Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গুয়াতেমালার গল্প – অনুবাদ : সুব্রত গুহ

    সুব্রত গুহ এক পাতা গল্প128 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডি এল (ওল্লি কে) – মাউরিসে এচেভের্রিয়া

    মাউরিসে এচেভের্রিয়া
    Maurice Echeverriá

    সিউদাদ দে গুয়াতেমালায় ১৯৭৫ সালে জন্ম।

    প্রকাশ করেছেন: এস্তে কুয়ের্পো আকি ১৯৯৮, লা সিউদাদ দে লস আওগাদোস ১৯৯৯, দিস্কিনারিও এসোতেরিকো ২০০৬ এবং লাবিওস।

    প্রথম ছোট নভেল: লুইস দে লিওন স্পনসর করেছে মাগনা তের্রা এদিতোরেস ২০০৩। এক্সাখেরাসিওনেস ২০১০। মাসেতে ২০১০। লাস দাসোস ওরসিদোস ২০১১। XI প্রেমিও মেসো আমেরিকানো দে পোয়েসিয়া। লুইস কার্দোসা এবং আরাগন পুরস্কার ২০১৬, ক্লাভিকুলা বইয়ের জন্য।

    .

    ডি এল (ওল্লি কে)
    DL

    পুলিশের লোকটা আমাকে ভালভাবেই পরীক্ষা করল এবং হঠাৎই।যাকে বলে তন্নতন্ন করে। শেষে আমাকে ছেড়ে দিল ছোট একটা ভঙ্গিমা আর একটাই শব্দ যাও। ধন্যবাদ বলেই, বুঝলাম কোন দরকারই ছিল না বলার। কারণ ওটা তো ওর কর্তব্য, আমাকে ছেড়ে দেওয়া। এই অকারণ বিনয়টাই আমার চারিত্রিক বৈশিষ্ট। এইভাবেই তৈরি হয়েছে আমার চরিত্র, সব সময়।

     আমি রাস্তায় মারাত্মক এবং বিপদজনকভাবে মারামারি করেছি। মাদক পাচারকারীদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়েছি প্রতিবাদ করে। খুবই বদরাগী এমনকি সাইকোটিক স্বামীদেরও মুখোমুখি হয়েছি। সবদিক থেকেই নিজেকে একজন ডাকাবুকোই মনে করতাম। কিছুতেই বুঝতে পারছি না যে হঠাৎ কেন আমি এত বিগলিত হয়ে গেলাম। বিশেষতঃ এই বয়সে এসে, অতিরিক্ত বিনয় তাও একটা সাধারণ পুলিশের কাছে।

     অথবা যদি ঠিকঠাক জানা যায়, এটা পুরোপুরি আমার বাবার জন্য।

     আমার বাবা কোনদিন মিলিটারি হতে পারেনি। কিন্তু হতে চেয়েছিল সারা জীবন ধরে। বাবার কিন্তু মিলিটারিদের ওপর, অসামান্য শ্রদ্ধা ছিল। শুধু মিলিটারি নয়, পুলিশকেও। তাই-ই বা বলি কেন। যে কোন কেউ, যে কোন পেশায়, ইউনিফর্ম পড়া থাকলেই তার প্রতি বাবার শ্রদ্ধা ঝরে পড়ত।

     যেহেতু আমি সবসময় বাবাকে খুবই ভয় করতাম, এমনকি এখনও, মাঝে মাঝে যদিও তিনি মারা গেছেন। কিন্তু ভয়টা রয়েই গেছে। তবে সময় সময় মিলিটারি, পুলিশ, এমনকি দমকলের লোকেদেরও ভয় করি। যাইহোক তার কাজ। আমি পুলিশদের কাজের কথা বলছি। ওই বিশেষ সময়ে তার কাজ খুবই হাস্যকর ছিল।উৎসবের আগে অস্ত্রে সন্ধানে,লবিতে ঢোকার আগে প্রত্যেক অতিথিকে সার্চ করছিল। সত্যি কথা বলতে কি? ক’জন লোক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে, দালাই লামার সভায় যাবে?

     ওই ঘটনার পর ভিড়ের মধ্যে ঢুকে পড়লাম। কত লোক লবিতে।সবাই ওপরে ওঠার সিঁড়ির দিকে তাকিয়ে আছে। এত লোক সবাই কি বৌদ্ধধর্মা- বলম্বী। সন্দেহ আছে। প্রত্যেকে একে অন্যকে সম্ভাষণ জানাচ্ছে, অভিবাদন জানাচ্ছে। একে অন্যকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। অনেকেই অনেককে চেনে। আমার মনে হয়েছে এটা একটা গালা ডিনার, যেখানে সবাই হাঁটছে কিছু ব্যতিক্রমী সুখের সঙ্গে।

     সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠে গেলাম। সিঁড়িটা বেশ চওড়া চেষ্টা করছিলাম যদি ধাক্কাধাক্কি না করে ওঠা যায়। সেই ভাগ্য কি আর আছে। যদিও সিঁড়িটা যথেষ্ট চওড়া, কিন্তু এত লোক। সব লোক মিলে একটা শরীর তৈরি হয়েছে। আমার মনে হচ্ছিল,বিশাল এক শুঁয়োপোকা।অসাড়,সুগন্ধযুক্ত ও ঘামে ভেজা। সেই নিয়ে চলেছে।

     মনে মনে চাইছিলাম, যেন চেনা জানা কারও সঙ্গে, দেখা না হয়। এই ধরণের হঠাৎ মুখোমুখি দেখা, আমাকে খুব নার্ভাস করে দেয়। ভাগ্য সহায় ছিল,তাই চেনা জানা কারও সঙ্গে দেখা হয়নি।আমাকে কেউ নজরও করেনি। তবে মনে হয় এ ব্যাপারে সাহায্য করেছে আমার ম্লান অথচ সদা সতর্ক মুখাবয়ব।

     ওপরে তিন তলায়, অতিথিদের ঠেসে দিয়েছিল, ভুল ভাবে। তার ওপর গুঞ্জন। কি গোলমাল। মাথার ওপরে একটা মাইক কি সব বলে যাচ্ছে। যাই হোক শেষ পর্যন্ত ওই ঘুরে ঢুকতে পেলাম।

    প্রথম মহৎ সত্য: কষ্ট পাওয়া

     প্রতিটি সিটের গায়ে নম্বর দেওয়া। ফলে নিজের সিট খুঁজে নেওয়াটা কোন ব্যাপার না। আমি নিজেই নিজের সিট খুঁজে নিলাম।

     অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই, চারপাশ দেখতে শুরু করে দিলাম। চারপাশে মনে হচ্ছে কথাবার্তার পাহাড়। কথার কিছু টুকরো। ঠোঁটের নড়াচড়া। প্রত্যেকেই কিছু না কিছু বলছেই, ওই নরকে। আপাতদৃষ্টিতে প্রত্যেকেই কিছু বলতে চাইছে। কেন যে আমার কিছু বলতে ইচ্ছা করে না। বিশেষতঃ যখন আমি কারো সঙ্গে থাকি, কোন কথা আমার মাথাতেই আসে না।

     সম্ভবত এটাও বাবারই দান। খাবার টেবিলে বসে যখনই, কোন কথা বলতাম তখনই আমাকে চুপ করিয়ে দেওয়া হত। হয়ত সেই জন্যেই, সহ্যই করতে পারিনা কথার উষ্ণতা। একটা দৈত্যের মত গুঞ্জন আমাকে ঘিরে ধরেছে। ভেতরে ভেতরে, মনে মনে এই অপ্রয়োজনীয় আওয়াজকে মশানে নিয়ে গিয়ে নীরবতার গিলোটিনে চড়িয়ে দিই।

    দ্বিতীয় মহৎ সত্য: কষ্টের কারণ

     হঠাৎ করে সবাই চুপ করে গেল। মনে হল আমার গিলোটিনে চড়ানোর স্বপ্ন সত্যি হয়ে গেল। কিন্তু আমার কল্পনা অথবা কামনা, কোনটাই এই নীরবতার সৃষ্টি করেনি। এই নীরবতার কারণ হল: হিস হোলিনেস, তেনজিন গিয়াৎসু, তিব্বতের চতুর্দশ দালাই লামা, ঘরে ঢুকেছেন।

     সমস্ত কথাবার্তা বন্ধ হয়ে গেছে। জনগণ শ্রদ্ধা জানাতে উঠে দাঁড়ালো। আর মুখগুলো, মনে হল, বিস্ময়ের জন্য আগ্রহী। আমিও উঠে দাঁড়ালাম। ওই আর কি,জাড্যে।ভাল ভাবে বুঝতেই পারছিনা কি ঘটছে। পরে বসে পরলাম। শান্তও হয়ে যাচ্ছিলাম। আমার বুঝতে একটু সময় লাগল যে সত্যিই দালাই লামা কথা বলা শুরু করেছেন।

     তাঁর ডানদিকে বসা অনুবাদক, ইতিমধ্যে ওনার কথা অনুবাদ করা শুরু করে গিয়েছে। জনতাও ওনাদের দিকেই তাকিয়ে আছে। আমি না কথার মানে ধরতে পারছি না বিষয় সম্বন্ধে কোন ধারণা করতে পারছি।

     (সন্ন্যাসী তো তার কথাগুলো কোনরকম দ্বেষ বা ঘৃণা ছাড়াই উচ্চারণ করছিলেন। তার উষ্ণ শ্বাসের সাথে গাম্ভীর্যের দৃঢ়তাকে, কাঠিন্যকে বাতিল করে দিয়েছিল।এমনকি লাউঞ্জ গায়কের মত সামান্য রসিকতাও করছিলেন।)

     আমার বেশ কিছু সময় লাগল। কিন্তু এখনও কিছুই বুঝতে পারছিনা। এই মুহূর্তে আমি বেশ স্বস্তিতে। সেই সঙ্গে দালাই লামার গলার স্বর,আওয়াজ বেশ ভাল লাগতে লাগল। (অথবা অনুবাদকের বিচক্ষণ স্বর) দালাই লামার কণ্ঠস্বর আর ওই ক্ষমার অযোগ্য গুঞ্জন কোন তুলনাই চলে না। দর্শক স্রোতা সব সম্মোহিত।

     প্রেসের ক্যামেরাগুলো দালাই লামাকে নানা দিক থেকে ধরে রাখছিল। ধরে রাখছিল তাঁর দ্যুতি। তাঁর পোষাকের প্রতিটি ভাঁজ, প্রতিটি অংশ, তাঁর ওই নিখুঁত লাল পোষাক। তাঁর মাথা মসৃণ এবং সরল কপাল। তাঁর হাত উষ্ণ ভাবে নেড়ে মনোযোগ সহকারে কোন যুক্তি, সরিয়ে দেন। সেইসময় তাঁর শান্ত উর্দ্ধাঙ্গও কাঁপতে থাকে।

     হয়ত জনতার, সবাই নিশ্চয়ই নয়, কিছু অংশ অবশ্যই বৌদ্ধ। কিন্তু যাই হোক সবাই কিন্তু সম্মোহিত।আমার কোন ধারণাই নেই,এই যে লোকেরা এসেছে, এই দিন, তাদের মধ্যে কতজন প্রকৃত ধর্ম বিশ্বাসের টানে এসেছে। অথবা অসুস্থ, কিন্তু অনুসরণ করে সব কিছু।

     যেমন তিব্বতীয় ব্যাখ্যায় দোষী, ব্যাভিচারী, যদি তার স্বামীর নির্দেশ অনুসারে কাজ করে, পাপ কাজের সময় ধরা পড়লে: অকপটভাবে, বৈষম্যমূলক ছাড়া, সানুনয় কৃতজ্ঞ হয়ে থাকবে। নারীদের চোখের উজ্জ্বলতা লক্ষ করার জন্য ওখানে থাকার দরকার। তেমনি পোষাক।

     অবশ্যই নিচে দেহরক্ষীরা অপেক্ষা করছে, তাদের জন্য। কিন্তু মহিলারা ও ব্যাপারে চিন্তাই করেনি। তারা প্রকৃতপক্ষেই নিরবচ্ছিন্ন লেকচারের মধ্যে ডুবে ছিলেন। দর্শক শ্রোতাদের মধ্যে একটা বড় অংশই মহিলা। কেউ কেউ যথেষ্ট সুন্দরী। অনেকেই বৌদ্ধধর্মীদের মত পোষাক পরেছেন। আবার কয়েক জন লেসবিয়ানদের মত। বাকীদের মধ্যে অনেকেই তাদের বাচ্চা সঙ্গে নিয়ে এসেছে। তাদের বিরক্ত লাগছে। একঘেয়ে লাগছে। বারবার হাই তুলছে। তাদের আকর্ষণ বা আকাঙ্ক্ষা হোটেলের করিডোরে খেলা করবে। কিন্তু তারা জানে না আকাঙ্ক্ষাই কষ্টের কারণ।

    তৃতীয় মহৎ সত্য: কষ্টের অবসান

    দালাই লামা, তাঁর ব্যাখ্যা ধীরে ধীরে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, আমিও ততই আমার চারপাশের ব্যাপারে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছিলাম। সংবাদপত্রের ক্যামেরা ছাদ থেকে ঝোলানো বড় বড় আলো। এয়ার কন্ডিশনার। সন্ন্যাসীদের ন্যাড়া মাথা, লাল হলুদ পোষাক, কাশি, গলা খাঁকারি। প্রত্যাশা। আমার প্রতিবেশীর প্রাণবন্ত সুগন্ধি। এমনকি ওইভাবে মজা লাগছিল যখন হিজ হোলিনেস তাঁর বাহু চুলকোচ্ছিলেন।

     এই মুহূর্তেই তাকে দেখলাম। প্রকৃতপক্ষে সে ছিল মিরনা ম্যাক।

    চতুর্থ মহৎ সত্য: পথ

    এক নম্বর পথ বলছে: এটা সম্ভব নয়। আমি অলীক স্বপ্ন দেখছি। সম্ভবতঃ এটি কিংকর্তব্যবিমূঢ়তা, একটি প্রতারণাপূর্ণ ছবি। মনের ফাঁদ। আমার বসার আসন ধরে রেখেছি হয়ত আমি তাকে অন্য কারো সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছি। হতে পারে তার বোন। কিন্তু না। তার বোন নয়, এটা নিশ্চিত। তার বোনকে ভালই চিনি। একজন বিখ্যাত মহিলা, সবসময় কাগজে ছবি বেরোচ্ছে।

     তার মুখতো আমার পরিচিত। এর পাশাপাশি মিরনার মুখটিও আমার কাছে যথেষ্ট পরিচিত। সবসময় বা সবাইকে বলিনা (যে স্মৃতি আমাকে কষ্ট দেয়)। কিন্তু এখন বলব। কি আর হবে? কি এসে যায়? মিরনা, আমি প্রেম করছিলাম। আমাদের প্রেম খুব বেশী দিনের নয়। মেরে কেটে মাস দুয়েক। কিন্তু আমাদের প্রেম খুবই ঘনিষ্ট আর গোপন ছিল। প্রকৃতপক্ষে এই সম্পর্ক কেউ জানত না।

     এই দুমাস আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ মাস। ওই সময়ে ও কাজ করত যুদ্ধে গৃহহারাদের সঙ্গে আর আমি (ওটা কোন জরুরী ব্যাপার নয়) তার সঙ্গে সহযোগিতা করতাম। আমিও শরনার্থীদের সঙ্গে কাজ করেছি। আমার মনে হয়, ওটা আমার নিজেকে জাহির করার ব্যাপার ছিল। বাবার বিরুদ্ধে, যা উনি এতকাল করে এসেছেন।

     বাবা চিৎকার করে আমাকে বললেন তুমি কম্যুনিস্টদের সঙ্গে কাজ করছ। আমার বন্ধুদের মাঝে ছেড়ে দিলে, তারা তোমায় পিটিয়ে সোজা করে দিত। তুমি এই পরিবারের জন্য লজ্জা। তুমি যে কী? বোধহয় এটাই! তার বন্ধুরা অবশ্যই সামরিক বাহিনীর লোক ছিল।

     বাবা যত চিৎকার করে, তত আমি কাজে জড়িয়ে পড়ি। যেদিন মিরনাকে মেরে ফেলা হল, সেদিন থেকেই শরনার্থীদের সঙ্গে কাজ করা বন্ধ করে দিলাম।

     তখন আমি বুঝতে পারলাম, এসব কিছু না। সংগ্রাম, অবাধ্যতা, এগুলোর অন্য অর্থ আছে। আমার বোধ হল, উদ্বাস্তুদের সঙ্গে যে কাজ করি এটা কেউ পছন্দ করেনি। কারণ বাবা কোনদিন আমায় ভালবাসেননি। তাই আমারও নিজেকে উদ্বাস্তু মনে হত। ক্রমশ অন্যান্য ব্যাপারেও আগ্রহী হতে শুরু করলাম। বৌদ্ধ ধর্মেও আগ্রহ তৈরি হল। এমন নয় যে কোন বৌদ্ধ কেন্দ্রে গিয়েছিলাম। বুদ্ধ সম্পর্কে অনেক কিছু পড়তে শুরু করেছি।

     মিরনাকে যখন মেরে ফেলা হল বাবা তখন খুবই খুশী হয়েছিলেন। খুব

    ভালো হয়েছে যে ওরা ওই গেরিলাকে শেষ পর্যন্ত মেরে ফেলেছে। ওই যত সমস্যা সৃষ্টিকারী। প্রথমে ভেবেছিলাম যে ভুল করেছেন, খুবই ভুল। মৃত্যুর যোগ্য। কিন্তু হায়, আমি কখনও খুন করতে যাচ্ছি না। যেকোনো ভাবে মারলেই কোন কিছুর বদল হবে না। শুধু আমার মাথার মধ্যে থেকে যাবে ভূতের মত।

    আমি অস্বীকার করছি না, যে যখন এই মন্তব্যগুলো করেছিলাম, তখন আমার খুব রাগ হয়েছিল। যা ব্যাখ্যা করতে চাই তা হল, ওই রাগ আমার মধ্যে, বিরাট বড় চমৎকার কিছুর মত ছিল। কিন্তু নিরর্থক।ফলে প্রত্যেকবার এইভাবে প্রকাশ করেছিল, আমি শুধু তার দিকে তাকিয়ে থাকতাম।কোনরকম অসম্মান বা ওইরকম কোন কিছু করে সাড়া দিতাম না। কোনরকম প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যেতাম না। চিৎকার করা ছেড়ে দিয়েছিলাম। তার মতো হতে চাই না।

    শেষ পর্যন্ত বাড়ী ছাড়লাম। নিজস্ব একটা থাকার জায়গার ব্যবস্থাও হল। যেখানে শান্ত, সতর্কতা সহ বিচক্ষণ অস্তিত্ব থাকবে।সকল সমস্যা থেকে দূরে।

    অনুবাদকের কাজ পেলাম। খুব বেশি টাকা রোজগার হতো না, কিন্তু আমার একার পক্ষে যথেষ্ট।সবচাইতে বড় কথা ছিল এটা ছিল সৎ ভাবে উপায় করা অর্থ।

    মাঝে মাঝে মিরনার কথা ভাবতাম।চেষ্টা করতাম যাতে ভাবতে না হয়। কখনো কখনো রাতে তার মুখটা আমার স্মৃতিতে ভেসে উঠতো।চেষ্টা করতাম সরিয়ে দিতে, অন্য কোন কিছু নিয়ে চিন্তা করতে। আমার কাজ নিয়ে চিন্তা করতে, নিজেকে কাজে লাগাতে।

    আর এখন মিরনা আমার থেকে কয়েক হাত দূরে বসে দালাই লামার কথা শুনছে। আমার খুব ঘাম হতে শুরু করেছে।নিজের হাত দুটো খুব জোরে চেপে ধরলাম। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই হাতদুটো ছেড়ে দিলাম।ও দুটো কেমন যেন চটচটে হয়ে গেছে, পিছলে যাচ্ছে। আমার মন আমাকে বলল ‘এটা অসম্ভব। এটা অবশ্যই মরীচিকা। তুমি পাগল হয়ে গেছ। শেষ পর্যন্ত তুমি পুরোপুরি পাগল হয়ে গেলে।

    কিন্তু মিরনা হাসছিল। দালাই লামার প্রতিটি কথায় যা তার মুখ থেকে বেরোচ্ছে তাতেই মিরনা মাথা নাড়ছে। এ কে? আমি বেশ জোরের সঙ্গেই কথাটা বললাম।আমার প্রতিবেশী যথেষ্ট উদ্বেগের সঙ্গে আমার দিকে তাকালো। জানিনা এটা ওকে বিরক্ত করেছে কিনা। আমি তাকে কোনভাবেই কিছু বলিনি। কারণ আমার ভয় করছিল, যে মিরনা কোনভাবে বেঁচে আছে। অস্বাভাবিক ভাবেই বেঁচে আছে।ভয়টা আকস্মিক একটা বিড়ালের মত ক্ষণিক ছিল। আমি ছুঁয়ে দেখিনি, শুধুই চেয়ে দেখেছি।

     আমার ভাল লাগছে না।এটাই আমার সিদ্ধান্ত। জোরে শ্বাস নিতে হবে। বাস্তবে ফিরে আসতে হবে। আমি তো দালাই লামার সভায় রয়েছি। দালাই লামা, জীবনের চারটি মহৎ সত্যের কথা বলছেন।এটা শুনতেই এসেছি।বাবার সম্বন্ধে কিছু না। তার অত্যন্ত কষ্টদায়ক নিষ্ঠুর মৃত্যুর কথা নয়। খুবই কষ্টের ক্যান্সারে। মরার আগে স্নেহপরবশ হয়েছিলেন। আমার হাত ধরে, ম্লান হাসি দিয়েছিলেন।

     জানতে চাইনা মিরনা ম্যাকের সম্পর্কে হয়ত একমাত্র মহিলা যাকে ভালবেসেছিলাম। চোদ্দো বছর আগে, শরীরে সাতাশটা ছোরার আঘাত নিয়ে মারা গিয়েছিল। আমার মিলিটারি, পুলিশ কোন ইউনিফর্মের কোন ভয় করার দরকার নেই। মিষ্টি স্বর শুনতে চাই। সম্মোহক হঠাৎ দুঃখ তার পবিত্র কথা শুনতে চাই। এই মিষ্টি কথা আমার ভেতর সুরের মত ঢুকছে। বরং নিয়ে আসছে ধৈর্য্য, শান্ত সুখ।

     সব কিছু, এমনকি দালাই লামার কথাগুলি যেন নরম দুধের ওপর দিয়ে যাচ্ছে। বুঝতে পারছি না কি বলা হচ্ছে। অথবা অনুবাদককে শুনছি। সুরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ছড়িয়ে পড়ছে আমার ওপর। আমাকে নগ্ন করে দিচ্ছে।করে দিচ্ছে শুষ্ক। ঠিক আছে, এই শুষ্কতা, শুকনো ক্ষতের মত শুষ্কতা একটা ফাটল যাতে শ্বাস নেয় জীবন, করে লক্ষ্য।

     মিরনা ম্যাক এখনও ওখানে রয়েছে। দালাই লামাও তার দিকে চেয়ে হাসলেন। সেও ফিরে হাসল। ওনার হাসি অনেকটা আমার বাবার মত। যে হাসিটা তার মৃত্যুর আগে দিয়েছিলেন।

     এইবার থেকে, ঠিক এইরকম হাসিই, হাসতে চাই। সুতরাং আমি শরনার্থীদের সঙ্গে এই রকমই হাসব, যারা উদ্বাস্তু।

     লোকেরা উঠে দাঁড়াচ্ছে। হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছে। অমায়িক ভাবে ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছেন দালাই লামা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদুর্যোধন – হরিশংকর জলদাস
    Next Article খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }