Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মুক্ত বাতাসের খোঁজে : লস্ট মডেস্টি

    লেখক এক পাতা গল্প602 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০৮ টি নীলপদ্ম

    সৃষ্টির একবারের শুরুর সেই সময়টা। আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনি জান্নাতে থাকেন। একা একা কিছুটা বিষণ্ণ মনে ঘুরে বেড়ান। আই রিপিট জান্নাতে মন খারাপ করে ঘুরে বেড়ান। অবশেষে আল্লাহ্, অদিমের সঙ্গিনী হিসেবে হাওয়াকে সৃষ্টি করলেন। আদমের বিষণ্ণতা কেটে গেল।

    স্বামী-স্ত্রী এবং তাদের মধ্যেকার অন্তরঙ্গতী আল্লাহর এক বিশাল নিয়ামত। তারা একজন অপরের চোখ শীতলকারী, প্রশান্তি দানকারী। হাজার বছর ধরেই স্বামী-স্ত্রীর এই অসম্ভব সুন্দর সম্পর্ক, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ত্যাগ স্বীকারের অগণিত কাহিনি লিপিবদ্ধ হয়েছে, মহাকাব্য রচিত হয়েছে, রচিত হয়েছে অসংখ্য অশ্রু ঝরানো উপাখ্যান। কিন্তু আমাদের এই তথাকথিত “আধুনিক মহান সভ্যতায়” বদলে গেছে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা ঠুনকো হয়ে গেছে। ভালোবাসায় মিশে গেছে ফরমালিন। কমে গেছে একে অপরের প্রতি দায়বদ্ধতা, বিশ্বস্ততা।

    আমাদের দাদা-দাদি, নানা-নানিদের জেনারেশন; অত দূরে যেতে হবে না, আমাদের বাবা-মার জেনারেশানে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে যে পরিমাণ সততা ছিল, আবেগ ছিল তা আমাদের জেনারেশানের মধ্যে খুঁজে পাওয়া কঠিন। বছরের পর বছর ধরে তারা একসঙ্গে একই ছাদের নিচে থেকেছেন, জীবনের সব দুঃখ কষ্ট সহ্য করেছেন, একসঙ্গে সব প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন, হাতে হাত রেখে দাঁড়িয়েছেন জীবনের পক্ষে। আমাদের জেনারেশনের দাম্পত্য জীবন অনেকটা পিকনিকের মতো। একে অন্যকে দেখে দুজনকেই দুজনের অনেক “কুউউল” মনে হলো, তারপর দুজনে বিয়ে করে কিছুদিন “এনজয় করল। তারপর একরাতে মশারি খাটানো নিয়ে দুজনের হালকা কথা কাটাকাটি শুরু। তারপর ঝগড়া। তারপর রাতদুপুরে দুই পক্ষের অভিভাবক ডেকে ডিভোর্স। খালাস।

    আবার কিছুদিন পর অন্য একজনকে দেখে অনেক “কুউউল” মনে হলো। তারপর আবার বিয়ে। কিছুদিন এনজয়। ফেসবুকের টাইমলাইন ভর্তি বেডরুম সেলফি, তারপর একদিন সামান্য কারণে হুট করে ডিভোর্স। এ দুষ্ট চক্র চলতেই থাকে।

    কিন্তু কেন? কেন হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসা স্বামী-স্ত্রীর মধুর সম্পর্কের আজ এই বেহাল দশা? কেন এক নিদারুণ দুঃসময়ে টালমাটাল পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী বন্ধনগুলোর একটি? অনেকগুলো ফ্যাক্টর আছে এর পেছনে। পুঁজিবাদী চিন্তাভাবনা, সৃষ্টিকর্তাকে ভুলে নিজের প্রবৃত্তির দাসত্ব করা, সেকুল্যারিযমের প্রসার, মিডিয়ার মগজধোলাই, নারীবাদের উখীন…

    এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হলে পর্নোগ্রাফি, আইটেম সং, নারীকে শুধু দেহসর্বস্ব ভোগের বস্তু বা “সেক্স অবজেক্ট” হিসেবে দেখানোর ট্রেন্ড, সর্বোপরি মিডিয়ার সব দিকে ব্যাপক যৌনায়ন। এ গুরুতর কিন্তু অনালোচিত বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই এগোবে আমাদের এ লেখাটি।

    আমাদের প্রজন্ম লাগামছাড়া অশ্লীলতা আর বেহায়াপনায় গা ভাসিয়েছে, অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। এক-দুই ঘণ্টা ইন্টারনেটে কাটিয়েই তারা বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে যত “যখন কিছুই লুকানোর থাকে না” টাইপ মেয়েদের ছবি দেখে ফেলে, তা আমাদের বাপ-দাদারা সারা জীবনে দেখেছে কি না সন্দেহ। হাই স্পিড ইন্টারনেট, অ্যান্ড্রয়েড ফোনের কল্যাণে পর্ন ভিডিও আজ আলু-পটলের মতোই সহজলভ্য। আর আমাদের ছেলে-মেয়েরা তা গিলছেও গোগ্রাসে। প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ২৮,২৫৮ জন মানুষ পর্ন দেখছে।

    University of Montreal এর গবেষকরা, জীবনে একবারও পর্ন দেখেনি এমন একজনকেও খুঁজে পাননি। নিরাপত্তা প্রযুক্তি বিষয়ক কোম্পানি Bitdefender এর গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, পর্ন সাইটে যাতায়াত করে এমন প্রতি ১০ জনের মধ্যে ১ জনের বয়স দশ বছরের নিচে। আর এ দুধের বাচ্চাগুলো রেইপ পর্ন (ধর্ষণের চিত্রায়ণ) টাইপের জঘন্য জঘন্য সব ক্যাটাগরির পর্ন দেখে।

    পর্ন ভিডিও দেখে, চটি গল্প পড়ে বেড়ে ওঠা এসব ছেলে-মেয়েরা যৌনতা সম্পর্কে অতিরঞ্জিত, অবাস্তব ধারণী নিয়ে বড় হয়। ওদের যৌন শিক্ষার মাধ্যমও এই পর্নোগ্রাফি।

    National Union of Students (US) এর জরিপ থেকে দেখা যাচ্ছে, স্কুল কলেজ-ইউনিভার্সিটির ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে শতকরা ৬০ জন যৌনতা সম্পর্কে জানার জন্য পর্ন ভিডিও দেখছে।

    অস্ট্রেলিয়ান গবেষক মারি ক্র্যাব এবং ডেইভিড করলেট-এর ভাষ্যে,  “আমাদের সংস্কৃতিটাই এমন হয়ে গিয়েছে যে কিশোর, তরুণরা কীভাবে যৌনতাকে উপলব্ধি করবে এবং যৌনতার মুখোমুখি দাঁড়াবে সেটা শেখাচ্ছে পর্ন। যৌন শিক্ষার প্রভাবশালী মাধ্যম হয়ে গেছে পর্ন।”

    মানুষ কোনো কিছু বার বার দেখতে থাকলে এবং সেটা তার ভালো লাগলে একসময় না-একসময় সে সেটা নিজে করে দেখতে চায়। কাজেই বিয়ের পর শুরু হচ্ছে ঝামেলা। পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হওয়ার কারণে বিয়ের আগেই স্বামীর মনে নারীদেহের বিভিন্ন অঙ্গের আকার-আকৃতি সম্পর্কে অতিরঞ্জিত এবং অবাস্তব ধারণা থাকে।

    তার অবচেতন মন ধরে নেয় সব নারীর দেহই পর্ন ভিডিওর অভিনেত্রীদের মতো আর বাস্তবের নারীও বিছানায় পর্ন অভিনেত্রীদের মতোই বেপরোয়া। কিন্তু সে যখন আসল সত্যটা আবিষ্কার করে, তখন হতাশ হয়ে যায় এবং দাম্পত্য জীবনে শুরু হয় অশান্তি।

    মুদ্রার ওপর পিঠটাও দেখে নেয়া যাক। পর্ন ভিডিওতে আসক্ত নারীরাও ছেলেদের দেহ সম্পর্কে অতিরঞ্জিত ধারণা করে বসে থাকে। বিয়ের পর যখন আবিষ্কার করে তার স্বামীর দেহ পর্ন ভিডিওতে দেখানো পুরুষদের মতো না, স্বামী পর্ন ভিডিওতে দেখানো পুরুষটার মতো কাজ করতে পারছে না বা অত সময় ধরে পারছে না– তখন সে তার স্বামীকে নিয়ে অসন্তুষ্টিতে ভোগা শুরু করে। শুরু হয় দাম্পত্য কলহ। পরকীয়ার সূত্রপাত হয়। পরকীয়ার পালে জোর হাওয়া লাগতে ইন্ডিয়ান বস্তাপচা সিরিয়াল তো আছেই। দুজনের কেউই ভেবে দেখছে না, পর্ন ভিডিওতে যেগুলো দেখানো হচ্ছে সেগুলো কতটা বানোয়াট, কতটা এডিটিং করা। পর্ন-অভিনেত্রীদের “ফিগার” বলুন আর পর্ন-অভিনেতার বিভিন্ন অঙ্গ বলুন, সবকিছুই এডিটিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত বড় আকারে পর্ন ভিডিওতে উপস্থাপনা করা হয় অথবা অনেক ঘাম ঝরিয়ে, বিশেষ ব্যায়াম করে, সার্জারির মাধ্যমে এগুলো বড় করা হয়।

    সাধারণ নারী-পুরুষের দেহ তাঁদের মতো হবে না এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু পর্ন দেখার কারণে দর্শক এটাকেই স্বাভাবিক মনে করছে। ভাবছে তার স্বামী/স্ত্রীর বিশেষ অঙ্গগুলোকে ছোট কিংবা অনাকর্ষণীয়। আর ত্রিশ-চল্লিশ মিনিটের একটি পর্ন ভিডিও হয়তো এক সপ্তাহ ধরে শুটিং করা হচ্ছে, অভিনেতারা যৌনশক্তি-বর্ধক নানা ধরনের ড্রাগস নিয়ে তাতে পারফর্ম করছে, অথচ ভোক্তারা নীল স্ক্রিনের সামনে পর্ন ভিডিও দেখে ভেবে নিচ্ছেন, তারা বোধহয় এক নাগাড়েই চল্লিশ-পঞ্চাশ মিনিট “প্রেম করতে পারে। পর্ন-আসক্ত স্ত্রী ভাবছে, “পর্ন ভিডিওর অভিনেতা এতক্ষণ পারলে আমার স্বামী কেন পারছে না? তার নিশ্চয় সমস্যা আছে?” পর্ন আসক্ত স্বামী ভাবছে, “আরে সে এতক্ষণ পরলে আমি কেন পারি না? নিশ্চয় আমার কোনো সমস্যা আছে!” এইভাবে পর্ন-আসক্ত স্বামী তার আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলছে আর স্ত্রীরাও অসন্তুষ্টিতে ভুগছে। স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসায় ভাটা পড়ছে।

    বিশেষজ্ঞদের (যৌনবিশেষজ্ঞ, চিকিৎসক, মনোবিদ, মনোবিজ্ঞানী, অধ্যাপক) শতাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে পর্ন, মারাত্মক রকমের যৌনসমস্যা সৃষ্টি করে। লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যা (erectile disfunction) থেকে শুরু করে, অকাল বীর্যপাত, যৌনতার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলা, অতৃপ্ত থাকা, স্বামী স্ত্রীর মধ্যেকার ভালোবাসা কমে যাওয়া, যৌনতায় আগ্রাসন প্রদর্শন… লম্বা লিস্ট। বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে যুবকদের যৌনসমস্যা যতটা বৃদ্ধি পেয়েছে পৃথিবীর ইতিহাসে এর আগে কখনো এ রকম হয়নি। ৭ জন নেভি চিকিৎসকসহ আরও অনেক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে লিখিত একটি গবেষণাপত্রে দেখা যাচ্ছে, ১৪ থেকে ৩৫ শতাংশ পুরুষ লিঙ্গেীখানজনিত সমস্যায় আক্রান্ত। যৌনতায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন এমন পুরুষের সংখ্যা প্রতি এক শ জনে ১৬ থেকে ৩৭ জন। এই পুরুষদের কারও কারও বয়স ৪০ বা তার চেয়ে কম। কেউ কেউ ২৫ বছর বয়সী টগবগে যুবক, কেউ কেউ সদ্য কৈশোরে পা দেয়া টিনেইজার!”,

    ফ্রি অনলাইন পর্নোগ্রাফি যুগের আগে করা বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা গেছে ৪০ বছর বা তার চেয়ে কমবয়সী পুরুষদের মাত্র ২-৫ শতাংশ লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যায় আক্রান্ত। ৩৫ বছর বা তার চেয়ে কমবয়সী কেউ এ সমস্যায় আক্রান্ত, এমনটা শোনাই যেত না। তার মানে গত কয়েক বছরে তরুণ, যুবকদের মধ্যে লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যা বেড়েছে প্রায় ১০০০%! এর জন্য কে দায়ী?

    ১) ২৪ টি গবেষণায় দেখা যাচ্ছে পর্ন-আসক্তি নানা রকম যৌন জটিলতা সৃষ্টি করে। পর্ন-আসক্তদের বাস্তব জীবনে যৌনতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিলে তাদের উত্তেজিত হতে বা সার্থক যৌনমিলনের জন্য তৈরি হতে সমস্যা হয়।

    ২) ৫৫ টিরও বেশি গবেষণা থেকে দেখা যাচ্ছে পর্ন-আসক্তির কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেকার ভালোবাসা কমে যায়। যৌনজীবন নিয়ে দম্পতিরা অসন্তুষ্টি, অতৃপ্তিতে ভোগেন।

    সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে একদম তরতাজা তরুণরাও যৌনতায় অনাগ্রহ প্রকাশ করছে! সেই গবেষণৗতে দাবি করা হয় পর্নোগ্রাফি এই সব তরতাজা। তরুণদের যৌনতায় অনাগ্রহের পেছনে দায়ী হতে পারে।

    জাপানের তরুণ-তরুণীরা অত্যাধিক পর্ন-আসক্তির কারণে যৌনতার প্রতি আগ্রহ একেবারেই হারিয়ে ফেলছে। অ্যামেরিকার তরুণরা বিয়েতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। এর পেছনে অনেকগুলো কারণের মধ্যে পর্ন-আসক্তি অন্যতম বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা।

    পর্ন-আসক্তি বিয়ের ধারণাটাই বদলে ফেলে। বিয়েকে উপস্থাপন করে শুধু কামনা, পূরণের মাধ্যম হিসেবে। বিয়ে মানে যে শুধু শারীরিক মিলনের সামাজিক স্বীকৃতি, বিয়ে মানে দুটি মনের মিলন, সুন্দর পৃথিবীর জন্য হাতে হাত রেখে সংঘবদ্ধ লড়াই, অনেক দায়িত্ব-কর্তব্য পালন এই মৌলিক সত্যকে ভুলিয়ে দেয় পর্ন আসক্তি।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব তরুণরা চিন্তা করছে–”ইন্টারনেট পর্ন দিয়েই তো যৌনাকাঙ্ক্ষা মেটাতে পারছি। কী দরকার বিয়ের ঝামেলা পোহানোর! কী দরকার আরেকজনের মানুষের সাথে একই ছাদের নিচে একই বিছানা শেয়ার করার, আরেকজন মানুষের দায়িত্ব নেয়ার।”

    যৌনজীবনের ওপর পর্ন-আসক্তি কী বিরূপ প্রভাব ফেলে, শুনে নেয়া যাক কয়েকজন বিশেষজ্ঞের মুখ থেকে। ইটালিয়ান সোসাইটি অফ অ্যান্ড্রোলজি অ্যান্ড সেক্সয়াল মেডিসিনের প্রাক্তন সভাপতি ড. কার্লো ফরেস্টা বলেন, “ইন্টারনেট পর্ন তরুণদের যৌনক্ষমতা নষ্ট করে দিচ্ছে। শুরুটা হয় সফটকোর পর্নের প্রতি সংবেদনশীলতা কমে যাওয়ার মাধ্যমে, তার পরের ধাপ হলে যৌনতায় আগ্রহ কমে যাওয়া। আর সবশেষে বীর্যপাত বন্ধ হয়ে যায়।”

    “দেখুন, ত্রিশ বছর আগে যখন কেউ লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যায় পড়তেন, তখন তা হতো মূলত বার্ধক্যজনিত কারণে। সাধারণত ৪০ বছর বয়সের পর এ সমস্যা দেখা দিত। বয়স বাড়ার সাথে সাথে রক্তনালি সংকুচিত হয়ে পড়ে এবং বীর্যপাত কঠিন করে ফেলে। ৩৫ বছরের নিচে কারও এমন বড় ধরনের সমস্যার কথা শোনা যেত না বললেই চলে। কিন্তু সেটা ছিল ইন্টারনেট পর্নের আবির্ভাবের আগের কথা। এখনকার দিনে অনলাইন মেসেজ বোর্ড ভর্তি থাকে তরুণদের লিঙ্গোত্থানে অক্ষমতা-সংক্রান্ত অভিযোগে। তারা লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন এই কারণে না যে তাদের যৌনাঙ্গে সমস্যা, তাদের সমস্যাটা মস্তিষ্কে; যেটা পর্ন আসক্তির প্রভাবে বদলে গিয়েছে।”

    কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি ও রিপ্রোডাকটিভ মেডিসিনের ক্লিনিক্যাল প্রফেসর এবং পুরুষদের স্বাস্থ্য, বিশেষ করে যৌনবিষয়ক রোগনির্ণয় ও চিকিৎসায় অন্যতম পথিকৃৎ ড. হ্যারি ফিশ বলেন, “যখন আমি বলছি, পর্ন অ্যামেরিকার যৌন আচরণকে ধ্বংস করছে, আমি মজাও করছি না, বাড়িয়েও বলছি না। নারী-পুরুষের সম্পর্কের মাঝে পর্ন-আসক্তি কী গভীর ক্ষত তৈরি করে চলেছে, তা আমি প্রতিনিয়ত দেখতে পাই। আমি বিশ্বাস করি, সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টির ক্ষেত্রে পর্নই একমাত্র ও সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যবহির্ভূত কারণ। এটি যৌনস্বাস্থ্যের সব কটি দিকেরই ক্ষতি করছে।”

    “…একজন মানুষ যখন পর্ন দেখে অরি হস্তমৈথুন করে তখন সে যেন নিজেই নিজের পায়ে কুড়াল মারে। পর্দার দৃশ্যের মাধ্যমে উত্তেজিত হওয়ার ফলে ধীরে ধীরে বাস্তবজগতের রক্তমাংসের নারীদের দ্বারা উত্তেজিত হওয়া তার জন্য অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। সফল যৌনমিলনের জন্য যতটুকু সময় উত্তেজিত থাকা দরকার, সে ততটুকু সময় উত্তেজিত থাকতে পারে না বা তৃপ্তি লাভ করতে পারে না।”

    “পর্ন হলো সেই কালপ্রিট যা আপনার যৌনজীবনের বারোটা বাজিয়ে দেবে।”

    “পর্ন এমন এক ভার্চুয়াল স্বর্গরাজ্যের কথা বলে, যা যৌনতায় ভরা। যৌনতা আর যৌনতা, শুধুই যৌনতা। বিভিন্ন ধরনের যৌনতা আর অসীম সুখ। পর্ন যেটা বলে না তা হলো, একজন ব্যক্তি যতই সেই ফ্যান্টাসি জগতের গভীরে যায়, বাস্তবতা ততই বিপরীত হয়ে দেখা দেয়। পর্ন-আসক্তি আসক্তদের যৌনক্ষুধী যেমন কমিয়ে দেয়, তেমনই যৌনতৃপ্তি থেকেও দূরে রাখে।”

    পর্ন-আসক্ত সঙ্গী তার সঙ্গিনীর প্রতি আকর্ষণ বোধ করছে না৫, স্বাভাবিক যৌনক্রিয়ায় উত্তেজিত হতে সমস্যা হচ্ছে, যৌনমিলন পানসে মনে হচ্ছে, তৃপ্ত হতে পারছে না, একেবারেই সঙ্গিনীর সঙ্গে অন্তরঙ্গতা থেকে দূরে থাকছেন এ রকম অসংখ্য ঘটনার কথা আমরা জানি।

    পর্ন-আসক্ত সঙ্গী তার সঙ্গিনীর পোশাক-আশাক, চেহারা, ফিগীর, আচার-আচরণ সবকিছু নিয়ে খুবই খুঁতখুঁতে হয়ে পড়ে। সব সময় নিজের সঙ্গিনীকে নীল পর্দার অভিনেত্রীদের সাথে তুলনা করে। আচার-আচরণে, কথাবার্তায় সঙ্গিনীকে সেটা জানিয়ে দিতেও দ্বিধাবোধ করে না। এতে করে সঙ্গিনীর ওপর একটা চাপ তৈরি হয়। ফলে পর্দার অভিনেত্রীদের তারা প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরে নিচ্ছে, তাদের সঙ্গে এক অসম প্রতিযোগিতায় নামছে। স্বামীর সন্তুষ্টির জন্য বা স্বামীকে নিজের প্রতি আকর্ষিত করার জন্য চুলের কাটিং, পোশাক-আশাক, শরীরের গড়ন, আচার আচরণ সবকিছুই পরিবর্তন করতে হচ্ছে। অ্যানাল সেক্স আর ওরাল সেক্সকেও হ্যাঁ বলতে হচ্ছে। কিন্তু তারপরেও স্বামীকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব হচ্ছে না।

    স্ত্রীরা নিজেদের ভাবছেন বঞ্চিত, অবহেলিত, প্রতারণার শিকার। বাড়ছে হতাশী, বাড়ছে বিষণ্ণতায় ভোগ। পর্ন-আসক্তির বৈশিষ্ট্যই এমন যে, আসক্তরা ধীরে ধীরে সফটকোর পর্ন ছেড়ে হার্ডকোর পনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

    “হালকা জিনিস” আর ভালো লাগে না, উত্তেজিত হতে আরও “কড়া” কিছু প্রয়োজন হয়। বাস্তব জীবনেও পর্দায় দেখানো পদ্ধতিতে যৌনমিলন করতে চায়।

    সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্ন ভিডিওগুলোর শতকরা ৮৮ শতাংশ দৃশ্যে শারীরিক আগ্রাসনের প্রদর্শনী রয়েছে এবং শতকরা ৪৯ শতাংশ দৃশ্যে রয়েছে মৌখিক আগ্রাসন। ৬৪ শতকরা ৯৫ ভাগ ক্ষেত্রেই এই শারীরিক ও মৌখিক নির্যাতন যাদের ওপর চালানো হচ্ছে সেই পর্ন অভিনেত্রীরা হাসিমুখে পরম আনন্দে অথবা নীরবে নির্যাতন সহ্য করে নিচ্ছেন। তার মানে দর্শকদের এ মেসেজটাই দেয়া হচ্ছে যে, নারীরা পুরুষের কাছে এগুলোই চায়, নারীরা এভাবেই তৃপ্তি পায়, যৌনমিলন করতে হয় এভাবেই।

    পর্নে দেখানো পদ্ধতিতে যৌনমিলনের সময় পুরুষেরা অজান্তেই সঙ্গিনীদের নির্যাতন করে চলেছেন; মৌখিক এবং শারীরিকভাবে। টেরও পাচ্ছেন না। সঙ্গিনী বাধা দিলে রেইপ পর্যন্ত করে ফেলছেন, কিন্তু নিজে বুঝতেই পারছেন না। ভাবছেন এটাই বোধহয় অন্তরঙ্গতার পথ, তার সঙ্গিনী এসবে খুব আনন্দ পান। গত কয়েক বছরে অ্যানাল আর ওরাল সেক্সের মতো জঘন্য, বিকৃত এবং হারাম” যৌনাচারের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। এর অন্যতম কারণ হলো পর্ন ভিডিওগুলোতে এই বিকৃত যৌনাচারগুলোর আধিপত্য।

    পর্দার নারীরা হাসিমুখে এসব বিকৃত যৌনাচারে অংশগ্রহণ করে, কাজেই পর্ন আসক্ত পুরুষরা ধরে নিচ্ছেন তাদের সঙ্গিনীরাও হাসিমুখে রাজি হয়ে যাবে। স্বেচ্ছায় রাজি না হলে নারীদের এসব বিকৃত যৌনাচারে বাধ্য করা হচ্ছে। প্রয়োজনে মারধরও করা হচ্ছে।

    পর্ন ভিডিওতে এই যৌনাচারগুলো আকর্ষণীয়, তৃপ্তিদায়ক হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও আদতে এ যৌনাচারগুলো প্রচণ্ড ক্ষতিকর, অস্বাস্থ্যকর, নোংরা এবং নারীদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর। অ্যানাল সেক্সের কারণে মলাশয়ে ক্যান্সার হতে পারে, নারী এবং পুরুষ দুজনেরই। যে যৌনক্রিয়াগুলোর মাধ্যমে এইচআইভি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে, অ্যানাল সেক্স সেগুলোর মধ্যে শীর্ষে। সমকামী অ্যানাল। সেক্সের কারণে অসংখ্য পুরুষ এইডস আক্রান্ত হচ্ছে, নারীদের সংখ্যাও কম নয়। এইডস ছাড়াও এর মাধ্যমে হারপিস, গনোরিয়া, ক্ল্যামিডিয়া, সিফিলিসের মতো মারাত্মক রোগ হতে পারে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ওরাল সেক্সের কারণে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ভয়ঙ্কর গনোরিয়া রোগের জীবাণু ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বে। বিশ্বে প্রায় সাত কোটি ৮০ লাখ মানুষ প্রতিবছর এ রোগ সংক্রমণের শিকার হচ্ছেন, যা অনেকের ক্ষেত্রে সন্তান। জন্মদানে অক্ষমতার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO অন্তত ৭৭ টি দেশের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখেছে, গনোরিয়ার অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে ওঠার প্রবণতা অত্যন্ত ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। হারপিস, ক্ল্যামিডিয়া, হেপাটাইটিসহ আরও অনেক যৌনবাহিত ইনফেকশীন (STIs– Sexually Transmitted Infections) ছড়িয়ে পড়তে পারে ওরাল সেক্সের মাধ্যমে। মুখ ও গলার ক্যান্সারেরও অন্যতম কারণ ওরাল সেক্স।

    The New England Journal of Medicine এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র অনুযায়ী ওরাল সেক্স গলায় ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। পাঁচ জনের কম সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে ওরাল সেক্সে লিপ্ত হয়েছে এমন ব্যক্তির গলায় ক্যান্সার হবার আশঙ্কা, যিনি কখনোই ওরাল সেক্স করেননি তার দ্বিগুণ। আর যাদের পাঁচ জনের বেশি সঙ্গী বা সঙ্গিনী রয়েছে তাদের গলার ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা ২৫০% বেশি।

    অ্যানাল সেক্স, ওরাল সেক্সের মতো কাজগুলো দম্পতিদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা কমিয়ে দেয়। এ বিকৃত যৌনাচারগুলো দাম্পত্য কলহ, অশান্তি, মনোমালিন্য, অতৃপ্তির অন্যতম কারণ। পর্নোগ্রাফি অ্যানাল সেক্স, ওরাল সেক্সের মতো বিকৃতিগুলোকে সমাজের মূলধারায় নিয়ে এসে, স্বাভাবিক করার মাধ্যমে সমকামিতার সামাজিক স্বীকৃতির জন্য চমৎকার ভিত্তি তৈরি করে দিচ্ছে। বাড়ছে শিশুকাম। বাংলাদেশেও অ্যানাল সেক্স এবং ওরাল সেক্স নীরব মহামারির আকার ধারণ করেছে। আমাদের পেইজে এ রকম এমন অনেক খবর এসে পৌঁছেছে, স্ত্রীর আপত্তির মুখেও স্বামী অ্যানাল বা ওরাল সেক্সে স্ত্রীকে বাধ্য করছে। পর্ন-আসক্তি স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক বিশ্বাসে ফাটল ধরায়। কমিয়ে দেয় পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ। পর্ন-আসক্ত ব্যক্তি একজন সঙ্গী? সঙ্গিনীতে সন্তুষ্ট হতে পারে না। এ আসক্তি খুলে দেয় পরকীয়া থেকে পতিতাগমন, সবকিছুর দুয়ার।

    পর্ন-আসক্তি সন্তান লালন-পালনে অনীহা সৃষ্টি করে। বাচ্চা-কাচ্চা লালন-পালন করা তো আর কম ঝামেলার কাজ না! রাত-বিরাতে বিছানা ভিজিয়ে ফেললে ডায়াপার বদলে দাও, টাঁ ট্যাঁ করে কেঁদে উঠলে সুখের ঘুম ছেড়ে বাচ্চার কান্না। থামাও, স্কুলে নিয়ে যাও, কোচিং এ নিয়ে যাও, হ্যাঁনো ত্যানো আরও কত কী!

    পর্ন-আসক্তরা ভার্চুয়াল সেক্স ফ্যান্টাসির ফাঁদে ফেঁসে সারাক্ষণ পর্ন ভিডিও নিয়ে পড়ে থাকে। বাস্তব জীবন সম্পর্কে একেবারেই দায়িত্বজ্ঞানহীন হয়ে পড়ে। তাদের সময় কোথায় বাচ্চার জন্য আলাদাভাবে চিন্তা করার? বাবা-মা পর্ন-আসক্ত এমন পরিবারের বাচ্চারা প্রচণ্ড অবহেলায় বেড়ে ওঠে; স্নেহ-ভালোবাসা-শাসন তেমন একটা পায় না। বাচ্চাদের দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ক্ষতি হয়, স্কুলে পিছিয়ে পড়ে, বন্ধুদের সঙ্গে সহজভাবে মিশতে পারে না, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে যায়।

    ছেলেবেলায় সবারই রোল মডেল থাকে তাদের বাবা-মা। সবাই মনে করে তার বাবা-মা পৃথিবীর সেরা বাবা-মা, সবার চেয়ে বেশি স্মার্ট, এমন একজন, যে সবকিছু। জানে, সবকিছু পারে–সুপারম্যান। বাবার চশমাটা চোখে দিয়ে আর কোটটা ছোট্ট শরীরে চাপিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভাবে একদিন সেও বাবার মতোই হবে। ছেলে-মেয়েরা যখন একটু বড় হয়, বুঝতে শেখে চারপাশের জগৎ সম্পর্কে, তখন বাবা-মার অন্ধকার জগৎটা তাদের কাছে উন্মোচিত হয়ে গেলে শ্রদ্ধার গভীরতা কমে যায়। বাবা-মার জন্য ভালোবাসার যে একটা মহাসমুদ্র ছিল ছোট্ট বুকটীতে তাতে ভাটা পড়তে সময় লাগে না। বাবার আদরের স্পর্শে মেয়ে হয়তো পবিত্রতার অভাব অনুভব করে।

    পর্ন-আসক্তি থেকে শুরু হওয়া লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যা, অকাল বীর্যপাত, যৌনাকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়া, অতৃপ্তি, যৌন-নির্যাতন, বিকৃত যৌনাচার, পারস্পরিক বিশ্বাস, শ্রদ্ধাবোধ কমিয়ে দেয়া, সবকিছুই অনিবার্য এক করুণ পরিণতির দিকে নিয়ে যায়; বিচ্ছেদ। American Sociological Association এ উপস্থাপিত একটি গবেষণাপত্র অনুযায়ী বিবাহিতদের মধ্যে যারা পর্ন-আসক্ত, তাদের বিচ্ছেদের আশঙ্কা স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণ। অ্যামেরিকায় শতকরা ৫৬ টি বিবাহ-বিচ্ছেদের মূল কারণ সঙ্গী/সঙ্গিনীর পর্ন-আসক্তি।

    আর এই বিবাহবিচ্ছেদ সূচনা করে আরও অনেক সমস্যার।

    বিবাহবিচ্ছেদের শিকার পরিবারে সন্তানেরা খুব সহজেই বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়ে। তাদের জেল খাটার হার স্বাভাবিক পরিবারে বেড়ে ওঠা ছেলেমেয়েদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। স্বাভাবিক পরিবারের সন্তানদের তুলনায় ভগ্ন পরিবারের সন্তানদের দারিদ্র্যের সম্মুখীন হবার সম্ভাবনা দ্বিগুণ। সেই সঙ্গে শিক্ষাজীবনে বা পেশাদার-জীবনে তারা স্বাভাবিক পরিবারের সন্তানদের তুলনায় পিছিয়ে পড়ে। তাদের বিভিন্ন ধরনের মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। অনেকেই তাদের সৎ বাবার দ্বারা যৌন-নিপীড়নের শিকার হয়। অনেকে বাসা থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়–এদের অনেকের ঠিকানা হয় পতিতালয়ে, পর্ন ইন্ডাস্ট্রি বা মিডিয়ায়। অনেকই শারীরিক এবং মানসিক পীড়ন সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে বসে।

    বিবাহবিচ্ছেদ মনের সুখ-শান্তি কেড়ে নেয়, হতাশা আর বিষণ্ণতার সৃষ্টি করে, এমনকি অনেক সময় মানুষ আত্মহত্যাও করে–এটা তো জানা কথা। তবে বিবাহবিচ্ছেদ আর্থিক ক্ষতিও করে। সমান যোগ্যতার অধিকারী বিবাহিতরা, ডিভোর্সিদের তুলনায় শতকরা ১০-৪০ শতাংশ বেশি উপার্জন করে থাকে। প্রতিবছর পুরো অ্যামেরিকাজুড়ে বিবাহবিচ্ছেদের কারণে জনগণকে কমপক্ষে প্রায় ১১২ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত ট্যাক্স দিতে হয়৷

    আসলে পর্ন ভিডিও বলুন, হলিউডের মুভিই বলুন কিংবা বলিউডের আইটেম সং–সব জায়গাতেই নারীকে বানিয়ে ফেলা হয়েছে সেক্স অবজেক্ট। নারীর একটাই পরিচয় “যৌনবস্তু”। শুধু যেন পুরুষের যৌনপিপাসা মেটানোর জন্যই পৃথিবীতে তার আগমন। অন্যদিকে পুরুষকে উপস্থাপন করা হচ্ছে বাইসেপ ট্রাইসেপের হাটবাজার বসিয়ে ফেলা একজন মাসলম্যান, একজন সেক্স পাওয়ার হাউয হিসাবে। স্বামী-স্ত্রীর পবিত্র ভালোবাসাটাকে সীমাবদ্ধ করে ফেলা হয়েছে “যৌনতার” মাঝে। যেকোনো মূল্যে পাশবিক উপায়ে একে অপরের দেহকে ভোগ করা, ক্ষণিকের সুখ আদায় করে নেয়াটাই যার শেষ কথা এবং আসল উদ্দেশ্য।

    ভালোবাসা যে শুধু দেহের মিলন নয়, ভালোবাসাতে যে মনের মিলনটাই বড় এটা আজ মিথ্যে হতে বসেছে। ভালোবাসার জন্য একসময় পুরুষ দুরন্ত ষাঁড়ের চোখে লাল কাপড় বাঁধতে চেয়েছিল, চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল সারা পৃথিবী তন্ন তন্ন করে খুঁজে ১০৮ টি নীলপদ্ম আনার, প্রিয়তমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে রেখে পার করে দিতে চেয়েছিল সারাটি জীবন, নারীরা কথা দিয়েছিল পথ চেয়ে থাকার অনেক অনেক বছর। আজ সেই নারীরাই, আজ সেই পুরুষরাই “ভালোবাসাটাকে” নির্বিকার মুখে ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছে ডাস্টবিনে।

    পর্ন ভিডিওর নোংরা ফ্যান্টাসির জগৎ থেকে বের হয়ে এসে, ভোগবাদী চিন্তাভাবনাকে দূরে ঠেলে একটু রোমান্টিক হয়ে দেখুন না! স্ত্রীকে ভালোবাসতে আর সম্মান করতে শিখুন রাসূলের মতো করে। পুরস্পরের সীমাবদ্ধতা, দোষ ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দিন। একে অন্যের প্রতি সহনশীল হোন, বিশ্বস্ত হোন।

    ভুলে ভরা গল্প লিখতে লিখতে তো পার করে দিলেন অনেক দীর্ঘাত। অযথা ভুলে ভালোবাসার রৌদ্রোজ্জ্বল, শান্ত, নিরুপদ্রপ চেনা উপকূলে আহ্বান করে নিয়ে আসলেন রুদ্র ঝড়ের সংবাদবাহী কালো মেঘ। আর কত? যথেষ্টেরও বেশি কি হয়নি? এবার তবে থামুন। এক জীবনে আর কত বার নষ্ট হবেন?

    ফাগুনের তারাভরা একরাতে জ্যোৎস্নায় হেলান দিয়ে বসুন দুজনে। কান্নার রং মুছে ফেলে চোখ রাখুন ওর চোখে। হাওয়ার গল্প শুনে পার করুন কিছুটা সময়। নিজের কর্কশ মুঠিতে, জীবনসাথির কোমল মুঠো নিয়ে বলুন,

    “মেয়ে, এখন আমি আমার ভুল বুঝতে পারি। আমার ক্ষমা চাইতে ইচ্ছে করে। ইচ্ছে করে গা ঝাড়া দিয়ে নোংরামিগুলো ফেলে জীবনের পক্ষে দাঁড়াতে, ভালোবাসার সেই চেনা উপকূলে ফিরে আসতে। ইচ্ছেপূরণের এই দুঃসাহসিক যাত্রায় এভাবেই তোমার হাতটা ধরে রাখতে দেবে না?”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রুসেড-১ : গাজী সালাহউদ্দীনের দুঃসাহসিক অভিযান
    Next Article যদ্যপি আমার গুরু – আহমদ ছফা

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }