Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শুদ্ধানন্দ প্রেতসিদ্ধ ও কিকিরা – বিমল কর

    বিমল কর এক পাতা গল্প89 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. তারাপদর দেখা নাই

    ০২.

    দিন তিনেক আর দেখা নেই তারাপদর।

    চারদিনের দিন সন্ধের মুখে তারাপদ হাজির, সঙ্গে চন্দন আর নতুন একটি ছেলে। পরিচয় করিয়ে দেবার আগেই কিকিরা বুঝে নিলেন, ছেলেটি জগন্নাথ।

    ঘরে পা দিয়েই তারাপদ বলল, “কিকিরা-স্যার, আপনার স্যান্ডেল উডকে ধরে এনেছি। আর এই আমাদের জগুদা।”

    কিকিরা হাসিমুখে বললেন, “এসো। বোসো হে জগন্নাথবাবু, বোসো।” বলে চন্দনের দিকে তাকালেন। “কিসের এমন ডিউটি তোমার স্যান্ডেল উড? আজ মাসখানেক বেপাত্তা হয়ে রয়েছ?”

    চন্দন বলল, “বলবেন না, হাসপাতালে গণ্ডগোল, অর্ধেক লোক ছুটিতে। খেটে-খেটে মরছি। তার ওপর শুনছি, জানুয়ারিতে নাকি আমাকে বাইরে ট্রান্সফার করে দেবে। কোথায় দেবে কে জানে! অজ গাঁ-গ্রামে ঠেলে দেবে! আমার মন-মেজাজ বড় খারাপ, কিকিরা!”

    কিকিরা বললেন, “জানুয়ারি! তার এখন মাস-দুই দেরি। এখন থেকে মেজাজ খারাপ করছ কেন! এখন সবেই নভেম্বরের গোড়া!”

    চন্দন বলল, “আপনার আর কী? ভিলেজ ডাক্তারির ঝক্কি তো জানেন না। হাসপাতালের দরজায় বড়ি ফেলে দিয়ে পালায়। ডেঞ্জারাস?”

    তারাপদ রগড় করে বলল, “তোর বডিও একদিন ফেলে দেবে, চাঁদু তুই বরং চাকরি ছেড়ে দে, দিয়ে নফর কুণ্ডু লেনে পি. পি. শুরু কর।

    কিকিরা বললেন, “পি. পি-টা কী?”

    “প্রাইভেট প্র্যাকটিস” বলে হাসতে লাগল তারাপদ। হাসতে হাসতে বলল, “খুব কম খরচে বসে যেতে পারবি। একটা টেবিল, দু-তিনটে চেয়ার, বেঞ্চি একটা। ব্যস! আর তোর লাগবে নাম-ছাপানো প্যাড। একটা স্টেথো। সেটা তোর আছে। কত কম খরচে ব্যবসা বল!”

    কিকিরা, চন্দন, দুজনেই হেসে উঠলেন।

     

     

    জগন্নাথ হাসল না। সে একে নতুন লোক, তায় কিকিরার চেহারা, পোশাক, এই অদ্ভুত ঘরটি দেখে কেমন যেন হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল। তারাপদ তাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে কোথায় ধরে এনেছে? কিকিরাকে দেখলে তো সাকাসের জীব মনে হয়। আর এই ঘরটা যেন চিতপুরের থিয়েটারের সাজ-ভাড়া দেওয়া কোনো দোকান-টোকান।

    জগন্নাথ রীতিমত হতাশ হয়ে পড়ছিল। তারাপদ অবশ্য আগেই বলে দিয়েছিল, “জগুদা, তোমাকে যেখানে নিয়ে যাচ্ছি সেখানে গিয়ে ভড়কে যাবে না, আমাদের কিকিরা রহস্যময় পুরুষ, মিস্টিরিয়াস ক্যারেকটার কিকিরা দি গ্রেট, কিকিরা দি ওয়ান্ডার। ওঁর বাইরের স্টাইল দেখে ভেতরের ব্যাপার বুঝবে না। বাইরে উনি সাকাসের ক্লাউন, ভেতরে হুডিনি। ম্যাজিশিয়ান হুডিনি নাম শুনেছ তো? কিকিরা হলেন হুডিনি প্লাস শার্লক হোমস।”

    জগন্নাথের মনে হল, তারাপদ বাজে কথা বলেছে। কিকিরার ওপর ভরসা করা মানে পুরোপুরি ডুবে যাওয়া।

    তারাপদ জগন্নাথের মুখ দেখে বুঝতে পারছিল জগুদা বেশ হতাশ। কিকিরার দিকে তাকাল সে। বলল, “কিকিরা-স্যার, জগুদার সঙ্গে আপনি কথা বলুন। জগুদা ভাবছে, এ-কোথায় তাকে নিয়ে এলুম! ঘাবড়ে গিয়েছে বেচারি।”

     

     

    কিকিরা জগন্নাথের দিকে তাকালেন, বললেন, “আগে কথা, না, চা?”

    “চা আসছে। বগলাদাকে বলে এসেছি।”

    কিকিরা বললেন, “ভাল করেছ। তা জগন্নাথবাবু, আপনি কি প্রেসিদ্ধ কল্পবৃক্ষর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এসেছেন?” মজার ঢঙেই বললেন কিকিরা।

    জগন্নাথ থতমত খেয়ে গেল। কিকিরার দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে থাকল, কথা বলতে পারল না।

    তারাপদ অবাক হয়ে বলল, “কিকিরা, হাউ স্ট্রেঞ্জ! আপনি কেমন করে জানলেন?”

    কিকিরা হেসে বললেন, “ভৌতিক উপায়ে। আমি স্পিরিট ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। দু’দিন চেষ্টা করে লাইন পেলাম। কলকাতার টেলিফোনের মতন ওদের লাইনেও গোলমাল, জট পাকিয়ে আছে। আমাদের যেমন বর্ষা ওদের তেমন শীত–বেশি কুয়াশা হলেই লাইন নষ্ট বারবার রং নাম্বার।” বলে কিকিরা হাসতে লাগলেন।

     

     

    তারাপদরা হেসে ফেলল।

    শেষে তারাপদ বলল, “আপনি ঠিকই ধরেছেন। জগুদা শুদ্ধানন্দ প্রেতসিদ্ধর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল।”

    “কবে?”

    তারাপদ জগন্নাথের দিকে তাকাল। মানে সে জগুদাকেই জবাবটা দিতে বলল।

    জগন্নাথ খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে নিচু গলায় বলল, “গত পরশু।”

    “দেখা হল প্রেতসিদ্ধর সঙ্গে?”

    “আমি বাড়িটার মধ্যে ঢুকিনি। ঢুকতে ভয় হল। বাইরে থেকে দেখে এলাম।”

    “বাইরে থেকে! কী দেখলে?”

     

     

    “গলির নাম কাঁঠালতলা নয়। লোকে বলে, কাঁঠালতলা। গলির মুখে বিরাট এক কাঁঠালগাছ। কত কালের গাছ কে জানে! সরু গলি, বাই লেনের মতন। ইট বাঁধানো গলির একদিকে কোনো বড় গুদোম-টুদোম হবে, কিসের জানি না, পাঁচিল তোলা রয়েছে। মাথায় পুরনো টিনের ছাউনি। লঙ্কার ঝাঁঝ নাকে আসছিল। বোধ হয় মশলাপাতি থাকে ওখানে। মশলা-গুদোম। বাঁ দিকে গুদোম, ডান দিকে ভাঙাচোরা কয়েকটা বাড়ি। অনেক পুরনো। ওখানে কারা থাকে জানি না, জনকতক মুটে-মজুর, ঠেলাওয়ালা দেখলাম। গলির শেষে একটা পোড়ো বাগানবাড়ির মতন বাড়ি। সামনের দিকে ঝোঁপঝাড়, আগাছা। ভেতরে এক বাড়ি। কম সে কম শ’ সোওয়া-শো বছরের হবে।”

    কিকিরা বললেন, “তুমি বাড়ির কাছে গিয়েছিলে?”

    মাথা নেড়ে জগন্নাথ বলল, “খুব কাছে যাইনি। যেতে ভয় করছিল।”

    “ভয় ছিল! কিছু দেখলে ওখানে?”

    “আজ্ঞে দেখেছি।”

     

     

    “কী দেখলে?”

    “দু-তিনজনকে দেখলাম, বাড়িটার মধ্যে ঢুকছে।”

    “একসঙ্গে?”

    “প্রথমে ঢুকল দু’জন। খানিকটা পরে একজন।”

    “সাজপোশাক কেমন, বয়েস কত হবে আন্দাজে, বাঙালি না অন্য কিছু?”

    জগন্নাথ বলল, “তিনজনেই বাঙালি বলে মনে হল না। অবাঙালিও রয়েছে। বয়েস কম নয়। আমার চেয়ে বড়। একজনের তো মাথার চুলই সাদা-সাদা লাগল। সন্ধে হয়ে গিয়েছিল, জ্যোৎস্নাও ফুটেছিল। তবু আমি ভাল করে দেখতে পাইনি। আমার ভয়ও করছিল। আমি যেখানে লুকিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম, সেখানটায় বোধ হয় আগে দরোয়ানের ঘর ছিল। এখন সব ভাঙাচোরা, চারদিকে কুলঝোঁপ!”

     

     

    কিকিরা বললেন, “কতক্ষণ ছিলে তুমি?”

    “বড়জোর আধ ঘণ্টা।”

    “আর কিছু দেখোনি?”।

    “আজ্ঞে, আর-একটা জিনিস দেখেছি। একটা লোক বড় প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে কাকে যেন পুরে কাঁধে করে বাড়ির মধ্যে ঢুকে গেল।”

    চন্দন আর তারাপদ চোখ চাওয়াচাওয়ি করল। কিকিরাও যেন অবাক হলেন।

    তারাপদ কিকিরাকে বলল, “জগুদা আমাকে বলেছে, স্যার। আমার মনে হয়, জগুদা ভুল দেখেছে। আজকাল কত তাড়াতাড়ি অন্ধকার হয়ে যায়, আপনি দেখেছেন! জগুদা বলছে, বাড়িটার কাছাকাছি কোনো আলোও জ্বলছিল না। ব্যাপারটা চোখের ভুল।”

     

     

    কথার মধ্যে বাধা দিয়ে জগন্নাথ বলল, “চোখের ভুল নয়। আমি দেখেছি। অন্ধকার হয়ে এলেও এখন শুক্লপক্ষ। চাঁদের আলো ছিল। গতকাল পূর্ণিমা গিয়েছে।”

    কিকিরা বললেন, “প্লাস্টিকের ব্যাগে লোক ঢোকে কেমন করে?”

    জগন্নাথ বলল, “বড় ব্যাগ। মুড়ি-অলারা যেমন প্লাস্টিকের ব্যাগ মাথায় নিয়ে মুড়ি বিক্রি করতে যায়, সেইরকম।“

    “ব্যাগের মধ্যে মানুষ ছিল তুমি বুঝলে কেমন করে?”

    “দেখলাম।”

    “ভুল দেখোনি?”

    “কী জানি, আমার চোখে তো মানুষই মনে হল।”

     

     

    চন্দন এতক্ষণ চুপচাপ ছিল, এবারে বলল, “একজন মানুষের ওজন কত হতে পারে? রোগাসোগা হলেও মিনিমাম চল্লিশ-পঁয়তাল্লিশ কেজির মতন। সাবালকের কথা বলছি। বাচ্চা-কাচ্চা হলে অন্য কথা। একজন সাবালক, মানুষকে কাঁধে করে বয়ে নিয়ে যাওয়া সোজা কথা?”

    জগন্নাথ বলল, “বাঃ, ঘাড়ে-পিঠে করে আমরা মানুষ বই না! আগের দিনে কলকাতার বাবুরা ঝাঁকামুটের মাথায় চেপে অফিস-কাছারি যেত।”

    চন্দন হেসে ফেলে বলল, “সেই মুটে, সেই বাবু এখন আর নেই। জগন্নাথবাবু! অবশ্য হ্যাঁ, ঘাড়ে-পিঠে আমরা মানুষ বই বইকি এখনও। তবে তার প্রসেস আলাদা।”

    কিকিরা বললেন, “তুমি কি ঠিকই দেখেছ, জগন্নাথ?”

    “আমার তাই মনে হয়।”

     

     

    কিকিরা কথা ঘুরিয়ে নিলেন। বললেন, “তুমি তারপরই চলে এসেছ।

    “হ্যাঁ। আমার এমনিতেই ভয় করছিল। তার ওপর লোকজন ঢুকছে, প্লাস্টিকের ব্যাগে-ভরা মানুষ, এইসব দেখে আমি পালিয়ে এলাম”।

    তারাপদ বলল, “কিকিরা-স্যার, জগুদা এমনিতেই ভিতু মানুষ, নার্ভাস, নিরীহ। জগুদা যে কেমন করে ওখানে গিয়েছিল, কোন সাহসে, তাই আমি বুঝতে পারছি না। না।”

    জগন্নাথ কোনো জবাব দিল না।

    এমন সময় চা নিয়ে এল বগলা। গোল বড় ট্রে করে চা এনেছে। চায়ের সঙ্গে ডালপুরি, আলুর দম; একটা করে ডবল শোনপাপড়ি।

    কিকিরা বললেন, “নাও হে তোমরা, হাত লাগাও। এ ডালপুরি হাউস মেড নয়, গণেশের দোকানের। ভালই করে। খাও।”

     

     

    নিজে কিকিরা কিছু নিলেন না, শুধু চায়ের কাপটি তুলে নিলেন।

    চন্দন খাবারের দিকে হাত বাড়াল। বলল, “গরম আছে রে তারাপদ, নিয়ে নে। আপনিও নিন জগন্নাথবাবু।“

    ওরা খাওয়া শুরু করল।

    কিকিরা জগন্নাথকে লক্ষ করতে লাগলেন। আধময়লা রং জগন্নাথের। মাথায় মাঝারি। সামান্য গোলগাল চেহারা। মাথায় চুল কম। মুখটি দেখলেই বোঝা যায়, ছেলেটি নিরীহ ধরনের, গোল-গোল চোখ, মোটা নাক, ছোট কপাল। কত আর বয়েস হবে। বড়জোর ঊনত্রিশ-ত্রিশ।

    কিকিরা জগন্নাথকে বললেন, “এবার একটা কথা বলো তো?”

    তাকিয়ে থাকল জগন্নাথ।

    “তুমি যে ওই প্রেতসিদ্ধ কল্পবৃক্ষটির কাছে গিয়েছিলে, কেন গিয়েছিলে?”

     

     

    জগন্নাথ চুপ। যেন তার মুখে কোনো জবাব জুটছে না। ইতস্তত করতে লাগল। চোখ নিচু করল।

    কিকিরা নিজেই বললেন, “তুমি ওই প্রেতসিদ্ধর চিঠির কথা বিশ্বাস করো?”

    জগন্নাথ চোখ তুলে তারাপদর দিকে তাকাল, চন্দনকেও দেখল। কী বলবে বুঝতে পারছিল না। বোধ হয় তার সঙ্কোচও হচ্ছিল। শেষে ভাঙা-ভাঙা ভাবে সামান্য আড়ষ্ট হয়ে বলল, “দেখতে গিয়েছিলাম।”

    “কেন?”

    “মনে হল…”

    “তোমার মনে হল, ওই লোকটার কথা যদি সত্যি হয়। তাই না?”

    জগন্নাথ আবার চোখ নিচু করল। অল্প সময় চুপ করে থেকে বলল, “আজ্ঞে হ্যাঁ। ..আপনি আমাদের বাড়ির কথা কিছু জানেন না। আমার বাবা একজন জুয়েলার ছিলেন। অবস্থা পড়ে যাবার পর তিনি নিজে আর তেমন ব্যবসাপত্র করতে পারতেন না। কলকাতার কয়েকটা বড়-বড় জুয়েলারের দোকানে আসা-যাওয়া করতেন। তাদের পাথর-টাথর পরখ করে দিতেন। নিজে কোনো অডার পেলে দোকান থেকে কিনিয়ে দিতেন। তাঁর একটা কমিশন থাকত।” কথা বলতে বলতে হঠাৎ চুপ করে গেল জগন্নাথ। যেন বাবার কথা ভাবছিল। খানিকটা উদাস বিষণ্ণ হয়ে থাকল অল্পক্ষণ। পরে আবার বলল, “আমার বাবা অদ্ভুতভাবে মারা যান। একদিন বর্ষার সময় রাত করে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ির কাছাকাছি যখন, তখন একটা মোটর সাইকেল এসে তাঁকে ধাক্কা মারে। বাবা হুমড়ি খেয়ে পড়ে যান রাস্তায়। তাঁর কোমরের কাছে লেগেছিল। বাবাকে রাস্তায় পড়ে যেতে দেখে দুজন পাড়ার রিকশঅলা হইচই করে ওঠে। মোটর সাইকেলঅলা পালিয়ে যায়। বাবাকে ওরা বাড়ি পৌঁছে দেয়। কিন্তু বাবার কোথায় যে লেগেছিল কে জানে, দিন-তিনেকের মাথায় হাসপাতালে মারা যান। বাবা কম বয়েসেই মারা গেলেন।”

    কিকিরা জগন্নাথের বিষণ্ণ মুখের দিকে কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে থাকলেন, তারপর নরম গলায় বললেন, “কী আর করবে! তোমার ভাগ্য! ওই তারাপদরও তো একই অবস্থা। ওকেও মা বাবা হারাতে হয়েছে কম বয়েসেই।”

    তারাপদ বলল, “আমি জগুদাকে বলেছি সব। ও-নিয়ে আর দুঃখ করে লাভ নেই। আমাদের মতন আরও কত ছেলেমেয়ে আছে!”

    কিকিরা বললেন, জগন্নাথকে, “তোমার মা কতদিন হল নেই?”

    “মা আজ প্রায় দেড় বছর হল নেই। গত বছরের গোড়ার দিকে মা মারা যান।”

    “কী হয়েছিল?”

    “বুকে ব্যথা। আমি তখন অফিসে। খবর পেয়ে বাড়ি গিয়ে দেখি, মা নেই। মাকে হাসপাতাল নিয়ে যাবারও সুযোগ হয়নি। আগেই মারা গিয়েছেন।”

    “হার্ট অ্যাটাক?”

    “হ্যাঁ। মায়ের হার্টের রোগ ছিল। তবে হঠাৎ এমন হবে কেউ ভাবেনি।”

    চন্দন বলল, “হার্টের রোগের ব্যাপারটা বড় ট্রেচারাস। কখন কী হয়ে যায় কেউ বলতে পারে না। “

    কিকিরা চা শেষ করে চুরুটের খাপটা টেনে নিলেন। মাঝে-মাঝে শখ করে চুরুট খান। বড় চুরুট পছন্দ করেন না। সরু-সরু আঙুলের মতন পাঁচ-দশটা চুরুট তাঁর সব সময়েই মজুত থাকে।

    চুরুট ধরিয়ে কিকিরা জগন্নাথকে বললেন, “এবার একটু অন্য কথা বলা যাক। আমার প্রথম কথা হল, ওই প্রেসিদ্ধ শুদ্ধানন্দ কল্পবৃক্ষটির কথা তুমি বিশ্বাস করছ কেন?”

    জগন্নাথ মুখ তুলে তাকিয়ে থাকল। জবাব দিতে পারছিল না। শেষে বলল, “পুরো বিশ্বাস করিনি।”

    “বিশ্বাস না করলে চিঠিটা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছ কেন?”

    জগন্নাথ মাথা চুলকোতে-চুলকোতে বলল, “ঠিক বিশ্ব নয়, তবে এরকম হয় শুনেছি।”

    “কী শুনেছ?”

    কী শুনেছে জগন্নাথ বলতে যেন লজ্জা পাচ্ছিল। কিংবা সঠিকভাবে জানে না বলে চট করে বলতে পারছিল না। ইতস্তত করে বলল, “আমার এক পিসেমশাই সাহেব কোম্পানিতে হেড ক্যাশিয়ার ছিলেন। একবার ক্যাশ থেকে হাজার চল্লিশ টাকা তছরুপ হয়। পিসেমশাইয়ের হাতে হাতকড়া পড়ার অবস্থা। পিসেমশাই, তো লজ্জায়, অপমানে, ভয়ে আত্মহত্যাই করতে যাচ্ছিলেন। পিসিমাই তাঁকে বাঁচিয়ে দেন। পিসিমা আগেই মারা গিয়েছিলেন। তাঁর আত্মা এসে পিসেমশাইকে বলে দেয়, টাকাটা কে নিয়েছে, নিয়ে কোথায় রেখেছে?”

    তারাপদ আর চন্দন হেসে উঠল। কিকিরা হাসলেন না।

    তারাপদদের হাসিতে জগন্নাথ ক্ষুণ্ণ হল। বলল, “বিশ্বাস না করলে আমি আর কী করব। তবে এরকম ঘটনা আমি আরও শুনেছি। আমাদের পাড়ার মথুরজেঠা একবার বিশেষ দরকারে বাড়ির সিন্দুক থেকে দরকারি দলিলপত্র বার করেছিলেন। পরে সেই দলিলপত্র হারিয়ে যায়। ওই দলিল শেষ পর্যন্ত পাওয়া গেল মথুরজেঠারই বইয়ের আলমারির নিচের তাকে, পুরনো পাঁজির আড়ালে। জেঠার বাবার আত্মা এসে বলে গিয়েছিল। নয়ত ওই পুরনো দলিল আর সময়মতন খুঁজে পাওয়া যেত না।”

    চন্দন এবার পকেট থেকে সিগারেটের প্যাকেট বার করল। তারাপদকে সিগারেট দিল। বলল, “জগন্নাথবাবু, এসব হল গল্প। আপনি এগুলো বিশ্বাস করেন?”

    জগন্নাথ বলল, “বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে না, তবু মনে হয়, হতেও তো পারে। কোনটা সত্যি কোনটা মিথ্যে কেমন করে বলব! এই তো সেদিন কাগজে পড়ছিলাম, একজন নামকরা বিজ্ঞানী যাচ্ছিলেন বিদেশে, এক সেমিনারে। সকালে তাঁর প্লেন। রাত্রে ঘুমের মধ্যে মাকে স্বপ্ন দেখলেন। মা বারণ করলেন ওই প্লেনে যেতে। ভদ্রলোকের মন খুঁতখুঁত করতে লাগল। তিনি শেষ পর্যন্ত সকালের প্লেনে গেলেন না। দুপুরে দিল্লির প্লেন ধরলেন। সকালের প্লেনটায় অদ্ভুতভাবে অ্যাকসিডেন্ট হল। মারা গেল কত প্যাসেঞ্জার। এ-সব কেন হয় কে জানে! হয়।”

    তারাপদ সিগারেট ধরিয়ে বলল, “কাকতালীয় ব্যাপার…!”

    কিকিরা কিছুক্ষণ কথা বলেননি। এবার বললেন, জগন্নাথকে, “হয় কি হয় না সেটা পরের কথা। তার আগে তুমি আমায় বলল তো, বোনের বিয়ে নিয়ে তুমি খুব চিন্তায় আছ, তাই না?”

    জগন্নাথ মাথা হেলিয়ে বলল, “হ্যাঁ। মা বেঁচে থাকতে কত খোঁজখবর করতেন। মা তো মারা গেলেন। আমার আর কেউ নেই, এই বোনটি ছাড়া। ওর জন্য আমি সারাদিন ভাবি। ওর বিয়ে হয়ে গেলে আমার দায়িত্ব চুকবে।”

    কিকিরা বললেন, “বিয়ের কি সব ঠিকঠাক হয়েছে!”

    “আজ্ঞে না। কথাবার্তা এক-একবার হয়। আর এগোয় না। আমরা গরিব মানুষ। বাবা মারা যাবার পর মা আমাদের বড় কষ্ট করে মানুষ করেছিলেন। মা আর নেই। আমি যে কেমন করে ঝুমুর বিয়ে দেব কে জানে?”

    কিছুক্ষণ আর কথা বলল না কেউ।

    শেষে কিকিরা বললেন, “জগন্নাথ, একটা কথা বলো তো? তোমার একথা কেন মনে হচ্ছে যে, তোমার মা তোমার বোনের বিয়ে-থার জন্য কিংবা তোমাদের আপদ-বিপদের জন্য কম হোক, বেশি হোক–কিছু সোনাদানা, টাকা কোথাও লুকিয়ে রেখে গিয়েছেন।”

    জগন্নাথ বোকার মতন তাকিয়ে থাকল। কী বলবে বুঝতে পারছিল না। পরে বলল, “আমার মনে হত না। ওই চিঠিটা পেয়ে আমি প্রথমে বিশ্বাসও করিনি। ভেবেছিলাম, কোনো বাজে লোক আমার সঙ্গে তামাশা করেছে। ওটা উড়ো চিঠি। পরে পাঁচরকম ভাবতে-ভাবতে আমার মনে হল, মা মাঝে-মাঝে বলতেন, ঝুমুর বিয়ের জন্যে ভাবতে হবে না, একটা ব্যবস্থা মা করে রেখেছেন। কী ব্যবস্থা, মা অবশ্য বলতেন না। কথাটা মনে হবার পর আমার কেমন…।” কথাটা আর শেষ করল না জগন্নাথ।

    কিকিরা ঘাড় নাড়তে-নাড়তে বললেন, “বুঝেছি। তোমার মনে হচ্ছে হয়ত মা কোথাও কিছু রেখে গেছেন লুকিয়ে।”

    “আজ্ঞে হ্যাঁ।”

    কিকিরা তাঁর মাথার লম্বা-লম্বা চুল ঘাঁটতে-ঘাঁটতে আচমকা বললেন, “জগন্নাথ, তোমার বাবা না জুয়েলার ছিলেন? দামি পাথর-টাথর পরখ করতে পারতেন?”।

    “হ্যাঁ। বাবার খুব নামডাক ছিল। বাবা পাথর যাচাইয়ে এক্সপার্ট ছিলেন। দামটামও ঠিক করতে পারতেন। হীরের ব্যাপারে বাবার চেয়ে বড় আর কেউ ছিল না।”

    “হঁ। তোমার বাবা মোটর সাইকেলের ধাক্কায় ভীষণ জখম হন। মারাও যান। এইখানটায় যে গোলমাল লাগছে, জগন্নাথ। উনি জখম হন, না, ওঁকে জখম করা হয়? একটু তো ভাবতে হয় হে। দু-একটা দিন সময় দরকার। না কি হে চন্দন?”

    চন্দন কোনো জবাব দিল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর
    Next Article সেই অদৃশ্য লোকটি – বিমল কর

    Related Articles

    বিমল কর

    কাপালিকরা এখনও আছে – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    রাজবাড়ির ছোরা – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    ঘোড়া সাহেবের কুঠি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    সেই অদৃশ্য লোকটি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    কিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    একা একা – বিমল কর

    October 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }