসির ভাঁজটা কেমন যেন কান্নার ভাঁজের মতো দেখায়। নিজের গালের সঙ্গে তার গালটা চেপে ধরে রান্‌কো।

    —আর পারি না। ঝাঁপনীর চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ে।

    সান্ত্বনা দিতে পারে না রান্‌কো।

    —রাজা এমন বিচার কেন করলেন।

    —আমরা মানুষ বলে।

    —এবার থেকে ফিরে এসে আমাকে খবর দিও। রোজ রোজ আসতে পারি না। শুকোলরা দেখেছে।

    সন্ধ্যা হয়। কাঁটারাঞ্জার ফেউ ডেকে ওঠে। ঝাঁপনীর হাত ধরে রান্‌কো পথে নামে। নিরাপদে পৌঁছে দিতে হবে তাকে।

    —কাঠ নেওয়া হল না। বকবে ও।

    —বলবে, বেঁধে রেখে এসেছ। ভারী বলে আনতে পারনি।

    —ও যদি নিজে আনতে চায় কালকে?

    —তবে বলো, পেটে ব্যথা বলে আনতে পারনি আজ।

    ঝাঁপনী হাসে। রান্‌কোও হাসে।

    —আজ আমাকে দেখতেই পেলে না। রান্‌কো বলে।

    —কখন?

    —ঘরে ফেরার আগে তোমার বাড়ীর দিকে গিয়েছিলাম।

    —সত্যি? আমি কি করছিলাম!

    —বাচ্চাটার কান্না থামাচ্ছিলে।

    ঝাঁপনী লজ্জা পায়। ধীরে ধীরে বলে,—তুমি তোমার ঝাঁপনীকে দেখোনি তখন। সালহাই হাঁসদার বউকে দেখেছিলে।

    রান্‌কোর বুকে সূচ বেঁধে।

    .

    রান্‌কোর বিশ্রামলাভের সুযোগ মিলল না বেশীদিন। ত্রিভনেরও নয়। সমস্ত সতেরখানি তরফের প্রতিটি চোয়াড়ের বিশ্রামের সুযোগ নষ্ট হল। চোয়াড় ছাড়াও সাধারণ পুরুষদেরও ঢাউরা শুনে এসে দাঁড়াতে হল কিতাগড়ের সামনের মাঠে।

    একটি মাত্র দুঃসংবাদের জন্যে এতখানি ওলট পালট ঘটে গেল খাঁড়ে পাথরের বংশধর ত্রিভন সিং ভুঁইয়ার সতেরখানি তরফে।

    সর্দার বাঘরায় সোরেণ মৃত।

    বীরের মতো যুদ্ধ করতে করতে নিহত হয়নি বাঘরায়। মৃত্যু এসেছে ধীরে ধীরে এক পা এক পা করে। ঠিক বাটালুকায় নিজের কুটিরে ছুটকীর পাতা শয্যায় শুয়ে যে ভাবে মৃত্যুর কল্পনা করত সে একসময়ে। পার্থক্যের মধ্যে কুটিরের চালের পরিবর্তে ওপরে ছিল উন্মুক্ত আকাশ। আর ছুট্‌কীর অশ্রুসিক্ত মুখের বদলে চোয়াড়দের ঝুঁকে পড়া মুখের অবাধ জলরাশি। শিশুর মতোই কেঁদেছিল চোয়াড়রা। বাঘরায়ের শেষ সময়ে। রাজাকেও তারা এমনভাবে ভালোবাসতে পারেনি। সর্দারকে ভালোবেসে নিজেদের ঘর সংসার ভুলতে বসেছিল তারা।

    অসুখে ভুগে মৃত্যু হল বাঘরায়ের। অসুখ নিয়েই দিনের পর দিন অতিষ্ঠ করে তুলেছিল সে বরাহভূম-রাজকে। শেষে স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ল। খড়ের বিছানায় আশ্রয় নিয়ে শেষ দিনের জন্যে অপেক্ষা করতে হল তাকে।

    রাজা কাঁদল, রাণী কাঁদল, রান্‌কো কাঁদল। কিন্তু সারিমুর্মুর চোখে জল দেখা গেল না। সোজা কিতাগড়ে এসে বুক ফুলিয়ে বলল—এবারে কাজের ভার দিন রাজা।

    —কি কাজ?

    —বাঘরায়ের কাজ—আমার ছেলের ফেলে রাখা কাজ।

    —বড় দেরি হয়ে গিয়েছে সর্দার।

    —কেন রাজা?

    —বরাহভূমে আর কোনোদিনও যেতে পারবে না চোয়াড়রা। বাঘরায়ের মৃত্যুতে পথ পরিষ্কার হয়েছে বরাহভূমের রাজার। তিনি এগিয়ে আসছেন—দল বেঁধে এগিয়ে আসছেন।

    —এখনো আমাকে ভুলোতে চেষ্টা করছেন রাজা? আমি কি এতই অপদার্থ? সারিমুর্মু উন্মত্তের মতো চেঁচিয়ে ওঠে। তার বার্ধক্যের শিরা-ওঠা হাত থরথর করে কাঁপে।

    —মিথ্যা বলছি না সর্দার। মিথ্যা বলার সময় নেই। সংবাদ পেয়েছি আমি। ধলভূম, সুপুর আর বরাহভূম-প্রস্তুত তারা। অম্বিকানগর আর শ্যামসুন্দরপুর পথে যোগ দেবে।

    —তবে আমি কি করব? আমার কি কোনো কাজ নেই?

    —যে কাজের জন্যে রেখেছি তোমাকে, সেই কাজই করবে। সে-দিন খুবই কাছে। হ্যাঁ, এখন আমি স্পষ্ট করেই বলতে পারি সে-দিনের আর দেরি নেই।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    Related Articles

    শ্রীপারাবত

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    শ্রীপারাবত

    রাজপুত নন্দিনী – শ্রীপারাবত

    July 27, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Our Picks

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }