Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প979 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬৮. তৃষা যখন তার জন্য চা করতে গেল

    তৃষা যখন তার জন্য চা করতে গেল তখন দীপনাথ সারা বাড়ি ঘুরে দেখতে বেরিয়ে পড়ল।

    তার মন ভাল নেই। এক জায়গায় বেশিক্ষণ বসে থাকতে পারে না। হাঁফ ধরে যায়। জীবন থেকে কী একটা হারিয়ে গেল হঠাৎ। মনের মধ্যে একটা আলো জ্বলত এতদিন। সেটা নিভিয়ে কে যেন একটা ঘুম-আলো জ্বালিয়ে দিয়েছে। একটা লাবণ্য ছিল, একটা উগ্র আগ্রহ ছিল দিন যাপনের, বেঁচে থাকার। সেসব আর মনেই হয় না। সকাল থেকে কেবল গড়িমসি ভাব। দিন গড়িয়ে গড়িয়ে কাটে।

    বোস সাহেবকে নার্সিংহোমে ভর্তি করতে হয়েছে। মাইল্ড স্ট্রোক। বিপদ তেমন কিছু নয়। তবু ডাক্তাররা সাবধান হচ্ছেন। ডাক্তার সেনগুপ্ত বলেছেন, মাইল্ড স্ট্রোকের পরের স্টেজেই মেজর স্ট্রোক হতে পারে।

    মহুয়াকে আগে কখনও দেখেনি দীপনাথ। কাল নার্সিংহোমে দেখল। বয়স পঁচিশ-ছাব্বিশের বেশি নয়। খুব সেজে এসেছিল বলেই কি না কে জানে, দারুণ সুন্দরী দেখাচ্ছিল। মহুয়া বোস সাহেবের কীরকম বোন তা জানে না দীপনাথ। রঞ্জন অতটা ভেঙে বলেনি। শুধু বলেছে, মহুয়াদির সঙ্গে অনেকদিনের আন্ডারস্ট্যান্ডিং। ফ্যামিলির ব্যাপার বলে আমরা বাইরে এ নিয়ে আলোচনা করি না।

    গভীরভাবে দীপনাথ জিজ্ঞেস করেছিল, মহুয়া কেমন মেয়ে?

    খারাপ বলে কিছু শুনিনি কখনও। কিন্তু এ ব্যাপারটা ডেভেলপ করার পর সবই অন্যরকম হয়ে গেছে। মহুয়াদিকে কি আর ভাল বলা যায়!

    দু’জনের মধ্যে কার ইনিশিয়েটিভ বেশি, জানো?

    রঞ্জন মাথা নেড়েছে, যা ঘটবার তা ঘটেছে আমাদের অজ্ঞাতে।

    দীপনাথ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেছে, আমি এই ভেবে অবাক হচ্ছি, এতদিনের ব্যাপার, তবু আমি জানতে পারিনি কেন!

    রঞ্জন হেসে ফেলে বলেছে, দীপুদা, এটা আপনার জানার কথাই নয়। মহুয়াদি আমার সেজো পিসির মেয়ে, ওদের বাড়িতে আমাদের ভীষণ যাতায়াত; তবু আমরাই ভাল করে জানি না। ভাসা ভাসা শুনেছি মাত্র।

    মহুয়ার ঠিকানাটা আমাকে দেবে?

    কেন? সেখানে যাবেন? গিয়ে লাভ নেই। মহুয়াদি ভীষণ রিজার্ভ মেয়ে। একটি কথাও বের করতে পারবেন না।

    কাল নার্সিংহোমেও খুব রিজার্ভ দেখাচ্ছিল বটে মহুয়াকে। বেশি হাসে না, কথা বলে না। এম এসসি পাস করে পোকা-মাকড়ের ওপর শক্ত ধরনের রিসার্চ করছে বলে শুনেছে দীপনাথ। মুখে-চোখে পড়ুয়া ছাপটা আছে। বেশ লম্বা, ফর্সা, অভিজাত চেহারা। মুখখানা অসম্ভব মিষ্টি দেখতে। এই মেয়ে বোস সাহেবের প্রেমে কেন পড়বে তা বুঝতে পারছিল না দীপনাথ। রহস্যটা। ভাঙতেই হবে।

    মণিদীপা নার্সিংহোমে আসে সকালের দিকে। বিকেলে কখনওই নয়। বোধহয় বিকেলে দীপনাথ যায় বলেই। কিন্তু বিকেলে বোস সাহেবের বাড়ির লোক, আত্মীয়কুটুমরা আসে, আসে মণিদীপার বাড়ি থেকেও কখনও কেউ। বেশ ভিড় হয়ে যায় ঘরের মধ্যে। কালও ছিল এরকম ভিড়ের দিন।

    বোস সাহেবকে কয়েকটা কুশল প্রশ্ন করে এবং মহুয়াকে খুব ভাল করে দেখে করিডোরে এসে অপেক্ষা করছিল দীপনাথ। মহুয়ার জন্য।

    পৃথিবীর সব সমস্যারই সমাধান সে করতে পারবে, এমন কথা সে নিজেও ভাবে না। কিন্তু দীপনাথের এ যাবৎকালের জীবন কেবল কতগুলি প্রয়াস এবং চেষ্টার সমষ্টি। চেষ্টা করতে দোষ কী?

    সবাই চলে যাওয়ার পরও আধ ঘণ্টা বেশি থেকেছিল মহুয়া। যখন বেরিয়ে এল তখন খুব অন্যমনস্ক দেখাচ্ছিল তাকে। চোখ নিচুর দিকে, বটুয়াটা বুকের কাছে চেপে ধরা।

    সিঁড়ির কাছ বরাবর দীপনাথ তার সঙ্গ ধরে বলল, আপনিই কি মহুয়া? নমস্কার। আমার নাম দীপনাথ চ্যাটার্জি। আমি বোস সাহেবের

    মহুয়া একটু থতমত খেয়ে অবাক হয়ে তাকায়। তারপর বলে, জানি। ওর কাছে শুনেছি।

    কোনদিকে যাবেন?

    মহুয়া একটু হাসল। বলল, আমাকে এগিয়ে দেওয়ার দরকার নেই।

    মরিয়া দীপনাথ বলে, কিন্তু আপনার সঙ্গে যে আমার একটু জরুরি দরকার!

    মহুয়া বোধহয় দরকারটা জানে। বোস সাহেবের কাছেই শুনে থাকবে। সংক্ষেপে বলল, আসুন।

    বলে সিঁড়ি দিয়ে নামতে লাগল।

    নার্সিংহোমের গায়েই মিন্টো পার্ক। মাঝখানে পরিষ্কার চৌকো জলাশয়। মহুয়া বিনা ভূমিকায় পার্কে ঢুকল এবং প্রায় একবারও দীপনাথের দিকে না তাকিয়ে বলল, এইখানে কথা বলা যায়।

    হ্যাঁ।-বলে দীপনাথ বসবার জায়গা খুঁজছিল।

    মহুয়া ঘাসের ওপর বসে বলল, বলুন।

    দূরত্ব রেখে দীপনাথ বসে এবং কোনওরকম দ্বিধা সংকোচ এসে বাধা দেওয়ার আগেই বলে, আপনি ভুল করছেন।

    মহুয়া ন্যাকামি করল না, বিস্ময়ের ভান করল না, কিংবা জানতেও চাইল না কোন কাজটার কথা জিজ্ঞেস করা হচ্ছে। একটু চুপ করে থেকে মৃদু স্বরে বলল, আপনি খুব উদ্যোগী পুরুষ শুনেছি।

    দীপনাথের স্বভাবে একটা ঠাট্টা-রসিকতার পুরনো রোগ আছে। সে জিজ্ঞেস করল, অধ্যবসায় আর উদ্যোগ শব্দের অর্থ কি এক?

    না। একটু আলাদা।

    তা হলে আমি উদ্যোগী নই। তবে অধ্যবসায়ী।

    মহুয়া এ কথাটা বাঁকাভাবে ধরল না। খুবই সিরিয়াস গলায় বলল, আমাকে আপনার কথা বলুন।

    কেন বলুন তো! আমার কথা জেনে কী হবে?

    আমি ধৈর্যশীল অধ্যবসায়ী লোকদের কথা পছন্দ করি।

    দীপনাথ মাথা নেড়ে বলে, আমার জীবনে তো তেমন কোনও কিছু ঘটেনি।

    ও আপনাকে খুব পছন্দ করে।

    বোস সাহেব?–বলে দীপনাথ একটু হেসে বলে, আগে হয়তো বা করতেন। এখন করেন না।

    আপনি কি রিজাইন করতে চেয়েছিলেন?

    চেয়েছিলাম। বোস সাহেব হঠাৎ অসুস্থ হয়ে না পড়লে হয়তো এর মধ্যেই কাজ ছেড়ে দিতাম। কিন্তু উনি নার্সিংহোমে ভর্তি হওয়ায় আমাকেই সব সামলাতে হচ্ছে।

    জানি। সব শুনেছি। এও শুনেছি, ওর অসুখ সম্পর্কে আপনিই ওকে অনেকদিন আগে ওয়ার্নিং দিয়েছিলেন!

    আমার মনে হয়, ওঁর এই অসুখটা অনেকদিন ধরে পাকাচ্ছিল।

    মহুয়া মৃদু স্বরে বলল, এসব অসুখ অনেকদিন ধরেই তৈরি হয়। কিন্তু আমরা যারা ওকে ভালবাসি বলে ক্লেম করি তারা কেউই এটা লক্ষ করিনি। আপনি করেছেন।

    দীপনাথ একটু লজ্জা পেয়ে বলে, সেটা কোনও ব্যাপার নয়। আমার ওয়ার্নিং উনি পাত্তা দেননি।

    পাত্তা দেয়নি নিজের সম্পর্কে ভুল ধারণার ফলে। ও মনে করে ও খুব ফিট, খুব এফিসিয়েন্ট।

    আমি কিন্তু বোস সাহেবের স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলতে চাইছি না।

    মহুয়া এ কথাতেও রাগল না। বলল, আপনাকে বলতে হবে না। আপনি কী জানতে চান তা আমি জানি।

    দীপনাথ চুপ করে ছিল। মহুয়া উদাসভাবে কিছুক্ষণ জলের দিকে চেয়ে থেকে বলে, ভুল করছি তাও জানি। কিন্তু তবু তো এরকম কিছু ঘটে যায়। যাকে ঠেকানো যায় না।

    ভুল কথাটা খুব নরম। এ ক্ষেত্রে শব্দটা হওয়া উচিত অন্যায়। আপনি তাও কি জানেন?

    জানি। কিন্তু আমার দিক থেকেও কিছু বলার আছে।

    বলুন। আমি শুনতেই চাইছি।

    কিছু করতে চাইছেন। ঠিক তো?

    সম্ভব হলে।

    মহুয়া মৃদু হেসে বলল, আমিও আপনাকে হেলপ করতে চাই। কিন্তু পারব কি না জানি না। আপনার কথাটা বলুন।

    আমার কথা হল, ও খুব হেলপলেস। দীপা বউদি ওকে কম্প্যানিয়নশিপ দিতে পারেনি। ওর দিক থেকেও একইরকম। যদি ওরা পারত তবে আমি সরেই দাঁড়াতাম।

    আপনি সরে দাঁড়ালে কি পারবে?

    বোধহয় না। আমি সরেই ছিলাম। বুধোদার সঙ্গে বহুকাল আমার কোনও সম্পর্কই ছিল না। অতীতে যে সফটনেস ছিল সেটা আমি জোর করে মন থেকে সরিয়ে রাখতাম। খুব কাজ করতাম। তারপর একদিন, খুব রিসেন্টলি, বুধোদা আমার কাছে গিয়ে বলল, জীবনের আর মোটে ক’টা দিন আমার অবশিষ্ট আছে। এ ক’টা দিন আমাকে একটু শান্তি দাও। আমি কিছুতেই শান্তি পাচ্ছি না।

    সঙ্গে সঙ্গেই কি আপনি প্রস্তাবটা মেনে নিলেন?

    না। বুধোদার কাছে সব আগে শুনলাম। অনেক ভেবে, বিশ্লেষণ করে বুঝলাম, বুধোদা হয়তো ঠিক কথাই বলেছে। একটা কথা বলে রাখি, ও কিন্তু দীপাবউদির কোনও নিন্দে করেনি আমার কাছে। বউদি কেমন তা আমরাও জানি।

    কেমন বলুন তো!

    একটু হেডস্ট্রং। একটু বেপরোয়া। খুব অহংকারী। বুধোদার দরকার ছিল ধীর স্থির বিবেচক একটি মেয়ে।

    দীপনাথ সামান্য উম্মার সঙ্গে বলে, কিন্তু বোস সাহেবই যে কিছুদিন আগে মিসেস বোসকে ডিভোর্স দিতে রাজি ছিলেন না।

    মহুয়া শান্ত গলায় বলে, এখনও ঠিক রাজি নয়। ডিভোর্স মানেই পাবলিসিটি। ও তা পছন্দ করে। তাই চায়নি। আর তাতেই প্রমাণ হয়, বুধোদার দিক থেকে চেষ্টার ত্রুটি ছিল না।

    দীপনাথ গুম হয়ে থেকে কিছুক্ষণ বাদে জিজ্ঞেস করে, আপনারা কোনও ফাইনাল ডিসিশন নিয়েছেন?

    ওর অসুখ না হলে নিতাম। অসুখের জনাই এখনও নিইনি।

    ডিসিশনটা কি পজিটিভই হবে?

    মহুয়া হেসে ফেলে বলে, আমি সিরিয়াসলিই আপনাকে হেলপ করতে চাই। বিশ্বাস করুন।

    কথাটার মধ্যে কোনও বিদ্রুপ বা প্রচ্ছন্ন চ্যালেঞ্জ ছিল না। মহুয়া যে ভাল জাতের মেয়ে তাতে কোনও সন্দেহ করেনি দীপনাথ। সে শুকনো মুখে বলল, আপনি যদি চেষ্টা করেন তবে সব ঠিক হয়ে যাবে।

    মহুয়া ম্লান হেসে বলে, আমি তো এ ব্যাপারে একটি পার্টি। আমার চেষ্টায় আন্তরিকতা থাকবে না। বরং আপনার মাথায় যদি কোনও সাজেশন আসে তবে আমাকে বলবেন।

    আপনি যদি বিয়ে করেন?

    মহুয়া এ কথায় চটে উঠল না। তবে একটু গম্ভীর হয়ে বলল, ও প্রসঙ্গটা থাক। মানুষ তো পুতুল নয়।

    দীপনাথ লজ্জিত হয়ে বলল, মাপ করবেন, আমার বুদ্ধিসুদ্ধি একটু গুলিয়ে যাচ্ছে।

    মহুয়া উঠল। বলল, আজ আসি।

     

    সেই থেকে দীপনাথ আনমনা, বিমর্ষ। একা একা মেসবাড়িতে ফেরার সময় তার মনের মধ্যে নানা আবেগ, রাগ, হতাশা খেলা করে গেল। কিছু করার নেই তার? কিছু করা যাবে না?

    ঘুরতে ঘুরতে দীপনাথ বাবার ঘরে এসে দাঁড়ায়। দরজাটা খোলা। বাবা অবশ্য এখানে নেই, সোমনাথের কাছে আছে। ফাঁকা ঘরটার দিকে শূন্য চোখে চেয়ে থাকে সে কিছুক্ষণ। তারপর ধীরে। ধীরে হেঁটে এসে রান্নাঘরের দরজায় দাঁড়ায়।

    বউদি।

    তৃষা চা ছাকতে হুঁকতে ফিরে চেয়ে বলল, কিছু বলছ?

    বলছি, হারটা বাবার নাম করে চিত্রাকে আশীর্বাদি দিয়ো।

    তোমার নামে নয়?

    না, বাবার নাম করেই দিয়ে। বাবা হয়তো তেমন কিছু দিতে পারবে না। চিত্রার শ্বশুরবাড়িতে এ নিয়ে কথা হতে পারে।

    তৃষা মুখ টিপে একটু হাসল। বলল, সংসারী বুদ্ধি তো দিব্যি টনটনে, বিয়ে না করলে কী হবে!

    দীপনাথ একটা শ্বাস ছেড়ে বলে, বিয়ে তো আর তোমরা দিলে না!

    বিয়ে দিতে কি ইচ্ছে করে বলো! এমন ভাল দেওরটিকে কোন টগবগে মেয়ে এসে দখল করে নেবে, দেওর আর ফিরেও চাইবে না আমাদের দিকে। এখনই চায় না, বিয়ে হলে তো আরও।

    মনে থাকবে তো বউদি? বাবার নাম করে দিয়ো।

    থাকবে গো, থাকবে। তোমার মতো বুদ্ধি বিবেচনা বাপু আমারও নেই। কথাটা আমার মাথাতেও খেলেনি।

    দীপনাথ ম্লান হেসে বলে, বাবাও যে সংসারের একজন এবং খুবই ইম্পর্ট্যান্ট একজন সে কথা মনে না রাখাটা আমাদের পক্ষে গৌরবের নয় বউদি। ইন ফ্যাক্ট, আমিও ভুলে গিয়েছিলাম। তুমি

    তো পরের মেয়ে।

    এইখানে চা খাবে, না ঘরে?

    এই তো বেশ। দাও উঠোনে দাঁড়িয়ে খাই।

    বৃন্দাকে মোড়া পেতে দিতে বলি। দাঁড়াও।

    বৃন্দা মোড়া দিয়ে যায়। দীপনাথ আর তৃষা চায়ের কাপ নিয়ে মুখোমুখি বসে।

    দীপু!

    বলো।

    তোমাকে এরকম দেখাচ্ছে কেন বলো তো আজ?

    মন ভাল নেই বউদি।

    কেন?

    সব কি বলা যায়?

    আমাকে যায়। আমি তোমার পুরনো বন্ধু।

    দীপনাথ একটু হেসে বলে, তোমাদের সংসার-টংসার অনেক দেখলাম বউদি। কিছু ভাল লাগে, একদিন পাহাড়ে চলে যাব দেখো।

    আবার পাহাড়? ওটা যে তোমার মাথায় একটা কী ঢুকেছে!

    দীপনাথ চায়ে চুমুক দিতে দিতে বারবার অন্যমনস্ক হয়ে যাচ্ছিল। সেটা লক্ষ করে তৃষা আজ খুব নরম গলায় জিজ্ঞেস করে, কী হয়েছে দীপু?

    দীপনাথ একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলে, সংসারে কারও সঙ্গেই খুব একটা মাখামাখি করতে নেই বউদি, তা হলে দুঃখ পেতে হয়। যত জড়াবে তত অশান্তি। এই অশান্তির ভয়েই কত লোক সাধুসন্ন্যাসী হয়ে পালিয়ে যায়।

    তুমিও কি সাধু হওয়ার কথা ভাবছ?

    প্রবল একটা শ্বাস ফেলে দীপনাথ মাথা নাড়ে, না বউদি, সাধু হওয়ার মতো পজিটিভ মেটেরিয়াল আমার ভিতরে নেই। তবে একটা কিছু করব। আর ভাল লাগছে না।

    দীপু, জিজ্ঞেস করতে সংকোচ হয়। ব্যাপারটা কি হৃদয়ঘটিত?

    আরে দূর! তা নয়। অন্তত আমার হৃদয়ের ব্যাপার নয়।

    তবে কার হৃদয়?

    দীপনাথ মৃদু একটু হাসল, পেটের কথা বার করতে চাও?

    মুখে হতাশার ভাব দেখিয়ে তৃষা বলে, আমার কি সে সাধ্যি আছে?

    দীপনাথ হাসিমাখা মুখেই চেয়ে ছিল। হঠাৎ বলল, বরং তোমার কথা বলল তোমাকে আগের মতো দেবী চৌধুরানি মার্কা লাগছে না কেন বলো তো? ব্রজেশ্বর কি তোমার ওপর ডাকাতি করেছে? হৃদয় ছিনতাই?

    ভ্রু কুঁচকে তৃষা বলল, খুব রকবাজদের ভাষা শিখেছ তো! তোমাব ব্রজেশ্বরের বয়েই গেছে আমার হৃদয় নিয়ে টানাটানি করতে।

    তা হলে সেই দেবী চৌধুরানির মুখ-চোখ হাবভাব এমন প্রফুল্লময়ীর মতো হয়ে গেল কেন?

    চেহারায় লাবণ্য এসেছে বলছ?

    লাবণ্য তোমার বরাবর ছিল। ইয়ারকি কোরো না। কী বলবে বলছিলে যে!

    তৃষা সত্যিই হয়তো আর আগের মতো নেই। নইলে তার হঠাৎ দীর্ঘশ্বাস আসবে কেন? খানিকক্ষণ সে মুখ নিচু করে বসে রইল। তারপর বলল, দীপু, সংসার আর আমাকেও টানে না। তোমার দাদাকে বলেছি, কাশীতে বাড়ি করে দু’জনে গিয়ে থাকব।

    দু’জনে?–বলে হাঁ করে থাকে দীপনাথ। বলে, এক বাড়িতে দু’জনে থাকবে? তা হলে যে দু’দিন বাদে বাড়ি থেকে দুটো লাশ পাওয়া যাবে। দু’জনেই দু’জনকে খুন করে ফেলেছে।

    আমরা দুজনে কি দু’জনের অতটাই শত্রু দীপু?

    দীপনাথ হাসতে হাসতে দুলতে থাকে, তা একটু আছ তোমরা।

    একটু যে আছি তা অস্বীকার করছি না তো! তা বলে খুন করার মতো?

    আরে না, না! ঠাট্টা করলেও দেখছি বিপদ!

    তোমার দাদাও ওরকম কথা বলে প্রায়ই। তার খাবারে নাকি বিষ মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে। স্লো পয়জন।

    শ্রীনাথ চাটুজ্জে একটু বায়ুগ্রস্ত, জানোই তো! রাগ করো কেন?

    আজকাল রাগ হয় না। সজলও বাবার কথা বিশ্বাস করে।

    সজল! সজল কি তার বাপের ভক্ত হয়েছে নাকি আজকাল?

    ভীষণ! বাপের জন্য সব পারে। দরকার হলে পরশুরামের মতো মাকে মেরে ফেলতেও, শুধু বাপ যদি হুকুম করে।

    আচ্ছা! বলে দীপনাথ খুব অবাক হয়ে ব্যাপারটা ভাবতে থাকে। যত ভাবে ততই অবিশ্বাস্য মনে হয়।

    সজলের হাতেই একদিন আমি খুন হয়ে যাব, দেখো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখুদকুঁড়ো – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article পারাপার – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }