Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প979 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮০. ঘুম থেকে উঠে বিলুর হাতে

    ঘুম থেকে উঠে বিলুর হাতে বড় একটা সময় থাকে না। লাবু সকালে স্কুলে চলে যায়। অখণ্ড অবসর পেয়ে বিলু দ্বিতীয় দফা ঘুমিয়ে পড়ে। যখন ওঠে তখন আটটা সাড়ে আটটা। তাই তখন খুব তাড়াহুড়ো করে অফিসের জন্য তৈরি হয়ে নেয় সে।

    বলতে কী এই সকালের অতিরিক্ত ঘুম, মুক্ত বিহঙ্গের মতো অফিসে বেরিয়ে পড়া, চাকরি— এই সবটাই তার কাছে ভারী উপভোগ্য। ভারী স্বাধীন, একলাএকলি জীবন। দায়-দায়িত্ব উদ্বেগ দুশ্চিন্তা বা কারও ভার বওয়া নেই। ফুরফুরে হালকা দিন কাটানো। বলতে নেই, তার অঢেল যৌবন আছে এখনও। ইদানীং তার শরীর একটু ফিরেছেও। ঢলঢলে লাবণ্য এসেছে রুক্ষ মুখটায়।

    আজ সকালে স্নান সেরে এসে চুল আঁচড়ানোর সময় সে আয়নায় নিজেকে দেখছিল। নিজেকে দেখে আজকাল সে নিজেই মুগ্ধ হয়। আজেবাজে সিঁদুর দেওয়ায় সিঁথিতে চুলকুনি থেকে ঘা হয়েছিল। সেই থেকে সিঁদুরের বদলে একটু কুমকুম দিত সে সিঁথিতে। আজকাল সামান্য লিপস্টিক ঘেঁয়ায় মাত্র। আসলে তো সবটাই কুসংস্কার এবং অন্ধ বিশ্বাস।

    প্রীতমের কথা প্রায় সারাক্ষণই তার মনে পড়ে। কিন্তু সে ঘটনাকে মেনে নিয়েছে। পৃথিবীতে কারও সঙ্গেই তো চিরস্থায়ী সম্পর্ক নয়। প্রীতমের নিরুদ্দেশের জন্য দায়ীও নয় সে। কাজেই অকারণ নিজেকে ভারাক্রান্ত করে লাভ কী?

    একদিক দিয়ে দেখতে গেলে প্রীতম তাকে মুক্তি দিয়ে গেছে। যতদিন কাছে ছিল ততদিন উদ্বেগ উৎকণ্ঠা পরিশ্রমে বিলু শুকিয়ে গিয়েছিল। প্রীতম শিলিগুড়িতে থাকলেও তাকে কর্তব্যবশে মাঝে মাঝে যেতে হত সেখানে। এখন সেসব বালাই গেছে। সত্য বটে, প্রীতমের জন্য আজও তার কান্না পায়, কিন্তু সেই সঙ্গে বহুদিনের আকাঙিক্ষত এক মুক্তির আনন্দও ঘিরে ধরে তাকে।

    সেই আনন্দেই সে গুনগুন করে গান গায়।

    অসুস্থ স্বামী নিরুদ্দেশ, বেঁচে আছে কি না ঠিক নেই, এই অবস্থায় তোমার কি আর-একটু বিষণ্ণ হওয়া উচিত নয়? এই বলে সে নিজেকে মাঝে মাঝে মৃদু ধমকও দেয়। কিন্তু তাতে কাজ হয় না। আজকাল এক আনন্দই তাকে ভাসিয়ে নেয় যে! সে কি অবৈধ আনন্দ?

    বিলু খেতে বসতে যাচ্ছিল ঠিক এই সময়ে দরজায় কেউ মৃদু কড়া নাড়ল। রোজ না হলেও মাঝে মাঝেই অরুণ এসে তাকে তুলে নিয়ে পৌঁছে দেয় অফিসে। কিন্তু অরুণের কড়া নাড়ার ধরন আলাদা। তাতে আত্মবিশ্বাস থাকে। এ রকম মৃদু ভীরু আওয়াজ তার নয়।

    দেখ তো কে?–অচলাকে বলল বিলু।

    লাবুকে ইস্কুল থেকে আনতে যাওয়ার জন্য পোশাক পরছিল অচলা। একটু সময় নিল। কিন্তু এই ফাঁকটুকুতে আর একবারও কড়ায় নাড়া পড়ল না। অরুণ নয়। সে হলে এর মধ্যে আরও বার চারেক কড়া নাড়ত।

    অচলা দরজা খুলে অবাক গলায় বলল, ও মা! শতম দাদাবাবু!

    বিলু একটু থমকে গেল খাওয়ার মাঝখানে। বুকটা কেঁপে উঠল জোরে। ধড়াস ধড়াস করতে লাগল। খিদে ছিল খুব, কিন্তু হঠাৎ খিদের মাথায় জল ঢেলে দিল কে যেন।

    উঠতে যাচ্ছিল, কিন্তু হাত-পা একটু কাঁপছিল বলে টক করে উঠতে পারল না। তার আগেই শতম এসে ঢুকল। তেমনি দাড়িওলা মুখ। রুক্ষ জোয়ান শরীর। ব্যাগটা মেঝেয় রেখে একটু শুকনো হেসে বলল, কেমন আছো বউদি?

    বিলু খানিকক্ষণ শতমের দিকে চেয়ে থাকে। খারাপ খবর থাকলে শতমের মুখ দেখেই বোঝা যাবে।

    কিন্তু কিছুই বুঝতে পারল না বিলু।

    মাঝখানের ঘরে প্রীতমের চৌকিটা এক কোণে সরিয়ে দিয়ে ডাইনিং টেবিলটা পাতা হয়েছে। চৌকিটায় আজকাল অচলা শোয়। শতম বিছানায় বসে একটা ক্লান্তির শ্বাস ছাড়ল। বলল, খাওয়া থামালে কেন? খাও।

    বিলু অপলক চোখে শতমকে দেখছিল। হাত-পা শরীরে ঢুকে আসবে যেন। বলল, কোনও খবর পেলে?

    শতম মাথা নাড়ল, না। তবে হাল ছাড়িনি।

    বিলু মাথা নিচু করে প্লেটে আঙুল দিয়ে কয়েকটা দাগ কাটল। খিদে মরে গেছে। বলল, তোমাকে আচমকা দেখে এত ভয় পেয়েছিলাম।

    শতম বিষণ্ণ মুখে বলে, বুঝতে পেরেছি। কিন্তু কোনও খবর পেলে টেলিগ্রাম বা ট্রাংককল করতাম। নিজে এসে সময় নষ্ট করতাম না। আমি এসেছি কাজে। আজই সন্ধের গাড়িতে চলে যাব।

    আজই?

    আজই। বাড়ি ছেড়ে থাকার উপায় নেই। মা-বাবার অবস্থা তো জানো। কেউই বেশিদিন বাঁচবে বলে মনে হয় না।

    খুব ভেঙে পড়েছেন?

    তোমাকে জানাইনি ইচ্ছে করেই। বাবার সেরিব্রেল অ্যাটাক হয়ে গেছে একটা। মার প্রেশার দুশোর নীচে নামছেই না। মরম একটা চাকরি পেয়ে গৌহাটি চলে গেছে। রূপমকে আমার অ্যাসিস্ট্যান্ট করে নিয়েছি। সে বেলকোবার সাইটে রয়েছে ক্যাম্প করে। বাড়িতে শুধু ছবি।

    ছবির বিয়ের কিছু হল?

    সেই কথাই বলতে আসা। বিয়ে ঠিক হয়েছে।

    যদিও প্রীতমের বাড়ির সঙ্গে বিলুর সম্পর্ক খুবই ক্ষীণ তবু একটা গিঁট তো কোথাও আছে। ছবির যে বিয়ের আর দেরি করা উচিত নয় সেটা মাঝে মাঝে তারও মনে হয়। ছবি দেখতে সুন্দরী নয়। ভাল পাত্র পেলে সেটা কপাল। বিলু জিজ্ঞেস করল, পাত্র কেমন?

    খুব কিছু নয়। দাদারই এক বন্ধু।

    দাদার বন্ধু? তা হলে তো বয়সে অনেক বড় হবে।

    শতম হাসল, আমরা পিঠোপিঠি ভাই বোন। বয়সের ফারাক খুব একটা নয়। বড় জোর বছর দশেক।

    দশ বছর! বলো কী? সে তো ছবির জ্যাঠামশাই।

    শতমের মুখ থেকে হাসি গেল না, দশ বছরও আমার মতে কম। স্বামী আর স্ত্রীর মধ্যে বয়সের অনেকটা পার্থক্য না থাকলে ইয়ার বন্ধুর মতো সম্পর্ক হয়। স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধাভক্তিও থাকে না। জানো তো, পতি আর পিতা একই ধাতু নিষ্পন্ন শব্দ?

    ও বাবা, তুমি তো আবার শাস্ত্র পড়া মানুষ! কার সঙ্গে কী বলছিলাম!

    শতম মাথা নেড়ে বলল, আমি হাওয়ায় ভেসে যেতে পছন্দ করি না। যা ভাল যা মঙ্গলপ্রদ সেটা লোকে উড়িয়ে দিলেও আমি পরীক্ষা করে দেখতে ভালবাসি।

    বিয়েটা কী করে ঠিক হল?

    আচমকা। দাদা নিরুদ্দেশ হওয়ায় আমরা ছবির বিয়ের কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। হঠাৎই দাদার আর-এক বন্ধু সম্বন্ধটা আনল।

    পাত্র কী করে?

    ইঞ্জিনিয়ার। জলঢাকা প্রজেক্টে আছে।

    বলো কী? তা হলে তো খুব ভাল পাত্র।

    আমাদের তুলনায় ভালই। পাত্র এতদিন বিয়ে না করার প্রতিজ্ঞা নিয়ে ছিল। কিন্তু দাদার খবর এবং আমাদের পরিবারের অবস্থা শুনে নিজেই ঠিক করে যে, ছবিকে বিয়ে করবে।

    বাঃ, খুব ভাল লোক তো!

    খুবই ভাল। কোনও ডিমান্ড নেই। বরং আমাদের সাফ জানিয়ে দিয়েছে কিছু দিলেও সে নেবে না।

    তুমি চেনো ভদ্রলোককে?

    ছেলেবেলায় দেখেছি। তারপর উনি বাইরে চলে যান।

    বাইরে বলতে বিদেশে নাকি?

    না। রাউরকেল্লা, দুর্গাপুর আরও কোথায় যেন।

    দেখতে কেমন?

    কালো। তবে বেশ স্বাস্থ্যবান। লম্বাও অনেকটা।

    মা-বাবা আছে?

    মা আছে।

    ভাইবোন?

    অনেকগুলি। চারজন বিয়ের যুগ্যি মেয়ে রেখে বাবা মারা যান। শিবেনদা চাকরি করে বোনেদের বিয়ে দিয়েছেন। তিনটি ভাইও ভাল চাকরি করছে এখন।

    ঘরবাড়ি?

    কোন্নগরে বাড়ি করেছে ইদানীং।

    ছবিকে কোথায় রাখবে?

    অতশত জানি না। জিজ্ঞেস করিনি।

    নামটা কী বললে? শিবেন?

    হ্যাঁ।

    বড্ড পুরনো নাম। অবশ্য নামে কীই-বা এসে যায়! ছবি খুশি?

    খুশি হওয়ার মতো মনের অবস্থা নয়। মা-বাবা এখন-তখন, দাদা নিরুদ্দেশ, এই অবস্থায় আর কতটা খুশি হওয়া যায় বলো? বিয়েই করতে রাজি হচ্ছিল না। ওকে রাজি করাতেই বিস্তর ধকল গেছে।

    বিয়ে না হলেই বা কী করত?

    ওর ধারণা বিয়ে হয়ে গেলে আমাদের আর দেখার কেউ থাকবে না।

    বিলু মৃদু স্বরে বলল, কথাটা তো মিথ্যে নয়। বাড়িতে আর মেয়েমানুষ বলতে কে রইল বলো!

    শতম মাথা নেড়ে বলে, ওসব ভাবলে চলবে কেন? ছবি না থাকলেও দেখো আমরা ঠিক চালিয়ে নেব।

    কী ভাবে নেবে? দুই ভাই বাইরে, তুমিও মাঝে মাঝে বেরোও, মা বাবাকে দেখবে কে?

    লোক রাখব।

    লোক পাওয়াই কি সোজা! এখন ববং সংসারের দিকে তাকিয়ে ছবির পর তোমারও একটা বিয়ে করা উচিত।

    আমার বিয়ে!—বলে খুব হোঃ হোঃ করে হাসে শতম।

    সেই হাসি শুনে অচলার চা চলকে গেল। এক ফাঁকে সে শতমের জন্য এক কাপ চা করে নিয়ে আসছিল।

    প্লেটের চা-টুকু বেসিনে ঢেলে অচলা কাপটা এনে শতমের হাতে দেয়। বলে, আপনি কড়া লিকার পছন্দ করেন। তাই দিয়েছি।

    শতম চায়ে একটা চুমুক দিয়ে বলে, বাঃ।

    অট্টহাসির রেশটা তখনও তার স্মিতমুখে লেগে আছে। সে নিজের কবজির ঘড়িটার দিকে চেয়ে বলল, তোমার তো আজ অফিসের দেরিই হয়ে যাবে দেখছি। তো এক কাজ করো না!

    কী কাজ?

    আজ কামাই দাও।

    দিয়ে?

    ছবির নেকলেস আর বেনারসিটা এখান থেকে কিনে নিয়ে যাব ভাবছিলাম। দু’জনে মিলে চলো জিনিস দুটো কিনে ফেলি।

    এক কথায় উজ্জ্বল হল বিলু। শাড়ি বা গয়না কেনার ব্যাপারে কোন মেয়েই বা খুশি না হয়? সে উঠে বেসিনে মুখ ধুয়ে বলল, শিগগির স্নান করে দুটো খেয়ে নাও আগে।

    তা হলে কামাই করছ?

    করছি। কিন্তু বিয়ে কবে সেটা তো বললে না?

    সেটা বলতেই আসা। চিঠি দিলে সময়মতো পেতে না হয়তো। বিয়ের আর ঠিক ছ’দিন বাকি।

    এত তাড়া?

    তাড়া পাত্রপক্ষেরই। শিবেনদার এক বোন আমেরিকায় থাকে। সে ছুটি কাটাতে এসেছে। যাওয়ার সময় হয়ে এল। সে দাদার বিয়ে দিয়েই রওনা হবে। শ্রাবণের পঁচিশ তারিখের পর আর দিনও নেই।

    আমেরিকার কথায় বিলুর মুখটা ম্লান হল, সেজদা আমেরিকায় যাচ্ছে জানো?

    দীপুদা?

    হ্যাঁ। অফিসের কাজে। সেজদা না থাকলে কী যে একা লাগবে আমার। আর তো বাপের বাড়ির কেউ খোঁজ নেয় না সেজদা ছাড়া।

    দীপুদা একটা দারুণ চাকরি পেয়েছে শুনলাম।

    হ্যাঁ। চার হাজার টাকা মাইনে।

    বলো কী! ভাল মানে এত ভাল তা তো জানতাম না!

    চাকরি তো ভাল কিন্তু কার জন্য? বিয়ের কথা বললেই রেগে যায়।

    সেই যে কী একটা কেস হয়েছিল সেটা মিটে গেছে?

    ও বাবা, কে জিজ্ঞেস করবে? যা সিরিয়াস মানুষ।

    কেসটা কী?

    আগের কোম্পানির বসের বউয়ের সঙ্গে জড়িয়ে একটা কথা রটেছিল। আমার মনে হয় সেটা তেমন বেশিদূর গড়ায়নি। সেজদা তো ভীশ মরালিস্ট।

    দীপুদা ভীষণ মরালিস্ট আমি জানি। তাই ঘটনাটা শুনে বিশ্বাস হয়নি।

    কিছু একটা হয়েছিল। তুমি স্নানে যাও তো!

    জামা-কাপড় পালটাতে পালটাতে শতম জিজ্ঞেস করে, তুমি কবে রওনা হবে বলো তো?

    দেখি। কালই ছুটির অ্যাপ্লিকেশন দেব।

    কিন্তু ট্রেনের রিজার্ভেশন কি এত অল্প সময়ে পাবে?

    পেয়ে যাব। নইলে প্লেন তো আছেই। ছবির বিয়েতে যেতে তো হবেই।

    দীপুদাকেও নিয়ে যেতে হবে। আজই যাব একবার অফিসে। কোথায় বলো তো?

    সানফ্লাওয়ার বোধহয় রাসেল স্ট্রিটে। ঠিক জানি না। খুব বড় কোম্পানি।

    বিলু বউদিকে বহুকাল পর আবার খুব ভাল লাগল শতমের। কোনও মানুষই আগাপাশতলা নিষ্ঠুর বা খারাপ হতে পারে না। এই যে বউদি ছবির বিয়েতে যেতে আগ্রহ দেখাচ্ছে এতেই ভারী খুশি শতম। শিলিগুড়ি থেকে আসার সময় বউদি খুব খারাপ ব্যবহার করে এসেছিল। সেই মনোভাবটা কেটে গেছে।

    শতম স্নান করল, খেল। তারপর পোশাক পরে বউদির সঙ্গে যখন বেরোল তখন মেঘলা কেটে রোদ উঠেছে।

    বিলু বলল, কাল রাতেও বৃষ্টি হয়েছে। আজ তোমার ভাগ্যে রোদ উঠল।

    শতম হাসল, হ্যাঁ, আমাদের ভাগ্য কত ভাল তা তোতা জানোই!

     

    দুপুরবেলা কাজের খুব একটা চাপ ছিল না আজ। বস্তুতপক্ষে লাঞ্চের পর নিজের আরামদায়ক চেয়ারখানায় গা ছেড়ে কয়েক মিনিটের জন্য চোখ বুজেছিল দীপনাথ। এমন সময় শতমের টেলিফোন এল।

    ছবির বিয়ে শুনে ভীষণ তটস্থ হয়ে ওঠে সে, ছবির বিয়ে! তাই তো! এ তো আমারও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।

    সে জিজ্ঞেস করল, তুই কোথা থেকে ফোন করছিস?

    গড়িয়াহাটা থেকে। সঙ্গে বউদিও আছে।

    বিলু!—বলে হাঁফ ছাড়ল দীপনাথ। যাক তা হলে বিলু শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক এখনও চুকিয়ে ফেলেনি। সে বলল, আমাকে কিছু করতে হবে? বল তো।

    না, না। আপনাকে শুধু একবার যেতে হবে।

    যাব! ছুটি যে এখনও পাওনা হয়নি।

    ট্যুর নিয়ে নিন না!

    দূর পাগলা। টুর নেওয়া যেত আগের কোম্পানিতে। এখানে ওরকম নিজের ইচ্ছেয় টুর নেওয়া যায় না।

    তা হলে কী হবে? ছবির বিয়েতে আপনি যাবেন না? আমাদের দাদা নেই—

    শেষ দিকটায় গলা কেঁপে বেঁধে গেল শতমের। কিন্তু দীপনাথকে পাগল করার পক্ষে ওইটুকুই যথেষ্ট। সে চাপা ক্রুদ্ধ গলায় ধমক দিল, দূর বোকা। যাব না কী রে? ছবির বিয়েতে যাবই। ভাবিস না।

    শতমের হাত থেকে টেলিফোন নিয়ে বিলু বলে, সেজদা, তুমি কবে যাবে?

    আর তো মোটে ছ’দিন সময়।

    আমি তা হলে তোমার সঙ্গে যাব।

    যাবি?

    যাব না?

    প্রীতমের কোনও খবর?

    না, নেই।

    ও। আচ্ছা তা হলে আমার সঙ্গে যাস।

    রিজার্ভেশন কি তুমিই করবে?

    হ্যাঁ। প্লেনে। তোর টিকিট আমি করে রাখব।

    বাঁচলাম। ট্রেনে বাচ্চা নিয়ে একা যাওয়া যে কী ঝকমারি!

    তা তোর বাচ্চাটা কেমন আছে?

    ভাল। খুব পড়াশুনোয় মন হয়েছে।

    গান শেখা, নাচ শেখা?

    শিখছে।

    শতমকে আবার টেলিফোনটা দে।

    দিচ্ছি।

    শতম ফোন ধরলে দীপনাথ চাপা গলায় বলে, হ্যাঁরে, কিছু টাকা দিতে পারি। নিবি?

    না, তার দরকার নেই।

    অনেক খরচ তো বিয়ের।

    সে তো বটেই, কিন্তু হয়ে যাবে। আমি গোটা দুয়েক বড় পেমেন্ট পেয়েছি।

    অসুবিধে হলে কিন্তু বলিস।

    বলব।

    আমার কাছে হার্ড ক্যাশ আছে। পাত্র কীরকম?

    আপনি বোধহয় চেনেন।

    কে বল তো?

    আপনাদেরই বন্ধু। শিবেন চৌধুরি।

    শিবেন! শিলিগুড়ির শিবেন নাকি?

    হ্যাঁ। আগে ওঁরা শিলিগুড়িতেই থাকতেন।

    খুব লম্বা? কালো?

    হ্যাঁ, সেই।

    দীপনাথ একটা শ্বাস ছেড়ে বলল, প্রীতমের সঙ্গে গলাগলি ভাব ছিল। খুব ভাল ছেলে।

    আপনি যাচ্ছেন তো?

    যাচ্ছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখুদকুঁড়ো – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article পারাপার – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }