Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মুক্ত বাতাসের খোঁজে : লস্ট মডেস্টি

    লেখক এক পাতা গল্প602 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রেম, হত্যা এবং কর্নেল

    বারান্দা থেকে কয়েক একর পাথুরে জমির ওধারে কয়েকটা শালগাছ আছে। দুটো কুকুর ভোরবেলা থেকে শালগাছ ঘিরে খুব খেলা জমিয়েছিল। তারপর একটা মাটি শুঁকতে শুঁকতে স্টেশনের দিকে চলে গেছে। অন্যটা মদ্দা, একটা কিছু আঁচ করে দাঁড়িয়ে থেকেছে মুখ তুলে–যেন গন্ধ শুঁকেছে কিছু। তারপর দু-পা সামনে ছড়িয়ে থাবায় চিবুক রেখে টানটান বসে আছে। ওর গায়ে আস্তে আস্তে একটা ছায়া সেঁটে যায়। সাদা কুকুরটা ধূসর হয়ে বস্তুজগতের সঙ্গে ওতোগোতভাবে সংলগ্ন হয় এবং স্তব্ধতায় গুপ্ত থাকে।

    মেঘেন–বরমডিহি স্টেশনের রেলবাবু মেঘে লাল বোস, তার লাল কোয়ার্টার থেকে সকালের অবসরে সবুজ বনের খেলা দেখছিল। সাদা কুকুরটা শুলে সে বারান্দা থেকে নামল। খানিক দূরে গিয়ে একটুকরো পাথর ছুঁড়ল। কুকুরটা মুখ ঘুরিয়ে দাঁত বের করল। দ্বিতীয়বার মেঘেন পাথর তুললে সে গরগর করে তেড়ে এল। মেঘেন পিছিয়ে আসে।

    বারান্দা থেকে মন্দিরা চেঁচায় কী হচ্ছে ওখানে? ওর পিছনে লাগলে কেন?

    মেঘেনও ঘুরে দাঁত বের করে–অর্থাৎ হাসে।

    –পাগলা কুকুর ওটা। শীগগির চলে এস।

    স্ত্রীলোকের ইনটুইশান। মেঘেন ভাবে। কিন্তু পাগলা কুকুর কি সঙ্গিনী নিয়ে। খেলে? কে জানে! পৃথিবীর অনেক ব্যাপারের অনেকটাই মানুষের জানা হয় না। জানা যায় না। প্রাণীজগতটা তো মনে হয় একেকটি দুরুহ কোডে ভরা জিনপুঞ্জসমন্বিত দুয়ে ক্রোমোসোম নিয়ে তৈরি। তার মধ্যে মানুষ বিশেষত স্ত্রীলোক, যাদের রামকৃষ্ণদেব বলতেন, প্রকৃতির অংশ। অংশ কেন–হাতের পুতুল। কী করে কী বলে নিজেরাও বোঝে না। যেমন মন্দিরা। কেন সে সারারাত মেঘেনের পিঠ আঁকড়ে শুয়ে থেকেছে, কে বলবে? পিঠটা আয়নায় দেখেছে সে, নখের চেরা লাল দাগ পড়ে গেছে। কারও কারও নখে নাকি বিষ থাকে। মন্দিরার নেই তো?

    জামার ভেতর হাত চালিয়ে পিঠের দাগটা ছুঁতে-ছুঁতে মেঘেন বারান্দার সামনে রোদ্দুরেই দাঁড়িয়ে যায়। চৈত্রের আকাশ এই এলাকায় এত নীল কখনও সে দেখেনি। ঈশানকোণে কয়েকটা পাখি বিন্দুর মতো নড়ছে। শকুন নাকি? মেঘেনের চোখ নিস্পলক হয়ে ওঠে।

    মন্দিরা সকালের স্নান সেরে বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে। কী ভাবছে সে হয়তো নিজেও জানে না। খুব পবিত্রতা দিয়ে নিজেকে ঢেকে রেখেছে, এমনি শান্ত অবস্থিতি। মেঘেনের মনে মন্দিরা, চোখে দূরের কয়েকটা সাংঘাতিক বিন্দু অবশেষে সে বড় করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে।

    –রোদ্দুরে কী করছ? চলে এস।

    মন্দিরার গলাটাও এখন পবিত্র, স্নেহে ভিজে, শান্ত। মেঘেনের ভাল লাগে ডাকটা। অনেকদিন এমন করে সে যেন ডাকেইনি।

    একটু পরে মেঘেন বারান্দায় বসে যখন চা খাচ্ছে, ফাদার খ্রিস্টমাস চেহারার বৃদ্ধ এক ভদ্রলোক এলেন। বয়স মেঘেনের বাবার সমান মনে হয়। কিন্তু টাক পড়েছে মাথায়। খাড়া নাক, চাপ চাপ সাদা দাড়ি, বড় বড় কান, চওড়া কপালে তিনটে ভঁজ! মেঘেন ফ্যালফ্যাল করে তাকায়।

    কোয়ার্টারের পিছনদিক এটা। বেড়ায় ঘেরা একটুকরো সবজিক্ষেত বা বাগিচার জন্য জমি আছে। এদিকে কারও আসার কথা নয়।

    -নমস্কার। আপনি কি মেঘেনবাবু?

    মেঘেন পাল্টা নমস্কার করে বাঁ হাতে, কারণ ডানহাতে চায়ের পেয়ালা।

    –আমি মোহনপুর জংশন থেকে আসছি।

    বলুন?

    বৃদ্ধ কপালের ঘাম মুছতে মুছতে হাসেন।বসব। না বসে তো বলা যায় না।

    মেঘেন হন্তদন্ত হয়ে ওঠে। আসুন, আসুন! খালি মোড়াটার দিকে আঙুল বাড়ায় সে। বেড়ার গেট দিয়ে লোকটা ঢোকে। মোড়ায় বসে পড়ে। হাসিমুখে তাকিয়ে বলে–কাল ইভনিং-এ কখন থেকে কখন অব্দি ডিউটি ছিল আপনার?

    -কেন বলুন তো? বিকেল পাঁচ থেকে রাত বারোটা।

    বরমডিহি তো খুব বড় স্টেশন নয়।

    নয়। কেন বলুন তো?

    –আপনার দেশ কোথায়?

    পশ্চিমবঙ্গ। বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ। কেন ব…..

    এখানে ছমাস এসেছেন?

    –হ্যাঁ কিন্তু কেন……..

    এর আগে মোহনপুরে ছিলেন?

    –ছিলুম। কে…….

    –মোহনপুরের ডিভিসনাল সুপারিন্টেন্টে রথীনবাবুও তো বহরমপুরের লোক?

    –আজ্ঞে হ্যাঁ। কিন্তু…..

    রথীনবাবুর মেয়ে তিথিকে তো চেনেন?

    –চিনি। কী ব্যা…….

    –গতকাল সন্ধ্যা সাতটা ত্রিশের ডাউন ঠিক ক’টায় ইন্ করেছিল মেঘেনবাবু?

    -সাতটা সাঁইত্রিশে। আগের স্টেশনে মেল পাস ক…

    –তিথি নেমেছিল স্টেশনে?

    এ্যাঁ? তি… … …।

    দরজায় মন্দিরা এসে দাঁড়িয়েছিল। প্রথমে চোখ দুটো বড় ছিল। তারপর ছোট হয়েছে, ভুরু কুঁচকে গেছে, ঠোঁটের নিচে ভাজ ফুটেছে–যা তাকে সুন্দর করে। সে মুখ খোলে।

    আপনি কে?

    বৃদ্ধ অমনি নমস্কার করেন তাকে। আপনি মিসেস মন্দিরা বোস?

    –হ্যাঁ! আপনি কে?

    –আপনি ভাগলপুরের মেয়ে?

    –সবই তো জানেন দেখছি? আমার বলা কেন? কে আপনি শুনি?

    –গত মাসের এগারো তারিখে আপনি নারায়ণগড় মন্দিরে যাচ্ছি বলে মোহনপুরে গিয়েছিলেন?

    মন্দিরা লাল মুখে প্রায় গর্জায়। হ্যাঁ, গিছলুম। কিন্তু তাতে আপনার এত মাথাব্যথার কী আছে? আগে বলুন তো, কে আপনি–নয়তো…রাগে সে কথা হারিয়ে ফেলে।

    বৃদ্ধ মিটিমিটি হাসেনা হাত তুলে বলেন–প্লীজ! প্লীজ! আচ্ছা, মন্দিরাদেবী, আপনি সেদিন তিথিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিলেন? হ্যাঁ কিংবা না বলুন, প্লীজ!

    বলব না।

    –প্লীজ!

    না! চলে, যান আপনি! এখুনি চলে যান। নয়তো লোক ডাকব!..মন্দিরা হাঁফাতে হাঁফাতে কথা বলে। তারপর মেঘেনের দিকে ঘোরে। তুমি চুপচাপ এই অপমান হজম করছ? একটা কোথাকার কে এসে যা খুশি জিগ্যেস করবে বাড়ি চড়াও হয়ে, তার জবাব দিতে হবে? কী–ভেবেছে কী? মগের মুলুক?

    মেঘেন গম্ভীর ও অপ্রস্তুত হয়ে থাকে। বৃদ্ধ হাসতে হাসতে বলেন–ভীষণ রেগে গেলেন দেখছি! প্লীজ, শান্ত হোন। আচ্ছা মেঘেনবাবু!

    –উ?

    –আপনার স্ত্রী গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে বাসায় ছিলেন? নাকি বেরিয়েছিলেন–আপনার কী ধারণা?

    –ওকে জিগ্যেস করুন!

    –আপনার ধারণাটাই আমি জানতে চাই।

    হয়তো….

    বলুন! বলুন!

    –হয়তো ছিল, হয়তো বেরিয়েছিল। জানি না।

    –তিথির সঙ্গে কথা বলতে বলতে আপনি মাঠের দিকে গিয়েছিলেন তাই না?

    মন্দিরা চেঁচাল। –কোনও কথা না! চুপ করে থাকো!

    –মেঘেনবাবু!

    –উ? হুঁ। তিথি আমাকে জরুরি কিছু কথা আছে বলে ডেকে নিয়ে গেল।

    তারপর?

    –কিন্তু তেমন কিছু বলল না। শুধু…

    –! বলুন!

    রাতকাটানোর আশ্রয় চাইল। বলল বাড়ি থেকে চলে এসেছে! আর ফিরবে না।

    –আপনি কী করলেন তখন?

    –আমি বললুম– আমার বাসায় তো অসম্ভব! তবে রামু সিগন্যালম্যানের কোয়ার্টার এখন খালি আছে। তিথি আপত্তি করল। তখন আমি ওই যে দেখছেন জঙ্গলের ওপাশে লাইনের ওপর খালি একটা ওয়াগনের সঙ্গে গার্ডের কামরা রয়েছে–ওইযে!

    –হ্যাঁ। দেখতে পাচ্ছি।

    ওটাই সিলেক্ট করলুম। রামুকে কিছু খাবার তৈরি করে দিতে বলেছিলুম। তিথি তা খায়নি। বিছানার তেমন ব্যবস্থা হলো না। একটা মাত্র শতরঞ্জি দিল রামু। একটা বাড়তি লণ্ঠন দিল।…মেঘেন দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

    বাসায় ফিরেছিলেন ঠিক কটায়?

    –একটা প্রায়।

    –তখন আপনার স্ত্রী ছিলেন?

    মেঘেন মন্দিরার দিকে তাকাল। মন্দিরা মুখ ঘুরিয়ে মাঠ দেখছে। নাকের ফুটো কাঁপছে। চোখ দুটো লাল। চাপা শ্বাসপ্রশ্বাস ফেলছে।

    মেঘেন বলেনা। তারপরই মাথাটা কয়েকবার দোলায়।

    আপনার নিশ্চয়ই বাকি রাত ঘুম হয়নি?

    হয়নি। জেগেই ছিলুম। কারণ রাত তিনটে চল্লিশের ডাউনে…

    –থামবেন না, প্লীজ।

    রাত ৩-৪০-এর ডাউনে কলকাতা যাবার কথা ছিল! তিথির সঙ্গে।

    মন্দিরা চকিতে মেঘেনকে দেখে নিয়ে আবার মাঠের দিকে ঘুরল। বিশাল ঢেউ খেলানো মাঠ–শস্যহীন, বেশির ভাগই অনুর্বর রুক্ষ মাটি, দুরে টিলার সার এবং খড়কুটো উড়িয়ে ছোটখাট ঘূর্ণি হাওয়া চলেছে কোনাকুনি। কাছাকাছি ফণিমনসার ঝোপের গায়ে একটা সাপের খোলস উড়ছে, এক ফালি পতাকা যেন।

    –কিন্তু শেষঅব্দি যাওয়া হলো না?

    না। হলো না। মন্দিরা–আমার স্ত্রী আমাকে আঁকড়ে ধরে ঘুমোচ্ছিল।

    একথা বলার সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরা সাঁৎ করে ভেতরে চলে গেল। তারপর কয়েকটা সেকেণ্ড বারান্দায় স্তব্ধতা। পাখির ডাকও স্তব্ধতা বলে ভুল হয়। তারপর মাঠ থেকে ঘূর্ণি নিয়ে একটা বাতাস এসে বারান্দায় উঠল। দরজার পর্দা দুলিয়ে ঢুকে গেল ঘরে।

    কখন উঠলেন মেঘেনবাবু?

    –সাতটার কাছাকাছি।

    –সেই গার্ডের কামরায় গেলেন না?

    না।

    –কোথাও গেলেন না?

    গেলুম। ওই শালবনটায়। রোজ ভোরে ওখানে বেড়ানো অভ্যাস আছে। এক মিনিট স্তব্ধতা। তারপর…–তিথি কোথায় মেঘেনবাবু?

    জানি না। মেঘেন মাথা দোলায়।

    –গার্ডের কামরার মেঝেতে রক্ত পাওয়া গেছে মেঘেনবাবু।

    মেঘেন সঙ্গে সঙ্গে প্রচণ্ড চেঁচিয়ে ওঠেনা না না! তিথি… না না!

    –প্লীজ, আস্তে।

    –গেট আউট! গেট আউট! চলে যান আপনি বেরিয়ে যান!….মেঘেন হাত মুঠো করে উঠে দাঁড়ায়! গলা আরও চড়িয়ে চেঁচায়–গেট আউট!

    -আমার আরও প্রশ্ন আছে মেঘেনবাবু!

    শাট আপ। আপনাকে আমি খুন করে ফেলব। গেট আউট ইউ ওল্ড ফুল!

    বৃদ্ধ হাসতে হাসতে উঠে দাঁড়ান। তারপর অমায়িকভাবে নমস্কার করে চলে যান।

    তিনি বাঁদিকে স্টেশনের রাস্তায় ওঠেন। থমকে দাঁড়ান হঠাৎ। তারপর ফিরে আসেন বাঁজা জমিটার ওপর এবং মেঘেনের কোয়ার্টারের সামনে দিয়ে পশ্চিমের সেই শালবনে এগিয়ে যান।

    বনের ভেতরে ঢুকে ছায়ায় সেই বৃদ্ধ দু’পকেটে হাত ভরে দাঁড়িয়ে আছেন। কুকুরটা তেমনি চুপচাপ শুয়ে আছে একই জায়গায়। মেঘেন তাকিয়ে দেখে। মাথার ভিতরটা খালি, দৃষ্টিতে ক্রমশ একটা নীল চওড়া কিছু এসে আটকে থাকে। একটু পরে তিনি নেমে আসেন। তারপর বাঁদিকে ঘুরে স্টেশনে চলে যান। মেঘেন অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে।

    .

    পরদিন মেঘেন স্টেশনে সকালের ডিউটিতে আছে, সেই বৃদ্ধ এলেন। স্টেশনের ভেতরে আর কেউ নেই। পশ্চিমের জানলার বাইরে কুয়োয় পুরুষ ও স্ত্রীলোকেরা জল তুলছে, কাপড় কাঁচছে, স্নান করছে। তার ওপাশে বেড়া, বেড়ার ওধারে কয়লার স্তূপ, দুটো কাক বসে আছে।

    নমস্কার মেঘেনবাবু!

    –আবার কী চান?

    —অনেক কিছু।

    কিছু বলার নেই আর।

    –আছে। এক মিনিট। ..বলে তিনি পকেট থেকে একটা নোটবই বের করে পাতা ওল্টান। তারপর একটা খালি চেয়ারে বসে পড়েন। মেঘেন টেবিলে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

    –মেঘেনবাবু, আপনি-সরি, আপনার সঙ্গে তিথি যতক্ষণ ছিল, এমন কোনও কথা বলেছিল কি যাতে আপনার স্ত্রীর উল্লেখ ছিল?

    মেঘেন তেতো মুখে বলে খুবই থাকা উচিত।

    –আমি পজিটিভ উত্তর চাই, মেঘেনবাবু।

    –তাহলে ছিল।

    –তিথি কি মন্দিরাদেবীর দ্বারা কোনও বিপদের আশঙ্কা করেছিল?

    –তাই স্বাভাবিক।

    –ঠিক কী ধরনের আশঙ্কা?

    –আমি অন্তর্যামী নই।

    –আপনি তিথিকে নিয়ে চলে যেতে চেয়েছিলেন বলেছেন। কিন্তু এ ব্যাপারে কী কিছু স্পষ্ট নির্দেশ ছিল?

    তার মানে?

    তার মানে-ধরুন, আপনি গিয়ে গার্ডের কামরার দরজায় নক করবেন, অথবা ডাকবেন–এমন কিছু?

    –ডাকা নিরাপদ মনে করিনি! তিনবার নক করার কথা ছিল।

    –দেখুন তিথির লাশ আমরা পেয়েছি।

    –পেয়েছেন? মেঘেন প্রায় চেঁচিয়ে ওঠে।

    –হাওড়া এক্সপ্রেসের কামরায়। কিন্তু মাথাটা পাইনি।

    –আমি লুকিয়ে রাখিনি। না, না!

    বলছি না। মেঘেনবাবু, আপনার স্ত্রী তিথিকে খুন করেছে বলে মনে করেন?

    –আমি কিছুই মনে করি না।

    –কিন্তু আপনি সিওর যে আপনি নিজে তিথিকে খুন করেননি। কেমন?

    না। সিওর নই। মেঘেন দৃঢ়কণ্ঠস্বরে জবাব দেয়!

    –সিওর নন?

    না।

    বৃদ্ধ হাসেন। কয়েক সেকেণ্ড পরে বলেনতিথির পেটে বাচ্চা ছিল।

    মেঘেন তাকায়। ঠোঁটে ফাঁক করে কিছু বলার জন্যে কিন্তু বলে না।

    –ফোরেনসিক এক্সপার্টদের মতে তিথির মৃত্যু হয়েছে সে রাতে ঠিক বারোটা থেকে ভোর পাঁচটার মধ্যে কোনও একসময়ে। আর…আর তার দেহে সেক্সয়াল ইন্টারকোর্সের লক্ষণ স্পষ্ট পাওয়া গেছে। সেও ওইসময়ের মধ্যে ঘটেছে। মনে হয়, তিথি বাধা দিয়েছিল–পারেনি। এইতে সিদ্ধান্ত দাঁড়ায় যে কোনও পুরুষমানুষই খুনী। কিন্তু রেপ–হ্যাঁ, রেপই বলছি আপাতত-রেপ এবং খুন দুটো আলাদা ঘটনা হওয়া সম্ভব, অর্থাৎ যে খুন করেছে–সেই রেপ করেছে–এটা ঠিক হতেও পারে।

    মেঘেন আবার ঠোঁট ফাঁক করে। কিন্তু কিছু বলে না।

    গতকাল অন্তত দুপুরের মধ্যে এসব জানা গেলে আপনাকে আমরা নিয়ে যেতুম এবং মেডিক্যাল একজামিন করা হতো। কিন্তু টু লেট!

    –আমি তিথির সঙ্গে শুইনি। সে প্রশ্নই ওঠে না। কারণ আমরা চলে যেতে চেয়েছিলুম। তারও কারণ তিথি রথীনবাবুর নির্বাচিত বিগ অফিসারকে ফেলে সামান্য একজন এ. এস. এমের ঘর করবে–যার একটি বিবাহিতা স্ত্রীও রয়েছে, এটা রথীনবাবু বরদাস্ত করতেন না। আর মন্দিরা……

    বলুন। মন্দিরা….

    –মন্দিরাও তা বরদাস্ত করত না। তাছাড়া আইনও সইত না।

    –তাই নিরুদ্দিষ্ট হতে চেয়েছিলেন দুজনে?

    হুঁ।

    –মেঘেনবাবু, আমাদের ধারণা, তিথির মুণ্ডুটা সম্ভবত বাক্সে ধরাতে পারেনি খুনী। তিথির মাথায় নাকি প্রচুর চুল ছিল। ওঁর মা বলছিলেন-বংশের ধারা।

    -হ্যাঁ। খুব ঘন আর সুন্দর চুল ছিল ওর। ওতেই ওকে সুন্দর লাগত। নয়তো স্বাস্থ্য বা দেহের দিক থেকে মন্দিরার চেয়ে অনেক কুৎসিত ছিল তিথি।

    –আপনি স্বাভাবিক হয়েছেন দেখে খুশি হলুম।

    –তিথির আর এক সৌন্দর্য ছিল ওর অস্ফুট কণ্ঠস্বর। অর্ধেক বলা অর্ধেক না বলা কথা ওকে রহস্যময়ী করে রাখত। ওর শরীরে শরীর রাখলে ও ছটফট করতবারবার না না না বলত, কিন্তু ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিত না, বারবার বলত– এ তুমি কী করছকী করছ তুমি–কেন এমন করছ….

    –মেঘেনবাবু, আবার ধন্যবাদ যে আপনি এখন এত স্বাভাবিক।

    হঠাৎ মেঘেন পকেটে হাত ভরে একটা মোড়ক বের করে। ব্যগ্রস্বরে বলে– খুলে দেখুন। এর মধ্যে তিথির কয়েক গোছা চুল আছে।

    সে ব্যস্ত হয়ে মোড়ক খোলে। বৃদ্ধ শান্ত মুখে বলেন আই সি! কোথায় এ চুল পেলেন মেঘেনবাবু?

    কাল ভোরে ওই শালবনের তলায়। শুকনো ঘাসে। তারপর….

    –হ্যাঁ, হ্যাঁ, বলুন।

    –আমি একখানে মাটির চাবড়া দেখলুম। কী খেয়াল হলো, সরালুম–দেখি তিথির মাথা! মাথাটা তুলে নিয়ে একদৌড়ে জঙ্গলে ঢুকলুম। ওদিকে একটা জলনিকাশী ন্যাচারাল ড্রেন আছে–রেল ব্রিজ আছে না? তার ষাট-সত্তর মিটার পুব-দক্ষিণে শুকনো বালির তলায় পুঁতে ছিলুম। তারপর ফিরে এসে শালবনের সেই গর্তটা বুজিয়ে দিলুম। কাঠকুটো কুড়িয়ে ছড়ালুম। খুব স্বাভাবিক দেখাল জায়গাটা।

    বলে যান, প্লীজ।

    কাল বিকেলে গিয়ে দেখি, তিথির মাথাটা জন্তুজানোয়ারে তুলে কোথায় নিয়ে গেছে। কিছু চিহ্ন পড়ে ছিল। আবার বালিতে ঢেলে দিলুম।

    –কেন এমন করলেন?

    মন্দিরার স্বার্থে।

    –তাহলে মন্দিরাদেবীই খুন করেছেন–আপনার মতে?

    কী? ও-হ্যাঁ। তাই মনে হয়।

    –আপনার স্টেটমেন্ট অনুসারে মন্দিরাদেবীকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে।

    –ও! তাই বুঝি? কিন্তু…..আপনি কে? কে আপনি?

    –মেঘেনবাবু, মন্দিরাদেবীকে এইমাত্র বিরক্ত করে এসেছি। তিনি অনেক কিছু বলেছেন।

    -অ্যাঁ?

    হ্যাঁ। উনি সব জানতে পেরেছিলেন। আপনাদের ফলো করে সেই গার্ডের কামরায় গিয়েছিলেন। রাত বারোটার পর আপনি কোয়ার্টারে আসার একটু আগেও উনি ওখানে লুকিয়ে ছিলেন। আপনি চলে এলে কিছুক্ষণ পরে উনি তিথির দরজায় তিনবার নক করেন। দরজা খোলে তিথি। পরস্পর তীব্র বচসা হয়। কিন্তু মন্দিরার কথামতো–সেটা কান্নায় শেষ হয়। শেষে নাকি মন্দিরা আত্মহত্যার ভয় দেখিয়ে চলে আসেন। আসার পথে রামুর সঙ্গে ওঁর দেখা হয়। রামু ওখানে নাকি পায়খানায় গিয়েছিল। রামুকে ডাকুন না, প্লীজ।

    রামু কাল বিকেলে ছুটি নিয়ে জংশনে গেছে। এখনও ফেরেনি। অথচ গতরাতেই ফেরার কথা ছিল। মোহনপুর বলছে, রামুকে কেউ দেখেনি সেখানে।

    রামুর কথা আপাতত তাহলে থাক। আপনি নিজের কথা বলুন।

    সবই তো বললুম—

    –একটা ভাইটাল কথা এখনও বলেননি।

    কী?

    -রাত এগারোটা পাঁচের ডাউনে মোহনপুর জংশন থেকে একজন নামেন সে রাতে। তার কথা এড়িয়ে গেছেন।

    অ্যাঁ! হ্যাঁ–তিথির বাবা নেমেছিলেন।

    –আপনি তখন…..

    –আমি তখন তিথির শতরঞ্জি বিছানা হাতে রামুর কোয়ার্টার থেকে বেরচ্ছি সবে–পিছনে তিথি আছে, প্ল্যাটফর্মে দেখতে পেলুম রথীনবাবুকে; তক্ষুনি আমরা চলে গেলুম মাঠের দিকে। ফিরে আসার পর রথীনবাবুকে আর দেখতে পাইনি।

    –মিথ্যা বলছেন মেঘেনবাবু! গিরিধারী খালাসি আপনাকে ও রথীনবাবুকে কথা বলতে দেখেছিল।

    –ও, হ্যাঁ। মনে পড়ছে।

    -রাত একটায় রথীনবাবু আপ-সিগনালের দিকে যান। হাতে টর্চ ছিল! গিরিধারী যেতে চেয়েছিল সঙ্গে। ধমক দিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তারপর গিরিধারী দেখেছে, রামু হাঁফাতে হাঁফাতে দৌড়ে এসে তার কোয়ার্টারে ঢুকল। তার আগে গিরিধারী মেয়েলি গলায় একটা চিৎকার শুনেছিল দূরে।

    রামু কি…..

    আমার সিদ্ধান্ত, রামুই রেপ করে তিথিকে।

    –স্কাউড্রেল!

    -চুপ! আস্তে। গিরিধারী তার একঘণ্টা পরে রথীনবাবুকে ফিরতে দেখে। রথীনবাবু তাকে একটা জিনিস আনতে বলেন।

    -ওঃ! একটা বাক্স।

    –গিরিধারী সব কবুল করেছে, মেঘেনবাবু।

    –কে খুন করেছে তিথিকে?

    –ওর বাবা।

    –ওঃ তিথি!

    –আমার কাজ আপাতত শেষ! শুধু ভয় হচ্ছে, হয়তো রামুকেও…।

    –ঠিক এসময় দুজন পুলিশ অফিসার হন্তদন্ত ঢোকেনকর্নেল! লাশটা পাওয়া গেছে। ওই মাঠের নালায় পোঁতা ছিল। স্ট্যাবড বডি। ধস্তাধস্তি হয়েছিল সম্ভবত।

    মেঘেন ভারি গলায় বলে রামুর লাশ!

    দাড়িওলা বৃদ্ধ একটু হাসেন।-হ্যাঁ, রামুর। রথীনবাবু মেয়েকে খুন করলেন। আর আপনি–মেঘেনবাবু, আপনি করলেন রামুকে। মিঃ ভদ্র, হেয়ার ইজ দা সেকেণ্ড মার্ডারার।

    মেঘেনের সামনে পুলিশ অফিসার এসে দাঁড়ায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রুসেড-১ : গাজী সালাহউদ্দীনের দুঃসাহসিক অভিযান
    Next Article যদ্যপি আমার গুরু – আহমদ ছফা

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }