Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    শঙ্কর চ্যাটার্জী এক পাতা গল্প177 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ও কে? – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    অফিসের বিশেষ কাজে দিল্লি যেতে হবে, অনেক চেষ্টায় কালকা মেলের একটা টিকিট জোগাড় করা গেল। উপায় নেই, যাওয়ার প্রয়োজনটা খুবই জরুরি। নভেম্বরের গোড়া — যথারীতি কুয়াশার জন্য ট্রেন লেট করা শুরু হল। সন্ধ্যে সাতটা চল্লিশে পৌঁছনোর জায়গায় চার ঘন্টা দেরিতে ওল্ড দিল্লি স্টেশনে ঢুকল। আমাকে থাকার জন্যে পাহাড়গঞ্জের কাছাকাছি হোটেলে থাকতে হবে। এর আগেও যতবার দিল্লি এসেছি নিউ দিল্লি স্টেশনে নেমেছি। কিন্তু এবারে ব্যতিক্রম।

    রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ স্টেশনের বাইরে বেরোতেই কয়েকজন দালাল এগিয়ে এল। বলে দিলাম পাহাড়গঞ্জে হোটেল বুকিং আছে। আমার লাগেজ বলতে একটা স্কাইব্যাগ। ফেরার টিকিট অবশ্য রাজধানীতে পেয়েছি। দিন দুয়েকের কাজ। পাহাড় গঞ্জের দু’একটা হোটেলে চেনাজানাও আছে। একটা অটোকে বললাম হোটেল ডি হর্সে নিয়ে যেতে। ও ডবল ভাড়া চাইল। জানতাম — রাত বারোটা বাজতে চলেছে। তার ওপর দিল্লি — ধোঁয়া, কুয়াশা আর ঠান্ডায় জগাখিচুড়ি পাকিয়ে গেছে। জানি দরকষাকষি করে কোনো লাভ হবে না — শুধু সময়ের অপচয়। একেই আঠাশ ঘন্টা ট্রেন জার্নিতে কাহিল অবস্থা। সোয়েটারটা চাপালাম। এই রাতেও গাড়ির সংখ্যা কম নয়। আধ ঘন্টার মধ্যে হোটেলের সামনে পৌছলাম। অটোওয়ালা ভাড়া নিয়েই কেটে পড়ল।

    একটা কথা আছে, তুমি যখন ঝামেলায় পড়বে তখন সবদিক দিয়েই পড়বে। হোটেল ডি হর্সে কোনো রুম খালি নেই। চিন্তায় পড়লাম। অনুরোধ করলাম — ‘এর আগেও বেশ কয়েকবার আপনাদের হোটেলে উঠেছি। একটু দেখুন। এই রাত্রে কোথায় যাব?’

    ‘বিশওয়াস কিজিয়ে স্যার, নো রুম। কাল এক রুম খালি হোগা…’

    আমি অনুনয়ের সুরে বললাম, ‘কিছু একটা, এক রাতের জন্য করুন’, ম্যানেজার বলল একটু এগিয়ে এই লাইনেই হোটেল চাঁদনী পাবেন। ওখানে পেয়ে যেতে পারেন।

    দেখলাম এখানে আর সময় নষ্ট করে লাভ হবে না বরং রাত বাড়বে। ব্যাগ কাঁধে নিয়ে এগোলাম হোটেল চাঁদনীর দিকে। প্রথম দর্শনেই হোটেলটা ভালো লাগল না। একেবারে রদ্দিমার্কা টাইপের। কিন্তু আমাকে এখানেই জায়গা পেতে হবে অন্তত রাতটুকু কাটাবার জন্য। সামনের লোহার জালতি দেওয়া গেট বন্ধ। তিনচার বার ধাক্কাধাক্কি করার পর একজন বেয়ারা গোছের লোক ব্যাজার মুখে খুলল। রিসেপশনটাও তথৈবচ নোংরা ! একজন বসে বসে ঢুলছে। ঘরের কথা বলতেই উত্তর এল, ‘কোই রুম খালি নেহি।’

    যাহ বাবা…এই হোটেলেও একই অবস্থা! দিল্লিতেই কি সারা দেশের মানুষ এসে গেছে নাকি? ওকে ডি হর্সের কথা বললাম। বিরক্ত মুখে বুকিং খাতাটা খুলে এক পলক দেখেই বলল, ‘নেহি… এক ভি খালি নেহি।’ আমিও চোখ বুলোচ্ছিলাম। উনিশ নম্বর রুমটার জায়গায় শুধু লাইন টানা। কোনো বোর্ডারের নাম লেখা নেই। আঙ্গুল দেখিয়ে বললাম, ‘ভাইসাব, উনিশ তো খালি হ্যায়।’

    ম্যানেজার ঘাড় নেড়ে বলল, ‘ইয়ে কামরা ব্লকড হ্যায়…’

    — ‘মতলব?’ প্রশ্ন করলাম।

    — ‘মালিক কা হুকুম, কিসিকো নেহি দেনা।’

    এবার আমার অনুরোধের পালা, ‘দেখো ভাই বড় বিপদে পড়েছি। একটা রাতের জন্য দাও। কাল সকালেই চলে যাব। তোমার মালিক জানতেও পারবে না।’

    একটা পাঁচশো টাকার নোট বার করলাম। ও নোটটা দেখল।

    — ‘নেহি স্যার, পরে ঝামেলা হলে আমার নোকরি চলা যায়গা।’

    — ‘আরে আমি রেজিস্টারে সই করব না। নাম লেখার দরকার নেই।’

    বেয়ারা আর ম্যানেজারের চোখে চোখে কিছু কথা হল।

    বেয়ারা বলল, ‘কিছুদিন আগে ঐ ঘরে এক বোর্ডার সুইসাইড করে তারপর থেকে ঐ ঘর বন্ধ।’

    শালা! বুঝেছি, আমাকে তাড়াবার বন্দোবস্ত। আরও একটা পাঁচশোর নোট বার করলাম। ওরা একটু চনমনে হয়ে উঠল। ম্যানেজার তবু একটু নারাজ।

    আমি বললাম, ‘পুলিশ কি ঘর সীল করে দিয়ে গেছে?’

    — ‘না স্যার, দিন সাতেক আগে এক কাস্টমার ভয় পায় তারপর থেকেই বন্ধ। নাহলে হোটেলের বদনাম হয়ে যাবে।’ ঘড়িতে একটা বাজতে বেশি দেরি নেই।

    — ‘ দেখুন ট্রেন জার্নিতে এমনিতেই ক্লান্ত, এখন শুধু একটু ঘুমোতে চাই। ভূত এলেও ঐ কথা বলব। আর কথা নয়, এবার চাবিটা দিন।’

    ম্যানেজার দোটানার মধ্যে পড়ল। এদিকে টাকার লোভটাও সামলাতে পারছে না। বেয়ারা মুখ খুলল, ‘ও বাবু ভীতু আদমি থা…’ ম্যানেজারের কাছ থেকে চাবিটা নিয়ে বলল, ‘আইয়ে, দোতল্লা মে আপকা কামরা।’

    ওর সঙ্গে রেলিং ভাঙা সিঁড়ি বেয়ে ওপরে এলাম। করিডরের দু’পাশে সারি সারি ঘর। কয়েকটা ঘরের দরজার সামনে এখনও রাতের খাবারের এঁটো প্লেট পড়ে আছে। একেবারে কোণের ঘরটার সামনে এসে দাঁড়ালাম। যে সুইসাইড করেছিল ঘরটা ভালোই পছন্দ করেছে। ঘরের আলোটা জ্বালিয়ে দিল। ডবল বেডরুম, খাটটাও বড়। বেয়ারা জগে খাবার জল ভরে দিয়ে গুড নাইট বলে বিদায় নিল।

    দরজা বন্ধ করে চটপট ব্যাগ খুলে রাতের পোশাকটা বার করে নিলাম। ট্রেনে স্নান হয়নি… একটু স্নান করতে হবে। রাত একটা বাজছে। বেয়ারাটা যতক্ষণ ঘরে ছিল একটা জিনিস চোখে পড়েছিল ও বারে বারে ভয় চকিত চোখে বাথরুমের দিকে তাকাচ্ছিল। তবে কি বাথরুমেই আত্মহত্যার ঘটনাটা ঘটেছে? মিনিটের মধ্যে চিন্তাটা সরিয়ে দিলাম।

    গাজি়য়াবাদ স্টেশন থেকে পুরি-সবজি খেয়ে নিয়েছিলাম। জগ থেকে এক গ্লাস জল খেয়ে সিগারেট ধরিয়ে বাথরুমে ঢুকলাম। গিজ়ারটা অন করে দিলাম। জল গরম হতে একটু সময় লাগবে। সিগারেট টেনে ধোঁয়ার কুন্ডলী ছাড়লাম। বাড়িতে আগেই জানিয়ে দিয়েছি ট্রেন লেটের কথা। কলটা চালালাম। হাত দিয়ে দেখলাম, কোথায় গরম জল? এ তো কনকনে ঠান্ডা! বেয়ারাটাকে ডাকার কথা মাথায় আসতেই ভাবলাম থাক। একেই ঘর দিয়েছে, ভাববে এই রাতে আবার গরম জলে স্নান করার বায়না! সিগারেটে কয়েকটা টান মেরে ফেলে দিলাম। এই বরফ ঠান্ডা জলে স্নান… অসম্ভব! হাত-মুখ ভাল করে সাবান দিয়ে ধুলাম। হ্যান্ডেলে একটা সাদা তোয়ালে ছিল ওটা নিয়েই ঘেন্না লাগল। লালচে—লালচে ছোপ। সত্যি বলছি তখনও মনে ভয় জিনিসটা টোকা মারেনি। ব্যাগে পাতলা টাওয়েল আছে ওটা আনবার জন্য জল-পায়েই বেরোতে যাব — বিস্ময়ের সাথে দেখলাম ধূমপান করে যেসব ধোঁয়া ছেড়েছিলাম সেগুলো জমাট বেঁধে একটা মানুষের মুখের মতো অবয়ব সৃষ্টি করেছে। বাথরুমের শাওয়ারের ওপর সেটা ভাসছে। ভালোভাবে লক্ষ্য করতে চোখ, কান, নাক সবই বোঝা যাচ্ছে। ভাবলাম চশমা নেই তাই ভুল দেখছি। তাড়াতাড়ি করে চশমাটা পরে বাথরুমের দরজাটার সামনে এলাম।

    অবিকল একটা মানুষের মুখমন্ডল। মুন্ডুটা ভাসতে ভাসতে বাথরুমের ছোট্ট জানলাটা দিয়ে বাইরে অন্ধকারে মিলিয়ে গেল। প্রথম ভয়ের টোকাটা ধাক্কায় পরিণত হল। কয়েক মিনিটের জন্য বোবা হয়ে গেলাম। তারপরেই মনকে শক্ত করলাম। ওদের বলা আত্মহত্যার ঘটনাটাই আমার মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। আর দেরি না করে ঘরের আলোটা জ্বালিয়ে বিছানায় শরীর রাখতেই একরাশ আরাম আর ঘুম আমায় আলিঙ্গন করল। শোবার আগে বাথরুমের দরজাটা লক করে দিলাম। বেশ একটা ঠান্ডা ঠান্ডা ভাব। পায়ের নিচ থেকে রোঁয়াওঠা বোঁটকা গন্ধওয়ালা কম্বলটা গায়ে চাপা দিলাম। সারা দুনিয়া কাঁপিয়ে রাজ্যের ঘুম আমার দু’চোখে চলে এল।

    বেশ শীত শীত অনুভব হতে ঘুমের ঘোরটা বাধাপ্রাপ্ত হল। হঠাৎ এত ঠান্ডা লাগছে কেন? বাধ্য হয়ে চোখ চাইতেই অবাক হলাম। কম্বলটা আমার গায়ে নেই! কোথায় গেল ওটা? উঠে বসে বড় বড় চোখে দেখি পায়ের কাছে ভাঁজ করা কম্বলটা রয়েছে। যেমনটি শোবার আগে ছিল। তবে কি ঘুমের ঘোরে কম্বল না নিয়েই শুয়ে পড়েছি? সঙ্গে সঙ্গে মস্তিস্ক মনে করিয়ে দিল বোঁটকা গন্ধটার কথা। সত্যি তো, কম্বলটা না নিলে বোঁটকা গন্ধটা পেলাম কী করে?

    যতই ঘর পাওয়ার জন্য ম্যানেজারকে সাহসের বড়াই করে আসি না কেন এখন মনে হচ্ছে সাহসে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে!

    বুঝতে পারছি না এরপরেও আর কোনো অলৌকিক ঘটনার সম্মুখীন হব কিনা?

    যাক, এসব নিয়ে গবেষণা করতে গেলে ঘুমটারই বারোটা বাজবে। তার ওপর কাল সকালেই অফিসের কাজে পার্লামেন্ট স্ট্রিটে ছুটতে হবে। সারাদিনই শোয়া-বসা হবে না। শীতটা ভালোই মালুম হচ্ছে। ঘড়িতে দেড়টা বাজছে। তার মানে দশ মিনিটও ঘুমোইনি। বোঁটকা গন্ধওয়ালা লাল কম্বলটা আবার টেনে নিয়ে শুয়ে পড়লাম। চোখ বন্ধ করে ভাবলাম, আবার টেনে নেবে না তো? কথাটা মনে আসতেই একটা হালকা শিহরণ শরীরে খেলে গেল। বুঝতে পারছি এই অবাস্তব চিন্তাগুলোই ঘুমটাকে জোর করে তাড়িয়ে দিচ্ছে!

    আচ্ছা, ওরা বলল এই ঘরেই সুইসাইড করেছে। আর বেয়ারাটাও যেভাবে বাথরুমের দিকে তাকাচ্ছিল তার মানে ওটাই আত্মহত্যার স্থান! কিন্তু কীভাবে মরল? গলায় দড়ি? অসম্ভব! কেননা টয়লেটের ছাদটা নিচু, তাছাড়া কোনো হুক নেই। তাহলে? মনের মধ্যেই পোস্টমর্টেম শুরু হল আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে।

    এই রকম হয় দেখবেন, যেটা নিয়ে ভাবতে চাইবেন না — আপনার মন সেটা নিয়েই বেশি ভাববে। তাহলে কি আগুনে পুড়ে? কিন্তু কিছুদিন আগেকার ঘটনা — দেওয়ালে পোড়া দাগ থাকত! নতুন রং করলেও বোঝা যেত। আর কী উপায়ে? শুধু প্রশ্নের পর প্রশ্ন— উত্তর কিছু নেই।

    ক্রমশ মাথাটার ভেতর তালগোল পাকাতে শুরু করল। এ তো মহা বিপদে পড়া গেল! চোখের ঘুম দূরে সরে যেতে লাগল। মাথাটা এইসব চিন্তায় অস্বাভাবিক গরম হতে শুরু করল। কিছুতেই বাগে আনতে পারছি না। মনে হচ্ছে এক টুকরো জ্বলন্ত অঙ্গার মস্তিষ্কের কোষে কোষে ঘোরাফেরা করছে!

    ধুর ছাই… কী কুক্ষণে এই ঘরটা নিলাম! উঠে একটু ধূমপান করা যাক। পরক্ষণেই ইচ্ছেটাকে দমন করলাম। আবার যদি ধোঁয়ার দেহ তৈরী হয়ে যায়? ধোঁয়ার মুন্ডুটার কথা নতুন করে মনে পড়ে গেল। তবে কি আমি এই মুহূর্তে ভয়ের মধ্যে বাস করছি? কেননা চোখের ভারী পাতা দুটো বন্ধ করতেও পারছি না। চোখ দুটো যেন কিসের আগমনের প্রতীক্ষায় ভীত!

    এদিকে সেই রকম ভৌতিক দৃশ্য এখনও পর্যন্ত আমি দেখিনি। তবে কি যে আত্মহত্যা করেছে, তার বিদেহী আত্মা আমার মনের ওপর প্রভাব বিস্তার করে চলেছে? এই কথাটা মাথায় আসতে আমি আরও বেশি করে ভয়ের সমুদ্রে ডুবতে শুরু করলাম। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তীব্র শীতল অনুভূতি শরীরটাকে গ্রাস করল। তার মানে এর আগেও যে বোর্ডার এই ঘরে ছিল সে শুধু শুধু ভয় পায়নি। খুট করে একটা শব্দে আমার সমস্ত ইন্দ্রিয় সজাগ হয়ে উঠল। আধশোয়া অবস্থায় ঘরের চারদিকে ভয়ার্ত দৃষ্টিতে তাকালাম। নীলচে আলোতে সারা ঘরটা নীলাভ হয়ে উঠেছে। মনে হচ্ছে ঘর জুড়ে সন্ধ্যার আলো আর আমি একা অতন্দ্র প্রহরী!

    নজর আটকাল বাথরুমের দরজার ওপর। আধ খোলা হয়ে রয়েছে। হলফ করে বলতে পারি শোবার আগে দরজাটা আমি লক করে দিয়েছিলাম। তাছাড়া লক খোলার শব্দটাও একটু আগে পেয়েছি। এবার আমার মুখে আতঙ্ক দেখা দিল। কেননা চোখের সামনে দরজাটা ধীরে ধীরে খুলে যাচ্ছে! উঠে যে জোরালো আলোটা জ্বালাব সে শক্তিটুকুও হারিয়ে ফেলেছি। ভেবে পাচ্ছি না… কখন এত ভয় আমার মনে প্রবেশ করল!

    এবার কানে এল বাথরুমে কল খোলার আর বালতিতে ছর ছর করে জল পড়ার শব্দ। কে যেন বালতিতে জল ভর্তি করছে!! এই সময় বুদ্ধি একটু জাগ্রত হল। হাত বাড়িয়ে ইন্টারকমের রিসিভারটা তুলে নিয়ে একশ’ সাত নম্বরে রিসেপশনে ফোন করলাম। যদি কেউ জেগে থাকে? কাঁপা হাতে শুনতে লাগলাম অপর প্রান্তে রিং হওয়ার শব্দ। বেজেই চলেছে ঘন্টি — হয় ঘুমিয়ে পড়েছে নচেৎ মারা গেছে। রিসিভারটা নামিয়ে রাখলাম। এই অনন্ত নৈশব্দ্যের মধ্যে আমি একা। জল পড়ার শব্দটা বন্ধ হয়ে গেল। মুখে-চোখে আতঙ্ক নিয়ে বাথরুমের দিকে তাকালাম। আর সঙ্গে সঙ্গেই আমার সমস্ত স্নায়ু তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল।

    বেশ দেখা যাচ্ছে একটা অস্পষ্ট সাদা ধোঁয়ার মতো শরীর বাথরুমে নড়াচড়া করছে। কেননা দরজাটা হাট করে খোলা। একটু বাদেই স্নান করার শব্দ কানে এল। কপালে এই ঠান্ডার মধ্যে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমতে শুরু করেছে। প্রেশারটা ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। বুকেও একটা চাপা ব্যথা অনুভব করছি। মন বলছে স্নান শেষ হবার পর ও কি এই ঘরে আসবে? আমি নিশ্চিত সেই বীভৎস দৃশ্য আমার হৃৎপিণ্ড সহ্য করতে পারবে না। সে তার কাজ করা বন্ধ করে দেবে।

    স্নান করার আওয়াজ বন্ধ হল। আমি বিছানায় বসে জীবনের অন্তিম সময়ের জন্যে অপেক্ষা করছি।

    এরপর কী ঘটবে? আমার মন মস্তিস্ক কে প্রশ্ন করে কোনো উত্তর পেল না। সেই অন্তিম ক্ষণ এল। হালকা ধোঁয়ার শরীরটা বাথরুম থেকে এক পা এগিয়ে ঘরে এল। সঙ্গে সঙ্গেই ঘরের টেম্পারেচার কয়েক ডিগ্ৰী কমে গেল। চারিদিকে হাড় হিম করা ঠান্ডায় মনে হচ্ছে মর্গের ভেতর বসে আছি!

    ছায়ামূর্তিটা বাথরুমের সামনেই দাঁড়িয়ে আছে। এই সময় মাথার ভেতর কে যেন আমাকে অ্যালার্ম দিল! এখনও সময় আছে। পালাও। শরীরটাকে শক্ত করলাম। দরজা খুলে পালাতে হবে। হাত-পা রেডি হয়ে গেল। কিন্তু তখনও আতঙ্কিত হবার আরও কিছু বাকি ছিল। খাট থেকে দাঁড়াবার মুহূর্তে দরজাটা লক্ষ্য করেই ভয়ে হাত-পা পেটের মধ্যে সেঁধিয়ে যাবার উপক্রম হল। নেই… দরজাটাই ওখানে নেই! এক পলকে চারধারে তাকিয়ে দরজাটা খুঁজে পেলাম না। শুধু দেওয়াল আর দেওয়াল! কপাল থেকে এক ফোঁটা ঘাম হাতে পড়ল — এক কণা বরফের টুকরো যেন! হে ভগবান, গলা দিয়ে কোনো শব্দ বেরোচ্ছে না।

    ঘাড় ঘুরিয়ে মূর্তিটাকে দেখলাম। ডান হাতের কব্জি থেকে লাল রক্তের ধারা টপ টপ করে মেঝেতে পড়ে আল্পনা আঁকছে। তার মানে ও এইভাবেই আত্মহত্যা করেছে। ঐ অশরীরী এবার টলতে টলতে দু’পা এগিয়ে খাটটার কাছে এল। আমার হৃৎপিণ্ডের ধুকপুকুনির শব্দ কানে বাজছে। কোথায় পালাব? পালাবার রাস্তা কোথায়? ঐ বীভৎস দৃশ্য এই বয়সে কতক্ষণ সহ্য করতে পারব? হার্টফেল করা কেউ রুখতে পারবে না। ঐ ছায়াশরীর এবার ঘরের পাশে যে চেয়ারটা রাখা আছে সেখানে গিয়ে দু’হাত ঝুলিয়ে মাথা নিচু করে বসল। পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি ডানহাতের কব্জির একটু ওপরে বাথরুমের রক্তের দাগওয়ালা তোয়ালেটা জড়ানো। সম্মোহিতের মতো ওর ক্রিয়াকলাপ দেখছি। শত চেষ্টাতেও চোখ সরিয়ে নিতে পারছি না।

    বুকের ভেতরে কে যেন হাতুড়ি পেটাচ্ছে। তবে কি আমি ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে চলেছি? বাড়ির কথা মনে পড়ছে। ওরা জানতেও পারবে না কীভাবে আমি মারা গেলাম। ইস… যদি স্টেশনেই রাতটা কাটাতাম! মূর্তিটার মাথাটা ক্রমশ একদিকে হেলে পড়ছে! রক্তের স্রোতও কমে আসছে।

    হঠাৎ আমাকে চমকে দিয়ে বালিশের পাশে রাখা মোবাইলটা কুঁই কুঁই করে উঠল। প্রথম অনুভব করলাম কোনো জীবিত মানুষ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইছে। মাথাটা সক্রিয় হতে শুরু করল। ওর থেকে চোখ না ফিরিয়ে কাঁপা হাতে ফোনটা কানে ঠেকালাম।

    স্ত্রীর কণ্ঠ ভেসে এল, ‘ভোররাতেই ডিস্টার্ব করছি। সারারাত জেগে তোমার কথাই চিন্তা করছি। অনেকক্ষণ খবর পাইনি তোমার।’

    কানে কথাগুলো যেন দেহে প্রাণ ফিরিয়ে আনছে। দেখতে পাচ্ছি সেই ধোঁয়ার ভয়ঙ্কর দেহ ধীরে ধীরে অস্পষ্ট থেকে অস্পষ্টতর হয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে এ যাত্রা আমি বেঁচে গেলাম।

    ভাঙা গলায় বললাম, ‘কটা বাজে?’

    — ‘কেন হঠাৎ এই প্রশ্ন? তোমার গলাটা কীরকম শোনাচ্ছে… এখন ভোর সাড়ে চারটে।’

    সামনের চেয়ারটা খালি… শূন্য! অতৃপ্ত আত্মা বিলীন হয়ে গেছে এই ঘরেরই কোনো স্থানে।

    ‘আমি পরে ফোন করব।’ বিছানা ছেড়ে মাটিতে পা দিলাম। এখনও পুরোপুরি ভয়টা শরীর থেকে যায়নি। ঐ অবস্থায় জিনিসপত্র ব্যাগে ঢুকিয়ে পোশাক বদলে নিলাম। শুকনো ক্লান্ত মুখে ভোরের আলো ফোটার আগেই চাঁদনী হোটেল ছেড়ে রাস্তায় পা রাখলাম। বাইরে কুয়াশা ঢাকা দিল্লি। আমি চলেছি হোটেল ডি হর্সের দিকে। যেন শ্মশান ফেরত এক যাত্রী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত
    Next Article আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }