Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প979 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭৭. মালটিন্যাশনাল কোম্পানির যত দোষ

    মালটিন্যাশনাল কোম্পানির যত দোষ আছে সান ফ্লাওয়ার তার কোনওটা থেকেই মুক্ত নয়। দীপনাথকে সানফ্লাওয়ারে ঢুকবার আগে একটা বন্ড সই করে দিতে হয়। সে যে শর্ত দিয়েছিল তার কোনওটাই কোম্পানি মানল না। তবে বেতনটা ঠিক রাখল। যাতায়াতের জন্য অফিসারদের নিজস্ব গাড়ি থাকলে ভাল কথা, নইলে চমৎকার একটা বাস সার্ভিস আছে। শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে অফিসারদের নিয়ে আসা বা পৌঁছে দেওয়া হয়। দীপনাথ সেই সুবিধাটুকু পেল। কোম্পানি কোনও বাড়ি দেবে না। তবে কালক্রমে বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনার টাকা ঋণ দেবে।

    এর চেয়ে রজার্স ভাল ছিল হয়তো। কিন্তু রজার্স দেশি কোম্পানি। সে টোপ ফেলে দীপনাথকে গেঁথে নিয়ে তাকে দিয়ে দু’নম্বরি কাবাব করাত। তার চেয়ে সানফ্লাওয়ার ঢের ভাল। ছ’মাস বাদে আমেরিকায় ট্রেনিং-এ পাঠাবে। সেটাও দীপনাথের প্রতি বিশেষ দাক্ষিণ্যবশে নয়, বেশির ভাগ অফিসারকেই তারা আমেরিকায় নিয়ে একটু স্ট্রিমলাইনড় করিয়ে আনে।

    এত বড় কোম্পানিগুলি ভাত ছড়িয়ে ধসে তু বলে ডাকলেই দীপনাথের মতো ঝাকে ঝাকে কেজো লোক এসে জড়ো হয়ে লেজ নাড়ে; সুতরাং দীপনাথকে ডেকে চাকরি দেওয়ার দরকার। ছিল না এদের। তর দিয়েছে কেন সেটা দীনাথ ভাল বুঝল না। প্রথম কয়েকটা দিন নতুন ধাঁচের কাজকর্ম বুঝতে সে হিমশিম খেল। অটোমেশন জিনিসটারও মুখোমুখি সে কখনও হয়নি। এখানে হল।

    গুজরাটি কোম্পানি বোস সাহেবের যোগ্যতা অনুযায়ী তাকে কাজে লাগাতে পারেনি। কিন্তু বোস সাহেব কাজের লোক। সানফ্লাওয়ারে কার আগে মাসখানেক বোস সাহেব দীপনাথকে অটোমেশন বুঝিয়েছে। চেনা বিভিন্ন কোম্পানিতে ইনট্রোডাকশন দিয়ে পাঠিয়েছে আই বি এম এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতির কাজ দেখতে। সেই ঘরোয়া ট্রেনিংটা খুব কাজে লাগাল দীপনাথের। হিমশিম খেলেও নতুন কাজে সে হাস্যকর কিছু করল না।

    সাতদিন পর এক ছোকরা সাহেব তার টেবিলের সামনে এসে জিজ্ঞেস করল, লাইক দি জব?

    ইয়াঃ।–অনায়াসে বলতে পারল দীপনাথ।

    আট্টা বয়।— বলে সাহেব হেসে চলে গেল।

    বোস সাহেব মাঝে মাঝে ফোন করে খবর নেয়, কোনও অসুবিধে হচ্ছে না তো, চ্যাটার্জি?

    না। চালিয়ে নিচ্ছি।

    আপনার হিসেবটা হয়ে গেছে। একদিন এসে টাকাটা নিয়ে যাবেন।

    গুজরাটি কোম্পানিতে দীপনাথের কিছু পাওনা টাকা পড়ে আছে। খুব বেশি হবে না। বলল, যাব।

    দেরি করবেন না। টাকাটা ব্যাংকে রাখলে সুদ পাবেন, এখানে খামোখা ফেলে রেখে লাভ কী?

    দীপনাথ মৃদু হেসে বলে, সময় পাচ্ছি না যে। এই অফিস থেকে সহজে বেরোনো যায় না।

    জানি। সানফ্লাওয়ার ইজ বিগ। ভেরি বিগ। আপনিও এখন বিগ। তবে আপনি যদি একটা ডেট বলেন তবে অফিস-আওয়ার্সের পর আমি টাকাটা রেডি রেখে দেব। ইউ জাস্ট ড্রপ ইন অ্যান্ড কালেক্ট।

    আচ্ছা। মিসেস বোসের খবর কী?

    নাথিং নিউ। নাইদার হ্যাপি নর আনহ্যাপি।

    আপনি?

    আমি? আমি জাস্ট ওকে।

    কোম্পানি?

    বুঝতে পারছি না। রিয়েলি বুঝতে পারছি না। ড়ুয়িং বিজনেস নো ডাউট। কিন্তু একসপানশান নেই।

    আচমকাই দীপনাথ বলে, আপনি সানফ্লাওয়ারে আসবেন?

    বোস বোধ হয় অবাক হয়। তারপর হেসে বলে, ও! নো।

    কেন বোস সাহেব?

    বোস সাহেব একটা ছোট খাসের শব্দ করে বলে, সানফ্লাওয়ার অনেক আগেই আমাকে পিক করেছিল। কিন্তু কোনও বড় কোম্পানিতে আমার যাওয়ার উপায় নেই চ্যাটার্জি।

    কেন?

    কারণ আমি যে কনসানে কাজ করব আই মাস্ট বি দেয়ার নাম্বার ওয়ান ম্যান। আমি নাম্বার ওয়ান হয়ে কোনও কোম্পানিতেই কাজ করিনি। বড় কোম্পানি আমাকে মস্ত পোস্ট দেবে, অনেক মাইনেও, কিন্তু প্রথমেই নাম্বার ওয়ান জায়গাটা ছাড়বে না। তাই আমার কপালে বড় কোম্পানি নেই।

    এবার দীপনাথও একটু হাসে। বলে, আপনি যদি কখনও কোনও নিজস্ব কোম্পানি খোলেন তবে আমাকে ডাকবেন।

    বোস আবার শ্বাস ছেড়ে বলে, সেসব আরও কম বয়সে শখ ছিল। এখন নেই। এখন আমি ফিজিক্যালি আনফিট। সাইকোলজিকালিও। কিন্তু আপনাকে একটা আডভাইস দিয়ে রাখি। চট করে কোনও লোভে পড়ে সানফ্লাওয়ার ছাড়বেন না। ইউ আর উইথ গুড পিপল। দে উইল ড়ু ইউ গুড। কমপিটিটর কোম্পানি অনেক সময় সাবোটাজ করার জন্য বড় কোম্পানি থেকে তোক ভাঙিয়ে নিয়ে আসে। যারা লোভে পা দেয় জেনারেলি এন্ড ইন দি গাটার। সানফ্লাওয়ারে থাকুন। দে উইল মেক ইউ ভেরি ভেরি এফিসিয়েন্ট।

    ঠিক আছে। কথাটা মনে রাখব।

    আই অলওয়েজ উইশ ইউ গুড।

    সানফ্লাওয়ারে আসার মাস দুয়েক বাদে একদিন মণিদীপা ফোন করল।

    গলাটা চেনা লাগছে, দীপনাথবাবু?

    দীপনাথ মৃদু হেসে বলে, যে ভোলে ভুলুক কোটি মন্বন্তরে আমি ভুলিব না, আমি তারে ভুলিব না। কেমন আছেন?

    চমৎকার। আপনি?

    চমৎকার।

    একটা চাকরি দেবেন আপনার কোম্পানিতে? আপনার পি-এ করে নিন না!

    আমার পি-এ বলে কিছু নেই।

    তা হলে আপনি কিসের বড় চাকরি করেন?

    বড় চাকরি নয়। কিন্তু এই কোম্পানির বেয়ারাও এত বেশি মাইনে পায় যে অনেক সরকারি অফিসারও পাল্লা দিতে পারবে না।

    তা হলে বেয়ারার চাকরিই দিন না।

    কেন? ব্যাবসার কী হল?

    কী আবার হবে? টাকা কই? ঢাকুরিয়ার এই দোকানটা এখন পঞ্চাশ হাজার সেলামিতেও রাজি। কিন্তু তাই বা আমাকে দেবে কে?

    দু’লাখ থেকে পঞ্চাশ হাজারে নেমেছে? বলেন কী!

    এমনিতে নামেনি মশাই, দোকানের মালিককে বেশ কয়েকটি কটাক্ষ উপহার দিতে হয়েছে।

    তা হলে আরও গোটাকয় দিন। বিনি পয়সায় দিয়ে দেবে।

    না। এখন দোকানের মালিক আর কটাক্ষে খুশি নয়। হি ওয়াস সামথিং টানজিবল। হয় টাকা, হয় কাইন্ডস।

    কাইন্ডনেস নয় তো!

    না। কাইন্ডস, একস্ট্রিমলি ফেমিনিন কাইন্ডস।

    কুপ্রস্তাব করেছে বলছেন?

    নট ইন সো মেনি ওয়ার্ডস। তবে আমরা মেয়েরা ঠিক বুঝতে পারি।

    ওর কাছে আর যাবেন না।

    গিয়ে লাভও নেই। লোকটা বুঝে গেছে, আমি ক্যাশ বা কাইন্ডস কোনওটাই দিতে পারছি না। শুনুন, আমরা একটু পাহাড়ে বেড়াতে যাচ্ছি। মে বি নৈনিতাল। না হয় সিমলা। আপনি কি ছুটি পাবেন?

    পেলেও যাব না।

    কেন? টু অ্যাভয়েড মি?

    সেটাও হয়তো কারণ। তবে আমার ভয় এবার বড় পাহাড়ের কাছে গেলে আমি হয়তো ফিরতে পারব না।

    ওমা! সে কী?

    জানেন তো, প্রীতম আজও ফেরেনি?

    জানি।

    প্রীতম আমার কতটা ছিল তা তো আর জানেন না!

    অনেকটা আন্দাজ করতে পারি।

    অনেকটা, তবু সবটা নয়। প্রীতম ছিল এই পৃথিবীর সঙ্গে আমার সম্পর্কের সবচেয়ে বড় কারণ, এখন তাই আমার কোনও পিছুটান নেই। বড় চাকরি, অনেক টাকা, এ সব কিছুই আমাকে টেনে রাখতে পারবে না। মাঝে মাঝে আজকাল নিশুত রাতে পাহাড় ডাকে।

    যাঃ! কী যে কিম্ভুত একটা খেয়াল আছে আপনার মাথায়!

    দীপনাথ তা জানে। কিন্তু কথাটা তো মিথ্যেও নয়। সারাদিন সানফ্লাওয়ার যতক্ষণ পারে মেদ মজ্জা মাংস মস্তিষ্ক চিবিয়ে ছিবড়ে করে দেয়। কিন্তু তারপর যখন ক্লান্ত দীপনাথ তার হোটলে ফিরে আসে তখনই আসে প্রীতমের শূন্যতা। বড় ভারহীন, বন্ধনহীন লাগে নিজেকে।

    সব ক’টা বড় খবরের কাগজে দিনের পর দিন নিজের পয়সায় প্রীতমের ছবি সহ নিরুদ্দেশের খবর বের করেছে সে। শিলিগুড়িতে শতমও দাদাকে খুঁজতে তোলপাড় করছে আজও। কোথাও কোনও হদিশ মেলেনি।

    হয়তো প্রীতম আছে। হয়তো নেই।

    বিলুর হাবভাব একদম ভাল লাগে না দীপনাথের। বিলু চাকরিতে একটা লিফট পেয়েছে। বাসাটা সাজিয়েছে অনেক টাকা খরচ করে। প্রতি রবিবার অরুণ ওর বাসায় খায়। মাঝে মাঝে বেড়াতে যায় অরুণের সঙ্গে।

    এ সব এক রকম চলছিল। খুব সম্প্রতি সে খবর পেয়েছে, বিলু একজন উকিলের পরামর্শ নিচ্ছে। খবরটা দিয়ে গিয়েছিল শতম। মাসখানেক আগে সে একটা টেন্ডার ধরতে কলকাতায় এসে দু’দিন বিলুর কাছে থেকে গিয়েছিল।

    স্বামী নিরুদ্দেশ বলে একসপার্টি ডিভোর্স পেতে অসুবিধে হবে না বিলুর। কিন্তু ডিভোর্সই বা চাইবে কেন? প্রীতম মরে গেলেই কি সব শেষ হয়ে গেল?

    কথাটা সরাসরি বিলুকে জিজ্ঞেস করতে তার লজ্জা করে। কিন্তু ভাবলেই লজ্জায় ক্ষোয় ভিতরটা অস্থির হয়ে ওঠে তার। আর তখনই মনে হয়, এই জীবনটা নেহাতই একটা অর্থহীন প্রলাপ মাত্র। এর চেয়ে সব ছেড়েছুড়ে বেরিয়ে পড়া ভাল।

    পাহাড় তো ডাকছেই। অবিরল ডাকে। এসো, চলে এসো দীপনাথ। এখানে নীরব মহান এক প্রস্থানপথ খোলা আছে। এখানে দীনতা নেই, নিম্নগতি নেই। স্বর্গের এই সিঁড়ির কাছে এসো। আমি কোলে তুলে নেব।

    দীপনাথ বোস সাহেবের কাছে খবর পেল, ডাক্তারের পরামর্শে মণিদীপা আর বোস সাহেব নৈনিতাল বেড়াতে যাচ্ছে। যাক। ওরা এত সহজে মিশ খাবে না, তা জানে দীপনাথ। দুজনের মধ্যে এখনও কাঁটাতারের বেড়া। তবু এভাবেই হয়তো একদিন একটু বেশি বয়সে পরস্পরকে আঁকড়ে ধরবে অসহায়ের মতো। শেষ পর্যন্ত তো মানুষ অসহায়ই। সে বোসই হোক, মণিদীপাই হোক।

    নৈনিতাল গেলেও হত। পাহাড়ের মতো আর-একটা দুর্নিবার ডাকও আছে দীপনাথের জীবনে। এখনও তার মূলসুদ্ধ কেঁপে ওঠে যদি মণিদীপা ডাকে।

    দিনের মোটা একটা সময় কাজ কাজ খেলা দিয়ে তাকে ভুলিয়ে রেখেছে বলে সানফ্লাওয়ারের প্রতি বড় কৃতজ্ঞতা বোধ করে দীপনাথ। আরও ভাল হত যদি সে সারা রাত ধরে আর-একটা চাকরি করত। একমাত্র কাজই তাকে ভুলিয়ে রাখতে পারে। টাকা নয়, প্রতিষ্ঠা নয়, পোমোশন নয়, কেবল ভুলিয়ে রাখে বলে যত দিন যায় তত আরও বেশি কাজ-পাগল হয়ে ওঠে দীপনাথ।

    অফিসের পর এই শূন্যতা এত অসহ্য লাগত যে, বেশ কিছুদিন তাকে বীথির কাছে যেতে হয়েছে। একটা কুৎসিত বদ অভ্যাস তৈরি হয়ে যাচ্ছিল তার। হঠাৎ একদিন সুখেন মেসে ফিরল হাতে আর মাথায় ব্যান্ডেজ নিয়ে। মুখে করুণ হাসি। চমকে উঠে দীপনাথ জিজ্ঞেস করল, কী হয়েছে?

    ঘরে আর কেউ ছিল না। সুখেন কিছুক্ষণ গম্ভীর হয়ে বসে থেকে বলল, বীথির ছেলেকে দেখেছেন তো?

    এক কি দুই দিন।

    বীথি ভাল নয়, কিন্তু ছেলেটা মেরিটোরিয়াস। পলিটিকস করে, সোশ্যাল ওয়ার্ক করে।

    জানি।

    এতদিন কোনও ঝামেলা করেনি। বীথি ডিভোর্স পেয়ে গেছে, সুতরাং এখন যদি সে বিয়ে করে তা হলেও ছেলের আপত্তি নেই। কিন্তু আপত্তি আমাকে বিয়ে করায়। ছেলেটি মনে করে, আমি করাপটেড সরকারি কর্মচারী। আমাকে বিয়ে করা মানে সোশ্যাল ইনজাসটিসকে প্রশ্রয় দেওয়া।

    তারপর? এই রক্তারক্তি কাণ্ডটা কখন হল?

    আজ। উই হ্যাড অলটারকেশনস। আমার পেটে একটু মাল ছিল ঘড়াম করে মেরে দিয়েছিলাম এক ঘুসি। ছোকরাও পালটা ঘুসি ঝেড়েছে। সিঁড়ি দিয়ে পড়ে গিয়ে এই কাণ্ড।

    তারপর?

    তারপর আর কী? ক্ষমা চাওয়াচাওয়ি হল। কাল বীথির সঙ্গে আমার বিয়ে।

    কালই?

    কালই। শুভস্য শীঘ্রম।

    রেজিস্ট্রি না সোশ্যাল?

    সোশ্যাল হলে বিশ্রী দেখাবে। রেজিস্ট্রি আর তারপর কালীঘাট।

    আপনি বীথির সঙ্গে ঘর করতে পারবেন?

    পারব।

    নোয়িং ফুললি যে, আমার সঙ্গেও বীথির…!

    আমিই তো আপনাকে নিয়ে গেছি, সুতরাং জানব না কেন? শরীরের কোনও দোষ নেই। মনটা ঠিক থাকলেই হল।

    এসব মেয়েদের মনও কি ঠিক থাকে?

    সেসব পরে ভাবব। আমিও কিছু ভাল লোক নই। বীথিও নয়। সুতরাং ভেবে লাভ কী?

    তা বটে।

    তা হলে কাল। আপনি তৈরি থাকবে। সাক্ষী দিতে হবে।

     

    পরদিন রাতে বাস্তবিকই ঘটনাটা দীপনাথের চোখের সামনে বীথির ড্রয়িংরুমে ঘটে গেল। দীপনাথ সাক্ষী ছিল।

    এই বিয়েতে এক রিকশায় বসে সুখেনের সঙ্গে গিয়েছিল দীপনাথ। ফিরল একা।

    সুখেন রয়ে গেল। আর ফেরেনি। ফিরবেও না। হোটেলের ম্যানেজার নতুন বোর্ডার খুঁজছে। সুখেন চলে যাওয়ার পর এখন আরও বেশি একা লাগে দীপনাথের। নতুন বোর্ডার আসবে, সে কী রকম লোক হবে কে জানে! দীর্ঘদিন মেসে হোটেলে থেকে নতুন লোকের সঙ্গে সমঝোতা করার অভ্যাস হয়ে গেছে তার। তবু ইদানীং তার এ রকম হাটবাজারের মতো জায়গায় থাকতে ভাল লাগে না।

    তার জিনিসপত্র খুব বেশি নেই। সামান্যই। ফ্ল্যাট ভাড়া করলে তা সাজানো গোছানোর ব্যাপার আছে। তার ওপর আর-কিছুদিন পরই তাকে আমেরিকা যেতে হচ্ছে। খামোখা ফ্ল্যাট ভাড়া করার মানে হয় না। ফাঁকা পড়ে থাকবে। অথচ এই ভারাক্রান্ত হৃদয়টিকে রাখার জন্য একটু সুন্দর নির্জনতা খুঁজছে সে মনে মনে।

    অনেক হিসেব করে সে দেখল, তার বয়স এখন তেত্রিশ বা চৌত্রিশ। জন্মের সঠিক তারিখ জানা

    নেই। এই বয়সে প্রকৃতপক্ষে তার কোনও আপনজন নেই। ঘনিষ্ঠ বন্ধু নেই। এখন তার এই তেত্রিশ বা চৌত্রিশ বছর বয়সে একাকিত্বের ভূত কাঁধে চেপে ঠ্যাং দোলাচ্ছে আর রগড় দেখছে।

    মাঝরাতে মাঝে মাঝে ঘুম ভেঙে যায় দীপনাথের। আর ঘুম আসতে চায় না। বরং আসে প্রীতম, মণিদীপা, শিলিগুড়ি, আসে সেই অচেনা মহান পর্বত। বিরহের এক শুষ্ক বাতাস বয়ে যায় বুকের পাজর ভেদ করে। তখন আলো জ্বেলে একটু বই টই কিছু পড়তে ইচ্ছে করে তার। কিন্তু রুমমেটদের ঘুম ভেঙে যাবে ভেবে পারে না। একটু পায়চারি করলেও হয়তো ভাল লাগে। কিন্তু সেই পরিসর নেই।

    মেস বদলাবে, একটা সিংগল-সিটেড ঘর দেখে চলে গেলে কেমন হয়?

    এ সব ভেঁড়া টুকরো সমস্যা যখন তাকে বিব্রত করছিল তখনই রতনপুর থেকে বউদির চিঠি এল, … আমি মরলে খাটে কাঁধ দেওয়ার জন্যও কি আসবে না?

    সানফ্লাওয়ারে ফাইভ ডেজ উইক। শনি রবি ছুটি। কিন্তু প্রায়দিনই শনিবারে অফিস করতে হয় দীপনাথকে। তার জন্য মোটা ওভারটাইম আছে, কিন্তু সেজন্য নয়। দীপনাথ কাজ করার আগ্রহের বশে ফি শনিবার অফিসে চলে যায়। ইচ্ছে করলে এক শনি বা রবিবার সে চলে যেতে পারে রতনপুরে। কিন্তু তার ইচ্ছে হয় না। মেজদা ক্রমে এক জড়ভরত হয়ে যাচ্ছে। বউদি এতদিনে সংসারের পালটা মার খেতে শুরু করেছে। একমাত্র আকর্ষণ সজল। কিন্তু সজলকে তো নিজের মতো করে মানুষ করতে পারবে না দীপনাথ। অত সময় কোথায়? সজলও ক্রমে রতনপুরের প্রভাবে অন্য রকম হয়ে যাবে, যাকে ভালবাসা যাবে না। একমাত্র উপায় সজলকে বোর্ডিং-এ দেওয়া, মা-বাবার কু-প্রভাব থেকে দূরে সরিয়ে রাখা।

    এক শনিবার শ্রীনাথের প্রেসে হানা দেয় দীপনাথ।

    মেজদা!

    আরে, মেন আছিস?

    তুমি কেমন?

    ওই এক রকম।

    দীপনাথ দেখে, গত এক বছরে শ্রীনাথের চেহারায় বুড়ো মানুষের ছাপ বড় বেশি পড়ে গেছে। সে বলে, আমি তোমাকে একটা কথা বলতে এসেছি।

    বল না!

    সজলের ব্যাপার কী ঠিক করলে?

    সজলের কী হয়েছে? একটু উদ্বিগ্ন হয়ে জিজ্ঞেস করে শ্রীনাথ।

    কিছু হয়নি। কিন্তু রতনপুরে থাকলে ছেলেটা মানুষ হবে না।

    তা হলে কোথায় থাকবে?

    যদি বলো তা হলে বাইরে কোনও ভাল হোস্টেলে দিয়ে দিই।

    হোস্টেল!–বলে শ্রীনাথ একটু ভাবে। তারপর অসহায় একটা মুখের ভাব করে করুণ গলায় বলে, সজল চলে গেলে আমার কী হবে বল তো!

    তোমার আবার কী হবে?

    তুই তো ঠিক বুঝবি না। বলতে কী, সই আমার একমাত্র অন্ধের নড়ি। ও যদি চলে যায় তবে আমার আয়ু চট করে ফুরিয়ে যাবে।

    ফত বাপ তাদের ছেলেকে হোস্টেলে দেয়, তারা থাকে কী করে?

    আমাদের ব্যাপারটা তো অন্য সকলের মতো নয়। চারদিকে ষড়যন্ত্র, কূটকচালি। একমাত্র সজলই আমাকে বুক দিয়ে আগলে রাখে। যেই ও সরে যাবে অমনি আমাকে ছিড়ে খাবে সবাই।

    কেন? তুমি কী করেছ যে ছিড়ে খাবে?

    সে অনেক কথা। তোকে তো বহুবার বলেছি। তবে যদি সজলকে সরিয়ে দিতে চাস তা হলে আমাকেও সরিয়ে দে। ওখানে সজলও খুব নিরাপদ নয়।

    কেন? কী হয়েছে?

    তৃষার সঙ্গে ওর বনিবনা হয় না। তৃষা ওকে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে।

    তোমার মাথাটা একদম গেছে। মা হয়ে কেউ ছেলেকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে?

    তৃষা তো আর-পাঁচজন মায়ের মতো নয়। তুই সব বুঝবি না।

    বউদিকে আমিও কম চিনি না মেজদা। অনেক দোষ থাকলেও বউদি অমানুষ নয়।

    একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে দীপনাথ উঠে পড়ল। পৃথিবীর লক্ষ লক্ষ পরিবার লক্ষ লক্ষ রকমের নিজস্ব জীবনযাপন ও সম্পর্কের ছক তৈরি করে নিয়েছে। দীপনাথ আগন্তুকের মতো গিয়ে সেই সব ছক ভেঙে ফেলতে চাইলেই তো হবে না।

    তৃষার চিঠিটার একটা এলেবেলে জবাব দিয়ে দিল সে। নিজে রতনপুরে গেল না। ইচ্ছে করল। তার নিজের নানা রকম নিজস্ব ব্যথা-বেদনা রয়েছে। এখন মনকে আরও ভারী করার মানে হয় না।

    দীপনাথ তার নতুন চাকরির কথা আত্মীয়স্বজনকে জানায়নি ভাল করে। সে কত মাইনে পায় তাও কারও জানার কথা নয়।

    তবু গন্ধে গন্ধে একদিন সোমনাথ এসে হাজির।

    সেজদা, আরেব্বাস, তুমি তো একখানা পেল্লায় চাকরি বাগিয়েছ।

    দীপনাথ এ ধরনের কথায় বিরক্ত হয়। গম্ভীর মুখে বলে, বাবা কেমন আছে?

    সেই কথাই বলতে এলাম। বাবার চোখটা এবার না কাটালেই নয়।

    চোখ কাটানোর কথা অনেক আগে হয়ে গেছে। তখন কাটাসনি কেন?

    টাকা ছিল না।

    বাজে কথা। আমরা টাকা দিয়েছিলেন।

    সেজদা, তুমিও আজকাল অন্য রকম হয়ে গেছ। কেবল টাকার কথা তুলে আমাকে খোঁটা দাও। আমার অবস্থা কী জানো না?

    অবস্থা যা-ই হোক, স্বভাবটা ভাল কর। বাবার চোখ কাটানোর ব্যবস্থা কর, খরচ সব আমি দেব। কিন্তু সেটা আগাম তোর হাতে দেব না।

    সোমনাথ গম্ভীর হল। তারপর ক্ষুন্ন স্বরে বলল, তুমি চার হাজার টাকার ওপর বেতন পাও। অনেক ক্ষমতা। তোমার মুখে সবই মানায়। ঠিক আছে, তাই হবে।

    সোমনাথ চলে যাওয়ার পর দীপনাথ ভাবল, আমি কি একটু নিষ্ঠুর হয়ে গেছি!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখুদকুঁড়ো – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article পারাপার – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }