Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প979 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫৩. বিলু কোনওদিনই খুব সুন্দরী ছিল না

    বিলু কোনওদিনই খুব সুন্দরী ছিল না, তবে সাদামাটা চেহারার মধ্যেও কারও কারও যেমন একএকটা অদ্ভুত আকর্ষণ থাকে, বিলুরও তাই! হয়তো সেই আকর্ষণটা নেহাতই একটা গজদন্তে বা চোখের পাতার একটা কালো আঁচিলের মতো তুচ্ছ জিনিসকে নিয়ে তৈরি হয়। বিলুরও সেইরকম একটা কিছু আছে, কিন্তু সেটা যে কী তা আজও স্পষ্ট করে ধরতে পারেনি প্রীতম।

    বিলু যখন ঘরে এল তখন সেই পুরনো আকর্ষণটা আজ বঁড়শির মতো কণ্ঠায আটকে টানছিল তাকে। টানছিল বিলুর দিকেই। কয়েক পলক বিলুর দিকে চেয়েই চোখ সরিয়ে নিল প্রীতম। কলকে ফুলের গাছটার দিকে চেয়ে রইল। বুকে একটু অস্বস্তি।

    ঘরে ঢুকেই বিলু বলল, মেয়ে লজ্জায় আসতে চাইছে না তোমার কাছে। তুমি ডাকো।

    থাক, লজ্জা ভাঙলে আসবে।

    বিলু বিছানায় এসে বসল। দীপনাথ সামনেই চেয়ারে বসা। প্রীতম চোখ বুজে বলল, ছুটি পেলে তা হলে?

    বিলুকেই বলা, একটু কুণ্ঠার সঙ্গে বিলু বলে, অনেক কষ্টে, অরুণের বাবা নিজে ইনিশিয়েটিভ নিয়ে গ্রান্ট করিয়েছেন। চাকরি তো পাকা নয়, বছরও পোরেনি, এখনই ছুটি কি পাওনা হয়, বলো?

    ক’দিনের?

    আপাতত দশ দিন।

    অরুণের বিয়েটা হয়ে গেছে নাকি?

    এ প্রশ্নটার জবাব দিতে কয়েক সেকেন্ড বেশি সময় নিল বিলু। গলার স্বরও এক পরদা নেমে একটু মিয়োনো শোনাল। বলল, ঠিক হয়ে আছে। মাঝখানে অরুণ দু’মাসের জন্য বাইরে গিয়েছিল হঠাৎ, তাই ক’দিন পিছোতে হয়েছে।

    প্রীতম নীরবে শুনল, কিছু বলল না। অরুণের বিয়ের ব্যাপারটা তার কাছে আজও গুরুতর। অরুণ মাঝে মাঝে বিদেশে যায়। বিদেশে যাওয়ার নানা সুযোগও আছে তার। কিন্তু তাই বলে বিয়ে পিছোবে এমন কোনও কথা নেই। প্রীতম একটু বড় করে শ্বাস ফেলে বলে, যাও, তোমরা একটু জিরিয়ে-টিরিয়ে নাও। এখানে খুব ঠান্ডা। লাবু সম্পর্কে সাবধান।

    যাই। সারা রাত ভাল ঘুম হয়নি।–বলে বিলু উঠে গেল। বোধহয় পালালই।

    বিলু চলে গেলে প্রীতম দীপনাথের দিকে তাকায়। দীপনাথ ছোট একটা নোটবইতে ডটপেন দিয়ে কী লিখছে খুব মন দিয়ে।

    কী করছ ওটা?

    চোখ না তুলেই দীপনাথ বিরক্তির শব্দ করে বলে, আর বলিস না। থাকব মোটে দু’দিন, চোদ্দোটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট। দার্জিলিং, কালিম্পং, গ্যাংটক, জলপাইগুড়ি দৌড়াদৌড়ি।

    বলতে বলতেই দীপনাথ ওঠে।

    ও কী? চললে কোথায়?

    পিসির বাড়িতে একবার দেখা করে বেলা দশটা সাড়ে দশটার মধ্যেই একটা জিপ নিয়ে দার্জিলিংটা আজ সেরে আসি।

    আমি ভাবছিলাম, তুমি এবার আমাদের বাড়িতে থাকবে।

    থাকার উপায় নেই। দার্জিলিং থেকেই আজ সোজা চলে যাব জলপাইগুড়ি। ওখান থেকেই কাল সকালে চলে যাব গ্যাংটক। পরশু কালিম্পং হয়ে ফিরব। পরদিনের ফ্লাইটে কলকাতা। তোর তো দুঃখের আর কিছু নেই রে, প্রীতম, বিলু তো এসেছে।

    আমার দুঃখ কি শুধু বিলুর জন্য? তুমি যে পর হয়ে গেলে, বড় বেশি ইম্পর্ট্যান্ট হয়ে গেলে, স্কেয়ারস হয়ে গেলে!

    আমি? দূর বোকা, কোম্পানি চাকরের মতো খাটায়। আমিও খাঁটি। তোর চিকিৎসা কে করছে রে প্রীতম?

    আমাদের সেই পুরনো ডাক্তার। তা ছাড়া শতম হোমিয়োপ্যাথিও দিচ্ছে কোত্থেকে এনে।

    ভ্রু কুঁচকে দীপনাথ কী একটু ভেবে বলল, নট ব্যাড, নট অ্যাট অল ব্যাড।

    তুমি কি আমাকে ভাল দেখছ, সেজদা?

    অনেক ভাল। এত ভাল তোকে বহুকাল দেখিনি।

    নিভে যাওয়ার আগে এটা শেষবারের জ্বলে ওঠা নয় তো?

    তুই সহজে নিভে যাবি বলে মনে হচ্ছে না।

    ঠিক বলছ?

    ঠিকই বলছি।

    যদি বাঁচি মেজদা, তবে কী করব জানো? অনেক অনেক দূর পর্যন্ত শুধু হাঁটব। হেঁটে হেঁটে বহুদূর চলে যাব।

    দীপনাথ ঘড়ি দেখল। বাস্তবিকই সময় নেই।

    উঠি রে।

     

    দীপনাথ অবশ্য প্রীতমের বাড়ি থেকে সহজে ছাড়া পেল না। ঘর থেকে বেরোতেই প্রীতমের বোন আর শতম এসে ধরে নিয়ে গেল ভিতরবাড়িতে। এত সকালে দীপনাথ কিছু খেতে পারে না। তবু লুচি, আলুভাজা, সন্দেশ আর চা অনিচ্ছের সঙ্গে কোঁত কোঁত করে গিলতে হল খানিক।

    দশটার মধ্যে পিসির বাড়ির সামনে জিপ হাজির থাকবে। মোটোয়ানিকে খবর দেওয়া আছে। দেরি করা চলে না।

    কলকাতা যাওয়ার আগে দেখা করে যেয়ো সেজদা।–বিলু রওনা হওয়ার মুখে বলল।

    যাব।

    কলকাতায় গিয়ে বাসাটায় একবার হানা দিয়ো। বিন্দু একা রয়েছে। অচলাকে তো সঙ্গে নিয়ে এলাম।

    অন্যমনে একটা হুঁ দিয়ে দীপনাথ গিয়ে রিকশায় উঠে পড়ল।

    বেলা সাড়ে দশটায় যখন উত্তরমুখো পাহাড়ের দিকে জিপ ছাড়ল তখনই সত্যিকারের একা হতে পারল দীপনাথ। সঙ্গে মোটোয়ানিরও আসার কথা ছিল। এভারেস্ট হোটেলে লাঞ্চ দিচ্ছে শিবরামন। কিন্তু মোটোয়ানিরও কাজ পড়ে যাওয়ায় এল না। ফলে জিপটার ড্রাইভার ছাড়া শুধু দীপনাথ। সৌভাগ্যই বলতে হবে।

    গাড়িটা অবশ্য ঠিক জিপ নয়। জোংগা ডিজেল। তার রাখঢাক আছে। কোলা জিপ হলে তিনধারিয়ায় পৌঁছোতে পৌঁছোতেই শীতে নাক-কান অবশ হয়ে যেত। এই ঢাকাওলা জোংগাতেও সেটা কম হচ্ছিল না। কিন্তু অবিরল পাহাড়ের মধ্যে যেতে যেতে সব অনুভূতি হারিয়ে যাচ্ছিল দীপনাথের। সে একদিন একা মহাপ্রস্থানে বেরিয়ে পড়বে। একা নির্জন সাদা এক মহাপর্বত অপেক্ষা করে আছে তার জন্য। সেই সাদা মস্ত অপার্থিব পাহাড়ের কথা ভাবলে নিজের তুচ্ছতা ব্যর্থতা। কামনা-বাসনা আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা বড় আবছা হয়ে আসে। এক নির্জনতা ঘিরে ধরে তাকে।

    বার বার কান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে উচ্চতায় ওঠার জন্য। ঢোক গিলে কানের ছিপি খুলছে সে। ঠান্ডায় ক্রমে সিঁটিয়ে আসছে হাত-পা, চোখে জল আসছে, কান কনকন করছে ব্যথায়। তবু যাত্রাটি খুব উপভোগ করে দীপনাথ। রাস্তাঘাট ফাঁকা, নির্জন। এই শীতে ট্যুরিস্ট নেই বলে রাস্তায় গাড়ি খুব কম। মাঝে মাঝে একটু মেঘলা করে আসে। কুয়াশার মতো মেঘ নেমে আসে রাস্তায়। বাক্যহীন নেপালি ড্রাইভারটি সম্পূর্ণ একাত্ম হয়ে আছে জোংগা গাড়িটির সঙ্গে। অজস্র ঘুণচক্কর পাক খেয়ে খেয়ে ওপরে উঠে যাচ্ছে গাড়ি। আরও নির্জনতা, আরও শীত, মহান পর্বতের আরও কাছাকাছি হওয়া। তিনধারিয়ায় একবার, কার্শিয়াঙে আর-একবার চা খেয়ে নিল দীপনাথ আর তার নেপালি ড্রাইভার। দীপনাথ স্বচ্ছন্দে নেপালি ভাষা বলতে পারে। কিন্তু ইচ্ছে করেই সে ড্রাইভারটার সঙ্গে ভাব জমাল না। এই পথটুকু সে নীবব থাকতে চায়।

     

    লাবুর সঙ্গে ভাব জমতে দুপুর হল। ভাব জমার পর অবশ্য লাবুকে আর থামায় কে! কথা আর শেষ হয় না। জানো বাবা!’বলে বারবার প্রীতমের থুতনি ধরে টেনে নিজের দিকে মুখখানা ফিরিয়ে নেয় আর তুচ্ছাতিতুচ্ছ সব গল্প বলে যেতে থাকে।

    তুমি আমাকে ভুলে যাওনি তো, লাবু?

    তোমাকে? না তো। আমি তো সব সময়ে বাবা বাবা করি, তাই মা বলে–যাঃ, তোকে বাবার কাছে শিলিগুড়িতেই রেখে আসব। আমি বাপ-সোহাগি তো!

    তাই নাকি? তবে থাকবে আমার কাছে?

    তোমাকে তো সবচেয়ে ভালবাসি বাবা, কিন্তু মাকে ছেড়ে যে থাকতে পারি না।

    মা তো অফিসে যায়, তোমার একা লাগে না?

    না তো! অচলা মাসি থাকে তো।

    আর কে থাকে?

    আর কেউ না।

    অরুণ মামা মাঝে মাঝে আসে না?

    রোজ আসে। আমরা অরুণ মামার গাড়িতে কত বেড়াই। রবিবারে জু, আইসক্রিম, লাঞ্চ।

    লাঞ্চ! কোথায় লাঞ্চ করো?

    পার্ক স্ট্রিটে।

    তোমার অরুণ মামা তো খুব সুন্দর, না লাবু? আমার চেয়ে অনেক সুন্দর।

    তুমি একটু রোগা। কিন্তু তুমি খুব সুন্দর।

    আর অরুণ মামা?

    অরুণ মামাও সুন্দর। আমাকেও সবাই খুব সুন্দর বলে, বাবা। আমি সুন্দর তো! না বাবা!

    তুমি? তুমি ভীষণ সুন্দর। এ বাড়িটা তোমার কেমন লাগছে, লাবু?

    খুব ভাল। অনেক বড় তো বাড়িটা! কত গাছ!

    পাহাড় দেখেছ?

    হ্যাঁ, ছোটকাকু ছাদে নিয়ে গিয়ে দেখাল। আমাদের দার্জিলিং নিয়ে যাবে বড়কাকু, জানো বাবা?

    দুরে একটা সাদা পাহাড় দেখেছ?

    ওটা তো কাঞ্চনজঙ্ঘা। ছোটকাকু কী বলে জানো?

    কী বলে?

    বলে কাঞ্চনজঙ্ঘাটা নাকি একটা মস্ত বড় আইসক্রিম। সত্যি, বাবা?

    আইসক্রিম? না, ঠিক তা নয়। দুপুরে তুমি একটু ঘুমোবে না লাবু?

    আজ আমি ঘুমোব না। বড়কাকু একটু বাদে আমাকে মোটরসাইকেলে চড়িয়ে বেড়াতে নিয়ে যাবে।

    ও বাবা! যদি পড়ে-উড়ে যাও?

    যাঃ! আমি তো সকালবেলায় বড়কাকুর সঙ্গে কতটা ঘুরে এলাম। তিলক ময়দান, নিউ মার্কেট, সেভক মোড়, পুরনো স্টেশন। শিলিগুড়ি খুব সুন্দর, না বাবা?

    তোমার ভাল লাগলেই ভাল।

    তোমার ভাল লাগে না?

    কী করে লাগবে? এখানে যে তুমি থাকো না। একা কি ভাল লাগে?

    আমি একটু বড় হলেই এখানে চলে আসব।

    তখন মাকে ছেড়ে থাকতে পারবে?

    পারব। বিয়ে যখন হবে তখনও তো মা-বাবাকে ছেড়ে থাকতেই হবে। বলো বাবা!

    তা তো ঠিকই।

    ছোটকাকুটা না ভীষণ বাজে কথা বলে।

    কী বলে?

    বলে এখানে নাকি কলকাতার চেয়েও উঁচু মনুমেন্ট আছে। আমি বললাম, কোথায় দেখাও। তখন না পাহাড়টা দেখিয়ে বলল, ওই তো আমাদের মনুমেন্ট, আছে তোদর কলকাতায় ওরকম মনুমেন্ট?

    বটে!

    হ্যাঁ, আর বলে কী জলদাপাড়ায় নাকি কলকাতার চেয়েও অনেক বড় জু আছে! সত্যি বাবা?

    জলদাপাড়া একটা জঙ্গল।

    তা হলে তো চিড়িয়াখানা হল না, বলো বাবা!

    তা বটে।

    শোনো না বাবা, আর বলে, কলকাতাটা পচা জায়গা। এখানে নাকি একটা দুধের পুকুর আছে, সেখানে ড়ুব দিলে সব অসুখ সেরে যায়। তোমাকে নাকি সেখানে নিয়ে গিয়ে চান করাবে, আর তুমি ভাল হয়ে যাবে। সত্যি, বাবা?

    কে জানে!

    চলো না বাবা, দুধের পুকুরটায় চান করে আসবে।

    কথা বলতে বলতে একসময়ে লাবু পাশটিতে শুয়ে কখন বেখেয়ালে ঘুমিয়ে পড়ল। লেপটা ওর গায়ে ভাল করে টেনে দিল প্রীতম।

    বাড়িটা নির্জন, চুপচাপ। শতম, মরম বা রূপম নিশ্চয়ই বাড়িতে নেই। বাবা অফিসে। মা বোন সবাই ঘুমোচ্ছে এই শীতের দুপুরে। এ সময়ে বিলু একবার আসবে কি?

    প্রীতম কাগজপত্র টেনে নিয়ে হিসেব মেলাতে বসল। চোখ কান আনমনে প্রতীক্ষা করছিল বিলুর জন্য।

    বিলু অবশ্য এল না। দোষ নেই, ট্রেনে ওর ভাল ঘুম হয়নি। দুপুরে ঘুমোচ্ছে একটু। বিলু এল বিকেল গড়িয়ে। ঘুমিয়ে চোখ-মুখ ফুলিয়েছে।

    এসেই বলল, কী ঠান্ডা! আমার বোধহয় সর্দি লেগে গেল।

    প্রীতম কোনও জবাব দিল না। তবে কাগজ কলম সরিয়ে বেখে বালিশে হেলান দিয়ে বসল।

    বিলু চেয়ার টেনে আনল কাছে। মেয়ের দিকে তাকিয়ে বলল, কখন এসে তোমার কাছে ঘুমিয়ে পড়েছে দেখো!

    কলকাতায় কি লাবু আমার কথা বলে?

    সারাক্ষণ।

    আমাকে মনে রেখেছে তা হলে?

    সে তো রেখেছেই, অন্যদেরও ভুলতে দিচ্ছে না।

    ভুলতে কেউ চাইছে কি?

    গম্ভীর হয়ে বিলু বলল, কে জানে বাবা!

    প্রীতম একটু হাসল। বলল, অচলা একবাবও এ ঘরে এল না তো!

    বিলু তেমনি থমথমে মুখে বলে, এখানে তো তোমার জন্য ওর কিছু করার নেই। তুমি ডাকলে আসবে।

    বিলুর অভিমান-টভিমান নেই। তাই হঠাৎ এই গাম্ভীর্যটা কেন তা প্রীতম ভেবে দেখছিল। গত কয়েক মাসে বিলুর স্বভাবের খুঁটিনাটি দিক অনেকটাই ভুলে গেছে সে। একদিন চোখের আড়ালের বিলুকে কল্পনায় যেরকম ভাবত, আসল বিলু তার চেয়ে অনেক বেশি বর্ণহীন, অনুত্তেজক।

    প্রীতম বলল, চেয়ারটা টেনে বসো।

    বসবার সময় নেই। পাড়াসুদ্ধ মেয়ে-বউ ঝেটিয়ে এসেছে দেখা করতে। সামনে না গেলে কী ভাববে! আমি বরং অচলাকে পাঠিয়ে দিচ্ছি গিয়ে।

    বিলু চলে গেলে প্রীতম ঘুমন্ত লাবুর গায়ে হাত রেখে গভীর চোখে মেয়ের টুলটুলে মুখখানা দেখল। শীতে ঠোঁট দুখানা শুকিয়ে রয়েছে। গাল ফেটেছে। গা থেকে শিশু-শরীরের মাতলা গন্ধ আসছে। পৃথিবীর কোনও সুগন্ধই এর কাছে দাঁড়াতে পারবে না। মেয়ের মুখের দিকে চেয়ে প্রীত আপনমনে ভাবল, তুমি আমার বড় আপন লাবু, বড় আপন।

    কেমন আছেন?

    আচমকা অচলার গলার স্বরে একটু চমকে গিয়েছিল প্রীতম। মুখ তুলে হাসল, ভাল। তুমি?

    আপনি কিন্তু সত্যিই ভাল আছেন। চেহারা ফিরেছে।

    মোটা হয়েছি বলছ?

    না, তা নয়। তবে ফ্রেশ দেখাচ্ছে।

    হয়তো চেঞ্জের ফল।

    অচলা মাথা নেড়ে বলে, শুধু চেঞ্জ নয়।

    বোসো।

    বিছানায় তো বসবে না অচলা, চেয়ারেও নয়। তাই একটু ইতস্তত করে বিছানার পাশে মেঝেতে হাটু গেড়ে বসে লাবুর মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বলল, কলকাতায় আমরা রোজ রাতে আপনাকে নিয়ে গল্প করি।

    আমাকে ভুলে যাওনি তো?

    কী যে বলেন! আপনাকে ভোলা কি অত সহজ?

    বিলু কি আমার কথা খুব বলে?

    আমরা সবাই বলি।

     

    রাতটা জলপাইগুড়িতেই কাটানোর কথা ছিল। কিন্তু রাত দশটার মধ্যে কাজ শেষ হয়ে গেল, মোটোয়ানির জোংগাটা তখনও মজুদ রয়েছে। দীপনাথ তাই ভাবল, থেকে কী হবে!

    জলপাইগুড়ির ঘোষমশাই অবশ্য বললেন, আরে আপনার জন্য গেস্টরুমে বিছানা করিয়ে রেখেছি, খামোখা এই ঠান্ডায় যাবেন কেন?

    কিছু হবে না। শিলিগুড়িতে আমার রিলেটিভরা রয়েছে। তাদের তো সময় দিতে পারছি না। তাই বাতটা গিয়ে থাকি।

    অনিচ্ছের সঙ্গে ঘোষ রাজি হলেন। অবশ্য বললেন, রাস্তা খুব নিরাপদ নয় কিন্তু। নিউ জলপাইগুড়ির তিন বাত্তির মোড়টা ডেঞ্জারাস।

    দেশের সব জায়গাই ডেঞ্জারাস।

    তা অবশ্য বটে।

    কথা না বাড়িয়ে জোংগায় চেপে বসল দীপনাথ। নেপালি ড্রাইভার বোধহয় ঘরে ফেরার তাড়ায় প্রায় উড়িয়ে নিয়ে এল তাকে।

    দার্জিলিং আর জলপাইগুড়ির দুটি অ্যাপয়েন্টমেন্টই খুব গুরুতর ছিল। বোস বলে দিয়েছে, সম্ভব হলে রাত্রেই আমাকে ট্রাংক কল করে জানাবেন কী হল।

    জলপাইগুড়ি থেকে টেলিফোন করার সময় হয়নি। রাত পৌনে এগারোটায় দীপনাথ শিলিগুড়ি টেলিফোন এক্সচেঞ্জে হানা দেয়। এখানে পুরনো বন্ধুরা রয়েছে। মোটামুটি সবাই চেনা। কয়েক মিনিটের মধ্যেই বোসের বাড়ির লাইন পেয়ে গেল।

    বোস সাহেব?

    না, উনি এখনও ফেরেননি। আপনি কে বলছেন?

    দীপনাথ হাসল। মণিদীপা তার গলা ভালই চেনে। তবে হয়তো বহু দূরের কল হওয়ায় গলাটা অন্যরকম শোনাচ্ছে।

    সে একটু চেঁচিয়ে বলল, আমি দীপনাথ চ্যাটার্জি।

    যাঃ! গলাটা অন্যরকম লাগছে কেন?

    লাগলে কী করব? আমি তো নিজের গলাতেই কথা বলছি।

    ঠান্ডা লাগিয়েছেন নাকি?

    না। পাগলদের সর্দি হয় না, জানেন তো!

    হয় না? যাঃ বাজে কথা। আমি অনেক পাগল দেখেছি, যাদের সর্দি হয়েছে।

    তারা জেনুইন পাগল নয়।

    আপনিও জেনুইন পাগল নন। সত্যিই আপনি তো! না কি অন্য কেউ নাম ভাঁড়িয়ে ইয়ারকি করছে।

    আমিই।

    প্রমাণ দিন।

    সেই যে আপনার জন্য রতনপুরে মৌমাছির কামড় খেয়েছিল।

    ওঃ মাই গড!

    তার মানে?

    আমিও এইমাত্র ওই ঘটনাটাই ভাবছিলাম।

    তা হলে আমি জেনুইন দীপনাথ তো?

    ভীষণ জেনুইন।

    বোস সাহেব এলে একটা খবর দিতে পারবেন ওঁকে?

    না। আমাদের নন কমিউনিকেশন চলছে কাল থেকে!

    হঠাৎ আবার কী হল?

    হচ্ছে তো রোজই।

    তা হলে খবরটা দেওয়ার কী হবে?

    খুব জরুরি?

    জরুরি না হলে রাত এগারোটায় কেউ ট্রাংক কল করে?

    তা হলে মেসেজটা বলুন, আমি লিখে বেয়ারার হাত দিয়ে ওর ঘরে পাঠিয়ে দিচ্ছি।

    খবরটা যেন উনি আজই পান।

    পাবেন। মণিদীপা কাজের ভার নিলে করে।

    আপনি এত রাত পর্যন্ত জেগে আছেন কেন?

    মণিদীপার গা জ্বালানো হাসির শব্দটা এল। বলল, বিরহে। আপনি নর্থ বেঙ্গলে যাওয়ার পর থেকেই এই দশা।

    আমি নর্থ বেঙ্গলে এসেছি তা কি আপনি জানতেন?

    এমনিতে জানতাম না। তবে হৃদয়ে হৃদয়ে কি টেলিপ্যাথি হয় না?

    যা একখানা ফাজিল তৈরি হয়েছেন না! এবার লিখুন তো! হাতের কাছে কাগজ-কলম আছে? আছে। বাদি তৈরি। বলুন।

    ছি ছি। আচ্ছা লিখুন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখুদকুঁড়ো – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article পারাপার – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }