Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    হেঁটে যাই জনমভর – সেলিনা হোসেন

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প100 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – ১২

    ১২

    ছেলেবেলায় মা বলতেন, অচেনা জলে কখনও স্নান করিসনি। জলের আবার চেনা-অচেনা কী, সব জলই তো সমান। আসলে, মা হয়তো বলতেন, অচেনা পুকুরে। পুকুর বা পুষ্করিণী কথাটা কী যে-জায়গার মধ্যে জল থাকে সীমাবদ্ধ আয়তনের নাম, না সেই জলটুকুরই নাম, আমি ঠিক জানিনা। তবে, কোন অচেনা জায়গায় গিয়ে পুকুরে স্নান করতে, কোন রোগের ভয়ে নয়, বা সাঁতার জ্ঞানের অভাবে নয়—আমি পূর্ববাংলার নদীনালার দেশ থেকে প্রায় সাঁতারে এসেছি কলকাতা—সুতরাং ডুবে মরার ভয় নেই, কিন্তু তবু যে-কোন অজানা পুকুরে স্নান করতে, বিশেষত যদি আকারে একটু বড়ো এবং জলের রং কালো হয়, আমার ভয়-ভয় করে। মনে হয় পুকুরের ঠিক মাঝখানে কোন অজ্ঞাত চরিত্রের অতিকায় প্রাণী লুকিয়ে আছে। সেই জন্তুর চেহারাটা কল্পনা করতে পারিনা বলেই ভয়ে আরও গা ছমছম করে। জানা শত্রুর চেয়ে অজানা শত্রু হাজারগুণ ভয়াবহ।

    কোন মানুষকে একবার অপয়া বলে ঘোষণা করলে যেমন আর সে অপবাদ কখনও ঘোচেনা, যে-কোন অঘটনের জন্য কোন-না-কোন সূত্রে সেই লোকটি দায়ী হয়ে যায়, সেইরকম পুকুর সম্বন্ধেও একবার ‘রাক্ষুসে’ বা ‘সর্বনেশে’ নাম রটে গেলে, সে কলঙ্ক আর মুছে ফেলার কোন উপায় নেই। এমন কোন দিঘি বা পুষ্করিণী নেই, যেখানে দু-একটা মানুষ বা বাচ্চা ডুবে মরেনি, মানুষ তো কতরকমভাবেই মরে, পুকুরে ডুবে মরার মধ্যে এমন আশ্চর্য কী আছে, তবু পাড়ার কোন প্রাজ্ঞ পিসিমা যদি উচ্চারণ করে ফেলেন ‘ও পুকুরটা রাক্কুসে, প্রত্যেক বছর একটা করে মানুষ নেয়—’ তাহলে তৎক্ষণাৎ সে কথা রটে যাবে, এবং স্থান পেয়ে যাবে ইতিহাসে। উত্তর কলকাতার দেশবন্ধু পার্কের পুকুর সম্পর্কে আমরা ছেলেবেলায় গুজব শুনেছি, ওর মধ্যে কী একটা অদ্ভুত প্রাণী আছে, যা প্রতিবছর দুটো করে বাচ্চা ছেলে খায়। একবার নাকি কুড়ি হাত লম্বা একটা বিকট জন্তু জল থেকে উঠে এসে লোকজনকে তাড়া করে আবার জলে নেমে যায়। অবশ্য, সে-জন্তু আমরা দেখিনি, দেখেছে এমন লোকের সঙ্গেও দেখা হয়নি, কিন্তু প্রতি বছর এখনও দুটো করে ছেলে মরছে ঠিকই।

    যাইহোক, আমাদের আগের বাড়িতে একটা বেশ বড়ো পুকুর ছিল। অবশ্য পুকুরটা ঠিক বাড়িতে নয়, এবং বাড়িটাও আমাদের নয়। করপোরেশনের এলাকা একটু ছাড়িয়ে, কোন ধনী জমিদারের একদা যে প্রমোদ-বাগানবাড়ি ছিল, এখন দৈন্যদশায় সেটাতে অনেকগুলি ফ্ল্যাট বানানো, তারই একটাতে আমরা ছিলাম। বাড়ির পাশে একটা শ্রীহীন বাগান, সেখানে দু-একটা দুর্লভজাতীয় ফুলগাছের সঙ্গে অজস্র আগাছার ঝোপ, তার ওপাশে পুকুর—একদা চারদিক পাঁচিল ঘেরা ছিল নিশ্চিত, এখন দূরের রাস্তার গাড়োয়ান গাড়ি থামিয়ে বলদজোড়াকে এ-পুকুর থেকে জল খাইয়ে নিয়ে যায়।

    সারা গ্রীষ্মকালটা ওখানে স্নান করতাম। জল বেশ হাল্কা ও ঠাণ্ডা, তাছাড়া শ্যাওলা ছিলনা, একবার সাঁতার কেটে এপার-ওপার হয়ে এলে শরীর ঝরঝরে হয়ে যেত।

    সেই পুকুরটা সম্পর্কে হঠাৎ একবার অপয়া বা সর্বনেশে বদনাম রটে গেল। একাট চোদ্দ-পনেরো বছরের ছেলে বন্ধুদের সঙ্গে বাজি ফেলে পুকুরের মাঝখান থেকে একডুবে মাটি তুলতে গিয়েছিল। যখন ভেসে উঠল, হাতে মাটি নেই, কিন্তু কপাল ও নাক জুড়ে অনেকখানি কাটা, ছেলেটা কোনমতে পাড়ে সাঁতরে এসে অতখানি রক্তক্ষরণের পর অবশ হয়ে পড়ল। নিশ্চয়ই কোন ইঁটের টুকরো বা গজাল বা পাথরে লেগে—কিন্তু লোকে অন্যরকম সন্দেহ করল। বিশেষত, ত্রিলোচনবাবু, যিনি প্রত্যেকদিন ঐ পুকুরের একগলা জলে দাঁড়িয়ে গঙ্গাস্নানের স্তব পড়তেন, ঈষৎ গম্ভীরভাবে বললেন, এ-পুকুরটায় দোষ আছে হে। আমি অনেকদিন থেকেই লক্ষ্য করছি! কুমীর বা কচ্ছপ না-ওরা লুকোতে পারেনা, জানান দেয়ই। ওসব আগেকার দিনের জমিদারদের ব্যাপার—কত লোককে মেরে হয়তো পুঁতে রেখেছিল এই পুকুরেই। নইলে, সেদিন একটা মরা শালিক ভাসছিল কেন? পুকুরে কেউ কখনও মরা পাখি দেখেছে এর আগে?

    ত্রিলোচনবাবুর বলার ভঙ্গি এমন, যে, শুনলেই বিশ্বাস করতে মন চায় বিশেষত শেষের কথাটা। সত্যিই কয়েকদিন আগে পুকুরে একটা মরা শালিক ভাসছিল। কীরকম যেন শুকনো ধরনের মরা, শরীরে কোন আঘাত নেই, অর্থাৎ কেউ উড়ন্ত পাখিটাকে মারেনি। তাহলে কি আপনিই মরে পড়েছিল? আজ পর্যন্ত, কোন স্বাভাবিকভাবে মৃত পাখি আমি দেখিনি। প্রেমেন্দ্র মিত্রের সেই গল্প ‘চড়ুই পাখিরা কোথায় যায়?’ বহুবার ভেবেছি। বাড়িতে কত চড়ুই পাখি, ঘুলঘুলিতে বাসা বাঁধে, অথচ একটা মরা চড়ুই, স্বাভাবিকভাবে হার্ট ফেল করে বার্ধক্যে মরা, কোনদিন বাড়িতে দেখিনি। মরার আগে সব পাখিরাই কোন এক অনির্দিষ্ট দেশে চলে যায় মরতে।

    এরপর ঐ পুকুরে স্নানার্থীদের সংখ্যা যত কমতে লাগল, তত বাড়তে লাগল গুজব। কে নাকি, দুপুরে একলা ঘাটে গিয়ে দেখেছে জলের মাঝখান থেকে অসংখ্য বুড়বুড়ি উঠছে। আরেকজন সত্যিই দেখেছে একটা কোন বিশাল প্রাণী জলের মধ্যে থেকে দাপাদাপি করছে। অসম সাহসিনী মাদ্রাজী বউ এসব শোনা সত্ত্বেও হাসতে-হাসতে সাঁতরে পুকুর পার হতে গিয়ে পায়ে ক্র্যাম্প ধরে—এবং তার ধারণা কেউ তার পা টেনে ধরেছিল।

    আমাদের নিচের ফ্ল্যাটে থাকত তপন, পোর্ট কমিশনে কাজ করে, ক্রিকেট খেলা চেহারা, রবীন্দ্রসঙ্গীত ও মুর্গীর মাংস রান্না ওর জীবনের এই দুটিমাত্র নেশা, একদিন আমাকে ডেকে বলল, কী আপনি যে আর পুকুরে স্নান করতে আসেননা, আপনিও ভয় পেলেন নাকি? স্বীকার করতে লজ্জা হল, তবু সত্যিই আমি ভয় পেয়েছিলাম। পুকুরটা আমার কাছে আবার কী রকম অচেনা হয়ে গেছে। পুরোনো কালো জল, সারাদিন আজকাল আর স্নানার্থীদের দাপাদাপি থাকে না বলে শান্ত ও গম্ভীর, দেখলেই আমার কীরকম রহস্যময় যেন মনে হয়। আমাদের বারান্দা থেকে দূরে পুকুরটা একটু-একটু দেখা যায়। একদিন পড়ন্ত বিকেলে সেদিকে তাকিয়ে চমকে উঠেছিলাম। কিছুই দেখিনি, তবু চমকে উঠেছিলাম। কিছু একটা দেখব এই প্রত্যাশা, অথবা অযৌক্তিক অলৌকিকের প্রতি আমার গোপন বিশ্বাস জন্মানোর লজ্জাতেই চমকে উঠেছিলাম হয়তো।

    কাঁধে তোয়ালে, ব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজতে মাজতে তপন আমাকে বলল, আসুন, নেমে আসুন।

    আমি বললাম, না, এখন বর্ষা নেমে গেছে, ঐজন্যই আর পুকুরে যেতে ইচ্ছে হয় না আর কী।

    যাঃ, এ আর কী এমন বর্ষা। আসুন, নেমে আসুন। আমি তো রয়েছি, ভয় কী!

    শেষের কথাটাই আমার আত্মাভিমানে আঘাত দিল। যেতে হল। পুকুরে যাবার পথে তপন সদ্যদেখা কী যেন একটা সিনেমার গল্প বলতে লাগল আমায়, জলে নেমেও সেই গল্প, কখন যে আমরা পুকুরটাকে ভুলে থেকে স্নান সেরে উঠে এলাম খেয়ালই নেই। এইরকম পরপর তিনদিন গেলাম, নির্দোষ, সরল জল, কোথাও কোন রহস্য নেই, আমরা দুজন যুবক স্নান সেরে আসি। যদিও আমরা দুজনেই হয়তো মনে-মনে লজ্জিত হয়ে ছিলাম একটা ব্যাপারে, আগে একবার অন্তত পুকুরটা সাঁতরে পার হয়ে আসতাম, এখন মাঝখান পর্যন্তও যাইনা।

    এরপর কয়েকদিন যাইনি, তিনদিন প্রবল ঝড় ও বৃষ্টি, স্নান না-করে বিছানায় শুয়ে-শুয়ে খিচুড়ি খাবার দিন। হঠাৎ শুনতে পেলাম, তিনদিন ধরে তপন বাড়ি নেই। বাড়ির লোক কিছুই জানেনা কোথায় গেছে। মেঘ সরে গিয়ে চতুর্থ দিনের রোদে আমরা তপনের জন্য সত্যিই ব্যস্ত হয়ে উঠলাম। এরকম না বলে-কয়ে সে তো কোথাও যাবেনা। ত্রিলোচনবাবু বললেন, পুলিশে খবর দাও হে, আর পুকুরে জাল ফেলো!

    পুলিশে খবর দেওয়া হল, কিন্তু পুকুরে জাল ফেলতে হলনা। তার আগেই তপনের মৃতদেহ ভেসে উঠল। জলে ফুলে বীভৎস চেহারা। সেই প্ৰথম আমি মৃতদেহ দেখলাম, যাকে আমি জীবন্ত অবস্থায় চিনতাম। আমাদের পরিবারে তখনও কোন মৃত্যু আসেনি। পুলিশ খুব পুলিশী কায়দায় জিজ্ঞেসবাদ করতে লাগল সকলকে, প্রথমেই ত্রিলোচনবাবুকে, আমরা সবাই বিষম অস্বস্তিতে রইলাম! এ কী ধরনের মৃত্যু তপনের, যাতে ওর সম্পর্কে শোক করার বদলে আমাদের নিজেদের সম্বন্ধেই উদবিগ্ন হতে হচ্ছে। অবশ্য, বেশিক্ষণ এরকম রইল না, তপনের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছিল সকালে, বিকালের দিকে তপনের বউদি বুকশেলফের পিছন থেকে চিঠিটা খুঁজে পেলেন। চিঠিটায় তিনদিন আগের তারিখ দেওয়া, বোধহয় ঝড়ে উড়ে পড়ে গিয়েছিল টেবিল থেকে। সেই মামুলি এবং অতি প্রয়োজনীয় চিঠি, ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়…’। আমরা সকলে নিশ্চিন্ত হয়ে তৎক্ষণাৎ তপনের সম্বন্ধে সত্যিকারের দুঃখিত হতে শুরু করলাম। যদিও তপনের রুচির প্রশংসা করতে পারিনি আমি, মরতে হলে কত ভদ্ৰ উপায় আছে, ঘুমের ওষুধ, তার বদলে অমন বিশ্রীভাবে ডুবে মরা! তাছাড়া ডুবলই বা কী করে, অমন ভালো সাঁতার জানত!

    যাইহোক, এরপর পুকুরটা সম্বন্ধে বদনাম কেটে যাওয়া উচিত ছিল, কারণ ওর মৃত্যুর জন্য জলের কোন দোষ নেই। তাছাড়া, জলের মধ্যের অদেখা জন্তু তো আর ওকে দিয়ে চিঠি লেখায়নি! কিন্তু পুকুরটা হয়ে গেল সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত। কেউ আর ওর ধারও মাড়ায়না, সাঁতার জানা সত্ত্বেও তপন ডুবে মরল কী করে, এ রহস্যই সকলকে ভয় দেখায়।

    অথচ, খুব সহজ। হয় তপন গলায় ভারী কিছু বেঁধে নিয়েছিল, তিনদিন পর সেটা ছিঁড়ে যেতে মৃতদেহ ভেসে ওঠে। অথবা…অথবা, আর-একটা কথা আমার বারবার মনে হতে লাগল, হয়তো তপন ঝোঁকের মাথায় পুকুরের মাঝখানে ডুব দিয়ে দেখতে গিয়েছিল—কেন সেই ছেলেটার নাক ও কপাল কেটেছিল— তারপর মনে ভয় থাকার জন্যই হয়তো দম আটকে যায়, কিংবা কিছুতে জামা—কাপড় জড়িয়ে…কী জানি। আমার এই দ্বিতীয় সন্দেহটার কথা দু-একজনকে বলতেই তারা তৎক্ষণাৎ মেনে নিল এবং এটাই মুখে-মুখে ছড়িয়ে গেল যে, পুকুরের মাঝখানে একটা ভয়ংকর কিছু আছে-তপন সেটাই ডুব দিয়ে দেখতে গিয়ে মারা যায়। উল্টে আমিই তখন প্রতিবাদ করে বলি, তাহলে তপন চিঠি লিখল কেন? কেউ সে কথা শোনেনা। পুকুরটা সম্পর্কে চরম দুর্নাম ছড়াবার জন্য দায়ী হলাম আমিই।

    তপনের মৃত্যু আমাকে সাহসী করে দিয়েছিল। পুকুরটা সম্বন্ধে সব কুসংস্কারই তখন অবিশ্বাস করতে শুরু করেছি। অতদিনের পুকুর—ওর মধ্যে আবার জন্তুজানোয়ার কী থাকবে? থাকলে কেউ-না-কেউ দেখতই। বড়জোর মাঝখানে কোন বাঁশ বা পাথরের টুকরো পোঁতা আছে। আমার ইচ্ছে হত এক—একবার, আমিও খুব খারাপ সাঁতার জানিনা, সাবধানে একবার ওখানে ডুব দিয়ে দেখে আসি, ওখানে কী আছে, তারপর লোকের ভুল ভেঙে দি।

    তার বদলে আমরা ও-বাড়ি ছেড়ে দিলাম। আমিই উদ্যোগী হয়ে খুব তাড়াতাড়ি খোঁজাখুঁজি করে, অমন খোলামেলা বাড়ি ছেড়ে চলে এলাম আবার করপোরেশন এলাকার মধ্যে। বাড়ির লোক অবাক হয়ে গিয়েছিল আমার ব্যস্ততা দেখে, কিন্তু আমি সত্যিই ওখানে থাকতে চাইনি আর। জলের রহস্য জানতে আমার আর ইচ্ছে হয়না। এখন করপোরেশনের কলের ছিরছিরে জলই আমার ভালো লাগে।

    ও-বাড়িতে শেষ ক’দিন আমার ইচ্ছে হতো পুকুরে স্নান করতে। মা দিতেননা কিছুতেই। অথচ, কুসংস্কার মেনে একটা নিরীহ পুকুরে স্নান না-করার কী মানে হয়। আমি মাঝে-মাঝে সন্ধেবেলা পুকুরপাড়ে যেতাম। বাঁধানো ঘাটের ওপর বসে সিগারেট ধরাতাম। পুকুরের যেখানটায় তপনের দেহটা ভেসে উঠেছিল সেদিকে তাকালে কীরকম বিশ্রী উদাসীন লাগত। হঠাৎ একদিন কান্নার শব্দ। দেখি ঘাটের পাশে মাঠের ঘাসে বসে একটি যুবতী মেয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। তখন সন্ধের আবছা অন্ধকার। মেয়েটি বোধহয় আমাকে দেখতে পায়নি। আমি তৎক্ষণাৎ সে-জায়গা ছেড়ে উঠে এলাম, মেয়েটির মুখ দেখার চেষ্টাও না-করে।

    নিছক ভদ্রতাবোধে চলে আসিনি। ভয়ে! ভয় হয়েছিল, মেয়েটিকে যদি কোন কারণে চিনতে পেরে যাই, যদি হঠাৎ মনে পড়ে তপনের মৃত্যুর সঙ্গে ওর কোন সম্পর্ক—তা হলেই তো মহামুশকিল। পুকুরের জলের রহস্যের বদলে চোখের জলের রহস্য নিয়ে তখন আমাকে আবার মগ্ন হতে হবে। তাছাড়া মেয়েটি যদি বলে, আপনি বিশ্বাস করেন, পুকুরের মাঝখানে কী আছে—এটা জানার জন্যই শুধু তপন মরেছে? আপনি একবার ডুব দিয়ে দেখে আসুন না! সৰ্বনাশ, এই রহস্য কিংবা রহস্য উন্মোচন করতে আমাকে কতদূর জটিলতায় চলে যেতে হবে ভাবতেই আমার ভয় হয়েছিল।

    তারপরই ও-বাড়ি থেকে চলে আসি। এখন জলের আর কোন চেনা-অচেনা নেই। কোন রহস্য নেই। কল দিয়ে কেঁচো বা সাপ বেরুলেও এখন আর নতুন বিস্ময়ের কিছু থাকবেনা। সরু জলের ধারায় আমার স্নান করার সময় পুরো শরীরটাও ভেজে না—কিন্তু তাতেও দুঃখ নেই তবু তো আমাকে কোন জলের রহস্য ভেদ করতে হবেনা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Our Picks

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    হেঁটে যাই জনমভর – সেলিনা হোসেন

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }