Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শুদ্ধানন্দ প্রেতসিদ্ধ ও কিকিরা – বিমল কর

    বিমল কর এক পাতা গল্প89 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬. জোয়ারদারের দোকান

    জোয়ারদারের দোকান খুঁজে পেতে অসুবিধে হল না। নাম বলতেই দেখিয়ে দিল অন্য-এক দোকানের কর্মচারী।

    দোকানটা যে পুরনো বোঝাই যায়। সাবোর্ডের মাথায় লেখা আছে শুভারম্ভের সালটা। হিসেব করলে প্রায় পঞ্চাশে দাঁড়ায় এখন। তা পঞ্চাশ বছরের চেহারায় খানিকটা ভাঙাচোরা ময়লা ছাপ তো পড়বেই।

    বড় দোকান বইকি! রাস্তার গা ঘেঁষে দোকান, মালপত্র সাজানো; কাঠের তক্তার “ল’; বোধ হয় ওখানে আরও মালপত্র ঠাসা আছে। কাঠের এক পার্টিশান একদিকে। পার্টিশানের ওপাশে জোয়ারদারের অফিস।

    নানান ধরনের পাখা, ল্যাম্প, বাহারি আলোর শেড থেকে ইলেকট্রিক ইস্ত্রি, হিটার, মিটার কী না আছে দোকানে! ইলেকট্রিক তার, সুইচ, প্লাগ, মায় ইনভারটার পর্যন্ত।

    দোকানে জনা-তিনেক কর্মচারী, একজন বুড়োসুড়ো ক্যাশবাবু।

    তারাপদ সঙ্গেই ছিল। কিকিরা তারাপদকে ইশারায় বুঝিয়ে দিলেম যেন সে সঙ্গে-সঙ্গে থাকে তাঁর।

    দোকানের এক কর্মচারী এগিয়ে এল। অন্যরা খদ্দের সামলাচ্ছে। ভিড় এমন কিছু নেই।

    “কী চাই আপনার?” কর্মচারী এগিয়ে এসে বলল।

    কিকিরা আগেভাগেই সব ছকে এসেছিলেন। বললেন, “মিস্টার জোয়ারদার কে? আপনাদের মালিক না?”

    “হ্যাঁ, কেন?”

    “তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চাই। দোতলা একটা বাড়ির ইলেকট্রিকের সবরকম কাজ হবে। ফিটিংস সুন্ধু। আমার এক বন্ধু মিস্টার জোয়ারদারের কথা বললেন। এখানে কোনো ঠগ-জোচ্চুরি নেই, খারাপ মাল বিক্রি হয় না, দামটাও ঠিকঠাক…। তাই না, তারাপদ?”

    তারাপদ মাথা নাড়ল।

    কর্মচারীটি যেন ধাঁধায় পড়ে গেল। দোতলা একটা বাড়ির ইলেকট্রিকের সমস্ত কাজকর্মের জিনিস যাবে এই দোকান থেকে? সে তো অনেক টাকার কাজ। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে হাজার বারো-চোদ্দ। মালপত্র দামি কিনলে আরও বেশি।

    কর্মচারীটি বলল, “দাঁড়ান দেখছি,” বলে পার্টিশানের ওপারে এক ঘরে ঢুকে গেল।

     

     

    কিকিরা ফিসফিস করে তারাপদকে বললেন, “সাইনবোর্ডে দেখলাম লেখা আছে, কনট্রাকটারস। ঢিল ছুড়লাম। দেখি কী হয়!”

    সামান্য পরেই কর্মচারীটি ফিরে এসে বলল, “আসুন।”

    পার্টিশানের গা-লাগানো কাঠের এক খুপরি। চেয়ার, টেবিল, ফোন, লোহার আলমারি, ছোট এক লোহার সিন্দুক।

    কিকিরাদের খুপরির মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়ে লোকটি চলে গেল।

    টেবিলের ওপাশে জোয়ারদারসাহেব বসে।

    কিকিরা নমস্কার করে বলল, “আমার নাম কে, কে, রায়। আপনিই তো। মিস্টার বিশ্বনাথ জোয়ারদার? পাতিপুকুরে থাকেন?”

    জোয়ারদার একটু অবাক হলেন। নমস্কার জানিয়ে বললেন, “বসুন।”

     

     

    লোহার হালকা চেয়ার। দু জনেরই বসার ব্যবস্থা ছিল। কিকিরা তারাপদকে বসতে বলে নিজে বসলেন।

    তারাপদ বসল।

    কিকিরা জোয়ারদারকে দেখছিলেন। প্যান্ট-শার্ট পরে বসে আছেন। ভদ্রলোক। গায়ের কোটটা আলমারির পাশে দেওয়ালে গাঁথা হুকে। হ্যাঁঙারসমেত ঝোলানো। ভদ্রলোকের বয়েস পঞ্চাশ কি সামান্য বেশি। লম্বাটে মুখ। গালের হাড় উঁচু। আধ-ফরসা গায়ের রং, মাথার চুল কিছু-কিছু পাকতে শুরু করেছে। চশমাটা টেবিলে নামানো। টেবিলে কাগজপত্র, বিল, চেই পড়ে আছে। জলের গ্লাস, চায়ের কাপ।

    কিকিরার মনে হল, জোয়ারদারসাহেব তেমন স্বাস্থ্যবান নন। চোখে-মুখে অসুস্থতার ছাপ ফুটে রয়েছে।

    জোয়ারদার বললেন, “বলুন, কী দরকার। আমার কথা কে বলল আপনাদের?”

    কিকিরা খুব সহজেই সুবলের নাম বলে দিলেন। পারলে সুবলের বাবার নামই বলে ফেলতেন। নামটা তিনি জানেন না।

     

     

    “আপনার দোকানের পুরনো কাস্টমার,” কিকিরা হেসে-হেসে বললেন।

    জোয়ারদার কিছুই মনে করতে পারলেন না। খদ্দের কত আসে কত. যায়। কে আর মনে রাখে সকলকে। তবে জোয়ারদার ব্যবসাদার মানুষ, কথা বলতে জানেন। হেসে বললেন, “ও!…আচ্ছা! পুরনো খদ্দের আমার অনেক। বাবার আমলে এখানে ক’টা আর দোকান ছিল। এখন তো গিজগিজ করছে।…তা বলুন, আপনার দরকারটা শুনি।“

    কিকিরা হাসি-হাসি মুখ করে বললেন, “আপনারা তো ইলেকট্রিকের সমত রকম কাজকর্মের কনট্রাক্ট নেন।”

    “কনট্রাক্ট …ইয়ে, মানে…সেভাবে এখন আর নিই না। আগে নিতাম। আজকাল লোকজন পাওয়া বড় মুশকিল। হাতেপায়ে ধরতে হয়। কাজে ফাঁকি মারে। পাটির কাছে কথা শুনতে হয় আমাদের। অনর্থক ফ্যাচাং আর ভাল লাগে না। বয়েসও হচ্ছে।”

    “কনট্রাক্ট আর নিচ্ছেন না?”

     

     

    “একেবারে নিই না-তা বলব না। নিই।”

    কিকিরা স্পষ্টই বুঝতে পারলেন জোয়ারদার হিসেব করে কথা বললেন। অর্থাৎ এখন ঝামেলার কাজ নেন না বড় একটা, তবে তেমন কাজ হলে নিতে আপত্তি নেই।

    তারাপদ হতাশ হবার ভান করে বলল, “তা হলে আমরা…”

    “আপনাদের ব্যাপারটা আগে শুনি।”

    কিকিরা বেশ গুছিয়ে দোতলা বাড়ির ইলেকট্রিকের কাজকর্মের কথা বললেন।

    জোয়ারদার ততক্ষণে সিগারেট ধরিয়ে নিয়েছেন। কিকিরাদেরও দিয়েছেন। তারাপদ সিগারেট নেয়নি।

    শেষে জোয়ারদার বললেন, “বাড়িটা কোথায়?”

     

     

    “টেগোর ক্যাসেল স্ট্রিট।”

    “টে-গোর ক্যাসেল!” জোয়ারদার কেমন থতমত খেয়ে গেলেন।

    কিকিরা কথা বললেন না, জোয়ারদারকে দেখছিলেন।

    নিজেকে সামান্য সামলে নিয়ে জোয়ারদার বললেন, “বলেন কী মশাই! ওখানে বাড়ি! ও জায়গাটা তো সেই কী বলে, ধ্বংসস্তূপ হয়ে গেছে। ওখানে বাড়ি। এত জায়গা থাকতে শেষে…”

    কিকিরা বললেন, “খুব সস্তায় পেয়ে গিয়েছিলাম। মর্টগেজ প্রপারটি থেকে কোর্টকাছারি…তা সে যাক, বলতে গেলে মহাভারত। সেই বাড়ি ভেঙেচুরে নতুন করে করাতে হল। আপনি দেখলেই বুঝতে পারবেন।”

    “কোথায় বাড়িটা? মানে, ঠিক কোন জায়গায়!”

    “কাঁঠালতলা বলে লোকে।”

     

     

    জোয়ারদার যেন চমকে উঠলেন। “কাঁঠালতলার গলি!…বলেন কী! ওই গলিতে ভদ্রলোক বাড়ি করে। আরে ছি-ছি, সে তো একরকম ব্লাইন্ড লেন। ওখানে নতুন বাড়ি কোথায়? আরে মশাই, ওখানে এক বেটা তান্ত্রিক…ডেঞ্জারাস! সে বেটা ওখানে…”

    “শুদ্ধানন্দ প্রেতসিদ্ধ কল্পবৃক্ষঃ…! “কিকিরা কল্পবৃক্ষ-এর বিসর্গে জোর দিলেন।

    জোয়ারদারের মুখ হাঁ হয়ে থাকল। চোখের পাতা পড়ছিল না। শেষে বললেন, “চেনেন বেটাকে?”।

    “না। নাম শুনেছি।”

    “নাম শুনেছেন। দেখেননি?”

    “না।” কিকিরা মাথা নাড়লেন, “আপনাকে দেখেছি।”

    “আমাকে?” জোয়ারদারের যেন ফাঁস লেগে গেল গলায়, “কবে দেখলেন আমাকে?”

     

     

    “গত পরশু! শনিবার সন্ধের পর।”

    জোয়ারদার রীতিমত হতবাক। বিহ্বল। তাকিয়ে থাকলেন বোকার মতন।

    কিকিরা হাসি-হাসি মুখে বললেন, “কী! ঠিক বলিনি?”

    “আপনি কে মশাই? ডিটেকটিভ? লালবাজারের লোক?”

    মাথা নেড়ে হাসতে-হাসতে কিকিরা বললেন, “না।”

    “না!” জোয়ারদার ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকলেন। ঢোক গিললেন বার দুই। নানারকম ভাবতে লাগলেন। তারপর হঠাৎ বললেন, “তা হলে কি আপনি ওই কালো আলখাল্লার দলে ছিলেন?”

    “কালো আলখাল্লা “

     

     

    “বুঝেছি। ওদের দলে আপনি ছিলেন। ওখান থেকেই আপনি আমার নাম শুনেছেন। জোয়ারদার হঠাৎ কেমন খেপে গিয়ে কিছু বলতে যাচ্ছিলেন, তার আগেই কিকিরা বাধা দিলেন।

    কিকিরা বললেন, “না, আপনাকে আমি আগেই দেখেছি। প্রেতসিদ্ধর চেলা এসে আপনাকে যখন হাত চেপে ধরল।”

    জোয়ারদার যেন অগাধ জলে পড়েছেন! কে এই লোকটা? কাস্টমার না পুলিশের লোক? না চিটিংবাজ!

    কিকিরা বললেন, “জোয়ারদারসাহেব, আপনি খুব অবাক হচ্ছেন। অবাক হবারই কথা। আপনাকে আমি আরও অবাক করতে পারি। আচ্ছা দেখুন আপনাকে একটা জিনিস দেখাই।” বলে নিজের পকেটে হাত দিলেন কিকিরা। স্টিলের একটা সুচ বার করলেন। ইঞ্চি-দেড়েক লম্বা। একটু মোটা। সুচের মুখ সামান্য ভোঁতা। সুচটা নিজের ডান চোখে ছোঁয়ালেন, ভুরুর তলায়, চোখের আর নাকের কাছে গর্তে। বললেন, “এই দেখুন, এই সুচটা আমি চোখে ঢুকিয়ে দিচ্ছি সবটা।” বলে কিকিরা চোখের কোলে মুচ ঢোকাতে লাগলেন।

    জোয়ারদার ভয় পেয়ে গেলেন। আজব মানুষ তো! চোখে সুচ ঢুকিয়ে যাচ্ছে। মরবে নাকি! মুখ শুকিয়ে যাচ্ছিল জোয়ারদারের। “মশাই, করছেন কী! প্লিজ স্টপ। প্লিজ।…আমার এ-সব সহ্য হয় না।”

     

     

    কিকিরা বারো আনা সুচ ঢুকিয়ে ফেলেছিলেন। বার করলেন এবার। বার করে চোখ বন্ধ রেখেই পকেট থেকে রুমাল টেনে নিয়ে চোখটা চাপা দিলেন। মুছলেন সামান্য। তারপর রুমালটা নিয়ে টেবিলের ওপর ফেলে দিলেন। তাকালেন এবার। ডান চোখ খুলেই।

    হাসি-হাসি মুখ করে কিকিরা প্রথমে রুমালটা দেখালেন। দেখিয়ে টেবিলের ওপরই ফেলে রাখলেন। তারপর ডান চোখটা দেখালেন। বললেন, “কী? রক্তটক্ত দেখলেন?”

    “না।”

    “সুচটা তো আমি চোখে ঢুকিয়ে ছিলাম।”

    “হ্যাঁ।”

    “আরও কিছু দেখবেন?”

     

     

    “না, মশাই। থাক।”

    কিকিরা রুমালটা তুলে নিলেন টেবিল থেকে। “আপনি যদি একটা চেক লেখেন এখন, আপনার কালির রং পালটে যাবে!”

    “মানে?”

    “দেখুন না। পরীক্ষা করুন।”

    জোয়ারদার চোখ নামিয়ে চেক বই টানতে যাচ্ছিলেন। বই নেই। কাগজপত্র সরালেন। ড্রয়ার টানলেন। চেক বই? টেবিলের ওপরেই তো ছিল।

    কিকিরা এবার হেসে ফেললেন। রুমাল তোলার সময় চেক বইটা তুলে নিয়েছিলেন। জোয়ারদার বোঝেনি।

    চেক বই ফেরত দিতে-দিতে কিকিরা বললেন, “জোয়ারদারসাহেব, কিছু মনে করবেন না। এ হল লোককে ধোঁকা দেবার খেলা। চোখে যেটা ঢোকালাম ওর মধ্যে স্প্রিং ছিল। গাড়ির শক অ্যাবজরভার বোঝেন! সেইরকম অন্যটা ক্লিন হাত সাফাই। দুটোই। আমি একজন ওল্ড ম্যাজিশিয়ান, ক্লাসিক্যাল টাইপ। লোকে আমাকে বড় চেনে না। এই ছোকরারা চেনে,” বলে তারাপদকে দেখালেন।

     

     

    তারাপদ বিনয় করে বলল, “উনি হলেন কিকিরা দি ওয়ান্ডার, কিকিরা দি গ্রেট!”

    জোয়ারদার ভীষণ ঘাবড়ে গিয়েছিলেন। বললেন, “আমার এখানে ম্যাজিক কেন? ম্যাজিক দেখাবার জায়গা এটা? আশ্চর্য লোক মশাই.আপনারা!”

    কিকিরা বললেন, “না, ম্যাজিক দেখাবার জায়গা এটা নয়। কিন্তু সাহেবমশাই, আপনি গত পরশু দিন, শনিবার, সন্ধেবেলা কী দেখতে গিয়েছিলেন কাঁঠালতলা গলিতে?”

    জোয়ারদার বললেন, “আমি দেখতে যাইনি। আমাকে একজন বলল, ওখানে গেলে ওই শুদ্ধানন্দ আমাকে বাসুর গলা শোনাবে।”

    “বাসু কে?”

    “আমার বন্ধু।”

    “আপনার ভগ্নিপতি এবং পার্টনার।”

    “কেমন করে জানলেন?”

    “আমি পিশাচসিদ্ধ।” বলে কিকিরা হাসতে লাগলেন।

    “আপনি মশাই লোকটি কে?”

    “কিকিরা দি ম্যাজিশিয়ান।…এখন বলুন তো, স্যার, সেদিন কি আপনি বন্ধুর গলা শুনেছিলেন?”

    “একটা গলা শুনেছিলাম।”

    “বন্ধুর?”

    “মনে হল না বাসুর! সর্দিতে গলা বসে গেলে, কিংবা ফোনের লাইনে গোলমাল হলে যেরকম গলা শোনা যায়, সেইরকম এক গলা শুনলাম।”

    “আচ্ছা! তা আপনি কি গলা শুনতেই গিয়েছিলেন, না, কোনো বিশেষ কথা ছিল?

    জোয়ারদার খানিক চুপ করে থেকে বললেন, “ছিল। বিজনেস সিক্রেট। পার্সোনাল ব্যাপার।”

    “কথা হল?”

    “না।…গলাটা শুনলাম, বুঝলাম না। শুদ্ধানন্দ বলল, বাসুর আত্মা একটা লেভেলের এপারে আসতে পারছে না। কোথাও গোলমাল হচ্ছে। আত্মারা নিজের মরজিতে আসে; আবার আসতে চাইলেও সব-সময় পারে না ভিড়ে আটকে যায়। আসছে হপ্তায় আবার চেষ্টা করা যাবে।”

    তারাপদ মুচকি হাসল। কিকিরাও হাসিমুখে বললেন,কত নিল? মানে কত টাকা?”

    “একশো এক। বেটা বলল, পরের দিন যদি ঠিকঠাক এসে যায় বাসু, কথা বলে, পাঁচশো এক লাগবে।“

    কিকিরা মাথা দুলিয়ে বললেন, “বাঃ!…দুশো, পাঁচশো, হাজার…! বাঃ! ভাল ব্যবসা।…তা জোয়ারদারমশাই, কালো আলখাল্লার ব্যাপারটা একটু বলবেন। শুনতে ইচ্ছে করছে।”

    জোয়ারদার বললেন, “সে এক ভুতুড়ে কাণ্ড মশাই। ও আপনি বুঝতে পারবেন না। আমি বললেও ধরতে পারবেন না। চোখে দেখতে হবে আপনাকে। অবশ্য চোখে দেখবেনই বা কী! সব অন্ধকার, কালো; যারা থাকে তাদেরও একটা করে কালো আলখাল্লা পরতে হয়। কাঁধ থেকে পা পর্যন্ত তো বটেই, ঘাড় থেকে মাথা পর্যন্ত ঢাকা থাকে, অনেকটা সেই ইংরেজি সিনেমায় দেখা সেকেলে সাধুসন্ন্যাসীর মতন, যাকে ওই ‘রোব’-টোব বলে। ধরুন না, মেয়েদের ওয়াটার পুফের মাথা ঢাকার যেমন ব্যবস্থা থাকে–সেইরকম মাথা ঢাকা।…মশাই, একে অন্ধকার তায় কালো আলখাল্লা, তার ওপর ঘাড়-মাথা ঢাকা, কেউ কারও মুখও আঁচ করতে পারে না।”

    তারাপদ বলল, “আলখাল্লা সঙ্গে নিয়ে যেতে হয়?”

    না, না, ঘরে ঢোকার আগে এক জায়গায় বসিয়ে দেবে। দিয়ে বলবে, জামা-জুতো খুলে ওই আলখাল্লা পরে নিতে। ওরাই দেয় আলখাল্লা।”

    কিকিরা বললেন, “যে ঘরে আপনারা ঢুকলেন, ঘরটা কেমন? সেখানে কী কী আছে?”

    “আমায় জিজ্ঞেস করবেন না। আমি বলতে পারব না। জীবন আমার বেরিয়ে যাচ্ছিল। ..আপনি নিজেই যান না, দেখুন গিয়ে।”

    “যাবার খুব ইচ্ছে। যাব কেমন করে?”

    জোয়ারদার যেন কিছু ভাবলেন। বললেন, “সত্যি সত্যি যাবার ইচ্ছে?”

    “হ্যাঁ। একশো ভাগ ইচ্ছে।”

    “বেশ, আমার সঙ্গে যাবেন।…তবে আপনি কার জন্যে যাবেন? আছে কেউ যাকে ডাকতে চান?”

    কিকিরার, একবার তারাপদর দিকে তাকালেন তারপর মুখ ফিরিয়ে নিয়ে বললেন, “আছে। ও আপনি ভাববেন না! আপনার সঙ্গে যেতে পারলেই হল।”

    “আমি নিয়ে যাব। যারা ওখানে যায়, তারা আগে থেকে বলে রাখলে সঙ্গে অন্য একজনকে নিয়ে যেতে পারে।”

    “মানে, নতুন খদ্দের।”

    জোয়ারদার মাথা নাড়লেন। তারপর বললেন, “আমি আপনাকে নিয়ে যাব। কিন্তু আপনার টাকাটা আপনি দেবেন।”

    কিকিরা হেসে বললেন, “ঠিক আছে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর
    Next Article সেই অদৃশ্য লোকটি – বিমল কর

    Related Articles

    বিমল কর

    কাপালিকরা এখনও আছে – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    রাজবাড়ির ছোরা – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    ঘোড়া সাহেবের কুঠি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    সেই অদৃশ্য লোকটি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    কিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    একা একা – বিমল কর

    October 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Our Picks

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }