Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শুদ্ধানন্দ প্রেতসিদ্ধ ও কিকিরা – বিমল কর

    বিমল কর এক পাতা গল্প89 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. বাড়িটা যে কার ছিল

    ০৪.

    বাড়িটা যে কার ছিল, কিসের ছিল–কিছুই বোঝা যায় না। অনেকটা কুঠিবাড়ির মতন দেখতে। চারপাশে গাছপালার জঙ্গল। ভাঙাচোরা পাঁচিল। একসময় হয়ত কোনো সাহেব কোম্পানির ঘাঁটি ছিল, কিংবা কোনো সাহেবসুবো থাকত, ব্যবসা বাণিজ্য দেখাশোনা করত। এখন বাড়িটার কিছু কিছু কোনোরকমে দাঁড়িয়ে আছে, বাকিটা ভেঙে পড়েছে।

    তারাপদ ভাঙা ফটকের কাছেই কিকিরাদের পেয়ে গিয়েছিল। কিকিরাই নিচু গলায় ডেকে নিয়েছিলেন তারাপদকে।

    ওরা তিনজনে গাছপালার আড়ালে এমন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিল যে, এই বাড়িতে কারা আসছে সেটা নজর করা যায়। এখনো চাঁদ ওঠেনি। চাঁদ না উঠলেও অন্ধকার সামান্য ফিকে হয়েছে। আকাশের একপাশে চাঁদ উঠি-উঠি করছে।

    কিকিরা ভেবেছিলেন, জায়গাটা একবার দেখেশুনে আজ চলে যাবেন। বেশি উঁকিঝুঁকি মারার চেষ্টা করবেন না। প্রথম দিনে ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেশি। কিছুই যে জানেন না। সাবধান হতে পারবেন না। প্রেসিদ্ধর চেলারা কখন কোন দিক থেকে দেখে ফেলবে কে জানে!

    কিন্তু প্রেতসিদ্ধর আখড়ায় পৌঁছে দেরি হতে লাগল। ২০১২

    এর মধ্যে দুটো ঘণ্টা পড়ে গিয়েছে। পেটা ঘড়িতে ঘণ্টা বাজানোর মতন করে ঢং করে ঘণ্টা বাজাচ্ছিল কেউ।

    এখন আর ঘণ্টা বাজছে না।

    চন্দন হাত বাড়িয়ে কিকিরাকে ঠেলা দিল। চাপা গলায় বলল, “সাহেব!”

    কিকিরা তাকালেন। তারাপদও দেখল।

    কোট-প্যান্ট পরা একটা লোক ভাঙা ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে কী যেন দেখছিল। অল্পক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে সে সামনের দিকে পা বাড়াল। দাঁড়াল, আবার। বুঝতে পারছিল না কোন দিকে যাবে। কিকিরাদের বড় কাছাকাছি দাঁড়িয়ে আছে লোকটি।

    লোকটা জোরে-জোরে কাশল। তারপর গলা চড়িয়ে ডাকল, “কে আছে?”

     

     

    বারকয়েক ডাকাডাকির পর সাহেব যখন বিরক্ত হয়ে পায়চারি করছে, বাড়ির দিক থেকে একজনকে এগিয়ে আসতে দেখা গেল।

    সাহেব কিছু বলার আগেই লোকটা যেন কী বলল। শোনা গেল না।

    পকেট হাতড়ে সাহেব এক টর্চ বার করেছিল বোধ হয়। আলো জ্বলল। ছোট টর্চ নিশ্চয়। সঙ্গে-সঙ্গে তার হাত থেকে টর্চ কেড়ে নিল লোকটা, প্রেতসিদ্ধর চেলা। টর্চ নিবিয়ে দিল।

    সাহেব এবার খাপ্পা হয়ে উঠেছিল। চেঁচিয়ে বলল, “এটা কী?”

    লোকটা বলল, “এখানে আলো নিয়ে আসা বারণ। লিখে দেওয়া হয়েছিল। চিঠি কই?”

    সাহেব পকেট থেকে কী-একটা বার করল।

    অন্ধকারেই লোকটা চিঠি দেখল, না, চিঠির চেহারা দেখেই বুঝে নিল সব কে জানে! বলল, “জোয়ারদার?”

     

     

    “বিশ্বনাথ জোয়ারদার। পাতিপুকুর থেকে আসছি।…কী জায়গা তোমাদের! খুঁজে পাওয়া যায় না। এমন জায়গায় মানুষ আসে?”।

    “দরকার পড়লেই আসে। …কথা বলবেন না। আসুন।” বলে লোকটা ফিরতে লাগল। ফিরতে-ফিরতে বলল, “দেরি করে এলে ঘরে ঢুকতে দেবার নিয়ম নেই। গুরুজি আসনে বসে পড়েছেন। ঘর বন্ধ। দেখি কী বলেন।“

    দু’জনের কথাবার্তা অস্পষ্টভাবেই শোনা যাচ্ছিল। শেষে আর কথা শোনা গেল না, ওরা এগিয়ে তফাতে চলে গেল।

    তারাপদ বলল, “বাঙালিসাহেব।”

    কিকিরা বললেন, “জোয়ারদার। বাবা বিশ্বনাথ।”

    চন্দন বলল, “ক’জন হল কিকিরা?”

    “সাহেবকে নিয়ে পাঁচজন। প্রথমে এসেছিল টাক, সেকেন্ড এল দাড়িঅলা বুড়ো, তিন নম্বর এল–রোগাসোগা চশমা চোখে, মাস্টার-মাস্টার চেহারার লোকটা, চার নম্বর হল তোমার সেই পাজামা-পাঞ্জাবি পরা ছোকরা। আর লাস্ট এই জোয়ারদার।”

     

     

    তারাপদ বলল, “আরও আসবে নাকি?”

    “শনিবারের বাজারে পাঁচজন–মন্দ কী! এখানেই তো পঞ্চমুখী হয়ে গেল।”

    ধীরে-ধীরে কথা বলছিল ওরা। গলার শব্দ উঠছিলই না। গায়ে-গায়ে তিনজনে দাঁড়িয়ে আকাশে চাঁদ উঠে এল।

    চন্দন বলল, “দাঁড়িয়ে থেকে আর লাভ আছে?”

    কিকিরা ভাবলেন সামান্য। তারপর বললেন, “না। আজকের মতন এখানেই ইতি। ভেতরে উঁকি মারার চেষ্টা করে লাভ নেই, ধরা পড়ে যাব। ওটা পরে হবে। জায়গাটা তো দেখা হয়ে গেল। আমি সকালের দিকেও খোঁজ নিতে পারব দু’-একদিনের মধ্যেই।”

    “তা হলে ফেরা যাক।”

    “চলো।”

     

     

    সাবধানেই বাড়ির চৌহদ্দির বাইরে এল তিনজনে। জ্যোৎস্না ফুটতে শুরু করেছে। হাওয়া আসছিল গঙ্গার দিক থেকে। কাছেই গঙ্গা। এই সরু গলিটা দিয়ে এগিয়ে গেলে কি গঙ্গা পাওয়া যাবে? কে জানে!

    ফিরতি পথে তারাপদ বলল, “কিকিরা-স্যার, কী মনে হচ্ছে আপনার?”

    কিকিরা বললেন, “মনে হচ্ছে, কল্পবৃক্ষটির গাছে রাই ফ্রুট ভালই ফলেছে।”

    চন্দন জোরে হেসে উঠল।“রাইপ ফ্রুট!”

    “গাছে ফল-ফুল ছাড়া আর কী ধরবে হে! এ-গাছ আবার ফুল ধরার গাছ নয়, ফলং বৃক্ষঃ। মানে ফল-ধরা গাছ।” কিকিরা রগুড়ে গলায় বললেন, পাকা লোক, প্রেতসিদ্ধ মহাপুরুষ উনি! পাকা ফল ফলাতে কতক্ষণ!”

    তারাপদ বলল, “মহাপুরুষকে একবার যে দেখতে ইচ্ছে করছে, কিকিরা?”

    “হবে। তর সও। এত তাড়াতাড়ি কি সব হয়! ধৈর্য ধরতে হবে, মাথা খাটাতে হবে। তবে না!”

     

     

    হাঁটতে-হাঁটতে গলি দিয়ে বড় রাস্তায় এসে পড়ল তারাপদরা।

    সঙ্গে-সঙ্গে লোডশেডিং। কলকাতা বলে শহর। আলো না গেলে কি হয়!

    ঝপ করে অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় তিনজনেই থমকে দাঁড়িয়ে পড়েছিল। অচেনা জায়গা। কোন দিকে এগোবে যেন ঠাওর করতে পারছিল না। চোখ সইয়ে নিতে সময় লাগল সামান্য। ধীরে-ধীরে জ্যোৎস্নাও ফুটে উঠেছিল। এ-দিকটায় দোকানপত্র বেশি নেই। বসতবাড়িও কম। পর-পর বুঝি গুদোম-ঘর। কাঠগোলাও রয়েছে। লণ্ঠন, কুপি, মোমবাতি জ্বলে উঠতে লাগল একে-একে।

    কিকিরা তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে পা বাড়াতে যাচ্ছেন এমন সময় তারাপদ সেই ঢ্যাঙা লোকটিকে আবার দেখল। সঙ্গে তার নেড়ি কুকুরটাও। লোকটি বোধ হয় বাড়ি ফিরছে।

    তারাপদর সঙ্গে লোকটির চোখাচুখি হয়ে গেল। চলে যেতে গিয়েও দাঁড়িয়ে পড়ল সে। হয়ত তারাপদদের তিনজনকে দেখছিল। তখন তারাপদ ছিল একলা মানুষ; এখন তিনজন হয়ে গেল কেমন করে?

     

     

    তারাপদ কিছু বলার আগেই লোকটি নিজেই বলল, “দেখা হয়নি?”

    মাথা নাড়ব কি নাড়ব না করে তারাপদ এমনভাবে মাথা নাড়ল যে হ্যাঁ-না কোনোটাই ঠিক করে বোঝা যায় না।

    “তাড়াতাড়ি হয়ে গেল?” লোকটি বলল। গলার স্বরে যেন খানিকটা উপহাস। ওর হাতে একটা পাতায় মোড়া খাবারের ঠোঙা।

    তারাপদ বুদ্ধি করে বলল, “আজ লোক বেশি। চলে এলাম।”

    “ও! শনি-মঙ্গল বুঝি!”

    “শুদ্ধানন্দজি এখানে কত দিন আছেন, দাদা?”

    “কত দিন! ওই তো…গত বছর…তা ধরেন দেড় বছরটাক। “

     

     

    “তা হলে বেশিদিন নয়।”

    “ওই হল।…আয় ল্যাংড়া…।” লোকটি আর দাঁড়াল না, তার লেজুড়টিকে ডেকে নিয়ে গলির মধ্যে চলে গেল। নেড়ি কুকুরটার নাম ল্যাংড়া, না কি সে এক পায়ে ল্যাংড়া তারাপদ বুঝতে পারল না।

    কিকিরা বললেন, “কে হে লোকটা?”

    “এই গলিতে থাকে। যাবার সময় দেখা হয়েছিল।”

    “প্রেতসিদ্ধর এজেন্ট নয় বলেই মনে হল।”

    “কী জানি!”

    “নাও, চলো।”

     

     

    চন্দন বলল, “কিকিরা, এতরকম ঝাট না করে এখানকার থানায় একটা খবর দিয়ে দিলেই তো হয়।”

    তারাপদ বলল, “থানায় খবর!..চাঁদু, তুই থানা দেখাস না। যা না, গিয়ে খবর দে। কচু হবে।”

    কিকিরা বললেন, “থানা-টানা পরে, আগে কল্পবৃক্ষটিকে দেখি। আলাপ-পরিচয় হল না মহারাজের সঙ্গে, আগে থেকেই থানা-পুলিশ কেন! নাও, চলো। হাঁটতে হবে খানিকটা।”

    .

    চন্দনের জরুরি কাজ ছিল, সে নেমে গিয়েছিল আগেই, কিকিরা আর তারাপদ বাড়ি ফিরলেন সাড়ে আটটার পরই। তারাপদর বোর্ডিংয়ে ফিরতে ফিরতে রাত হবে। কিকিরার বাড়িতেই খাওয়া-দাওয়া সেরে সে নিজের আস্তানায় ফিরবে। মাসের মধ্যে চার-পাঁচটা দিন তার এইভাবেই কাটে।

    বাড়ি ফিরে বগলাকে চা করতে বললেন কিকিরা। তারপর আরাম করে বসলেন।

     

     

    তারাপদও গা ছড়িয়ে বসে পড়ল।

    কিছুক্ষণ চুপচাপ থাকার পর কিকিরা বললেন, “তারাপদ, তোমার অফিসের বন্ধু জগন্নাথের বাড়িতে এমন কেউ নেই যে হাঁড়ির খবর-টবর দিতে পারে?”

    মাথা নাড়ল তারাপদ। বলল, “না। হাঁড়ির খবরে আপনি কী করবেন?”

    কিকিরা বললেন, “জগন্নাথের বাবা সম্পর্কে খোঁজ-খবর করা দরকার।”

    “কেন?”

    “আসল রহস্যটা বোধ হয় ওখানে।”

    “আপনি তখনও কথাটা বললেন, স্যার। আমি কিন্তু বুঝিনি। জগুদার বাবা কবে মারা গিয়েছেন, এখন তাঁকে টানাটানি কেন? মরা মানুষের সঙ্গে কিসের সম্পর্ক…”

     

     

    “তুমি কিছু বুঝলে না.” তারাপদকে কথা শেষ করতে না দিয়ে কিকিরা বললেন। “একটু মাথা খাটাও।”

    “আপনিই বলুন।”

    দু-চার মুহূর্ত কথা বললেন না কিকিরা, তারপর বললেন, “জগন্নাথের বাবা কী ছিলেন? না, জুয়েলার! তাঁর নিজের অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু তিনি তাঁর পেশা এবং নেশা কোনোটাই ছেড়ে দেননি। ভদ্রলোক একজন নামকরা স্টোন স্পেশ্যালিস্ট ছিলেন। বড় বড় কয়েকটা দোকানে আসা-যাওয়া করতেন, তাদের পাথর-টাথর পরখ করে দিতেন। ওঁর নিজের হাতে কোনো মক্কেল এলে উনি চেনা দোকান থেকে মালপত্র কিনিয়ে দিতেন। তাতে নিজের একটা কমিশন থাকত। তাই না? রাইট?”

    “রাইট!” তারাপদ মাথা হেলাল।

    বগলা চা এনেছিল। এগিয়ে দিল। দিয়ে চলে গেল।

     

     

    চায়ে চুমুক দিয়ে কিকিরা আরামের শব্দ করলেন। পরে বললেন, “এই ভদ্রলোক, জগন্নাথের বাবা, একদিন বর্ষাকালে বৃষ্টির মধ্যে বাড়ি ফিরছিলেন। তখন সন্ধে। এমন সময় এক মোটরবাইকঅলা এসে তাঁকে বাড়ির কাছাকাছি, পাড়ার মধ্যে আচমকা ধাক্কা মারে ভদ্রলোক রাস্তায় পড়ে যান। আশেপাশের রিকশাঅলারা চেঁচামেচি করে উঠতেই মোটরবাইকঅলা পালিয়ে যায়। রাইট?”

    মাথা হেলিয়ে সায় দিল তারাপদ। চা খেতে লাগল।

    কিকিরা বললেন, “জগন্নাথের বাবাকে ধরাধরি করে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়। সেখান থেকে হাসপাতাল। দিন-তিনেক পরে তিনি মারা যান।”

    “কোথায় যে চোট লেগেছিল জগুদা জানে না। বলতে পারে না, তারাপদ বলল।

    “কোমরের কোনো বেকায়দা জায়গায় লাগতে পারে বা ধরো পড়ে যাবার পর মাথাতেও লাগতে পারে। হেড ইনজিউরি।”

    “হতে পারে। অ্যাকসিডেন্ট ইজ অ্যাকসিডেন্ট…”।

    কিকিরা তারাপদকে দেখতে-দেখতে বললেন, “আমি যদি বলি ওটা অ্যাকসিডেন্ট নয়!”

    “নয়?” তারাপদ অবাক হয়ে বলল।

    “ধরো, জগন্নাথের বাবার কেউ পিছু নিয়েছিল। যে-লোকটা পিছু নিয়েছিল সে জেনেশুনে ইচ্ছে করে জগন্নাথের বাবাকে ধাক্কা মেরেছে।”

    “জেনেশুনে? আপনি বলছেন কী, কিকিরা?জগুদার বাবাকে কি তবে জখম করার, খুন করার চেষ্টা হয়েছিল?”

    “খুন না হোক, অন্তত জোর জখম।“

    “কেন?”

    “কেন!…কেন তা ভেবে দেখে আমার মনে হয়েছে, জগন্নাথের বাবার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান কিছু ছিল। কী থাকতে পারে? সোনাদানা, না, পাথর? সোনাদানা থাকার চেয়েও যেটা সম্ভব সেটা হল পাথর। দু-চার টুকরো দামি হীরে, চুনি, ক্যাটস আই..”

    “কী বলছেন আপনি, কিকিরা? হীরে, চুনি নিয়ে একটা লোক বৃষ্টির মধ্যে বাড়ি ফিরবে? তা ছাড়া জগুদার বাবা ওসব পাবেনই বা কেমন করে?”

    “কেন? ওঁর পক্ষেই তো পাওয়া সম্ভব।” কিকিরা হাত বাড়িয়ে চুরুটের খাপ টেনে চুরুট বার করতে লাগলেন। বললেন, “কোনো জুয়েলারের দোকান থেকে আনছিলেন। কিংবা কোনো জুয়েলারের দোকানে বেচতে নিয়ে গিয়েছিলেন।”

    “বেচতে? জগুদার বাবা! আপনি ভুলে যাচ্ছেন–জগুদার বাবার যা অবস্থা ছিল…”

    “জানি হে জানি। অবস্থা ভাল ছিল, না ওঁর। কিন্তু এই কলকাতা শহর বলে নয়, সর্বত্র স্মাগল্ড বা চোরাই সোনা, পাথর বেচাকেনা হয়। ধরো, কোনো চোরাইঅলা জগন্নাথের বাবার মারফত কিছু পাথর বিক্রি করতে চেয়েছিল। বলবে, তা কি সম্ভব? আমি বলব, সম্ভব। সম্ভব ওই জন্যে যে, সব কারবারের মতন এ-সব কারবারেরও একটা সার্কেল আছে। রিং। ওরা। পরস্পরকে চেনে। কারবার করে। বিশ্বাসও করে।”

    তারাপদ চুপ। সে যেন ব্যাপারটা মেনে নিতে পারছিল না। আবার এত কথা শোনার পর সরাসরি অবিশ্বাস করতেও বাধছিল।

    চুরুট ধরিয়ে কিকিরা বললেন, “দুটো জিনিস হতে পারে। হয় কোনো চোরাইঅলার কিছু মাল জগন্নাথের বাবার কাছে ছিল; না হয়, কোনো দোকান থেকেই জগন্নাথের বাবা কিছু সোনাদানা, পাথর চুরি করে আনছিলেন। জিনিসগুলো ওঁর ফতুয়ার ভেতরের পকেটে, না হয় কোমরে কষির মধ্যে ছিল। হাতে ছিল না, পকেটেও নয়। মোটরসাইকেলঅলা যদি সহজে সেগুলো পেত, ছেড়ে পালাত না, কেড়েকুড়ে নিয়ে চলে যেত। ও জগন্নাথের বাবাকে ফলো করে এসেছিল জিনিসগুলো হাতাতে, পারেনি। তারপর তাড়া খেয়ে পালিয়ে যায়।”

    তারাপদর চোখের পলক পড়ছিল না। কিকিরা কি ঠিক বলছেন? পাথর-টাথরের কথা যদি সত্যি হয়, জগুদার বাবা যে কোনো জুয়েলারের দোকান থেকে দু-দশটা দামি পাথর চুরি করে আনছিলেন, একথা সে বিশ্বাস করে না। ছি ছি। জগুদার বাবা চোর? কিকিরার কি মাথা খারাপ হয়েছে? এক মৃত ভদ্রলোকের নামে তিনি চোর অপবাদ দিচ্ছেন। তারাপদ মনে-মনে অসন্তুষ্ট, বিরক্ত হয়ে উঠেছিল। ক্ষুব্ধ হয়েই বলল, “আপনি জগুদার বাবাকে চোর ভাবছেন?”

    কিকিরা বললেন, “না, চোর ভাবিনি। আমি বলছিলাম, হয় এটা না হয় ওটা! যুক্তিতে তাই বলে। অঙ্কের নিয়ম আর কি! তা ছাড়া তুমি কেমন করে বুঝছ, একটা মানুষ, খুব একটা খারাপ অবস্থায় পড়ে হঠাৎ একদিন লোভের বশে এমন কাজ করবে না! করতেও তো পারে। তবু চোর কথাটা বাদ দিচ্ছি। চোরাই মাল তো বটেই..।”

    “আপনি কি বলতে চাইছেন, এই চোরাই জিনিসগুলো জগুদার বাবা জগুদার মাকে লুকিয়ে রাখতে বলে মারা যান?”

    “আমার তাই মনে হয়।”

    “আপনি ভুল করছেন কিকিরা-স্যার।”

    “হতেই পারে ভুল। চাণক্য শ্লোকে নাকি বলেছে, বুদ্ধিমানে আধাআধি ভুল করে, বোকারা পুরোটাই ভুল করে।”

    তারাপদ জবাব দিল না কথার।

    কিকিরা চুরুট টানতে টানতে চোখ বুজে থাকলেন সামান্যক্ষণ। তারপর চোখ চেয়ে তারাপদকে দেখলেন। “এতক্ষণ যা শুনলে সেটা হল স্টেজের পেছনের ব্যাপার। যবনিকার অন্তরালে। তোমার-আমার চোখে পড়ছে না। পরের ব্যাপারটা বাপু অন্ দি স্টেজ। শুদ্ধানন্দ প্রেসিদ্ধ।…যাক্ সিনেমার এখানে ইন্টারভ্যাল, পরের ব্যাপারটা কাল-পরশু হবে। তুমি শুধু জগন্নাথদের বাড়ির ব্যাপারটা খোঁজখবর করো। ওর বাবা, ওর জ্ঞাতিগুষ্টি…যা যা পারো জেনে নেবার চেষ্টা কোরো।”

    তারাপদ শুনল। মনে হল, কেমন যেন মুষড়ে পড়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর
    Next Article সেই অদৃশ্য লোকটি – বিমল কর

    Related Articles

    বিমল কর

    কাপালিকরা এখনও আছে – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    রাজবাড়ির ছোরা – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    ঘোড়া সাহেবের কুঠি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    সেই অদৃশ্য লোকটি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    কিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    একা একা – বিমল কর

    October 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }