Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    হেঁটে যাই জনমভর – সেলিনা হোসেন

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প100 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – ৫

    ৫

    দুপুরবেলা অনিমেষের অফিসে দেখা করতে গিয়েছিলাম। খানিকটা পরে মনে হল, না-এলেই ভালো হতো।

    অনিমেষ একটা ছোটো অফিসে চাকরি করে। এক মারোয়াড়ি কম্পানির আমদানী-রপ্তানীর শাখা অফিস। স্ট্র্যান্ড রোডে তিন-চারখানা ঘর নিয়ে অফিস, দশ-বারোজন কর্মচারী, একজন মারোয়াড়ি বড়োবাবু, অনিমেষের কাজ ইংরেজিতে চিঠিপত্র লেখা। ধুতি ও হাফশার্ট, শীত, গ্রীষ্ম বারোমাস অনিমেষের পায় কেড্‌স জুতো—কাঁধে একটা ঝোলানো ব্যাগ, শান্ত লাজুক প্রকৃতির। ভেবেছিলাম অনিমেষের অফিসটা নিরিবিলি হবে—এই শীতের মনোরম দুপুরে কিছুক্ষণ গল্প করা যাবে। আমি দুপুরবেলা একাকীত্ব একেবারে সইতে পারিনা। আর অনিমেষও, ভিড়ের মধ্যে বা অনেক বন্ধুর মধ্যে একেবারেই কথা বলতে পারেনা—কিন্তু একা-একা দেখা হলে অনেক কথা বলে।

    ও আমাকে দেখে উদ্ভাসিত মুখে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, আয় একটু বোস —আমি ততক্ষণে হাতের কাজটা সেরে নিই। তারপর—। চা খাবি তো?

    চা আনতে পাঠিয়ে অনিমেষ কী একটা চিঠি শেষ করতে লাগল। মাস দু-এক ওকে দেখিনি, আজ লক্ষ করলাম, ওর মুখ চোখ যেন কিছুটা শুকিয়ে গেছে। ক্রমশই শুকিয়ে যাচ্ছে—গত সাত-আটবছর ধরে দেখছি। আমারই সমান বয়েস —তবু ওর মুখের চেহারা আমার চেয়ে অনেক রুক্ষ, রেখাময় — সারা মুখের মধ্যে নাকটাই এখন বেশি প্রকট।

    অনিমেষ নিজের জীবনে একজন খাঁটি ব্যর্থ মানুষ। আমি আমার নিজের ব্যর্থতার কথা জানিনা, ক্বচিৎ দৈবাৎ যদি নিজের দিকে তাকিয়ে আমি বুকের মধ্যে একটা পরিত্যক্ত পুকুরের ঘাট দেখতে পাই—সেই ভয়ে আমি একা থাকতে পারিনা —ছুটে-ছুটে যাই অন্য মানুষের দিকে—আমি তাদের ব্যর্থতা দেখার চেষ্টা করি। আমি অনিমেষের অনেকগুলি ব্যর্থতার কথা জানি।

    ছেলেবেলায় অনিমেষ ছিল আমাদের মধ্যে পড়াশুনোয় সবচেয়ে ধারালো ছেলে, ইংরেজি পরীক্ষায় প্রতিবার ফার্স্ট হতো। আমরা ভাবতাম, অনিমেষ একসময়ে নামকরা ইংরেজির অধ্যাপক হবে। কিন্তু, কী কারণে যেন বি. এ. পরীক্ষায় ইংরেজি অনার্সে ফেল করে গেল অনিমেষ, আর ওর পড়াশুনো করাই হলনা। মানিকতলার দিকে বেশ চমৎকার তিনতলা বাড়ি ছিল ওদের, ওর বাবা মারা যাবার কয়েকদিন পরই জানাতে পারলাম, সে-বাড়ি নাকি অনেকদিন আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। অনিমেষরা এখন আছে বরানগরের এক নড়বড়ে ভাঙা বাড়িতে। সংসারে ছোটো ভাই-বোন, মা-ও বিধবা পিসি—সকলেই পাখির ছানার মতো হাঁ করে আছে, অনিমেষ সারামাস খেটে ওদের মুখে খাবার এনে দেবে। অনিমেষ রত্না নামে একটা মেয়েকে ভালোবাসত কলেজজীবনে। তখন আমরা ভাবতাম, এ অত্যন্ত বিসদৃশ জোড়-অনিমেষের মতো বুদ্ধিমান ছেলের পাশে ওরকম একটা বোকা অহংকারী মেয়েকে মানায়না। রত্নার ধারণা ছিল সে সুন্দরী, কিন্তু আসলে একটা পুষি বেড়ালের মতো চেহারা। দেখা হলেই গড়গড় করে যত কথা বলত তার একটি কথাও না-শুনলে—পৃথিবীর কিছুই যায় আসেনা। অথচ অনিমেষ ছিল রত্নারই জন্য গোপন উন্মাদ। কোনদিন রত্নাকে কিছু বলতে ভরসা পায়নি, যেদিন মুখ ফুটে বলল, সেইদিনই প্রত্যাখ্যান–তখনও অনিমেষ বাবা ও তিনতলা বাড়ি হারায়নি। রত্না ওরই সমান আর-একটি বোকা—পরাশরকে বিয়ে করেছে। এবং ওরাই জীবনে সাকসেসফুল। ভারত সরকারের পররাষ্ট্র দপ্তরে চাকরি নিয়ে রত্না আর পরাশর এখন আছে সুইটসারল্যাণ্ডে! অনিমেষ আর কোন মেয়ের দিকে চোখ তুলে তাকায়নি।

    কিন্তু এ সবই তো বাইরের ব্যর্থতা। অনিমেষ তার চেয়েও বেশি হেরে গেছে। অনিমেষের চেহারায় কোন খুঁত ছিলনা—দীর্ঘ চেহারায় সুপুরুষই বলা যায়, কিন্তু ক্রমশ ও ভিড়ের যে-কোন লোক হয়ে গেল। কোনদিন ও রুখে দাঁড়ালনা। পৃথিবীতে ও একটি দাবিও আদায় করে নিতে চেষ্টা করলনা। কোন গণ্যমান্য লোকের সঙ্গে পথ দিয়ে যাবার সময় আমি যদি দূরে অনিমেষকে দেখি, আমিও হয়তো ওকে পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করব। ভিড়ের মধ্যে মিশে থেকেই হয়তো অনিমেষ একদিন অগোচরে অদৃশ্য হয়ে যেতে চায়

    অনিমেষ বলল, আর-একটু বোস, হয়ে গেছে, আমি চিঠিটা টাইপে দিয়ে আসি। ওর জামার হাতা ঢল-ঢল করছে, মনে পড়ল, একসময় সৌখিন অনিমেষ সোনার বোতাম ব্যবহার করত।… ওর অফিসঘরটা ছোটো, আরও দুটো চেয়ার আছে—একটি চেয়ারে কোট রাখা, অন্যটি খালি। যাক, কিছুক্ষণ নিরিবিলিতে গল্প করা যাবে।

    ফিরে এসে ও বলল, টাইপিস্ট আসেনি আজ। চিঠিটা জরুরি ছিল—তা আর কী করব!

    জিজ্ঞেস করলাম, তোর বাড়ির সব কেমন আছে।

    ও স্মিত হেসে বলল, ভালোই।

    বুঝতে পারলাম, এই যে ভালো কথাটির সঙ্গে একটা ‘ই’ যোগ করে দেওয়া এবং স্মিত হাসি-এর পিছনে অন্তত আছে মায়ের বাতের ব্যথা, ছোটো বোনটার জ্বর, পিসিমার চোখ অপারেশন করাতে হবে—ইত্যাদি। এগুলিরই সংক্ষিপ্ত রূপ, ভালোই! আমি জানি অনিমেষ যখন মরে যাবে তখন মরার ঠিক আগের মুহূর্তে যদি ওকে জিজ্ঞেস করা হয়, কেমন আছিস, ওর যদি উত্তর দেবার ক্ষমতা থাকে তখন, তবে অনিমেষ নিশ্চিত তখনও বলবে স্মিত হাসি হেসে, এই একটু মরে যাচ্ছি আর কী!

    গেছে।

    —আবেশ, উত্তেজনা অনিমেষের জীবন থেকে একেবারে অন্তর্হিত হয়ে

    সুতরাং কী কথা শুরু করব? আমি তাই আলগাভাবে বললাম, তোদের অফিস থেকে গঙ্গা দেখা যায় দেখছি!

    –হ্যাঁ, মাঝে-মাঝে জাহাজের বাঁশিও শোনা যায়। এ-বাড়ির ছাদে উঠলে দেখা যায় অনেকদূর পর্যন্ত। শীতকালের রোদ্দুরে দাঁড়িয়ে গঙ্গা দেখতে ভালো লাগে।

    —চল-না, ছাদেই যাই। নাকি, অসুবিধে হবে তোর অফিসে?

    —নাঃ অসুবিধে কী! চল—

    এইসময়ে ঘরে একটি লোক ঢুকল। বলে দিতে হয়না, এই লোকটিই এ-অফিসের মারোয়াড়ি বড়োবাবু। সার্জের সুট, হাতে সোনার ব্যান্ডের ঘড়ি। কিন্তু বিশাল ভুঁড়ি ও মুখে পানের দাগ—দর্পিত পদশব্দ—বড়োবাবুর এই চিহ্নগুলিও আছে। লোকটির বাংলা জ্ঞান নিখুঁত। আমাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে অনিমেষকে জিজ্ঞেস করল, চ্যাটরজি নন ফেরাস মেটালের সেই চিঠিটা হয়েছে?

    অনিমেষ চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, হ্যাঁ।

    —এখুনি পাঠিয়ে দাও!

    —সেটা তো গতকালই পাঠিয়ে দিয়েছি। আপনি সই করে দিলেন—

    —আমাকে এজেন্টরা ফোন করেছিল—আমি বলতে পারলামনা, আমার প্যাডে লিখে দিয়ে আসবে তো!

    -আপনিই সই করলেন কিনা—

    –আমার মাথায় বৃহৎ কাম ঘোরে। একটা চিঠির কথা মাথায় ভরে রাখলে চলেনা। প্যাড আছে কী জন্যে? ডেপুটি কন্ট্রোলারের চিঠিটাও হয়ে গেছে কাল?

    -না, ওটা আজ লিখেছি। কিন্তু টাইপিস্ট আসেনি।

    এবার কি কারবারটা ডকে তুলব? কেন আসেনি কেন?

    —আপনার কাছ থেকেই ছুটি নিয়েছে শুনলাম—

    -টাইপিস্ট ছুটি নিয়েছে বলে চিঠি যাবেনা? ডেপুটি কন্ট্রোলার সে-কথা বুঝবে?

    —হাতে লিখে পাঠাব?

    —আমাদের কারবারের কি প্রেস্টিজ নেই যে হাতে লিখে চিঠি যাবে? চিঠঠিটা আজই যাওয়া দরকার।

    —আমি তো টাইপ জানিনা।

    —টাইপ আবার জানা আর না-জানা কী! একটু সময় বেশি লাগবে। বাজে গপ্পোসপ্প না-করে চিঠিটা টাইপ করে ফেলুন। যদি দেরি হয়ে যায়, ওভারটাইম নিয়ে লেবেন! যান!

    লোকটা আবার পায়ের শব্দ করে চলে গেল। লোকটার অসম্ভব রূঢ়তায় এবং অভদ্রতায় আমি খুবই রেগে উঠেছিলাম—কিন্তু দুনিয়ার এত মানুষের বিরুদ্ধে রেগে ওঠার আছে যে বন্ধুর অফিসের বড়োবাবুর বিরুদ্ধে আর রাগ দেখিয়ে লাভ কী—এই ভেবে চুপ করে বসেছিলাম। ঐরকম বাক্যালাপের পরই আমি চলে যাবার জন্য উঠে দাঁড়িয়েছি-অনিমেষ এসব সহ্য করেও এখানে হাসিমুখে চাকরি করবে —কিন্তু আমার এসব সহ্য করার দরকারটা কী! কিন্তু অনিমেষ আমার হাতটা চেপে ধরে বলল, আর-একটু বোস।

    নিজেই পাশের ঘর থেকে টাইপরাইটারটা নিয়ে এল ঘাড়ে করে। সেটাতে কাগজ পরিয়ে টকাটক্ শুরু করল। আমি এই দুপুরবেলা টকাটক্ শোনার জন্য আসিনি। একটু অধৈর্য হয়ে বললাম, তুই কাজ কর, আমি চলি রে!

    –বোস, আর-এককাপ চা খেয়ে যা।

    আমার সত্যিই অস্বস্তি বোধ হতে লাগল। অনিমেষদের অফিসে হয়তো এটা স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু আমার সামনেই অপমানিত হয়ে অনিমেষ নিশ্চয়ই বেশি লজ্জিত হয়েছে। এখানে আমার না-আসাই উচিত ছিল। অনিমেষের মুখ কিন্তু আগের মতোই প্রশান্ত, নির্বিকার। থাকতে না-পেরে বললাম, তুই জীবনে আর কত সহ্য করবি? মানুষের কাছে এত ছোটো হতে-হতে তোর আর মনুষ্যত্ব কী থাকবে?

    —কার কাছে ছোটো হলাম? ঐ বাজোরিয়ার কাছে? ওর কাছে আর অপমান হবার কী আছে? ও তো আর বেঁচেই নেই!

    —কী বলছিস….

    অনিমেষ টাইপরাইটার থেকে মুখ তুলে সেইরকম স্মিত হেসে বলল, সত্যি ও-লোকটা আমার সামনে আর বেঁচে নেই। অনেকদিন আগেই আমি ওর মৃত্যুদণ্ড দিয়েছি। তারপর আমিই ফাঁসি দিয়েছি ওর। ওর চরম নির্বুদ্ধিতা এবং বুনো শুয়োরের মতো গোঁয়ার্তুমি দেখে আমি ঠিক করেছিলাম, ওর আর বাঁচার অধিকার নেই। অনেকদিন আগে, ও যখন আরও বাচালের মতো কথা বলছিল—আমি এই চেয়ারেই বসে থেকে বিচারকের আসনে বসেছিলাম, ওর ফাঁসির হুকুম দিয়েছিলাম শান্তভাবে। তারপর, নিজেই উঠে এসে—আমিই তখন জল্লাদ সেজে ওর গলায় দড়ি পরিয়ে ওকে ঝুলিয়ে দিয়েছি। ও তখনও কথা বলে যাচ্ছিল-কিন্তু জানলনা, সেই মুহূর্তে ওর ফাঁসি হয়ে গেল। তারপর থেকে ওর কোন কথাই আমার গায় · লাগেনা। ও তো একটা মড়া—ওর আবার কথার মূল্য কী!

    আমার অবাক মুখের দিকে তাকিয়ে ও আবার বলল, তোর অবাক লাগছে? শাস্ত্রে আছে, অতি মূর্খ এবং স্মৃতিভ্রষ্ট মৃতের সমান। দেখছিস-না—আমি ওকে মেরে ফেলেছি বলে যে-চিঠি ও নিজে সই করেছে—তার কথাও ওর মনে থাকেনা! টাইপিস্টকে ছুটি দিয়ে নিজেই ভুলে গেছে—একি জীবিত মানুষের লক্ষণ? ওর কথায় আবার রাগ করব কী?

    –কিন্তু, তুই ওর কথা অমান্য করতেও পারিসনা।

    –কারণ, ওর কাছ থেকে আমি অর্থ পাই। অর্থ মৃতের হাত দিয়ে আসুক আর জীবিতের হাত দিয়ে আসুক—তার মূল্য একই। তার সঙ্গে মানসম্মানের প্রশ্ন নেই। প্রশ্ন সেখানে—যদি আমি ওকে ভয় করতাম। কিন্তু আমি ওকে ভয় করিনা—কারণ, আমি ওকে চরম শাস্তি দিয়েছি!

    -তুই এইভাবে সব মানুষকে দেখিস্!

    —হ্যাঁ। সেদিন ট্রামে একটা পুলিশ ভারী জুতো দিয়ে আমার পা মাড়িয়ে দিল। আমি ভেবেছিলাম, সে দুঃখিত বা লজ্জিত হবে! পাঁচ মিনিট সময় দিয়েছিলাম। কিছুই হলনা—ভ্রূক্ষেপও করল না। তখন আমি ওর একটা পা কেটে ফেলার হুকুম দিলাম। তারপর নিজের করাত দিয়ে পুচিয়ে-পুচিয়ে সেই ট্রামের মধ্যেই ওর একটা পা কেটে বাদ দিলাম। ও জানেনা। এখনও ওকে দেখি মোড়ের মাথায় দাঁড়িয়ে থাকে সদর্পে, কিন্তু ও জানেনা—আমার কাছে ওর একটা পা চিরকালের মতো খোঁড়া—কোনদিন আর আমাকে আঘাত করতে পারবেনা। কলেজে পড়ার সময় রত্না আমাকে অন্যায়ভাবে অপমান করেছিল। আমি ওকে নির্বাসন দণ্ড দিয়েছি। কী কঠিন সেই দণ্ড।…এই তো সেদিন, আমার বাড়িওয়ালা বিষম পাজী ছিল—কোন কথায় কান দিতনা। আমি তার কানদুটো কেটে নিয়েছি। লোকটা জানেনা—এখনও মনের সুখে কাগজ পাকিয়ে কান চুলকোয়, কিন্তু জানেনা, আি ওর কানদুটোই কেটে নিয়েছি—সেখানে দুটো রক্তাক্ত গর্ত আমি স্পষ্ট দেখে পাই।….

    আমি স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখার চেষ্টা করলাম, অনিমেষের এসব পাগলামির লক্ষণ কিনা। টাইপ মেসিনের ওপাশে—ময়লা হাফশার্ট গায় অনিমেষ একবার জোব্বা-পরচুল পরে কঠিন বিচারক হয়ে যাচ্ছে—আবার সে পরমুহূর্তে কালো কাপড় পরে খড়গ হাতে নিয়ে হয়ে যাচ্ছে নৃশংস জল্লাদ। কে জানে এসব পাগলামি কিনা—কিন্তু এই খেলা নিয়ে অনিমেষ সুখেই আছে মনে হল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Our Picks

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    হেঁটে যাই জনমভর – সেলিনা হোসেন

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }