Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গুয়াতেমালার গল্প – অনুবাদ : সুব্রত গুহ

    সুব্রত গুহ এক পাতা গল্প128 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পিঠ ঠেকে গেছে দেওয়ালে – এদ্দি রোমা

    এদ্দি রোমা
    Eddy Roma

    ১৯৭৭ এ গুয়াতেমালায় জন্ম।বর্ণনাকারী,কাজ করেছেন সাংবাদিক, সম্পাদক, ফটোগ্রাফার এবং স্টাইল সম্পাদক হিসাবে। সিন কাঁসাকায় ২০০৮ সালে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। যা গুয়াতেমালার সংক্ষিপ্ত গল্পের বই, প্রকাশিত হয়েছিল সেন্ত্রো কুলতুরাল দে এসপানিয়া থেকে।

     এল কাবেজন দে লা বান্দা (বাচ্চাদের উপন্যাস) ২০০০, এটি তাঁর প্রথম বই। ২০১১ তে প্রকাশ করেন কাফে কন পিয়েরনাস (১২টি গল্প। যা শৈশবের আবেগ আর বাস্তবতার অযৌক্তিকতা নিয়ে লেখা)

    .

    পিঠ ঠেকে গেছে দেওয়ালে
    Contra las cuerdas

    আমরা হাজার শয়তানের উত্তাপ সহ্য করে রয়েছি। যেমন তেষ্টা পেয়েছে তেমনই ভেতরটা পুরো শুকিয়ে গেছে। রাফায়েলের জন্য অপেক্ষা করছি। কখন এসে বলবে যে এবার আমরা যেতে পারি, স্মাগলারদের সুড়ঙ্গে। যা সান ইসিদ্রোকে তিখুয়ানাকে আলাদা করেছে, সেই দেওয়ালের নিচে।

     চারটে লোককে একটা ট্রেনের ওয়াগনে আটকে রাখা সহজ নয়। ছাদে মরা ইঁদুরের দুর্গন্ধে ভরা ওয়াগন। রিকার্দো আর আমি ওয়ার্ল্ড কাউন্সিল রেসলিং এক চ্যাম্পিয়ন, অন্যান্য চ্যাম্পিয়নদের সাথে।

     প্রথম এবং দ্বিতীয় ধ্বংসকারী (demolishers), যাদের মিলিত ওজন এই ব্যাংকের পাঁচশো পাউণ্ড ওজনের ভল্টের থেকে বেশি। অক্সিজেন প্রায় ফুরিয়ে আসছে। এদের চুপ করে থাকতে বলা বৃথা। অত জোরে কথা না বলতে বলার কোন মানেই হয়না। শুধু শুনতে হবে রাফায়েল আসছে কিনা, আমাদের নিয়ে যেতে।

     হেনরি,প্রথম ধ্বংসকারী,এক কথা,বারবার বলায় তার কোন ক্লান্তি নেই। সে আবার এটা করবে যাতে তারা তাকে সম্মান করে। আমাদের ঠাট্টা না করে, গারসন দ্বিতীয় জন তার কান্না শেষ করেছে।

     সম্প্রতি মেক্সিকালিতে সে যখন তার প্রদর্শন শেষ করেছে, সেই সময় কেউ একজন ফোন করে তাকে বলে যে তার মা মারা গেছে। অনুমতি পত্র জোগাড় করা, আরও যা যা দরকার সব ঠিকঠাক করেও সে অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়ায় যোগদান করতে পারেনি। যদিও সেটা বেশ দেরী করেই করা হয়েছিল, ওর অপেক্ষায়।

     রিকার্দো তার জামা খুলে, তাই দিয়ে হাওয়া খাচ্ছে। জিজ্ঞেস করল, কি হবে যদি ইমিগ্রেশন বা জুডিশিয়ারি আমাদের ধরে। আমি জানি না এই দুইয়ের মধ্যে কোনটা সব চাইতে খারাপ। আবার অন্য দিক দিয়ে দেখতে গেলে বলা যায় যে এতে গ্রেপ্তার করবে না।

     একটা নোটিশ জারি করবে, যেটাতে মোস্ট ওয়ান্টেড পলাতক লেখা থাকবে। তারপর রেখে দেবে একটা আলাদা ঘরে। আর প্রথম যে ফ্লাইট পাওয়া যাবে তাতে করে গুয়াতেমালায় ফেরৎ পাঠাবে।

     আমরা কি কল্পনা করতে পেরেছিলাম যে ‘ট্রিপল এ’র সঙ্গে আমাদের ট্যুর এইভাবে শেষ হবে। আমরা পালাচ্ছি অনেক লোকের থেকে যারা তিহুয়ানার রাস্তায় নেমে পড়েছিল। তাদের দাবী আমাদের চামড়া খুলে নেবে। দেশের সম্মান নষ্ট করার জন্য আমাদের হাড়গুলো চাই।মনে পড়ছে, কিভাবে এই ওয়াগনে এসে পৌঁছেছি যখন আমাদের পিঠ ঠেকে গেছে দেওয়ালে।

     আমার আর রিকার্দোর আশা ছিল যে হেনরি আর গারসনকে নিয়ে কুস্তির ইতিহাসে সব চাইতে দুর্ধর্ষ জুটি তৈরি করব।আমরা নিশ্চিত ছিলাম যে সবকিছু মিলিয়ে একটা নতুন গোল্ডষ্টার বেরিয়ে আসবে। শেষ গ্রেট ন্যাশনাল আইকন/ আইডল। এটা খুবই জরুরী ছিল। ওই জায়গাটা কাউকে নিতেই হবে। তারপর দেশে ফিরবে, যখন পুরো ব্যাপারটায় মেক্সিকো, আমেরিকা, জাপান চিরকাল আধিপত্য করেছে।

     আমি যথেষ্ট সচেতন আর সতর্ক ছিলাম। ওইসব অবিশ্বাসী মুখ যারা রিং এর মালিক আর কোম্পানির প্রোমোটার ছিল। বিশেষতঃ যখন তাদের কাছে ঘোষণাই করেছিলাম যে আমাদের সঙ্গে কয়েকজন আছে, যারা রিং এ বিপ্লব এনে দেবে।তারপর ওই অবিশ্বাসী মুখগুলো কেমন বদলে গেল, অত্যন্ত ক্যালকুলেটিভ আর অনুমোদনে,যখন ওই দুই বিশালদেহী ঘরে ঢুকল। হেনরি তো নিচু হয়ে ঢুকল, কারণ দরজাটা অত উঁচু ছিল না। গারসন একটু ভুলো মনা বলে কপালে ধাক্কা খেল।

     কিছুতেই ভুলতে পারছি না, যেভাবে জিমের মধ্যে নীরবতা ছড়িয়ে পড়ল। শরীরচর্চার যন্ত্রপাতি, যা পেশী তৈরি করছিল, সব থেমে গেল। প্রশিক্ষক, ছাত্র সবার নজর ঘুরে গেল। জল্লাদের মত যে সব মুখ, মালিকদের ঘিরে থাকে সবাইকে ওই দুই দৈত্যের কাছে লিলিপুট লাগছিল। ঠিক যেন আকাশচুম্বী বাড়ীর পাশে পুতুলের বাড়ী। ওই বিকেলেই কন্ট্র্যাক্ট সই হয়ে গেল। মঙ্গল, বৃহস্পতি, শুক্রবার ট্রেনিং হবে এই শর্তে।

     প্রথম যেদিন ওরা শুরু করল, মাত্র সামান্য কিছু দর্শক ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। এমনকি যেসব বাচ্চারা লাফালাফি করছিল, তারাও চুপ করেছিল। আর লুকিয়ে পড়েছিল। যখন ওরা মুখোশ পড়ে কালো পোষাক পড়ে তাদের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে চিৎকার করে উঠল, আর সেকেন্ডের মধ্যে তারা চিৎ।

     রেফারি ওদের দিকে তাকিয়ে একটু ইতস্তত করছিল। সে তিন গুনবে না আর একটু লড়াই যদি হয়। লোকেরা সিটি বাজিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছিল, এত সংক্ষিপ্ত লড়াই এর জন্য। একই ব্যাপার ঘটল অন্য দুটি লড়াইয়ের ক্ষেত্রে। সেখানে আরও বেশী লোক হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত প্রোমোটার তাদের স্টার ইভেন্টের জন্য প্রোমোশন দিয়ে দিল।

     আমাদের দৈনিক পত্রিকা তাদের খেলার পাতায়, এক কলামের বদলে পুরো একটা পাতা জুড়ে লিখেছিল, এই দুই ডেমোলিশারের উত্থানের কথা। পুরো বর্ণনা ছিল কিভাবে তারা স্টার হয়ে গেছে।

     বাইশ সপ্তাহ ধরে অপরাজিত থাকার পর,মৎস্যজীবী পালোপো জুনিয়র, সিলভার স্যাম এবং হালকন নেগ্রোর মুখোমুখি হতে রাজি হল। এদের এখন প্রচুর ভক্ত। তাদেরও একটা চাপ ছিল। সেন্ট জন যেমন যত একগুঁয়ে লোকেদের শায়েস্তা করেছিলেন, এরাও তেমনি।

     প্রতিটি রবিবার আসে, আর জনগণ আশায় থাকে এইবার একটা কিছু ঘটবে। হয়ত ওরা হারবে। কোথায় কি?তিনচার জনের মিলিত শক্তিও ওদের জন্য যথেষ্ট নয়। এমনকি তাদের পিঠে চেয়ার দিয়ে মারলেও যা অথবা ঘোষকের ঘন্টা দিয়ে মাথায় মারলেও তাই। কোন কিছুই তাদের টলাতে পারে না।

     বাচ্চারা তো সবসময় চাইত এদের যত কাছাকাছি যাওয়া যায়। পরিবারে কাউকে এরকম বিশাল দেহী, কোনদিন দেখেনি। রিং এ ঢোকার আগেও তারা উঁকিঝুঁকি মারত। মহিলারাও যারা ছাতাটাতা বিক্রি করত তাদের সঙ্গে কেউ নষ্টামি করলে তারাও জুতোর হীল দিয়ে প্রথম আঘাতটা হানত।

     এদের খ্যাতির জন্য কুস্তি আবার ন্যাশনাল টেলিভিশন চ্যানেলে ফিরে এল। একজন প্লাস্টিকের পুতুল তৈরি করত। তার ভাগ্যই ফিরে গেল। ব্যবসাও নতুন মাত্রা পেল স্রেফ এই দুজনের পুতুল তৈরি আর বিক্রি করে। শুধু তাই নয় এদের তৈরি করা হয়েছিল ভোল্ট্রন আর তার লেসারের চাইতেও বড় করে। মুখে কালো মুখোশ তাতে সেলাই করে D লেখা। এটা অবশ্য সংগ্রাহকদের অনুরোধে বানানো।

     এতদসত্ত্বেও লোকেদের মনে ঘৃণার ভাব ছিলই – যে কোন, ওদের লড়াইয়ের শেষেই রিংয়ের ওপর উড়ে আসত প্লাসটিকের কাপ,ডিস,কমলার খোসা, যেন একটা ডাস্টবিন। তবে লোকেরা ওদের মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিল যখন ওরা ওয়ার্ল্ড কাপ জুড়ি সংস্করণে বিশ্ব রেসলিং কাউন্সিলের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপ জিতেছিল। ওখানে ওরা নেগ্রো কাসাম আর ইখো দেল সান্তোকে হারিয়েছিল।

     তাদের ওই শিরোনাম রক্ষার প্রতিদ্বন্দিতায় জয়লাভ, আরও লোকের ঘৃণা কুড়িয়েছিল। যেমন বিবি দি ক্লাউন, যে পুতুল মালিকদের একজন ছিল। বিবির কাজ ছিল বাচ্চাদের বেলুন দেওয়া। রিংয়ের ভেতরে ঢোকার আগে, তাদের হাতে একটা করে বেলুন ধরিয়ে দিত। আর ওই উপলক্ষে সে স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশী উদার ছিল। ওই দুই ডেমোলিশাররা রিংয়ে ঢোকে তাদের স্বাভাবিক হিংস্রতার সঙ্গে। আর রিং এ ঢোকার সময় হাতের সামনে যত বেলুন পায় সব ফাটাতে ফাটাতে ঢোকে আর ফাটায়ও হাত দিয়ে চেপে।

     বাচ্চারা সব কান্নাকাটি জুড়ে দিত, ঠিক অপরাধ না করেও বকুনি খেলে যেমন হয়। আর বাবাদের মাথা খারাপ হয়ে যেত তাদের থামাতে।

     তারা একবার একটা স্ট্রেচার তুলে নিয়েছিল। কোন লোক তাদের থামাতে পারেনি। ওদিকে রুগী শুয়ে শুয়ে হাঁপাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত অনেক কষ্ট করে ওটা উদ্ধার করতে হয়েছিল। এইসব উল্টোপাল্টা কাজ, লোকেদের মনে ঘৃণা ছড়াত। আবার তাদের মতে এগুলো কিছুই নয়। ভয় দেখানো। অনেক ক্ষেত্রেই এগুলো টেলিভিশনেও দেখাতো।

     পরের শনিবার জনগণ টেলিভিশনে রেফারিকে শাস্তির বিধান, ওদের ডিসকোয়ালিফাই করা উচিত ছিল অত্যাধিক রূঢ়তার জন্য। সেদিন রেফারি পালিয়ে বেঁচেছিল।

     এই সবের ফলে তাদের তিক্ত প্রতিদ্বন্দীরা এককাট্টা হয়েছিল। ভোলক্রন এবং রে লাসের তাদের নিজস্ব ব্যক্তিগত পার্থক্য কাটিয়ে, আহ্বান করে ডেমোলিশারদের, মুখোশের বিরুদ্ধে মুখোশ খোলার লড়াই এ। সব কিছু অনুমোদিত।

     চূড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য রিং যথেষ্ট ছিল না।শেষ পর্যন্ত যে জায়গা পাওয়া গেল তা চেয়ারে ভর্তি ছিল। গরম আর উত্তেজনায় বেশ কয়েকজন দর্শকের শরীর খারাপ হয়ে গিয়েছিল। বাইরে দুটো বিশাল স্ক্রিন লাগাবার দরকার পড়েছিল কারণ বহু লোক টিকিট পায়নি। তাছাড়া ব্ল্যাক মার্কেট ও রিসেল বন্ধ ছিলো। এটাকে বলা হয়েছিল শতাব্দীর লড়াই।

    তারা দর্শকের সামনে এসে পড়েছে। কেউ কেউ পিঠ চাপড়াচ্ছে, কেউ কেউ হাততালি দিচ্ছে। সিকিউরিটিরা সবাই সবাইকে সরাতে গলদঘর্ম হয়ে যাচ্ছে। যখন তারা পোলের উপর উঠে হাত নাড়ল, সেই সময় চারপাশ থেকে চিৎকার ভেসে আসা শুরু হয়েছে, রিং এর চারপাশ থেকে। স্ক্রিনে তখন ডেমোলিশারদের বক্তব্য দেখাতে শুরু করেছিল, তারা তখনও ড্রেসিং রুমে। তারা তাদের প্রতিনিধিদের সাবধান হতে বলেছিল, সেই সঙ্গে তারা যেন তাদের লাইফ ইন্সুরেন্স ঠিক রাখে।

    জনগণের জন্য বলা হয়েছিল যে গোল্ডেনস্টার, ক্রীড়া পরিচালক এই লড়াইয়ের বিশেষ অতিথি রেফারী রূপে আসবেন। লোকেরা তাকে দেখে পাগলের মত চিৎকার করছিল। একটু ভুঁড়ি হয়েছে, অফিসে বসে কাজ করার জন্য।

    রিংয়ের পাশের ডাক্তার প্রথম ডেমোলিশারের ঘাড়ের চারপাশে তোয়ালে জড়িয়ে দেওয়ার সময় ভলক্রন তার মুখোশ খুলে দেবার চেষ্টা চালালো।

    বাচ্চারা রিং এর পাশে চুপ করে ছিল যাতে ডেমোলিশারদের নাম শুনতে পায়। দ্বিতীয় ডেমোলিশারের নাম গারসন আলবের্তো আলমেঙ্গর কেজাডা। পঁচিশ বছর বয়স, ভিলা নুয়েভার বাসিন্দা। আর প্রথম ডেমোলিশারের নাম হেনরি গঞ্জালো মোরাতাইয়া রামিরেজ, চব্বিশ বছর বয়স। এই দেশের রাজধানী শহরের তিন নম্বর জোনের বাসিন্দা।

    পরের মঙ্গলবার কাগজে ছবি ছাপা হল। কেবল কোম্পানি দেখাল পুরো ঘটনাটা বারবার সম্প্রচারিত করে। কোনরকম কমার্শিয়াল ব্রেক ছাড়াই। তারা সম্প্রচারের আগে বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ করেছিল বাচ্চাদের উদ্দেশ্যে – যাতে তারা এই ধরণের পদক্ষেপ না করে বা অনুসরণ না করে।

    কেউ একজন ওয়াগনটায় পাথর ছুঁড়ে মারল। কেউ একটুও নড়ল না। যখন আমরা বুঝতে পারছি চিনতে পারলাম রাফায়েলের সালভাদোরের উচ্চারণ। তার ওই উচ্চারণ একই আছে যদিও 20 বছর ধরে সে তিখুয়ানার অধিবাসী। ওর গলার আওয়াজ আমাদের কাছে রোদ্দুরের মত। ওর সঙ্গে ব্যাগভর্তি হ্যামকেক।

    পুলিশ ইতিমধ্যেই আশেপাশের থেকে রেকর্ড করে ধরপাকড় শুরু করেছে। আমরা চুপ করে আছি। আর এক বন্ধু আসবে খুব ভোরে তারপর আমাদের টানেলের মুখে নিয়ে যাবে। সে আমাদের সঙ্গে কোনও বিশ্বাসঘাতকতা করবে না, কারণ সে প্রচুর টাকাপয়সা পেয়েছে। আসলে আমাদের কাছে কোন ডকুমেন্ট নেই। যাইহোক সে এক কথায় বুঝিয়ে দিল যে খুব ভোরে রাস্তাঘাট জনশূন্য থাকে।

    ডেমোলিশাররা ফিরে আসবে এটা কেউ ভাবেনি। বাজারে গুজব ছিল যে তারা যে জুরির খেতাবটা জিতেছিল সেটা ফেরত দিয়ে খেতাবের জায়গাটা খালি করে দেবে। কিন্তু তিন মাস পরে কোন এক ফাংশনে তারা ফিরে আসার কথা ঘোষণা করে। রিং তখন প্রায় অন্ধকার হয়ে গেছে স্টার ফাইটারদের অভাবে। এমার্জেন্সি আলোগুলো জ্বালিয়ে দেওয়া হল। ডেমোলিশাররা আক্রমণ করেছে, ছয়জন ফাইটারকে।এইবার তাদের পোশাক হচ্ছে ক্যানভাসের প্যান্ট, স্কার্ফ, ক্যালিফোর্নিয়া বাইকারদের বুট।

    বেচারি সিলভারমান, সে চলে গেল দ্বিতীয় সারির দর্শকের কাছে। আর বর্বর প্রিন্স সহজেই হেরে গেল।খুব তাড়াতাড়িই শুরু হলো কমলার খোসা বৃষ্টি আর প্লাস্টিকের বোতল ছোঁড়া।

    নতুনভাবে ডেমোলিশারদের সঙ্গে চুক্তি হলো। দুমাসের জন্য। মেক্সিকো আর কোলিসেওর রিংএ। একটা ষাঁড়ের লড়াইয়ের বার্ষিকী ছিল চৌমাথার মোড়ে। তাছাড়া আজটেক নর্থ থেকে ‘ট্রিপল এ’ পর্যন্ত একটা ট্যুর ছিল। সেই সঙ্গে ছিল, জুটির চ্যাম্পিয়নদের মধ্যে বেশ কয়েকজন।

    মেক্সিকানরা বেল্টগুলো সঙ্গে নিয়ে যেতে চেয়েছিল কিন্তু আমরা তাদের ওই আনন্দ দিতে রাজি নই।খুব সহজেই পিয়েরথ আর রিকি সান্তানাকে হারিয়ে দিল।তাদের একটু অসুবিধা হয়েছিল আটলান্টিস ও ব্লু প্যান্থারের সঙ্গে লড়তে গিয়ে। মেক্সিকোর রিংকে বিদায় জানিয়ে দিল হেনরির সঙ্গে থাকা পোস্ট কার্ড দিয়ে, সঙ্গে তিনশো পাউন্ড রূপো।

    উত্তরের সফর শুরু হল মাতা মোরোস থেকে আর শেষ হলো তিখুয়ানায়। পুরো লড়াই প্রথম এবং দ্বিতীয় ডেমোলিশারের সঙ্গে জুটির ওয়ার্ল্ড টাইটেলের জন্য। গুয়াতেমালানরা ছিল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। তাদের লড়াই চ্যালেঞ্জার দুই মেক্সিকানের সঙ্গে আয়রন ফিস্ট এক ও দুই।

    আয়রন ফিস্ট রিং এ এল গুয়াতেমালার পতাকা নিয়ে। সেটাকে সে ব্যবহার করছে তোয়ালের মতো। কখনো মুখ মুছছে, কখনও গায়ের ঘাম। এসব করেছিল খুয়ারেজে। নোগালেসে জুতো মুছেছিল, মেক্সিকালিতে থুতু ফেলেছিল।

    তিখুয়ানাতে মেক্সিকোর পতাকা দোলাতে দোলাতে রিং এ ঢুকে দর্শকদের জাতীয় সংগীত গাইতে বলেছিল। ঘোষকের কাছ থেকে মাইক্রোফোন নিয়ে সে বলেছিল,যে রিং ঢোকার আগে বাথরুমে ঢুকে টয়লেট পেপার না পেয়ে ডেমোলিশারদের ব্যবহার করেছে।

    হেনরি কোন অফিসিয়াল ঘোষণার অপেক্ষা না করেই আয়রন ফিস্ট এক কে ছুঁড়ে ফেলে দিল। তারপর পতাকার ডাণ্ডাটা তার মাথায় মেরে ভেঙ্গে দিল। রিং মধ্যে দাঁড়িয়ে পতাকাটা দিয়ে তাকে পেঁচিয়ে দমবন্ধ করার অবস্থায় নিয়ে গেল। দর্শকদের দেখিয়ে যেন প্রমাণ করতে চাইল সব ব্যাপারে সে নিস্পৃহ।

    সে চারদিকে সব ছুঁড়তে আরম্ভ করল। আমরা পতাকার ডাণ্ডাটা, উদ্ধার করে পালালাম। টাকা পয়সা, পাসপোর্ট, ট্রফি, যা কিছু বাড়ী নিয়ে যাব ভেবে ছিলাম সব পড়ে রইল।

    এখন আমরা ভোরের অপেক্ষা করছি। হেনরি ঢেঁকুর তুলল। গারসন চুপ করে আছে। রিকার্দো সময় দেখতে চাইছে। বললাম, বিকেল পাঁচটা বোধ হয়। একটু সময় নিয়ে অন্ধকার নামল। তারিখ জিজ্ঞেস করিনি কিন্তু মনে আছে।

    আঙুলে কর গুণে বুঝলাম পনেরোই সেপ্টেম্বর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদুর্যোধন – হরিশংকর জলদাস
    Next Article খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }