Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জীবন স্রোতের আঁকেবাঁকে – অর্পিতা সরকার

    অর্পিতা সরকার এক পাতা গল্প286 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অভিশপ্ত বাড়ি – অর্পিতা সরকার

    ‘বলুন ম্যাডাম, প্লিজ এভাবে কাঁদবেন না। আমাদের সঙ্গে একটু কো-অপারেট করুন প্লিজ। আপনি যদি পুলিশের কথার উত্তর না দেন, তাহলে আমরা আপনার টিপাইকে খুঁজে বের করব কী করে!’

    কিছুতেই বর্ণালী ব্যানার্জীর চোখের জল থামছে না। কথাও জড়িয়ে যাচ্ছে। রূপালি পর্দায় চোখে ভেসলিন দিয়ে কান্না, আর এই কান্নার মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। এখানে কোনো স্ক্রিপ্ট নেই, কাঁদার দৃশ্য নেই। হয়তো শ্যুটিংয়ের সময় এই কান্নার দৃশ্যটাই রাইট টেক করতে বেশ কসরৎ করতে হয় পরিচালককে। কিন্তু এখন জনপ্রিয় অভিনেত্রী বর্ণালীর দু’চোখ বেয়ে যে নোনতা জলের ধারা নেমেছে সেটা আর্টিফিসিয়াল নয়। ছোট এবং বড়পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ বর্ণালী। মোটামুটি সব বাঙালি বাড়িতেই সন্ধের টিভি সিরিয়ালে বর্ণালীকে সকলেই রোজ দেখেন। সেই কাজপাগল, অত্যন্ত সুন্দরী অভিনেত্রীর সাক্ষাৎকার বেশ কয়েকবার নিয়েছে সুদর্শন। বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলেন বর্ণালী ব্যানার্জী। কিন্তু আজ যে ওঁর এমন রূপ দেখবে, সেটা কল্পনাও করতে পারেনি সুদর্শন। দীর্ঘদিন ধরে ‘রং মিলান্তি’র সম্পাদক ও। তাছাড়াও ফিল্মি দুনিয়ার সাংবাদিক। সেই সূত্রেই রূপালি পর্দার খবরাখবর ওর নখদর্পণে। এমনকী স্টুডিও পাড়ার ফিসফাসগুলোও ও জানে। টলিউডের সমস্ত ফিল্ম আর্টিস্ট ওকে চেনে। ”রং মিলান্তি” পত্রিকার ফ্রন্ট পেজে একবার বর্ণালীর ছবিও বের করেছিল সুদর্শন, ”পুজোর সাজে বাঙালিয়ানা” নামে। তাই বর্ণালীর সঙ্গে পরিচয় ওর প্রায় বছর চারেক আগেই। কিন্তু এই তথ্যটা জানা ছিল না যে, বর্ণালীর একটা বছর আড়াইয়ের বাচ্চা আছে। সুদর্শনের কাছে এটা একটা চমকপ্রদ ঘটনা। বর্ণালী ডিভোর্সি এটা জানত সুদর্শন। কিন্তু বাচ্চা আছে, এটা জানা ছিল না।

    একটা ইন্টারভিউয়ে বর্ণালী নিজেই বলেছিলেন, ‘তখন সদ্য সিরিয়ালে জয়েন করেছি। প্রথম সিরিয়ালের সেটেই প্রেমে পড়ে যাই রণদীপের। আমার বয়েস তখন মাত্র একুশ। আমরা মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করে নিই। কিন্তু বছর দুয়েকের মধ্যেই বুঝতে পারি, অভিনয়টা আমার প্যাশন আর রণদীপের শুধুই জীবিকার প্রয়োজন। যখন বুঝতে পারছিলাম রণদীপ অভিনয়কে ভালোবাসে না, তখনই একটু কষ্ট শুরু হয়েছিল। তারপর হঠাৎই ও একটা চাকরি পেয়ে গেল। দুটো সিরিয়ালের পরেই অভিনয় ছেড়ে দিল। তাতেও কিছু প্রবলেম হয়নি আমার। কিন্তু চাকরিটা পাওয়ার পরে ও জোর করতে লাগল, আমাকে অভিনয় ছেড়ে দিতে হবে। তখনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমরা মিসম্যাচ। তাই কাদা ছোড়াছুড়ি না করে ভদ্রভাবে মিউচ্যুয়াল ডিভোর্স নিয়ে নিলাম। এরপর ও ওর জগতে, আর আমি আরও বেশি করে ডুব দিলাম আমার কাজের জগতে।’

    সুদর্শন প্রশ্ন করেছিল, ‘আর বিয়ে করবেন না?’

    বর্ণালী হেসে বলেছিলেন, ‘ঘর পোড়া গরু তো, তাই ভয় হয়। এই বেশ ভাল আছি। কাজ, হাততালি, সাফল্য বা চূড়ান্ত সমালোচনা, আপনাদের পত্রিকা আর আমি।’

    ঠিক সেই কারণেই স্টুডিও পাড়ার ঘরের লোক রাতুল যখন বলল, ‘সুদর্শনদা কোথায়? এদিকে বড় খবর, শিগগির এসো। বর্ণালী ম্যাডামের বাচ্চা হারিয়ে গেছে শ্যুটিং সেটে’ তখন বেশ চমকেছিল সুদর্শন।

    সাধারণত চব্বিশ ঘণ্টা স্টুডিওতে চা-জলখাবার সরবরাহ করা রাতুল ভুল খবর দেয় না সুদর্শনকে। কারণ, সুদর্শনকে চমকদার খবর দিলেই কড়কড়ে নোটটা পেয়ে যায় রাতুল সুদর্শনের কাছ থেকেই।

    সুদর্শন চমকে জিজ্ঞাসা করেছিল, ‘বর্ণালী মানে? ”দেবপ্রিয়ার” বর্ণালী ব্যানার্জী?’

    দেবপ্রিয়া বর্ণালীর হিট সিনেমা, ওখান থেকেই ওকে মানুষ বেশি চিনেছে।

    রাতুল বলল, ‘আরে হ্যাঁ। পুলিশ এসেছে স্টুডিওতে।’

    সুদর্শন আর একটুও দেরি না করে খবরের লোভে পৌঁছে গেছে স্টুডিওপাড়ায়। শুধু কি খবরের লোভে? নিজের মনকে অবশ্য তাই বলল সুদর্শন।

    বর্ণালী কাঁদতে কাঁদতেই বললেন, ‘শ্যুটিংটা স্টুডিওতে হচ্ছিল না অফিসার। হচ্ছিল দেবীপুরের একটা পোড়োবাড়িতে। পরিচালক রাকেশ চৌধুরীর মুভি। ভৌতিক মুভি বলেই অরিজিনালিটি আনার জন্য অমন একটা বাড়ি চুজ করা হয়েছিল।’

    ‘দেবীপুর মানে ওই হুগলী জেলার?’

    বর্ণালী বললেন, ‘হ্যাঁ স্যার। আমরা গত তিনদিন ধরে ওখানে একটা লজে ঘর ভাড়া করে আছি পুরো টিম। সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত শ্যুটিং চলছিল। বাড়িটার একটু বদনাম আছে। ভূতের বাড়ি বলে লোকে। আমাদের মুভি ”দক্ষিণের ঘরটার” শ্যুটিং চলছিল। হঠাৎই আমি ডায়লগ বলতে বলতেই শুনতে পেলাম টিপাইয়ের ভয়ঙ্কর চিৎকার। আমি অন্যমনস্ক হয়ে গেলাম। সিন কাট হয়ে গেল। রাকেশ বলল, ‘কী হল বর্ণালী?’

    আমি এদিকওদিক তাকিয়ে টিপাইকে খুঁজছিলাম। আমার মেড বেলা বসে বসে শ্যুটিং দেখছিল। ওর কোলেই বসে ছিল টিপাই। হঠাৎই দেখি, বেলা আছে কিন্তু টিপাই নেই। বেলাকে জিজ্ঞাসা করতে ও বলল, দু’মিনিট আগেও বেলার কাছ থেকে চকলেট চেয়েছে। বেলা দিয়েওছে। তারপর মুহূর্তের মধ্যে গেল কোথায় সেটা ও বুঝতে পারছে না। গোটা ইউনিটের সবাই খোঁজাখুঁজি করছিল। ওই বাড়ির বেশিরভাগ ঘর তালা বন্ধ। তালাগুলোয় জং ধরা। দুটো-তিনটে ঘর তালা খোলা ছিল। তাও দেওয়ালে ফাটল ধরেছে, বুনো গাছ উঠেছে। ওই তিনটে ঘরের উদ্দেশ্যেই সবাই ছুটলাম। গিয়ে দেখলাম তৃতীয় নম্বর ঘরে টিপাইয়ের হাতের গাড়িটা পড়ে গড়াগড়ি খাচ্ছে, টিপাই নেই।’ বর্ণালী আবারও ফুঁপিয়ে উঠলেন।

    পরিচালক, সহ পরিচালক পাশেই ছিলেন। তাঁরা বললেন, ‘সিঁড়িটা অর্ধেক ভাঙা, তবুও আমার টিমের ক্যামেরাম্যান সুরজিৎ কোনোমতে লাইফ রিস্ক নিয়ে ছাদে উঠেও দেখে এসেছে, কোথাও নেই টিপাই। এখন প্লিজ আপনারা কিছু করুন। দেবীপুর থানার পুলিশকে আমরা ইনফর্ম করেছি। কিন্তু তাঁরা গা-ছাড়াভাবে জানালেন, এই চত্বরের সবাই জানে ওটা ভূতুড়ে বাড়ি। দিনের বেলায়ও কেউ ঢোকে না। হঠাৎ আপনারা ওর ভিতরে করছিলেন কী? আর আপনাদের পারমিশনই বা কে দিল?’

    সুদর্শন বলে উঠল, ‘হ্যাঁ, আপনারা পারমিশন নিয়েছেন কার কাছ থেকে?’

    বর্ণালী তখন নিজের ফোন থেকে টিপাইয়ের সঙ্গে তোলা ছবিগুলো দেখাতে ব্যস্ত মহিলা পুলিশকে।

    সুদর্শনের কথায় পরিচালক রাকেশ বললেন, ‘ওই বাড়ির কেয়ারটেকার রতন মল্লিকের কাছ থেকে। উনি বললেন, বাবুরা নাকি বহুদিন আগে সব যে যার বিদেশে চলে গেছে। ভাইয়ে ভাইয়ে মনোমালিন্যের কারণে এত বড় সম্পত্তি বিক্রি হচ্ছে না। তাই রতনই মাঝে মাঝে এসে একটু পরিষ্কার করে দিয়ে যায়। এতকাল এ-বাড়ির নুন খেয়েছে, তাই কৃতজ্ঞতাবশেই করে। আমরা তা সত্ত্বেও ওর হাতে চার হাজার টাকা দিয়ে বলেছিলাম, তিনদিনের শ্যুটিং আছে। রতন বলেছিল, টাকা নিয়ে কী করব? আমি একা মানুষ, যা আছে চলে যায়। তবুও জোর করে দিতে নিয়েছিল। আমাদের শ্যুটিং চলাকালীন একদিন ঘণ্টাখানেক বসেও ছিল চেয়ারে। দূরে বসে শ্যুটিং দেখছিল। বলেছিল, কত বছর পরে এ বাড়ির উঠোনে মানুষের পায়ের ধুলো পড়ল। তারপর অবশ্য আর আসেনি। এসেই বা করবেটা কী? বাড়িতে কোন মূল্যবান জিনিস আছে যে পাহারা দিতে আসবে!’

    একজন পুলিশ বললেন, ‘আপনারা ওই বাড়িটার খবর পেলেন কোথা থেকে?’

    রাকেশ বললেন, ‘গুগল সার্চ করে। মিত্রদের ভূতুড়ে বাড়ি নামে পরিচিত বাড়িটা। আমাদেরও ভূতের সিনেমা, কিন্তু বুঝতেই তো পারছেন কম বাজেটের সিনেমা, তাই সেট বানানোর বদলে এরকম কোনো রেডিমেড জায়গায় শুট করলে খরচ কমে। সেই ভেবেই এগিয়েছিলাম। বিশ্বাস করুন, আমরা কার্বলিক অ্যাসিড ছড়িয়ে নিয়েছিলাম। তাছাড়া বিকেলের পরে আর শ্যুটিংও করিনি। যা হত ওই সূর্যের আলো থাকতে থাকতে। কী করে যে এমন অঘটন ঘটে গেল জানি না।’

    টিমের প্রত্যেকের মুখেই বেশ দুশ্চিন্তা।

    বর্ণালীর মেক-আপবিহীন মুখ। চোখদুটো কেঁদে কেঁদে ফুলে গেছে।

    সুদর্শনের যে বর্ণালীর প্রতি একটু হলেও দুর্বলতা আছে, সেটা এর আগেও ও নিজে টের পেয়েছে। কিন্তু সাংবাদিকদের নিরপেক্ষ থাকা উচিত ভেবেই নিজের দুর্বলতার কথা কোনোদিনই প্রকাশ করেনি সুদর্শন। সত্যি বলতে কী এই সাংবাদিকতার কারণেই ওরও প্রেমে বিরতি পড়েছে। তাই বিয়ের পিঁড়িতে বসার ইচ্ছেটুকুও অবশিষ্ট নেই। মা প্রায়ই আক্ষেপ করে, ছেলেটা বিয়ে করল না বলে। সুদর্শনের কলিগরা বলে, ওর নাকি মহিলাতে অ্যালার্জি। সেই সুদর্শন যেদিন প্রথম বুঝেছিল, বর্ণালীর প্রতি ও একটু হলেও দুর্বল হয়ে পড়েছে, সেদিন নিজে ইন্টারভিউ নিতে না এসে টিমের ছেলে অশোককে পাঠিয়েছিল। কিন্তু আজ এমন একটা খবর শুনে না এসে থাকতে পারেনি। না শুধু ফিল্মি দুনিয়ার টিআরপি বাড়ানোর জন্য নয়, বর্ণালীর বিষয়টা দেখবে বলেই।

    পুলিশ তখনও নানারকমের প্রশ্ন করছিল।

    সুদর্শন বর্ণালীর পাশে গিয়ে বসে বলল, ‘একটা অত্যন্ত ব্যক্তিগত প্রশ্ন করব? যদি ইচ্ছে না হয় উত্তর দেবেন না।’

    বর্ণালী কান্নাভেজা চোখে করুণ দৃষ্টিতে তাকালেন, ঘাড় নেড়ে বললেন, ‘বলুন।’

    ‘আপনার কোনো সন্তান আছে বলে তো জানতাম না। ইন্টারভিউয়ে কখনও বলেননি তো টিপাইয়ের কথা।’

    বর্ণালী দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, ‘আমার নিজের গর্ভের নয় হয়তো, কিন্তু টিপাই আমারই সন্তান। আমার দাদার বাচ্চা। বাচ্চা হতে গিয়েই বৌদি মারা যায়। দাদাও কেমন একটা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় সংসার থেকে। টিপাইকে আমি আর মা মানুষ করি। টিপাই আমাকে পিসিমণি নয় মা বলেই ডাকে। ও আমার সন্তান। ওর জন্যই দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছি। মা একটু অসুস্থ থাকায় টিপাইকে আমার বাড়িতে এনে রেখেছি বেশ কয়েক মাস। আউটডোরে শ্যুটিং থাকলে ওকে সঙ্গে করে নিয়ে যাই। সঙ্গে বেলা যায় ওকে দেখাশোনা করতে। আমাকে ছাড়া থাকতে পারে না ও টানা তিন-চারদিন। সেই জন্য এবারেও নিয়ে গিয়েছিলাম।’

    সুদর্শন কানের কাছে ফিসফিস করে বলল, ‘পুলিশ বা আপনার মুভির টিমের ওপরে আমার ভরসা নেই একেবারেই। এদের কাজের পদ্ধতি তো এতদিন ধরে দেখছি, তাই কত দেরিতে যে তদন্ত শুরু করবে সেটা বোঝা মুশকিল। তার থেকে চলুন আমি আর আপনি দুজনে যাই ওই বাড়িতে। টিপাই বাচ্চা ছেলে, হয়তো কোনো অলিগলিতে ঢুকে পড়ে আর বেরোতে পারছে না।’

    বর্ণালী আর একমুহূর্ত দেরি না করে কাঁধে ব্যাগটা নিয়ে বললেন, ‘চলুন। বেলা, চাবি নিয়ে তুমি বাড়ি চলে যাও। মা ফোন করলে এখনই টিপাইয়ের কথা কিছু বলবে না। যা বলার আমি বলব।’

    সুদর্শনের গাড়িতে উঠেই বর্ণালী বললেন, ‘প্রচণ্ড ভয় পেলে যে চিৎকারটা করে বাচ্চারা সেটাই করেছিল টিপাই। আর ও ভয় পেলে চিৎকার করে ”মা” বলে। আমায় ডাকে তখন।’

    সুদর্শন নিজেই ড্রাইভ করছিল। নরম গলায় বলল, ‘মাঝে কোথাও দাঁড়াব একটু, খাওয়া-দাওয়া করে নেবেন?’

    বর্ণালী বললেন, ‘টিপাইও তো কিছুই খায়নি। ওকে খুঁজে পাই, তারপর খাব।’

    সুদর্শন বলল, ‘না খেলে খুঁজবেন কী করে? মাথা ঘুরে পড়ে গেলে তখন আরেক বিপদ। আরেকটা কথা বলি, আমার বাবা বলতেন, বিপদের সময় একটাই কাজ মন দিয়ে করতে হয়। মাথাটাকে প্রচণ্ড শান্ত রাখা। শান্ত মাথার ভাবার ক্ষমতা বেশি। আর মাথা তখনই শান্ত থাকে যখন শরীরটা সাথ দেয়।’

    বর্ণালী আচমকা বললেন, ‘আচ্ছা, আপনি হঠাৎ আমার উপকার করতে এলেন কেন?’

    সুদর্শন হেসে বলল, ‘এটা অবশ্য ঠিক। ইদানীং কেউ উপকার করতে চাই বলে হাত বাড়ালেই ভয় করে। মনে হয়, কোনো অভিসন্ধি নেই তো? কিন্তু এক্ষেত্রে আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন বর্ণালী, আমি সুন্দরী মহিলার সুযোগ নেব না। তবে হ্যাঁ, টিপাইকে খুঁজে পাওয়ার পরে মা আর ছেলের একটা ছবি দিয়ে চারপাতা স্টোরি করার অনুমতি দিতে হবে।’

    বর্ণালী বললেন, ‘টিপাইকে খুঁজে দিন শুধু। আপনাকে ছয়পাতা স্টোরি করার অনুমতি দেব।’

    সুদর্শন হাইওয়েতে একটা ধাবার ধারে গাড়িটা দাঁড় করাল। বর্ণালীর অনিচ্ছাসত্ত্বেও জোর করে ওকে খাওয়াল, নিজেও খেয়ে নিল।

     দেবীপুরে ওই বাড়িটার সামনে যখন ওরা পৌঁছল তখনও সূর্যটা আকাশে দোল খাচ্ছে। দস্যি ছেলেকে যেমন তার মা ডাকলেও সে ছেলে খেলা ছেড়ে কিছুতেই যেতে চায় না, ঠিক তেমনই বাড়ির পথে পাড়ি দিয়েও বাড়িতে ঢোকার আগে আরেকটু খেলে নিচ্ছে। এখনই ঝপ করে সন্ধে নামবে বেশ বোঝা যাচ্ছে। সন্ধের আগেই ওই বাড়িতে ঢোকার ইচ্ছে ছিল সুদর্শনের। তাই দেবীপুর থানায় না গিয়ে সোজা বাড়িতে গেছে।

    বর্ণালী বললেন, ‘একবার কি থানায় ইনফর্ম করা উচিত যে আমরা এসেছি?’

    সুদর্শন বলল, ‘ওরা যদি পেত তাহলে নিশ্চয়ই কলকাতা পুলিশকে জানত। আর আপনার নম্বর ওরা নিয়ে গেছে। তার মানে এখনও টিপাই মিসিং। চলুন, সময় নষ্ট না করে ভিতরে ঢুকি।’

    বাড়িয়ে গেট বলতে পাল্লাই দুটো কাঠের দরজা। তাতে লোহার কারুকার্য। দরজাটা এই মুহূর্তে বন্ধ রয়েছে। না তালা নেই, শুধু বন্ধ আছে।

    সুদর্শন বলল, ‘আচ্ছা, আপনারা যে রতনের কাছ থেকে পারমিশন নিয়েছিলেন, ওকে পেলেন কোথায়?’

    বর্ণালী বললেন, ‘রাকেশ প্রথম একা এসেছিল, সেদিন এই বাড়ির উঠানে রতন বসেছিল। ওকে জিজ্ঞাসা করতেই ও এটা বলেছিল, অসুবিধা নেই পড়েই থাকে এ বাড়ি। তারপর আমরা যেদিন এসেছিলাম ওর হাতে কিছু টাকা দেওয়া হয়। তারপর আমরা ঢুকে পড়ি। তিনদিন ছিলাম এখানে একটা জনপ্রাণীকে ঢুকতে দেখিনি বাড়িতে। সব জায়গায় শ্যুটিংয়ের লোকজন এসেছে শুনলেই সর্বত্র প্রচুর মানুষ ছুটে আসে শ্যুটিং দেখতে। সুযোগ পেলে আর্টিস্টদের সঙ্গে সেলফিও তোলে। এই প্রথম আমরা এসেছি জানার পরও এই বাড়িতে একটা বাচ্চাও উঁকি দেয়নি। রাকেশ বলেছিল, যাক নিশ্চিন্তে কাজ করা যাবে এখানে।’

    সুদর্শন বলল, ‘তার মানে, রতন এখানে থাকে না। মানে এটা ওর বাড়ি নয়। আশেপাশেই থাকে হয়তো। সে পরে খোঁজা যাবে। এখন চলুন আলো থাকতে থাকতে ভিতরটা দেখে নিই।’

    দরজাটা বেশ ভারী। সুদর্শন জোরে ঠেলার পরেও পুরোটা খুলল না, সামান্য ফাঁক হল মাত্র। আরেকবার ঠেলতেও গোটাটা খোলেনি। একটা মানুষ ঢোকার মতো জায়গা হল।

    বর্ণালী বললেন, ‘আগেরদিন টিমের চারজন ধাক্কা দিয়ে খুলেছিল।’

    সুদর্শন বলল, ‘আমাদের একজন করে ঢোকার জায়গা হয়ে গেছে, আসুন।’

    সুদর্শন আগে ঢুকল, তারপর বর্ণালী।

    বিশাল উঠোনওয়ালা জমিদারবাড়ি। উঠোনটা বেশ পরিষ্কার আছে। কেউ রীতিমত পরিষ্কার রাখে। কারণ, সদ্য গতকাল শ্যুটিং পার্টি এখান থেকে গেছে, একটা টুকরো নোংরা নেই উঠোনে। সুদর্শন এদিকওদিক তাকাচ্ছিল সবটা দেখে নেওয়ার জন্য। ঠিক তখনই বেশ জোরে ক্যাঁচ করে আওয়াজ হয়ে মেইন দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল। বর্ণালী হয়তো টিপাইয়ের জন্য অন্যমনস্ক, তাই খেয়াল করল না। সুদর্শন বেশ অনুভব করছে বাড়িতে কেউ একজন ঢুকল, তারপর বন্ধ করে দিল দরজাটা। পিছন ফিরে দেখা উচিত কে। কিন্তু সুদর্শনের কেমন যেন অস্বস্তি হচ্ছে। পা দুটো বড্ড ভারী লাগছে আচমকা। কেউ যেন জোর করে চেপে ধরে রেখেছে পা দুটো। এত জায়গায় গেছে সাংবাদিকতার কারণে, তাই স্বাভাবিকভাবেই সাহস কিছু কম নেই ওর, তারপরেও এমন একটা অদ্ভুত অনুভূতির সঙ্গে ও পরিচিত ছিল না একেবারেই। একটা লাঠির আওয়াজ ক্রমশ এগিয়ে আসছে। ঠুক ঠুক করে লাঠি ঠুকে কেউ একজন হাঁটছে, যে ডান পা’টা একটু ঘষে হাঁটে। পিছন ঘোরার অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হল সুদর্শন। বর্ণালী ওর থেকে মাত্র একহাত দূরে দাঁড়িয়ে আছে।

    সুদর্শনের সামনে এসে দাঁড়াল একজন বছর সত্তরের বৃদ্ধ। হাতে লাঠি, চুলগুলো সব সাদা। পরনে পাজামা আর ঢোলা পাঞ্জাবি। বিরক্তিসূচক গলায় বলল, ‘আপনারা কারা? না আর শ্যুটিং করতে দেব না। যান এখান থেকে। বড়কর্তা, বড়গিন্নি রাগ করেছেন খুব।’

    বর্ণালী ঘুরে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘রতনকাকা, আমার ছেলেটা হারিয়ে গেছে এই বাড়িতে। তাই খুঁজতে এসেছি।’

    ঘোলাটে চোখে তাকাল রতন। ফিসফিস করে বলল, ‘ও ছেলে আর আপনি খুঁজে পাবেন না।’

    সুদর্শন এতক্ষণে নিজের শরীরে শক্তিটুকু ফিরে পেল। পাল্টা প্রশ্ন করল, ‘কেন, খুঁজে পাবে না কেন? আপনি তো এ-বাড়ির কেয়ারটেকার, আপনিই তো অনুমতি দিয়েছিলেন এখানে শ্যুটিং করার, তাহলে এ-বাড়ি থেকে বাচ্চা হারিয়ে গেলে তার দায় আপনি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করতে পারেন না।’

    রতন অদ্ভুতভাবে তাকিয়ে আছে সুদর্শনের দিকে। ওর চোখের দৃষ্টিতে কেমন একটা শিরশিরে অনুভূতি হচ্ছে সুদর্শনের।

    রতন হেসে বলল, ‘তো আমার নামে তোমার কাগজে লিখে দিও। পারলে পুলিশে দাও আমায়।’

    বর্ণালী এসব বচসা দেখে হন্তদন্ত হয়ে এসে রতনের সামনে হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘টিপাই আমার ছেলে। ওকে ছাড়া আমি বাঁচব না রতনকাকা। আমায় সাহায্য করুন। কোথায় ও?’

    বর্ণালীর চোখের জলে বুড়োর মুখের ভাঁজ হওয়া চামড়ায় অল্প হলেও করুণা ফুটে উঠল। একটু গম্ভীর স্বরে বলল, ‘টিপাই ভালো আছে। ও যত্নে আছে। তোমরা বাড়ি ফিরে যাও। বড়বৌরানি ওকে খুব আদরে রেখেছেন।’

    মানেটা কী? কী বলছে লোকটা? বাচ্চাটা বর্ণালীর। তাকে না নিয়েই বাড়ি চলে যাবে ওরা! বাচ্চাটা কোথায় বুড়োটা সব জানে! কিছুতেই বলছে না! পুলিশের রুলের বাড়ি কয়েক ঘা পড়লেই বুড়োর এসব গল্প বেরিয়ে যাবে।

    সুদর্শন বলল, ‘তো বাচ্চাটা কোথায় আছে আমাদের দেখানো যাবে?’

    বর্ণালী কেঁদেই চলেছেন। আর এদিক-ওদিক উদ্ভ্রান্তের মতো তাকাচ্ছেন। ভাবছেন, এই বুঝি টিপাই ”মা” বলে ডেকে উঠবে।

    রতন সুদর্শনের দিকে কঠিন দৃষ্টিতে তাকাল। শীতল গলায় বলল, ‘দেখে কী লাভ? ও যাবে না আপনাদের সঙ্গে।’

    উঠোনে দাঁড়িয়েই সুদর্শন অনুভব করল ঝপ করে সন্ধে নেমে গেছে। এ-বাড়িতে আকাশ ছাড়া আর কোথাও দিয়ে আলো ঢোকে না। আকাশের আলো নিভে গেলেই এ-বাড়ি থমথমে অন্ধকার হয়ে যায়। ফোনের ফ্ল্যাশলাইট অন করল সুদর্শন।

    রতন বলল, ‘দোতলায় যেতে হবে। বড়বৌরানির ঘর দোতলার কোণে।’

    রতন আগে আগে চলল লাঠি ঠুকে ঠুকে। পিছনে সুদর্শন, শেষে বর্ণালী। রাকেশ ঠিকই বলেছিলেন, সিঁড়ি বলে কিছুই নেই। সব সিঁড়িরই দুটো দিক ভেঙে গেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তাতে দুটো পা এক সঙ্গে দিয়ে ওঠা যায় না। সিঁড়িতে রীতিমত ঝোপ হয়ে গেছে ফার্নজাতীয় গাছের।

    সুদর্শন বলল, ‘সাবধানে বর্ণালী।’

    বর্ণালী ভয়ে ভয়ে বললেন, ‘হুঁ, সাবধানেই যাচ্ছি।’

    দোতলার বারান্দাটা বেশ লম্বা। একটানা লম্বা বারান্দা। কেউ একটা গুনগুন করে গান গাইছে। সুদর্শন কান পেতে শুনল।

    ‘খোকা ঘুমাল পাড়া জুড়াল বর্গি এল দেশে…

    বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দেব কীসে…’

    খুব মিষ্টি গলায় সুর করে কেউ গাইছে। এ-বাড়িতে মানুষ থাকে না বলেছিলেন রাকেশ। তিন দিন ধরে ওঁরা শ্যুটিং করেছেন, জনপ্রাণী ছেড়ে একটা বেড়াল অবধি দেখতে পাননি, বললেন বর্ণালী। অথচ গানটা তো এই দোতলার কোনো ঘর থেকেই আসছে। যদিও সব ঘরগুলোই বন্ধ রয়েছে। বাইরে থেকে তালা ঝুলছে। জং ধরে গেছে সব তলায়। একতলায় তবুও তিনটে ঘর খোলা পড়ে আছে। দোতলায় সব বন্ধ। বারান্দার ওপরে ভাঙা ঝাড়লন্ঠন, বা কোথাও শ্বেতপাথরের টেবিল তিন পায়ের ওপরে হেলে দাঁড়িয়ে আছে। যদিও পাথরের রং আর শ্বেত নেই। রতন একটাও কথা বলছে না। শুধু পা টেনে যাওয়ার আওয়াজ। নিস্তব্ধ পরিবেশ। ঝিঁঝিঁরাও ডাকছে না। তাই রতনের পা ঘষা, লাঠির ঠুক ঠুক আওয়াজকে ছাড়িয়ে ছড়ার সুরে গানটা আরেকটু জোর হল।

    বর্ণালী ফিসফিস করে বললেন, ‘আতরের গন্ধ পাচ্ছ?’

    সুদর্শন বলল, ‘আতর না ধূপ এখনও বুঝতে পারিনি। তবে গন্ধটা একটু তীব্র।’

    বর্ণালী সুদর্শনের হাতটা চেপে ধরলেন। বললেন, ‘আমার পায়ের উপর দিয়ে কিছু একটা সরে গেল যেন। ঠাণ্ডা একটা অনুভূতি পেলাম।’

    সুদর্শন বর্ণালীর হাতটা চেপে ধরে বলল, ‘দিনের আলোয় আসা উচিত ছিল। এখন আর ফিরে যাওয়ার উপায় নেই।’

    একটা বাচ্চার ফুঁপিয়ে কান্নার আওয়াজ পেল ওরা। বর্ণালী সুদর্শনের হাতটা চেপে ধরল। সুদর্শন বুঝল এটাই টিপাইয়ের গলা।

    বারান্দার শেষ প্রান্তে এসে রতন বলল, ‘এই ঘরে থাকেন বড়বৌরানি। উনিই আপনার ছেলেকে মানুষ করবেন।’

    গোটা বাড়ি নিশ্ছিদ্র অন্ধকার। ইলেক্ট্রিসিটি নেই পরিচালক রাকেশ বলেছিলেন। বলেছিলেন, ‘আমরা জেনারেটর দিয়ে কাজ চালাচ্ছিলাম। বাড়িতে কোনো ইলেকট্রিক লাইন নেই বর্তমানে। কোনো এককালে ছিল, কিন্তু বর্তমানে সব সুইচ ভেঙে পড়ে আছে।’ তাহলে ওই দরজার ফাঁক দিয়ে আলো আসছে কোথা থেকে! বর্ণালীর হাত ঘামছে, কাঁপছে তিরতির করে, সেটা বেশ অনুভব করতে পারছে সুদর্শন।

    রতন বলল, ‘আসুন।’

    দরজাটা খুলতেই ধূপের গন্ধটা এসে ঝাপটা দিল নাকে। জুঁই ফুলের সুবাস। বিশাল বড় ঘর। ওপর থেকে ঝুলছে ঝাড়লন্ঠন। মাঝে একটা বিশাল পালঙ্ক। নিখুঁত সাজানো একটা ঘর।

    রতন বলল, ‘আমাদের বড়বৌরানি।’

    বর্ণালী দেখল, এক গা গয়না আর রূপালীপাড় তসরের শাড়ি পরে এক মহিলা বিছানায় শুয়ে থাকা টিপাইয়ের মুখে নাক দিয়ে কী যেন শুঁকছেন।

    রতন বলল, ‘বাচ্চাদের মুখে একটা দুধ দুধ গন্ধ থাকে না, ওটা বৌরানির খুব প্রিয় গন্ধ। ওটাই শুঁকছেন হয়তো।’

    আরও ছোট বাচ্চার আরও বেশি গন্ধ থাকে। টিপাইয়ের যেহেতু বছর আড়াই বয়স, তাই ওই গন্ধের তীব্রতা কমেছে। তবে টিপাইয়ের প্রিয় খাদ্য এখনও দুধ। তাই গন্ধটা ওর মুখে অল্প হলেও পাচ্ছেন মহিলা। প্রাণ ভরে যেন শ্বাস নিচ্ছেন। মহিলার মুখটা দুর্গাপ্রতিমার মতো। কিন্তু কপালে বা সিঁথিতে সিঁদুরের রেখা নেই। সম্ভবত অবিবাহিত বা বিধবা।

    বর্ণালী বললেন, ‘আমরা এই ক’দিন যে ছিলাম, ইনি যে এখানে থাকেন বুঝতে পারিনি তো।’

    সুদর্শন বলল, ‘আমি তো একটা জিনিস বুঝতে পারছি না, লাইটগুলো জ্বলছে কী করে?’

    ভদ্রমহিলা টিপাইকে কোলে তুলে নিলেন। বারবার কানের কাছে বলেই চলেছেন, ‘মা ডাক। ডাক মা বলে ডাক আমায়!’

    টিপাই অপলক তাকিয়ে আছে। অচেনা লোকের কোলে ও কোনোদিনই থাকে না। তাই ফুঁপিয়ে কেঁদে ফেলেছে। মহিলার চোখ দুটো আচমকা রক্তের মতো লাল হয়ে উঠল। নিজের গলা থেকে তিনটে সোনার হার খুলে টিপাইয়ের গলায় পরিয়ে দিয়ে বললেন, ‘এবারে মা বলে ডাক।’

    বর্ণালী বললেন, ‘অকারণে এভাবে টিপাইকে কষ্ট দিচ্ছে কেন?’

    সুদর্শন মুখে আঙুল চাপা দিয়ে বলল, ‘চুপ। কথা নয়। আগে দেখুন বিষয়টা।’

    মহিলা হাত থেকে সোনার চুড়ি খুলে টিপাইয়ের ছোট্ট ছোট্ট হাতে পরিয়ে দিলেন। সেটা টিপাইয়ের হাত থেকে খুলে পড়ে গেল নীচে। টিপাইকে রেগেমেগে বিছানায় ঠুকে বসিয়ে দিয়ে বললেন, ‘মা বলে ডাক আমায়। ডাক মা বলে।’

    টিপাই যেহেতু ডাকছে না, ক্রমশ অসহিষু� হয়ে যাচ্ছেন মহিলা। উত্তেজনায় চুলের খোঁপাটা গেল খুলে। কোমর অবধি চুল ছড়িয়ে গেল। কথা নেই বার্তা নেই মহিলা আচমকা ঘুরে ঘুরে নাচতে শুরু করলেন। আর বেশ রাগতস্বরে বলতে শুরু করলেন, ‘দেখ, নাচ দেখ। তোরা তো পুরুষমানুষ। নাচ-গান, বাইজি তোদের বেশি পছন্দ। দেখ আমি কেমন নাচতে পারি দেখ।’

    রতন ফিসফিস করে বলল, ‘এবারে চলুন। বৌরানি এখন কিছুক্ষণ নাচবেন।’

    বর্ণালী বললেন, ‘যাব মানে? আমার টিপাইকে না নিয়ে আমি কোথাও যাব না।’

    রতন বলল, ‘পিছনে ঘুরে দেখুন।’

    সুদর্শন পিছনে ঘুরতেই দেখল, দুটো হাড়গিলে লোক হাতে লাঠি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। লোকদুটো এতটাই রোগা যে, ওদের উপস্থিতি বুঝতেই পারেনি সুদর্শন। রতনের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ওরা কারা?’

    রতন বলল, ‘ওরা বড়বৌরানির লেঠেল। ওরা কোনোদিন এ-বাড়ি ছেড়ে, বৌরানিকে ছেড়ে যায়নি। দীর্ঘদিন ওরা না খেয়ে থেকেছে, তবুও ছেড়ে যায়নি।’

    বর্ণালী বললেন, ‘তো ওরা কী করবে? আমাদের মারবে?’

    রতন বলল, ‘মারবে না তো। শুধু বেঁধে রাখবে। বৌরানির নাচের সময় কেউ বিরক্ত করলে তাকে বেঁধে রাখে এরা।’

    সুদর্শন দেখল দুটো হাড়গিলে চেহারা ওদের কাছে এগিয়ে আসছে। বর্ণালী ভয়ে চোখ বন্ধ করে দিলেন।

    ডিগডিগে রোগা লোকগুলো এসেই সুদর্শনের মুখ শুঁকতে লাগল। ওদের গা থেকে একটা পচা, বিশ্রী গন্ধ আসছিল। সুদর্শনের বমি হয়ে যাবে মনে হচ্ছিল।

    রতন বলল, ‘সরে যাও দারোয়ান রঘুনাথ।’

    রতনের কথায় ওরা একটু সরে দাঁড়াল।

    রতন বলল, ‘জমিদারি চলে গেছে বহুদিন। শেষ বংশধর চলে গেছে বিদেশে। এরা যেহেতু এ-বাড়ির নুন খেয়েছিল, তাই রঘুনাথ আর শিবনাথ দুজনে এ-বাড়ির মাটি ছেড়ে যেতে পারেনি কখনও। দীর্ঘদিন অনাহারে থেকেছে। তাই খাবারের গন্ধ পেলেই উত্তেজিত হয়ে যায়।’

    সুদর্শন ভাবল, ধাবায় ওরা রুটি আর তড়কা, চিকেন খেয়েছিল অনেকক্ষণ আগে। এরা এখনও সেই গন্ধ পাচ্ছে কী করে! এরা কি জীবিত আছে, নাকি মৃত! রতনকে জিজ্ঞাসা করতেও সাহস হচ্ছে না। তবুও এ-বাড়িতে ও-ই একমাত্র সুস্থভাবে কথা বলছে ওদের সঙ্গে।

    রতন বলল, ‘চলুন আপনাদের নিশ্চিন্তে বাইরে অবধি পৌঁছে দিয়ে আসি।’

    বর্ণালী বললেন, ‘আমার ছেলে! টিপাই!’

    রতন বলল, ‘নিজে চোখেই তো দেখলেন ও যথেষ্ট ভালো আছে। এখন চলুন।’

    বর্ণালী প্রায় কঁকিয়ে উঠলেন।

    সুদর্শন বর্ণালীর হাতে চাপ দিয়ে বলল, ‘বেরিয়ে চলুন।’

    বর্ণালী ওর হাত ছাড়িয়ে সোজা উদ্ভ্রান্তের মতো ছুটলেন ওই বড়বৌরানির ঘরের দিকে। বাইরে থেকেই জোরে ডাকলেন, ‘টিপাই…’

    টিপাইও ঘর থেকেই ডাকল, ‘মা…’

    সুদর্শন চোখের সামনে দেখল, বৌরানির নাচ থেমে গেল। টিপাইকে ধরে বুকের মধ্যে নিয়ে বললেন, ‘আরেকবার ডাক মা।’

    টিপাই বর্ণালীর দিকে তাকিয়ে ডাকল, ‘মা’

    সুদর্শন পাশ ফিরে দেখল, রতন নেই। রোগা রোগা লোকদুটো এসে ওর মুখের কাছ থেকে ঘ্রাণ নিতে শুরু করেছে। সুদর্শনের বমি উঠে আসছে। চোখ বন্ধ হয়ে আসছে। কেউ যেন বরফ শীতল হাত দিয়ে ওর গলাটা টিপে দম বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। সুদর্শন আপ্রাণ চেষ্টা করছে ছাড়ানোর। কিন্তু ওর নাকে একটা পচা গন্ধের ঝাপটায় দমটা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বর্ণালীর গলাটা মৃদু শুনতে পাচ্ছে, ‘ওকে ছেড়ে দিন, ও আমার ছেলে।’

    চোখে সূর্যের আলো পড়তে চোখ মেলল সুদর্শন। গোটা গায়ে অসহ্য ব্যথা। একটা পোড়োবাড়ির ভাঙা বারান্দায় পড়ে আছে ও। ঝটিতে গতকাল রাতের সব মনে পড়ে গেল ওর। কোনোমতে কষ্ট করে উঠেই এদিকওদিক তাকিয়ে খুঁজছিল বর্ণালীকে। দেখল, কোথাও নেই বর্ণালী। সামনের যে ঘরে কাল আলো জ্বলছিল, সেটাও বন্ধ এখন। রীতিমত জং ধরা একটা তালা ঝোলানো।

    ঘরের সামনে একটা বাঁধানো ছবি পড়ে আছে। তার কাঁচটা কিছুটা ভাঙা। ছবিটা দেখে চমকে উঠল সুদর্শন। এ তো সাদা-কালো বর্ণালীর ছবি! হুবহু এক মুখ! এক চেহারা! শুধু সাজপোশাক আলাদা। ছবিটা সঙ্গে নিয়ে ওই ভাঙা সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে এল সুদর্শন। উঠোনে বর্ণালী অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন, দু’হাতে আঁকড়ে রেখেছেন টিপাইকে। নিজের ব্যাগ খুঁজে জলের বোতল পেল ও, তাতে জল খুব সামান্যই আছে। সেটাই বর্ণালীর মুখে ছেটাতে ওঁর জ্ঞান ফিরল।

    সুদর্শন বলল, ‘আর এক মুহূর্ত নয়, চলুন শিগগির।’

    বর্ণালী টিপাইকে নিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে উদ্ভ্রান্তের মতো গেটের দিকে ছুটে গেলেন। গেট আজ খোলা।

    গাড়িতে বসে দুজনেই হাঁপাচ্ছে। টিপাইয়ের গায়ে প্রবল জ্বর। একটা হোটেল ভাড়া করে ওদের ঘরে ঢুকিয়ে দিল সুদর্শন। টিপাইকে ইমিডিয়েট ডক্টর দেখাতে হবে।

    খোঁজ করতে করতে একজন বয়স্ক ডক্টরের নাম শুনে তাঁর বাড়িতেই গেল সুদর্শন। ডক্টর সবটা শুনলেন। তাঁর বয়স অন্তত তিয়াত্তর বছর। বললেন, ‘বেঁচে ফিরে এসেছেন এটাই অনেক। বাচ্চাটা এখনও ট্রমায় আছে। আমি ওষুধ দিচ্ছি।’

    সুদর্শন আধ ভাঙা ছবিটা ডাক্তারের সামনে দিয়ে বলল, ‘চেনেন এঁকে?’

    ডাক্তার বললেন, ‘আমার বাবা চিনতেন। আমি তখন ফোর-ফাইভে পড়ি, তখন শুনেছিলাম এক অপরূপ সুন্দরী বাইজি নিয়ে এসেছেন জমিদারদের বড়কর্তা। গুঞ্জাবাই নাম। সে সপ্তাহে একবার করে বের হত জমিদারবাড়ি থেকে। রাস্তায় যাকে পেত, তাকেই দান করত কিছু কিছু। বলত, ”পাপ ধুয়ে ফেলছি।” এ হল সেই গুঞ্জাবাইয়ের ছবি। এর দুয়ারেই পড়ে থাকতেন জমিদার শশীশেখর। এদিকে বড়বৌরানি একটা বাচ্চার জন্য হাহাকার করতেন। ”মা” ডাক শোনার জন্য ব্যাকুল ছিলেন। পাড়ার ছোট বাচ্চা দেখলেই তাকে জড়িয়ে ধরে বলতেন, ”আমায় একবার মা বলে ডাকবি?” এই বলতে বলতে মাথাটা প্রায় খারাপ হয়ে গিয়েছিল। শশীশেখর নপুংসক ছিলেন, কিন্তু বন্ধ্যা দোষ দেওয়া হল বড়বৌরানিকে। শেষে এক পূর্ণিমার রাতে বড়বৌরানি একটা সাদা বেনারসি শাড়ি পরে, সিঁথির সিঁদুর তুলে, হাতের শাঁখা ভেঙে ঢুকলেন ওই বাইজির ঘরে।

    গুঞ্জাবাই তখন নাচছিল শশীশেখরের সামনে। বড়বৌরানি নাকি সমান তালে নেচেছিলেন ওখানে। বলেছিলেন, ”আমিও পারি পুরুষের মন জয় করতে। আবার আমি খুন করতেও পারি।”

    একই দিনে গুঞ্জাবাই, শশীশেখর আর বড়বৌরানির দেহ পাওয়া গিয়েছিল ওর ঘর থেকে।

    ছোট-তরফের সবাই এমন ঘটনার পরে বাড়ি-ঘর ছেড়ে কলকাতা পালিয়ে গেছিলেন। পড়েছিল ক’জন দারোয়ান আর ওদের বাজার সরকার। তারা শুনেছি রাত হলেই বৌরানিকে দেখতে পেত। তারপর যা হয়, ধীরে ধীরে সবাই চলে গেছিল। আর কয়েকজন না খেতে পেয়ে মরে পড়েছিল ওই বাড়িতেই। শহরের একপ্রান্তে বলে ওদিকে কেউ বড় একটা যায় না। কলেজ টাইমে আমরা দু-একবার ওদিক দিয়ে এসেছি। কিন্তু দুপুরেও গা ছমছম করে বলে আর যাইনি।’

    ডাক্তারবাবু ওষুধ বানিয়ে দিলেন।

    হোমিওপ্যাথি ওষুধই টিপাইকে দিলেন বর্ণালী।

    সুদর্শন বলল, ‘তাহলে রতন কেন এখনও বাড়ি পাহারা দেয়?’

    ডাক্তারবাবু বললেন, ‘রতন চন্দ্র নামে ওদের একজন বাজার সরকার ছিল বলে শুনেছি। সে তো ছাদ থেকে পড়ে মারা গিয়েছিল। কোন রতনের কথা বলছেন বলুন তো?’

    সুদর্শন আর কথা না বাড়িয়ে ফিরে এল হোটেলে। টিপাই খেয়ে ঘুমাচ্ছে। কিন্তু জ্বরটা ছাড়েনি। ঘুমের ঘোরেই চমকে উঠছে। ওষুধ খাইয়ে দিলেন বর্ণালী। তারপর বললেন, ‘টিপাই ওই মহিলাকে মা বলে ডাকার পরে কী হয়েছিল আপনার মনে আছে?’

    সুদর্শন ঘাড় নেড়ে বলল, ‘না মনে নেই। আমি একটা তীব্র পচা গন্ধে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম। ঠিক কী হয়েছিল জানি না।’

    বর্ণালী বললেন, ‘আমাকে হঠাৎ রতন বলল, ”গুঞ্জাবাই আপনি চলুন। মা ডাক শুনেছেন বৌরানি, এখুনি ছেড়ে দেবেন ওকে।” আমি কিছুই না বুঝে দাঁড়িয়েছিলাম। দেখলাম ওই মহিলা কোথায় যেন চলে গেল! আমি টিপাইকে নিয়ে কী করে নীচের উঠোনে এলাম জানি না। গুঞ্জাবাই কে? কিছুই বুঝলাম না।’

    সুদর্শন বলল, ‘বর্ণালী, লাঞ্চ করেই আমরা কলকাতা রওনা দেব।’

    বর্ণালী সুদর্শনের হাতের ওপরে হাতটা রেখে বললেন, ‘এভাবে বন্ধুর মতো পাশে থেকো প্লিজ।’

    সুদর্শন ক্লান্তভাবে হেসে বলল, ‘লাঞ্চে কিছুই খেতে পারব না আমি। এখনও নাকের কাছে ওই লোকগুলোর মুখ ভাসছে, যারা আমাদের মুখ শুঁকছিল।’ টিপাইকে নিয়ে ওরা ফিরে এল কলকাতায়। সুদর্শন রাতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়েও স্বপ্ন দেখল, দুটো হাড়সর্বস্ব লোক ওর মুখের কাছে এসে নাক দিয়ে টেনে নিচ্ছে খাবারের গন্ধ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য
    Next Article জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    Related Articles

    অর্পিতা সরকার

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    প্রিয় পঁচিশ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }