Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প979 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৪. পরদিন অফিসে এসেই দীপনাথ শুনল

    পরদিন অফিসে এসেই দীপনাথ শুনল, আমেদাবাদ থেকে স্বয়ং বড় মালিক এসেছেন। বোস সাহেবের সঙ্গে রুদ্ধদুয়ার আলোচনা চলছে। অফিসে জোর কানাঘুষো, বড় মালিক বোস সাহেবকে ছাড়তে রাজি নন। তার জন্য বোস সাহেবকে আরও অনেক বেশি মাইনে দিতেও তিনি প্রস্তুত।

    অফিস বলতে চল্লিশ বাই কুড়ি একটা হলঘর। গাদাগাদি স্টিলের টেবিল-চেয়ার, ফাইল ক্যাবিনেট লোহার আলমারি। শুধু বোস সাহেবের জন্য আলাদা একটা কাঠের ঘেরা দেওয়া চেম্বার।

    দীপনাথ সম্পর্কে অফিসের সকলেরই প্রথম-প্রথম একটু সন্দেহের ভাব ছিল। সম্ভবত তাকে বোস সাহেবের স্পাই বলে মনে করত। এখন আর সে ভাবটা নেই। বরং দীপনাথ যে এখনও পাকা চাকরি পায়নি তার জন্য কারও কারও কিছু সহানুভূতি আছে।

    আগে এ অফিসে বাঙালি প্রায় ছিলই না। ইদানীং বোস সাহেব কিছু বাঙালি ছেলেকে চাকরি দিয়েছেন। কম বেতনের কেরানি বা টাইপিস্ট নেওয়ার ক্ষমতা বোস সাহেবের হয়তো আছে।

    দীপনাথ গিয়ে টাইপিস্ট রঞ্জন রায়ের মুখোমুখি চেয়ারে বসল। রঞ্জন একদম হালে ঢুকেছে। মাস দুই হবে বোধ হয়। চেহারাটা খুব রোগা, মুখে শুকনো খড়ি-ওঠা ভাব, চোখ গর্তে, গাল ভাঙা। তবে লম্বা চুল আর জঁদরেল জুলপি আছে। কিন্তু রঞ্জনের পোশাক-আশাক খুবই সাদামাটা। সাধারণ একটা লাল-সাদা চেককাটা হাওয়াই শার্ট আর পবনে বোধ হয় এসপ্লানেডের ফুটপাথ থেকে কেনা স্ট্রেচলনের সস্তা বেলবটম, পায়ে চটি। ছেলেটা সর্বদাই খুব গম্ভীর থাকে। কিন্তু কথা শুরু করলে আবার অনেক কথা কয়।

    দীপনাথ জিজ্ঞেস করল, বোস সাহেবের ঘরে কনফারেন্স কতক্ষণ চলছে?

    রঞ্জনের এখন কোনও তেমন কাজ নেই বোধ হয়। ডান হাতের মুঠোটা মুদ্রাদোষবশত সব সময়ে মুখের সামনে মাউথপিসের মতো ধরে রাখে। ওই ভঙ্গিতেই বলল, তা ঘণ্টা খানেক হয়ে গেল।

    মালিকের চেহারা কেমন দেখলে? খুব বুড়ো?

    না, তেমন বুড়ো নয়। বছর খাটের হবে। একেবারে আমার মতো দেখতে। রোগা চিমসে চেহারা। তবে ভীষণ লম্বা। ছ’ফুটের ওপর। সঙ্গে আরও সাঙ্গোপাঙ্গ আছে।

    ক’জন হবে?

    জনা চারেক। সবাই নাকি মালিক। বড় মেজো সেজো।

    তা হলে খুব লড়ালড়ি হচ্ছে, কী বলো?

    রঞ্জন হাসল। বলল, তাই তো মনে হচ্ছে।

    কোনদিকে ফয়সালা হবে মনে হয়?

    কী করে বলি? বোস সাহেব চলে গেলে আমাদের চাকরিরও বারোটা বাজবে। কদিন হল এসব ভেবে আরও শুকিয়ে যাচ্ছি। মালিক যখন নিজে এসেছেন তখম…

    মালিক কি খুব বড় অফার দিয়েছে?

    সবই গুজব। তবে অতদূর থেকে তো কেবল মিঠা বাত বলতে আসেনি। মালকড়ির কথাই হচ্ছে বোধ হয়।

    দীপনাথ একটা স্বস্তির শ্বাস ছাড়ে। বোস থাকলে তার সব দিক দিয়েই সুবিধে। বলল, কনফারেন্স আর কতক্ষণ চলবে?

    বলতে পারি না। শুনেছি আজই হেস্তনেস্ত যা হয় হয়ে যাবে। ফেলাদা অবশ্য কালই আমাকে বলেছে অন্য জায়গায় চাকরির চেষ্টা করতে।

    সবিস্ময়ে দীপনাথ বলে, ফেলাদা কে?

    রঞ্জন একটু হেসে বলে, ফেলাদা বোস সাহেবের ডাকনাম।

    তুমি ওঁকে চেনো নাকি?

    চিনি না আবার! আমার পিসতুতো দাদা।

    বলো কী? এতদিন জানতাম না তো?

    অফিসে আত্মীয়তার ব্যাপারটা গোপন রাখাই ভাল।

    সে অবশ্য ঠিক। তোমার আপন পিসির ছেলে?

    হ্যাঁ। তবে তেমন ঘনিষ্ঠতা তো নেই। ফেলাদাও এখন টপ বস। ফান্ডাই আলাদা।

    দীপনাথ বুঝল, সম্পর্কে ভাই হলেও রঞ্জন বোধ হয় বোস সাহেবের ওপর তেমন সন্তুষ্ট নয়। সাবধানে জিজ্ঞেস করল, তোমার বাবা বেঁচে আছেন?

    রঞ্জন একটু অবহেলার মুখভঙ্গি করে বলল, আছে না-থাকার মতোই। মাথার গোলমাল।

    বোস সাহেব মামাকে দেখতে-টেখতে যান না?

    নাঃ। ওসব ফেলাদা পছন্দ করে না। আত্মীয়তা তো সব বোগাস ব্যাপার ওদের কাছে।

    তবু তো তোমাকে চাকরি দিয়েছেন।

    দিয়েছেন।–রঞ্জনের গলার স্বরে কোনও কৃতজ্ঞতা ফুটল না, আমাকে না দিলেও আর কাউকে তো দিতেই হত।

    নোস সাহেবের নিজের মা-বাবা নেই?

    কেন থাকবে না? টালিগঞ্জে ওদের বিরাট জয়েন্ট ফ্যামিলি।

    সেই ফ্যামিলির সঙ্গে বোস সাহেবের যোগাযোগ নেই?

    একটু-আধটু কি নেই! তবে না থাকার মতোই। ফেলাদার মা-বাবা অর্থাৎ আমার পিসি আর পিসেমশাই খুব ভাল মানুষ। বলতে কী তাদের জন্যই আমার এই চাকরি। কিন্তু ফেলাদা দারুণ সেলফিশ।

    মা-বাবাকে দেখেন না বুঝি?

    এমনিতে দেখার দরকার নেই। ফেলাদার আর দুই ভাইও ভাল চাকরি করে, পিসেমশাই পেনশন পান। ওদের ভালই চলে যায়। কিন্তু টাকাটাই তো বড় কথা নয়। সোজা কথা ফেলাদার কোনও দরদ নেই। বউটাও হয়েছে তেমনি। আপনি তো ওদের ভালই চেনেন!–বলে একটু ইঙ্গিতপূর্ণ হাসি হাসল রঞ্জন।

    আমি কর্মচারী। যেটুকু চিনি তা কর্মচারী হিসেবে। মানুষ কেমন তা তো বিচার করিনি।

    কিন্তু আপনি তো ওদের সঙ্গে টুরেও যান শুনেছি।

    তা অবশ্য যাই। কিন্তু দুরত্ব থাকে।

    বউটাকে আপনার কেমন মনে হয়?

    কেন, এমনিতে তো ভালই।

    রঞ্জন একটু করুণার হাসি হাসল। চাপা গলায় বলল, কিছুই জানেন না। একটা আস্ত ভ্যাম্প। ফেলাদার বারোটা না বাজিয়ে ও মেয়ে ছাড়বে না।

    মণিদীপা সম্পর্কে এসব কথা শুনতে খুব ভাল লাগছিল না দীপনাথের। সে উদাসভাবে বলল, তাই নাকি?

    জিনস পরা মেয়ে পথেঘাটেই দেখতে ভাল, কিন্তু আমাদের মতো মিডল ক্লাস ফ্যামিলিতে ওসব মেয়ে চলে না। আমার ও রকম বউ হলে থাপ্পড় মেরে বাড়ি থেকে বের করে দিতাম।

    দীপনাথ একটু চিন্তা করে বলে, তোমার কথাটা ফেলে দেওয়ার মতো নয়। তবে সব কিছুর জন্য তো কেবল মেয়েদেরই দোষ দেওয়া যায় না।

    মেয়েদের দোষ দিচ্ছে কে? ফেলাদা যে তার বউকে কন্ট্রোল করতে পারে না তার জন্য ফেলাদাই দায়ী। অথচ ওদের লাভ-ম্যারেজও নয়।

    জানি। শুনেছি মিসেস বোস গরিব ঘরের মেয়ে।

    গরিব মানে একদম ভুখখা পার্টি। বাপ পলিটিকস করত। চাকরি-বাকরি করেনি কোনওদিন। পার্টি থেকে কিছু কিছু পেয়ে টেনেমেনে সংসার চালাত। ওদের বাড়ির সবাই পলিটিকসের পোকা।

    মিসেস বোসের বাবা কি কোনও নেতা-টেতা?

    না না। স্রেফ ক্যাডার।

    ও–বলে দীপনাথ চুপ করে থাকে।

    রঞ্জন তার মুঠোর মাউথপিস সরিয়ে নিয়ে চুল ঠিক করছিল। ঠোঁট সামান্য ফাঁক। দীপনাথ চকিতে দেখতে পেল, রঞ্জনের সামনের সামান্য উঁচু দুটো দাঁতের রং কালচে। বোধ হয় পোকা লেগেছে। একটা দাঁত বোধ হয় আধখানা ভাঙাও।

    রঞ্জনকে কেন মাউথপিস সামনে রাখতে হয় তা বুঝতে পারল দীপনাথ। মানুষের যে কত কমপ্লেক্স থাকে!

    রঞ্জন আবার মাউথপিস সামনে ধরে বলল, শুনেছি ফেলাদায় আর বউদিতে নাকি খুব খাড়াখাড়ি। ডিভোর্সও হয়ে যেতে পারে।

    তাই নাকি?— বলে বিস্ময়ের ভান করে দীপনাথ।

    শুনেছি। যদি ডিভোর্স হয় তো ফেলাদা জোর বেঁচে যাবে।

    তোমার সঙ্গে মিসেস বোসের ভাল আলাপ আছে?

    না। তবে দেখেছি। আমাদের পাত্তাই দিতে চায় না। তাকালে যেন মনে হয় পোকামাকড় দেখছে।

    একটু ডাঁটিয়াল, না?

    সেন্ট পারসেন্ট। অথচ ডাঁটের কী আছে বলুন? গায়ের রং তো টেলিফোনের মতো। বাপেরও কিছু মালকড়ি নেই। তবু এমন রং নেবে যে আপনার গায়ে বিচুটি লেগে যাবে। লোয়ার ক্লাস থেকে আপার ক্লাসে উঠে এখন চোখে ভেলভেট দেখছে।

    দীপনাথ আড়চোখে দেখল, উর্দিপরা একজন বেয়ারা ট্রে-ভর্তি কোল্ড ড্রিংকস নিয়ে বোস সাহেবের চেম্বারে ঢুকছে। সাদা গুলো বোতলের মুখ থেকে উঁচু হয়ে আছে। দৃশ্যটা সুন্দর দেখায়।

    দীপনাথ চেম্বারের দরজার দিকে চোখ রেখে জিজ্ঞেস করল, তুমি এখানে কত পাচ্ছো?

    রঞ্জন বলল, মোটে আড়াইশো। ফেলাদা ইচ্ছে করলেই তিনশো সাড়ে তিনশো করতে পারত। কিন্তু করবে না। হি ইজ সেলফিশ।

    আত্মীয়রা কেউই বোধহয় মিস্টার বোসের ওপর খুব খুশি নয়, না?

    কেউ না। ফেলাদার মা-বাবা পর্যন্ত ওকে পছন্দ করে না।

    দীপনাথ চুপ করে বসে রইল। বোস সাহেব যে কেন এত একা তা বুঝতে আর কষ্ট হয় না তার। গতকাল সন্ধ্যায় বোস সাহেব যে কেন তার বন্ধুত্ব চেয়েছিল তা স্পষ্ট হয়ে গেল এখন।

    রঞ্জন বলল, আমি শুনেছি আপনি নাকি খুব এফিসিয়েন্ট লোক। অথচ ফেলাদা আপনাকে লেজে খেলাচ্ছে, চাকরি দিচ্ছে না। অফিসে এ নিয়ে কথা হয়।

    দীপনাথ কথাটা কানে নিল না। বরং অন্য দিকে চেয়ে হঠাৎ একটা অদ্ভুত প্রশ্ন করল, ওঁর ডাকনাম ফেলা কেন বলো তো?

    ফেলা? ও। ফেলাদার আগে বোধহয় পিসির আরও ছেলেমেয়ে হয়ে বাঁচেনি। তাই এই ছেলের নাম ফেলা। খুব আদরের ছিল।

    দীপনাথ মাথা নেড়ে বলে, বেশি আদরের ছেলেরা একটু বখা হয়।

    রঞ্জন হাসল। বলল, আদরের ছেলেরা বখা হলে আপত্তি নেই। বখা ছেলেরাও অনেক সময়ে মা-বাপকে হ্যাটা করে না। কিন্তু ফেলাদা তো বখা ছেলে নয়। বরং ভাল রেজাল্ট করে পাশ করেছে বরাবর, ভাল চাকরি করছে। একে তো বখা বলে না। এ তো সেলফিশনেস। আদরের ছেলেরা সেলফিশ হবে কেন?

    দীপনাথ ভ্রু কুঁচকে ভেবেও এই রহস্যের সমাধান খুঁজে পেল না। কিন্তু বোস সাহেবের একাকিত্বের ব্যাপারটা বুঝতে পারল। লোকটা খুবই আনপপুলার সন্দেহ নেই। সে মাথা নেড়ে হঠাৎ একটু হেসে ঘোষণা করল, মিসেস বোস কিন্তু সেলফিশ নন।

    রঞ্জন স্থির চোখে দীপনাথকে একটু মাপজোখ করে নিয়ে বলে, বউদি ফেলাদার চেয়েও বেশি সেলফিশ। আপনি ওকে চেনেন না।

    চেম্বারের দরজা হঠাৎ খুলে গেল। জনা চারেক লোক বেরিয়ে এল কথা বলতে বলতে। তিনজনের পরনে ঝকঝকে স্যুট। শুধু খুব লম্বা এবং রোগা মানুষটির পরনে ধুতি এবং গলাবন্ধ সুতির কোট, মাথায় সাদা পাগড়ি। সকলের পিছনে বোস সাহেব। তাদের মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছিল না, ডিসিশন কোন দিকে গেছে। তবে তাদের কারও মুখেই গাম্ভীর্য বা হাসিখুশি ভাব নেই।

    বোস সাহেব ওদের সঙ্গেই অফিস থেকে বেরিয়ে গেল। যাওয়ার আগে চারদিকে চেয়ে দেখে নিল একবার। দীপনাথ নিজের উপস্থিতি জানান দিতে উঠে দাঁড়িয়েছিল। বোস সাহেব একবার তাকালও তার দিকে, কিন্তু কোনও ইশারা করল না।

    দীপনাথ আবার বসে পড়ল। এই দাঁড়ানোর অবস্থায় তাকে দেখলে মণিদীপা অবশ্যই চাপা হিংস্র গলায় বলত, স্লেভ! স্লেভ! বন্ডেড লেবারার।

    ওরা বেরিয়ে যেতেই অফিসে একটা চাপা গুঞ্জন শুরু হয়ে গেল, নানা রকম অনুমান, আন্দাজ।

    হাতে একটা কাজ আছে। সেরে ফেলি। বলে রঞ্জন তার টাইপ মেশিনে খটাখট শব্দ তুলতে লাগল।

    দীপনাথ উঠে সামনের দিকে জানালায় এসে উঁকি দিয়ে দেখল, মস্ত একটা গাড়িতে বোঝাই হয়ে বোস সাহেব সমেত মালিকরা কোথাও যাচ্ছে। অর্থাৎ এখন তার কোনও কাজ থাকছে না।

    দীপনাথ বোকা নয়। সে জানে এই কোম্পানির যা ক্যাপিট্যাল ইনভেস্টমেন্ট আছে তাতে অনায়াসে এটাকে উঁচু গ্রেডে তোলা যায়। কিন্তু ব্যবসায়িক কারণে মালিকরা তা চাইছে না। বোস চাইছে। শুধু ব্যক্তিগত বেতন বা ভাতা বাড়ালেই বোস খুশি হওয়ার লোক নয়। সে যে এ কোম্পানিকে হায়ার গ্রেডে তুলেছে তার স্বীকৃতি না দিলে সে খুশি হবেও না। টাকার সঙ্গে প্রেস্টিজও তার দরকার! মালিকরা সেই মৌলিক ব্যবসাগত নীতিতে নরম হল কি না সেটাই বড় কথা।

    সুতরাং দীপনাথের অনিশ্চয়তা কাটে না।

    বোস সাহেবের বেয়ারাকে জিজ্ঞেস করতেই সে বলল, সাহেব লাঞ্চের পর অফিসে আসবে।

    লাঞ্চের এখনও দেরি আছে দেখে দীপনাথ সন্তর্পণে গিয়ে বোস সাহেবের চেম্বারে ঢুকে দরজাটা টেনে দিল। এই চেম্বারে ঢুকতে তার কোনও বাধা নেই। প্রায়ই ঢোকে।

    চেম্বারে এয়ারকন্ডিশনার চলছে। বিশাল ঝকঝকে সেক্রেটারিয়েট টেবিল, ঘোরানো চেয়ার। মেঝেয় সত্যিকারের উলের কার্পেট। মালিকরা বোস সাহেবকে যথেষ্ট আদরে রেখেছে। এত আদরে থাকলে দীপনাথ বর্তে যেত, আর কিছু চাইত না। মালিকদের কথায় উঠত, বসত। কিন্তু নাল্পে সুখমন্তি। বোস আরও চায়। কেন চায় কে জানে! এ পৃথিবীতে কিছু মানুষের আছে রাক্ষুসে চাওয়া। আলাদিনের দৈত্য কিংবা জিন পরিরাই বোধহয় সেই চাহিদা কেবলই মিটিয়ে যাচ্ছে। দীপনাথ খবর রাখে, এক আধা-সাহেবি কোম্পানির এক ডিরেক্টর বিশ হাজার টাকা মাইনে এবং আর-সব খরচপত্র পায়। এত পাওয়া পছন্দ করে না দীপ। এত পেলে কি জীবনটা বিস্বাদ হয়ে যায় না!

    ডাইরেক্ট লাইনে সে বোস সাহেবের বাড়ির নম্বর ডায়াল করল।

    মণিদীপা বোধ হয় আর-কারও অপেক্ষায় টেলিফোন কোলে করেই বসে ছিল। প্রথম রিং-এর শব্দটা হতে না হতেই রিসিভার তুলে বলল, হ্যালো।

    আমি দীপ।

    হুঁ। কী খবর?

    একটা খবর বোধহয় দিতে পারি।

    কী সেটা?

    খবরটা ভাল হলে খাওয়াবেন তো!

    আপনার প্রিমিটিভিনেসটা কবে যাবে বলুন তো?

    ব্যথাহত দীপনাথ বলে, কেন? প্রিমিটিভিনেসটা কী দেখলেন?

    ওই যে খাওয়ার কথা। খাওয়াটা এমন বড় প্রবলেম কি?

    দীপনাথ বিষণ্ণ হেসে বলে, আপনার মতো একজন মার্কসবাদীর মুখে কথাটা কি মানাল? দেশের লক্ষ মানুষের মূল প্রবলেমটাই তো এই প্রিমিটিভ প্রবলেম। যা নিয়ে আপনি ভাবছেন, স্নিগ্ধদেব ভাবছেন।

    স্নিগ্ধর কথা ওঠে কেন? কথা হচ্ছে আপনার আর আমার মধ্যে। লিভ স্নিগ্ধ।

    আমি ওঁর নাম উচ্চারণ করলেও বুঝি ওঁকে অপমান করা হয়?

    মণিদীপা অধৈর্যের গলায় বলে, ইউ আর স্টিল প্রিমিটিভ। ইউ আর জেলাস।

    দীপনাথ একটু চোখ বুজে দম ধরে রইল। তারপর বলল, আমার জেলাসির কোনও কারণ নেই। নিশ্চয়ই জেলাস। আপনি জেলাস, মিস্টার বোস জেলাস। আপনারা স্নিগ্ধকে হিংসে করেন, কারণ আপনারা জন্মেও ওর মতো হতে পারবেন না।

    সবাই কি নেতা হতে পারে? কাউকে কাউকে তো জনগণও হতে হবে।

    স্নিগ্ধ নেতা নয়। আমরা ব্যক্তিপূজায় বিশ্বাস করি না, নেতৃত্বেও নয়।

    তা হলে কি কালেকটিভ লিডারশিপ?

    ও বাবা। তাও জানেন দেখছি।

    একটু একটু শিখছি।

    এবার খবরটা কি দয়া করে বলবেন?

    তাই তো বলতে চাইছিলাম। কিন্তু আপনি বলতে দিচ্ছেন কই?

    সরি। এবার বলুন।

    বোস সাহেব বাংগালোরের চাকরি নাও নিতে পারেন। আজ মালিকদের সঙ্গে কনফারেন্স হল।

    শুনে মণিদীপা একটু চুপ করে থাকে। তারপর নিস্পৃহ গলায় বলে, তাতে আমার কী?

    কিছুই কি নয়?

    বোস সাহেবের বাংগালোরে যাওয়া না-যাওয়া নিয়ে তো কোনও প্রবলেম হয়নি। আমাদের প্রবলেম অন্য। সে আপনি বুঝবেন না।

    দীপনাথ বিষণ্ণ হয়ে বলে, ও। আমি অবশ্য আপনাদের প্রাইভেট ব্যাপারে কিছু জানতে চাইছিলাম না। জাস্ট খবরটা দিলাম, যদি তাতে আপনার মত বদলায়।

    না, খবরটার তেমন কোনও দাম নেই আমার কাছে। বোস কি ফাইন্যালি ডিসিশন চেঞ্জ করেছে?

    তা এখনও জানি না। তবে ভাবসাব দেখে মনে হয়, মালিকরা এ রকম একজন এফিসিয়েন্ট লোককে ছাড়বে না।

    এফিসিয়েন্ট!–বলে একটু শ্লেষের হাসিই যেন হাসল মণিদীপা। তারপর বলল, আপনি কষ্ট করে খবরটা দিলেন বলে ধন্যবাদ। যদিও খবরটার কোনও ইমপট্যান্সই আমার কাছে নেই।

    শুনুন, মিসেস বোস।

    শুনছি। কিন্তু মিসেস বোস নয়, মণিদীপা। আমার নিজস্ব পরিচয়টাই আমার একমাত্র পরিচয়, কথাটা কতবার বলেছি?

    মনে রাখতে পারি না। আমরা একটু সেকেলে।

    হ্যাঁ, আপনারা কিছু অভ্যাসের দাস।

    তাই হবে।

    কী বলছিলেন?

    কাল রাতে আমি আপনাকে যা বলেছি তার জন্য খুব লজ্জিত।

    লজ্জার কী আছে? ফ্র্যাংকনেস আমি পছন্দই করি। আমিও তো আপনাকে কিছু কথা বলেছি।

    ওসব তো সত্যি নয়।

    কোনটা সত্যি নয়?

    ওই যা সব বললেন।

    বোস সাহেব আপনাকে আর আমাকে সন্দেহ করে কি না?

    দীপনাথের কান লাল হল এত দূরে থেকেও। বলল, ওসব উনি যদি ভেবে থাকেন তো ভুল ভেবেছেন।

    ভুল ভাবতে পারেন। তবে সত্যি হলেও লজ্জার কিছু নেই।

    কী যে বলেন!

    আপনি মেয়েদের বোকা ভাবেন, না?

    না তো। কেন?

    সব পুরুষই তাই ভাবে।

    আমি ভাবি না।

    আর মেয়েরাও আবার পুরুষদের বোকা ভাবে।

    এসব কথা হচ্ছে কেন?

    ভাবছিলাম, আপনি আমাকেও বোকা ভাবেন কি না?

    মোটেই না।

    ভাবলেই ভাল। কারণ, আমি বোকা নই।

    আপনি তো খুবই বুদ্ধিমতী।

    খুব না হলেও মোটামুটি।

    কিন্তু কী বলতে চাইছেন?

    বলছি যে, আমি পুরুষদের ভাবসাব এবং মতলব টের পাই।

    ঠিক বুঝলাম না।

    আমি জানি আপনি আমার প্রেমে পড়েছেন।

    না না। ছিঃ ছিঃ কী যে বলছেন সব…

    আর তাতে আমি মোটেই রাগ করিনি। বরং খুশি হয়েছি।

    কিন্তু ব্যাপারটাই যে সত্যি নয়।–দীপনাথ মিথ্যেটাকে সত্যি বলে চালাবার চেষ্টা করে।

    ওপাশ থেকে মণিদীপা খুব আত্মপ্রত্যয়ের সঙ্গে বলে, আমি মানুষে মানুষে ভালবাসায় বিশ্বাসী। বরং ভাল না বাসাটাই সন্দেহজনক।

    কিন্তু সে তো অন্য ভালবাসা।

    আমার কাছে সব ভালবাসারই অর্থ এক। ভালবাসা মানেই তো আর বিয়ে বা সেক্স নয়।

    তা হলে মিস্টার বোস কী দোষ করলেন? উনি কেন আপনার ভালবাসা পাচ্ছেন না?–খুব বুদ্ধিমানের মতো পট করে কথাটা পেড়ে ফেলল দীপনাথ।

    মানুষ হিসেবে ওঁর প্রতিও আমার ভালবাসা এবং সহানুভূতি আছে। তবে আমরা শ্রেণিশত্রুর প্রতি কিছুটা নির্দয়।

    মিস্টার বোস আপনার শ্রেণিশত্রু হতে যাবেন কেন? আপনাদের শ্রেণি তো এক।

    মোটই নয়। দেয়ার ইজ এ গ্রেট ডিফারেন্স।

    কিসের ডিফারেন্স?

    আমি তো আপনাকে আগেও বলেছি আমি হচ্ছি শ্রমিকশ্রেণির মানুষ।

    বলেছেন, কিন্তু আমি কথাটা আজও বুঝতে পারিনি।

    কারণ আপনার সেই মানসিকতা বা ট্রেনিং নেই।

    তা অবশ্য ঠিক।

    অথচ শুনেছি আপনি এক সময়ে ছাত্র আন্দোলন করতেন। এবং সেটা করতেন শিলিগুড়িতেই, যেখানে অনেক বিপ্লবীর জন্ম।

    দীপনাথ সত্যিকারের অবাক হয়ে বলে, এ কথা আপনাকে কে বলল?

    বলেছে শিলিগুড়িরই একটা ছেলে। জেসপের ইঞ্জিনিয়ার। একটা পার্টিতে কিছুদিন আগে আলাপ হল। সে শিলিগুড়ির ছেলে শুনে আপনার রেফারেন্স দিয়েছিলাম।

    আমাকে চিনল?

    খুব চিনল। নইলে জানলাম কী করে?

    তখনকার ছাত্র আন্দোলন তো এখনকার মতো ছিল না।

    তা হতে পারে। তবু আপনি যে কোনওদিন কোনও আন্দোলন করেছেন তাতেই প্রমাণ হয় যে, আপনার ব্যাকবোন ছিল।

    এখন কি নেই?

    না। মিস্টার বোসের তাঁবেদারি করে করে আপনার বাকবোন ভেঙে গেছে। সোজা কথা, মিস্টার বোসরা অন্যের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার জন্যই অত মাইনে পান।

    তাই নাকি?

    ঠিক তাই। আর সেইজন্যই মিস্টার বোস আমার শ্রেণিশত্রু। আপনারও।

    দীপনাথ ঠিক করেছিল, কথাটা বলবে না। কিন্তু এখন একটু গুমগুম রাগ আর উত্তেজনার মাথায় কথাটা এসে গেল। সে বলেই ফেলল, কিন্তু আপনাকেও যে কেউ কেউ চরম শ্রেণিশত্রু মনে করে।

    করতে পারে। তারা কারা?

    আপনারই আত্মীয়স্বজন কেউ কেউ।

    আমার আত্মীয়দের আপনি চেনেন?

    আপনার এক দেওরের সঙ্গে আলাপ হল। দূর-সম্পর্কের দেওর। সে আপনাকে পছন্দ করে না।

    সে কি খুব গরিব?

    বেশ গরিব। কেন?

    যদি গরিব হয় তবে তাকে আমার ভালবাসা জানিয়ে দেবেন। যে-কোনও গরিবেরই অধিকার আছে আমাকে ঘৃণা করার। কারণ দুর্ভাগ্যবশত আমি একজন ওপরওয়ালার স্ত্রী। কিন্তু যে-কোনও গরিবই আমার পরম শ্রদ্ধার পাত্র।

    এ কথাও কি তাকে জানাব?

    নিশ্চয়ই। কিন্তু জানানোর সাহস আপনার হবে না।

    কেন?

    কারণ চুকলি যারা করে তাদের সৎসাহস থাকে না।

    তার মানে?

    আপনি কার কথা বলছেন তা আমি জানি। রঞ্জন। সে যদি কোনও কথা আপনাকে বলেই থাকে তবে সেটা আমার কাছে ফাঁস করা আপনার উচিত হয়নি, দীপবাবু। একে সাদা বাংলায় চুকলি করা বলে।

    দীপনাথের মাথা ঝা ঝা করছিল অপমানে। এই মেয়েটার কাছে সে কেন বারবার এ রকম হেরে যায়? এত নির্মমই বা কেন মণিদীপা?

    মণিদীপার শান্ত স্বর ওপাশ থেকে শোনা গেল, শুনুন দীপবাবু, আমি আপনার ভাল চাই বলেই আপনাকে ছোট হতে দেখলে খারাপ লাগে। মনে রাখবেন আপনিও একজন গরিব, আর গরিবের জন্য সামনে বিশাল লড়াই পড়ে আছে। কূটকচালির মধ্যে জড়িয়ে পড়লে লড়াইটা করবে কে?

    দীপনাথ অস্ফুটস্বরে বলল, মাপ করবেন। ঠিক চুকলির জন্য কথাটা বলা নয়।

    তাও জানি। আপনি আমাকে একটু চিমটি কাটতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অত সহজে জব্দ হওয়ার মানুষ তো আমি নই। আমার ট্রেনিং আছে।

    টেলিফোনটা কান থেকে নামিয়ে সভয়ে দীপনাথ সেটার দিকে চেয়ে রইল কিছুক্ষণ। ওপাশে মণিদীপা এখনও কিছু বলছে। কিন্তু সেটা শুনল না দীপনাথ।

    আস্তে টেলিফোনটা নামিয়ে রেখে বেরিয়ে এল।

    অল্পের জন্য বেঁচে গেল দীপনাথ। বেরোতেই মুখোমুখি বোস সাহেব।

    খুবই গম্ভীর মুখ বোস সাহেবের। দীপনাথের দিকে চেয়ে বলল, চেম্বারে আসুন। কথা আছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখুদকুঁড়ো – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article পারাপার – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }