Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শুদ্ধানন্দ প্রেতসিদ্ধ ও কিকিরা – বিমল কর

    বিমল কর এক পাতা গল্প89 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. আড়ালে তারাপদ

    ০৩.

    জগন্নাথকে বলেননি কিকিরা, আড়ালে তারাপদকে বলে দিয়েছিলেন।

    পরের দিন শনিবার। বিকেল-বিকেলই এল তারাপদ। চন্দনকে সঙ্গে নিয়েই এসেছে।

    কিকিরা মোটামুটি তৈরি ছিলেন। বললেন, “আমি রেডি। শুধু তোমাদের জন্যে বসে ছিলাম। একটু টি টেকিং করে চলো বেরিয়ে পড়ি। বগলাকে বলি।”

    কিকিরাকে যেতে হল না, তারাপদই হাঁক মেরে বলল, “বগলাদা তিন কাপ চা। শুধু চা। একটু তাড়াতাড়ি।”

    চন্দন বলল, “আর্টটা নাগাদ ফিরতে হবে, কিকিরা। আমার একটা জরুরি কাজ আছে।”

    কিকিরা বললেন, “আগেই ফিরে আসব।”

    “আজ আপনি কী দেখতে যাচ্ছেন?”

    “শুদ্ধানন্দজির ঘাঁটি। জায়গাটা একবার নিজের চোখে দেখে নেওয়া উচিত।” বলে উঠে গিয়ে একটা কাগজ তুলে আনলেন টেবিল থেকে। ভাঁজ করা কাগজ। কাগজটা খুলে নিতে নিতে বললেন, “কলকাতার ম্যাপ। বছর বিশ-পঁচিশ আগে ছাপা। রাস্তা থেকে একটা কিনে রেখেছিলুম। এত বড় শহর, কয়েকশো পাড়া, হাজার কয়েক গলি, বাই-গলি, মানে বাই লেন, কে তার হিসেব রাখে গো! আর নামের কত বাহার বাবা! গুমঘর লেন, কর্ক লেন, ঝাঁপতলা বাই লেন…, গুলু ওস্তাগর…নামের ফুলঝুরি। তা এই ম্যাপ থেকে দেখছি–চিতপুর দিয়ে এগোলেই বা ব্র্যান্ড রোড ধরেও আমরা যেতে পারি।”

    তারাপদ আর চন্দন ম্যাপ দেখায় গা করল না। ইশারায় বোঝাতে চাইল, ম্যাপের দরকার নেই, জায়গাটা খুঁজে নেওয়া যাবে।

    কিকিরা ম্যাপটা ভাঁজ করতে করতে বললেন, “জগন্নাথের খবর কী?”

    “নতুন কিছু নয়, তারাপদ বলল।

    “কিছু বলছিল?”

     

     

    “না, ওই বলছিল–কিকিরা কী করেন? ম্যাজিক দেখান? …আমি বললাম,

    এখন আর স্টেজে ম্যাজিক দেখান না, রিয়েল লাইফে ম্যাজিক দেখিয়ে বেড়ান।” বলে তারাপদ ঘসতে লাগল।

    কিকিরাও হাসলেন।

    চন্দন জগন্নাথের চিঠির ব্যাপারে কাল থেকেই খুঁতখুঁত করছিল।বলল, “আমার কিন্তু মনে হচ্ছে, ব্যাপারটা ঠাট্টা-তামাশা। কোনো বন্ধু বান্ধব বা জানাশোনা কেউ জগন্নাথের সঙ্গে মজা করেছে।”

    তারাপদ বলল, “তা কেমন করে হবে!” বলে কিকিরার দিকে তাকাল, বলল আবার, “চাঁদু একটা জিনিস বুঝছে না। এটা যদি মজা হত, ঠাট্টা হত–জগুদা কাঁঠালতলার গলিতে গিয়ে ওরকম একটা বাড়ি দেখত না। না হয় বাড়িটাই শুধু দেখত, কলকাতায় পুরনো অলিগলিতে অমন বাড়ি নিশ্চয় অনেক আছে। কিন্তু জগুদা কি প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে একটা মানুষকে পুরে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে তা দেখতে পেত? না কি, ওই যে তিনটে নোক ঢুকছে–তাদের দেখত?…জগুদা মানুষটা ভিতু, গোবেচারা, বোকাসোকা, কিন্তু কিকিরা-স্যার, একটা কথা ঠিক, জগুদা কখনোই মিথ্যে কথা বলবে না এ ব্যাপারে। বলে কী লাভ!”

     

     

    কিকিরা মাথা নাড়লেন। বললেন, “আমারও সেরকম মনে হয়। জগন্নাথ সাদাসিধে, সরল ছেলে। ওর কথাবার্তা থেকেই সেটা বোঝা যায়। মিথ্যে কথা জগন্নাথ বলেনি। তবে ও যে ঠিক কী দেখেছে, ভুল দেখেছে চোখে, না। সত্যি-সত্যি যা দেখেছে সেটাই বলছে, সে-ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে।”

    চন্দন বলল, “কিকিরা, ভয়ের সময় মানুষ অনেক ভুতুড়ে জিনিস দেখে। এটা তার দোষ নয়, আমাদের সকলেরই চোখ মাথা বুদ্ধি ভয়ের সময় স্বাভাবিক। কাজ করতে পারে না। তারাপদকে মর্গের মধ্যে নিয়ে গিয়ে একদিন রেখে দিলেই দেখবেন ওর কী হাল হয়েছে!”

    তারাপদ বলল, “চাঁদু, জগুদা ভিতু ঠিকই, কিন্তু সে মিথ্যে কথা বলার লোক নয়।”

    চন্দন বলল, “মিথ্যে কথা বলছে জগন্নাথ–তা তো বলিনি। আমি বলছি, চোখে ভুল দেখেছে। একটা সার্বালক মানুষকে ওভাবে মুড়ির ব্যাগে করে ভরে মাথায় চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় না। অসম্ভব।”

    কিকিরা বললেন, “স্যান্ডেল উড, তুমি সাবালক মানুষ বলছ কেন?”

     

     

    চন্দন তাকাল। কিছু বুঝতে পারল না। বলল, “কেন?”

    “ধরো ওটা মানুষ নয়, মানুষ-পুতুল। মানে, মানুষের নকল বা ডামি?”

    “ডামি?”

    “আর ওটা যে ঠিক সাবালকই ছিল, জগন্নাথ এমন কথাও বলেনি।“

    চন্দন তাকিয়ে থাকল। কথা বলল না। ডামি? কথাটা যেন সে ভাবছিল অন্যমনস্কভাবে।

    কিকিরা বললেন, “কাপড়চোপড়ের দোকানে, বড়-বড় টেলারিং শপে যে ডামি দেখো তার ওজন কত হে? আজকাল তো আবার শুনি প্লাস্টিকের, পেপার পাল্পের ছাঁচ করে মুখ হাত পা তৈরি হচ্ছে। এতে ফিনিশ ভাল হয়। আর ওজন…? হালকা, একেবারেই হালকা…।”

    চন্দন আগে কথাটা ভাবেনি, এখন তার মনে হল, সত্যি তো একটা ডামির আর ওজন কত হবে। নিতান্ত ফাঁপা ফাঁকা বস্তু, ওপরের খোলটাই সব। প্লাস্টিকের ব্যাগে করে ও-জিনিস অনায়াসেই বয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। তবে হ্যাঁ, ব্যাগের মধ্যে ধরে এমন ডামি হতে হবে। মুড়ি মাথায় করে যারা ঘুরে বেড়ায়, তাদের প্লাস্টিকের ব্যাগের মাপটা আন্দাজ করলে মনে হয়, সাবালক ছেলেমেয়েকে দাঁড় করানো অবস্থায় তার মধ্যে ঢোকানো মুশকিল। নাবালক বাচ্চাকাচ্চাকে অবশ্য ঢোকানো চলে।

     

     

    চন্দন এবার একটু লজ্জা পেয়ে বলল, “ডামির কথা আমি ভাবিনি, কিকিরা, সরি। আপনার তো বেশ মাথায় এসেছে।”

    তারাপদ হঠাৎ বলল, “স্যার, আমি সেদিন কোথায় যেন একটা ছবি। দেখছিলাম সিনেমার। একটা ডামিকে পাঁচতলার ছাদ থেকে ফেলে দিচ্ছে।”

    কিকিরা বললেন, “একসময় মাটি দিয়ে, ছেঁড়া কাপড়চোপড়, তুলো, কাঠের গুঁড়ো পুরে ডামি করা হত। দিনকাল পালটে গিয়েছে। এখন যা ডামি করে আসল-নকল বোঝা যায় না।”

    বগলা চা নিয়ে এসেছিল। চা রেখে দিয়ে চলে গেল।

    চায়ের কাপ তুলে নিয়ে তারাপদ বলল, “নিন, চা খেয়ে নিন। তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়তে হবে।”

    কিকিরা বললেন, “সন্ধের মুখে-মুখে পৌঁছতে পারলেই ভাল।”

    “কেন?”

     

     

    “লুকিয়ে-চুরিয়ে দেখতে হবে প্রেতসিদ্ধর আখড়া। কারও চোখে পড়তে চাই না। তবে আজকাল তো পাঁচটা বাজলেই অন্ধকার হয়ে যায়। আমরা ঠিক সময়ে পৌঁছে যাব।”

    চন্দন চা খাচ্ছিল; বলল, “স্যার, আজ শনিবার। আজ প্রেতসিদ্ধর আখড়ায় গ্যাদারিং বেশিই হতে পারে। তাই নয়?”

    কিকিরা মজার গলায় বললেন, “শনিবার বারবেলার পর টাইমটা ভাল। মনে হয়, মক্কেল ভালই হবে। চলো, দেখা যাক কী হয়!”

    চা খাওয়া শেষ করে উঠতে উঠতে সামান্য সময় লাগল। তারপর উঠে পড়ল তিনজনে।

    .

    ট্যাক্সিতে যেতে-যেতে কিকিরা বললেন, “তারাপদ, জগন্নাথের জ্ঞাতিগুষ্ঠি যারা একই বাড়িতে থাকে ওর সঙ্গে, তাদের তুমি চেনো?”

     

     

    মাথা নাড়ল তারাপদ। বলল, “চেনা বলতে দু’-একজনকে দেখেছি। জগুদার বাড়িতে আমি বার তিন-চার গিয়েছি। তখনই যা দেখেছি। সকলকে নয়, দু-একজনকে চিনি।”

    “জগন্নাথ তার জ্ঞাতিদের সম্পর্কে কিছু বলে না?”

    “কারও কারও সম্পর্কে বলে।”

    “যেমন?”

    তারাপদ রাস্তা দেখছিল। কলকাতার রাস্তায় বাতি জ্বলে উঠেছে। আজ খানিকটা মেঘলা রয়েছে। বৃষ্টি হবার আশা অবশ্য নেই। কিন্তু মেঘলার দরুন, ধুলো আর হালকা কুয়াশা মিলে অন্যদিনের তুলনায় ঝাপসা ভাবটা বেশিই হয়েছে আজ।

    তারাপদ বলল, “জগুদা কী বলে জানতে চাইছেন?…জগুদার মুখে দু’জনের। কথা বেশি শুনেছি। একজন তার কাকা, জ্ঞাতিসম্পর্কে। পুরো নাম জানি না, জগুদা বলে, কুমারকাকা। অন্যজন জগুদার দাদা হয় সম্পর্কে, বাচ্চুদা। দু’জনেই নচ্ছার টাইপের। জগুদাকে বিরক্ত করে, খোঁচায়, তামাশা করে তাকে নিয়ে। আসলে ওরা জগুদাকে পছন্দ করে না। জগুদাও ওদের দেখতে পারে। না।”

     

     

    চন্দন বলল, “তুই একদিন একটা লোকের সঙ্গে কথা বলছিলি কলেজ স্কোয়ারে দাঁড়িয়ে, সেই লোকটা?” বলে চন্দন তারাপদকে ইশারায় যেন বোঝাতে চাইল, ঘাড়ে-গদানে হওয়া একটা লোক কি না!

    তারাপদ ভাবল একটু। বলল, “কবে বল তো?”

    “আরে সেই যে ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউটে নাটক দেখতে গেলাম..”

    “ও! না, না, সে তো আমাদের বিল সেকশানের জয়ন্তদা। জয়ন্তকুমার। এ অন্য। এর নাম জানি না। জগুদা বলে কুমার কাকা। আমি ভদ্রলোককে দেখেছি। চোখে চিনি। হিন্দি সিনেমার ফাইটারদের মতন দেখতে। সলিড বডি।”

    “বয়েস কত?” কিকিরা জিজ্ঞেস করলেন।

    “ক-ত আর! বছর বিয়াল্লিশ-চুয়াল্লিশ। দারুণ বডি।”

    “ও! আর তোমার ওই বাচ্চুদা?”

     

     

    “সেটাকে একেবারে পাড়ার গুণ্ডা বদমাশের মতন দেখতে। চেহারা দেখলে আপনি হাসবেন। ল্যাকপ্যাক করছে। তবে স্যার, তার ড্রেস, চোখে গগলস, গলায় রুপোর চেন, মাথার চুল দেখলে বুঝতে পারবেন পাড়ার ঘাঁটিতে তার প্রেস্টিজ আছে। রেসিং সাইকেল নিয়ে ঘোরে। সাইকেলে নাকি ব্রেক নেই, ঘন্টিও নয়।”

    চন্দন হেসে ফেলে বলল, “ব্রেকলেস বাচ্চু। …ব্রেক থাকবে না পায়ে ব্রেক মেরে সাইকেল থামাবে, ঘণ্টি থাকবে না–তোর ঘাড়ে পড়তে পড়তে পড়বে না, বেরিয়ে যাবে শাঁ করে, এ-সব হল কায়দা। যার যত কায়দা সে তত বড় হিরো। জানিস?”

    জানে তারাপদ।

    কিকিরা বললেন, “ব্রেকলেসবার বয়েস কত?”

    “জগুদার চেয়ে এক-আধ বছরের বড়। জগুদা যা বলে।

     

     

    “এরা দু’জন করে কী?”

    তারাপদ বলল, “বাচ্চু কিছুই করে না। পাড়ার কাছে কোথায় একটা লন্ড্রি খুলেছিল একবার। বলত, শালকরের দোকান। কিছু শাল ঝেড়ে দিয়ে দোকান বন্ধ করে দেয়। তারপর কিছুদিন ও-পাড়ার কোনো সিনেমা হাউসের টিকিট ব্ল্যাকে নেমেছিল। পুলিশ ওকে ধোলাই দেবার পর সেটাও ছেড়ে দেয়। এখন কী করে জানি না।”

    কিকিরা বললেন, “বাঃ! দুটিই রত্ন। কাকা-ভাইপো। বডিবিল্ডার-কুমার আর ব্রেকলেস বাচ্চু! ভেরি গুড।”

    চন্দনের খেয়াল হল। বলল, “এখানে নেমে পড়া ভাল।“

    তারাপদ সঙ্গে-সঙ্গে ট্যাক্সি থামাতে বলল।

    .

    খানিকটা আগেই নেমে পড়েছিল তারাপদরা। হাঁটতে লাগল। রাস্তার লোকজনকে জিজ্ঞেস করছিল মাঝেসাঝে। উত্তর কলকাতার এই জায়গাটার যেমন কেমন মরা-অবস্থা। আদ্যিকালের এলাকা বলেই বোধ হয় তার আর কোনো শোভা নেই। রাস্তা, দোকান, বাড়িঘর সবই খাপছাড়া, ভাঙাচোরা। পুরনো দিনের গন্ধও বুঝি পাওয়া যায়।

     

     

    অনেকটা এগিয়ে এসে তারাপদ বলল, “কিকিরা-স্যার, আমরা কি গঙ্গার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি?”

    কিকিরা মাথা নাড়লেন।

    চন্দন বলল, “চিতপুরের এইসব এলাকা এককালে কলকাতার বনেদি পাড়া ছিল, তাই নয় কিকিরা?”

    কিকিরা বললেন, “ছিল বই কি!” বলে তারাপদর দিকে মুখ ফেরালেন। বললেন, “তারাপদ, তুমি জগন্নাথের বাবা সম্পর্কে কিছু জানো?”

    তারাপদ অবাক হয়ে বলল, “জগুদার বাবা! না, জগুদার বাবা সম্পর্কে কেমন করে জানব! জগুদার বাবা! না, জগুদার মুখে আপনি যা শুনেছেন আমিও তাই শুনেছি। বরং সেদিন আপনার কাছে জগুদা বাবার কথা খানিকটা বলল, আমি অতটাও আগে শুনিনি।”

    চন্দন বলল, “যাচ্ছি আমরা প্রেতসিদ্ধকে খুঁজতে, আপনি জগন্নাথের বাবার কথা তুলছেন কেন?”

     

     

    কিকিরা বললেন, “গাছের শেকড়টা বোধ হয় ওই বাবাতেই ছড়িয়ে আছে। এ যা দেখছ–এগুলো ওপরের ডালপালা।”

    “মানে?”

    “মানেটা বোঝবার চেষ্টা করো স্যান্ডেল উড! তুমি তো ডাক্তার। একটা লোক এসে তোমায় বলল, তার মাথা ব্যথা করছে, তুমি তখন কী করবে? ব্যথাটা কেন, কী থেকে হচ্ছে জানার চেষ্টা করবে না। এটাও হল সেইরকম। শুদ্ধানন্দ বাবাজি হল পরের ব্যাপার, আগের ব্যাপারটা তো জানতে হবে।”

    তারাপদ হঠাৎ বলল, “স্যার, আমরা বোধ হয় এসে গিয়েছি।”

    চন্দন দাঁড়িয়ে পড়ল।

    ক’দিন আগে পূর্ণিমা গিয়েছে। আজ কোন তিথি কে জানে। এখনো চাঁদ ওঠেনি। কৃষ্ণপক্ষ। অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল।

    কিকিরা ভাল করে দেখলেন। বললেন, “এই গলিটাই মনে হচ্ছে।”

    চন্দন বলল, “হ্যাঁ, এই গলি। গাছটাও রয়েছে।”

    “তবে এসো,” বলে কিকিরা পা বাড়ালেন।

    জগন্নাথ যেমন-যেমন বলেছিল, গলির বাঁ দিকে লম্বা একটানা টিনের চালা, গুদোমখানার মতনই দেখতে। ডান দিকে ঠেলাঅলাদের আস্তানা। সরু গলি, ইট বাঁধানো। ভাঙা ঘরবাড়ি, আগাছা আর স্যাঁতসেঁতে জমিজায়গার এক ঘন গন্ধ রয়েছে। এই গলিতে বাতিও জ্বলে না।

    একটু লক্ষ করলেই বোঝা যায়, গুদোমখানা বা ঠেলাগাড়ির আস্তানার পেছন দিকের গলি এটা। এই গলি দিয়ে মানুষই কোনোমতে চলতে পারে, আর কিছু করা সম্ভব নয়।

    কবেকার এক পুরনো ভাঙা মন্দির, ভেঙে পড়া বাড়ির স্তূপ, গাঁ-গ্রামের মতন শ্যাওড়া আর কুলঝোঁপ, জোনাকি উড়ছিল কয়েকটা।

    খানিকটা এগিয়ে কিকিরা বললেন, “ওহে, একসঙ্গে এসো না। পজিশন নিয়ে এগোও।“

    চন্দন ঠাট্টা করে বলল, “আমরা কি যুদ্ধে যাচ্ছি, না, ডাকাতি করতে যাচ্ছি যে পজিশন নেব?”

    কিকিরা মজার গলায় বললেন, “স্পাইয়িং করতে যাচ্ছি। স্পাইয়িং করার সময় ঘাপটি মেরে যেতে হয়, বুঝলে?”

    “বুঝলাম।”

    “তোমাদের কাছে টর্চ নেই?”

    “না।”

    “আমার কাছে আছে। আমি এখন টর্চ জ্বালাব না। নেহাত দরকার না পড়লে জ্বালাবই না। আমি আগে-আগে যাচ্ছি। তোমর পেছন-পেছন এসো। তফাতে থাকবে। কেউ যেন কাউকে চেনো না, এইভাবে আসবে।”

    তারাপদ বলল, “ঠিক আছে। আপনি এগিয়ে যান।”

    কিকিরা বিশ-পঁচিশ পা এগিয়ে গেলেন। তারাপদ বলল, “চাঁদু, তুই এগো। আমি সবার শেষে।”

    সামান্য দাঁড়িয়ে থেকে চন্দনও পা বাড়াল।

    তারাপদ অপেক্ষা করতে লাগল।

    সামান্য পরে তারাপদর মনে হল, পেছনে যেন কার পায়ের শব্দ হচ্ছে। আসছে কেউ। ঘাড় ঘুরিয়ে দেখবে কি দেখবে না করেও সে ঘাড় ঘোরাল না। গলি দিয়ে লোকজন আসতেই পারে। কৌতূহল দেখানো উচিত নয়।

    তারাপদ খুব আস্তে-আস্তে হাঁটতে লাগল, যেন তার পায়ে চোট রয়েছে, জোরে-জোরে হাঁটতে পারছে না।

    শব্দটা ক্রমশই কাছে এসে গেল।

    হঠাৎ তারাপদর মনে হল, শ্ৰদ্ধানন্দর কোনো চেলা তাদের ওপর নজর রাখছে না তো? কিন্তু তাই বা কেমন করে হবে। ওরা যে আজ কাঁঠালতলার গলিতে গোয়েন্দাগিরি করতে আসছে এ-কথা অন্য কেউ জানে না। জগুদাও নয়।

    তারাপদ ঘাবড়াল না। আগের মতনই হাঁটতে লাগল। সামনে চন্দন রয়েছে, তার আগে কিকিরা। বেমক্কা কিছু ঘটলে তারাপদ চেঁচাবে। তার চিৎকার শুনলে চন্দনরা ছুটে আসবে।

    একেবারে ঘাড়ের ওপর কে যেন এসে পড়ল। দাঁড়াল তারাপদ। ঘাড় ঘোরাল।

    অন্ধকার এমন নয় যে লোক দেখা যায় না। তারাপদ লোকটাকে দেখল। দেখে অবাক হল। কুচকুচে কালো, নাদুসনুদুস, টাক মাথা বয়স্ক এক ভদ্রলোক। ধুতি-জামা পরা। চোখে চশমা। হন্তদন্তভাবে হাঁটছিল। ঘাড়ে এসে পড়েছে।

    তারাপদ ইচ্ছে করেই বলল, “দাদা, একটু সামলে…। ঘাড়ে এসে পড়ছেন যে!”

    লোকটি কোনো কথা বলল না। যেন কানেই তুলল না কথাটা। দেখলেও না তারাপদকে। হন্তদন্ত হয়ে এগিয়ে গেল। ওর তাড়া দেখে মনে হল, কোনো দিকে খেয়াল রাখার মতন অবস্থা এখন আর মশাইটির নেই। আশ্চর্য!

    হাঁটতে-হাঁটতে তারাপদ লোকটিকে দেখছিল। ও কি প্রেতসিদ্ধর কাছে যাচ্ছে? বোধ হয় সেখানেই যাচ্ছে।

    গলিটা একেবারে সোজা নয়, ডাইনে-বাঁয়ে বাঁক আছে। লোকটা কোথায় মিলিয়ে গেল।

    চন্দন বা কিকিরাকেও দেখতে পাচ্ছিল না তারাপদ। আড়ালে পড়ে গিয়েছে ওরা। খানিকটা এগোতেই বাঁ দিকের এক ভাঙাচোরা একতলা বাড়ির সদর খুলে গেল আচমকা। শব্দ হল। এরকম একটা দরজা এখানে থাকতে পারে কে জানত! দরজার চেহারা দেখলেই ভয় করে। কালো ঝুল যেন। বোঝাই যায় না ওটা দরজা না অন্য কিছু।

    দরজা খুলে ঢ্যাঙামতন একটা লোক বেরিয়ে এল। তার পেছন-পেছন এক নেড়ি কুকুর। কুকুরটা ডেকে উঠেছিল। তারাপদর পায়ের কাছে ছুটে আসতে-না-আসতেই ঢ্যাঙা লোকটা ধমক দিল কুকুরটাকে।

    তারাপদকে দেখতে-দেখতে লোকটা বলল, “কোন বাড়ি চাই?” ওর গলার স্বর ভাঙা, খসখসে।

    তারাপদ ঘাবড়ে গেল। বলল, “এটা কাঁঠালতলার গলি নয়?”

    “হ্যাঁ।”

    “এখানে শুদ্ধানন্দ গুরুজি?”

    “ও!…সিধে হাঁটতে হবে।”

    “কতটা?”

    “পাঁচ-সাত মিনিট।” বলে লোকটা উলটো দিকে পা বাড়াতে গিয়ে থেমে গেল। বলল, “ঘন্টা পড়েছে?”

    “ঘণ্টা?”

    “ঘণ্টা পড়ার পর বাবার ওখানে ঢোকা যায়।”

    “ও।”

    “প্রথম ঘণ্টাও পড়েনি?”

    “শুনিনি।..তবে একজনকে যেতে দেখলাম।”

    “আজ শনিবার না? ঘণ্টা পড়ে যাবে।” বলে লোকটা আর দাঁড়াল না। এগিয়ে গেল। আর সঙ্গে সঙ্গে দূর থেকে ঢং করে ঘণ্টা বেজে উঠল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর
    Next Article সেই অদৃশ্য লোকটি – বিমল কর

    Related Articles

    বিমল কর

    কাপালিকরা এখনও আছে – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    রাজবাড়ির ছোরা – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    ঘোড়া সাহেবের কুঠি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    সেই অদৃশ্য লোকটি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    কিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    একা একা – বিমল কর

    October 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Our Picks

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }