Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গুয়াতেমালার গল্প – অনুবাদ : সুব্রত গুহ

    সুব্রত গুহ এক পাতা গল্প128 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হলুদ পাতাগুলি – পাত্রিসিয়া কর্তেজ

    পাত্রিসিয়া কর্তেজ
    Patricia Cortez

    ১৯৬৭ সালে গুয়াতেমালায় জন্ম। গুয়াতেমালার সান কার্লোস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডাক্তারি ডিগ্রী। অ্যানথ্রোপলজি এবং পাবলিক হেলথ্‌ নিয়ে বিশেষজ্ঞ। কথক এবং কবি।

     গুয়াতেমালার বিভিন্ন পত্রিকায় তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়েছে। বিভিন্ন অ্যান্থোলজিতে তাঁর কবিতা সংকলিত হয়েছে। যেমন ‘দেসদে লা কাসা দেল কুয়েন্তো’। প্রকাশ করেছেন ‘এদিতোরিয়াল সে কুলতুরাল দে গুয়াতেমালা’।

     তাঁর গল্পের বই ‘মাল দে ওখো’ ২০০৪ এবং উপন্যাস ‘গুয়াতেমালা’ ১৯৯৬ ডিসেম্বরে প্রকাশিত হয়। এই বইয়ের ইলেকট্রনিক সংস্করণ আছে।

    .

    হলুদ পাতাগুলি
    Paginas Amarillas

    বেরিয়ে এল ব্যাঙ্ক থেকে। খুব তাড়াতাড়ি। মাথাটা নিচু, যাতে কারও সঙ্গে চোখাচোখি না হয়। কেউ তার সঙ্গে কথা বলবে, এটা ভাবলেই তার হাত-পা কেমন যেন ঠাণ্ডা হয়ে আসে। এই ব্যাপারটায় তার কিছুই করার নেই।নিজের ওপর নিজেরই রাগ হয়। এটা ঠিকই অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা তার অক্ষমতা। সে পারেই না।

     যখন ক্যাশিয়ার তাকে জিজ্ঞেস করল যে কোন কোন ধরণের টাকা সে চায়, সে চুপ করেই রইল। সে মেয়েটির চোখের মধ্যে দেখতে পেয়েছে আর উপলব্ধি করেছে, যে প্রতিটি মুহূর্তে মেয়েটির ভয় কিভাবে বেড়ে যাচ্ছে। সে ঝপ করে চোখটা নামিয়ে নিল, আর তাড়াতাড়ি টাকার একটা নোট এগিয়ে দিল।

     হাঁটতে হাঁটতে সে অবাক হয়ে ভাবছিল, তার অসুবিধাটা কোথায়। অন্যের সাথে কথা না বলার জন্য তার হাতে প্রচুর সময় আছে। তাছাড়া কয়েকদিন হল সে ফোনটাও বন্ধ করে দিয়েছে। বিশেষত সেই দিনই, যে দিন তার কাছে একটা ফোন এসেছিল কোন একটা ভুল নম্বর থেকে।

     অথচ গলার স্বর মোটেও উগ্র ছিল না। কিন্তু তার মনে হল কানে যেন কে গরম সীসে ঢেলে দিয়েছে। যন্ত্রটা ভেঙ্গে ফেলতে ইচ্ছা করছিল।

     রাস্তার কোণের দিকে পৌঁছে সে ভিখারিটার তাকানো অনুভব করল। বুঝতেই পারছে তার শরীর ক্রমশ কাঠের মত শক্ত হয়ে যাচ্ছে টেনশনে। তার ওপর সে দেখল ভিখারিটা তার দিকেই খোঁড়াতে খোঁড়াতে আসছে। আর সেই সঙ্গে চোখ পিটপিট করছে।

     সে চট করে দুপাশে চেয়ে দেখল, কোন দিকটা ফাঁকা আছে, যেদিক দিয়ে ওর মুখোমুখি না হয়ে পালানো যায়। তারপর দুটো গাড়ির ফাঁক দিয়ে বেরোতে গিয়ে দেখে ওপাশে দেওয়াল। সে আটকে পড়েছে।

     সে জোর করে ঠোঁট দুটো টিপে রইল। যদিও তার ভেতর থেকে চিৎকার করার প্রবল ইচ্ছা কাজ করছিল। সে মাথা নিচু করে, বেরিয়ে আসার চেষ্টা করল কিন্তু লোকটা ওর পথ আটকে রেখেছে।

    সে প্রায় নিজের মনেই হেসে ফেলল যে সে কি রকম একটা হাস্যকর নাচ করছে একজন অপরিচিত লোকের সামনে যে তাকে ফাঁদে ফেলেছে। খুব তাড়াতাড়ি চিন্তা করতে হবে। অন্ততঃ মানুষটা খেয়াল করার আঙ্গুল তুলে তার দিকে দেখিয়ে হাসা শুরু করার আগে।

     এ সহ্য করা যায় না।

     মানুষটা তাকে কোনরকমে আক্রমণের চেষ্টাই করল না। বরং তাকে একটা জীর্ণ, প্রায় ছেঁড়াখোঁড়া বই দেখিয়ে বলল – আমি এটা খুব সস্তায় বিক্রি করি – এবার তার তাকানোটা খুবই কঠোর – এর পাতাগুলি হলুদ – সে বলল কথাগুলো প্রায় তার কানে মুখ ডুবিয়ে।তার বুকটা ফেটে যাবার মত হল। যখন সে তার একমাত্র নোটটা লোকটার দিকে ছুঁড়ে দিল।

    সে চাইল লোকটা চলে যাক। তাকে মুক্তি দিক। লোকটা টাকাটা মাটি থেকে কুড়িয়ে নিয়ে বইটা মাটিতে রেখে পালিয়ে গেল।

    সে তো নড়তেই পারছে না। গভীর ভাবে শ্বাস নিতে চেষ্টা করছে আর বাইরে শান্ত ভাব দেখানোর চেষ্টা করছে।সে চাইছে না কোন রকম কেউ তার কাছে এসে কথা বলুক। আর লোকেরাও তাকে লক্ষ্য করা শুরু করেছে।

    সে তাড়াতাড়ি বইটা তুলে নিয়ে পাশের একটা গলিতে ঢুকে গিয়ে,তার কান্না উজাড় করে দিল। তার কাছে এটাই শেষ টাকা ছিল। আর এই একটা বাজে বই এর জন্য সেটাও তাকে হারাতে হলো।

    তার মর্যাদা অটুট রেখে, বইটা হাতে নিয়ে বাড়ির দিকে হাঁটা শুরু করল।

    ঘরটা তাকে আহ্বান জানাল বাসি এবং শক্তিশালী মূত্রের গন্ধ দিয়ে। কোন একটা সময়ে অ্যাপার্টমেন্টটা ভালোই ছিল। ভেলভেটের পর্দার রংটা আর বোঝা যায় না। কারণ তাতে এমন ধুলো আর ছাতা পড়েছে, যে আসল রংটাই হারিয়ে গেছে। দুটো ঘর আর রান্নাঘর।সাজানো ছিল আর্ট ডেকো স্টাইলে। বাথরুমে ছিল ভেনেসিয়ান টাইল। শহরের মাঝামাঝি সুবিধাজনক জায়গায়। যেখান থেকে যেকোন জায়গায় যাওয়া খুবই সহজ। মহিলাতো এটা সব সময় বলত। বলার মধ্যে একটা খোঁচাও থাকতো। কিন্তু সে ও তো আজ বহুদিন ধরে, বলা ভাল, বহু বছর ধরেই আসছে না।

    সে একটা সোফাতে বসল। তারপর সে তার কেনা বস্তুটা, মানে বইটা পরীক্ষা করতে লাগল – সবচাইতে বোকার মত কাজ করেছি – সে পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখল, ওটা একটা পুরনো ‘ইয়েলো পেজ’ ডাইরেক্টরি। যেখানে হাজার বিজ্ঞাপনের ঝলক আছে। এইসব বিজ্ঞাপন হাজার গণ্ডা আজেবাজে জিনিসের খবর দেয়। কয়েকটা নাম আবার লাল কালি দিয়ে দাগানো। সে পড়তে পড়তে ঘরোয়া খাবারের বিজ্ঞাপনে থামলো। এই সময়েই তার খিদে পেল। ঠিক। তার মনে পড়লো তার কাছে টাকাও নেই আর টেলিফোন ও নেই।

    নম্বরগুলো হাইলাইট করা হয়েছে, মনে হচ্ছে। কি আর করে। তর্জনী দিয়ে তার ওপর বোলানো শুরু করে দিল। তারপর চিন্তা না করেই পুনরাবৃত্তি করতে লাগলো – চার ছয় পাঁচ এক নয়… কি চাও? গলার স্বরটা মনে হলো তার মাথার ভেতর থেকে আসছে। ‘যদি তুমি কল করো তার মানে তুমি আমাদের সার্ভিস চাও’ – সে ভয় পেয়ে গেল আজকে বিশেষ মেনু চপ আর টক ভাত।

     -নিশ্চয়ই।আমার খুব খিদে পেয়েছে – খুব জোরে চেঁচিয়ে বলে উঠলো।

    -ঠিক আছে, খুব তাড়াতাড়ি আপনাকে ডাবল অর্ডার পাঠাচ্ছি। কল করার জন্য ধন্যবাদ।

    টেবিলের ওপর বইটা রেখে, বাথরুমের দিকে গেল। তারপর খোলা কলের নিচে মাথাটা রাখল। এটা খুবই খারাপ হল। ভাবল। ততক্ষনে জল তার মুখ ভিজিয়ে দিয়েছে। ঘরে ঢুকে সে বইটার কাছেই গেল না। জোর করেই চোখ বন্ধ করে রাখল।

    না, আমি পাগল নই। দরজায় ধাক্কা, তাকে আবার বাস্তবে ফিরিয়ে আনল।অন্যদিকে হাসি হাসি মুখে এক যুবক দাঁড়িয়ে আছে। সে তাকে একটা বাক্স দিল। তার ওপরে চাইনিজ সাইন রয়েছে। তার হাতে বাক্সটা দিয়ে বলল ‘উপভোগ করুন’। সে কিছু বলতে চেষ্টা করল, কিন্তু তার গলা দিয়ে কোন আওয়াজ বের হল না।

    -চিন্তা করবেন না – বলল – আজ আমাদের কিছু কিছু ফ্রি দেওয়া হচ্ছে। কল করার জন্য ধন্যবাদ।

    তার মধ্যে অদ্ভুত একটা ভয় কাজ করছিল। খেয়ে নেবার পর হয়ত খাবারটা উধাও হয়ে যাবে। আসলে এতই খিদে পেয়েছিল। পরে তার ঘুমের ভাব এল। আর কিছু বোঝার আগেই সে ঘুমিয়ে পড়ল।

    জেগে উঠল পরের দিন। বাইরে বৃষ্টি পরছিল। টেবিলের ওপর পড়ে থাকা ময়লা দেখে সে বুঝতে পারল যে স্বপ্ন দেখেনি।

    আবার বইটা হাতে নিল। সেই মেয়েটির কথা ভাবছিল। কিভাবে সে হেসেছিল, যখন তাকে ভিখারি আর খাবারের গল্পটা বলেছিল। …তার বড় একা লাগছিল। চোখ চলে গেল আরেকটা বিজ্ঞাপনের দিকে যারা সঙ্গীর খোঁজ দেয়। যা সে খুঁজছিল। তার সঙ্গে ঠিক করে কথাও বলতে পারিনি। সে এইসবই ভাবছে। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে সে রিচুয়ালটি আবার শুরু করল। তার আঙুল নম্বরগুলোর ওপর বোলাতে শুরু করল। দুই আট সাত তিন নয়…

    -ওয়েল… হে ভগবান, সরি, ক্ষমা করবেন,বুঝতে পারছি। চিন্তা করবেন না। আপনার যা দরকার তা আমার কাছে আছে।

    সে বুঝতে পেরেছিল যে এখনও পর্যন্ত সে মুখ খোলেনি। এইবার যখন দরজায় আওয়াজ হল সে বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ল। একজন সুন্দর দেখতে পুরুষ, সুবেশ, হাতে একটা ব্রিফকেস, দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখে কোন হাসি নেই।

    প্রথমে সে ভেবেছিল, মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দেবে। অথবা লোটকাকে দূর করে দেবে। কারণ তার মনে হয়েছিল যে লোকটা ধর্মযাজক। কিন্তু একটা শান্তভাব তার মনের মধ্যে কাজ করাতে সে লোকটাকে ভেতরে আসতে বলল।

    লোকটিকে ছেলেই বলা যায়। ছেলেটি তার সামনে পাথরের মূর্তির মত বসেছিল। চেয়ারের ধারে। ছেলেটি চুপ করে বসেছিল, কোন কথা বলেনি। সে চেষ্টা করল কথাবার্তা চালু করতে। কিন্তু ছেলেটির উপস্থিতিই খুব অস্বস্তিকর। আর একই সময়ে তার মুখ বন্ধ করে দেয়।

    সে বুঝতে পারছে তার নাড়ির গতি দ্রুত হচ্ছে। তার শ্বাস দ্রুত হচ্ছে। হাতের মুঠো একবার খুলছে, একবার বন্ধ হচ্ছে তার শ্বাসের সঙ্গে। ছেলেটি স্থির।

    সে জোর করে তার পাশে বসল। তার হৃৎস্পন্দন বেড়ে গেছে। তার হাত ঘামছে। যে কথা বলতে চাইছে, কিন্তু অস্পষ্ট ঘর্ঘর আওয়াজ ছাড়া আর কিছুই তার গলা দিয়ে বেরল না।…আতঙ্ক বাড়ছে। লোকটিকে অন্যত্র দেখতে পেল, ক্রমশঃ বেড়েই চলেছে পুরো জায়গাটা ক্রমশঃ ভর্তি করে ফেলছে।

    চোখ বন্ধ করেও নিজেকে সামলাতে পারছে না। তার মধ্যে একটা বাঁধ ভাঙা স্রোত অনুভব করছে। এমন হল যে সে আর নিতে পারছে না। শেষে কান্না আর চিৎকারে ভেঙ্গে পড়ল।দরজাটা বন্ধ হল জোরেই। সে চোখ খুলল। ছেলেটি চলে গেছে।

    তার মধ্যে প্রচণ্ড দুঃখ বোধ কাজ করছে, সবই তার অনুভবে। বুঝতে পারছিল যে বেদনা ছাড়া কারও সাথে কোনরকম যোগাযোগ করতে পারবে না।

    আবার বইটা হাতে নিয়ে, আগের নম্বরটাই খুঁজতে লাগল। খুঁজেই পেল না। তবে একটা নতুন বিজ্ঞাপন তার নজর কাড়ল। ‘আপনি কি সত্য জানতে চান’? সে ভাবল এটা বোধহয় কোন জ্যোতিষী। অনেক চেষ্টা করেও যখন সেই নম্বরটা খুঁজে পেল না তার চোখ তখন ওই ‘সত্য’শব্দটার ওপর আটকে গেছে।

    সে আবার আগের মত কাজগুলো করল। দু ঘন্টা পরেও কিছুই হল না কেউ সাড়া দেয়নি।

    এক ঢোঁক দরকার। সে নিজেরই ভয়ার্ত স্বর শুনতে পেল।

    চলে এসো। সারারাত নেই আমার কাছে। ঘুরে দাঁড়াল। মনে হচ্ছে, সে দুটো চ্যানেলের কথা চিন্তা করছিল। একটা তাকে পরিচালনা করছে,আরেকটা নয়। সে শরীরের মধ্যে অদ্ভুত মুভমেন্ট যা বাইরে থেকে অনুভূত হচ্ছে। সে শুধু একজন দর্শক। তার নিজের পালাবার দর্শক। সে দেখল সে বেরিয়ে যাচ্ছে। রাস্তাটা পার হয়ে গেল। মাতালের মতো ক্যান্টিনের খোঁজ করা শুরু করল। তার খাওয়ার ইচ্ছা নেই, কিন্তু সে দেখতে পাচ্ছে তার অন্য ভাগটা মাতাল হয়ে গেছে, যতক্ষণ না রাস্তার পাশে শুয়ে পড়ল। তারপর সে বুঝতে পারল, সে তার শরীর থেকে বেরিয়ে এসেছে। যাবার জন্য সে শরীরের ভেতরে ঢোকার জন্য ব্যর্থ চেষ্টা করল। কিন্তু সে নিশ্চিত ছিল যে সে মারা যায়নি।

    তার শরীর উঠে দাঁড়ালো। অস্থির ভাবে তাকে অনুসরণ করতে চেষ্টা করল। অনেক দূর পর্যন্ত হেঁটে নিজেকে ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করল। যখন ঘরে ফিরল, ফিরেই জ্ঞান হারা।

    যখন তার ঘুম ভাঙল, সে অনুভব করল, তার বমি, মল মূত্রে মাখামাখি হয়ে পড়ে আছে। বাথরুমে ঢুকল চান করতে। তার জামা কাপড়ে এত দুর্গন্ধ যে তার নিজেরও আবার বমি পাচ্ছিল। বারবার ঘসে নিজেকে পরিষ্কার করে চান করে নেওয়ার পর, তার অনেকটাই ভাল লাগছে।

    এইবার শুধু খাবারের জন্যই বইটা তুলে নিল।সে চাইনিজ খাবার খুঁজে পেল না, কিন্তু খুঁজে পেল পিৎজার দোকান।

    -বলুন

    একটা বড় পিৎজার অর্ডার, খুব সহজেই দিয়ে দেওয়া গেল।

    -আপনার কোড কি?

    -জানি না, মনে হয় আমার নেই।

    -দুঃখিত তাহলে পাঠাতে পারব না।

    রাগের চোটে বইটা ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে, মেঝেতে শুয়ে পড়ে শুরু হল তার কান্না।

    তার দরজায় যখন ধাক্কা দিল, যে তখন চিৎকার করে উঠল। যখন সে দরজাটা খুলল অবাক হয়ে দেখল সেই ছেলেটি দাঁড়িয়ে আছে। তাকে ভেতরে ঢুকতে দিয়ে বলল

    -আজ তুমি কি চাও? আমি একা পড়ে আছি।

    ছেলেটি তার আগের জায়গায় বসল। কাঠ কাঠ।

    -এইবার বল ওরা কে?

    বলতে বলতে সে লোকটার চারপাশে ঘুরে নিল। তুমি কি বুঝতে পারছ না যে আমার খিদে পেয়েছে আর আমি একা?

     সে লাথি মারল চারপাশের জিনিসে। হাত মুঠো করে ঘুঁসি পাকাল। শেষে আরম্ভ করল ফোঁপাতে। সে তার দিকে চেয়ে চিৎকার করল, অপমান করল,কিছুটা উত্তর ছাড়া। সে তার কাঁধ ধরে বলল,একেবারে কাঁচের গেলাসের মত ভেঙ্গে ফেলবে, একেবারে তারপর অদৃশ্য করে দেবে।

     বেরিয়ে গেল ভীত হয়ে। পালিয়ে গেল বইটা হাতে নিয়ে। শহরের অর্ধেকটা ঘুরে বেড়াল না থেমে, না পিছন দিকে তাকিয়ে।

     ব্যাঙ্কে ঢোকার মুখে সে লোকটাকে দেখতে পেল। যে ভয়ে ভয়ে যাচ্ছে, মুঠোর মধ্যে দেখে মনে হচ্ছে নোট।

     সে, তার মুখোমুখি হল, এক মুহূর্তের জন্য। এটাই একমাত্র জিনিস যা সুখি করতে পারে। তারপরেই তার মাথায় মেরে টাকাটা ছিনতাই করল। ও আমাকে ধন্যবাদ দেবে। দৌড়ও। কেউ বুঝতেই পারেনি কি হল,তার মধ্যেই সে লোকের ভীড়ে মিশে গেল।

     কোন একটা পার্কে যে এক মহিলার পাশে বসল। আর কোন ভয়, ভণিতা ছাড়া বলল

     -একটা অদ্ভুত গল্প শুনবেন।

     মহিলা ভয় পেয়ে উঠে দাঁড়াতেই,সে হাসতে শুরু করল হিস্টিরিয়ার মত। একহাতে টাকাটা আর একহাতে বইটা, চটকেই যাচ্ছে, চটকেই যাচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদুর্যোধন – হরিশংকর জলদাস
    Next Article খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }