Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গাত্রহরিদ্রা – সমীরণ গুহ

    সমীরণ গুহ এক পাতা গল্প237 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গাত্রহরিদ্রা – ৭

    ৭

    আড়িমাপ্পন ছবিটা যে হলে চলছে তার ঠিক উল্টো দিকের একটা মাঝারি মানের হোটেল হলো কাবেরী। সাত্যকি সেখানেই উঠেছে। বেলা তখন পৌনে চারটের কাছাকাছি। প্রথমেই সে স্নান করে নিল। আসলে সারা দিনের বাস জার্নি, আহিরার সঙ্গে পুজো দিতে আসা, মুনিয়াপ্পা নাইডুর বাড়ি যাওয়া, একটা উঠতি মাস্তান ঠ্যাঙ্গানো এবং সারাক্ষণ ধুলোবালি গায়ে মাখতে মাখতে পথ চলার ক্লান্তিতে জলের সংস্পর্শটা একান্তই জরুরি। সুখের কথা জলটা বেশ ঠান্ডা। সাত্যকি তাই অনেকক্ষণ ধরে স্নান করে তাজা ও ঝরঝরে হয়ে নিল। খাওয়ার প্রশ্ন নেই। কেন না রামেশ্বরমে পুজো দেওয়ার পরে সে এবং আহিরা একটা ‘ভোজনালয়ে’ ঢুকে ভাত, ডাল, ভাজা, সবজি আর টক দই দিয়ে দুপুরের খাওয়া সেরে নিয়েছিল।

    একটা সিগারেট ধরিয়ে সাত্যকি টানটান হয়ে বিছানার ওপর নিজেকে ছেড়ে দিল। এখন যদি আহিরা কাছে থাকতো নিশ্চয়ই ঘুম আসতো না। বরং গল্প করার শুরুতেই সময়টা যেতো ফুরিয়ে। এবং আরও সময়ের জন্য ঈশ্বরের কাছে এক নীরব প্রার্থনাও জানাতে হতো। কিন্তু যেহেতু আহিরা তার ধারেকাছেও নেই অতএব প্রচন্ডভাবে ঘুম নেমে আসতে বাধ্য। কোনোরকমে সিগারেটটা খেতে খেতে সাত্যকি এক সময় সেটা নিভিয়ে ফেলে দেয়। এইবারে একটা টানা ঘুম দেওয়া যেতে পারে।

    সাত্যকির ঘুম ভাঙলো আটটারও অনেক পরে। অর্থাৎ উত্তীর্ণ সন্ধ্যেয় ঘরে বসে নতুন করে আর কিছু চিন্তা-ভাবনার নেই। চা-জলখাবার ইত্যাদি খেয়েই সে বেরিয়ে পড়লো শহরের রাজপথে। সিগারেট কেনা এবং পথ চলার ফাঁকে কোথাও দাঁড়িয়ে বা বসে চা খাওয়ার অবসরে বড়ো রেস্টুরেন্ট থেকে ছোটখাটো দোকানেও সাত্যকি একটা জিনিস লক্ষ্য করেছে, সেটা হলো ঢালাও ভাবে মদ, চোলাই বিক্রির রমরমা ব্যাপারটা। এমনকী রাস্তার দু’ধারেরও একেবারে গরীব শ্রেণীর মেয়ে, বাচ্চারা আকণ্ঠ পানু করে দুনিয়ার সব অভাবকে পকেটে পুরে নিয়ে রাজ্য জয়ের আনন্দে টাল- মাটাল পায়ে এগিয়ে চলেছে।

    ইতিমধ্যে সাত্যকি এখানকার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানিয়ে কলকাতায় ফোন করে বাবার সঙ্গে একবার কথা বলে নিয়েছে। কথা বলেছে মায়ের সঙ্গেও। বিজয়া তো ফোনের মধ্যেই ছেলের স্পর্শ নিতে চাইলেন। বললেন, তোর বাবা বাড়িতে গুম হয়ে বসে আছেন আর তুই অন্ধ্রে গিয়ে উধাও হয়ে পড়লি। আমি একা এখন এ সব সামলাতে পারি বল? এই অবস্থায় আমাকে কে সান্ত্বনা দেবে?

    মায়ের জন্য মনটা খুবই খারাপ লাগছে সাত্যকির। কিন্তু এই অবস্থায় তারও তো কিছু করার নেই। বরং হতাশার মেঘ কাটিয়ে ঠান্ডা মাথায় সময়ের অপেক্ষায় থেকে সমাধানের সূত্র খোঁজাটাই তো তদের মুক্তির পথ। ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়লে চলবে না। মা’কে সেই কথাটাই সাত্যকি বোঝালো, তুমিও যদি ভেঙে পড়ো আমি তা হলে এতো দুরে কীসের আশায় ছুটে এলাম?

    কৃষ্ণা সিনেমা হলটার সামনে তখন জনসমুদ্র। ‘হাউসফুল’ বোর্ড ঝুলছে। টিকিটের আশায় দর্শকদের ছোটাছুটি, লাফালাফি। ব্ল্যাকারদের নিচু গলায় ফিসফিসানির কোনো গুঞ্জন নেই। বরং তাদেরই দাপুটে গলার হইচইয়ে পুরো চত্বর গমগম করছে পঞ্চাশটাকা, পঞ্চাশ টাকা। লোকে ঝাঁপিয়ে পড়ে অনেক বেশি দাম দিয়ে সেই টিকিট কিনে নিচ্ছে। এই আড়িমাপ্পন কী এমন বই রে বাবা যে লোকে হাতাহাতি, গুঁতোগুঁতি করেও….সাত্যকি বেশ মজা পেয়ে দাঁড়িয়ে পড়লো। বছর বত্রিশের একটা ছেলে দু’খানা টিকিট জোগাড় করতে পেরে বউয়ের সামনে এসে সে কী হাসি! যেন তার সমস্ত মান-সম্মান ক্ষমতা যোগ্যতা সবই প্রায় চলে যেতে বসেছিল। যায়নি, তাই ওই বিজয়ীর হাসি। কৃষ্ণা হলের চত্বরে ভিড়ের হালচাল ক্রমশ বাড়ছে দেখে মনে হলো, ছবিটা মারকাটারি কিছু একটা হবে। তা সে সব যাইহোক, সে আর এখানে দাঁড়ালো না। হোটেল কাবেরীর দিকে পা বাড়ালো। আসলে সাত্যকির কেমন যেন একটু শীত-শীত করছে। মনে হচ্ছে জ্বর আসবে। বিকেল পৌনে চারটেয় কুড়ি মিনিট ধরে ঠান্ডা জলে স্নানের ফল এটা? হতে পারে। সাত্যকি ঠিক করলো, রাতে আর ভাত খাবে না। রুটি খাওয়ারও কি দরকার আছে? গায়ে কিন্তু তাপ ছড়াচ্ছে। শুরু হয়ে গেছে কপালের টিপটিপে ব্যথাও। হোটেলের ঘরে ঢুকে কতোক্ষণে শুয়ে পড়বে সাত্যকির এখন সেই চিন্তা।

    .

    রাত এখন সাড়ে এগারোটা হবে। মা, মেয়ে পাশাপাশি শুয়ে। সুমিঠ্‌ঠাগুরম গ্রাম নিস্তব্ধতার চাদর টেনে নিলেও ঘুমোননি মন্দাকিনী, আহিরাও সারা ঘর অন্ধকার থাকলেও বারবার এপাশ-ওপাশ করা ও নড়াচড়ার মধ্যে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে দু’জনের কারও চোখেই ঘুম নামেনি। মন্দাকিনী নিচু গলায় জানতে চাইলেন, কী রে ঘুমাচ্ছিস না কেন?

    তুমি ঘুমাচ্ছো না কেন? আহিরা কোমল সুরে মা’কে পাল্টা প্রশ্ন করলো।

    ঘুম আসছে না রে…

    বাবার কথা ভাবছো?

    হুম।

    চিন্তা করে কিছু করতে পারবে? আহিরা সাফ সাফ বললো, বুকের ওপর চিন্তার কোনো পাথর রাখবে না। সমস্যা যা আসবে দেখা যাবে। কালকে তো বাবা চলেই আসছেন—তুমি এ বারে ঘুমিয়ে পড়ো মা।

    আচ্ছা আহিরা—

    বলো মা—

    এই সাত্যকি ছেলেটা কেমন রে? তোর কী মনে হয়? আমরা কোনো অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে পারি মানে ও কী আমাদের কোনো স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করতে পারে?

    তোমার কী মনে হয়?

    .

    আমি কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না রে। তবে মনে হয়….মন্দাকিনী মেয়ের গায়ে একটা হাত রেখে স্নেহের সুরে বললেন, ছেলেটা ভালো। আসলে কী জানিস, মনই চাইছে না সাত্যকিকে খারাপ ভাবতে।

    এখনও পর্যন্ত ও কিন্তু একটাও খারাপ কাজ করেনি মা। আহিরা কোনোরকম দুর্বলতার বাধনে না জড়িয়ে পরিষ্কার বললো, সম্ভবত ওর সেই ক্ষমতাও নেই। বরং এমন কিছু বোধ বিবেচনার পরিচয় রেখেছে যে কলকাতা থেকে আসা সাত্যকি মৈত্র নামের ছেলেটার মধ্যে সেই বিবেকের কিরণ যথেষ্ট পরিমাণে মজুত রয়েছে বলেই মনে হয়। তা ছাড়া ও এখানে কী করবে? সাত্যকি এসেছে ওর বাবা একটা চিরকুট নিয়ে। ওর আর ভুমিকা কোথায়?

    ওর মজুতের কথা কী বলছিলি যেন! মন্দাকিনী আগের কথায় ফিরে গেলেন। বলছিলাম, ওর বোধ-বিবেচনার কথা। আমরা দু’জনে এক সঙ্গে এখান থেকে রামেশ্বরম গেলেও আমাকে ছেড়ে দিয়ে সাত্যকি কিন্তু হোটেলে বিশ্রাম নেওয়ার বিলাসিতা দেখায়নি। আরও সৌজন্য দেখিয়ে ও আবার আমাকে পৌঁছে দিতে চেয়েছিল এই সুমিঠ্‌ঠাগুরমে। এটা একটা মানুষের ভেতরের দায়িত্ব ও মমত্বকেই বোঝায়।

    তুই কিন্তু ব্যাপারটা বুঝছিস না। মন্দাকিনী অন্ধকারেই মেয়ের দিকে তাকালেন।

    কী বুঝতে পারিনি বলো?

    একটা সুন্দরী মেয়েকে, ঝকঝকে একটা মেয়েকে….মানে যে কোনো ছেলেই এটুকু করবে। এতে তার বিশেষত্ব খোঁজার কিছু নেই। বলতে পারিস এটা বয়সের ধর্ম।

    ঠিক আছে মা, তোমার এই কথাটা মেনে নিলাম। আহিরা এ বারে আরও স্পষ্ট করে বললো, তোমার ভদ্রতা-আন্তরিকতায় তুমি তো সাত্যকিকে আমাদের এই বাড়িতে থাকার জন্য কম অনুরোধ করোনি! সে সব কী তোমার ভন্ডামি ছিল?

    তা থাকবে কেন? আমি সত্যিই চেয়েছিলাম ছেলেটা যেন…..

    তা সত্ত্বেও সাত্যকি আমাদের বাড়িতে রাত কাটায়নি। তোমার কথাতেই বলি, বয়সের ধর্ম নিয়ে সে তো একজন সুন্দরী মেয়ের কাছাকাছি আরও অনেকটা সময় বেশি করেই থাকতে পারতো। তোমার দেওয়া সেই অযাচিত সুযোগ পেয়েও ছেলেটা কিন্তু তা গ্রহণ করেনি। আমি নিশ্চিত অন্য যে কোনো লোক হলে এই সুবিধেটুকু ছাড়তো না। বাস ভাড়া, এগারো-বারো ঘন্টার জার্নি, হোটেলের বিল বাঁচানো ছাড়াও মোহিনী মায়ার আকর্ষণে সে পড়ে থাকতো আমাদের এই বাড়ির যে কোনো প্রান্তে। অন্যদের থেকে সাত্যকি এখানেই তার তফাত গড়ে নিয়েছে। ওর সম্ভ্রমবোধ, বিবেচনা সত্যিই আলাদা মা।

    একটু চুপচাপ থেকে কী যেন ভাবতে ভাবতে মন্দাকিনী এ বারে মৃদু একটু হাসলেন। ফিরলেন মেয়ের দিকে। আহিরার কাঁধে পিঠে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে হঠাৎ এক সময় জিজ্ঞেস করলেন, তোকে এই চুড়ি কে দিয়েছে?

    সাত্যকি। আহিরার খোলামেলা উত্তর। দু’ডজন পরতে বলেছিল। অতো পরে কী করবো? দু’দিনেই তো ভেঙে সব খান খান হয়ে যাবে। তবে অন্তত একটাকেও যদি বাঁচিয়ে রাখতে পারি সেই অনুরোধটা করেছে।

    তুই এক কাজ কর—আগে থেকেই একটা চুড়ি খুলে বাক্সে তুলে রেখে দে। মন্দাকিনী গভীর গলায় বলে উঠলেন, ছেলেটা ওর কোন আকাঙ্ক্ষা থেকে বলেছে তা তো বলতে পারবো না, তবে এই মর্যাদাটুকু তার প্রাপ্য।

    তুমিও যেমন মা, এই কথাটা স্রেফ একটা কথারই কথা। কিছু দেওয়ার পরে বলতে হয় বলা। আহিরা সরাসরি বললো, এর মধ্যে তুমি আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন ইত্যাদির বিন্দুবিসর্গও খুঁজতে যেয়ো না। নাও এ বারে ঘুমিয়ে পড়ো তো!

    ওরে ঘুম এলে কি আমি তোর সঙ্গে এমন করে বকবক করতাম? আমি শুধু ভাবছি মানুষটা ফিরে আসার পর কী অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি হয় তা নিয়ে। যে মানুষটা কলকাতার কথা এমন সচেতনভাবে লুকিয়ে রাখতে পারে, ওই শহরের নাম শোনার পর খ্যাপা উন্মাদ না হয়ে পড়েন। বুঝতে পারছি সাত্যকি ছেলেটা খুবই বিড়ম্বনায় পড়বে। কিন্তু আমাদের কী করনীয় আছে বল তো আহিরা? না পারবো ওঁকে থামাতে না পারবো ছেলেটাকে রক্ষা করতে! এই মাঝখানে থাকার যন্ত্রণাই সব থেকে বেশি। আমারই হবে সমস্যা।

    তুমি কিন্তু মা আবার ভাবতে শুরু করে দিলে। আহিরা মন্দাকিনীকে একটু ধমকে উঠলো, সমস্যা সমস্যা করে চিৎকার জুড়লে হবে? পালিয়ে না গিয়ে সমাধানের জন্য সাহস থাকাও জরুরি। আর কথা নয় একটু ঘুমোনোর চেষ্টা করো এ বারে।

    .

    রাত এখন কতো কে জানে। গ্রামের কুকুরগুলোর একটারও কোনো ডাকাডাকি নেই। বস্তুত ওদের সাড়া পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের উঠোনে যে দুটো প্ৰায় নিজেদের অধিকারেই থাকে তারাও চুপচাপ। ঝিঁঝিঁ পোকাদের একটা ঝিল্লিরব গানের সুরের মতো মিহিভাবে ভেসে আসছে বটে তবে তাতে নিশুতি রাতের নির্জনতার আবরু বিন্দুমাত্র নষ্ট হচ্ছে না। দু’একবার পেঁচার ডাকও শোনা গেল। এবং কী আশ্চর্য, তাতে যেন রাতের নিরিবিলি মুহূর্তটা আরও বেশি মায়াবী হয়ে উঠলো।

    মন্দাকিনী অনেক আগেই ঘুমিয়ে পড়েছেন। ঘুম নামেনি আহিরার চোখের পাতায়। অন্ধকার ঘরে মায়ের পাশে সে শুয়ে রয়েছে পরিষ্কার চোখ মেলেই। সে সাত্যকির কথা ভাবছে। ছেলেটার মধ্যে যে ছেলেমানুষি মিশে রয়েছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। চোখ খোলা রেখে হরিহরণ চাচাজির রোগটা ঠিক ধরতে পেরেছে। এবং তাতেই সন্তুষ্ট না হয়ে ওঁর পেছনেও দিব্যি লেগে পড়েছে। দূর দেশ থেকে একটা ছেলে এসে এই ভাবে নিজেকে মজার স্রোতে ভাসাবে? আসলে যার ভেতরে মজা নেওয়ার উপাদান রয়েছে সে মজবেই। তারচেয়েও বড়ো কথাটা হলো ছেলেটা ভঙ্গুর মানসিকতার নয়। রামেশ্বরম যাওয়ার পথে সে দু’দুবার যে ভাবে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে, প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠেছে এ গুলো কি সবই ফেনা ওঠা বুদবুদ? আহিরার জোয়ারের ঢল? হতে পারে না। আহিরা তেমনটা বিশ্বাস করে না। ভেতরের নিজস্বতাই সাত্যকিকে পৌঁছে দিয়েছে সম্পূর্ণ এক অন্য মাত্রায় যেখানে সততা ও সত্যের তেজ ছাড়া আর কিছুই ঘাপটি মেরে থাকতে পারে না। অতএব সাত্যকির ওসব লোক দেখানো নয়, ও লড়াই করে অস্থিরতার বিরুদ্ধে, সুন্দরের সন্ধানে।

    আহিরা নতুন করে আবারও ভাবতে বসলো, ছেলেটা পারেও বটে। তামাকপাতা বোঝাই গরুর গাড়ির সেই গোঁফওয়ালা চালকের ব্যাপারটা তার মনে পড়লো। ওই লোকটাকে উপকার করেও “সব জিনিস ডাকঘরে পাওয়া যায় না। মানুষের জিম্মাতেও কিছু থাকে” বলে সাত্যকি যে মন্তব্যটা করেছিল আহিরা তো তার মাথামুন্ডু কোনো অর্থই বুঝে উঠতে পারছিল না। এতো খাপছাড়া এতো অসংলগ্ন বলে তখন মনে হয়েছিল যে সাত্যকিকেই ভুল বুঝতে শুরু করেছিল। ফলে ব্যাপারটা তার মনের কোণে চাপা ছিল। এ বারে হলো কী, ভেঙ্কটেশ্বরের মন্দিরে পুজো দিয়ে চুড়িটুড়ি কেনার পর ভোজনালয়ে দুপুরের ভাত খেতে বসেই ঘটনাটা মাথাচাড়া দিল। আহিরাও আর দেরি না করে একটু জেরার ভঙ্গিতেই জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা, আপনি সুমিঠ্‌ঠাগুরমের ওই গোঁফওয়ালাকে অহেতুক ডাকঘর দেখাতে গেলেন কেন? লোকটা যেখানে আপনাকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য এগিয়ে এসেছে সেখানে কি না আপনি প্রচ্ছন্নভাবে ওকেই শাসালেন। এটার কি কোনো প্রয়োজন ছিল? আমি তো আপনার কথারই মানে খুঁজে পাচ্ছিলাম না।

    পাবেনও না। সাত্যকির নিস্পৃহ উত্তর।

    তার মানে? আহিরার ভ্রু কুঁচকে গেল। চিবোনো বন্ধ করে মুখের ভাত মুখেই রেখে সে সাত্যকিকে এক দৃষ্টিতে মেপে চললো।

    ব্যাপারটা খুবই সহজ। মুশকিল হলো আপনি তো ওর আগের ঘটনাটাই জানেন না। সাত্যকি কৌতুকের সুরে প্রথম দিনের পুরো ছবিটা তুলে ধরে বললো, ওই গোঁফু কিছুতেই আপনাদের ঠিকানা না বলে আমাকে মেজাজে ডাকঘরে যাবার পরামর্শ দিয়েছিল। তা ডাকঘরে কী কী পাওয়া যায় এবং যায় না সেটা জানতে হলে তো ওকেও একবার ওই ডাকঘরেই…..

    হা-উ-ফ………..আহিরার ভেতরে হাসির যে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হচ্ছিলো তা যেন এক দমকা বাতাসে বেরিয়ে আসার উপক্রম হতেই সে নিজেকে প্রাণপণে ধরে রাখার চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত পুরোপুরি সামালাতে পারলো না। ওর মুখের ভেতরে ভাত তো ছিলই—তারই কয়েকটা গিয়ে পড়লো সাত্যকির বুকে এবং অবশ্যই পাতে। আহিরা তখন লজ্জার শেষ ঘাটে দাঁড়িয়ে রীতিমতো মুখ লুকাতে ব্যস্ত। বার দুয়েক ‘দুঃখিত’ বললেও কি তাতে অবস্থার সামাল দেওয়া যায়? বরং ওটা আরও বেশি ঠাট্টার মতো লাগে। আহিরা আড়চোখে একবার সাত্যকিকে দেখে নিয়ে ভাতের থালার ওপর নিজের মাথাটাকে যেন একেবারে মিশিয়ে দিল। অথচ থালাটা পাল্টে দেবার জন্য ওর বলার ইচ্ছে ছিল। কাজের ছেলেটাকে ডেকে টেবিলটা পরিষ্কার করার কথাও মনে ছিল। সাত্যকির শার্টটা ঝেড়ে দেওয়া উচিত ছিল। এবং কী আশ্চর্য, এতো সব কিছু মনে থাকা সত্ত্বেও আহিরা একটা কথা পর্যন্ত বলতে পারলো না সঘন লজ্জার কুয়াশায় ঢাকা পড়ে।

    লজ্জায় ডুবন্ত মেয়েটাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলো সাত্যকিই। কোনোরকম হইচই নয়, নয় উদারতার ভাষণ। অথবা ‘আমাকে দেখো’ গোছের কোনো কথাবার্তা। সাত্যকি লাজুকলতাকে দেখতে দেখতে নিজেই লজ্জা পেল। আর সেই লজ্জা কাটাতে খুবই স্বাভাবিক গলায় বলে উঠলো, নিন খাওয়া শুরু করুন।

    আপনার থালায়…

    আমার থালায় কিচ্ছু হয়নি। আপনি খেতে থাকুন।

    প্লিজ খাবেন না—আমার মুখের ভাত আপনার …..

    আমার কোনো অসুবিধে হবে না। সাত্যকি সত্যিই খেতে শুরু করে দিল। বিস্ময়ে ওর খাওয়া দেখতে দেখতে আহিরা নিজেকে আরও বেশি দোষী ভেবে ক্রমশ যেন তলিয়ে যাচ্ছে। এবং ওরই মধ্যে খড়কুটো ধরে বাঁচার মতো প্রচ্ছন্ন এক গর্বও উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। ওই গর্ব কীসের উৎস তা আহিরা বলতে পারবে না। তবে স্পষ্ট অনুভব করলো ধীরে ধীরে তার লজ্জার পালক খসে পড়ছে। তার ভেতরে প্রাণ ফিরে আসছে। সাহসের পাখনায় ভর দিয়ে আহিরা এ বারে খোলামেলা জিজ্ঞেস করলো, আপনার ঘেন্না লাগছে না?

    না তো! খেতে খেতে সাত্যকি উত্তর দিল, ঘেন্না লাগবে কেন?

    সত্যি বলছেন?

    মিথ্যে বলবো কেন? আপনি যেটা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন আমি সেটা মাথাতেই রাখছি না। আর সত্যি কথাটা হলো, কারও কারও ব্যবহারেই যেমন ঘেন্না হয় তেমনি আবার কারও কারও মুখেরটা খেতেও কোনো বিকার হয় না।

    এরপরে আমার কিছু বলার নেই।

    বললে? সাত্যকি কৌতুকের ঝিলিক তুলে প্রশ্ন করলো।

    আবার হয়তো মুখের ভাত পড়ে যাবে!

    দারুণ! দারুণ বলেছেন। সাত্যকি উত্তাল হেসে বলে উঠলো, আর আমরা পাবো নতুন এক ভাত-পড়া দেবী—দেবী ভাতেশ্বরী।

    দয়া করে আর হাসাবেন না আমাকে— যথেষ্ট অপ্রস্তুত হয়েছি আজ। কী কুক্ষণেই না ডাকঘরের …….. আহিরা আর কথা না বাড়িয়ে খাওয়াটা শেষ করতেই ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আজকের লজ্জার কথা তার আজীবন মনে থাকবে। মনে থাকবে সাত্যকিকেও।

    .

    এই মধ্যরাতেও আহিরা তাই সাত্যকিকেই ভেবে চলেছে। সুমিঠ্‌ঠাগুরম থেকে রামেশ্বরম যাওয়া পর্যন্ত ওর ছোট্ট ছোট্ট অনুভূতির খন্ড খন্ড ছবিগুলো এক এক করে সাজালে নিটোল, পরিপূর্ণ এমন একটা ছেলেকেই পাওয়া যায় যার সান্নিধ্যে কখনওই উষ্ণতার অভাব হবে না। এখন প্রশ্নটা যেটা দাঁড়াচ্ছে, ও যে কোন প্রলয় ঝঞ্ঝা নিয়ে বাবার খোঁজে এসেছে আহিরা তো তার আঁচই করতে পারছে না। না-জানা সেই অধ্যায়কে বালিশের তলায় রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমানো যায়? এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি রাগ হচ্ছে বাবার ওপর। আজ আসছি, কাল আসছি করে উনি যে কবে আসবেন ঠিক বলা যাচ্ছে না। যদিও জানা গেছে আগামীকাল ফিরবেন। এখন দেখা যাক।

    মন্দাকিনীর কোনো সাড়াশব্দ নেই। অর্থাৎ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। আহিরা খুব আলতোভাবে মায়ের গায়ে একটা হাত রাখলো। ছোটবেলায় যার গলা জড়িয়ে ধরে না শুলে তার ঘুমই হতো না। সেই মা এখন পরিত্রানে ঘুমাচ্ছেন। অবশ্য যতোক্ষণ ঘুমিয়ে থাকেন ততোক্ষণই ভালো। নয়তো জেগে উঠেই তো আবার সেই কলকাতা, সাত্যকি, ওর বাবার নির্দেশ ইত্যাদি প্রভৃতি নিয়ে হোঁচট খেতে থাকবেন। নিঝুম রাতের এই শীতলতার মধ্যে আহিরা মায়ের জন্যই মন খারাপ করে চলেছে। হুট করে এই দুঃখটা কেন বুকের মধ্যে বারবার মোচড় দিয়ে উঠছে আহিরা কিছুতেই সেই হিসেব মেলাতে পারছে না। শুধু বুঝতে পারছে, পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, মায়ের পাশে তাকে থাকতেই হবে।

    মন্দাকিনী জিজ্ঞেস করেছিলেন, সাত্যকি ছেলেটা কেমন। মায়ের সঙ্গে ও নিয়ে আলোচনা হলেও এই মুহূর্তে আহিরার মনে হচ্ছে ওর সম্পর্কে যতো ভালোই বলা হোক না কেন, সাত্যকি সম্ভবত তার চেয়েও বেশি। অন্য সব কিছুকে দু’হাতে দূরে সরিয়ে রেখেও আহিরার এখনও বিস্ময় কাটতে চায় না, তার মুখের ছিটকে পড়া ভাত সমেত ছেলেটা অবলীলায় খেয়ে উঠলো কী করে? ব্যাপারটা যদি এ ভাবেও ধরা হয় যে সাত্যকি ওটা করেছে স্রেফ বাহাদুরি দেখানোর জন্য, বড়ো মানুষের কৃতিত্ব নেওয়ার জন্য; তারপরের প্রশ্নটাই তা হলে অনায়াসেই উঠবে, আহিরা নিজে কী তেমনটা করতে পারতো? এখানেই আনেক্কাপল্লী গার্লস কলেজের ভূগোলের অধ্যাপিকাটি বারবার হোঁচট খেয়ে চলেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতোমাকে আমি ছুঁতে পারিনি – সন্মাত্রানন্দ
    Next Article চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026
    Our Picks

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }