Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প979 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬৯. দীপনাথ কিছুক্ষণ হাঁ করে থেকে

    দীপনাথ কিছুক্ষণ হাঁ করে থেকে বলে, সজল তোমাকে মারবে! কী যে বলো তুমি বউদি! তোমার মাথাটাই গেছে।

    তৃষা হাসে না। বিষণ্ণ আর্তি মাখানো মুখে দীপনাথের দিকে চেয়ে বলে, আমার অবস্থায় না পড়লে কেউ আমার সমস্যা বুঝবে না জানি। কিন্তু আমার ভরসা ছিল, আর কেউ না বুঝুক, তুমি বুঝবে।

    একটু অসহিষ্ণু গলায় দীপনাথ বলে, সেই যে কারা রাতে তোমাকে বোমা মেরে গেছে, সেই থেকে তুমি সবাইকে সন্দেহ করতে শুরু করেছ। আমি বলি, তুমি আরও কিছুদিন সংসার থেকে ছুটি নাও, দূরে কোথাও গিয়ে বেড়িয়ে এসো। তোমার ভীষণ স্ট্রেন যাচ্ছে।

    নিবু নিবু গলায় তৃষা বলে, যেখানেই যাই, কপাল আর কর্মফল তো সঙ্গেই যাবে।

    দীপনাথ একটু হাসল, তোমার কপাল কি এতই খারাপ বউদি? বেশ তো আছ! জমজমাট তোমার সংসার। মেয়ের বিয়ে দিয়ে শাশুড়িও বনে গেছ।

    তৃষা মৃদু স্বরে বলে, সংসারে কোথায় যে দাঁড়াব এখন সেই জায়গাটাই খুঁজে পাচ্ছি না যে। আজকাল কেন যে কেবলই মনে হয়, এসব আমার নয়, এরা আমার নয়, এখানে আমার কোনও জায়গা নেই। একদিন যদি মেরে না-ও ফেলে, তবুও ঘাড় ধরে বের করে দেবে। এরা কেউ কেন আমাকে দেখতে পারে না বলো তো? আমি কী করেছি?

    কারা দেখতে পারে না?

    তোমার মেজদা, স্বপ্না, মঞ্জু, সজল, কেউ না।

    অভিমান নয়, তৃষার গলায় একটা সত্যিকারের আতঙ্ক স্পষ্ট হয়ে ধরা পড়ে দীপনাথের কাছে। সে টক করে কিছু বলল না। একটু ভাবল। তারপর একটু লঘু স্বরে বলল, তোমার দাপট কি একটু কমে আসছে বউদি?

    তৃষা মাথা নাড়ল। বলল, কমেনি দীপু। কমলে আজ এত ভাবনায় পড়তাম না। আসলে আজকাল আমাকে ওরা কেউ ততটা সমীহ করে না, ভয় পায় না। বিশেষ করে সজল। ওর সঙ্গে কথা বলতে আজকাল আমারই ভয়-ভয় করে। কী কথার কী জবাব দেবে তার ঠিক নেই।

    দীপনাথ সোজা হয়ে জিজ্ঞেস করল, সজল কোথায়?

    হিংস্র বন্য বিদ্বেষে ভরা দুটি চোখ একটু আড়াল থেকে লক্ষ রাখছিল তৃষাকে। দীপনাথের শূন্য ঘরের দাওয়ার কাছ ঘেঁষে মস্ত এক নারকেল গাছ। তারই পাশে নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে সজল। সে দূর থেকেই টের পাচ্ছিল, তার মা বড়কাকার কাছে চুকলি কাটছে। কীসের চুকলি তা সে জানে না। কিন্তু মায়ের যে সবসময়েই কিছু গোপন করার আছে তা সে জানে। মা বড়কাকাকে কী বলছে তা জানার জন্য সজল ছটফট করছিল। বলতে কী, বড়কাকাকে তার ভীষণ ভাল লাগে। মা যদি তার সম্পর্কে বড়কাকাকে আজেবাজে কথা বলে বিষিয়ে দেয় তবে সে মাকে ছেড়ে দেবে না। বড়কাকার কাছে মা’র সম্পর্কে সব বলে দেবে। যা জানে সব।

    সজল নিজেও টের পায়, তার শবীবে রাগ বড় বেশি। এত রাগ যে, সারা গায়ে বিষ-বিছুটির জ্বালা ধরে যায় মাঝে মাঝে। আর তার বেশির ভাগ রাগই মায়ের ওপর। বাবার খাবারে মা বিষ মেশায় কি না তা সে সঠিক জানে না। কিন্তু বাবাকে রামলাখনের আড্ডায় নিয়ে যাওযার জন্য মা যে রঘু স্যাকরাকে লাগিয়ে দিয়েছিল তা সে জানে। লোকমুখে ছেলেবেলাতেই সে শুনেছে, জ্যাঠামশাইয়ের এইসব বিষয়-সম্পত্তি মা খুব সম্ভবে পায়নি। ছোট কাকাকে মা যে গুন্ডা লাগিয়ে মার দিয়েছিল এও তার অজানা নয়। সবচেয়ে বড় হয়ে যে প্রশ্নটা তার মনে দেখা দেয় মাঝে মাঝে, তা হল, তার বাবা কে?

    বড় হয়ে একদিন সে মাকে এই প্রশ্নটা করবে।

    সজল দেখে, মা উঠে রান্নাঘরের দিকে চলে গেল। বড়কাকা একটু ভ্রু কুঁচকে বসে বসে কী যেন ভাবছে। মুখটা গম্ভীর। তারপর বড়কাকা দাঁড়িয়ে চারদিকে চেয়ে দেখে। আস্তে আস্তে হাঁটতে থাকে বারবাড়ির দিকে।

    সজল গাছের আড়াল ছেড়ে ক্ষেতের মধ্যে নেমে দৌড়োতে থাকে। ঘুরপথে গিয়ে মুখোমুখি হবে।

    খুব তাড়াতাড়িই চলে সজল। বড়কাকা সদ্য ভাবন-ঘরের কাছ বরাবর পৌঁছেছে।

    তাকে দেখে খুব ক্ষীণ একটু হাসল বড়কাকা।

    সজল ভাল মানুষের মতো জিজ্ঞেস করে, কখন এলে?

    অনেকক্ষণ। তুই কোথায় ছিলি?

    এইখানেই।

    দীপনাথ হাত বাড়িয়ে তার কাঁধটা ধরে। বলে, কত লম্বা হয়েছিস!

    এই কাঁধে একটু হাত রাখা আর কত লম্বা হয়েছিস প্রশ্নটুকুর মধ্যে এক অথৈ সমুদ্রের গভীরতা। সজল এইটুকু এ বয়সে বুঝতে পারে, কোনটা স্নেহ, কোনটা স্নেহ নয়। দীপনাথের হাতের স্পর্শটুক আর গলার নরম কোমল লাবণ্য অনেকক্ষণ তার শরীর আর শ্রবণে কাজ করবে। সজল মুখ টিপে হেসে বলে, এখনও তোমার সমান হইনি।

    দীপনাথ মুগ্ধ চোখে হাড়োব প্রাণবান চেহারার সজলকে দেখছিল। দেখে তার চোখ আর মন ভরে গেল। চোখে বুদ্ধির ঝিলিমিলি খেলা করছে, বেড়ে ওঠা শরীরে এখনও শিশুর লাবণ্য ও মুখশ্রীতে পৌরুষ সত্ত্বেও এক বিস্ময় নাখানো সরলতা দেখে ভারী খুশি হল। এই তাদের বংশধর, এখনও পর্যন্ত একমাত্র বংশধর। কাঁধে সস্নেহে হাতের ভর রেখে দীপনাথ বলে, আয় ওই বারান্দায় বসি।

    ভাবন ঘরের বারান্দায় পাশাপাশি বসে দীপনাথ বলে, খুব ইচ্ছে ছিল কলকাতায় একটা ফ্ল্যাট ভাড়া করে তোকে নিয়ে যাব। ভাল স্কুলে পড়াব। কিন্তু সে আর হল না।

    কেন কাকা?

    দীপনাথ একটা মস্ত শ্বাস ছেড়ে বলে, অনেক অসুবিধে রে। আমাকে মাঝে মাঝে লম্বা ট্যুরে যেতে হয়। রান্নাবান্নার লোক, কাজের লোকও বড় পাওয়া যায় না। তার চেয়ে ভাবছি তোকে নরেন্দ্রপুরে ভর্তি করে দিলে কেমন হয়।

    সেখানে জিমনাসিয়াম আছে?

    থাকারই কথা। তুই কি ব্যায়াম করতে ভালবাসিস?

    সজল মুখ বিকৃত করে বলে, না। শরীর সাজাতে আমার ভাল লাগে না।

    তবে?

    আমি মার্শাল আর্টটা শিখতে চাই। আর বক্সিং।

    সেসব ওখানে বোধহয় নেই। দেখব খোঁজ করে। ওসব শিখতে চাস কেন? সেলফ-ডিফেন্স, না গুন্ডামি করবি?

    সজল হাসল, যারা অন্যায় করে আমি তাদের শিক্ষা দিতে চাই।

    করুণ একটু হাসি ফোটে দীপনাথের মুখে। খুব ধীরে ধীরে সে বলে, সব অন্যায় কি শুধু গায়ের জোরে ঠেকানো যায়? আগে নিজে ন্যায়বান হতে হয়, সাহসী হতে হয়, মানুষকে ভালবাসতে হয়, মানুষ কোথা থেকে জোর পায় জানিস? ভালবাসা থেকে। মা-বাবাকে যদি ভালবাসিস, দিদিদের যদি ভালবাসিস, সবাইকে যদি ভালবাসিস তা হলে দেখবি গায়ের জোরের তত দরকার হয় না।

    তোমার গায়ে কি খুব জোর বড়কাকা?

    আমার গায়ে?–দীপনাথ প্রথমে অবাক হয়, পরে হাসে। বলে, দূর বোকা! আমি কি ব্যায়ামবীর, না বক্সার? আমার কোনও জোরই নেই। তবে তুই জোরওয়ালা মানুষ হলে আমাদের আর দুঃখ থাকবে না। তবে সেটা শুধু গায়ের জোর নয় কিন্তু।

    গায়ের জোর কি খারাপ?

    তা নয়। তবে বেশি গায়ের জোরের কথা মনে রাখলে মনটা শরীরমুখী হয়ে যায়। তখন আর মাথায় সুক্ষ্ম চিন্তা আসতে চায় না।

    সজল মাথা নিচু করে চটির ডগা দিয়ে একটা কাকরকে মেঝেতে ঘষছিল। হঠাৎ বলল, তুমি আমাকে খারাপ ভাববো না তো বড়কাকা?

    দীপনাথ অবাক হয়ে বলে, তোকে খারাপ ভাবব কেন?

    কেউ যদি তোমার কাছে কিছু লাগায় তা হলে তো ভাববে!

    তোর নামে আবার কী লাগাবে?

    লাগাতে পারে।–বলে সজল একটু হাসল, কিন্তু তুমি বিশ্বাস কোরো না। বরং বাবাকে জিজ্ঞেস করে দেখো, আমি খারাপ কি না।

    দীপনাথ সস্নেহে হাসে। বলে, তোকে কেউ খারাপ ভাবে না।

    সজল একটু ভ্রু কুঁচকে কী ভাবে। তারপর বলে, আমি বোর্ডিং-এ যাব না।

    কেন রে? বোর্ডিং-এ কত মজা জানিস?

    জানি। আমার যেতে ইচ্ছেও করে। কিন্তু আমি চলে গেলে বাবাকে দেখবে কে?

    কেন, তোর বাবাকে দেখার লোকের অভাব আছে নাকি?

    বাবা আমাকে ছাড়া থাকতে পারে না।

    দীপনাথ একটু অন্যমনস্ক হয়ে গেল। সজল কি মেজদার ছেলে? না বড়দার? লোকে নানা কথা বলে। সেসব কি সত্যি? তবু শ্রীনাথের প্রতি সজলের এই প্রগাঢ় টান বড় ভাল লাগল দীপনাথের। শ্রীনাথের ছেলে যদি না-ও হয়ে থাকে সজল, তা হলেও এই বংশেরই ছেলে। দীপনাথ আর-একবার মায়াভরে সজলের লম্বা চিকন চুলে ভরা মাথাটা একটু নেড়ে দেয়। বলে, ঠিক আছে। কিন্তু এখানে থাকলে শুধু বাবাকে নিয়ে থাকলেই তো হবে না, মা তো ভেসে আসেনি। মাকে দেখবে কে?

    বাঃ, মা’র তো বাবার মতো অবস্থা নয়। মাকে দেখার কী আছে?

    সজলের চোখে হঠাৎ যে ঝলকানি দেখা দিয়েই মিলিয়ে গেল তা বেশ লক্ষ করল দীপনাথ। ঘৃণা, বিদ্বেষ, আক্রোশ সব দগদগ করছে ভিতরে। কিন্তু ওইটুকু বাচ্চা ছেলের মন এত বিষিয়ে গেল কী করে তা ভেবে পেল না দীপনাথ। আবার সজলের জন্ম-রহস্য নিয়ে প্রশ্ন উঁকি দেয় মনের মধ্যে। বড়দা মল্লিনাথের ছিল বুনো শুয়োরের মতো গোঁ, খ্যাপা রাগ, ভয়ংকর সাহস। যার ওপর রেগে যেত তাকে পারলে খুন করে। সজলের চেহারায় এবং স্বভাবে নির্ভুল সেই বড়দার ছাপ।

    দীপনাথ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে উঠল। মন ভাল নেই। কোথাও বেশিক্ষণ বসে থাকতে পারে না।

    সন্ধেবেলা বউদির কাছ থেকে বিদায় নিয়ে সে ফেরার ট্রেন ধরল। তৃষা অনেকবার তাকে আটকাতে চাইল, কিন্তু দীপনাথ থাকতে রাজি হল না। অনেক ভাঙচুরের টুকরো চারিদিকে ছড়ানো। জোড়া লাগানোর এক বৃথা চেষ্টা করে যাচ্ছে সে। তবু চেষ্টাই তো জীবন!

    হাওড়া থেকে সে সোজা চলে এল নার্সিংহোমে।

    বোস সাহেব অনেকটা ভাল। ঘরে ভিজিটর কেউ নেই। একা বোস সাহেব আধশোয়া হয়ে একটা থ্রিলার পড়ার চেষ্টা করছে।

    আজকাল দেখা হলে বোস আর তেমন খুশি হয় না। কেবল শূন্যগর্ভ এক দৃষ্টিতে দীপনাথের দিকে তাকিয়ে থাকে। ওই ভ্যাবলা দৃষ্টির অর্থ বোঝে না দীপনাথ। কিন্তু এটা টের পায়, বোসের ভিতরে খুব বড় রকমের একটা ভূমিক্ষয় ঘটে যাচ্ছে।

    আজ কেমন আছেন?

    তেমন কিছু খারাপ নয়। তবে এত ওষুধ খাওয়াচ্ছে যে, মুখটা বিস্বাদ।

    এবার কিছুদিন কোথাও বেড়িয়ে আসুন।

    কোথায় যাব?-হতাশার গলায় বোস বলে।

    যে-কোনও স্বাস্থ্যকর জায়গায়।

    বোস করুণ মুখ করে বিশাল জানালা দিয়ে বাইরে আদিগন্ত কলকাতার আলো-অন্ধকারের দিকে চেয়ে থাকে। তারপর বলে, কোথাও যেতে ইচ্ছে করে না। গিয়ে লাভ নেই।

    দীপনাথ কী বলবে, চুপ করে থাকে।

    বোস সাহেব দূরের দিকে চেয়ে থেকেই বলে, আপনি আমার ভাল করতে চাইছেন, সে কথা শুনেছি। কিন্তু আমার কীসে ভাল হয় তা আপনার দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করাটা ঠিক নয়। তাতে ভাল না হয়ে খারাপও হতে পারে।

    দীপনাথ আস্তে করে বলল, মণিদীপাকে আমি বিয়ে করলে যে ভাল হবে সেটাই বা আপনি তা হলে ধরে নিয়েছিলেন কেন?

    বোস একটু হাসল। তবে কিছু বলল না বা দীপনাথের দিকে তাকালও না।

    জুয়াড়ির মতো মুখ করে দীপনাথও চুপ করে বসে থাকে।

    অনেক অনেকক্ষণ বাদে বোস বলে, আপনারা দুজনে হয়তো সুখী হতে পারতেন।

    দীপনাথ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, যার ভালবাসা এক পাত্র থেকে অন্য পাত্রে শিফট করে তাকে আমি ভয় পাই বোস সাহেব।

    বোস তেমনি দূরের দিকে চেয়ে বলে, দীপা আপনাকে সত্যিই ভালবাসে।

    স্নিগ্ধদেবকেও বাসত।

    ইউ আর বিয়িং ক্রুয়েল।

    আই অ্যাম সামটাইমস্ টুথফুল।

    আপনাকে অ্যাভয়েড করতেই বোধহয় দীপা বিকেলের দিকে আসে না।

    উনি কি রোজ আসেন?

    বোস সাহেব একটা বড় শ্বাস ফেলে মাথা নেড়ে বলে, তা আসে। মেকস মি টি, সার্ভস ব্রেকফাস্ট, সিগনিফাইং নাথিং।

    দীপনাথ শেক্সপিয়রের ভাঙা উদ্ধৃতির অপব্যবহার শুনে একটু হাসল। বলল, আপনার কাজিনটি একসেপশনাল। কিন্তু তাকে বিয়ে করলেই যে আপনার সমস্যা মিটে যাবে এমন নয়। দেয়ার আর মোর দীপনাথস।

    তার মানে?

    আপনার যে বয়স এবং স্বাস্থ্যের যা অবস্থা তাতে অত্যন্ত যুবতী কোনও মেয়েকে তেমন কিছুই দেওয়ার নেই আপনার। কথাটা ভেবে দেখবেন।

    বোস রাগল না। কিন্তু ঘাবড়ানো মুখে আবার ক্যাবলা চোখে তাকিয়ে রইল দীপনাথের দিকে।

    নিঃশব্দে একজন কালো প্রায় কিশোরী নার্স ঘরে আসে। মৃদু ভদ্র স্বরে বলে, ভিজিটিং আওয়ার ইজ ওভাব। প্লিজ…

    দীপনাথ ওঠে। দরজার কাছ বরাবর গিয়ে ফিরে তাকায়। নার্স বড় বাতি নিভিয়ে দিয়েছে। সবুজ আলোর এক অপ্রাকৃত পরিমণ্ডলে বোস এখনও আধশোয়া। এই সবুজের মধ্যেও তার মুখের ফ্যাকাসে রং দেখা যাচ্ছে।

    বোস অনুচ্চ স্বরে বলল, ইট ওয়াজ এ নক আউট।

    দীপনাথ বেরিয়ে আসে।

    পেল্লায় বড়লোকদের এই নার্সিংহোমের পিছল মেঝের ওপর দিয়ে লিফটের দিকে হাঁটতে হাঁটতে তার মনে হয় সুখের এত উপকরণ সাজিয়েও মানুষকে সুখী করা যায় না তা হলে? অ্যাঁ!

     

    অঞ্জু টেলিফোন করল সকালে, হ্যালো দীপা! তোমার জন্য একটা খবর আছে। ঢাকুরিয়া ব্রিজের ওপাশে একটা ঘর পাওয়া যাচ্ছে। নেবে? দু’লাখ সেলামি।

    দু’লাখ! বলে মণিদীপা ঢোঁক গেলে।

    দু’লাখ চাইছে। বাট উই মে ট্রাই টু বারগেন। দেড় লাখের নীচে নামবে না ধরে রাখো।

    তা হলে ইনিশিয়াল ইনভেস্টমেন্ট যে অনেক পড়বে।

    এখন তো সব কিছুই কস্টলি। ইন্টিরিয়র ডেকোরেটররা এক-একটি কাটথ্রোট। তবে আমার চেনা শান্তিনিকেতনের একটি ছেলে আছে। সে অনেক কমে দোকান সাজিয়ে দেবে।

    কম মানে কত?

    হাজার কুড়ির মধ্যেই। তোমার তো বাপু কেবল শাড়ি বেচা নিয়ে কথা। আমাদের মতো ঝামেলার ব্যাপার তো নয়।

    স্টক কিনতে কত লাগবে তোমার কোনও আইডিয়া আছে?

    তুমি তো বাপু যোধপুরের বড়লোকদের ঘোল খাওয়াতে চাও। তা হলে কস্টলি শাড়ি বা এক্সক্লসিভ চাই। দ্যাট উইল কস্ট ইউ মোর।

    তবু শুনি।

    আমার কোনও আইডিয়া নেই। রাফলি অ্যানাদার লাখ। সবশুদ্ধ আড়াই নিয়ে নেমে পড়ো।

    আমি তোমার সঙ্গে শিগগিরই দেখা করব।

    শিগগির নয়। কালই। কোনও স্পেস পড়ে থাকছে না। দেয়ার আর পিপল টু পে টু লাখস ফর দ্যাট শপ। ভাল কথা, তোমার হাজব্যান্ড কেমন?

    ভাল।

    কবে আনছ নার্সিংহোম থেকে?

    দু’এক দিনের মধ্যেই।

    আজ ছাড়ছি। কাল সকালের দিকেই চলে এসো।

    আচ্ছা। বলে ফোন ছাড়ে মণিদীপা। তারপর সম্পূর্ণ বে-খেয়ালে সে একটা চেনা নম্বর ডায়াল করে।

    হ্যালো! বলেই জিভ কাটে মণিদীপা। মনে ছিল না, বিভ্রম। নইলে দীপনাথের সঙ্গে যে এখন তার টকিং টার্মসই নেই।

    ওপাশ থেকে গম্ভীর গমগমে সেই কণ্ঠস্বর বলে ওঠে, হ্যালো। চ্যাটার্জি স্পিকিং, হ্যালো।

    মণিদীপার গায়ে কাঁটা দেয়। বুক ঢিপঢিপ করে। সর্বোপরি গলা কেঁপে যায়।

    একটু সময় নিয়ে সে বলে, হ্যালো!

    দীপনাথ হঠাৎ বুঝি গলাটা চিনতে পারে। একটু হেসে বলে, কী হল? বলুন! আমি সেই দীন সেবক দীপনাথ।

    বাজে বকবেন না।

    কোনও প্রবলেম নাকি?

    হুঁ। কিন্তু আপনাকে বলে লাভ কী?

    এখনও কি মাথায় ব্যাবসা ঘুরে বেড়াচ্ছে?

    বেড়াচ্ছে।

    কী করতে হবে আমাকে? টাকার জোগাড়?

    পারবেন?

    কত?

    ওঃ সে অনেক। থাক, বলব না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখুদকুঁড়ো – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article পারাপার – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }