Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প186 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শেষ দেখা হয়নি – ৮

    ৮

    যা আশঙ্কা করেছিলাম, তাই ঘটল এক সময়। এ জঙ্গল মোটেই নিরুপদ্রব নয়। ঘোর দুপুরে হাজির হলো তিনজন মানুষ।

    তাদের মধ্যে একজন বলিষ্ঠ চেহারার মধ্যবয়স্ক, ধুতি, ও হাফ হাতা পাঞ্জাবি পরা, মাথার চুল ছোট করে ছাঁটা, দু’কানে সোনার রিং, ভুরু দুটো কোঁচকানো। এর চোখ দেখলে মনে হয় যে–কোনো রকমের নিষ্ঠুরতাতেই এর বেশ আনন্দ। লোকটি বাঙালি নয়, তবে কোথাকার ঠিক বোঝা যায় না। তার সঙ্গের একজন বাঙালি, প্যান্ট–শার্ট পরা, বছর পঁয়তিরিশেক বয়েস, চোখে চশমা, শক্ত চোয়াল। আর একজন এদের দেহরক্ষী, তার হাতে অবশ্য বন্দুক নেই, লাঠি!

    এই জঙ্গলের মধ্যে কোথাও রাস্তা আছে, শোনা গিয়েছিল একটা জিপের শব্দ। সেটাকে পুলিশের গাড়ি বলে সন্দেহ করা হয়েছিল, কিন্তু গোবিন্দ না ফিরলে এই জায়গাটা ছেড়ে যাবার কোনো প্রশ্ন ওঠে না, বাচ্চা সমেত ময়নাকেও এখন সরানো যাবে না, সেইজন্য কেউ পালায়নি।

    জিপটা এদেরই। খানিকটা দূরে সেটা থামিয়ে পায়ে হেঁটে এসেছে। কৌতূহলী বাচ্চারা এগিয়ে দেখতে গিয়েছিল। লাঠিয়াল সম্পর্কে তাদের সহজাত বিভীষিকা আছে, তারাই আবার ছুটতে ছুটতে ফিরে এসে খবর দিয়েছে।

    সুশীলাদি ময়নাকে নিয়ে ব্যস্ত, সে একজন ধাত্রীও বটে, গরমজল দিয়ে পরিষ্কার করছে সব কিছু। এই আগন্তুকদের খবর পেয়েও সে বিচলিত হলো না, এখন ময়না ও তার বাচ্চাকে বাঁচিয়ে রাখাই তার প্রধান কাজ।

    বড়কাকা হতবুদ্ধির মতন এদিক ওদিক তাকাতে লাগল। অন্যান্যরা সবাই চুপ। আমি মনে মনে ভাবলুম মাত্র তিনজন মানুষকে দেখে এতগুলো গ্রামবাসীর খুব একটা ভয় পাবার কারণ আছে কি, এরা তো পুলিশ নয়!

    বলিষ্ঠ লোকটির পায়ে পাম্পশু, সেই জুতো মশমশিয়ে এসে সে রান্নার জায়গাটার কাছে এক হাতে ধুতির খুট ও অন্য হাত কোমরে রেখে অধিপতির মতন দাঁড়াল। ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে নিল পরিস্থিতি।

    তারপর সে বড়কাকাকেই কথা বলার যোগ্য হিসেবে বেছে নিয়ে বলল, এই, তুরা এখানে কী করছিস? এই জঙ্গলে কেন এসেছিস?

    বড়কাকা এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারল না। কেন এসেছে, তা কী করে বলবে? কেউ কি নিজের মুখে স্বীকার করতে পারে যে পুলিশের ভয়ে গ্রামের ঘরবাড়ি ছেড়ে জঙ্গলে এসে লুকোবার চেষ্টা করেছে?

    লোকটি আবার বলল, কী রে, কোথা বলছিস না কেন? এ জঙ্গল হামার আছে। তুরা এখানে কার হুকুমে এসেছিস? কে ভেজিয়েছে তুদের, শ্যামলাল?

    বাঙালিটি মাথা নেড়ে বলল, না, শ্যামলালজী এ কাজ করবে না।

    তারপর সে সবার উদ্দেশে বলল, এই তোরা শোন, ইনি হচ্ছেন রামদেওজী, ইনি এই জঙ্গল ইজারা নিয়েছেন। এখানে তো তোরা কাঠ কাটতে পারবি না। সেটা বে–আইনী হবে। তোরা যা, এখান থেকে চলে যা।

    এবার বড়কাকা বলল, বাবু, আমরা কাঠ কাটতে আসিনি। এমনিই এসেছি, দু’দিন বাদে চলে যাব।

    রামদেওজী উনুনের পাশে পড়ে থাকা একগুচ্ছ লকড়িতে লাথি মেরে বলল, ই তো কেটেছিস! শাল গাছ তোড়িয়েছিস! শাল গাছ নোষ্ট করা ফরেস্ট ডিপাট– এর মানা আছে। হামার নামে দোষ দিবে!

    শুধু শুকনো পাতায় রান্না হয় না, রান্নার জন্য কিছু গাছের ডাল কাটা হয়েছে ঠিকই। এ জঙ্গলে শাল গাছই বেশি, আরও দু’চার জাতের গাছ আছে, সে–সব আমি চিনি না। নদীর ধারে দেখেছি কয়েক সারি ইউক্যালিপটাস, অল্প কিছুদিন আগে লাগানো। কয়েকটা ঝাঁকড়া মহুয়া গাছও আছে।

    জঙ্গল ইজারা নিলেও সবরকম গাছ কাটা যায় না। এক এক জায়গায় এক একরকম গাছ সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা থাকে, এটা আমিও ক্ষীণভাবে শুনেছি। তবে কন্ট্রাকটাররা যে সব নিয়ম মানে না, তাও সবাই জানে।

    রামদেওজীর কথার মধ্যে দৃঢ়তা আছে, কিন্তু চ্যাঁচামেচি করছে না। তার মুখে প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসের ছাপ।

    রামদেওজীর ব্যক্তিত্বের কাছে কাচুমাচু হয়ে গেছে বড়কাকা। গাছ কাটার কৈফিয়ৎ সে দিতে পারছে না।

    —তুরা কোন গাঁও থেকে এসেছিস?

    বড়কাকা আমতা আমতা করে বলল, আংড়া…

    রামদেওজী তার বাঙালি সহচরটির দিকে ফিরে বলল, সে কিধার আছে? আংড়া তো নাম শুনিনি!

    বাঙালিটি একটু ভুরু তুলে ভেবে নিয়ে বলল, আংড়া, হ্যাঁ একটা আংড়া আছে খাঁড়িখোলার পাশে। তোরা সেখান থেকে এই জঙ্গলে এসেছিস কেন?

    বড়কাকা বলল, গাঁয়ে খাবার নেই, হাতে কোনো কাজ নেই, এবার বৃষ্টি হলো না, জমিতে কাজ–কাম শুরু হলো না, তাই কী করি…

    —সেইজন্য এখানে চলে এলি? এখানে কে তোদের খাবার দেবে?

    রামদেওজী একটি অতি শস্তা ব্র্যাণ্ডের সিগারেটের প্যাকেট বার করে, একটা বেশ দামি লাইটার দিয়ে একটা সিগারেট ধরাল। তারপর ধোঁয়া ছেড়ে সে বলল, শুন, তুরা সব ক্ষেতি জমির কাম করিস, জঙ্গলে তুদের কাম নেই। এ হামার জঙ্গল আছে, তুরা ভেগে যা। আর যদি শামলাল তুদের ভেজিয়ে থাকে তবে সে শালাকে বলিস, আমি তার মুখে মুতে দি!

    আমি শুয়ে আছি একটা কুসুমগাছের নীচে, একটু দূরে। আমাকে ওরা এখনো দেখেনি।

    এই শ্যামলাল চরিত্রটা কে? এই রামদেওজীর কোনো প্রতিপক্ষ কন্ট্রাকটার? জঙ্গলের ইজারা নিয়ে বিভিন্ন কন্ট্রাকটারের মধ্যে রেষারেষি থাকা স্বাভাবিক। এদের দেখা যাচ্ছে বেশ নগ্ন প্রতিযোগিতা।

    অস্থায়ী উনুন দুটিতে এখনও কিছুটা আঁচ আছে। একটা উনুনে লাথি মেরে পাথরগুলো ছড়িয়ে দিয়ে রামদেওজী বলল, এ তুষারবাবু, এ লোকগুলাকে ভাগিয়ে দে! ঝুট–ঝামেলা হামি পছন্দ করি না।

    বড়কাকা হাতজোড় করে বলল, বাবু, আমাদের আজকের রাতটা অন্তত থাকতে দিন। কাল চলে যাব!

    অত্যন্ত অবহেলার সঙ্গে রামদেওজী হাত নেড়ে নেড়ে বলল, যা যা যা! ঐ শালা শামলালের ভি জঙ্গল আছে, সেখানে যা। আভি নিকাল –

    এবারে আমি উঠে বসলুম। বাঙালি–অবাঙালির ব্যাপার নিয়ে আমরা কেউ মাথা ঘামাই না। বাঙালিরা সবাই বিশ্বপ্রেমিক। কলকাতা শহরটা অবাঙালি ব্যবসায়ীরা কব্জা করে নিয়েছে, আমরা প্রতিবাদ করি না। গ্রামেরও এই অবস্থা নাকি? পুরুলিয়া শহরের রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে এক বন্ধু একটা বড় বাড়ির দিকে হাত দেখিয়ে বলেছিল, জানো, এই শহরে এই একটাই বাঙালিদের ভালো বাড়ি। আর সব যত বড় বড় বাড়ি দেখবে, সেগুলো সব মাড়োয়ারিদের!

    মেদিনীপুর জেলার একটি জঙ্গলে এখানকার গ্রামের মানুষদের আসবার অধিকার নেই, সেই জঙ্গলের অধিকার থাকবে হাজার মাইল দূর থেকে আসা একজন মানুষের? এ কী ধরনের ব্যবস্থা।

    কাছে এসে বাঙালি ভদ্রলোকটিকে আমি বললুম, আপনারা এ জমি ইজারা নিয়েছেন, তা বলে এই জঙ্গলে কেউ বেড়াতেও আসতে পারবে না? এরকম কোনো আইন আছে নাকি?

    আমি একটু নার্ভাস বোধ করছিলুম, বাইরের লোকজনের সঙ্গে চোটপাট করে কথা বলা আমার স্বভাব নয়। আমার গলার আওয়াজটা বেশি জোর হয়ে গেল, একটু কেঁপেও গেল। শব্দ নির্বাচনেও ভুল হয়েছে আমার। বেড়াতে আসার কথাটা এখানে খাটে না। একটা গোটা গ্রামের আবালবৃদ্ধবনিতা কোথাও বেড়াতে যায় না, তারা যেখানেই যাক, প্রয়োজনে যায়, বাধ্য হয়ে যায়।

    আমার চেহারা বা পোশাক দেখে কিছু বোঝা না গেলেও উচ্চারণ শুনেই ওরা ধরে ফেলল যে আমি আংড়া গ্রামের মানুষ নই।

    তুষার নামের লোকটি বেশ খানিকটা বিস্মিত হয়ে বলল, তুই কে? তুই এখানে কী করে এলি? কে তোকে পাঠিয়েছে?

    এই ধরনের মানুষগুলো গ্রামের সব লোকদেরই তুই–তুকারি করে কথা বলে। কিন্তু আমি এই তুষারের চেয়ে কম কিছু ভদ্রলোক নই, আমাকে ওর আপনি বলা উচিত ছিল। আমার আরও রাগ চড়ে গেল।

    –আমি যেই হই না কেন, আমি যা জিজ্ঞেস করলুম তার উত্তর দিন! এই জঙ্গলে তো বেড়া দেওয়া নেই। এখানে লোক ইচ্ছেমতন এমনি এমনি আসতে পারবে না?

    –আসতে পারবে না কেন, সে কথা বলেছি? এরা চুরি করে কাঠ কাটতে এসেছে!

    —মোটেই এরা কাঠ কাটতে আসেনি। এরা চাষী, এরা কাঠুরে নয়।

    —আলবৎ এরা কাঠ কেটেছে। এই তো রান্নার জন্য কতগুলো ডাল কেটেছে। রামদেওজী সিগারেট টানতে টানতে লকড়ির স্তূপে আর একটা লাথি মেরে বলল, ই সব কাঠ কেটেছে। কম–সে–কম পঁচাশ রূপিয়া দাম হোবে

    তারপর সে বড়কাকার দিকে ফিরে ধমক দিয়ে বলল, এ বুড়া, দে পঁচাশ টাকা দে! না দিবি তো তুর ঘাড় ভাঙব।

    রামদেওজীর ভাষা অনেকটা আদিবাসীদের ভাষার সঙ্গে ভাঙা হিন্দি মেশানো। সম্ভবত সে মাড়োয়ারি নয়। মাড়োয়ারিদের কণ্ঠস্বর এত কর্কশ হয় না।

    পঞ্চাশ টাকা দিতে হবে শুনে বড়কাকার মুখ ভয়ে শুকিয়ে গেছে। অন্যরা একেবারে নিঃশব্দ। হয়তো আগেকার অভিজ্ঞতায় এরা জানে, রামদেওজীর মতন ক্ষমতাবান মানুষদের কথার প্রতিবাদ করা যায় না। এই ধরনের জোতদার– ব্যবসায়ীদের কাছেই ওদের কাজ চাইবার জন্য হাত কচলাতে হয়।

    ভবেনটা অন্য সময় এত গলাবাজি করে, এখন সে–ও একটা কথা বলছে না। কাছাকাছি কোথাও দেখা যাচ্ছে না তাকে।

    রামদেওজী আবার বলল, এ বুড়া, চুপসে ঠার রইলি কেন? হামার জঙ্গলের কাঠ নোষ্ট করেছিস, দে, রূপিয়া দে!

    আমি বড়কাকাকে বললুম, না, কক্ষনো দেবেন না!

    তারপর তুষারকে বললুম, এইটুকু কাঠের দাম পঞ্চাশ টাকা? ইয়ার্কি পেয়েছেন? রান্নার জন্য দু’একটা ডাল ভাঙলে সেটা মোটেই কিছু দোষের নয়।

    তুষার এবার আমার দিকে কুটিল চোখে তাকিয়ে বলল, জঙ্গলের মধ্যে এসে কে ওদের রান্না করতে বলেছে? এটা কি ওদের বাপের তালুক? সরকারি ইজারার জঙ্গলে উইদাউট পারমিশান রান্না করা বেআইনী!

    রামদেওজী উপহাসের হাসি দিয়ে বলল, এ তুষারবাবু, এ ছোকরা কৌন আছে? নোক্‌শাল আছে বুঝি?

    তুষার তাচ্ছিল্যের সঙ্গে বলল, আরে ওসব নক্‌শাল ফক্‌শাল আমি গ্ৰাহ্য করি না। সেভেন্টি ওয়ানে কত নক্‌শাল ঠাণ্ডা করেছি।

    —এ ছোকরাকে নিয়ে চল…

    সঙ্গে সঙ্গে তুষার আমার ঘাড় আঁকড়ে ধরল। লাঠিওয়ালা লোকটা চেপে ধরল আমার হাত।

    আমি হতভম্ব হয়ে গেলুম। এতগুলো লোকের সামনে এরা আমার গায়ে হাত দিচ্ছে? কী সাহস! আমি ওদের সঙ্গে যুক্তি তর্ক করছিলুম, সেটা ওরা গায়ের জোরে থামিয়ে দিতে চায়?

    আমি বড়কাকা, হারু, সুবল এদের দিকে তাকালুম। কেউ আমাকে সাহায্য করার জন্য একটা আঙুলও তুলল না।

    আমি মাথাটা ছটফটিয়ে বললুম, ছেড়ে দিন, আমার গায়ে হাত দিচ্ছেন কেন, ছেড়ে দিন আমাকে!

    রামদেওজী বলল, চল শালা, তুকে পুলিশের হাতে জিম্মা করে দিবো! তারপর সে বড়কাকাদের দিকে তড়পে বলল, পাঁচ মিনিটের মধ্যে সব ভেগে যা! জঙ্গল ছোড়কে চলা যা! নেহি তো লাঠিসে ভাগাবো! জগদীশ, ইসব উনান বগেরা তোড় দে!

    লাঠিওয়ালা লোকটি শুধু উনুনই ভাঙল না, ভেঙে দিল ওদের কয়েকটা মাটির হাঁড়ি। তুষার আমাকে ঠেলতে লাগল সামনের দিকে।

    আমি প্রতি মুহূর্তে ভাবছি আংড়া গ্রামের লোকগুলো ক্ষেপে উঠবে। ওদের কাছেও টাঙ্গি আছে, কুড়ুল, লাঠি আছে। এই তিনটে লোককে পিটিয়ে তাড়িয়ে দিতে পারবে না?

    কিন্তু কেউ একটা শব্দ করছে না, কেউ এক পা এগিয়ে আসছে না। ওদের ভাত–রান্নার হাঁড়ি ভেঙে দিল, তাতেও রাগ নেই?

    ডাকাতি করার জন্য যেমন আগে ট্রেনিং নিতে হয়, সেইরকম গ্রামের মানুষকে প্রতিবাদে উদ্বুদ্ধ করতে হয় কীভাবে, তাও নিশ্চয়ই দীর্ঘদিন ধরে শেখার ব্যাপার। আমি ধরেই নিয়েছিলুম, এতগুলো মানুষ যখন আছে, তখন এই তিনটে অমানুষকে পিটিয়ে তাড়িয়ে দিতে পারবে। আমাকে তুষার আর জগদীশ টানতে টানতে নিয়ে যাচ্ছে, তাও আমি ঠিক বিশ্বাস করতে পারছি না। আমাকে এতগুলো লোকের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া সত্যি সম্ভব?

    এরই মধ্যে আমার খানিকটা অভিমান হলো। আমাকে ওরা নিজের লোক বলে মনে করে না! একটু আগে আমি ওদের সঙ্গে বসে খেলুম, খেয়ে উঠে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে সারা বছরের কাজকর্ম সম্পর্কে আলোচনা হচ্ছিল, এখন ওরা আমাকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করল? আমার জন্য ওরা কোনো ঝঞ্ঝাটে জড়াতে চায় না। ওরা বোধহয় রামদেওজীকে আগে দেখেছে, এর শক্তির কথা জানে, রামদেওজীর হুকুম অমান্য করে এই জঙ্গলে যে আর থাকা যাবে না, তাও বুঝে গেছে!

    আংড়া গ্রামের মানুষের সঙ্গে এইভাবে আমার সম্পর্ক শেষ হয়ে গেল? সিনেমার নায়কদের মতন আমার অলৌকিক শক্তি নেই যে একা লড়ে গিয়ে এই তিনজনকে কাবু করে ফেলব। রামদেওজী নিজেই আমাকে পেড়ে ফেলতে পারে। তুষারও বেশ শক্তিশালী, আর জগদীশের চাকরিই তো গায়ের জোর ফলানো।

    গ্রামবাসীদের যে প্রতিবাদ করার সাহস নেই, তা রামদেও নিশ্চয়ই আগে থেকেই ভালো করে জানে। তাই সে এদের তাড়াবার জন্য মাত্র দু’জন লোক সঙ্গে নিয়ে এসেছে। হয়তো রামদেও–র কোমরে রিভলভার আছে, এদের থাকে। সরকার এদেরই আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেয়।

    জিপটার কাছে এনে তুষার আমাকে এক ধাক্কায় ফেলে দিল মাটিতে। রামদেও বলল, এ তুষার ই হারামীকা কেয়া মতলোব দেখ্‌। ই কাঁহাসে এসেছে?

    বাঙালি তুষার এই রামদেওর বিশ্বস্ত অনুচর। প্রভুভক্ত শিকারী কুকুরের মতন তার একটা অদৃশ্য লেজ নড়ছে। সে আমাকে ক্যাৎ করে একটা লাথি কষিয়ে দাঁতে দাঁত ঘষে বলল, তুই কোথা থেকে এসছিস? কেন এসেছিস এদিকে? বল শালা…

    আমার সারা শরীরে ত্রাস এসে গেল। এরা সাধারণ ধর্মভীরু গ্রামের মানুষ নয়, এরা পোড়–খাওয়া, শ্রমিকের রক্তচোষা ব্যবসাদার, জঙ্গল কেটে উজাড় করে দিতে এদের যেমন বিবেকে লাগে না, সেইরকম মানুষ মারতেও এদের হাত কাঁপার কথা নয়। এরা ভাতে মারে, গাড়ি চাপা দিয়ে মারে, দরকার হলে লাঠি– বন্দুক চালাতেও দ্বিধা নেই।

    এই তুষারটা গুণ্ডা ধরনের। ও আমাকে নক্‌শাল ভেবেছে, উনিশশো একাত্তরে নক্শাল মেরে হাত পাকিয়েছে, উনিশশো সাতাশিতে সে আরও সহজে মারতে পারবে। নক্শাল ছেলেদের মৃত্যুভয় ছিল না, কিন্তু আমার বেঁচে থাকার খুবই ইচ্ছে।

    মাটিতে কাৎ হয়ে পড়ে আমি মিনমিনে গলায় বললুম, আমাকে পুলিশের কাছে নিয়ে যেতে চান, নিয়ে চলুন, আমি তো আপত্তি করছি না।

    রামদেও বলল, আরে বেহুদা, তু কুন পাট্টি পহেলে বল্! হামি দু’দুটা পাট্টিকে চান্দা দেই, লিডারলোগ হামার কোঠিতে এসে খানাপিনা করে, তু কৌন রে!

    –আমি কোনো পার্টি করি না, বিশ্বাস করুন। আমি এমনি বেড়াতে বেড়াতে এদিকে এসেছি। এই জঙ্গলে ঢোকা যে নিষেধ, তা আমি জানতুম না।

    —ঠিক বাত বল! হামার দিমাগ খারাব করে দিস না!

    তুষার বলল, তুই এই গ্রামের লোকগুলোকে ক্ষেপিয়ে জঙ্গলে নিয়ে এসেছিস কেন?

    —আমি ওদের আনিনি। সত্যি কথা বলছি। ওরা নিজেরাই এসেছে!

    —ওরা নিজেরাই এসেছে, এমনি এমনি? তবে তুই ওদের হয়ে তড়পাচ্ছিলি কেন?

    –আমি কিছু বলিনি তো, এমনিই জিজ্ঞেস করছিলাম। এখানকার নিয়মকানুন তো ঠিক জানি না! আমাকে দয়া করে একটু থানায় পৌঁছে দিন।

    রামদেও তার বিশাল মুখখানা আমার কাছে ঝুঁকিয়ে এনে বলল, তু উই বুঢ়াকে রূপিয়া দিতে না বললি। হামার মুখের উপর কোথা বললি! তুকে থানায় দিব, হাঁ দিব, তার আগে তুর হাঁথদুটো ভাঙ্গে দিব! কব্জী উলাট দিব, আর কভি মাস্তানি করবি না।

    আমার চোখদুটো ঠেলে বেরিয়ে আসতে চাইছে। এ লোকটা মিথ্যে ভয় দেখায় না। এ আমার হাতদুটো ভেঙে দেবে বলছে!

    পেছনে অনেকগুলো কণ্ঠস্বর শুনে রামদেও ঘাড় ঘোরালো, তারপর বলল, উ ভিখারিগুলো আসছে। জগদীশ, তৈয়ার…

    সুশীলাদিরা যদি আসতে আর দু’এক মিনিট দেরি করত, তা হলে আমাকে হয়তো পঙ্গু হয়ে থাকতে হতো সারাজীবন! দরদর করে ঘাম ঝরছে আমার সারা শরীরে।

    সুশীলাদি আরও আট ন’জন মহিলাকে নিয়ে ছুটে এসেছে। সঙ্গে বাচ্চাদের দল। পুরুষরা অনেক পেছনে।

    জগদীশ লাঠি তুলে তাদের আটকাতে গেলেও সেই মহিলা ও শিশুবাহিনী ঘিরে ফেলল জিপখানা। সুশীলাদি ব্যাকুলভাবে হাতজোড় করে বলল, ও বাবু, আমরা জঙ্গল ছেড়ে চলে যাচ্ছি। এ মানুষটাকে তোমরা ছেড়ে দাও! আমরা এক্ষুনি চলে যাব!

    তুষার বলল, তোরা তো জঙ্গল ছেড়ে যাবিই। এ লোকটাকে আমরা সঙ্গে নিয়ে যাব।

    জগদীশকে ঠেলে সরিয়ে আমার আর রামদেও’র মাঝখানে এসে দাঁড়িয়ে পড়ে পাগলাটে গলায় সুশীলাদি বলল, না, ওকে নিতে দেব না! আমাদের না মেরে নিতে পারবে না! মারবে আমাদের? মারো।

    জগদীশ সুশীলাদির হাত ধরে টেনে সরিয়ে দিতে যাচ্ছিল, রামদেও তাকে এক ধমক দিয়ে বলল, জেনানার গায়ে হাঁথ দিবি না!

    এইসব লোকদের এক বিচিত্র পাপ–পুণ্য জ্ঞান আছে। এরা কোনো রমণীকে যখন তখন বিধবা করে দিতে দ্বিধা করে না, অথচ নারী জাতিকে সম্মান করে। এরা শিশুদের আদর করে, কিন্তু এক হুকুমে চার পাঁচটি শিশু পিতৃহীন হয়ে গেলে এদের কিছু যায় আসে না।

    এই নারীবাহিনীকে দেখে রামদেও’র মুখের ভাব অনেক নরম হয়ে গেল। সে সুশীলাদিকে জিজ্ঞেস করল, এ ছোকরা কৌন আছে?

    সুশীলাদি বলল, এ আমার ভাই হয়। শহরে চাকরি করে। আর সবাইকে জিজ্ঞেস করে দ্যাখো!

    অতি ধূর্ত রামদেও বিশ্বাস করল না একথা। সুশীলাদি মিথ্যেটা বলতেও পারেনি ভালো করে। কিন্তু রামদেও এই বিষয়ে আর চাপ দিল না, সে এখন নারী জাতিকে দয়া দেখাতে চায়।

    সামান্য ভর্ৎসনার সুরে সে বলল, তুলোগ হামার জঙ্গলের কাঠ কেটেছিস। আগ জ্বালিয়েছিস। ফরেস্ট ডিপাটে হামাকে ফাইন দিতে হোবে!

    –আর কাঠ কাটব না, ও বাবু, মা মনসার দিব্যি, এবারের মতন মাপ করে দাও। তোমার কত আছে, আমরা তো মোটে দুটো গাছের ডাল কেটেছি।

    –তব যা, চলে যা, ঘর যা। বাল–বাচ্চা নিয়ে জঙ্গলে কেনো আসিস?

    –বাবু, আমরা ঠিক চলে যাব। আমাদের একজন লোক বাজারে গেছে, সে ফিরে এলেই চলে যাব। এখন গেলে সে আমাদের খুঁজে পাবে না। বাবু, রাত পর্যন্ত সময় দাও। কথা দিচ্ছি, আর আগুন জ্বালব না, রান্না করব না! বিশ্বাস করো, কথা দিচ্ছি।

    রামদেও এ প্রার্থনাও অনুমোদন করে জিপ গাড়িটায় উঠতে গেল। তুষার আরও একটু কর্তব্য দেখাবার জন্য চোখ রাঙিয়ে বলল, ঠিক এই রাত্তিরের মধ্যে চলে যাবি কিন্তু। আমরা আবার আসব, তখনও যদি তোদের দেখি, পিটিয়ে লাশ ফেলে দেব!

    তুষারই এই জিপের ড্রাইভার। জিপটা হুস করে বেরিয়ে গেল একটু বাদে।

    সুশীলাদির প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা শুধু আমার হাতদুটোকে বাঁচিয়ে দেবার জন্যই নয়। শেষ মুহূর্তে আমি ভেবেছিলাম, রামদেও’র পা জড়িয়ে ধরে দয়া চাইব যদি তাই–ই করতে হতো, তাহলে সারাজীবনে সেই গ্লানি আমার মুছত না। মানুষ অনেকরকম ভাবেই বেঁচে থাকে, কিন্তু জীবনের একটা কিছু না কিছু মহিমা তো থাকা দরকার। আত্মসম্মান একবার বিসর্জন দিলে সে মহিমা আর খুঁজে পাওয়া যায় না।

    মৌখিক কৃতজ্ঞতা জানাবার কোনো মানে হয় না সুশীলাদিকে। আমার মুখে কোনো কথাও আসছে না। আমি ঝিম মেরে বসে রইলুম।

    জিপটা চলে যেতেই সুশীলাদি বড়কাকাকে মুখঝামটা দিয়ে বলল, ছি ছি ছি, তোমরা কী গো? তোমাদের সুমুখ থেকে এই মানুষটাকে ধরে নিয়ে এলো, আর তোমরা কিছু বললে না? আমাকে একটা খপর দিতে পারলে না? আমাকে পাঁচীর মা ঠিক সময়ে গিয়ে বলল তাই…

    বড়কাকা মাথা চুলকে বলল, কী করব বল, শেঠ যে ঐটুকুনি কাঠ কাটার জন্য পঞ্চাশ টাকা চেয়ে বসল। তাতেই মাথা খারাপ হয়ে গেল আমার!

    আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললুম। কাঠের দাম নয়, আমার জীবনের দাম পঞ্চাশ টাকা! আমাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছিল বলে রামদেও আর কাঠের দামের জন্য জোর করেনি।

    অবশ্য, কলকাতায় পঞ্চাশ টাকা আর এই গ্রামের মানুষের কাছে পঞ্চাশ টাকার যে কত তফাত তা হয়তো আমরা কোনোদিনই বুঝতে পারব না।

    সুশীলাদি আবার গঞ্জনার সুরে বলল, এ মানুষটা তো আমাদের হয়েই ঝগড়া করতে গেসল ওদের সঙ্গে। ছি ছি ছি! এ মানুষটাকে আমরা বাস থেকে জোর করে নামিয়ে এনিছি, এখন ওকে ভালোয় ভালোয় বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া আমাদেরই কর্তব্য নয়? ওর যদি মন্দ কিছু হয়ে যেত, তা হলে আমাদের পাপের বোঝা আরও বাড়ত না?

    একজন বৃদ্ধ বলল, এটা ঠিক কথা বটে! এটা বড় ভুল হয়েছে গো আমাদের!

    পাপ শব্দটার কতরকম ব্যাখ্যা! যাদের নিজেদেরই বাড়ি ফেরার ব্যাপারে চরম অনিশ্চয়তা, তারা এখন আমাকে বাড়ি ফিরিয়ে দেবার জন্য চিন্তিত। এর নাম কর্তব্যজ্ঞান!

    বড়কাকা এবার আত্মপক্ষ সমর্থনে বলল, কিন্তু রামদেও শেঠের মুখের ওপর কোনো কথা বলে কী লাভ হতো কিছু? ওর তাঁবে আড়াইশো–তিনশো লোক খাটে। পিটিয়ে ছাতু করে দিত না আমাদের?

    এবার ভবেন বলল, আমি রামদেওবাবুকে খুব ভালো করেই চিনি। ও ব্যাটার একেবারে বাঘের মতন মেজাজ। একবার এক সাঁওতাল ওর ছেলেকে মারতে গেসল, তখন এই রামদেও জঙ্গলে আগুন লাগিয়ে সেই সাঁওতালটার হাত পা বেঁধে ফেলে দিল আগুন। সবাইকে বলল, সাঁওতালটা হাঁড়িয়া খেয়ে মাতাল হয়ে আগুনে পুড়ে মরছে। ঝাড়গ্রামে গিয়ে যে–কোনো লোককে জিজ্ঞেস করো না, সবাই এ কথা জানে।

    আর একজন কে বলল, আমরা বাঘের পাল্লায় পড়িছি। এখনই এ জঙ্গল না ছাড়লে উপায় নেই।

    ভবেন বলল, রামদেও শেঠ কিন্তু একটা কথা ঠিকই বলেছে। জঙ্গলে আগুন জ্বালা বে–আইনী!

    সুশীলাদি বলল, সে কথা আগে বলিসনি কেন? তা হলে নদীর ধারে গিয়ে উনুন পাতা হতো!

    তারপর আমার দিকে তাকিয়ে, যেন আমার কাছেই পরামর্শ চাইছে এমন ভাবে সুশীলাদি বলল, এখন কী করি বলো তো? গোবিন্দ না এলে তো যেতেও পারি না। কিন্তু গোবিন্দ কখন যে ফিরবে ….

    ভবেন বলল, একটা কথা বলি সুশীলাদি। রামদেও শেঠ যদি দলবল নিয়ে ফিরে এসে আবার আমাদের দেখে তা হলে কিন্তু রক্ষে রাখবে না। গোবিন্দর জন্য অপেক্ষা করে লাভ নেই। চলো ভেগে পড়ি…

    —কোথায় যাব?

    এই সরল প্রশ্নটির উত্তর কেউ দিতে পারল না। এই জঙ্গলের পর আর কোথায় নতুন আশ্রয়ের সন্ধানে যাওয়া যায়, তা কেউ চিন্তা করেনি।

    একজন বৃদ্ধ বলল, চল সুশীলা, আমরা গ্রামেই আবার ফিরে যাই। মরতে হয় তো নিজের ভিটেতেই মরব।

    ভবেন বলল, পুলিশ টের পেলে আর নিজের ভিটেতেও মরতে দেবে না গো, জ্যাঠা। ধরে নিয়ে গিয়ে গারদে ভরবে আর শুয়োর–মারা মারবে!

    সুশীলাদি বলল, গোবিন্দ এখানেই থাকতে বলে গেছে। তা হলে এক কাজ করি। আমরা নদীর ধারে গিয়ে বসে থাকি না কেন! নদী তো আর কেউ ইজারা নেয়নি! লোকে দেখবে তো দেখুক। এ তল্লাটে কাউর কি আর জানতে বাকি আছে?

    সবাই পায়ে পায়ে ফিরে এলো আগের জায়গায়।

    ছেলেকে পাশে নিয়ে গভীর তৃপ্তির ঘুমে মগ্ন হয়ে আছে ময়না। তার পাশেই একটা এঁটো শালপাতা। এর মধ্যেই ময়নাকে খিচুড়ি খাইয়ে দেওয়া হয়েছে খানিকটা। নার্সিংহোমে সদ্য মায়েদের জ্ঞানই ফেরে অনেক পরে। সে–বেলা তাদের কিছু খাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এখানে সবকিছুই আলাদা। ময়না সন্তান প্রসব করেছে সজ্ঞানে। একটু দূরের একটা বাঁশবন থেকে কঞ্চি তুলে এনে তা দিয়ে তার নাড়ি কাটা হয়েছে। ময়না ছেলেকে স্তন্য পান করিয়েছে, নিজে খাবার খেয়েছে, বেশ কয়েক পা হেঁটে সে নাকি বাথরুম করতেও গিয়েছিল।

    যে–যার পোঁটলা–পুঁটলি গুছিয়ে নিচ্ছে। গোবিন্দ কিছু খেয়ে যায়নি, তাই সুশীলাদি তার জন্য রেখে দিয়েছে খানিকটা খিচুড়ি। তিনটে হাঁড়ির মধ্যে দুটো ওরা ভেঙে দিয়ে গেছে। সৌভাগ্যবশত যেটাতে কিছু খিচুড়ি রাখা আছে, সেটাই ভাঙেনি। হাঁড়িটা হাতে তুলে নিল সুশীলাদি। এবার ময়নাকে জাগাতে হবে।

    তার অবশ্য দরকার হলো না। শুকনো পাতার ওপর দিয়ে পায়ের শব্দ করতে করতে তখনই ফিরে এলো গোবিন্দ। বিষণ্ন, থমথমে তার মুখ। মাথা নীচু করে পা টেনে টেনে হাঁটছে।

    সুশীলাদি চেঁচিয়ে উঠল, গোবিন্দ, গোবিন্দ!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    Next Article ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }