Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প89 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বসন্ত রজনী – ৭

    সাত

    কাছারী থেকে একটু সকাল সকাল ফিরলাম।

    টিকিট আর কিনলাম না। ভাবলাম, রাধা যদি শেষ পর্যন্ত যেতে রাজি না হয়! কাছারী থেকে চিরদিন ফিরি নিঃশব্দে। আজকে সোরগোল তুললাম। সে শব্দে রাধা নেমে এল। তার পিছনে টুলু।

    বললাম, এ কি! তোমরা এখনও সাজগোজ করনি? ছ’টা বাজে যে!

    টুলু উত্তর দিতে পারলে না। নতনেত্রে দাঁড়িয়ে রইল। রাধা বললে, দিদিমণির বড্ড মাথা ধরেছে মৃণালবাবু। দুপুর থেকে।

    চেয়ে দেখলাম, গ্রীষ্মের রোদে গাছের পাতা যেমন ঝলসে যায় ওর মুখখানি তেমনি গেছে ঝলসে। তাতে যেন একবিন্দু রস নেই।

    বিরক্তভাবে বললাম, তবে তুমি কষ্ট করে নেমে আসতে গেলে কেন টুলু? চুপ করে একটু শুয়ে থাকলেই তো পারতে! ওই তো তোমার দোষ!

    টুলু ভীতভাবে অপাঙ্গে আমার দিকে চাইলে। ওর মনে বোধ হয় ভয় হয়েছে আমার রাগের কারণ ঠিক ওর নীচে নেমে আসার জন্যে নয়, কারণ অন্য! কিছুটা আশাভঙ্গের জন্যেও হতে পারে। যাই কিছু সে, ভাবুক, আমার বিরক্তি দেখে ও একটু ভয় পেলে। কোনো জবাব দিলে না।

    টুলু চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল দেখে আমি আবার বিরক্তভাবে বললাম, যাও!

    টুলু তথাপি গেল না। চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল।

    বললাম, মিছিমিছি কাজ কামাই করে ছুটে এলাম। রাধা চা-টা কি তৈরি করেছ নিয়ে এস। আমাকে এখনি আবার বেরুতে হবে!

    রাধা যাচ্ছিল, টুলু তাকে বললে, তুমি থাক আমি আনছি।

    বিস্ময়ে রাধাকে দাঁড় করিয়ে রেখে টুলু চলে গেল। রাধার সত্যিই বিস্ময়ের সীমা ছিল না! এই আকস্মিক রাগারাগির মধ্যে পড়ে সে হতচকিত হয়ে গিয়েছিল। ইতিপূর্বে আমার ক্রোধের প্রকাশ সে কখনও দেখেনি। আজকে কেনই বা এমন অকস্মাৎ চটলাম, আর টুলুই বা এমনভাবে তাকে বসিয়ে রেখে নিজে কেন গেল খাবার আনতে, তার কারণ নির্ণয় করতে না পেরে বিমূঢ়ের মতো দাঁড়িয়ে রইল।

    টুলু খাবার নিয়ে এল। আমার খাওয়ার শেষ পর্যন্ত চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। রাগ করেও চলেও গেল না, কথা দিয়ে হাসি দিয়ে আমার রাগ ভাঙাবার চেষ্টাও করলে না। আমিও নিঃশব্দে খাওয়া শেষ করে উঠলাম। একবার কেউ প্রশ্নও করলে না কতদূরে যাচ্ছি, ফিরতে কত দেরী হবে।

    আমি কিন্তু রাস্তায় নেমে বিপদে পড়লাম। কোথায় যাই? বহুকাল ক্লাবে যাইনি। সেখানে গেলে তো আস্ত রাখবে না! অকারণে আত্মীয় বন্ধুর বাড়ী যাওয়াও ছেড়েছি। বিনাকাজে এখন যেতে বাধ-বাধ ঠেকে। এক গড়ের মাঠে গিয়ে বসে থাকা। কিম্বা রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো, চৌমাথায় দাঁড়িয়ে গাড়ী ঘোড়া মোটর মানুষের ভীড় দেখা। ভিড় ভালো লাগছে না। রাস্তায় ঘোরা নয়, সিনেমাতেও যাওয়া নয়। বরং একটা ফিটন করে এমনি খানিকটা মাঠে হাওয়া খেয়ে ফিরে আসাই সব চেয়ে ভালো।

    তাই করলাম। সামনে দিয়ে একটা খালি ফিটন যাচ্ছিল। সেইখানায় উঠে বললাম, ময়দান চল।

    কাল সারারাত্রি চোখের পাতাটি বুজিনি। কাছারীতে কাজের ভিড়ে ঘুমের কথা মনেও হয়নি। এখন ফিটনে উঠতেই শরীর ঘুমে যেন এলিয়ে এল। একটি কোণে ঠেস দিতেই রাজ্যের ঘুম নামল চোখে। খিদিরপুর পুলের কাছাকাছি গাড়োয়ান ডেকে তুললে, বাবু কোথায় যেতে হবে?

    বললাম, ময়দান ঘুরে বাড়ী।

    বলেই আবার চোখ বন্ধ করলাম। সন্ধ্যার হাওয়ায় মাথাটা যেন সুস্থ বোধ হচ্ছিল। বেশ একটু শীত-শীত করছিল। কিন্তু সে বেশ ভালোই লাগছিল। এমন ঘুম অনেকদিন আসেনি। সমস্ত দুশ্চিন্তা কোথায় উড়ে গেল। মন হালকা বোধ হল। পৃথিবীর সুখ দুঃখ, ভাবনা চিন্তা কিছুরই সঙ্গে আর কোনো সম্পর্ক রইল না। নিশ্চিন্তে নিদ্রা গেলাম।

    কতক্ষণের জন্যেই বা ঘুমিয়েছি। বাড়ীর কাছে যখন ফিরলাম ঘড়িতে দেখলাম দু’ঘণ্টা ঘুমিয়েছি। এই দু’ঘণ্টাতেই আমার শরীর মন হালকা হয়ে গেছে। মস্তিষ্কে যেন আর কোনো গ্লানি নেই, টুলুর সম্বন্ধে আর আমার কোনো রাগ নেই। আশাভঙ্গের বিরক্তিও গেছে কেটে। বরং মনে মনে ওর জন্যে ব্যথিত হলাম, উদ্বিগ্ন হলাম। মনে পড়ল ওর মলিন মুখ।

    টুলুর শরীর হয়তো কিছুকাল থেকেই ভাঙতে সুরু করেছে। আমিই ওর দিকে চাইবার সময় পাইনি। আমার চিত্ত থেকে আমার স্বপ্ন থেকে যে আনন্দরস উৎসারিত হচ্ছিল তাই নিয়ে ছিলাম ডুবে। এতদিন নিজেকে নিয়েই ছিলাম ভুলে। অন্যের দিকে চাওয়ার অবকাশ হয়নি। মনে হল টুলুর শরীর নিশ্চয়ই কিছুদিন থেকে খারাপ যাচ্ছে। একদিনে হঠাৎ একটা লোক এমন শুকিয়ে যায় না, কারও এমন করে ফিটও হয় না। মনে মনে লজ্জিত হলাম, অনুতপ্ত হলাম। বেচারা টুলু। ওর ভালো চিকিৎসার প্রয়োজন।

    রাধা এসে বললে, আপনার খাবার জায়গা করি?

    —কর।

    রাধা খাবার দিয়ে দরজায় ঠেস দিয়ে দাঁড়াল।

    জিগ্যেস করলাম, টুলু কেমন আছে?

    বললে, তেমনি।

    সন্ধ্যার কাণ্ডে রাধাও যেন ভড়কে গেছে। সেও যেন কেমন ভয়ে ভয়ে কথা বলছে। কৃতকর্মের জন্যে বড়ই লজ্জিত হলাম। ওরা হয়তো ভাবছে দু’মুঠো খেতে দিচ্ছি বলেই এমন করে চোখ রাঙাতে সাহস করছি। আমি যেন ওদের মাথা কিনে নিয়েছি।

    ব্যাপার লঘু করার জন্যে বললাম, তোমরা সবাই আমার ওপর খুব রেগে গেছ, না রাধা?

    রাধা শান্তভাবে ঘাড় নেড়ে জানালে, না।

    বললাম, তুমি হয়তো রাগনি, কিন্তু টুলু রেগেছে। বলে নি কিছু?

    রাধা বললে, না। বলবে কি?

    বললাম, বলেনি হয়তো, কিন্তু রেগেছে নিশ্চয়। নইলে আমার খাওয়ার সময় নীচে নামতো।

    রাধা ব্যস্তভাবে বললে, বা রে! ওকে শুয়ে থাকতে বলেছেন যে! নীচে আসতে নিষেধ করেন নি?

    আমি হো হো করে হেসে উঠলাম, ও, এইজন্যে?

    রাধা ঘাড় নেড়ে বললে, হুঁ।

    আমি গম্ভীরভাবে বললাম, আর কিছুতে না হলেও তোমাদের চেয়ে আমি বয়সে বড়। যদি কখনও কিছু বলেই ফেলি, কিছু মনে করো না রাধা। দুঃখ শুধু তো তোমাদের নয়, আমারও আছে।

    এমন সময় টুলু ধীরে ধীরে নেমে এল। তার দিকে না চেয়েই বলতে লাগলাম, আমাদের সব সময় মনে রাখতে হবে তিনটি অভাগা প্রাণীকে ভগবান এক জায়গায় জড় করেছেন। আমাদের দিকে সমস্ত পৃথিবী পিছন ফিরেছে। এই কথা ভেবে আমাদের দোষ ত্রুটি আমরা যদি না ক্ষমা করতে পারি, বিড়ম্বনার আর শেষ থাকবে না।

    টুলু আমার এ সব কথা শুনছিল বলে মনে হল না। আমার প্রত্যেকটি জিনিসের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি বুলিয়ে রাধাকে বললে, চাটনি করনি?

    —করেছি বৈ কি! ওই যাঃ

    রাধা চাটনি আনতে গেল। টুলু দুধের বাটিতে একটু চিনি ঢেলে বাতাস করতে করতে বললে, রাগের কথা কি হচ্ছিল শুনি?

    বললাম, হয়নি কিছুই। তুমি আমার ওপর রেগেছ তাই বলছিলাম।

    বললে, সমস্ত দিন কোর্টে বসে হয়কে নয় করেন সেই ভালো। অকারণে রাত্রিবেলায় মিথ্যে কথা বলছেন কেন?

    বললাম, মিথ্যে বলিনি তো।

    টুলু আর একটা বাটিতে দুধটা ঢালতে ঢালতে বললে, তা হবে। পুরুষমানুষের দস্তুরই তাই। গরীবের ওপর অকারণে চোখও রাঙাবেন আবার দোষও চাপাবেন।

    রাধা চাটনি নিয়ে এল। টুলু তাকে বললে, তুমি একটা ভয়ানক অন্যায় করেছ রাধা।

    রাধা এই আকস্মিক দোষারোপে ভয় পেয়ে গেল। বললে, কি করেছি?

    –তুমি মৃণালবাবুর ওপর রাগ করেছ?

    রাধা হেসে বললে, কখন রাগ করলাম?

    হাসি চেপে টুলু বললে, করনি? সেই! সন্ধ্যাবেলায় বলছিলে যে। বলে দোব?

    —দাও বলে।

    ওরা দুজনেই হেসে উঠল। টুলু দুধের বাটিটা এগিয়ে দিয়ে উঠতে উঠতে বললে, আমরা দুজনেই ভীষণ রেগেছি। আমাদের রাগকে যদি ভয় করেন তাহলে পাতে কিছু ফেলে রাখতে পারবেন না। আমি আপনার বিছানাটা করতে চললাম। বুঝলেন?

    টুলু কি আমাকে কিছু ইঙ্গিত করে গেল? ওর মুখের ভাব লক্ষ্য করার চেষ্টা করলাম। মুখ দেখা গেল না। ও যেন ইচ্ছে করেই আমাকে আড়াল করে চলে গেল। টুলুর রহস্য আমার কাছে দিন দিন বেড়েই চলছে।

    .

    অনেক রাত্রি পর্যন্ত আমি বিছানায় চুপ করে বসে রইলাম। আমার মনে ধারণা হয়েছিল, টুলু আসবে। বিছানা করার কথায় ও সেই ইঙ্গিতই নিশ্চয় করে গেছে। ওর জন্যে আমার দুয়ার খুলে রাখলাম। কোথাও একটু কিছু শব্দ হলেই চমকে উঠি। দেহের রক্ত দ্রুততালে নেচে ওঠে। কিন্তু টুলু এল না।

    সকলের খাওয়া-দাওয়া হয়ে গেল। নীচে বাসন মাজার শব্দ বন্ধ হল। বসে বসেই শুনছি রাধা ঝিকে বিদায় করে সদর দরজা বন্ধ করে দিলে! নীচের আলো নিভল। তারপর তেতলা যাওয়ার সিঁড়িতে রাধার পায়ের শব্দ মিলিয়ে গেল। এক সময়ে মনে হল, রাধা তেতলার বারান্দায় দ্রুতপদে ঘুরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বোধ হয় বাইরে কাপড় মেলা আছে সেইগুলো তুলছে। কিম্বা হয়তো অন্য কিছু বাইরে পড়ে রয়েছে। অবশেষে সে শব্দও মিলিয়ে গেল। রাধার শোবার ঘরের দরজা বন্ধ হল। এইবার সে আসবে।

    সে বলেছে আমি তার সকলের চেয়ে আপন। বলেছে সবাই যখন অবলীলাক্রমে তাকে অমর্যাদার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে তখন আমি দিয়েছি আশ্রয়! এ কি শুধুই আশ্রয়! আমি তার সমগ্র সত্ত্বাকে সম্মানের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করেছি। ও নিজে মুখ ফুটে দুঃখ করেছে। কেন আমি দ্বিধা করি? কিসের জন্যে সঙ্কোচ? পুরুষের মনের কথা টের পেতে মেয়েদের এক মিনিটও লাগে না। সে বুঝেছে আমার প্রেম কারও প্রেমের চেয়ে ছোট ও নয়, দুর্বলও নয়। আমার বলিষ্ঠ বাহুর আশ্রয় রমণীর পক্ষে উপেক্ষা করবার নয়। সে আসবে।

    টুলুর সম্বন্ধে সুকোমলের মন এখনও সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়নি। এখনও সন্দেহ আছে। এখনও দুলছে। টুলু জানে, ওর ওপর এখনও নিঃসংশয়ে নির্ভর করা চলে না। টুলুর মর্যাদা ওর হাতে সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। ও নিজে যেচে এসেছে সত্যি। একবার বললেই হয়তো ওকে নিয়েও যাবে। কারণ, ওকে ঘরে রেখে ও যেমন স্বস্তি পাচ্ছিল না, ওকে ছেড়েও ওর পক্ষে থাকা অসম্ভব। টুলুকে যে ও ভালবাসে একথা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। কিন্তু সে ভালোবাসা কণ্টকসঙ্কুল। কোমলচিত্ত নারীর পক্ষে সে কাঁটার জ্বালা সহ্য করা সহজ নয়। তা সে পারবে না। টুলু সুনিশ্চিত আসবে।

    টুলু আসবে এই সম্ভাবনাতেই আমার ছোট ঘরটির রূপ গেছে বদলে। ছোট নীল আলো জ্বলছে। তার স্বল্প আলোয় চোখ যেন জুড়িয়ে যায়। ঘরখানিকে যেন নীল দিয়ে মেজে দিয়েছে। রোজ জ্বলে এই আলো। কিন্তু এমন ভালো কোনদিন লাগেনি।

    নীচের বড় ঘড়িটায় ঢং করে একটা বাজল। কত এখন রাত? এরই মধ্যে একটা হবে? ওটা কি আধঘণ্টার ঘণ্টা? কতক্ষণ থেকে প্রতীক্ষা করে আছি জানি না। হয়তো অনেকক্ষণ। যুগযুগান্ত থেকে। কিম্বা হয়তো এই এখনি থেকে। সময়ের হিসাব মন থেকে মুছে গেছে। যে কাল অনন্ত, যাকে খণ্ড খণ্ড করে ভাগ করা চলে না, আমি চলেছি তারই মধ্যে দিয়ে। দণ্ডের সঙ্গে পল আশ্চর্যরকমভাবে মিলে সমান হয়ে গেছে।

    ঘড়িতে ঢং করে বাজল একটা। আমার স্বপ্ন গেল টুটে। ঘণ্টাতো নয় যেন একটি জিজ্ঞাসা-চিহ্ন। কই এল? টুলু কই এল? সেই থেকে বসে রয়েছি, এল না তো?

    ঘরের কোণে কোথায় একটি ঝিঁঝি পোকা ডাকছিল একঘেয়ে সুরে। সে সুর প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল একেবারে আমার মস্তিষ্কের স্নায়ুতে। তার মধ্যে হতাশার সুর ছিল বুঝি। আমাকে আর বসে থাকতে দিলে না। ঘরের মধ্যে অস্থিরভাবে পায়চারী করতে লাগলাম।

    মাথার ভিতর কি রকম যন্ত্রণা হচ্ছিল। ঘরের আলো মনে হল পর্যাপ্ত নয়। এদিকের দেওয়াল থেকে ওদিকের দেওয়ালের ছবি ভালো দেখা যায় না। কিছুই স্পষ্ট করে দেখা যায় না। সব ঝাপসা। ঘর যেন গরম হয়ে উঠেছে। চারিদিকের জানালা দরজা সব বন্ধ। মাথা ঝিম ঝিম করছে। হাত কাঁপছে। ভয় হল, এ ঘরে আর বেশীক্ষণ থাকলে দম বন্ধ হয়ে যাবে। মুক্ত হাওয়ার জন্যে অস্থির হয়ে উঠলাম।

    আমি বাইরে বার হলাম।

    .

    সেই কালকের মতো আলো।

    খোলার ঘরের সেই বউটি উঠেছে আজও। পাশের দোতলার খড়খড়ির ফাঁক দিয়ে আজও দেখা যাচ্ছে আলো। কিন্তু খোকাটি বোধ হয় আজ আর কাঁদেনি। মায়ের কোলের মধ্যে চুপটি করে ঘুমিয়েছে। বুড়ো ভদ্রলোকটি মাঝে মাঝে কাশছেন। আর তারই পাশের ঘর থেকে মৃদুগুঞ্জন আসছে ভেসে। চন্দ্রালোকিত নিস্তব্ধ নিশীথে এই ক’টি প্রাণীর চোখে নেই ঘুম। আর ঘুম নেই মোড়ের পাহারাওয়ালার, নেই ট্যাক্সি ড্রাইভারের। আর নেই আমার।

    কিন্তু অনিশ্চয়তার মধ্যে আর আমি থাকব না। সমস্ত দ্বিধা সঙ্কোচ সবলে আমায় দূর করে ফেলতে হবে। যা কিছু হয় হোক, সেই সঙ্গে এই সংশয়সঙ্কীর্ণ, আশা- নিরাশায়ভরা পথ চলাও হোক শেষ। আমি তেতলায় টুলুর ঘরের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। ঘর বন্ধ, কিন্তু ফাঁক দিয়ে আলো আসছে। খাটের উপর টুলুর নড়াচড়ার শব্দ পাচ্ছি। সে কি তবে জেগে আছে এখনও?

    দরজায় আস্তে আস্তে টোকা দিলাম।

    হাঁ, টুলু জেগেই আছে। খাট থেকে সে বোধ করি নামল। দরজার দিকে এগিয়ে আসছে। আমার সমস্ত ইন্দ্রিয় এক মুহূর্তে অবশ হয়ে গেল। ইচ্ছে হল টুলু দরজা খোলার আগেই ছুটে পালাই। সেই মুহূর্তেই ও দরজা খুলে শান্তকণ্ঠে বললে, আসুন।

    আমাকে অঙ্গুলি নির্দেশে খাটের উপর বসতে বলে ও মেঝেতেই বসল। দরজার পাশে, দেয়ালে ঠেস দিয়ে। ওদিকের খাটে রাধা অঘোরে ঘুমুচ্ছে।

    টুলু হেসে বললে, অনেকদিন বাঁচবেন।

    টুলুর হাসি দেখে আমি অনেকটা সাহস পেলাম। বললাম, এমন আশঙ্কা কেন করছ?

    খোলা দরজা দিয়ে হু হু করে ঠাণ্ডা বাতাস আসছিল। দরজা বন্ধ করে টুলু আবার নিজের জায়গায় এসে বসল। বললে, এই মুহূর্তে আপনার কথা ভাবছিলাম।

    বললাম, আমার সৌভাগ্য। প্রসঙ্গটা কি?

    কাপড়ের পাড়টা সমান করতে করতে ও বললে, অনেক ভেবে দেখলাম মৃণালবাবু, আপনার কথাই ঠিক।

    ওর গাম্ভীর্য দেখে হেসে ফেললাম। বললাম, এর জন্যে তো অনেক ভাববার প্রয়োজন ছিল না। কথা আমি প্রায়ই ঠিক বলি। কিন্তু কথাটি কি?

    টুলু সে কথার উত্তর না দিয়ে বললে, আপনি ওখানকার ঠিকানা জানেন?

    —কোনখানকার?

    টুলু মুখ নীচু করে বললে, আবার কোনখানকার? আপনার বন্ধুর।

    ও কি পরিহাস করছে?—বললাম, জানি। সেখানে কি পৌঁছে দিয়ে আসতে হবে?

    ও হেসে বললে, না। অতটা সহজ নয়। একখানা চিঠি লিখতে হবে।

    —কি লিখবে?

    —লিখব শ্রীচরণকমলেষু।

    বললাম, তুমি কি পরিহাস করছ?

    ঘাড় নেড়ে বললে, না।

    সেখানে যাওয়ার অর্থ কি জান?

    এবারও নতমুখে ঘাড় নেড়ে জানালে, জানে।

    —তবে যেতে চাও কেন? মিথ্যে বোলো না টুলু, আমি সত্যি কথা শুনতে চাই। টুলু ম্লান হেসে বললে, কি হবে সত্যি শুনে? বরং ঠিকানাটা কখন দিচ্ছেন বলুন।

    —কখনই দোব না। কেন দোব? কী আমার লাভ?

    —একবার না হয় নিঃস্বার্থ হলেন।

    উত্তেজিতভাবে বললাম, একবারও হব না। টুলু, রাত্রে আমার নিদ্রা নেই। নিজের বাড়ীতে সমস্ত রাত চোরের মতো ঘুরে বেড়াই। আমার দুঃখ তুমি যদি না বোঝ, তোমার দুঃখ আমি কেন বুঝব?

    টুলু আমার দিকে চোখ তুলে চাইতে পারছিল না। মৃদুকণ্ঠে বললে, কে বললে বুঝি না?

    —কিছুই বোঝ না। আমি তো কোনদিন বলিনি।

    —সবই কি বলতে হয়? আমরা পুরুষের চোখ দেখে মনের কথা বলতে পারি। ওর দিকে ঝুঁকে পড়ে সাগ্রহে বললাম, বোঝ যদি তবে কেন যেতে চাও? আমার স্নেহ কি এতই অকিঞ্চিৎকর?

    টুলু অনেকক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর সোজা আমার দিকে তাকিয়ে বললে, অকিঞ্চিৎকর নয় বলেই যেতে চাই মৃণালবাবু, আমাকে বিদায় করে আপনি বাঁচুন। এ ছাড়া আপনার আর বাঁচবার পথ নেই।

    —পথ নেই? আমি কি মিথ্যার পেছনে ছুটলাম এতদিন?

    —মিথ্যে কিছুই নয়। আপনি আলেয়ার পেছনে ছুটলেন। আলেয়া আলেয়া, গৃহের মঙ্গলদীপ নয়।

    আমার কপালের রগ দপ দপ করছিল। মাথা শূন্য বোধ হচ্ছিল। ডান হাতে কপাল টিপে ধরে বসে রইলাম।

    টুলু শান্ত মৃদু কণ্ঠে বলতে লাগল, আপনাকে দুঃখ দিয়ে আমি যে কত দুঃখ পেলাম, সে আর বোঝাবার চেষ্টা করব না। এ পৃথিবীতে আপনার চেয়ে আপন আর আমার কেউ নেই। তবু দুঃখ দিতে হল। ঠকানোর চেয়ে সে ভালো।

    —ঠকাবেই বা কেন?

    —আর কি করব? আমার দেবার আছে কী?

    ওর কথা বুঝতে দেরী হচ্ছিল। এতক্ষণে যেন একটু খেই ধরতে পারলাম। বললাম, কিছুই নেই? কিচ্ছু নেই? সব দিয়ে বসে আছ?

    টুলু উত্তর দেওয়া আবশ্যক বোধ করলে না। চুপ করে রইল। বললাম, তবে তুমি কেন সেদিন অত করে আশা দিলে?

    টুলু ধীরে ধীরে বললে, ভুল করেছিলাম।

    —ভুল করেছিলে? এত দিন ধরে কেবলই ভুল করে গেলে?

    টুলুর মুখে ঠিক কথাটি কিছুতে যোগাচ্ছিল না। নতমুখে কিছুক্ষণ চুপ ক’রে রইল। তারপর অস্ফুট কণ্ঠে বললে, আপনার অসীম স্নেহের বদলে আমি কিছু করতে চেয়েছিলাম।

    বললাম, শুধু এই? আর কিছু না? আমাকে তোমার কিছু ভালো লাগে নি?

    এবারে টুলু চোখ তুলে চাইলে। মুখখানি ওর আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে উঠল। বললে, ভালো লাগে নি? খুব ভালো লেগেছিল। আপনাকে আমি জীবনে কখনও ভুলব না।

    দু’জনেই যে কথা বলতে চাই, তা কেবলই জট পাকিয়ে যাচ্ছিল। স্পষ্ট করে বলবার ভাষা কিছুতে মুখে যোগাচ্ছিল না।

    সমস্ত সঙ্কোচ এই প্রথম এবং শেষ বারের জন্যে সবলে দূরে ফেলে দিয়ে বললাম, ভালো লাগার কথা ভুল বলেছি টুলু, বলতে চেয়েছিলাম, ভালোবাসার কথা। না, না, এর উত্তর তোমাকে দিতেই হবে এমন কোন কথা নেই। আমি জানি, আমি অনধিকারচর্চা করছি। এ শুধু আমার কৌতূহল। ইচ্ছে করলে এ প্রশ্নের উত্তর নাও দিতে পার।

    টুলু এক মিনিট চুপ করে থেকে বললে, নিজের সম্বন্ধে কিছু করার অধিকার আমার নেই। আমি আর কি বলব? আমার এ অপরাধ ক্ষমা করবেন।

    —ক্ষমা সব অপরাধই একে একে করতে হবে। কিন্তু এই যদি তোমার মনে ছিল, কেন আমায় অমন করে জয় করলে? কী প্রয়োজন ছিল? বেশ তো ছিলাম।

    টুলু জবাব দিলে না। বললাম, বল।

    বিব্রতভাবে বললে, ও কথার উত্তর চাইবেন না। বললাম তো ভুল করেছি।

    জেদ করে বললাম, না, পাশ কাটালে চলবে না। উত্তর দিতেই হবে। বল, কেন এমন করলে?

    বললে, কি করেছি জানি না। কিন্তু আপনাকে জয় করার লোভ সামলান যে-কোনো মেয়ের পক্ষে কঠিন। যা করেছি, নিজের অজ্ঞাতসারে করেছি। করেছি স্বভাববশে।

    শ্লেষের হাসি হেসে বললাম, তোমার এই কথাটি আমিও চিরকাল মনে রাখব টুলু। মনে রাখব, একটি মেয়ের পক্ষেও আমাকে জয় করার লোভ দুর্জয় হয়ে উঠেছিল। একটি মেয়েও আমাকে তার খেলার যোগ্য মনে করেছিল। কিন্তু যাবার বেলায় ফাঁকা কথা ছাড়া আর কিছুই কি তোমার দিয়ে যাবার মতো ছিল না?

    —ফাঁকা কথা!—টুলু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললে,—তা হবে। অপরাধ করেছি, শাস্তি তার নিতেই হবে। কিন্তু যাবার বেলায় আপনিও কি শুধু আমায় শাস্তিই দেবেন? কেন যে চলে যাচ্ছি, একবার ভেবে দেখবেন না?

    টুলু ভালো করে মুখ তুলে চাইলে। ওর বাষ্পসমাকুল চোখ আলোয় জ্বল- জ্বল করছে। আমি চোখ নামিয়ে নিলাম। তবু নিষ্ঠুর হয়ে বললাম, কি হবে ভেবে? কি লাভ?

    টুলু তখনও এক দৃষ্টে আমার দিকে চেয়ে আছে। কিছু উত্তর দিলে না।

    বললাম, তুমি গেলে সত্যিই আমি বাঁচব টুলু, বেঁচে যাব। আমি আগেই তো পাঠাতে চেয়েছিলাম। তুমিই ইচ্ছে করে যাও নি।

    টুলু চুপ করে রইল।

    বললাম, কিন্তু বেশী দয়াও ভালো নয়। তাতে ঠকতে হয়। এবারে আমি কিছুতে তোমায় পাঠাতাম না। জোর করেই আটকে রাখতাম। যদিনা…যাকগে সে কথা।

    টুলু তথাপি চুপ করে রইল।

    এতক্ষণ খেয়াল করি নি। চেয়ে দেখি, রাধা, উঠে বসেছে বিছানার উপর। অবাক হয়ে আমাদের কথা শুনছে।

    আমি উঠতে উঠতে বললাম, আর আমার কিছু জিগ্যেস করবার নেই। আমি উঠলাম। কাল সকালে ঠিকানা নিও আমার কাছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }