Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤷

    মহাকাল – ১

    এক

    শ্রীপুর স্টেশনটিকে ফ্ল্যাগ স্টেশন বললেই ভালো হয়। না আছে স্টেশনের বাড়ী, না টেলিগ্রাফ, না সিগন্যাল। খানকয়েক ইঁটের উপর একখানা মালগাড়ী বসিয়ে রেখে সেইটে হয়েছে স্টেশন। দুটি বাবু এবং জনকয়েক খালাসী এই হল স্টাফ। মালপত্র এখানে নামে না, সব গাড়ীও দাঁড়ায় না। যে ক’খানি প্যাসেঞ্জার গাড়ী দাঁড়ায়, তার জন্যেও যাত্রী বিশেষ হয় না।

    কিন্তু সেদিন এই নগণ্য স্টেশনটারই চেহারা বদলে গেল। ফুলে, পাতায়, পতাকায় এই ন্যাড়া স্টেশনটাই ঝলমল করে উঠলো। যে প্ল্যাটফর্মে সাধারণত লোক দেখাই যায় না, সেই প্ল্যাটফর্মেই লোক যেন ভেঙে পড়েছে।

    ব্যাপারটা খুব গুরুতর কিছু নয় :

    মহেন্দ্র আসছে।

    মহেন্দ্র একজন মস্ত বড় ব্যক্তি নয়। এই গ্রামেরই জমিদারের ছোট ছেলে। মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করেই যুদ্ধে গিয়েছিল। বর্মায় ইংরেজ বাহিনী হেরে যেতে অন্যান্য অফিসারের সঙ্গে সেও বন্দী হয় এবং শেষে নেতাজির আজাদ হিন্দ ফৌজে যোগদান করে।

    তার পরের ইতিহাসও সকলেই জানে।

    ইংরেজের হাতে বন্দী হয়ে মহেন্দ্রও অন্যান্য আজাদ হিন্দ অফিসারের সঙ্গে ভারতে ফেরে। সম্প্রতি তাঁদের সঙ্গে সেও ছাড়া পেয়েছে।

    তারই সম্বর্ধনার জন্যে পাশাপাশি চার-পাঁচখানি গ্রামের ছেলেরা মিলে এই আয়োজন করেছে।

    কিন্তু ট্রেন আর আসে না।

    তিনটে-ছয়ে আসার কথা। এখন চারটে বেজে গেছে। অথচ এঞ্জিনের ধোঁয়ারও দেখা নেই। স্টেশনে টেলিগ্রাফ না থাকায় কখন ট্রেন আসবে, অথবা আদৌ আসবে কি না জানবার কোনোই উপায় নেই।

    তবু অসহিষ্ণু ছেলের দল মাঝে মাঝে গিয়ে বেচারা স্টেশন মাস্টারের উপর হানা দিচ্ছে, যদি কোনো মানসিক বেতার প্রক্রিয়ায় তিনি কিছু বলতে পারেন।

    এমন সময় বাইরে চিৎকার উঠলো : ওই ধোঁয়া, ওই ধোঁয়া।

    হ্যাঁ। অনেক দূরে বাঁকের মুখে ধোঁয়ার মতো কি যেন একটা জিনিস দেখা যাচ্ছে। আর একটু পরেই বোঝা গেল এঞ্জিনেরই ধোঁয়া। ট্রেন আসছে।

    সমবেত জনতা তৎক্ষণাৎ সুশৃঙ্খলে শ্রেণীবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে গেল।

    স্টেশনের কর্মচারীরাও চঞ্চল হয়ে উঠলো।

    মাথায় পাগড়ী জড়িয়ে খালাসী দিল ঘণ্টি বাজিয়ে। স্টেশনমাস্টার টুপিটা মাথায় দিয়ে খাতাপত্র বগলে নিয়ে বাইরে এসে দাঁড়ালেন।

    ট্রেন প্ল্যাটফর্মে থামতেই “নেতাজি কী জয়”, “আজাদ হিন্দ ফৌজ কী জয়” ইত্যাদি ধ্বনিতে চারিদিক মুখরিত হয়ে উঠলো।

    ধীরে ধীরে একটি ইন্টার ক্লাস কামরা থেকে মহেন্দ্র নামলো। তার পরনে আজাদ হিন্দের পোশাক।

    সম্বর্ধনার বিপুলতায় তার আর বিস্ময়ের শেষ নেই।

    বললে, এ সব করেছ কি হে!

    তার প্রশ্নের জবাব দেবার প্রয়োজনও কেউ অনুভব করলে না। শতকণ্ঠে আবার গর্জন উঠলো : নেতাজি কী জয়!

    কাছের ছেলেটিকে চুপি চুপি মহেন্দ্ৰ জিজ্ঞাসা করলে, সব ভালো তো?

    তার উত্তর ডুবিয়ে আবার গর্জন উঠলো : আজাদ হিন্দ ফৌজ কী জয়!

    মহেন্দ্রকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হল। এবং একটা বিরাট শোভাযাত্রার সঙ্গে তাকে বহু রাস্তা ঘুরিয়ে অবশেষে নিজের বাড়ীর দ্বারদেশে এনে হাজির করা হল।

    এইখানে এসে মহেন্দ্র থমকে দাঁড়ালো।

    তার কারণ আছে এবং সেটা জানা দরকার :

    চিন্তাহরণবাবুর দুই পুত্র : জ্যেষ্ঠ নরেন্দ্র, কনিষ্ঠ মহেন্দ্র। গ্রামের স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করে নরেন্দ্র বাপের সহকর্মীরূপে জমিদারী এবং তেজারতি দেখতে লাগলো। তার বেশি কিছু করার প্রয়োজনও ছিল না। চিন্তাহরণবাবুর জমিদারী বিশেষ বড় নয়, কিন্তু নগদ টাকা প্রচুর। লোকে সেই টাকার ঠিক পরিমাণ আন্দাজ করতে না পেরে তাঁকে ‘টাকার কুমীর’ বলে অভিহিত করত। তাঁর দশগুণ যাঁদের জমিদারী, তাঁদেরও তাঁর কাছে টাকা ধার করতে হত। বস্তুত: আশেপাশে বিশ ক্রোশের মধ্যে এমন জমিদার খুব কমই ছিলেন যিনি তাঁর কাছে ঋণগ্রস্ত ছিলেন না। নরেন্দ্র এই সমস্ত কাজে বৃদ্ধ পিতাকে সাহায্য করতে লাগলো।

    মহেন্দ্র নরেন্দ্রের চেয়ে বছর দশেকের ছোট। শেষ বয়সের সন্তান বলে ছেলেবেলায় বাপ-মায়ের কাছে অত্যধিক আদর পেয়েছিল। সম্ভবত: তারই ফলে তার স্বভাব ভয়ানক একরোখা হয়ে উঠলো।

    যেমন দেহে তেমনি মনে দুই ভাই সম্পূর্ণ বিপরীত। নরেন্দ্র দেখতে শ্যামবর্ণ, নাতিদীর্ঘ, ঈষৎ স্থূল; মহেন্দ্ৰ তপ্তকাঞ্চনবর্ণ, দীর্ঘদেহ এবং ছিপছিপে। নরেন্দ্র শান্ত, ধীর, স্বল্পভাষী; মহেন্দ্ৰ চঞ্চল, উগ্র এবং অমিতভাষী। পড়াশুনায় নরেন্দ্র ছিল মাঝারি গোছের। সকালে সন্ধ্যায় দুটি গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে সে কোনোমতে দ্বিতীয় বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করে। মহেন্দ্র বড়লোকের ছেলের গৃহশিক্ষক নামধেয় মোসাহেবকে একেবারেই দেখতে পারত না। সে গৃহশিক্ষকের সাহায্য ব্যতীতই, শুধু পাস করে গেল না, একেবারে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করলে। অথচ আশ্চর্য এই যে, নরেন্দ্র যখন পাস করলে তখন সব শিক্ষকই বারবার বলতে লাগলেন, স্কুলটা তার অভাবে অন্ধকার হয়ে গেল। এমন সত্যবাদী, বিনয়ী এবং সাধু ছাত্র তাঁরা কেউই সুদীর্ঘ শিক্ষক-জীবনে দেখেন নি। আর মহেন্দ্র যেদিন স্কুল থেকে বেরিয়ে এল, সেদিন সমস্ত শিক্ষকই এই উদ্ধত, শৃঙ্খলাভঙ্গকারী জমিদারপুত্রের হাত থেকে অব্যাহতি পেয়ে মুক্তির নিশ্বাস ফেললেন।

    নিজের চোখের সামনেই মহেন্দ্র উত্তরোত্তর যেরকম দুর্বিনীত ও খামখেয়ালী হয়ে উঠেছিল তাতে, সে এমন ভালো করে পরীক্ষা পাস করলেও, চিন্তাহরণবাবুর তাকে উচ্চতর শিক্ষার জন্যে বাইরে পাঠাতে ঘোরতর অনিচ্ছা ছিল। কতকটা নরেন্দ্রর জন্যেই তিনি শেষ পর্যন্ত সম্মত হন।

    ইন্টারমিডিয়েটেও মহেন্দ্র প্রথম স্থান অধিকার করলে এবং মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হল। কিন্তু মাঝে মাঝে ছুটিতে যে ক’টা দিনের জন্যে মহেন্দ্র বাড়ী আসত, সেই ক’টা দিনেই তার নানা আচরণে এবং অনাচারে নিষ্ঠাবান চিন্তাহরণের চিত্ত তার বিরুদ্ধে তিক্ত হয়ে উঠতে লাগলো। মহেন্দ্রের সঙ্গে পারতপক্ষে তিনি কথাই বলতে চাইতেন না।

    এই তিক্ততা চরমে উঠলো যখন মেডিক্যাল কলেজ থেকে সসম্মানে উত্তীর্ণ হবার পর মহেন্দ্র কাকেও কিছু না বলে হঠাৎ যুদ্ধে চলে গেল।

    তার পর থেকে যে সামান্য ক’টা বৎসর চিন্তাহরণবাবু বেঁচে ছিলেন, তার মধ্যে মহেন্দ্রের নাম পর্যন্ত তিনি উচ্চারণ করতেন না। অন্য কেউ তাঁর কাছে মহেন্দ্রের উল্লেখ করতেও সাহস করত না। এমন কি মৃত্যুকালেও তিনি মহেন্দ্রের নাম মুখে আনেন নি।

    ভারতবর্ষের ভিতর থেকে এবং বাইরে থেকেও মহেন্দ্র প্রথম প্রথম যথানিয়মিত পিতাকে পত্র দিত। কিন্তু তার উত্তর পিতার পরিবর্তে নরেন্দ্রের কাছ থেকে আসত। আর কোনো মনিঅর্ডারই কেউই গ্রহণ করতেন না। তার সম্বন্ধে পিতার মনোভাব তার অবিদিত ছিল না। সুতরাং এর অর্থ সে সহজেই উপলব্ধি করলে। অতঃপর চিঠি যা লিখত, দাদাকেই লিখত, এবং টাকা পাঠাত না।

    .

    পিতার মৃত্যু সংবাদ মহেন্দ্র বেন গাজীতে থাকতে পেয়েছিল। এতকাল পরে তাঁরই কথা স্মরণ করে সে দ্বারপ্রান্তে থমকে দাঁড়িয়ে পড়লো।

    এমন সময় বৃদ্ধ গোমস্তা রামলোচন এবং তার পিছু পিছু আরও কয়েকটি ভৃত্য ব্যস্তভাবে বাড়ীর ভিতর থেকে এসে সেই পথের ধূলোতেই গড় হয়ে প্রণাম করলে।

    —চলুন, ভিতরে চলুন।

    মহেন্দ্র জিজ্ঞাসা করলে, দাদা কোথায়?

    —তিনি বিশেষ জরুরী কাজে পরশু সদরে গেছেন। আজ সন্ধ্যার ট্রেনেই ফিরবেন।

    স্টেশনে যে-সম্বর্ধনা সে পেয়েছে, মহেন্দ্র তা প্রত্যাশা করেনি। কিন্তু যে-দাদাকে সে মনে-প্রাণে একান্ত করে প্রত্যাশা করেছিল তাকেই না দেখে অজ্ঞাতসারে তার মনের মধ্যে এতক্ষণ শুধু অভিমান জমা হচ্ছিল। রামলোচনের কথায় সেই অভিমান বাষ্প হয়ে উড়ে গেল।

    রামলোচন আবার বললে, ভিতরে চলুন। মা…

    হ্যাঁ, তার পরে আছেন মা। এবং বিধবা জননীর সামনে সে যে কি করে দাঁড়াবে ভাবতেই তার পা যেন অবশ হয়ে গেল। দাদা থাকলে এই সমস্যার মীমাংসা হত সহজেই। কিন্তু সে তো নেই। ফিরবে সন্ধ্যায়। তার এখনও দেরি আছে।

    জিজ্ঞাসা করলে, মা কেমন আছেন রামলোচন দা?

    —মা?- রামলোচন বললে, সে কি জিগ্যেস করবার কথা ছোটবাবু? নিজের চোখেই দেখবেন চলুন।

    মহেন্দ্রের বুকের ভিতরটা যেন মোচড় দিয়ে উঠলো।

    বললে, এখন থাক রামলোচনদা। কাউকে বরং বলো, হাত-মুখ ধোবার জন্যে এইখানে একটু জল দিয়ে যাক।

    রামলোচন দ্বিধাগ্রস্তভাবে বললে, কিন্তু মা যে বড্ডই ব্যস্ত হয়েছেন ছোটবাবু।

    —সে আমি জানি ভাই। কিন্তু আমার বুকের ভিতরটা কি রকম করছে বুঝতে পারছ না? আমাকে একটু সামলাতে দাও। হাত-মুখ ধুই, এই পোশাকগুলো ছাড়ি, তারপর যাব।

    বলে সেইখানে সিঁড়ির উপরেই মহেন্দ্র বসে পড়লো।

    তার কথা শুনে এবং বসা দেখে রামলোচন হাউমাউ করে কেঁদে উঠলো।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ
    Next Article বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Our Picks

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }