Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প205 Mins Read0
    ⤶

    সুখ অসুখ – ১১

    এগারো

    সিঁড়ির পাশে রানি একটি উনিশ-কুড়ি বছরের ছেলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে অন্তরঙ্গ ভাবে কথা বলছিল। মালতীকে দেখে চকিতে দুজনে দু’পাশে সরে গেল। রানি চেঁচিয়ে উঠল, বড়দি, সত্যি তুমি?

    মালতী ক্লান্ত ভাবে হেসে বলল, হ্যাঁরে, এলাম। এবার কিন্তু বেশ কয়েকদিন থাকব। থাকতে দিবি তো?

    তুমি আমার ঘরে শোবে। মানে, তোমার ঘরেই আমরা দুজনে এবার—

    নারে, ও তোরই ঘর। আমি শুধু কয়েকদিন থাকব।

    বড়দি, আলাপ করিয়ে দিই। এর নাম সঞ্জয়, আমার বন্ধু রত্নার দাদা, একটা বই দিতে এসেছিল।

    মালতী ভালো ভাবে ছেলেটিকে দেখল। হাত-পায়ের হাড়গুলো চওড়া-চওড়া, কিন্তু রোগাটে লম্বা ধরনের ছেলেটা। এখনও দাড়ি কামাতে শুরু করেনি, নাকের নীচে গোঁফের নীলচে রেখা। মালতীর মনে পড়ল, তার বয়স যখন এই রানিরই প্রায় সমান, তখন ঠিক এই সঞ্জয়ের বয়সি একজন তার কাছে আসত। সে এবং মালতীও ওই রকম সিঁড়ির পাশে দাঁড়িয়ে গল্প করত। মালতী বুঝতে পারল রানি যেন তার আড়াল থেকে চোখের ইশারায় সঞ্জয়কে কী বলার চেষ্টা করছে। মালতী ক্ষীণ ভাবে হেসে বলল, আচ্ছা ভাই, তোমার সঙ্গে পরে আলাপ করব, আজ আমি বড্ড ক্লান্ত। তোমরা গল্প করো—

    রানি কিন্তু প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই সিঁড়ি দিয়ে মালতীর পিছনে উঠে এল। মালতীর গায়ে হাত রেখে বলল, বড়দি, রজতদা এবারও এলেন না? তুমি জোর করে নিয়ে আসতে পারলে না?

    মালতী সে কথার উত্তর দিল না। জিজ্ঞেস করল, বাবা কেমন আছেন রে?

    বাবা একই রকম আছেন, মাও একই রকম….দাদাও একই রকম।

    বস্তুত, এই পৃথিবীতে এই ক’দিনে যেন কিছুই বদলায়নি। শুধু মালতীর জীবনেই আকাশ আর পাতাল জায়গা বদলা-বদলি করেছে।

    মালতী নিজের সেই পুরনো ঘরে এসে পুরনো জীবনটা ফিরে পেতে চাইল। এই ঘরে একা-একা শুয়ে যে মাথার বালিশকে কতদিন কত গোপন কথা বলেছে। আলমারিটায় কত গোপন সম্পদ জমিয়ে রেখেছিল। ড্রেসিং টেবিলের ওই আয়না তার কত হাসি-অশ্রু-ক্রোধ-অভিমানভরা মুখ দেখেছে। কিন্তু সে-সব মধুর স্মৃতি মালতীর কিছুই মনে পড়তে চায় না, শুধু বার বার অসুখের ভয়াবহ দিনগুলোর কথা মনে আসতে থাকে। ওই খাটটা তার প্রায় মৃত্যুশয্যা হয়ে উঠেছিল। ওই খাটে একা শুলেই এখন মালতীর কেমন গা ছমছম করে। মনে হয়, সেই সব অসুখ যেন ফিরে আসবে। শরীরে তার আভাসও যেন দেখা যাচ্ছে। প্রায় সর্বক্ষণই এখন মালতীর আবার শরীর খারাপ লাগে।

    মালতী দু’-একদিন একা-একা ঘুরল পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে। কেউই আর আগের মতন নেই। অনেকের বিয়ে হয়ে গেছে। যাদের বিয়ে হয়নি, তাদের উচ্ছলতা চলে গিয়ে কথাবার্তায় একটা তিক্ত স্বাদ এসেছে।

    সিঁদুরের রেখা মুছে ফেলেনি মালতী, কিন্তু এখন রোজ নতুন করে সিঁদুর পরে না। সাজগোজ করতেও তার ইচ্ছে করে না, কিন্তু রানি তাকে জোর করে সাজায়। তার সুন্দরী বড়দিকে দেখে সবাই মুগ্ধ হয়ে যাবে, রানির এই ইচ্ছে। রানিই মালতীকে বলে, আজকাল সিঁথিতে কেউ ড্যাবডেবে সিঁদুর দেয় না কলকাতায়, বুঝলে বড়দি!

    বন্ধুদের বাড়িতে যখন যায়, তখন মালতী মনে মনে প্রত্যাশা করে, অরুণের সঙ্গে হয়তো পথে হঠাৎ দেখা হয়ে যাবে। আগে যেমন হত, কলেজ থেকে কিংবা গানের ইস্কুল থেকে ফেরার পথে মালতী জানত অরুণের সঙ্গে দেখা হবেই। এখন পথে পথে অজস্র মানুষ, কিন্তু ঠিক মানুষের সঙ্গে আর দেখা হয় না। অরুণ কোথায় আছে মালতী জানে না, কিন্তু কলকাতাতে নিশ্চয়ই আছে। বন্ধুরা মাঝে মাঝে অরুণের কথা তোলে। জয়া একদিন বলছিল, ক’দিন আগে অরুণদাকে দেখলুম, জানিস! সত্যিই তুই বেচারাকে বড্ড কষ্ট দিয়েছিস, মালতী!

    মালতী হাসতে হাসতেই বলেছিল, আর অরুণদা বুঝি আমাকে কষ্ট দেয়নি। ছেলেদের চেয়ে মেয়েরাই বেশি কষ্ট পায়।

    তবু অরুণের সঙ্গে নিজে গরজ করে দেখা করার চেষ্টা করে না মালতী। কেমন যেন ভয় ভয় করে, কেমন যেন অপরাধী মনে হয় নিজেকে। অরুণের প্রচণ্ড অভিমানের সামনে সে যেন খুবই ছোট আর সামান্য হয়ে যাবে। আমার মনের খুব ভেতরে মালতী এ কথাও জানে, একবার যদি অরুণের হাতে হাত রেখে সে দাঁড়ায়, মিনতি চোখে তাকায়, অরুণের সমস্ত অভিমান সে ভাসিয়ে দিতে পারবে। সাত-আট দিন এই রকম ভাবেই কেটে গেল। রজত আর একবারও খোঁজ করেনি।

    পার্টির কাজে মুর্শিদাবাদ গিয়েছিল শশাঙ্ক, হঠাৎ একদিন ফিরে এল। দীর্ঘকাল পরে দাদার সঙ্গে দেখা হল মালতীর। শশাঙ্কর অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এক সময় হাসিখুশি উচ্ছল মানুষ ছিল। এখন অনেক রোগা হয়েছে, শরীরটা ভেঙে গেছে, কিন্তু কথায় ও ব্যবহারে এসেছে অসম্ভব দৃঢ়তা। আগের মতোই হাসি-ঠাট্টা করে, কিন্তু একটু দেখলেই বোঝা যায়, ও জীবন-যাপনের একটা উদ্দেশ্য পেয়ে গেছে, এবং সে উদ্দেশ্যটা নৈর্ব্যক্তিক।

    শশাঙ্ক মালতীকে বাড়িতে দেখে কোনও বিস্ময় প্রকাশ করল না। হয়তো সে মালতীর আগের বারের আসার কথা শুনেছিল। আলগা ভাবে বলল, কীরে, ম্যাজিস্ট্রেটের গিন্নি হয়ে তো খুব মুটিয়ে যাবি ভেবেছিলুম, কিন্তু চেহারাটা আবার খারাপ হয়েছে কেন?

    দাদার সঙ্গে একসময় বন্ধুর মতো সম্পর্ক ছিল মালতীর। হঠাৎ একরাশ অভিমান এসে জড়ো হল তার গলায়। বলল, দাদা, আমি মরে গেছি কি বেঁচে আছি, একবার তো খোঁজও নিলে না।

    মরবি কেন? মরা কি অত সোজা?

    একবার তো মরতেই বসেছিলুম, যখন জেলে ছিলে তুমি।

    ভাগ্যিস আমি জেলে ছিলুম, তাই তোর বড়লোকের সঙ্গে বিয়ে হতে পারল, আমি বাড়িতে থাকলে কি আর হত! তুই যে এ বাড়িতে এলি, রজত আপত্তি করল না। পুলিশের খাতায় আমার নাম আছে, আমার সঙ্গে তার সম্পর্ক থাকা তো তার পক্ষে অসম্মানজনক।

    তুমিই তো অসম্মানজনক মনে করো!

    তোর কাছে মিথ্যে কথা বলব না, আমি ওকে পছন্দ করি না।

    কেন?

    সে কথা আজ আর তোর শুনে লাভ নেই।

    দাদা, অনিতাদি এখন কোথায়?

    কী জানি। পাটনা-ফাটনার দিকে কোথায় যেন থাকে শুনেছি।

    তুমি খোঁজ রাখ না? অনিতাদি তো তোমায় ছাড়া….

    যার চাল-চুলোর ঠিক নেই, যে জেলের বাইরে কতদিন থাকবে তার ঠিক নেই, তার খবর রাখতে তোর অনিতাদির বয়ে গেছে!

    দাদা, এসব করে কী লাভ হচ্ছে?

    তুই বড়লোকের বউ হয়েছিস, তুই আর এখন এসব বুঝবি না। আগে তো বুঝতিস।

    মোটেই আমি বড়লোকের বউ নয়। দাদা, তুমি নিজের চেহারাটার দিকে কখনও দেখেছ? এ কী চেহারা হয়েছে তোমার?

    যা, ভাগ। পাঁচ বছর বাদে উনি এলেন আমার চেহারা সম্পর্কে মায়া দেখাতে? আমার স্বাস্থ্য বেশ ভালোই আছে।

    অরুণদার সঙ্গে তোমার এখন দেখা হয়?

    শশাঙ্ক একমুহূর্ত থমকে মালতীর মুখের দিকে ভালো ভাবে তাকাল। তারপর নীরস গলায় বলল, কেন, তার খবরে তোর আর কী দরকার?

    আমার ভীষণ দরকার!

    ওসব ন্যাকামি আর করতে হবে না।

    দাদা, সত্যিই বিশ্বাস করো—

    দ্যাখ মিলু, তোদের মেয়েদের এইসব ব্যাপারগুলো আমার একদম ভালো লাগে না। সব কিছুই ছেলেখেলা নয়।

    দাদা, আমি ছেলেখেলা করছি না। মানুষ কি একবার ভুল করে না? ভুল করলে আর সেটা সংশোধনও করা যাবে না?

    শশাঙ্ক আবার তীক্ষ্ণ ভাবে তাকাল মালতীর দিকে। তারপর মালতীর আরক্ত মুখের দিকে চোখ রেখেই হো-হো করে হেসে উঠল। বলল, বুঝেছি, রজতের সঙ্গে ঝগড়া করে চলে এসেছিস। এই প্রথম ঝগড়া, না আগেও হয়েছে?

    সত্যিই বিশ্বাস করো, ঝগড়া করে আসিনি। একটুও ঝগড়া হয়নি।

    ঝগড়া হয়নি তো ভালো কথা? কিন্তু অরুণের সঙ্গে তোর আর দেখা করার দরকার নেই।

    আমার ভীষণ দরকার। ওর সঙ্গে দেখা না হলে আমার চলবেই না। তুমি ওর ঠিকানাটা যোগাড় করে দাও।

    ওসব বাজে ব্যাপারে মাথা ঘামাবার আমার সময় নেই।

    মালতী যে-মুহূর্তে মুখ দিয়ে উচ্চারণ করল যে, অরুণের সঙ্গে ওর দেখা না হলে চলবেই না, তখন থেকেই ওর সমস্ত দ্বিধা কেটে গেল। এ ক’দিন ও মনে মনেও অরুণের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছিল। এখন সমস্ত মনে-প্রাণে ফিরে এল পুরনো সুগন্ধের আমেজ। এখন আর কারওর সঙ্গে কথা বলতে ভালো লাগে না। প্রতিটি মুহূর্তেই মনে পড়ে অরুণের সঙ্গে ওর এক-একটি সন্ধ্যার দিনগুলোর কথা। শান্তিনিকেতন থেকে ফেরার পথে, ট্রেনের কামরায় মুখোমুখি বসেছিল ওরা দু’জন—দলের আর সবাইকে এড়িয়ে এসেছিল—সেদিন রাত একটা থেকে ভোর পর্যন্ত শুধু গল্প করেছে, একপলকের জন্য ঘুম আসেনি কারওর। আর সেই সন্ধ্যাবেলা বালি ব্রিজে দাঁড়িয়ে, অরুণের হাত ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিল—মালতীর শরীরটা ঝনঝন করে ওঠে। বার বার মনে হয়, জীবন অন্যরকম হবার কথা ছিল। হ্যাঁ অন্যরকম। কেন যে এমন ভুল করেছিল। মালতী মনে মনে জেনে গেছে, অরুণের সঙ্গে তার দেখা হবেই। শুধু মাঝে মাঝে একটা অস্পষ্ট ভয়ের আভাস ভেসে আসে, যদি অরুণ আর তাকে গ্রহণ না করতে চায়? অত নিষ্ঠুর কি ও হবে? ডায়মন্ডহারবারে শেষ যেদিন দেখা হল, সেদিন যে অত রাগ আর অভিমান—ভালোবাসা নষ্ট হয়ে গেলে কি রাগ আর অভিমানও আর অত তীব্র থাকে?

    কিন্তু যেদিন সত্যিই অরুণ এল, সেদিন মালতীর জীবনটা আবার সম্পূর্ণ বদলে গেছে।

    শশাঙ্ক আবার নানা কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল, বেশির ভাগ দিনই সকালে বেরিয়ে যায়। দুপুরে খেতে আসার ঠিক থাকে না, মালতীর সঙ্গে কথাও হয় না বিশেষ। তবু একদিন অপ্রত্যাশিত ভাবে সকালবেলা চায়ের সঙ্গে খবরের কাগজ পড়তে পড়তে, খবরের কাগজ থেকে চোখ না সরিয়েই শশাঙ্ক মালতীকে বলল মিলু, আজ দুপুরে কোথাও বেরোবি নাকি?

    মালতী একটু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল কেন? কোনও দরকার আছে?

    আজ দুপুরে বাড়িতে থাকিস। আজ অরুণকে আসতে বলেছি। ও এলে তোকে ডেকে দেবো’খন….তিনটে আন্দাজ।

    মালতী উৎকণ্ঠিত ভাবে জানতে চায়, দাদা, তুমি ওকে আমার কথা বলেছ? ও শুনে কী বলল?

    শশাঙ্ক আবার কাগজে মনোযোগ দিয়ে বলল, না, বলিনি কিছু ওকে। ও জানে না।

    তখনও মালতী আবেগে কেঁপে উঠেছিল, বুকের মধ্যে হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন দ্রুত হয়েছিল। কিন্তু একটু পর থেকেই তার শরীর খারাপ হতে লাগল। সারা শরীরেই যেন পাকিয়ে পাকিয়ে বাতাস ঘুরছে। কোনও জিনিস শক্ত করে ধরবার মতো জোর পাচ্ছে না হাতে। বেশিক্ষণ শরীরটাকে বহন করার মতন জোর পায়েও নেই।

    দুপুরবেলা খাবার সময় মাঝপথেই অসমাপ্ত ভাতের থালা রেখে মালতী বাথরুমে ছুটে গেল। তারপর সেখানে হুড়হুড় করে বমি করল। রানিও পিছন পিছন এসেছিল, তাড়াতাড়ি মাকে ডেকে আনল। বিরজা বাথরুমের দরজার কাছে এসে দাঁড়িয়ে দেখলেন, ব্যস্ত বা বিচলিত হলেন না। বললেন, ভালো করে ঘাড়ে মাথায় জল দে, ও প্রথম প্রথম কয়েকদিন বমি হবেই। ক’মাস?

    বিরজার গলার সুর শুনেই দারুণ চমকে উঠেছিল মালতী? আচ্ছন্নের মতন জিজ্ঞেস করল, কী?

    বিরজা এবার একটু হেসে বললেন, ক’মাস বন্ধ?

    দু’মাস! মা—

    তুই আগে বুঝিসনি? আমি তো দেখেই বুঝেছিলাম, পোয়াতি! চোখের কোণে ওরকম কালি, সব সময় ঘুমঘুম ভাব।

    মা! কী বলছ?

    ঠিকই বলছি। আমাদের ওসবে ভুল হয় না। রজত জানে?

    তারপর বিরজা রানিকে সেখান থেকে চলে যেতে বলে ফিসফিস করে মালতীকে আরও কিছু কথা জিজ্ঞেস করতে লাগলেন।

    দুপুর সাড়ে তিনটে আন্দাজ শশাঙ্ক এসে মালতীকে বলল, যা নীচে ঘুরে আয়। অরুণ এসে বসে আছে।

    মালতী তখন শুয়েছিল। বিষম আলস্য, আর ঘুম পাচ্ছে। এখন আবার উঠতে হবে ভেবেই তার কষ্ট হল। দাদাকে বলল, যাচ্ছি, একটু বাদে যাচ্ছি। তারপর বিছানায় আরও একটু গড়িয়ে নিল মালতী। চোখ বুজতেই ঘুম এসে যাচ্ছিল, জোর করে উঠে পড়ল। মাথার চুলে চিরুনি দিল না, শাড়িটাকে ঠিকঠাক করে নিল না, সেই রকম আলুথালু ভাবেই নীচে নেমে এল।

    দরজার দিকে পিছন ফিরে বসেছিল অরুণ। পায়ের শব্দে ঘুরে তাকিয়ে দেখে দৃশ্যত চমকে উঠল। তারপর মুখভঙ্গি খানিকটা আড়ষ্ট করে প্রশ্ন করল, তুমি কবে এলে?

    কপালের কাটা দাগটা মেলায়নি এখনও অরুণের। সে আর একটু রোগা হয়েছে। মালতী দু’-এক মুহূর্ত অপলক চোখে অরুণকে দেখল। তারপর একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে পরমুহূর্তেই মুখে হাসি ফোটাল। চেয়ারে বসে মালতী হালকা সুরে বলল, বাবাঃ! যখনই দেখা হয়, তখনই মুখ গোমড়া! একটু হেসেও কথা বলতে পার না, আমি এতই খারাপ হয়ে গেছি?

    অরুণ উত্তর দিল না, তাকিয়ে রইল মালতীর দিকে। তারপর জিজ্ঞেস করল, তুমি আজ আমাকে এখানে ডেকে এনেছ?

    হ্যাঁ।

    কেন?

    কেন? মালতী চোখ বুজে একটুক্ষণ যেন সেই কেন’র উত্তর খুঁজে দেখল। কিন্তু পেল না। তখন বলল, এমনিই, তোমাকে একটু দেখতে ইচ্ছে করল! ডায়মন্ডহারবারে তোমাকে যা অপমান করেছে—

    সেইজন্যই আমাকে সান্ত্বনা কিংবা দয়া দেখাতে এসেছ?

    আবার রাগের কথা? একটু ভালোভাবে কথা বলা যায় না বুঝি?

    তুমি কেন আমাকে ডেকে আনিয়েছ?

    তোমাকে দেখার জন্য।

    মিলু, তুমি আমাকে নিয়ে রসিকতা করে আনন্দ পেতে দাও?

    রসিকতা করব? তোমার মতন রাগী-বাবু’র সঙ্গে? তা হলে কখন হয়তো রাগের চোটে আমাকে মেরেই ফেলবে। এত রাগ তো তোমার ছিল না।

    তোমার ওপর আমার কোনও রাগ নেই। আমার রাগ নিজের ওপর।

    তুমি অন্যদিকে তাকিয়ে কথা বলছ কেন? আমার মুখের দিকে তাকাও।

    মিলু, তুমি আমাকে কী বলতে চাও?

    অনেক কিছু বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এখন আর কিছুই মনে পড়ছে না। রাগ, দুঃখ, অভিমান, লোভ—সব কিছু যেন আজ আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। সব কিছু হালকা লাগছে।

    এমন কিছু অস্বাভাবিক নয়।

    এবার তুমি বুঝি আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করছ। অরুণদা, তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করি, তুমি সত্যি সত্যি উত্তর দেবে? তুমি আমাকে এখনও ভালোবাস?

    হঠাৎ এ প্রশ্ন কেন?

    তুমি এড়িয়ে যাচ্ছ। বলো—

    কেন, আজ এ কথা জেনে কী হবে? তোমাকে তো আমি বলেছি, আমি গোপনে কিছু চাই না, চুরি করে কিছু নিতেও চাই না। আমি তোমার সঙ্গে আর কখনও দেখা করতেও চাইনি।

    তবু তুমি এড়িয়ে গেলে। বললে না। আমি বলছি, শোনো। আমি তোমাকে এখনও ঠিক আগের মতনই ভালোবাসি। তোমাকে আমি একটুও ভুলতে পারিনি। কিন্তু ভালোবাসার আকর্ষণটা এখন অন্যরকম। এখন তোমাকে পেতে আর আমার লোভ হচ্ছে না। আজ আর ইচ্ছে হয় না, সব কিছু ছেড়ে তোমার কাছে ছুটে যাই। আমি তোমার কাছে সেই প্রতিজ্ঞা রাখতে পারিনি, এজন্যও আর আমার অনুতাপ হয় না। প্রতিজ্ঞা অনুযায়ী কি জীবন চলে? জীবনের কতগুলো নিজস্ব নিয়ম আছে।

    অরুণ কথা না বলে চুপ করে রইল। মালতীর মুখখানায় কোনও কপটতা সে খুঁজে পেল না। এবার অরুণও একটু হাসল। বলল, বেশ, এই তো ভালো।

    কিন্তু তুমি কেন সেই ছেলেমানুষি দিনের কথা ভেবে জীবনটা নষ্ট করছ?

    আমি জীবন নষ্ট করছি? কে বলল?

    যাই বল, তোমার চেহারার মধ্যে একটা দুঃখী-দুঃখী ভাব ফুটে উঠেছে।

    সেটা তোমাকে না-পাবার জন্য নয়। তোমাকে হারাবার জন্য।

    তার মানে?

    মানে, আমি তোমাকে আর পাবার জন্য প্রতীক্ষায় বসে নেই। আমার দুঃখটা এই, তোমাকে আর পাওয়া সম্ভব নয়, এই কথাটা জেনে গেছি। আমি ভালোবেসেছিলুম সেই পুরনো দিনের মিলুকে। কিন্তু সে তো আর নেই। সেই অসুখে তার মৃত্যু হয়েছে। এখন তুমি সম্পূর্ণ বদলে গেছ। তুমি অন্য একটা মেয়ের মতন, এমনকী এখন তোমাকে পেলেও আমি আর সেই মিলুকে পাব না। আমি আসলে সেই মিলুকে ভুলতে পারছি না, এইটাই আমার একমাত্র অসুখ। এটা অসুখ কিংবা ভালোবাসা, যা-ই বল।

    মালতী চোখ ফিরিয়ে নিয়ে বলল, তুমি ঠিকই বলেছ। মেয়েরা ঘন ঘন বদলায়। তারা বদলাতে বাধ্য। একথা কি আমিও আগে জানতাম? যখন তোমার কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম—

    থাক, প্রতিজ্ঞার কথা তুলো না। দেখি তোমার হাতটা।

    মালতী ডান হাতটা অসংকোচে বাড়িয়ে দিল। অরুণ সেই হাত তুলে নিল নিজের দু’হাতে। নাকের কাছে এনে গন্ধ শুঁকল। তারপর আবার ফিরিয়ে দিয়ে বলল, আমি জানতাম, এ অন্য মেয়ের হাত। মিলু, শশাঙ্ককে ডাকো। কিংবা আমি আজ যাই। তোমার সঙ্গে আমার দেখা না-হওয়াই ভালো।

    মালতী উদাসীন ভাবে নিজের হাতের দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর একটা ছোট দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, সত্যিই অন্য মেয়ের হাত, তাই না? আমি শুধু ভাবছি, যদি আজকের বদলে গতকাল তোমার সঙ্গে আমার দেখা হত, তা হলে কী ভয়ংকর ব্যাপার হত, ভাবতেও পারছি না।

    কী হত কাল দেখা হলে?

    কিছু না। থাক।

    রজত বদলি অফিসারকে চার্জ বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন। এই সময় টেলিফোন এল। রিসিভার তুলে অন্যমনস্ক গলায় জিজ্ঞেস করলেন, হ্যালো? ওপার থেকে আলতো গলা শোনা গেল, আমি কথা বলছি।

    রজত টেলিফোনের মুখে হাত চাপা দিয়ে ঘরের উপস্থিত তিন ব্যক্তির দিকে একবার চাইলেন। বললেন, আপনারা দু’-তিন মিনিটের জন্য আমাকে একটু ক্ষমা করুন। আমি একটু প্রাইভেটলি টেলিফোনে কথা বলতে চাই। নতুন অফিসার ও বাকি দুজন সঙ্গে সঙ্গে উঠে গিয়ে বাইরে দাঁড়ালেন।

    টেলিফোন মুখের কাছে এনে রজত নিবিড় ভাবে বললেন, মিলু? তুমি কোথা থেকে কথা বলছ? ডায়মন্ডহারবারে ফিরে এসেছ?

    না, কলকাতায়। তুমি কেমন আছ?

    খুব খারাপ। খাওয়া-দাওয়ার যাচ্ছেতাই কষ্ট হচ্ছে, দেখার কেউ নেই।

    তোমার সঙ্গে আমার একবার দেখা করা দরকার। তুমি একবার আসবে?

    অরুণের সঙ্গে তোমার দেখা হয়েছিল?

    হ্যাঁ। আজই তোমার সঙ্গে আমি একটা কথা বলতে চাই। তুমি আসবে? অন্তত আজ এসো। এই শেষবার তোমাকে বিরক্ত করছি।

    পাগলামি কোরো না। তোমার টাকাকড়ি কিংবা জিনিসপত্র কিছু লাগবে?

    না। শুধু তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করতে চাই।

    তুমি সোজা ছোটমাসির ওখানে চলে যাও, আমি ঘণ্টা তিনেকের মধ্যেই আসছি।

    রজত আড়াই ঘণ্টা আগেই এসে পৌঁছে গেলেন। মালতীকে তুলে নিয়ে রজত চলে এলেন ময়দানে। রজতের মুখে কোথাও মলিনতা নেই, ক্রোধ নেই। একটা প্রশান্ত ভাব আগেরই মতন ছড়িয়ে আছে। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের কাছাকাছি একটা নিরালা জায়গায় গাড়ি পার্ক করে রজত মালতীর দিকে ফিরে বললেন, এবার বলো!

    মালতী মৃদুভাবে বলল, আমি অরুণদা সম্বন্ধে ভুল ভেবেছিলাম। অরুণদাকে আমি যতখানি ভালোবাসি ভেবেছিলাম, দেখা হবার পর বুঝতে পারলুম, সেটা আমার মনের ভুল। অরুণদা সম্পর্কে সেরকম টান আমার নেই।

    রজত সিগারেটে টান দিয়ে বললেন, আমি এ কথাও জানতুম।

    কী জানতে তুমি?

    অরুণ সম্বন্ধে যে তোমার একটা দুর্বলতা রয়ে গেছে, সেটা আমি বরাবরই জানতুম। আমি এ কথাও জানতুম, ও রকম ভালোবাসার টানে মানুষের জীবন বদলায় না।

    তুমি ভুল জানতে।

    না, আমি ঠিকই জানতুম। সেইজন্যেই অরুণকে ডেকে এনেছিলুম। অরুণের সঙ্গে যদি তুমি সহজ ভাবে মিশতে, এমনকী গোপনে একটু-আধটু প্রেমও করতে আবার, তা হলে অনেক আগেই তোমার ভুল ভেঙে যেত। ছেলেবেলার প্রেম ছেলেবেলাতেই মানায়, সারাজীবন তাকে টেনে নিয়ে যাওয়া যায় না।

    তুমি ভুল জানতে।

    এখনও ভুল বলছ? আমার কথা মিলে গেল না?

    মালতী ও কথার আর কোনও উত্তর না দিয়ে বলল, এবার আমি কী করব? আমার তো আর কিছুই রইল না। আমি তোমাকেও হারালুম, অরুণদাকেও—এখন আমি…

    আমাকে হারালে? পাগল? তুমি আজ রাত্তিরেই আমার সঙ্গে ফিরে যাবে। আমি এ কথাও জানতুম, তোমাকে ফিরে আসতে হবেই।

    কী হিসেবে ফিরে যাব?

    যে হিসেবে আগে ছিলে সেখানে।

    অরুণদার ব্যাপারটা জেনেও তুমি…..

    রজত এবার হো-হো করে হেসে উঠলেন। বললেন, মালতী, তুমি ভেবেছিলে সবার জীবন বুঝি স্বচ্ছ, নির্মল, পবিত্র হবেই। জীবনে আসলে তা হয় না। সবার জীবনেই কিছু লুকোচুরি, দু-একটা মিথ্যে, একটু ছলনা এ সব থাকেই। এ সবের জন্য জীবন বদলায় না। কত শক্ত দুরারোগ্য অসুখের কথা শুনেও কত নারী-পুরুষ বিয়ে করে। আর আমি সামান্য একটা বাল্যপ্রেম সহ্য করতে পারব না?

    কিন্তু আমাকে খুব খারাপ আর মিথ্যেবাদী মনে হবে না তোমার?

    রজত ঝুঁকে মালতীর হাত ধরে বললেন, অরুণ সম্পর্কে শেষপর্যন্ত যে মিথ্যে কথা আমাকে বলতে পারনি, সেটাই তো হল মুশকিল। সেইজন্যই তোমাকে এত মানসিক কষ্ট করতে হয়েছিল। আমি তো সব জানতুমই। এর বদলে তুমি দু’-একটা মিথ্যে কথা বললেই ভালো করতে। বেঁচে থাকতে হলে ওরকম দু’-চারটে মিথ্যে কথা বলার খুবই দরকার হয়।

    দরকার হয়?

    নিশ্চয়ই। চলো, আমরা এক্ষুনি ফিরে যাই। তোমার নিজের সাজানো সংসারে তুমি ফিরে এসেছ, সেখানে নিজের অধিকারে তুমি রানির মতন আবার ফিরে যাবে।

    মালতী এক ধরনের শুকনো ভাবে হাসল এবার। অশ্রুহীন কান্নাও একে বলা যায়। বাইরের অন্ধকারের দিকে একবার তাকাল। গাড়ির জানলায় রাখা ওর হাতে এসে পড়েছে রাস্তার পোস্টের আলো। সেই হাতের দিকে তাকিয়ে মালতী ভাবল, এটা অন্য মেয়ের হাত। তারপর বলল, চলো, ফিরে যাই। ফিরে যাবার আর একটা নতুন অধিকারও জন্মেছে আমার।

    —

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগোরা – শৈবাল মিত্ৰ
    Next Article সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিঃসঙ্গ-সম্রাট – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 27, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বর্ণলতা

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026
    Our Picks

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }