Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প205 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সুখ অসুখ – ১০

    দশ

    রজতের ছুটির দরখাস্তের উত্তর এসে গেছে। সামনের মাসের দু-তারিখে তিনি রিলিজড হবেন। এখনও ন-দিন বাকি, কিন্তু মহা উৎসাহে মালতী এর মধ্যেই জিনিসপত্র গুছোতে শুরু করেছে। মালতীর পরিকল্পনা, প্রথমে কলকাতায় গিয়ে দিন তিনেক থাকবে, তারপর গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়বে জলপাইগুড়ি, কুচবিহার, ত্রিপুরার দিকে। অনেকদিন সমুদ্র আর নদী দেখেছে, এবার তার পাহাড় আর জঙ্গল দেখার ইচ্ছে। বিয়ের পরই পুরীতে গিয়েছিল কিছুদিন, তারপর এই নদীর পাড়ে অনেকদিন কাটল, নদীপাড়ের জীবন তার আর ভালো লাগছে না, জঙ্গলের রহস্য আর পর্বতের উচ্চতা দেখার জন্য তার মন ছটফট করছে।

    শরীরটায় আবার একটু গোলমাল যাচ্ছে কদিন ধরে। রজতকে কিছু বলেনি, রজত তা হলে আবার ব্যস্ত হয়ে উঠবে। শরীরটা কিছুদিন এত ভালো হয়ে উঠেছিল যে, রক্ত চনমন করে লেগেছে সারা দেহে। হঠাৎ আবার এই মন্থরতায় তার খুব মন খারাপ হয়ে যায়। তার অসুখ কি আবার ফিরে আসবে? আবার অসুখ হলে মালতী ঠিক আত্মহত্যা করবে, মালতী ঠিক করে রেখেছে। আগে থেকেই শরীর খারাপের কথা বলে সে রজতের মন খারাপ করতে চায়নি। শরীর উপেক্ষা করে সে মনের খুশি বজায় রাখতে চায়।

    ছুটির পর ডায়মন্ডহারবারেই আবার ফিরতে হবে কিনা, তা এখনও ঠিক হয়নি। তবু মালতী কিছু কিছু পুরনো ফার্নিচার বিদায় করতে চায়। সে বইগুলো প্যাক করে কলকাতায় পাঠাতে শুরু করেছে। কয়েকটা পুরনো শাড়ি দান করে দিচ্ছে ধোপানি আর মালির বউকে। রেকর্ড প্লেয়ার খারাপ হয়ে আছে কদিন ধরে, ওটা আর সারাবার দরকার নেই। মালতীর ইচ্ছে, ওটাকে বাতিল করে এবার একটা রেডিয়োগ্রাম কিনবে।

    অরুণ চলে যাবার পর রজত কয়েকদিন একটু বিমর্ষ হয়েছিলেন। একটা অকারণ অপরাধ-বোধ তাঁকে পেয়ে বসেছিল। মালতীকে তিনি সব বলেছিলেন। মালতী আন্তরিক ভাবে রজতের হাত ধরে বলেছিল, ঘটনাটা খুব দুঃখের, কিন্তু এতে তোমার সত্যিই কোনও দায়িত্ব নেই, তুমি মন খারাপ করছ কেন?

    রজতের কাজের চাপ একটু কম। যেমন হঠাৎ হয়েছিল গণ্ডগোল, তেমনই হঠাৎ আবার শান্ত হয়ে গেল সব। স্কুল-কলেজ আবার খুলছে, স্বাভাবিক হয়ে গেছে জীবন। কদিন সন্ধ্যাতেই ওদের দুজনকে ভদ্রতা রক্ষা করার জন্য বেরোতে হচ্ছে। ওরা চলে যাবে শুনে পরিচিতরা প্রতিদিনই নেমন্তন্ন করে খাওয়াচ্ছে।

    সেদিন বিকেল-বিকেলেই রজত অফিস থেকে বাড়ি এলেন। মালতীকে বললেন, চলো, আজ একটু গঙ্গা দর্শন করে আসি।

    মালতী আলমারির সব জিনিস বার করে ফেলে আবার নতুন করে গোছাচ্ছিল। বলল, হঠাৎ তোমার ধর্ম করার দিকে মন গেল নাকি।

    রজত বললেন, তা ধর্ম নিয়ে মাতলেও মন্দ হয় না। এতকাল গঙ্গার পাড়ে রইলুম, একদিনও কিন্তু গঙ্গা স্নান করা হল না।

    তুমি এই বিকেলবেলা গঙ্গায় নামবে নাকি?

    পাগল হয়েছ! চলো, একটু বেড়িয়ে আসি। গঙ্গার পাড়ে বেড়াতে কিন্তু আমার বেশ ভালোই লাগে। চলো, চলো, শিগগির তৈরি হয়ে নাও।

    এক্ষুনি যাব কী? সব কিছু এলোমেলো ছড়ানো।

    ওসব এসে হবে। আর সময় পাব না। কাল নেমন্তন্ন, পরশু নেমন্তন্ন—আর সময়ই পাব না। চলো, দুজনে মিলে আজ একটু বেড়িয়ে আসি নিরিবিলিতে।

    শহর ছাড়িয়ে গাড়ি এসে পড়ল ফাঁকা রাস্তায়। মালতীর শরীরটা একটু ম্যাজম্যাজ করছে, কিন্তু হু-হু করা বাতাসে শরীর ধুয়ে নিয়ে মনটাকে উন্মুক্ত করে দিল। একটু নির্জন দেখে সে মাথা হেলাল রজতের কাঁধে। রজত বললেন, তুমি গাড়ি চালানোটা শিখে নিলে পারতে। যদি কখনও হঠাৎ দরকার হয়—

    হঠাৎ আবার কী দরকার হবে?

    ধরো, মাঝ রাস্তায় যদি কখনও আমার খুব শরীর খারাপ হয়।

    তোমার তো কখনও শরীর খারাপ হতে দেখিনি।

    কথাটা বলেই মালতী সিট ছুঁয়ে তাড়াতাড়ি বলে উঠল, টাচ, উড। খুব শখ বুঝি তোমার শরীর খারাপ করার?

    দু-একবার অসুখ হলে খুব খারাপ হত না। তোমার হাতের সেবা অন্তত পেতুম।

    এই, আমি বুঝি কখনও তোমার সেবা করি না। কে তোমার জামা ইস্তিরি করে দেয় শুনি?

    ওসব বাদ দাও, নিজে থেকে কখনও আমাকে একটু আদর করেছ?

    করিনি?

    কোনওদিন না!

    মালতী চেঁচিয়ে উঠল, এই, এই, কী করছ, সামনে তাকাও! অ্যাকসিডেন্ট করবে এক্ষুনি। কী অসভ্যতা করছ ছেলেমানুষের মতন!

    রজত স্টিয়ারিং ছেড়ে দু’হাতে মালতীকে জড়িয়ে ধরেছেন। গাড়িটা মাতালের মতন লটপট করতে লাগল। মালতীকে ভয় দেখিয়ে রজত অত্যন্ত মজা পেতে লাগলেন।

    একটা ছাতার মতো সুন্দর পাকুড় গাছের পাশ দিয়ে গাড়িটা যাবার সময় মালতী বলল, এইখানে থামাও, এখানে একটু বসি। বেশ সুন্দর জায়গাটা!

    জায়গাটা সত্যি মনোরম। গঙ্গা এখানে খুব চওড়া হতে হতে মাঝপথে বাধা পেয়েছে, মাঝখানে একটা দ্বীপের মতন ভেসে উঠেছে। দূর থেকে জলের ওপর একটা ছড়ানো সবুজ আলোয়ানের মতন সেটাকে দেখায়। পাকুড় গাছটার নীচে একটা বড় পাথরের চাঁই—বেশ পরিচ্ছন্ন, তকতকে, সিংহাসনের মতন মনে হয়। কাছেই একটা কেয়া গাছের ঝোপ। রোদ্দুরের তেজ মরে গেছে, কিন্তু আলো এখনও স্পষ্ট। দুজনে ওই পাথরটার ওপরে বসল গঙ্গার দিকে মুখ ফিরিয়ে। বহুদূরের সমুদ্র থেকে এই নদীপথ ঘুরে হাওয়া আসছে। এই হাওয়ায় একটা বিচিত্র মাদকতা, যেন বহুদূরের গন্ধ পাওয়া যায়। একটু বাদেই সন্ধ্যা হবে। নদীর পশ্চিম দিকে তাকালে এখনই বিশাল সূর্যাস্ত দেখা যাবে। কিন্তু নদী তীরের সূর্যাস্ত মালতী আর দেখতে চায় না, সে অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে বসল। আশেপাশে অনেক দূরে কোনও বাড়ি-ঘর নেই, শুধু মাঝে মাঝে বড় রাস্তা দিয়ে বাস আর গাড়ি যাচ্ছে। যাত্রীরা ওদের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে, যতক্ষণ দেখা যায়।

    রজত বললেন, মিলু, একটা গান করো না আস্তে আস্তে।

    কী গান বলো?

    ‘তুমি রবে নীরবে, হৃদয়ে মম’—অনেকদিন গাওনি।

    ওই গানটার কথা শুনে মালতী একটু অন্যমনস্ক হয়ে গেল। তারপর বলল, না, ওটা নয়। ও গানটা পুরুষদের গলাতেই ভালো মানায়। তার চেয়ে বরং সেইটা—কোনটা বলো তো?

    রজত মালতীর মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারলেন। তারপর হেসে আর গানের কথাটা উচ্চারণ করলেন না, নিজেই গুনগুন করে সুর ধরলেন। সেই সুরের সঙ্গে মিলিয়ে মালতী একটু উঁচু স্কেলে গাইল ‘চিরসখা হে, ছেড়ো না।’ গানটা শেষ হতে রজত বললেন, এটা তোমার খুব প্রিয় গান, না? এটা কবে শিখেছিলে?

    কলেজে যখন সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। রাজেশ্বরী দত্তর মুখে একবার শুনেছিলাম। এই গানটা গাইলেই আমার কী রকম যে কান্না-কান্না পায়। খুব সুখেও মানুষের কান্না পায়, তাই না! তবে, এই গানটা আমার আর সে-রকম গাইতে ইচ্ছে করে না, এটা আমার গত জন্মের গান!

    গত জন্ম আবার কী?

    তোমার সঙ্গে দেখা হবার আগে আমার যে জন্মটা ছিল। তারপর তো তুমি আমাকে নতুন একটা জন্ম দিয়েছ।

    আর ওকথা বোলো না। এটা যেন কী রকম কৃতজ্ঞতা কৃতজ্ঞতা শোনায়!

    মালতী বিচিত্রভাবে হেসে রজতের দিকে চাইল। রজত দুষ্টুমি করে মালতীর দিকে একটা চোখ টিপে দিলেন। তারপর হাত বাড়িয়ে ওর কোমরটা জড়িয়ে ধরতে যেতেই মালতী ছটফট করে উঠে বলল, আঃ, তুমি কী যে করো! রাস্তা দিয়ে গাড়ি যাচ্ছে! তোমার ব্যবহার দেখলে কে বলবে আমরা স্বামী-স্ত্রী! লোকে ভাববে আমরা গোপনে প্রেম করতে এসেছি।

    আমরা কোনওদিন টিপিক্যাল স্বামী-স্ত্রী হব না। আমরা প্রেমিক-প্রেমিকাই থাকব।

    রজতের হাত ছাড়িয়ে মালতী উঠে দাঁড়াল। ঢালু পাড় দিয়ে একটু নেমে গিয়ে বলল, তুমি বোসো, আমি একটু জলের ধার পর্যন্ত ঘুরে আসি। একটু হাত দিয়ে জল ছুঁতে ইচ্ছে করছে।

    কেন, মাথায় জল ছিটিয়ে পুণ্য সঞ্চয় করবে নাকি?

    না, পুণ্যে-টুণ্যে আমার লোভ নেই। এমনিই নদী দেখলেই আমার জল ছুঁতে ইচ্ছে করে।

    পারবে না যেতে শেষপর্যন্ত, ভীষণ কাদা।

    থাক না কাদা, পায়ে লাগুক না।

    মাঝে মাঝে পাড়সুদ্ধু ভেঙে পড়ে। যেও না মিলু, কী দরকার।

    কিছু ভাঙবে না। একবার আমি বেঁচে উঠেছি, আর আমি সহজে মরব না।

    শাড়িটা একটু উঁচুতে তুলে মালতী পা টিপে টিপে অনেকখানি এগিয়ে গেল। রজত উৎকণ্ঠিতভাবে তাকিয়ে রইলেন। ভাবলেন, না যেতে দিলেই ভালো হত! সত্যি পাড়-টাড় ভেঙে পড়তে পারে।

    জল থেকে তখনও মালতী অনেকটা দূরে, এই সময় রজত চেঁচিয়ে উঠলেন। মালতী পিছন না ফিরেই হাসি হাসি গলায় বলল, কিছু হবে না, বেশি কাদা নেই, মাটি শক্ত আছে।

    রজত আবার চেঁচিয়ে উঠলেন। মালতী এবারও তাকাল না, মৃদু ধমকের সুরে বলল, আঃ, শুধু শুধু তুমি ভয় পাচ্ছ, এই তো পৌঁছে গেলুম। আরে, কী সুন্দর ছোট ছোট লাল কাঁকড়া!

    রজতের এবারের ‘মালতী’ ডাক এমনই অসম্ভব ভয়ার্ত এবং তীব্র, আর করুণ যে, দশদিক ঝনঝন করে একেবারে কেঁপে উঠল। নদীর ঢেউয়ের শব্দ, বাতাসের শব্দ, সব কিছু ছাপিয়ে রজতের সেই আকুল ডাক। মুহূর্তে মালতী মুখ ঘুরিয়ে তাকাল। এতটা দূর থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় না। শুধু দেখা গেল, রজত দু’হাত তুলে অস্বাভাবিক ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছেন। কোনও কারণে অসম্ভব ভয় পেয়েছেন, মাথার চুলগুলোতে পর্যন্ত ভয়ের চিহ্ন। মালতী প্রথমে একটু অবাক হয়ে দাঁড়াল। তারপর, রজত আর একবার চেরা আড়ষ্ট গলায় তার নাম ধরে চেঁচিয়ে উঠতেই সে দ্রুত ফিরে আসতে লাগল।

    রজতের পায়ের কাছ থেকে তিন-চার হাত মাত্র দূরে একটা সাপ ফণা তুলে আছে। একটুও নড়ছে না, স্থির ভাবে চেয়ে আছে রজতের দিকে। কালো মিশমিশে শরীর, বুকের কাছটা সাদাটে। ওইটুকু সাপের এতবড় ফণা, দেখলেই সাক্ষাৎ যমদূত বলে মনে হয়। শেষ সূর্যের আলো পড়েছে সাপটার দেহে। রজত নড়তে পারছেন না, চোখ ফেরাতে পারছেন না, তাঁর সমস্ত জীবনীশক্তি যেন হঠাৎ শুষে নিয়েছে। গলার ভেতরটা শুকিয়ে আসছে। এরকম অসম্ভব তৃষ্ণা জীবনে কখনও বোধ করেননি।

    রজত একটু নড়ার চেষ্টা করলেন, সাপটা সঙ্গে সঙ্গে দুলে উঠল। রজতের সারা শরীর সঙ্গে সঙ্গে আড়ষ্ট হয়ে গেল। অনিচ্ছা সত্বেও মুখটা কুঁকড়ে আসছে তাঁর, বুকের মধ্যে দুম দুম শব্দ। নিজেরই বুকের শব্দে কানে তালা লেগে যাচ্ছে যেন! এই কি সেই শিয়রচাঁদ?…. কত বড় ফণা! মাথা দোলানোই রাগের লক্ষণ….একটু নড়লেই….কামড়ালে আট ঘণ্টার বেশি মানুষ বাঁচে না। প্রতি মুহূর্তে রজত আরও অবশ হয়ে পড়তে লাগলেন, মুখ দিয়ে একটু কুঁ-কুঁ ধরনের বিশ্রী শব্দ বেরোতে লাগল। রজতের ইচ্ছে হল চেঁচিয়ে উঠতে, মালতী বাঁচাও! সারা পৃথিবীর কাছে আবেদন পাঠাতে চান, যে কেউ বাঁচাও, অন্তত এই একবার বাঁচার সুযোগ দাও, কিন্তু গলা দিয়ে আর স্বর বেরোচ্ছে না।

    গঙ্গার বিপুল স্রোত পিছনে রেখে মালতী এগিয়ে আসছে। মালতী প্রথমটা কিছুই বুঝতে পারেনি। আসতে আসতে চার পাশে আর কোনও মানুষজন না দেখে, রজতের ওই রকম অস্বাভাবিক অবস্থায় জিজ্ঞেস করছিল, কী হয়েছে? নাকি ঠাট্টা করছ না তো?

    রজতের কাছে কোনও উত্তর না পেয়ে মালতী আরও তাড়াতাড়ি আসছিল। মাত্র হাত দশেক দূরে এসে সাপটাকে দেখতে পেল। সঙ্গে সঙ্গে সেও দাঁড়িয়ে পড়ল। মুখের কাছে হাত চাপা দিয়ে কেঁদে উঠল, একী! না, না!

    রজত মালতীর দিকে তাকাতে পারছেন না। সাপটার থেকে চোখ সরাতে পারছেন না। শরীরটা ঝিমঝিম করছে, মনের জোর আনার চেষ্টা করছেন, কিন্তু একটুও নড়ার সাহস পাচ্ছেন না। সাপের সঙ্গে দৌড়ে পারা যাবে না। রজতের চোখ দুটো টনটন করছে।

    মালতী নিজেকে একটু সামলে নিয়ে চেঁচিয়ে বলল, নোড়ো না। একটুও নোড়ো না! আমি আসছি। মালতী এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখল চকিতে। সাহায্য পাবার মতন কিছুই নেই। মালতী নিজেই এক-পা এক-পা করে এগিয়ে যেতে লাগল, আর বলতে লাগল, তুমি নোড়ো না, যেমন আছ তেমনি থাকো, আমি আসছি।

    হঠাৎ রজত নড়ে উঠলেন। সাপটার দিক থেকে একমুহূর্তের জন্য মালতীর দিকে চোখ ফেরাতেই যেন তাঁর চৈতন্য একটু ফিরে এল। মালতীরও তখন যেন চৈতন্য নেই। শুধু সাপটার দিকে তাকিয়ে ভূতে-পাওয়া মানুষের মতন এক-পা এক-পা করে এগিয়ে আসছে। এতক্ষণ কোনও শব্দ শুনতে পাননি। এইবার রজত দু-তিনবার ফোঁস-ফোঁস আওয়াজ শুনতে পেলেন। সঙ্গে সঙ্গে আবার চোখ ফেরালেন সাপটার দিকে। সমস্ত বিশ্বসংসার যেন সেই এক সাপের ফণা ও নিশ্বাসে ছেয়ে গেল। গলার একটুখানি জোর ফিরে পেয়ে রজত কোনওক্রমে চেঁচিয়ে উঠলেন, মালতী, তুমি আর এগিয়ো না, আর এগিয়ো না।

    তক্ষুনি রজত পিছন ফিরে দৌড় লাগাবার চেষ্টা করলেন। মালতী কেঁদে উঠল, না, না…

    রজত বেশিদূর যেতে পারলেন না। দ্রুত পেছন ফেরার ঝোঁকে হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেলেন। সাপটা সড়াৎ করে এগিয়ে গেল। মালতী আবার চিৎকার করল না, না….

    তারপর মালতী লাফ দিয়েছিল কিংবা শূন্য দিয়ে উড়েছিল তার মনে নেই। সে চোখের পলকে ঝাঁপিয়ে পড়ে চেপে ধরেছিল সাপটার ফণাসুদ্ধু মাথা, তারপর এক ঝটকায় ফেলে দিয়েছিল দূরে। সাপটা পাকুড় গাছের নীচে পাথরের চাঁইটার ওপরে গিয়ে পড়ল। মালতী যেন সেই মুহূর্তে রজতের কথাও ভুলে গেল। তার সমস্ত জীবনের ধ্রুব শত্রুকে যেন সে চোখের সামনে দেখছে। মালতীর চোখের দৃষ্টি পাগলের মতন। এক টুকরো পাথর তুলে নিয়ে সে আবার ছুটে গেল সাপটার দিকে। সাপটা তখন পালাতে চাইছিল, যেন বুঝতে পেরেছিল, সে এক অসম প্রতিযোগিতায় নেমেছে। মালতী সেই কান্না মাখানো চিৎকারে তেড়ে গেল, পাথরের টুকরোটা দিয়ে মারল সাপটার মাথায়। সাপটা লকলকিয়ে উঠল, কালো চাকুকের মতন দেহটা বাঁকাতে লাগল অনবরত, ফণাটা তোলার চেষ্টা করল, আর মালতী হাঁটু গেড়ে বসে পাথরটা দিয়ে ওর সারা শরীরটা থেঁতলাতে লাগল, আর ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে বলতে লাগল, না, না, না—

    রজতই এসে মালতীকে তুললেন। মালতীর হাতটা চেপে ধরে বললেন, মিলু, কী করছ কী! ওটা তো অনেকক্ষণ থেঁতলে গেছে….মরে গেছে।

    আচ্ছন্নের মতন চোখ তুলে মালতী বলল, মরে গেছে?

    হ্যাঁ, অনেকক্ষণ মরে গেছে।

    তোমার কিছু হয়নি তো?

    না। আমায় কামড়াতে পারেনি। একবার আমার পায়ে লেগেছিল, কিন্তু বোধহয় ছোবল মারতে পারেনি। মিলু, তুমি আমায় নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছ।

    বাঁচিয়ে দিয়েছি?

    কী সাংঘাতিক সাপটা? ওঃ! সাক্ষাৎ যম। এগুলোর নামই শিয়রচাঁদ। ডাক্তারের কাছে পৌঁছোবার আগেই শেষ হয়ে যেতুম। মিলু, তুমি মাটিতে বসে পড়েছ কেন, ওঠো!

    রজত মালতীকে টেনে তুলে জড়িয়ে ধরলেন। দুজনেরই শরীর তখন কাঁপছে। রজতের কাঁপছে একটু আগের ভয়ে, মালতীর কান্নায়। খানিকক্ষণ দুজনেই চুপ। তারপর রজত আস্তে আস্তে বললেন, বেঁচে থাকব সত্যি ভাবিনি। একটু আগে আমার মনে হয়েছিল, আজই আমার শেষ দিন।

    তুমি দৌড়োতে গেলে কেন?

    কী জানি! আমার মাথার ঠিক ছিল না। তা ছাড়া, না দৌড়েই বা কী হত, ও ঠিক আমাকে কামড়াতই!

    না, না, না….

    আছাড় খেয়ে পড়ে যাবার পর আমার ঠিক যেন মনে হল, সাপটা আমাকে কামড়ে দিয়েছে। একবার আমার পায়ে ওর ছোঁয়াও লেগেছিল। আমি মরে যাবার জন্য তৈরিও হয়েছিলাম, তারপর চোখ মেলে সেই অবিশ্বাস্য দৃশ্য দেখলাম। মিলু, তুমিও কি মরতে চেয়েছিলে?

    আমি? কেন?

    ওই রকম ভাবে কেউ সাপ মারে? ওই রকম হাঁটু গেড়ে সাপটার মুখের সামনে বসে? সাপটাকে ছুঁড়ে দেবার পর মারারই বা কী দরকার ছিল? আমরা তো তখন বেঁচে গেছি! তুমি খালি হাতে সাপ ধরেছিলে! এর আগে কেউ কোনওদিন ওরকম খালি হাতে সাপের মাথা চেপে ধরতে পেরেছে বলে শুনিনি। একটা সাপ একবার একজনের বেশি দুজনকে কামড়াতে পারে না। তুমি আমাকে বাঁচাতে গিয়ে নিজের মরার জন্য—

    সত্যিই আমি ওসব কিছু ভাবিনি।

    সাপটা আমাকে কামড়াতই। আমি সব বুদ্ধি বিবেচনা হারিয়ে ফেলেছিলাম। একমুহূর্তের ওদিক—আমাকে তুমি বাঁচিয়ে দিলে—আমাকে বাঁচাবার জন্য তুমি….

    শুধু তোমাকে বাঁচাবার জন্য নয়, আমরা দুজনে বেঁচে থাকার জন্য….

    সত্যি আমি ভাবিনি, আমি আবার বাঁচব। আগে সাপের সম্বন্ধে কত গল্প শুনেছিলাম, কিন্তু সত্যিই যে এরকম হয় বিশ্বাসই করিনি কখনও। হঠাৎ অত কাছে সাপটাকে ফণা তুলে দাঁড়াতে দেখে এমন আড়ষ্ট হয়ে গেলাম, বাঁচার কোনও পথই খুঁজে পাচ্ছিলাম না। তুমি এত সাহস পেলে কী করে?

    কী জানি! আমারও কোনও কিছু চিন্তা করার ক্ষমতা ছিল না। শুধু ভেবেছিলাম, সাপটা তোমাকে কামড়াতে পারে না। অসম্ভব, অসম্ভব! তা হলে আমি কী করব?

    মিলু, তোমাকে একবার আমি বেঁচে ওঠায় সাহায্য করেছিলাম। কিন্তু তার সঙ্গে এর তুলনাই হয় না। আমাকে তো জীবন বিপন্ন করতে হয়নি। আমার কিছু ভয় ছিল না। কিন্তু তুমি আমাকে নিজের মৃত্যুর রিসক নিয়ে—

    থাক, আর বলতে হবে না।

    তোমার কাছে আমি সারা জীবনটা, মানে এ জীবন এখন তোমারই। আমার পুনর্জন্ম হল আজ বলা যায়। আমি তোমার জীবন বাঁচিয়েছিলুম বলে তোমার মধ্যে একটা কৃতজ্ঞতা বোধ ছিল, কিন্তু সেটা আজ তুচ্ছ হয়ে গেল। তার সঙ্গে এর তুলনাই হয় না। এ তো আর ডাক্তার ডেকে আনা নয়! তোমার আর কোনও ঋণ নেই, আমিই ঋ ণী।

    থাক। ওসব কথা আর বোলো না।

    না বলে আমি পারছি না। হাত দিয়ে দ্যাখো, আমার বুকের মধ্যে এখনও কী রকম ঢিপঢিপ করছে! আমার যে এত মৃত্যুভয়, আমি জানতুম না। মিলু, তুমি আমায় কেন বাঁচালে? এতদিন তবু মনে মনে আমার একটা অহংকার ছিল, আমি তোমাকে বাঁচিয়েছি, আমি নিজের হাতে যেন তোমার নতুন প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছি, আজ কয়েক মিনিটে সে-সব কোথায় ভেসে গেল। এখন তোমার কাছেই আমি—

    মালতী রজতের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকাল। তার চোখ দুটো কেঁপে উঠল, ঠোঁট কেঁপে উঠল, মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে এল। হঠাৎ মালতী অযৌক্তিক ভাবে আবার কেঁদে উঠে মাটিতে বসে পড়ে মুখ ঢাকল। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে বলল, কেন ওসব কথা বলছ? কেন…….

    রজত ব্যস্ত হয়ে বললেন, ও কী, ওঠো, ওঠো! চলো, এখান থেকে চলে যাই। কেয়া ঝোপের পাশে বসা আমাদের ভুল হয়েছে? আরও দু’একটা সাপ-টাপ থাকতে পারে। ও কী মিলু, তোমার আবার শরীর খারাপ হল নাকি?

    মালতী দু’হাত মুখ ঢেকে বসে রয়েছে, নিঃশব্দে কাঁদতে লাগল ফুলে ফুলে। রজত তার হাত ধরে টেনে তুললেন। মালতীর সমস্ত মুখখানা কুঁকড়ে গেছে, বদলে গেছে একেবারে। শুধু বলল, আমার বড্ড কষ্ট হচ্ছে গো! বুকের মধ্যে খুব কষ্ট হচ্ছে এখন।

    রজত বিভ্রান্তের মতন একটুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন। তারপর মালতীর শরীরের ভার নিজের হাতে নিয়ে বললেন, ডাক্তারের কাছে যাবে? চলো, এক্ষুনি যাই!

    মালতী মাথা নেড়ে শুধু বলল, না।

    গাড়িতে বসেও মালতী আর কোনও কথা বলল না। শুধু মুখ গুঁজে কাঁদতে লাগল। রজতের নানান প্রশ্নে শুধু একবার উত্তর দিল, আমার বুকের মধ্যে খুব কষ্ট হচ্ছে। শিগগির বাড়ি চলো!

    বাড়িতে ফিরে মালতী সটান এসে বিছানায় শুয়ে পড়ল। রজত এসে বসলেন তার মাথার কাছে। চুলে হাত দিয়ে বললেন, তোমার শরীর খারাপ লাগছে? ডাক্তার সেনকে ডাকি না টেলিফোনে। একবার এসে দেখে যান!

    মালতী মাথা ঝাঁকিয়ে বলল, না, না। রজত চুপ করে বসে রইলেন।

    একটু বাদে মালতী খানিকটা শান্ত হল। চোখ মুছে রজতের দিকে তাকাল। মালতীকে যেন আর চেনা যাচ্ছে না। তার দৃষ্টি, তার মুখের সবকটি রেখা এখন অন্যরকম। অদ্ভুত ধরনের গলায় সে জিজ্ঞেস করল, তুমি আমাকে ও কথাটা কেন বললে?

    কোন কথাটা, মিলু?

    জীবন বাঁচানোর ঋণ শোধ করা যায়?

    ঋণ হিসেবে অবশ্য দেখা উচিত নয়। আমরা দুজনে দুজনের—

    তুমি ও কথাটা বলার পরই হঠাৎ আমার কষ্ট হতে লাগল। আমার অনেক কথা মনে পড়ে গেল। অরুণদার কথা…..তোমাকে একটা সত্যি কথা বলব? আমি অরুণদাকে ভুলতে পারিনি। আমি বোধহয় অরুণদাকেই শুধু ভালোবাসি। আমি ভুলে থাকতে চেয়েছিলুম….

    রজত ধাতু-মূর্তির স্থির ভাবে চেয়ে রইলেন। কোনও কথা বললেন না। মালতীর চোখ আবার জলে ভিজে গেল। বলল, আমি যে তোমাকে এতদিন শুধুই ঠকিয়েছি, তা নয়। বিশ্বাস করো, আমি অরুণদাকে ভুলে যাবার প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলুম। আমি তাকে জীবন থেকে বাদ দেবার চেষ্টা করেছিলুম, আমি তোমাকেই আন্তরিক ভাবে….কিন্তু বটগাছের শিকড়ের মতন অরুণদার ভালোবাসা আমার জীবনে জড়িয়ে আছে। আমি পারছি না, পারছি না!

    রজত ধীর স্বরে বললেন, আমি জানতুম। আমি অনেকদিন আগে থেকেই জানতুম!

    মালতী হাহাকার করে উঠল, আমার মরে যাওয়াই উচিত ছিল তখন! কেন তুমি আমায় বাঁচিয়েছিলে? আমি অরুণদাকেও ঠকিয়েছি, তোমাকেও ঠকিয়েছি! আমি এখন কী করব, আমাকে বলে দাও।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগোরা – শৈবাল মিত্ৰ
    Next Article সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিঃসঙ্গ-সম্রাট – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 27, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বর্ণলতা

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026
    Our Picks

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }