Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জীবন স্রোতের আঁকেবাঁকে – অর্পিতা সরকার

    অর্পিতা সরকার এক পাতা গল্প286 Mins Read0
    ⤷

    প্রতিশোধ – অর্পিতা সরকার

    ‘শহর জুড়ে রীতিমত আতঙ্ক তৈরি হয়ে গেছে অফিসার। ডু সামথিং। আরে আপনাদের আর কী? ওদিকে হর্ষবর্ধন স্যার আমাকে আজ আবার তলব করেছেন। ডিএসপি যখন ফোন করে বললেন, সন্ধের মধ্যে দেখা করুন সৌমিত্রবাবু, তখন বুঝতে পারলাম আমার হাঁটু দুটো কাঁপছে। আর তোমরা থানায় বসে রীতিমত খোশ গল্প জুড়েছো? লজ্জা করে না?’ বালিগঞ্জ থানার ওসি সৌমিত্রবাবু এমনিতে ভীষণ ঠান্ডা স্বভাবের মানুষ। বড়বাবু থেকে ছোটবাবু কাউকে অকারণে বকাবকি করেন না। কিন্তু সিরিয়াস কোনো সমস্যায় পড়লে অসম্ভব রেগে যান। নিজেও বেশ নার্ভাস ফিল করেন। বড়বাবু আদিত্য বললেন, ‘স্যার আপনি যেগুলো দেখে রাখতে বলেছিলেন সব দেখে রেখেছি। এরা স্যার বোসপুর বয়েজের স্টুডেন্ট ছিল। একই ব্যাচ। যে দুজন খুন হয়েছে তাদের মধ্যে বেশ বন্ধুত্ব ছিল বলে জানিয়েছে অন্য বন্ধুরা। এদের স্যার পাঁচজনের টিম আছে। এখন এই পাঁচজন আলাদা আলাদা কলেজে ভর্তি হয়েছিল। দুজন বোধহয় একই কলেজে পড়ত। বাকিরা অন্য কলেজে। কিন্তু স্কুলের বন্ধুত্বটা রয়ে গেছে। এরা প্রত্যেকে খুব অবস্থাপন্ন বাড়ির ছেলে। সকলের কাছে দামি বাইক আছে। এদের মধ্যে তিনজনের আবার স্টেডি গার্লফ্রেন্ডও আছে স্যার। মার্ডার হয়েছে যে দুটো ছেলে তাদের একজনের গার্লফ্রেন্ড বলল, প্রদীপ্ত নাকি ওইদিন সন্ধেতে ওর সঙ্গেই ছিল। রাত্রি নটা নাগাদ ওরা মুভি দেখে বেরোয়। তারপর প্রদীপ্ত মেয়েটাকে ডিস্কে যেতে বলে। মেয়েটা নাকি রাত হলে বাড়িতে বকবে বলে যায়নি। ফিরে এসেছে। প্রদীপ্ত একটু অভিমান করেছিল। ওকে বাড়িতে নামিয়ে দিয়ে বাইক নিয়ে নিজের বাড়ির দিকে যায়। রাত প্রায় সাড়ে দশটা। নাগাদ কোনো মেসেজ না পেয়ে কল করে সায়নী নামের মেয়েটা। ফোনটা রিং হয়ে হয়ে কেটে যায়। তখন সায়নী প্রদীপ্তর বাড়িতে কল করে। ওর মা জানায় প্রদীপ্ত এখনও বাড়ি ঢোকেনি। সেদিন রাত প্রায় দেড়টা নাগাদ ওর বাবা এসে থানায় রিপোর্ট লেখায়। ততক্ষণে সব বন্ধুদের বাড়িতে খোঁজ নেওয়া হয়ে গেছে। প্রদীপ্ত কোথাও নেই জেনে বাধ্য হয়ে ওর বাবা থানায় রিপোর্ট করে। আসার আগে ডিস্কে ঘুরেও আসে। ছেলেকে কোথাও পাওয়া যায়নি। ভোর তিনটে নাগাদ প্রদীপ্তর বাড়ি থেকে আবার ফোন আসে। ওদের বাড়ির পাশের নালায় নাকি প্রদীপ্তর বডি পাওয়া গেছে। নালার পাশে বাইকটা দাঁড় করানো ছিল। ওই পথেই প্রদীপ্ত রোজ বাড়ি ফেরে।

    এটার তদন্ত করার আগেই স্যার তিন দিনের মধ্যে সপ্তর্ষি নামের প্রদীপ্তর বন্ধু খুন হয়ে গেল। সেও ওদের বাড়ির গলিতেই। দুটো খুনের মোটিভ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না স্যার। এদের নামে থানায় কেউ কখনও কোনো কমপ্লেইন করেনি। এমনকি পাড়ার লোকজনও কেউ খারাপ ছেলে বলছে না। এবারে স্যার এ যুগের ছেলে একেবারে স্বামী বিবেকানন্দ সুলভ আচরণ করবে এটা তো ভাবাই ভুল। শুনলাম মাঝে মাঝে নাকি বন্ধুরা একত্রিত হলে মদ্যপান চলত। সেটাকে তো আর গর্হিত অপরাধ বলা যায় না। তবে মদ্যপান করে কারোর দোকান ভাঙচুর করেছে, বা অসভ্যতা করেছে এমন রিপোর্ট কিন্তু কেউ করেনি।

    এই সপ্তর্ষির বাবা আবার নামকরা ডাক্তার। এদের অবস্থা খুবই ভালো। রীতিমত এডুকেটেড ফ্যামিলি। ছেলেটার ছবি দেখেও তো খারাপ মনে হল না স্যার। এর কোনো গার্লফ্রেন্ড নেই বর্তমানে। শুনলাম ব্রেকআপ হয়ে গেছে। কেন খুন হল বোঝা তো গেল না।’ সবটা বলে বড়বাবু বেশ লম্বা একটা দম নিলেন।

    সৌমিত্রবাবু বললেন, ‘অন্য তিনজন বন্ধুকে ভালো করে জেরা করা হয়েছে? সর্ষের মধ্যে ভূত লুকিয়ে নেই তো? হয়তো এদের তিন জনের সঙ্গে ওই দুজনের ভিতরে ভিতরে কোনো ঝামেলা হয়েছিল। তাই দে এ দুটোকে উড়িয়ে। বন্ধু হয় তাই ওরা খুন করেছে এটা সন্দেহও করবে না।’

    বড়বাবুর কপালে একটা গভীর ভাঁজ পড়ল। জোরে নিশ্বাস ফেলে বললেন, ‘এটা তো ভাবিনি। স্যার মানুষের মন পড়ার যন্ত্রটা বেরোলেই আমরা পুলিশরা টাকা জমিয়ে কিনে ফেলব ওটা। এদিকে স্যার এলাকার ওপর মহল থেকেও ফোন এসেছিল থানায়। আমরা কি বসে বসে ভুঁড়ি বাড়াচ্ছি? পর পর দুটো খুন হল একই এলাকায় তাতেও কিছু করতে পারলাম না। এখনও অবধি কাউকে গ্রেফতার করতে পারলাম না।’

    সৌমিত্রবাবু ফরেনসিক রিপোর্টটা নিয়ে ভ্রু কুঁচকে বললেন, ‘দুজনের খুনের টেকনিকই এক। প্রথম ঘাড়ে শক্ত কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তারপর শ্বাস বন্ধ করে। তার মানে ওই শক্ত জিনিসটি দিয়ে ছেলেটাকে আগে অজ্ঞান করে দেওয়া হচ্ছে। সেই অবস্থায় শ্বাসরোধ করে মারা হচ্ছে। কিন্তু মোটিভ কী?’

    সৌমিত্রবাবু বললেন, ‘যাই ডিএসপির কাছে কৈফিয়ত দিয়ে আসি। দুদিনের মাথায় দুটো খুন রীতিমত শোরগোল ফেলে দিয়েছে যে। ওই তিনটে ছেলেকে ইমিডিয়েট থানায় হাজির করো। এদের ডেইলি রুটিন জেনে এদের ওপরে নজরদারি করতে হবে।’

    দেবমাল্য বিমর্ষ মুখে বসে আছে। ওর পাশে সৃজন আর রুদ্রনীলও। তিনজন যে বেশ ভয় পেয়ে আছে সেটা ওদের মুখ দেখেই আন্দাজ করা যাচ্ছে। তিনজনের কেউই কোনো কথা বলছে না এই মুহূর্তে। রুদ্র হঠাৎ বলল, ‘ওই মেয়েটার বাড়িটা কোথায় ছিল রে জানিস তোরা? দেবমাল্য ঘাড় নেড়ে বলল, শিঞ্জিনির ক্লাসমেট ছিল। ওর বার্থডে উপলক্ষ্যে ওকে প্রথম দেখেছিলাম। কিন্তু নামটাও সেভাবে মনে নেই। আর শিঞ্জিনিকে জিজ্ঞাসা করলেই ও সন্দেহ করবে। এমনিতেই শিঞ্জিনি নানা কারণে বিরক্ত হয়ে আছে আমার ওপরে। দেবমাল্য বলল, তাহলে টাইম গোনা শুরু করে দে। আমাদের কার আগে টার্ন আসে। এর থেকে আমার মনে হয় পুলিশের কাছে সারেন্ডার করলে ড্রেনে পড়ে মরব না।’ সৃজন উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘অন্য কিছু ভাব তোরা। কী করে নিজেদের বাঁচানো যায় সেটা ভেবে দেখ!’ রুদ্রনীল বলল, ‘সায়নী আজ ফোন করেছিল। প্রদীপ্তর জন্য কান্নাকাটি করছিল বুঝলি। বারবার জিজ্ঞাসা করেছিল, কে ওকে খুন করতে পারে, কেন কেউ খুন করবে?

    মেয়েটা কিন্তু প্রদীপ্তকে ভালোবাসত। আমি কোনো উত্তর দিতে পারলাম না। মনে হল ও আমাদের কাউকে সন্দেহ করছে। ওর গলায় একটু অবিশ্বাসের সুর ছিল। ও যদি গিয়ে থানায় আমাদের নামে কোনো কমপ্লেন ঠুকে আসে সন্দেহের বশে তাহলে তো সোনায় সোহাগা।’

    দেবমাল্য বলল, ‘থানা থেকে ফোন আসছে। ফোনটা রিসিভ করতেই বড়বাবু বললেন, থানায় এসো। কিছু কথা জানার আছে তোমাদের বন্ধুদের ব্যাপারে।’

    দেবমাল্য বলল, ‘আমি বেরোলাম রে। যাই আবার কী জিজ্ঞেস করে দেখি। দেবমাল্যর বাইকের আওয়াজটা মিলিয়ে যাওয়ার আগেই রুদ্রনীল আর সৃজনও ফোন পেল থানা থেকে।’ সৃজন বলল, ‘চল একসঙ্গেই যাই। দেবমাল্য তো থানাতেই থাকবে।’ ওরা যখন থানায় পৌঁছল তখন ঘড়িতে কাঁটায় কাঁটায় নটা। তিলোত্তমায় এটা সবে সন্ধে। ব্যস্ত কলকাতা শহরের জনজীবন। সবাই ছুটে চলেছে। কারোর সময় নেই কাউকে দেখার। ঠিক যেন ছোটবেলার স্কুলের দৌড় প্রতিযোগিতা। সবাই ছুটত যে আগে গিয়ে রেড লাইনটাকে ক্রস করতে পারে। অভিভাবকরা শিখিয়ে দিতেন, খবরদার পিছন দিকে তাকালেই কিন্তু দ্বিতীয় হয়ে যাবার সমূহ সম্ভবনা। তাই পিছনে প্রাণের বন্ধু থাকলেও পিছন ফিরে তাকাতো না কেউ। ঠিক সেভাবেই ছুটে চলেছে সিটি অফ জয়। সৃজন আর রুদ্রনীল থানায় ঢুকতেই বড়বাবু বললেন, ‘বসো। বসার পরেই শুরু হল র‌্যাপিড ফায়ার রাউন্ড।’

    ‘প্রদীপ্তর প্রেমিকা সায়নীকে তোমাদের মধ্যে কারোর পছন্দ ছিল?’

    ‘সপ্তর্ষির ব্রেকআপ কেন হয়েছিল?’

    দুজনের মধ্যে কেউ একটু এলোমেলো বললেই মুশকিল। তাই ওরা যথেষ্ট সচেতনভাবে উত্তর দিচ্ছিল।

    রুদ্রনীল বলল, ‘স্যার মেয়েটা সপ্তর্ষির থেকে বয়সে একটু বড় ছিল। সেটা নিয়েই বোধহয় ওদের মধ্যে একটা প্রবলেম ক্রিয়েট হয়েছিল। সেই থেকেই ব্রেকআপ।’

    সৃজন বলল, ‘মেয়েটা মেডিক্যালে চান্স পেয়ে যায়। সপ্তর্ষির বাবা নামী ডক্টর হলেও ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হয় এই নিয়েও নাকি মেয়েটার সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। কিন্তু স্যার এর জন্য ওকে খুন কেন হতে হবে?’

    বড়বাবু বললেন, ‘তার মানে ওই মেয়েটার সঙ্গে তোমাদের কারোর কোনো যোগাযোগ এখন নেই তাই তো?

    আর প্রদীপ্তর গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে তোমাদের কেমন সম্পর্ক? মানে ওর লাভার এভাবে খুন হয়ে যাবার পরে তোমাদের মধ্যে কে ওর বেশি পাশে গিয়ে দাঁড়ালে?’

    রুদ্রনীল বলল, ‘স্যার সায়নীর সঙ্গে বার কয়েক হাতে গুণে দেখা হয়েছে আমাদের। ওই কোনো পার্টিতে বা কখনও সিনেমা হলে সবাই মিলে মুভি দেখতে গেলে। তাই খুব যে বন্ধুত্ব আছে এমন নয়। প্রদীপ্তর মৃত্যুর পরে ও ফোন করে কান্নাকাটি করছিল আমাদের কাছে, এ পর্যন্তই। তাছাড়া স্যার আমাদের দুই প্রিয় বন্ধু চলে গেল সেটাও তো কম কষ্টের নয়।’ বড়বাবু বললেন, ‘আরেকজন এখনও এলো না কেন? কী যেন নাম ছেলেটার?’

    রুদ্রনীল বলল, ‘স্যার দেবমাল্য। কিন্তু ও তো স্যার আমাদের আগেই বেরিয়ে এল আপনার কল পেয়ে। ওর তো আগেই ঢুকে যাবার কথা।’ রুদ্রর মুখটা ক্রমশ ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে। সৃজনেরও ঠোঁটটা কাঁপছে। তাড়াতাড়ি দেবমাল্যকে ফোন করল। রিং হয়ে যাচ্ছে, কেউ রিসিভ করছে না দেখেই সৃজন উত্তেজিত হয়ে বলল, কল রিসিভ করছে না দেব।

    বড়বাবুর কপালেও একটা ভাঁজ পড়ল। রুদ্র কাঁপা গলায় বলল, দেব তো জোরে বাইক চালায়। আমাদের আসার অনেক আগেই তো পৌঁছানোর কথা ছিল। ওদের আলোচনা শেষ হবার আগেই সৃজনের ফোনে দেবমাল্যর ফোনটা ঢুকছে। সৃজন স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘দেব কল করছে।’ রিসিভ করতেই একটা অপরিচিত গলা শুনে থমকে গেল ও। ‘আপনার কলটাই ওনার ফোনে লাস্ট দেখছি। যার ফোন তিনি মারা গেছেন সম্ভবত।’ সৃজন কিছু বলতে পারছিল না দেখেই বড়বাবু ফোনটা হাতে নিয়ে বলল, ‘বলুন। বডি কোথায়? থানার পাশের নালার ধারে? আচ্ছা আসছি।’ বড়বাবু বললেন, ‘তোমরা কোথাও যাবে না। দুজন কনস্টেবল নিয়ে বেরিয়ে গেলেন উনি।’

    সৃজন বলল, ‘রুদ্র এবারে কি আসল কারণটা বলে দেওয়া উচিত?’ রুদ্রর কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম। ভয়ার্ত গলায় বলল, ‘তোর মনে হয় একটা মেয়ে সবাইকে খুন করেছে? রোগা চেহারার ওই মেয়েটা খুন করাচ্ছে বলে তুই বিশ্বাস করিস? তাছাড়া এত যদি ধক থাকত তাহলে আগে এসে সে থানায় কমপ্লেন লেখাতো। এ অন্য কেউ রে। আমাদের কোনো শত্রু যাকে আমরা চিনি অথচ মনে করতে পারছি না।’ সৃজন বলল, ‘তাহলে কি সুনয়ন? ওর আমাদের ওপরে বেশ রাগ আছে। সেই যে এক্সামের রুটিন ভুল দিয়েছিলাম আমরা। ওর সেই বছরটা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। ভেবে দেখ আমারা পাঁচজনই ছিলাম সেদিন। আর পাঁচজন মিলেই ওকে ভুল রুটিন দেওয়া হয়েছিল।’ রুদ্রনীল বলল, ‘ঠিক তাই। এটা সুনয়নের কাজ। পুলিশকে বলা দরকার। সুনয়নকে গ্রেফতার করলে আমাদের দুজনের প্রাণ বেঁচে যাবে মনে হচ্ছে।’

    দেবমাল্যও একই রকমভাবে থানার পাশের গলিতে নালার ধারে পড়ে ছিল। একই পদ্ধতি। ঘাড়ে জোরে আঘাত, তারপর শ্বাস রোধ করে মারা হয়েছে।

    বড়বাবু ওসিকে ফোন করলেন। দেবমাল্যর বাড়িতে খবর দেওয়া হল। সৃজন আর রুদ্রনীল নিশ্চুপ হয়ে বসেছিল। হঠাৎই সৃজন বলল, ‘স্যার এটা সুনয়নের কাজ। ও আমাদের খুন করে দেবে।’ বড়বাবু বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘সেটা আবার কে?’

    এই বডি ফরেনসিকে পাঠাতে হবে। এবারে মিডিয়া ঝাঁপিয়ে পড়বে। থানার পাশে খুন হয়ে গেল রাত নটায় আর পুলিশ নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছিল! নিজেদের লাফড়ায় খুন হচ্ছে এরা এটা তো এই পাবলিক বুঝবে না। সব দোষ এসে পড়বে পুলিশের ওপর আর সরকারের ওপরে। আরে পুলিশ কি আর সকলের পিছনে সিসিটিভি অন করে রাখবে?

    ওসি সৌমিত্রবাবু ঢুকে বললেন, ‘তিননম্বর খুনটা থানার পাশে এসে করার মধ্যে কেমন একটা ঔদ্ধত্যের চিহ্ন সুস্পষ্ট। যেন পুলিশ-প্রশাসনকে জাস্ট বুড়ো আঙুল দেখাতে চাইছে খুনি। বাইরে মিডিয়া রেডি হয়ে আছে দেখলাম। যাও গিয়ে জবানবন্দি দিয়ে এস।’

    সৌমিত্রবাবু সৃজনকে বললেন, ‘এই সুনয়নের কেসটা কী?

    একটা মিথ্যে বললে, চাপকে সোজা লকাপে চালান করব।’

    রুদ্রনীল বলল, ‘স্যার সুনয়নরা খুব গরিব। ওর বাবা রিকশা টানত। কিন্তু ও আমাদের স্কুলের বেস্ট ছেলে ছিল। ওদের বাড়িতে টিভি পর্যন্ত ছিল না। ও টেস্টের কিছুদিন পরে এসে আমাদের জিজ্ঞাসা করেছিল, এক্সামের রুটিন পেয়েছি কিনা আমরা। আমরা সবাই মিলে ওকে একটা ভুল রুটিন দিয়েছিলাম। জাস্ট মজার ছলেই। ভেবেছিলাম ওর কাছে হয়ত অরিজিনাল রুটিন আছে। কিন্তু পরীক্ষা হলে গিয়ে দেখেছিলাম ও আসেনি। ইনফ্যাক্ট শেষের দুটো এক্সামে এসে কান্নাকাটি করেছিল। আমাদের ধারণা ওর ওই বছরটা আমরা নষ্ট করে দিয়েছিলাম বলে ও আমাদের খুন করে দিতে চায়।’

    সৌমিত্রবাবু বললেন, ‘তোমরা সকলে ভদ্র বাড়ির ছেলে বলে আজকেই বড়বাবু বলছিলেন। তখনই বুঝেছি এত সহজ নয় তোমরা। সুনয়নের অ্যাড্রেসটা দিয়ে যাও।’

    থানার বাইরে বেরোতেই চোখে পড়ল দেবমাল্যর মা আর বাবা দাঁড়িয়ে আছে। ওদের দেখেই দেবের মা ছুটে এসে বলল, দেব তো তোদের সঙ্গেই ছিল সন্ধেবেলা। আমি ফোন করেছিলাম চা-পাতা নিয়ে যেতে, ‘ও বলল তোদের সঙ্গে আছে। যাওয়ার সময় নিয়ে যাবে। এসব কী হল রে!’

    ওর মায়ের কান্না, বাবার অসহায় মুখের দিকে তাকিয়ে আর একটু আগেই দেবের সঙ্গে বলা কথাগুলো মনে পড়ে সৃজন আর রুদ্রও কেঁদে ফেলল। মনের ভিতরে ভয় তোলপাড় করছে। এবারে ওদের দুজনের মধ্যে কার পালা? এটা ভেবেই গা শিউরে উঠছে রুদ্র। সৃজনের কান্নাভেজা চোখ দুটো আতঙ্কে সাদা হয়ে আছে যেন।

    ওরা যে যার বাড়ির দিকে এগুলো। কে জানে আজ রাতটুকু বাড়িতে শেষ ঘুম কিনা। বড়বাবু ওদের রোজ থানায় হাজিরা দিতে বলেছে। রুদ্রর ধারণা প্রদীপ্তর গার্লফ্রেন্ড সায়নী কোনো রকম সন্দেহ প্রকাশ করেছে পুলিশের কাছে। তাই হয়ত বড়বাবু ওদের রেগুলার থানায় হাজিরা দিতে বলল।

    দেবমাল্যর গার্লফ্রেন্ড শিঞ্জিনির বয়ান নিয়েছে পুলিশ। শিঞ্জিনি নাকি বলেছে, ‘সৃজন আর রুদ্রনীলের সঙ্গে ছিল দেবমাল্য থানায় আসার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত। তখনই নিশ্চয়ই এমন কিছু হয়েছে যার জন্য খুন হতে হল দেবমাল্যকে। আমি বহুদিন ধরেই দেবকে এদের সঙ্গ ছাড়তে বলেছিলাম। ও শুনেনি। তাই এই পরিণতি।’

    সব দিক থেকেই সৃজন আর রুদ্রনীলের দিকে তির তাক করা আছে।

    শহর জুড়ে একটা আতঙ্ক কাজ করছে। তিন তিনটে তরতাজা ছেলে এভাবে খুন হয়ে যেতে পারে ও যেন কল্পনার বাইরে। শহরের বুকে একটা আতঙ্ক নেমে এসেছে যেন। আর মিডিয়া একনাগাড়ে বলে চলেছে পুলিশ প্রশাসনের গাফিলতি ছাড়া আর কিছুই নয়। এখনও কেন খুনির গ্রেফতারের খবর পাওয়া গেল না! পুলিশ করছেটা কী?

    সুনয়ন নামের ছেলেটা কলেজে ফিজিক্স অনার্স নিয়ে ভর্তি হয়েছে। অত্যন্ত গরিবের ছেলে। টিউশনি করে, সরকার থেকেও সাহায্য পায়। সে স্বীকার করল ওই পাঁচজনের জন্য ওর একটা বছর নষ্ট হয়েছে। তাই কলেজে উঠে ও আর কোনো বড়লোকের ছেলেদের সঙ্গে মেলামেশা করে না। নিজের মতো করে চলে। এসব খুন সম্পর্কে কিছুই জানে না। তবুও পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে এসেছে। এখন যা অবস্থা, তাতে কাউকে কোনোভাবেই বিশ্বাস করা পুলিশের পক্ষে সম্ভব নয়। সুনয়নকে আপাতত দিন দুয়েক হাজতে রাখা হবে। সাবধানের মার নেই। সৃজন আর রুদ্রনীল যাতে খুন না হয় সেজন্যই এমন ব্যবস্থা।

    সমস্ত খবরের কাগজের হেডলাইন এটাই এখন।

    ওপর মহল নড়ে বসেছে। বেশ প্রেশারে আছেন ওসি সৌমিত্রবাবু থেকে থানার বড়বাবু অবধি।

    সুনয়নের কাছ থেকে কিছু তথ্য বের করার জন্যই বড়বাবু ওর জেরা করছেন। সুনয়ন বলল, ‘দেখুন স্যার ওরা পাঁচজন সবসময় একসঙ্গে থাকত। আমরা একই ক্লাসের স্টুডেন্ট। ওরা পড়াশোনায় মন্দ ছিল না। বড়লোক বাবার ছেলে সবাই। তাই কষ্ট করে পড়াশোনা করছে কেউ এই বিষয়টাতেই ওদের রাগ ছিল। স্কুলে টিচাররা আমার প্রশংসা করলেও ওদের ভ্রুতে বিরক্তির চিহ্ন দেখতাম। তবে আমি এগুলোকে পাত্তা দিইনি কখনও। কারণ আমার বাবা রিকশা ভাড়ার টাকা একদিন মদ খেয়ে উড়িয়ে দিলে আমাদের বাড়িতে ভাত চড়ত না। তাই এসব দেখার সময় ছিল না। তবে এরা স্কুলে অনুপস্থিত থাকলে আমার কাছ থেকে নোটগুলো নিত। দেবমাল্য আর সপ্তর্ষি দুবার আমাকে নোটবই কিনে দিয়ে সাহায্যও করেছিল। তারা যে উচ্চমাধ্যমিকের রুটিন নিয়ে এমন কান্ড করবে আমার ভাবনার বাইরে ছিল। আমি ওদের বিশ্বাস করেছিলাম। ওদের সঙ্গে আমি পেরে উঠব না জেনেই ভীষণভাবে ক্ষতি হয়ে যাওয়ার পরও ওদের সঙ্গে একটাও বাগ-বিতণ্ডায় যাইনি। পরের বছর পরীক্ষায় বসে যথেষ্ট ভালো রেজাল্ট করে কলেজে ভর্তি হই। এদের কারোর সঙ্গে আমার দেখাই হত না। একমাত্র সপ্তর্ষি মাঝে মাঝে আমাদের পাড়া দিয়ে টিউশন পড়তে যেত তখন দেখা হত। আমি আর কথা বলিনি, বলতে ইচ্ছে করেনি। তবে সপ্তর্ষি নিজেই উপযাচিত হয়ে এসে আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেছিল, আমরা মজা করেছিলাম। সরি ইয়ার।

    দেখুন স্যার, এদের কাছে এটা মজা হতে পারে। আমার কাছে নয়। তাই দূরে থাকি এদের থেকে।’

    সুনয়নের কথা শেষ হবার আগেই কনস্টেবল জগন্নাথ হাঁপাতে হাঁপাতে এসে বলল, স্যার আবার খুন। লোকজন থানায় ভাঙচুর করতে আসছে। ওই দুটি ছেলেই খুন হয়েছে। থানায় হাজিরা দিতে আসছিল একসঙ্গে। থানা থেকে আবার একশো মিটার দূরে ওই ডাস্টবিনের ধারে দুটো বডি স্যার আরেকটা বাইক পড়ে আছে। কী হবে স্যার?

    সুনয়ন বলল, ‘স্যার তাহলে প্রমাণ হল তো খুন আমি করছি না। আসল খুনিকে ধরার চেষ্টা করুন। আমার দিকে নজর দিতে গিয়ে সে হাত ফস্কে পালিয়ে গেল যে।’

    সুনয়নকে ছেড়ে দিল পুলিশ। থানার সামনে পাহারা বসাল বড়বাবু।

    সুনয়ন ভালো একটা মিষ্টির দোকান থেকে মিষ্টি কিনে সোজা গেল রেশমির বাড়িতে। ছোট দু-কুঠুরী ঘরের মধ্যে তখন মেয়ে বাবার রক্ত লাগা জামাটা ধুয়ে দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। রেশমি দরজা খুলতেই বলল, কাকুর আজ একা কোনো অসুবিধা হয়নি তো? রেশমি দাঁত চেপে বলল, আজ সঙ্গে আমিও ছিলাম সুনয়ন। তোমায় পুলিশ তুলে নিয়ে গেল দেখেই বাবা বলল, জল মাথার ওপর দিয়ে বইছে। খুন দুটো আজকেই করতে হবে রেশমি। সুনয়নকে নির্দোষ প্রমাণ করতে হবে। হুইল চেয়ারে নিস্তব্ধ হয়ে বসে আছে এককালের জাওয়ান শিবনাথ পাল। বর্ডার ফোর্সে জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করতে করতে গুলি লেগে দুটো পা-ই হাঁটুর নীচে থেকে কাটা পড়েছিল। দেশের জন্য লড়াই করা প্রাণ বলেই হয়তো বেঁচে গিয়েছিলেন। স্ত্রী ক্যানসারে ভুগে মারা গেছেন বছর তিনেক হল। রেশমিকে সম্বল করেই জীবন কাটছে। একটা ছোট চাকরিও পেয়েছেন সরকারের আনুকূল্যে। একই ব্যাচে টিউশন পড়ার কারণেই সুনয়নের সঙ্গে পরিচয় থেকে প্রেম রেশমির। দুজনেই পড়াশোনায় ভালো। দুজনের একটাই লক্ষ্য চাকরি পেতে হবে। নিজের পায়ে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। সুনয়নকে খুব ভালোবাসে শিবনাথ। নিজের ছেলের মত। মেয়ের পছন্দের তারিফ করে মনে মনে। খাঁটি সোনা বেছেছে রেশমি। সেই সুনয়ন যখন বন্ধুদের ভুল রুটিন দেবার কারণে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতে পারল না তখনই বাড়িতে বসে খুব কেঁদেছিল রেশমি। শিবনাথ বলেছিল, কাঁদিস না। ও ঠিক জিতবে।

    শিঞ্জিনির সঙ্গে রেশমির বন্ধুত্ব হয় কলেজে উঠে। তবুও শিঞ্জিনি যখন বলেছিল, ওর বার্থ-ডে পার্টিতে আসতে তখন না করতে পারেনি রেশমি। বার্থ-ডে পার্টিতে বেশ রাত হয়ে গিয়েছিল। শিঞ্জিনি বলেছিল, ডোন্ট ওরি দেবমাল্যকে বলছি তোকে পৌঁছে দিতে। দেবমাল্যর চারচাকায় ও একা নয় আরও চারজন ছিল সেদিন। সপ্তর্ষি, সৃজন, রুদ্রনীল ও প্রদীপ্ত। গাড়িটা সপ্তর্ষি চালাচ্ছিল। সবাই যে অল্প বিস্তর ড্রিংক করেছে সেটা বুঝতে সময় লাগেনি রেশমির। ভয়ে সিঁটিয়ে বসে ছিল ও। নামগুলো ও জেনেছিল কারণ ওরা নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলছিল। আচমকাই একটা অন্ধকার জায়গায় গাড়িটা থেমে গেল। রেশমি কিছু বোঝার আগেই মুখটা কেউ একজন বেঁধে দিল রুমাল দিয়ে। পর পর পাঁচজনের পুরুষাঙ্গ ঢুকল ওর যোনি ভেদ করে। তারপর আর কিছুই জানে না ও। শুধু মনে আছে একটা ড্রেনের ধারে ওকে ফেলে দিয়ে চলে গিয়েছিল ওরা।

    সেদিন রাতেই বাবা হুইল চেয়ারে করে থানায় গিয়েছিল রিপোর্ট লেখাতে, তখনও রেশমি হসপিটালে যমে-মানুষে যুদ্ধ করতে।

    পুলিশের বড়বাবু বলেছিলেন, ‘মেয়ে হঠাৎ এত রাতে পার্টি করে ফিরছিল কেন? এরা কারা? আগে মেয়ের কাছে জানুন টাকার রফা হয়েছিল কিনা।’ শিবনাথ ফিরে এসেছিল। রেশমি দিন তিনেক পরে সুস্থ হয়ে ফিরছিল। কিন্তু চুপ হয়ে গিয়েছিল একদম। সুনয়ন অনেকবার জিজ্ঞাসা করায় নামগুলো বলতেই চমকে উঠেছিল সুনয়ন। বলেছিল এরাই সেই ছেলে যারা আমায় ভুল রুটিন দিয়েছিল। কিন্তু শিবনাথ কাকু এদের বাবাদের অনেক টাকা, এদের আমরা ছুঁতেও পারব না।

    শিবনাথ মুঠো শক্ত করে বলেছিল, ‘মেরে দেব এদের। বাঁচার অধিকার নেই এদের।’ সুনয়ন একেকজনকে ফলো করে জেনেছিল এদের দৈনন্দিন জীবনযাপন। প্রদীপ্তর বাড়ি ফেরার রাস্তায় হুইল চেয়ার থেকে প্রায় পড়ে যাচ্ছিল শিবনাথ। প্রদীপ্তকে ডেকেছিল একটু তুলে দেওয়ার জন্য। তারপরেই বলেছিল, ‘ওই গলিতে আমার ফোনটা পড়ে গেল বাবা, খোঁড়া মানুষ খুঁজতেও পারলাম না, একটু খুঁজে দেবে বাবা?’ নিরিবিলি গলিটায় প্রদীপ্ত ঢুকতেই আঘাতটা করেছিল শিবনাথ নিজের সবটুকু শক্তি দিয়ে। মেয়ের ক্ষতবিক্ষত যোনিদ্বারের কথা মনে করে। মেয়ের মানসিকভাবে মৃতপ্রায় মনের কথা ভেবে। ঠিক তখনই হাতে থাকা ক্রাচের বাড়ি পড়েছিল প্রদীপ্তর ঘাড়ে। অজ্ঞান প্রদীপ্তকে মুখে প্লাস্টিক দিয়ে শ্বাস রোধ করে মেরে দিতে অসুবিধা হয়নি শিবনাথের। প্রতিটা খুনই একই পদ্ধতিতে করেছে ও। একটু দূরে দাঁড়িয়ে থেকেছে সুনয়ন। চারিদিকে লক্ষ রেখেছে তীক্ষ্ন।

    সুনয়ন যেদিন জেলে বসে ছিল, সেদিন প্রথম জেদ নিয়ে কথা বলেছে রেশমি। ওই বলছে, ‘চলো বাবা সুনয়নকে নিরপরাধ প্রমাণ করতে হবে। আজ আমি লক্ষ রাখব, আর একজনকে অন্তত আমি নিজের হাতে শাস্তি দিতে চাই।’ থানায় হাজিরা দিতে যাবে খবরটা শিঞ্জিনিই বলেছিল ওকে। কারণ রেশমি প্রতিটা খুনের খবরের পরে ফোন করে শিঞ্জিনিকে বলত, ‘দেবমাল্যদাকে এদের থেকে সরিয়ে রাখ। এরা কোথায় কী যে করেছে কে জানে!’ শিঞ্জিনিও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে দেবমাল্যর সঙ্গে হওয়া সব কথাই বলে ফেলত রেশমিকে। তাই ওদের যে থানায় হাজিরা দিতে হচ্ছে সেটা জানত রেশমি। সৃজনকে সেদিন শিবনাথ খুন করলেও রেশমি মেরেছিল রুদ্রনীলকে। প্রত্যেককে নালার পাশে ফেলেছিল শিবনাথ। ঠিক যেভাবে রেশমিকে মৃতপ্রায় অবস্থায় ড্রেনের পাশে ফেলে রেখেছিল ওরা। একজন বয়স্ক লোক দেখতে পেয়ে রেশমির ফোন থেকে সেদিন ফোন করে জানিয়েছিল বাড়িতে।

    হুইল চেয়ারটা ঘুরিয়ে নিয়ে শিবনাথ বলল, ‘একদিন এই হাত দিয়ে দেশের শত্রুদের মেরেছি। আজ নাহয় কটা আবর্জনা সাফ করলাম এ সমাজের। কোনো লজ্জা নেই, কোনো গ্লানি নেই আমার। এখন যদি পুলিশ আমায় ধরতেও পারে তাহলেও জানব আমার মেয়েটার ওপরে হওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলাম।’ মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরে হাউহাউ করে কাঁদছে শিবনাথ। ‘মা রে তোকে সুরক্ষিত রাখতে পারলাম না আমি। অক্ষম বাবা আমি।’ সুনয়ন বলল, ‘কাকু আমি আছি তো। নিজের সবটুকু দিয়ে ওকে আমি আগলে রাখব।’ রেশমির শুকনো চোখ দুটোতে অঝরে জল নেমেছে। এই দুজন পুরুষের জন্য ও আত্মহত্যা করতে পারবে না কোনোদিন।

    সুনয়ন কানে কানে বলল, ‘ভালোবাসি ভুলে যেও না কখনও।’

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য
    Next Article জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    Related Articles

    অর্পিতা সরকার

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    মন আয়নায় মেঘ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    অর্পিতা সরকার

    প্রিয় পঁচিশ – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }