Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হারুকি মুরাকামির শ্রেষ্ঠ গল্প – অনুবাদ : দিলওয়ার হাসান

    দিলওয়ার হাসান এক পাতা গল্প245 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জন্মদিন ও মেয়েটি

    জন্মদিন ও মেয়েটি

    নিজের বিশতম জন্মদিনেও রোজকার মতো তার টেবিলে অতিথিদের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে তাকে। শুক্রবারগুলোতে সব সময়ই সে কাজ করে, কিন্তু পরিকল্পনামাফিক সবকিছু এগুলে নির্দিষ্ট এই শুক্রবারটাতে ছুটি নিতে পারত সে। পার্টটাইম কাজ করে অন্য যে মেয়েটি তার সঙ্গে কাজের পালা বদলাতে রাজি ছিল স্বাভাবিক নিয়মে; কারণ নিজের বিশতম জন্মদিনে ক্রদ্ধ বাবুর্চির হুকুম তামিল করে খদ্দেরের টেবিলে খাবার বয়ে নিয়ে যাওয়াটা নিতান্তই অস্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু সেই মেয়েটি আকস্মিকভাবেই প্রচণ্ড ডায়রিয়া আর জ্বরে আক্রান্ত হয়, ফলে আগে ভাগেই চলে যেতে হয় তাকে।

    সে অসুস্থ মেয়েটিকে একটুখানি আয়েশ দিতে এগিয়ে যায়। মেয়েটি ক্ষমা প্রার্থণা করে তার কাছে। “আমাকে নিয়ে ভেবো না,” বলে সে, “বিশতম জন্মদিনে বিশেষ কিছু করতে যাচ্ছি না।”

    সত্যিকথা বলতে কী সে তেমন হতাশও হয়নি ব্যাপারটা নিয়ে। এর একটা কারণ অবশ্য আছে। দিন কয়েক আগে ছেলে বন্ধুর সাথে তার প্রচণ্ড তর্ক বেঁধে যায়। ওই রাতে মেয়েটার সঙ্গে থাকবার কথা ছিল তার। স্কুল জীবন থেকেই তাদের সম্পর্ক। তর্কটা বেঁধেছিল তুচ্ছ একটা বিষয়কে কেন্দ্র করে। শেষ পর্যন্ত তা খুব খারাপের দিকে গড়ায় আর তিক্ততা, চিৎকার চেঁচামেচির মধ্য দিয়ে এমন এক পর্যায়ে এসে দাঁড়ায় যে, মেয়েটি নিশ্চিত হয়ে পড়ে যে তাদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে। ভেতরে ভেতরে মেয়েটি খুব শক্ত থাকে আবার গলেও যায়। ওই ঘটনার পর থেকে ছেলেটি তার সঙ্গে দেখা করছে না, আর মেয়েটিও যাচ্ছে না তার কাছে।

    মেয়েটি টোকিওর রোপাঙ্গি এলাকার একটি ইতালিয়ান রেস্তোরাঁয় কাজ করে। ষাটের দশকের শেষ দিকে রেস্তোরাঁটি প্রতিষ্ঠিত হয়। নেতৃস্থানীয় না হলেও এর সুনাম যথার্থই ছিল বলা যায়। বারবার আসে এ ধরনের অনেক খদ্দের এই। রেস্তোরাঁটির আছে আর তারা কখনো এর আতিথেয়তায় অসন্তুষ্ট নয়। এর ডাইনিং রুমের পরিবেশ খুব শান্ত। ফলে তরুণদের চেয়ে বয়স্ক খদ্দেররা বেশি আকৃষ্ট হন। এদের মধ্যে নাট্যজগতের কিছু বিখ্যাত ব্যক্তি আর লেখক রয়েছেন।

    পূর্ণকালিন দু’জন ওয়েটার সপ্তাহে ছয় দিন কাজ করে ওই রেস্তোরাঁয়। ওই মেয়েটি আর পার্টটাইম ওয়েট্রেস দু’জনই ছাত্রী। এ ছাড়াও একজন ফ্লোর ম্যানেজার আছেন। কাউন্টারে একজন মধ্য বয়সী মহিলা বসে। সারাক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকে সে। তার প্রধান দুটি কাজের একটি হচ্ছে অতিথিদের কাছ থেকে টাকা-পয়সা গ্রহণ আর ফোন এলে তা রিসিভ করা। দরকারের সময়ই সে শুধু কথা বলে। সব সময়ই তার পরনে থাকে একই কালো পোশাক।

    ফ্লোর ম্যানেজারের বয়স চল্লিশের শেষের কোঠায়। লম্বা তিনি আর চওড়া তার কাঁধ। শরীরের গাঁথুনি থেকে বোঝা যায় যৌবনে তিনি খেলোয়াড় ছিলেন। তবে ইদানীং পেট ও চিবুকে মেদ জমতে শুরু করেছে। তিনি খুব দক্ষতার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করেন। তার একটা বিশেষ কাজ আছে- রেস্তোরাঁর মালিকের রুমে ডিনার পৌঁছে দেওয়া।

    “রেস্তোরাঁ ভবনের ছতলায় মালিকের নিজের একটা রুম আছে,” সে বলল, “অ্যাপার্টমেন্ট অথবা অফিস কিংবা ওই জাতীয় কিছু।”

    যে কোনো ভাবেই হোক সে আর আমি আমাদের বিশতম জন্মদিনের ব্যাপারে আলোচনায় মেতে উঠি। আমাদের দুজনের জন্য কেমন ছিল ওই দিনটি। অধিকাংশ লোকই বিশে পা-দেয়ার বিষয়টি মনে রাখে।

    “রেস্তোরাঁয় তিনি কখনোই আসেন না। শুধু ম্যানেজারই তাকে দেখেছে। তার রুমে ডিনার পৌঁছে দেয়ার কাজটি কঠোরভাবে তারই। তিনি দেখতে কেমন অন্য কর্মচারীরা জানে না।”

    “বস্তুত নিজের রেস্তোরাঁ থেকে হোম ডেলিভারি পাচ্ছেন মালিক।” “হ্যাঁ,” বলল সে, “প্রতিদিন রাত আটটায় ম্যানেজার তার রুমে খাবার নিয়ে যান। ওটা রেস্তোরাঁর সবচেয়ে ব্যস্ত সময়। ম্যানেজারের অনুপস্থিতিতে আমাদের সবার সমস্যা। হয়; কিন্তু কারও কিছু করার নেই। কেননা সব সময় ও ভাবেই হয়ে আসছে। রুম সার্ভিসের জন্য ব্যবহৃত ট্রলিটাতে খাবার সাজিয়ে দেয়া হয়। ম্যানেজার তার চেহারায় ভক্তির ভাব ফুটিয়ে তুলে ট্রলিটা ধাক্কিয়ে এলিভেটরে তোলেন। পনের মিনিট পরে খালি হাতে ফিরে আসেন। ঘন্টা খানেক পর গিয়ে ট্রলিটা ফিরিয়ে আনেন তিনি। প্রতিদিন একইভাবে কাজটি তিনি করেন, ঘড়ির কাটা যেভাবে চলে সেই ভাবে। “প্রথম দিনে ব্যাপারটি দেখার পর খুব রহস্যজনক মনে হয়েছিল আমার। এক ধরনের ধর্মীয় আচারের মতো। পরে অবশ্য আমি এতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি আর ব্যাপারটা নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাববার অবকাশ থাকে না।”

    মালিকের খাবারের তালিকায় প্রতিদিন মুরগির মাংস থাকেই। সবজির বেলায় এক-আধটু পরিবর্তন হয়, কিন্তু মুরগি থাকবেই। এক তরুণ বাবুর্চি তাকে বলেছিল, কী হয় তা পরখ করার জন্য সে ক্রমাগত এক সপ্তাহ তাকে শুধু মুরগির রোস্ট পরিবেশন করে; কিন্তু কোনো অভিযোগ আসেনি।

    ১৭ নভেম্বর তার বিশতম জন্মদিনে যথারীতি কাজ শুরু করতে হয় তাকে। বিকেল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছিল আর তা মুষলধারে চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। পাঁচটার সময় দিবসের বিশেষ বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ করার জন্য ম্যানেজার সব কর্মচারীদের একত্র করেন।

    রেস্তোরাঁর গেট খোলা হয় ছ’টায়। কিন্তু বৃষ্টির কারণে অতিথিরা আসতে দেরি করে। অনেক রিজারভেশন বাতিল করা হয়। মহিলারা জল কাদায় তাদের পোশাক বরবাদ করতে নারাজ। ম্যানেজার চুপচাপ পায়চারি করেন। ওয়েটাররা লবণদানি, মশলাদানি সাফ করে কিংবা বাবুর্চিদের সাথে গল্প জুড়ে দেয়। সে ডাইনিং রুমে চোখ বুলায়। একটা মাত্র দম্পতি সেখানে বসে আছে। স্পীকার থেকে ভেসে আসা সঙ্গীত শুনছে তারা। রেস্তোরাঁর ভেতর খেলা করছে বিলম্বিত শরতের বৃষ্টির ঘ্রাণ।

    সাড়ে সাতটার দিকে ম্যানেজার অসুস্থ বোধ করতে থাকেন। কাঁপতে কাঁপতে তিনি পেট ধরে একটা চেয়ারে বসে পড়েন, যেন হঠাৎ গুলি খেয়েছেন। কপালে জমে উঠেছে বিন্দু বিন্দু ঘাম। “হাসপাতালে যাওয়া উচিত আমার।” বিড়বিড় করে বলেন তিনি। এ ধরনের শারীরিক অসুস্থতা তার জন্য অস্বাভাবিক ঘটনা। দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি এই রেস্তোরাঁয় কাজ করছেন; কিন্তু এক দিনের জন্যও অনুপস্থিত থাকেননি। তার জন্য গর্বের ব্যাপার হচ্ছে এই যে, অসুস্থতার জন্য একদিনও কামাই করেননি। ব্যথায় বিকৃত হয়ে যাওয়া তার মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছে। তার অবস্থা খুব খারাপ।

    সে ছাতা নিয়ে রাস্তায় গেল আর একটা ট্যাক্সি ডেকে নিয়ে এল। ট্যাক্সিতে ওঠার আগে ম্যানেজার তাকে বললেন, “আমি চাই রাত ঠিক আটটায় ৬০৪ নম্বর রুমে তুমি ডিনার নিয়ে যাবে। বেল বাজিয়ে শুধু বলবে, আপনার খাবার নিয়ে এসেছি’ খাবার রেখেই চলে আসবে।”

    বৃষ্টি থামার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছিল না। অতিথিরা আসছিল অনেকক্ষণ পর পর।

    মালিকের খাবার তৈরি হয়ে গেলে সে ট্রলিটা এলিভেটরে নিয়ে তুলল আর সই করে চলে গেল ছ’তলায়। সাধারণ মাপের খাবার। আধা বোতল রেডওয়াইন, কফি, সেদ্ধ সবজির সঙ্গে মুরগির তরকারি, ডিনার রোল আর মাখন। খাবারের সুবাসে তখন এলিভেটর ভরপুর। বৃষ্টির ঘ্রাণের সঙ্গে একাকার হয়ে গেছে। স্মৃতির ভেতর সে রুম নম্বর বার বার চেক করল। গলা পরিষ্কার করল, তারপর বেল টিপল। কোনো সাড়া পাওয়া গেল না। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আবার বেল টেপার কথা ভাবল আর তখনই ভেতর থেকে হালকা-পাতলা এক বৃদ্ধ দরজা খুলে দিলেন। তিনি ওর চেয়ে চার-পাঁচ ইঞ্চি খাটো, পরনে কালো স্যুট আর নেকটাই।

    “আপনার ডিনার এনেছি স্যার।” খানিকটা কর্কশ কণ্ঠে বলল সে, তারপর আবার গলা সাফ করল। কোনো রকম টেনশন হলেই তার গলার স্বর কর্কশ হয়ে ওঠে।

    “ডিনার?”

    “হ্যাঁ, স্যার। ম্যানেজার সাহেব হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় আমি এনেছি।”

    “ও তাই বলো।” যেন নিজের সঙ্গে কথা বলছিলেন; তখনও তার হাত দরজার নবে।

    “অসুস্থ, তাই বললে না?”

    “হঠাৎ পেট ব্যথা শুরু হলে হাসপাতালে নেয়া হয় তাকে, তার ধারণা ওটা অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা।”

    “তাই নাকি? সে তত ভাল কথা নয়।”

    সে গলা পরিষ্কার করে বলল, “আপনার খাবার ভেতরে আনব স্যার?”

    “হ্যাঁ নিয়ে এসো, অবশ্যই যদি তোমার মর্জি হয়, সেই তো ভাল আমার জন্য।”

    যদি আমার মর্জি হয়? ভাবল সে। কী অদ্ভুত প্রকাশ ভঙ্গি। আমার আবার মর্জি কী?

    বৃদ্ধ দরজাটা ভাল করে খুললে সে ট্রলিটা ভেতরে ঢোকাল। ঘরের প্রথম দিকটায় একটা বড় স্টাডি, যেন বসবাসের অ্যাপার্টমেন্ট শুধু নয় ওটা একটা কাজ করার। জায়গাও। জানালা দিয়ে টোকিও টাওয়ার নজরে আসছে। বৃদ্ধ সোফার সামনে রাখা প্লাস্টিকের টেবিলের দিকে আঙ্গুলি নির্দেশ করলে সে ওই টেবিলের ওপর খাবার সাজিয়ে দিল।

    “খাওয়া শেষ হলে বাসন-কোসনগুলো বারান্দায় রেখে দেবেন দয়া করে, ঘন্টা খানেক পরে এসে নিয়ে যাব।”

    “ঠিক আছে।”

    “আর কোনো কিছু কি লাগবে স্যার?”

    একটুখানি ভেবে তিনি বললেন, “মনে হয় লাগবে না কিছু।”

    “ঠিক আছে স্যার, আমি তাহলে অন্য কাজ করি গিয়ে।”

    “না, একটুখানি দাঁড়াও।” বললেন তিনি।

    “কী স্যার?”

    “তুমি কী পাঁচটা মিনিট সময় দেবে আমাকে? তোমাকে কিছু বলার আছে আমার।”

    ওই অনুরোধে এত নম্রতা ছিল যে, সে একটু লজ্জা পেল। “না না ঠিক আছে স্যার কোনো অসুবিধা নেই।” পাঁচ মিনিটের ব্যাপারই তো, তাই না? শত হলেও

    পছ মানর ই, তিনি তার নিয়োগকর্তা। ঘন্টা চুক্তিতে মজুরি দিচ্ছেন। আর এই বৃদ্ধ ভদ্রলোককে দেখে মনে হয় না তিনি তার কোনো ক্ষতি করবেন।

    তার চোখের দিকে সরাসরি তাকিয়ে বললেন, “সে যা-ই হোক, তোমার বয়স কত মেয়ে?”

    “আমার বয়স এখন বিশ।”

    “বিশ?” পুনরাবৃত্তি করে তিনি বললেন, “কখন থেকে বিশ বছর?” তিনি তার চোখ দুটো এমনভাবে সংকুচিত করলেন যেন কোনো ফাটলের ভেতর দিয়ে তাকাচ্ছেন।

    “এই মুহূর্তে আমার বয়স বিশ। আজ আমার জন্মদিন স্যার।”

    “তাই নাকি, আজ তোমার বিশতম জন্মদিন?”

    সে ঘাড় নাড়িয়ে সম্মতি জানাল।

    “ঠিক বিশ বছর আগের এই দিনে পৃথিবীতে তোমার জীবন শুরু হয়।”

    “ধ্রুব সত্যি কথা এটা।”

    “বেশ বেশ। চমৎকার। হ্যাপি বার্থ ডে।”

    “ধন্যবাদ স্যার।” তখনই তার মনে পড়ল সারাদিনে তিনিই শুধু তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ওইটা থেকে তার বাবা-মা শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়ে থাকলে বাসায় ফিরে অ্যানসারিং মেশিনে দেখতে পাবে সে।

    “তাহলে তো জন্মদিনটা উদ্যাপন করতে হয়,” বললেন তিনি, “এস একটু খানি রেড ওয়াইন পান করা যাক।”

    “ধন্যবাদ স্যার, এখন তো সম্ভব নয়, এটা আমার কাজের সময়।”

    “শুধু একটুখানি খেলে কেউ তোমার দোষ ধরতে যাবে না। উদ্যাপনের জন্য প্রতীকী পান, আর কিছু নয়!”

    তারা গ্লাস ঠোকাঠুকি করলেন।

    “জন্মদিনের শুভেচ্ছা,” তিনি বললেন, “তোমার জীবন ঋদ্ধ আর ফলপ্রসু হোক। সেখানে যেন কোনো অশুভ ছায়া না পড়ে।” সে নিজে নিজে কথাটার পুনরাবৃত্তি করল। জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে তিনি এ রকম অস্বাভাবিক বাক্য বেছে নিলেন কেন?

    “বিশতম জন্মদিন মানুষের জীবনে একবারই আসে হে মেয়ে। দিনটি কখনো বদলানো যায় না। বুঝলে?”

    সতর্কতার সঙ্গে সামান্য একটু মদ গলায় ঢেলে সে বলল, “জ্বি স্যার, আমি জানি।”

    “আমার জীবনের এই বিশেষ দিনে হৃদয়বতী পরীর মতো আমার ডিনার নিয়ে এসেছ।”

    “আমার কর্তব্য করছি মাত্র স্যার।”

    “তারপরও…হে আমার তন্বী তরুণী।”

    বৃদ্ধ লোকটি চেয়ারে বসে তাকে পর্যবেক্ষণ করছেন। আর সে বসে আছে একটা সোফার কিনারায়, হাতে ওয়াইনের গ্লাস। এক হাঁটুর ওপর আরেকট হাঁটু স্থাপিত। গলা পরিষ্কার করে সে তার স্কার্ট টেনে ঠিকঠাক করল। জানলার কপাটে বৃষ্টির ছাঁট এসে পড়ছে। ঘরময় অদ্ভুত নৈঃশব্দ্য।

    “এটার একটা বিশেষ সমকেন্দ্রিকতা থাকা উচিত, না কী বল তুমি?”

    কোনো মতেই দৃঢ় প্রত্যয়ী হতে পারল না সে, তবে সম্মতিসূচক মাথা নাড়াল। রঙ জ্বলে যাওয়া নেক টাই স্পর্শ করে তিনি বললেন, “সেই কারণে, আমি মনে করি তোমাকে একটা উপহার দেয়া আমার জন্য জরুরি। একটা বিশেষ জন্মদিন একটা বিশেষ স্মারক উপহারের দাবি রাখে।”

    খানিকটা বিচলিত হয়ে মাথা নাড়ল সে। বলল, দয়া করে দ্বিতীয়বার আর ওকথা বলবেন না স্যার। ওদের হুকুম তামিল করতে আমি আপনার ডিনার এখানে নিয়ে এসেছি।”

    বৃদ্ধ ভদ্রলোক তার দু’হাতের পাতা তুলে বললেন, “এমন কথা বলো না মেয়ে। তোমার জন্য যে উপহারের কথা আমি ভেবেছি তা কোনো দৃশ্যমান বস্তু নয়। এমন। জিনিসও নয় যার গায়ে দাম লেখা থাকবে…।” তিনি টেবিলে হাত রেখে ধীরে ধীরে শ্বাস নিলেন, তারপর বললেন, “তোমার মতো সুন্দরী একটা মেয়ের জন্য আমি যা করতে চাই তা হলো- তোমার কোনো আকাক্ষা আমি পূর্ণ করব। যে কোনো ইচ্ছে,

    যে কোনো সাধ, ধরে নাও এ ধরনের কোনো কামনা আছে তোমার।

    “যে কোনো ইচ্ছে, যে কোনো আকাক্ষা?” গলা শুকিয়ে এল তার।

    “যে কোনো ইচ্ছে, যাকে বাস্তবে রূপ দিতে চাও তুমি। তোমার যদি কোননা ইচ্ছে বা আকাঙ্ক্ষা থাকে বলো আমাকে। তবে একটি মাত্র ইচ্ছের কথাই বলতে। হবে, যা আমি পূর্ণ করব। শুধু একটি মাত্র ইচ্ছে, পরিবর্তন করতে পারবে না আর। ফিরিয়ে নেয়া যাবে না- এই আমার শর্ত।”

    “কোনো কিছু পাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করতে হবে আমাকে আর আপনি তা পূরণ করবেন তাই-তো?”

    ওই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বৃদ্ধ মুচকি মুচকি হাসলেন। খুব আন্তরিকতার সঙ্গে আর স্বাভাবিকভাবে কাজটি করলেন তিনি।

    “কী মেয়ে তোমার কোনো আকাক্ষা আছে? না নেই?” কোমল সুরে জিজ্ঞেস করলেন তিনি।

    .

    “সত্যি তাই হয়েছিল, সে সোজা আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “বানিয়ে বলছি না কিন্তু।”

    “না, তা বলবে কেন।” আমি বললাম। সে এমন মেয়ে নয়, যে হাওয়া থেকে পেয়ে একটা ফালতু গল্প ফেঁদে বসবে। “তা ইচ্ছেটা কি ব্যক্ত করেছিলে?”

    সে আমার দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থেকে ছোট্ট একট শ্বাস ছাড়ল। “আমাকে ভুল বুঝো না,” সে বলল, “তার ওই কথা একশ ভাগ সিরিয়াসলি নেইনি আমি। বিশ বছর বয়সে তো কেউ কল্পনার রাজ্যে বাস করতে পারে না। ওটা যদি তার কোনো ঠাট্টা মস্করার আইডিয়া হতো তাহলে হয়ত আমি ওখানে বসেই বলে দিতাম। তিনি ছিলেন চৌকশ এক বুড়ো। চোখ দুটো পিট পিট করত। কাজেই তার সঙ্গে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। যা-ই বল না কেন ওটা ছিল আমার বিশতম জন্মদিন। আমি চাইনি ও রকম একটা দিনে আমার জীবনে সাদামাটা কিছু ঘটুক। বিশ্বাস করা বা না করার ব্যাপার ছিল না ওটা।”

    কিছু না বলে আমি মাথা নাড়লাম।

    “বুঝতেই পারছ কেমন লাগছে আমার। বিশতম জন্মদিন শেষ হয়ে যাচ্ছে বিশেষ কোনো ঘটনা ছাড়াই। কেউ হ্যাপি বার্থডে বলে উইশ করছে না আর আমি হেরিং মাছের চাটনিসহ ‘টরটিলিনি’ নামক খাবার লোকের টেবিলে টেবিলে পৌঁছে দিচ্ছি।”

    আমি আবার মাথা নেড়ে বলি, “ভেবো না, বুঝতে পেরেছি।”

    “অতএব আমার ইচ্ছের কথা প্রকাশ করেছি।”

    .

    বৃদ্ধ লোকটি কোনো কথা না বলে ওর দিকে শুধু তাকিয়ে থাকেন। হাত দুটি টেবিলে রাখা তখনও। টেবিলের ওপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মোটা মোটা ফোল্ডার, হতে পারে হিসেবের খাতা, লেখার সরঞ্জাম, ক্যালেন্ডার আর সবুজ শেডঅলা একটা। ল্যাম্প। জানালার কাঁচে তখনও বৃষ্টির ছাট এসে লাগছে। সাটার গলিয়ে ঢুকে পড়েছে টোকিও টাওয়ারের আলো।

    বৃদ্ধ লোকটির কপালের ভাজ একটুখানি গম্ভীর হয়েছে। “তাহলে ওটাই তোমার ইচ্ছে।”

    “হ্যাঁ, ওটাই…।”

    তিনি বললেন, “ তোমার বয়সী মেয়ের জন্য ওটা অস্বাভাবিক। অন্য রকম কিছু প্রত্যাশা করেছিলাম আমি।”

    “থাক তাহলে, অন্য কিছু চাই আমি,” গলা পরিষ্কার করে সে বলল, “কিছু মনে করিনি আমি, অন্য কিছু না হয় কামনা করব, বুঝলেন কিনা?”।

    হাত দুটো পতাকার মতো দুলিয়ে তিনি বললেন, “না না কোনো অসুবিধা নেই ওটাতে। বলছিলাম কী, এমন কিছু চাইতে পার না? এই যেমন তুমি আরও সুন্দরী বা স্মার্ট হতে চাও, কিংবা চাও অনেক ধনদৌলত। ও সব না চেয়ে ভালই করেছ, সাধারণ কোনো মেয়ে হয়ত ওরকম চাইত।”

    সঠিক শব্দ চিন্তা করে বের করার জন্য খানিকটা সময় নিল সে। বৃদ্ধ নীরবে অপেক্ষা করছেন শুধু। তার হাত জোড়া টেবিলের ওপর।

    “অবশ্যই আমি আরও সুন্দরী, আরও স্মার্ট আর ধনী হতে চাই। কিন্তু আমি জানি না ওগুলোর কোনো একটা সত্যি হলে আমার দশা কী হবে। হতে পারে তা আমার প্রত্যাশারও বেশি যা সামলানো সম্ভব হবে না আমার পক্ষে। এখনও জানিনা কী আছে এই জীবনে আর তা কীভাবে চলে।”

    “ও আচ্ছা।” নিজের এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতের আঙ্গুলে জড়িয়ে এবং বের করতে করতে তিনি বললেন, “ও আচ্ছা।”

    “তাহলে আমার ইচ্ছেটা ঠিক আছে তো?”

    “হ্যাঁ, হ্যাঁ ঠিক আছে, কোনো অসুবিধা নেই।”

    বৃদ্ধ দ্রলোক হঠাৎ তার দৃষ্টি শূন্যে স্থাপন করলেন। তার কপালের ভাঁজ আরও গম্ভীর হলো। কপালের ওই ভঁজ গিয়ে পড়তে পারে তার মস্তিষ্কেও, কেননা এটা তার ভাবনায় কেন্দ্রীভূত হয়েছে।

    তিনি বললেন, “তোমার প্রত্যাশা মঞ্জুর হয়েছে। যা চেয়েছ তা-ই পাবে তুমি।”

    “সত্যিই?”

    “হ্যাঁ, কোনো সমস্যাই হয়নি তন্বী তরুণী। জন্মদিন শুভ হোক। এখন কাজে ফিরে যেতে পার। ভেবো না, তোমার ট্রলি আমি পাঠিয়ে দেবো।”

    এলিভেটরে চড়ে সোজা রেস্তোরাঁয় নেমে এলো সে। বিরক্তিজনক হালকা অনুভব করছিল সে, যেন রহস্যময় নরম পেঁজা তুলোর ওপর দিয়ে হাঁটছে। তরুণ ওয়েটারটি তাকে দেখে বলল, “ঠিক আছেন তো আপনি? কেমন নেশাগ্রস্তের মতো লাগছে আপনাকে।”

    দুর্বোধ্য একটা হাসি দিয়ে সে বলল, “তাই নাকি? কিন্তু আমি তো ভালই আছি।”

    “আমাদের মালিক সম্বন্ধে কিছু বলুন। দেখতে কেমন তিনি?”

    “সে তো জানি না, তার দিকে ভাল করে আমি তাকাইনি।” আলাপ সংক্ষিপ্ত করে বলল।

    ঘন্টা খানেক পরে ট্রলিটা আনতে ওপরে গেল সে। রুমের বাইরে ছিল ওটা। বাসন-কোসনগুলো ওপরে রাখা। মুরগির তরকারি, সবজি এসব নেই। ওয়াইন আর কফির পাত্র খালি। ৬০৪ নম্বর রুম বন্ধ- নির্বিকার। একবার ঘরটার দিকে তাকাল সে। তার মনে হলো যে কোনো সময় দরজা খুলে যেতে পারে; কিন্তু খুলল না। সে এলিভেটরে করে ট্রলিটা নিচে নামিয়ে এনে ডিশওয়াশের কাছে রাখল।

    .

    “আমি আর কোনোদিন মালিককে দেখিনি,” সে বলল, “একবারও না। ম্যানেজারের অসুস্থতাটা ছিল সাধারণ পেট ব্যথা। হাসপাতাল থেকে ফিরে পরের দিন থেকেই তিনি মালিকের রুমে খাবার পৌঁছাতে শুরু করেন। নতুন বছরের সূচনালগ্নে আমি ওই চাকরি ছেড়ে দেই, আর কখনো ওখানে যাইনি। আমার মনে হয়েছে ওখানে না যাওয়াই ভাল। এক ধরনের পূর্বাশঙ্কার মতো ছিল ব্যাপারটা।”

    নিজের ভাবনায় ডুবে থেকেই সে আবার বলল, “কখনো কখনো আমার মনে হয়, আমার বিশতম জন্মদিনে যা ঘটেছে তা ছিল এক ধরনের ভ্রান্তি বা মায়া। ব্যাপারটা এমন ছিল যে, ওটা ঘটেছে আমাকে এই বোঝাতে যে, যা কিছু ঘটে তা সব সত্য নয়। তবে আমি নিশ্চিত যে, ওটা ঘটেছিল। এখনও আমি রুম নম্বর ৬০৪ এর প্রতিটি আসবাবপত্রের কথা স্পষ্ট মনে করতে পারি। যা কিছু ওখানে ঘটেছিল সব ছিল সত্য, আমার কাছে এর একটা গুরুত্বপূর্ণ অর্থও আছে।”

    নিজেদের ভাবনা ভাবতে ভাবতে আর নিজেদের পানীয়তে চুমুক দিতে দিতে কিছুক্ষণ নীরব রইলাম আমরা দুজন।

    “একটা জিনিস যদি তোমাকে জিজ্ঞেস করি তাহলে মাইন্ড করবে তুমি?” আমি বললাম, “একটা কথা নয় ধরো দুটো ব্যাপার জানতে চাই।”

    “ঠিক আছে জিজ্ঞেস কর। আমার অনুমান সেদিন আমি কী চেয়েছিলাম তা জানতে চাও তুমি। ওটি তোমার প্রথম জিজ্ঞাসা।”

    “কিন্তু তোমার কথা থেকে মনে হচ্ছে ও কথা তুমি কাউকে বলতে চাও না।”

    “তাই মনে হচ্ছে নাকি?”

    আমি মাথা নাড়ি।

    দূরের কোনো বস্তু দেখতে গিয়ে লোকে যেমন চোখ সংকুচিত করে তেমনি চোখ ছোট করে সে বলল, “ওই ইচ্ছের কথা কাউকে জানানো কি ঠিক।”

    “ওসব তোমার কাছ থেকে টেনে হিঁচড়ে বের করে আনার কোনো ইচ্ছে আমার নেই। আমার জানার বিষয় একটিই, ওটা বাস্তবে রূপ নিয়েছিল কিনা। আর যা তুমি চেয়েছিলে তা না চেয়ে অন্যকিছু চাওনি বলে তোমার দুঃখ আছে কিনা।”

    “প্রথম প্রশ্নের জবাব হচ্ছে হ্যাঁ একই সঙ্গে না।… শেষে ব্যাপারটা কীভাবে সমাধান করা হবে তা আমাকে দেখানো হয়নি।”

    “তার মানে এটা এমন ইচ্ছে যা বাস্তবায়নের জন্য সময়ের প্রয়োজন?” “তা বলা যেতে পারে।”

    “নির্দিষ্ট কোনো খাবার রান্না করার মতো ব্যাপার?”

    সে মাথা নাড়ল।

    “আমার দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর কী?”

    “কী যেন ছিল ওটা?”

    “যা চেয়ে ফেলেছ তার জন্য কোনো দুঃখ আছে নাকি?”

    কয়েক মুহূর্তের নীরবতার পর সে বলল, “আমি এখন বিবাহিতা। আমার স্বামী আমার চেয়ে তিন বছরের বড়। আমার দুটি সন্তান- একটি ছেলে, একটি মেয়ে। আমাদের একটা শিকারি কুকুর আছে। আমি একটা অডি গাড়ি চালাই। সপ্তাহে দু’দিন বান্ধবীর সাথে টেনিস খেলি। এই তো আমার জীবন এখন।”

    “শুনতে খুব ভাল লাগছে আমার।” আমি বললাম।

    “যদিও আমার অডি গাড়ির বাম্পারের দুটি জায়গা তুবড়ে গেছে।”

    “ওহে, বাম্পার তো থাকে তুবড়ানোর জন্যই।”

    “আচ্ছা একটা কথা বলে আমাকে, আমার জায়গায় তুমি থাকলে কী করতে?”

    “বিশতম জন্মদিনের কথা বলছ তো?”

    “আরে তা-ই তো।”

    তার ওই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য কিছুটা সময় নিলাম; কিন্তু একটি মাত্র ইচ্ছে তালাশ করে পেলাম না।

    “কোনো কিছুই ভাবতে পারছি না আমি; স্বীকার করে নিয়ে আমি বললাম, “বিশতম জন্মদিন থেকে আমি অনেক দূরে…।”

    “আসলে কিছু ভাবাই সম্ভব নয় তোমার পক্ষে।” আমি মাথা নাড়লাম।

    “কিছুই না?”

    “না, কিছুই না।”

    সে সরাসরি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, “কারণ এর মধ্যেই তুমি তোমার ইচ্ছে ঠিক করে ফেলেছ।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছোটগল্প – দিব্যেন্দু পালিত
    Next Article অথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }