Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গুয়াতেমালার গল্প – অনুবাদ : সুব্রত গুহ

    সুব্রত গুহ এক পাতা গল্প128 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জাগলার – জেসিকা মাসায়া পর্তোকার্রেরো

    জেসিকা মাসায়া পর্তোকার্রেরো
    Jessica Masaya Portocarrero

    গুয়াতেমালায় ১৯৭২ সালে জন্ম। সান কার্লোস বিশ্ববিদ্যালয়ে, ফ্যাকাল্টি অব হিউম্যানিটি নিয়ে পড়াশোনা করেন। ২০০৩ সাল থেকে সাংবাদিকের কাজ করেন। তাঁর গল্পের বই ‘দিওয়াস দেকাদেন্তেস’ ২০০১ সালে সংস্কৃতি ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের, কেন্দ্রীয় আমেরিকান প্রতিযোগিতায় সেপ্টেম্বর ১৫, ২০০০ এ পুরস্কার জিতেছে।

     তাঁর দ্বিতীয় বই ‘এল ক্লুব দে লোস আবুর্রিদোস’, ২০০৭ সালে প্রকাশিত হয়।

    .

    জাগলার
    La Malabarista

    বলগুলো জাগলারের আকাশে। কোথায় যে পড়েছিলাম। কিন্তু কোথায় মনে করতে পারছি না। খুব বেশি পড়ার জন্য, অনেক সময় মনে হয় ওটা আমার নিজের। মনে হয় যেন নিজের স্মৃতিতে রয়েছে, তারই একটা অংশ। আর যখন কল্পনাও করা যায় না যে তার কাজে আসবে, অনুমান করতে পারি যে এটাকেই ব্যাগেজ বলা হয়।

     আমার অবস্থা ওই জাগলারের মত, যে অনেকগুলো বল আকাশে ছুঁড়ে দিয়ে,দক্ষতার সঙ্গে এমনভাবে ঘোরাবে যে একটাও মাটিতে পড়বে না। এটা খুবই জটিল বিষয়। সবাই যে বুঝতে পারে তা কিন্তু নয়।

     সব সময়েই যে পাঁচটা বল থাকবে তা নয়। থাকে না। কখনও কখনও দুটো বা তিনটে বলও থাকে। যখন আমি খুবই বেপরোয়া বা মরিয়া তখন চার বা পাঁচ। আর তুমি মিষ্টি ছেলে, তুমি হচ্ছ বল নম্বর পাঁচ। কিভাবে ব্যাখ্যা করব?

     লোকেদের পক্ষে, কোন বেশ্যাকে কোনরকম ছাপ মেরে দেওয়া খুবই সহজ।কিন্তু যদি তারা দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে আসে তা হলে এটা এত সহজ হত না।

     আমার বয়স প্রায় একতিরিশ। বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকের, আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে একটা ম্যানুয়াল অব ইরোটিসিসম অথবা যৌন অভ্যাসের আখ্যান করতে হবে। আর বেশি কিছু বলার দরকার আছে? ঠিক এই রকম অবস্থায় আমার যৌনতা, স্যাঁকরার শিল্পের মত। হৃদয়ের সঙ্গে কোন সম্পর্ক না রাখলেও চলে। এই উপসংহারে পৌঁছতে আমি অনেক কষ্ট করেছি। যা আমাকে দেখতে করে তুলেছে শীতল এবং অত্যন্ত হিসেবী। কিন্তু এর সব চাইতে আকর্ষনীয় ব্যাপার হচ্ছে, এটা পুরুষদের জন্য দারুণ এবং চ্যালেঞ্জ পূর্ণ।

     এই জীবনে যদি কিছু শিখে থাকি তা হল পুরুষরা খুবই সহজ। অবশ্যই আজ পর্যন্ত আমার শেখার প্রতিবাদ করেনি। এমনকি তুমিও না। আকাশে বাতাসে ভোগবাদ। সবাই সুখ চায়। যা সহজ, আর কেউ উপহার দিয়ে যাবে।

     কেউ কেউ দাম দিতে চায় আর তখনই হয়, যত জটিলতার সৃষ্টি। আচ্ছা, এই ভোগবাদ কি সাতটা মারাত্মক পাপের মত হবে? আমি জানি না। আমি যা জানি আমার প্রতিটি আনন্দের অনুভূতির ইন্দ্রিয়কে কিভাবে সম্পৃক্ত করা যায়। আমি জানি কিভাবে নিজেকে ত্যাগ করা যায়। ঝিকমিক করা এই জলের হ্রদে পাড়ি দিতে হয়।

     না প্রিয়, তুমি শুধুই একজন কবি নও।

     আশেপাশের একজন বয়স্কা মহিলা বলেছিলেন, যখন আমি প্রায় কিশোর, যে, কুমারীত্ব বজায় রাখা, হাজার কারণের মধ্যে একটা কারণ। যে তুমি মিখিতা ভালবাসতে পার।তারপর সবাইকে ভালবাসবে,তুমি আর থামতে পারবে না।

     হাঃ হাঃ হাঃ। কে যৌনতা ভালবাসে না। সত্যি কথাটা হল, হয় তারা স্বীকার করে না হলে ও ব্যাপারে কথা বলে না। ফলে যখন কোন একজনকে প্রাপ্তবয়স্ক বলে ধরা হয় আর সে ওই সম্পর্কে কথা বলার চেষ্টা করে তখন সে সব ধরণের অপমানের শিকার হয়। ঠিক আমার মত।

     সৌভাগ্যবশতঃ ওই সময়টা যা আমাকে প্রভাবিত করেছিল, সেটি ইতি মধ্যেই ঘটে গেছে। কারণ আমি জানি যে মূলত যারা আমার সমালোচনা করেছিল, তারা সেই একই পাগলামি করবে যা আমি করেছি।

     মিঠাই আমার,তোমাকে যা বলতে চাই তা হল আমার কোন অনুশোচনা নেই। এটা অন্য কোন কিছু নয়। এটাই আমার মেজাজ। আমি বেঁচে আছি। শুধু বেঁচে আছি।

     অবশ্যই আমি একজন মানুষকে খুঁজে পেতে চাই যে আমাকে বুঝবে। আর আমার সব আশা পূর্ণ করবে। চেষ্টা করবে যাকে বলে একদারনিষ্ঠ। একনিষ্ঠ হবে শিশু আর ঘরের ওপর।কিন্তু এইরকম কোন মানুষ বাস্তবে নেই। এজন্যই এখানে যা দেখি তা একজন অভিজ্ঞ নারী যে তার নিজের বল খুঁজে নেয়, নির্দিষ্ট সময় অন্তর, তার জাগলিং করার জন্য।

     ছিল তো সবকিছুই, আমার। জীবনের সব জীবিকার মানুষ, সামাজিক স্তর, সকল ধর্মীয় বিশ্বাস এবং রাজনৈতিক প্রবণতা। সব কিছুই। আমি প্রায় বলার সময় পেলাম ‘আমার একটা টাই চাই’। সেখানে আমি শিকারে গিয়ে ছিলাম। আর ততক্ষণ শান্তই হতে পারিনি,যতক্ষণ না আমার ঘরের কার্পেটের ওপর টাইটা না পেলাম।

     এভাবেই চলছিল, যখন তোমার সঙ্গে পরিচয় হল। তখন বিরক্তিকর ভাবে চলছিলাম। যেন সব বলগুলো আকাশে,একজন উকিল,একজন ডাক্তারি ছাত্র, ইন্সিওরেন্স সেলসম্যান, আর একজন সাংবাদিক।

     সবাই একসঙ্গে হয়ে ভাল কিছুই হয়নি। এটা আরেকটা বড় ঝামেলা। অধিকাংশ মানুষই, যারা আমাদের চারপাশে আছে, যখন অনুভব করবে, এর কোন সংস্কার নেই, কোন সীমা নেই তখনই কোন সম্মান দেবে না। আমার মনে হয় সাইকো অ্যানালিসিসের জন্য এর দরকার। কারণ তারা যখন আমাকে দেখে ‘খারাপ মেয়ে’ বলে। তাঁদের মায়েরা সাবধান করে দেয় আর তারা কোন সম্মানই দেয় না।

     একজন অবশ্যই সঙ্গিনী অথবা বউয়ের থেকে আলাদা। তেমন আলাদা একজন পতিতার থেকে, যে বিছানায় যাবার জন্য মাশুল নেবে। আর সেই জন্যেই পুরুষরা জানেই না, এইরকম পরিস্থিতি কিভাবে সামলাবে। কারণ একজন পুরোপুরি মাঝখানে: এই মহিলার প্রতি তার কোন দায়বদ্ধতা নেই। তোমার যা মনে হবে তাই-ই করতে পার।

     তোমার দামও দিতে হবে না। ভাল লাগলে আলাদা কথা। বেশ। তা হলে তারা জানে না কি করতে হবে। বিভ্রান্ত বোধ করে। কিন্তু কে পরোয়া করে।

     কোন এক বিকেল বেলায়, রেষ্টুরেন্টে বসে,একা একা খাচ্ছিলাম। তখন জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখলাম, পার্কিং এর জায়গায় একটা গাড়ি ঢুকল আর একটি লোক, যে ধরণের পুরুষ, আমি, সেই সময় পছন্দ করতাম, সেইরকম একজন গাড়ি থেকে নামল। একজন উকিল। তার ডিভোর্স হয়ে গিয়েছিল আর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সম্ভাব্য স্থিতিশীল অংশীদার হিসাবে। খুব সুন্দর সেজে এসেছে আর তার হাতে একটা গোলাপের ঝাড়।

     আমায় স্বীকার করতেই হবে, যে এক মুহূর্তের জন্যও ভেবেছিলাম যে ওনার পেছনে যাই। আর মনে হয়েছিল ফুলগুলো আমারই জন্য। আমাকে খুশী করার জন্য। সেইজন্যই সে সময় আমি আমার মেক আপ, আমার চুল এইসব নিয়েই চিন্তা করছিলাম।

     কিন্তু আমি খেয়ালই করিনি যে আমার টেবিল থেকে খুব দূরে নয়, একটি ছোট্ট মেয়ে একা বসে আছে। যেন কারও জন্য অপেক্ষা করছে। মেয়েটি অল্পবয়সী। বাইশ বছরের বেশী হবেই না। সুন্দরী, তরতাজা, অপাপ বিদ্ধা।

     অনুমানটা ঠিকই। ফুলের ঝাড়টা তার নতুন সঙ্গীর জন্য। কয়েক মিনিট পরে, ততক্ষণে আমি সবকটা সিগারেটই শেষ করেছি। যে কটা কাছে ছিল। সে কিন্তু ঠিক নজর করেছে যে আমি আছি।শূন্য মনে হচ্ছে। কি করব বুঝতে পারছি না। আমার মনে হয়, শুক্রবারের জাগতিক সঙ্গ, ঠিকঠাক রাখার জন্য কিছু কথা বলা দরকার। কিন্তু তার মানে আমাকে তার বান্ধবীর সঙ্গে পরিচয় করতে হবে।

     সেই জন্য বিলটা দিয়ে দিলাম। বেরিয়ে পড়লাম। কান্না? না। ওসব পেছন ফেলে এসেছি। এই মুহূর্তে যা চলছে, বলগুলো আকাশে। আর এটাই জাগলিং এর গোপন রহস্য। কোন একটার ওপর নজর রাখতে পারবে না, তা হলে বাকীগুলো পড়ে যাবে।

     অফিসে ফিরে এসে তিনজন লোককে ডাকলাম। কারুকেই পেলাম না। এটা খুব বাজে ব্যাপার, তার মানে রেসিপি কাজ করেনি। হঠাৎই আমার মনে পড়ে গেল সেই দিনের সেই ডাক্তারির ছাত্রের কথা। ওকে তো ফ্যাসানেবল কাফেতে পাওয়া যাবে। সুতরাং আর কি। আমি বেরিয়ে পড়লাম, মাথায় রাগ নিয়ে। সমস্ত নিষ্পাপ মেয়েদের বিরুদ্ধে, যারা হাতে গোলাপ ফুল নিয়ে আছে।

     পাতোখো, ওখানে নেই, তবে ওখানে প্রচুর লোক ছিল। প্রচুর উদ্দীপনা চারপাশে কারণ ওই সন্ধ্যায় কোন এক লেখকের, কবিতার বইয়ের উদ্বোধন হবে। ওই সন্ধ্যা কত সুন্দর ছিল মনে পড়ছে। এইভাবেই তো আমাদের পরিচয় হয়েছিল। কারণ তুমি ওই ডাক্তারি ছাত্রের বন্ধুদের একজন। আমরা একই টেবিলে বসেছিলাম। তোমাকে আমি বলতে পারি যে এটা অন্য কোন মাত্রায় বা ডাইমেনশনে প্রবেশের মত।

     তুমি জান যে আমি কোনকালেই না,এখনও না,আগে কবিতার ব্যাপারে ছিলাম না। অথবা যা কিছু পরিবেশ নিয়ে ব্যাপার। কিন্তু তুমি একেবারে হলে মাছটির মত। তুমি আদর্শ কবি। লম্বা চুল, দাড়ি, জাতিগত জামাকাপড়।

     আমার মনে হয়েছিল, তুমি কোমল মুখ বিশিষ্ট আকর্ষনীয় ব্যক্তি। তার মধ্যে খারাপটা ছিল তোমার বয়স। আমি এমনকি কল্পনাও করেছিলাম। যে একটি নিষ্পাপ ছোট্ট মেয়ে হাতে গোলাপ, তোমার কনে হওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছে।

     এখন ঠাণ্ডা মাথায় এটার সম্পর্কে চিন্তা করে, মনে করি যে এটা এক রকমের প্রেরণা ছিল। তোমাকে বুঝতে হবে,যতবার আমি কোন পুরুষকে জয় করতে যাব, ততবারই একটা কারণ থাকবে। অনেকটা নিজেকে সন্তুষ্ট করার মেজাজ। ক্ষেপে যেও না। এটাই সত্য।

     ওইদিন ভাবছিলাম, সমস্ত, হাতে গোলাপ রাখা, নিষ্পাপ মেয়েদের প্রত্যেকের সঙ্গে সঙ্গম করব। এবং তোমাকে জয় করার জন্য লাফিয়ে উঠে ছিলাম। ব্যাপারটা অত সোজা ছিল না। তোমার অনাগ্রহ আমাকে উত্তেজিত করেছিল। যেমন গানটাতে বলা হয় ‘যত তুমি বাঁধা দেবে,মেয়ে তত হয়ে যাই উন্মুখ’।

     অবাক কাণ্ড। তোমার বয়সে তুমিই প্রথম পরিপক্ক মানুষ ছিলে। আর যার সঙ্গে প্রথম মোলাকাত হয়েছিল। খুব সাবধানী আর গম্ভীর ছিলে। আর আমাকে বিশ্বাসও করনি।

     সৌভাগ্যক্রমে এই গল্পটা থেকে, ভাল জিনিস হল, আমার আক্রমণের ফলে আমি বিভিন্ন, গভীর এবং আন্তরিক বন্ধুদের একটি গ্রুপ খুঁজে পেয়ে ছিলাম। যাদের সঙ্গে অনেক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত কাটিয়েছি।

     এত ভাল সময় কাটিয়েছি, যে মনেই নেই তোমাকে জয় করার জন্য ওখানে ছিলাম। তোমার বন্ধুরা এত বিস্তৃত আর আধুনিক, যে তারা মনেই করে না যে বয়সের পার্থক্য,কোন সম্পর্কের মধ্যে,সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে, সুতরাং তারা খুশী মনেই, তোমার আমার সম্পর্ককে মেনে নিয়েছিল। আর আশা করেছিল সমাপ্ত হবে সুখে।

     যাই হোক তুমি তো সিদ্ধান্তই নিতে পারনি। আমি যেমন আমার শ্রেষ্ঠ কৌশলগুলি ব্যবহার করেছিলাম।তুমি তেমনি নিজের জগতে মগ্ন ছিলে। তাই আমি জানতাম যে বোকা লোকেদের জন্য ওইসব সস্তা কৌশল, তোমার কাছে কোন দামই পাবে না।

     তাই এই প্রথমবার, আমি আমার অনুভূতি দিয়ে পরিচালিত হলাম এবং তোমার জগতে ঢুকে পড়লাম। তুমি তো আমাকে ধন্যবাদ জানিয়ে, তোমার অনেক কিছু আমার সঙ্গে ভাগ করে নিলে। সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ আমাকে যথার্থ মূল্য দেওয়া হয়েছে। এইসব সত্ত্বেও অ্যাঞ্জেল, আমি তোমাকে জয় করেছিলাম। তুমি জান এটাই চলতি।

     আমার মনে হয় তোমার জানার দরকারই নেই, যে আমি আরও চারজনের সঙ্গে জড়িত। এমনকি, নিষ্পাপ মেয়েটি যার হাতে গোলাপফুল, তার ওই আইনজীবীর সাথেও। তাকে ক্ষমা করার জন্য, সবকিছু করেছিল। এটাও একটা প্রধান খেলা।

     মুখেই বলেছিলাম তাকে ক্ষমা করেছি। ভেতরে ভেতরে তাকে ঘৃণা করেছি আর বিদ্রূপ করেছি। মজা করেছি। আমি অন্য লোকের কথা চিন্তা করছিলাম, যখন বিছানায় গেলাম তখন তোমার কথা ভাবছিলাম।

     তোমাকে নিয়ে অনেক অলীক কল্পনাও করেছি। তোমার পাতলা সুগঠিত শরীরের কথা চিন্তা করি। অনুভব করি তোমার নরম বাহু, পেট ও শরীরের অন্যান্য অংশ। আর থাকতে পারছি না। তোমাকে নিয়ে, আমার কল্পনাকে বাস্তব করতে হবে। আর কিছু না।

     তুমি তোমার সময় নিয়ে চলেছ। কিন্তু, তুমি তো আমাকেই চাও। আমার জন্য অপেক্ষা করছ। আমার পাগলামিতে আমি বুঝতেই পারিনি এ সবের মানে কি।

     তারপর তোমার বন্ধুদের একজন, ওই ডাক্তারির ছাত্রের একজন বন্ধু, আমাকে এক সাংবাদিকের বাহুলগ্না হয়ে দেখেছিল কোন এক ককটেল পার্টিতে। সে আমার সঙ্গে এমন ব্যবহার করল যেন আমি তার সঙ্গে বিশ্বাস ঘাতকতা করেছি। এইসব সময়ে আমি মুখটা অন্যরকম করে রাখি। একটু হেসে তার দিকে যেতে চেষ্টা করলাম কিন্তু সে আমার দিকে পিছন ফিরে চলে গেল।

     পরে আমাকে খুঁজে বার করে, জানতে চাইল, এটা কি খেলা। আমার কিন্তু বেশ ভাল লাগল যে অন্ততঃ একজন ভাল বন্ধু আছে। খুব শান্তভাবে বোঝালাম, যে তোমার সঙ্গে কিছুই হয়নি। এমনি আমরা চুম্বন পর্যন্ত করিনি। কিছুই না। এমন কি ভেবেছিলাম এই সম্পর্কে কোন আগ্রহই নেই। তোমার বন্ধুর কি রাগ। চিৎকার করে বলল তুমি কি বোঝ না ‘এম’ তোমাকে ভালবাসে। শুধু তোমার জন্যই বেঁচে থাকে। সে আর কিছু চায় না, একটা গুরুতর সম্পর্ক চায়।ও বলল, উফ্‌, আমার মত লোকের সঙ্গে গুরুতর সম্পর্ক মানে, সেটা দূরবর্তী এবং শীতল প্রতিধ্বনি।

     তোমার বন্ধু বারবার ব্যাখ্যা করেছিল, যে তোমার ছোট্ট জীবনে এখনও পর্যন্ত কোন প্রাপ্ত বয়স্ক বান্ধবী ছিল না।আর সেই শক্তখোলা ভেদ করে তুমিই সবার ওপরে। বুঝতেই পারিনি যে কোথায় পৌঁছেছি। মনে হয়েছে ‘এমনিই পড়েছে’। আমাকে এমনও বলল যে যদি কোন উদ্দেশ্য না থাকে তাহলে আমার থেকে দূরে রাখার ব্যবস্থা করতে।

     আমার আকাঙ্ক্ষাকে যা চাইছিলাম, তার জন্য খুবই উত্তেজক চেহারা হয়েছিল। তুমি তো জোন এ এক একটা পচা অ্যাপার্টমেন্ট থাক। যতসব নোংরা, পুরনো বাতিল আবর্জনা, একগাদা বই, চারদিকে ছড়ান। একটা ছাদ আছে, সেটাতে কাপড় শুকোতে দেওয়া হয়। ঐতিহাসিক কেন্দ্রের জন্য সুন্দর দৃশ্য।

     ‘একটা নিখুঁত দৃশ্যকল্প’। অত্যন্ত বিদ্বেষপূর্ণভাবে ভাবলাম। বিশেষতঃ যখন আমাকে জায়গা সম্বন্ধে বুঝিয়েছ। কিছু তুমি ব্যবহারটা করেছ অদ্ভুত। আমার মুখের দিকে তাকালে না পর্যন্ত। হঠাৎ যেন ঠিক করে, আমাকে সূর্যাস্ত দেখতে ডাকলে, ছাদের ওপর থেকে।

     তখন তো ডিসেম্বর মাস। ঠাণ্ডা, সুন্দর হাওয়া চলছে। গলায় একটা স্কার্ফ জড়িয়ে নিয়েছি(কারও একটা দেওয়া)। আলোটা মরে আসছে। শুকনো পাতার মত হাল্কা স্কার্ফটা। হঠাৎই ওটা গলা থেকে খুলে পাখীর মত উড়ে গেল। এটা ছিল অসাধারণ। মনে হল আমার নৈরাশ্যবাদ আমাকে ছেড়ে চলে গেল।

     আমি ভুলেও ভাবিনি যে ওটা কত দামী ছিল। তুমি যেমন বুঝতে পেরেছিলে যে আমার ঠাণ্ডা লাগছে, তাই পেছন থেকে আমাকে জড়িয়ে ধরেছিল। তোমার হাতে ছিল একটা কোঁচকানো কাগজ। আমার কানে কানে তুমি,আমার জন্য লেখা,তোমার কবিতা শোনাচ্ছিল। মনে হয়েছিল, ওটা তুমি পড়ছ।না,যখন তোমার মুখটা ছুঁয়েছিলাম, দেখেছিলাম যে তোমার চোখ বন্ধ।

     আজ পর্যন্ত আমার জন্য কেউ কবিতা লেখেনি। চেয়েছিলাম যে ওই কোঁচকানো কাগজটা নিয়ে রেখে দিতে। কিন্তু বাতাস নিয়ে নিল ওটাকেও। কয়েক মুহূর্তে দেখলাম ওটা কেমন দূরে সরে গেল। তখনও তুমি আমাকে জড়িয়ে, চোখ বন্ধ করে। জানতাম যে এই সময়টা অপেক্ষার।

     আস্তে ঘুরে গেলাম। আর জড়িয়ে ধরলাম তোমার গলা। শেষ পর্যন্ত চোখ খুললে আর আমার চোখের দিকে নতুন চোখে তাকালে। তোমার অভিব্যক্তি এতই সুন্দর ছিল যে ভয় লাগছিল।

     তখন সেই বিকেলে আর কয়েকটা মুহূর্ত যা বাকী ছিল। আমি তোমাকে চুমু খাইনি কারণ ওটাই আমার আদত। কিন্তু আমরা চুমু খেয়েছিলাম এমন ভাবে, তা ভুলেই গেছি। ধীরে, নরমভাবে, বিশ্বস্ত ভাবে। ক্ষুধার্ত পশুর মত একেবারেই নয়।

     অবশ্যই আমার জাগলিং এর অন্যতম বল তুমি নও। সেটা বুঝেছিলাম ওই চুমু আর তোমার শরীরের কাঁপুনিতে। ওখানে আমি অবশ্যই তোমাকে প্ররোচিত করতে পারতাম। কিন্তু না ওটা তোমার সঙ্গে নয়।তা হলে নোংরামি হয়ে যেত। আমার সাহস হয়নি। তাছাড়া আমি তোমাকে চুম্বন করতে চাইনি। কারণ আমার ভয় হচ্ছিল,যে তাহলে তোমার মধ্যে কিছু একটা ভেঙ্গে পড়বে। তুমি তো কাঁপছিলে গাছের মত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদুর্যোধন – হরিশংকর জলদাস
    Next Article খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }