Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প622 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. বৃষ্টি মাথায় নিয়ে

    বৃষ্টি মাথায় নিয়ে এরকম একটা গল্প শুনতে যাওয়ার কোনও মানে হয় না। বাড়ি ফেরার সময় অর্জুনের মনে হচ্ছিল একথা। বৃদ্ধ বিজনবিহারী পঙ্গু হওয়া সত্ত্বেও সোনার গয়নার লোভে লোভী হয়ে উঠেছেন, এটা তার ভাল লাগছিল না। সেই তুলনায় ওঁর বাবা পবনবিহারী অনেক বেশি নিলোভ মানুষ ছিলেন। তখন ভারতবর্ষ দ্বিখণ্ডিত হয়নি। তিনি স্বচ্ছন্দে গয়নাগুলো তুলে নিয়ে আসতে পারতেন। অর্জুনের মনে হচ্ছিল এই ব্যাপারটায় কোনও রহস্য নেই। একজন মানুষের লোভ মেটানোর জন্য সে এগিয়ে যেতে পারে না। তিনদিন পরে একথাই বিজনবিহারীবাবুকে জানিয়ে দেবে ঠিক করল।

    কিন্তু দুদিন বাদে ভোর চারটের সময় অর্জুনের ঘুম ভেঙে গেল তারস্বরে টেলিফোন বাজার শব্দে। এই সময় খুব বিপদে না পড়লে কেউ কাউকে টেলিফোন করে না। সে বিছানা থেকে উঠে ঘুম-ঘুম অবস্থাতেই রিসিভার তুলল, হ্যালো।

    অর্জুন বলছ? খুব চাপা গলায় প্রশ্ন এল।

    হ্যাঁ।

    আমার সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে অর্জুন। আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। ভদ্রলোকের গলা কাঁপছিল।

    আপনি কে কথা বলছেন?

    আমি? ও, আমি বিজনবিহারী ঘোষ।

    ও। কী হয়েছে আপনার?

    কাল রাত্রে চিঠিটা চুরি হয়ে গিয়েছে।

    চুরি হয়ে গিয়েছে?

    হ্যাঁ। গতকাল দুপুরেও আমি ব্যাগ খুলে ওটাকে দেখেছিলাম। ঠিকই ছিল। আধ ঘণ্টা আগে একটা স্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙে গেল। আর ঘুম আসছে না দেখে এটা-ওটা হাতড়াচ্ছিলাম। হঠাৎ কী খেয়াল হতে ব্যাগটা খুলে দেখি ওর মধ্যে চিঠিটা নেই। বিজনবিহারীবাবুর গলায় প্রচণ্ড হতাশা।

    আপনি অন্য কোথাও রাখেননি তো?

    অন্য কোথাও? অসম্ভব। কেউ নামিয়ে না নিলে আমি বিছানা থেকে নামতেই পারি না। আমি নিজে কোথায় ওটা রাখব? তা ছাড়া আমার পরিষ্কার মনে আছে আমি কাল ব্যাগের ভেতর খামটাকে রেখে দিয়েছিলাম। অর্জুন, প্লিজ, তুমি আমাকে বাঁচাও। বৃদ্ধ চাপা গলায় বললেন।

    আপনি বলছেন নিজে খাট থেকে নামতে পারেন না। তা হলে যে চিঠিটা সরাবে সে আপনার সামনেই আসবে। তা ছাড়া আপনার কাজের লোক সবসময় থাকে। সে বিশ্বাসী?

    তাকে আমি নিজের চেয়ে বেশি বিশ্বাস করি। বিজনবিহারীবাবু বললেন।

    বেশ। এখন তো যাওয়ার কোনও কথাই ওঠে না। আমি সকালবেলায় একবার যাব।

    কিন্তু তুমি কীভাবে আসবে?

    বুঝতে পারলাম না।

    আমি যে তোমাকে টেলিফোন করেছি, তা যেন আমার ছেলে জানতে না পারে। তুমি অন্য কোনও একটা অছিলা নিয়ে আমার সঙ্গে দেখা করতে চেয়ো। প্লিজ। লাইন কেটে দিলেন ভদ্রলোক।

    এত ভোরে ঘুম ভেঙে গেলে আবার ঘুমের আশা করা যায় না। অর্জুন খানিকটা অপেক্ষা করে বেরিয়ে পড়ল। আজ বৃষ্টি নেই। আকাশ পরিষ্কার। জলপাইগুড়ি শহরে প্রাতঃভ্রমণকারীর সংখ্যা কম নয়। কদমতলার মোড়ে হারুদার চায়ের দোকানে বসে চা খেতে-খেতে সে এদের দেখতে লাগল।

    হঠাৎ তার মনে হল বিজনবিহারী নিজেই কোনও রহস্য তৈরি করছেন না তো! হয়তো চিঠি ওঁর কাছেই আছে, অর্জুনকে জড়াবার জন্য এই গল্প শোনালেন। ওঁর মতো মানুষ সারাক্ষণ ব্যাগ নিয়ে শুয়ে থাকলে কারও ক্ষমতা নেই চিঠিটাকে চুরি করা। তা ছাড়া চিঠি চুরি যাবে তখনই, যখন কেউ জানতে পারবে ওটার ভেতর কী লেখা আছে। বিজনবিহারীবাবুর কথা অনুযায়ী যিনি লিখেছিলেন, যাঁকে লিখেছিলেন, তাঁরা দুজনেই মৃত। একমাত্র বিজনবিহারীবাবুই ব্যাপারটা জানেন। অতএব অন্য কেউ ওটা চুরি করতে যাবে কেন?

    অর্জুন এসব কথা ভাবলেও যেটা উড়িয়ে দিতে পারছিল না সেটা হল বৃদ্ধের গলার স্বর। খুব বড় অভিনেতা না হলে ওই অসহায় অবস্থা গলায় ফোটানো সম্ভব হবে না।

    এখন আলো ফুটে গিয়েছে, কিন্তু কারও বাড়িতে যাওয়ার সময় এটা নয়। অর্জুন দেখল জগুদা হেঁটে চলেছেন দ্রুত পায়ে। সে চায়ের দোকান থেকে বেরিয়ে ওঁর সামনে দাঁড়াতেই জগুদা খুব অবাক, আরে তুমি! সাতসকালে এখানে কী করছ? তোমার তো মর্নিং-ওয়াকের অভ্যেস নেই।

    ঘুম আসছিল না, তাই। কেমন আছেন?

    আছি। আর তো বেশিদিন চাকরি নেই। তার মানে জীবনটাও বেশিদিন নেই।

    যাঃ। এসব কী বলছেন?

    না হে, এটাই সত্যি। কেটেস কীরকম পাচ্ছ?

    মোটামুটি। আচ্ছা জগুদা, বিজনবিহারী ঘোষ সম্পর্কে আপনি কিছু জানেন?

    বিজনবিহারী? এক্স টি-প্লান্টার?

    হ্যাঁ। শিল্পসমিতি পাড়ায় থাকেন।

    হয়ে গেল বেড়ানো। হারুদা, দু কাপ চা। জগুদা হাঁক দিলেন। আমি এইমাত্র খেয়েছি।

    আহা, ভোরে দু কাপ চা আরামসে খাওয়া যায়। যে-নামটা তুমি করলে, সেই নাম কেউ ভোরবেলায় উচ্চারণ করত না। বলত, দিনটা খারাপ যাবে। প্রচণ্ড কিপটে ছিলেন।

    উনি তো এখনও বেঁচে আছেন?

    আছেন, তবে শুনেছি পক্ষাঘাতগ্রস্ত। ওঁর সম্পর্কে কী জানতে চাও?

    ওঁরা তো পূর্ববাংলা থেকে এসে চা বাগান তৈরি করেছেন?

    জলপাইগুড়ির বেশিরভাগ মানুষই পূর্ববাংলা থেকে এসেছেন। একময় রাজশাহি, রংপুর জেলার মতো জলপাইগুড়িকেও পূর্ববাংলার সঙ্গে ধরা হত। ১৮৭৪ খ্রিস্টাব্দে হাম নামে এক সাহেব তিস্তা নদীর ধারে গাজোলডোবা বলে একটা জায়গায় প্রথম চা বাগান পত্তন করেন। প্রথম দিকে ইংরেজরা এই জেলার সব ভাল-ভাল জমি দখল করে নিয়ে একটার পর একটা চা বাগান তৈরি করেছেন। বাঙালিরা এল অনেক পরে। তবে রহিম বক্স জলঢাকার কাছে প্রথম বাঙালি হিসেবে যে চা বাগান পত্তন করেন, সেটা ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে। ভদ্রলোকের আদি বাড়ি ছিল নোয়াখালি জেলায়। কাছাকাছি সময়ে আর-একটি নাম পাওয়া যায়, তিনি বিহারীলাল গাঙ্গুলি। প্রথম যৌথ কোম্পানি হল মোগলকাটা চা বাগান। তবে রহিম বক্স, গোপাল ঘোষ, জয়চন্দ্র সান্যালরা যে কাজ শুরু করেছিলেন তাকে সার্থক করে তোলেন তারিণীপ্রসাদ রায় এবং মৌলবী মোশারফ হোসেন। এই বিজনবিহারীর বাবা গগনবিহারীও সেই সময় চা-শিল্পে যুক্ত হন। ওঁদের একাধিক বাগান ছিল। গগনবিহারী মারা যাওয়ার পর বিজনবিহারী হাল ধরেন। হারুদার দেওয়া চায়ে চুমুক দিলেন জগুদা, তখন জলপাইগুড়ি শহরের রমরমা অবস্থা। শিল্পপতিরা যেমন ভাল ব্যবসা বুঝতেন তেমনই শহরের মানুষের প্রয়োজনে এগিয়ে আসতেন। খেলাধুলো এবং সংস্কৃতি জগতে এঁদের অবদান ভোলার নয়। বিশেষ করে সত্যেন্দ্রপ্রসাদ রায় এবং বীরেন ঘোষ মশাইয়ের তো তুলনা হয় না। জলপাইগুড়ির প্রাণ। ছিলেন এঁরা। কিন্তু বিজনবিহারী শহরের জন্য কিছুই করেননি। নিতান্ত বাধ্য না হলে তিনি কোনও ভাল কাজের জন্য একটি পয়সাও খরচ করতেন না। ঠিক কিপটে বললে কম হবে, তিনি ছিলেন সঙ্কীর্ণমনা। আর ওঁর ছেলেরা তো বাগান তুলেই দিল। যা ছিল সব উড়িয়ে এখন কলসি গড়িয়ে খাচ্ছে। চা শেষ করে জগুদা যেন খেয়াল করলেন, তা এত লোক থাকতে তুমি হঠাৎ এই মানুষটির খবর নিচ্ছ কেন? কিছু হয়েছে?

    অর্জুন মাথা নাড়ল, হ্যাঁ। উনি একটা ব্যাপারে সাহায্য চাইছেন।

    আইনসম্মত হলে কররা। তবে নিজের পারিশ্রমিক বুঝে নেবে।

    অর্জুন হাসল। এখনও সে এই ব্যাপারটায় পেশাদার হতে পারেনি। অনেকেই কেস নিয়ে আসে। কাজটা হয়ে গেলে প্রশ্ন করে, কত দিতে হবে? অর্জুন, যা বলা উচিত তার চেয়ে অনেক কম বলে চক্ষুলজ্জার কারণে। আর প্রচণ্ড খাটুনির পরে যদি কাজটার সুরাহা না হয়, তা হলে পয়সা চাওয়াও যায় না, খাটুনিটাই বৃথা যায়। কিন্তু অন্য বৃত্তির মানুষ তা সত্ত্বেও নিজের দক্ষিণা নেন। মামলায় হেরে গেলেও উকিলকে টাকা দিতে হয়, ডাক্তার রোগ সারাতে

    পারলেও ফি নিতে ছাড়েন না। তা ছাড়া আর-একটা সমস্যা আছে। তাকে এক-একসময় এক-একরকম কাজ করতে হয়। সব কাজের গুরুত্ব সমান নয়। তাই সবার কাছে এক দবে দক্ষিণা চাওযাও যায় না। তবে জগুদা যখন সতর্ক করলেন, তখন কথাটাকে সে নিশ্চয়ই মনে রাখবে। এবার আর বোকামি নয়।

    সকাল নটা নাগাদ লাল বাইক চালিয়ে অর্জুন বিজনবিহারীবাবুর বাড়ির সামনে পৌঁছে গেল। দোতলায় চোখ তুলতেই সে লক্ষ করল, একটি আঠারো-উনিশ বছরেব মেয়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে তাকে লক্ষ করছে। মেয়েটি বেশ ফরসা এবং ফরসা মেয়েদের দূর থেকে সুন্দরী বলেই মনে হয়। মেয়েটি নিশ্চয়ই বিজনবিহারীবাবুর নাতনি। সে গেট পেরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই ওপর থেকে মেয়েটি সামান্য ঝুঁকে জিজ্ঞেস করল,আপনি কাকে চান?

    বিজনবিহারীবাবু আছেন?

    উনি এখন বিশ্রাম করছেন। মেয়েটির মুখ স্পষ্ট দেখতে পেল অর্জুন। মুখে ব্ৰনর দাগ থাকলেও দেখতে ভালই। অর্জুন বলল, আমার একটু দরকার ছিল।

    আপনি ওখানে দাঁড়ান। মেয়েটি সরে গেল। অর্জুন সেই ভৃত্যটিকে কোথাও দেখতে পেল না। সকাল নটায় কেউ বিশ্রাম করছে বলে দেখা করবে না, কেউ শুনেছে কখনও? বিজনবিহারীবাবু বলেছিলেন যে, ওঁর সঙ্গে পরিচয় আছে অথবা উনি যে আসতে বলেছেন তা যেন কেউ জানতে না পারে।

    কাকে চাইছেন ভাই?

    প্রশ্ন শুনে অর্জুন দেখল মধ্যবয়সী এক ভদ্রলোক নেমে এসেছেন। এই সকালেও ওঁর পরনে পাটভাঙা পাজামা-পাঞ্জাবি। চেহারায় বিজনবিহারীবাবুর আদল আছে।

    আমার নাম অর্জুন। আমি বিজনবিহারীবাবুর সঙ্গে দেখা করতে চাই।

    প্রয়োজনটা কী জানতে পারি?

    আপনি?

    আমি ওঁর ছেলে। এই শহরে তো সবাই আমাদের চেনে? আপনি এখানে থাকেন না?

    থাকি। কিন্তু চেনার সৌভাগ্য হয়নি।

    আপনি কী করেন?

    আমার কাজ সত্য-অনুসন্ধান করা। আমাকেও এই শহরে সবাই জানে।

    ওহো। হ্যাঁ। প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটার। জলপাইগুড়ির মতো ছোট্ট শহরের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা খুব বড় ধরনের। আসুন এই ঘরে, কথা বলি। আমি গগনবিহারী ঘোষ। বলতে বলতে পাশের একটি ঘরের দরজা খুলে ভদ্রলোক ভেতরে ঢুকে পড়লেন।

    একটা শ্বেতপাথরের গোল টেবিল, চারপাশে চারটে চেয়ার। গগনবিহারী ইঙ্গিত করতেই অর্জুন চেশর টেনে বসল। গগনবিহারী বসে জিজ্ঞেস করলেন, ব্যাপারটা কী?

    বাংলাদেশের ঢাকা শহরের একজন বিখ্যাত ব্যারিস্টার আমার ওপর ভরসা করছেন। তিনি কালীগঞ্জের নুটুবিহারী ঘোমশাই-এর যেসব বংশধর জলপাইগুড়িতে আছেন তাঁদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান। পুলিশের মাধ্যমে খোঁজখবর নিতে চান না তিনি। নুটুবিহারী ঘোষের ছেলের নাম পবনবিহারী। তাঁর খোঁজ নিতে আমি আপনাদের কথা জানতে পারলাম। আপনার বাবা যখন এখনও জীবিত, তাই তাঁর সঙ্গে কথা বলতে আমি এসেছি। অর্জুন বেশ গুছিয়ে কথাগুলো বলল।

    গগনবিহারীর মুখ-চোখ বদলে গেল। কয়েক মুহূর্তর জন্য বিস্ময় ফুটে উঠলেও নিজেকে ঠিক সামলে নিলেন তিনি, কী ব্যাপারে খোঁজখবর, বলুন তো?

    বিশদ আমিও জানি না। উনি আমাকে লিখেছেন যে, লক্ষ লক্ষ টাকার বিষয়সম্পত্তির সুষ্ঠু ভাগ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে নুটুবিহারীর তরফের বংশধরদের অবস্থান জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। আমার নাম তিনি এক পরিচিতের মুখে শুনেছেন বলে অনুরোধটা করেছেন।

    লক্ষ-লক্ষ টাকার বিষয়সম্পত্তি? বাংলাদেশে। ওসব তো এনিমিজ প্রপার্টি!

    বোধহয়, না। আপনাদের আত্মীয়রা বাংলাদেশ ছেড়ে চলে আসেনি অথবা সেসব সম্পত্তি জবরদখলও হয়ে যায়নি। অবশ্য আমার পক্ষেও এখান থেকে কিছু বলা সম্ভব নয়।

    উনি কি আমাদের যেতে লিখেছেন? না। এখনও লেখেননি।

    আপনার কি মনে হয় আমরা ওই সম্পত্তির ভাগ পাব?

    সেরকমই তো ইঙ্গিত দেখছি।

    কদিন থেকেই আমার ডান চোখটা নাচছিল। আসুন, আমার সঙ্গে ওপরে আসুন। বাবা তো হাঁটতে পারেন না। ওপরেই আছেন। গগনবিহারীর ভাবভঙ্গি একদম বদলে গেল। অর্জুনকে নিয়ে তিনি ওপরে উঠতেই মেয়েটিকে দেখা গেল। বারান্দায় একটা চেয়ারে বসে বই পড়ছে। গগনবিহারী হাসিমুখে বললেন, টুকু, একে চিনিস? বিখ্যাত গোয়েন্দা। অর্জুন!

    মেয়েটি উঠে দাঁড়াল, ও। আপনার কথা আমার বন্ধুরা খুব বলে। আপনি আমেরিকায় গিয়েছিলেন না? একটা লাইটারের রহস্য সমাধান করেছিলেন?

    ওই আর কি!

    গগনবিহারী বললেন, বাঃ, স্টে ঘুরে আসা হয়ে গেছে? বাংলাদেশ তো নস্যি। আসুন, বাবা ওই ঘরে আছেন। বাবা, আপনার সঙ্গে একজন দেখা করতে এসেছে।

    গগনবিহারী এগিয়ে যেতেই অর্জুন মেয়েটির দিকে তাকাল। মেয়েটির মুখ আচমকা পালটে গেল। গম্ভীর হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিল সে।

    বিজনবিহারীবাবু সত্যিকারের অভিনেতা। এমন মুখে তাকালেন, যেন এর আগে তিনি কখনও অর্জুনকে দেখেছেন বলে মনে হল না। বিছানার মাঝখানে বসে খবরের কাগজ পড়ছিলেন। বললেন, কী ব্যাপার?

    গগনবিহারী বললেন, বাংলাদেশের বিষয়সম্পত্তি নিয়ে কিছু কথা বলতে এসেছেন। ওখানে নাকি লক্ষ লক্ষ টাকার প্রপার্টি পড়ে আছে, যার একটা অংশ আমাদেরও।

    অর্জুন হাত তুলল, আমি কিন্তু এ কথা বলিনি। আমাকে জানানো হয়েছে। যে, ওই প্রপার্টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হওয়ায় আপনাদের খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

    ইনি কে? বিজনবিহারী প্রশ্নটা করতেই অর্জুনের মনে হল চিঠি চুরি যাওয়ার ব্যাপারটা বানানো।

    গগনবিহারী বললেন, এঁর নাম অর্জুন। এই শহরের একমাত্র প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটার। খুব নাম করেছেন। স্টেসেও গিয়েছেন। সবাই এঁকে চেনে।

    বয়স দেখছি খুবই অল্প। তুমি বলছি, বোসো।

    অর্জুন চেয়ারে বসল। এই সময় চাকরটি এক গ্লাস শরবত ট্রেতে নিয়ে ঢুকল। অর্জুনের দিকে তাকাতেই তার মুখে চেনা ছাপ ফুটে উঠল। অর্জুন মুখ ঘুরিয়ে নিতেই সে ট্রে বিছানায় বিজনবিহারীবাবুর সামনে নামিয়ে রেখে ঘর থেকে চলে গেল।

    বিজনবিহারীবাবু জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার?

    আপনাদের কোনও আত্মীয়স্বজন এখনও বাংলাদেশে আছেন?

    হ্যাঁ। আমার ঠাকুদার ভাইয়েরা আছেন বলে জানি।

    শেষ কবে আপনি ওখানে গিয়েছেন?

    ঠাকুর্দার মৃত্যুর পর যাইনি। তাও ষাট বছর হয়ে গেল।

    ওঁদের সঙ্গে আপনার যোগাযোগ আছে?

    না। তবে আমার এক সম্পর্কিত ভাই বছর কুড়ি আগে এসেছিল অর্থসাহায্য নিতে, আমি দিইনি। একরাত ছিল সে। অবস্থা খারাপ না হলে কেউ সাহায্য চাইতে এতদূরে আসে না।

    চা ব্যবসা আপনার বাবা শুরু করেছিলেন?

    হ্যাঁ।

    তিনি টাকা পেলেন কোথায়?

    ঠাকুদার কাছ থেকে পেয়েছেন।

    আপনাদের তো যৌথ পরিবার ছিল। ঠাকুর্দার অর্থে তো তাঁর ভাই দাবি করতে পারেন। কখনও মরেননি?

    হ্যাঁ। করেছিলেন। বাবা সেসব পাইপয়সায় শোধ করে গিয়েছিলেন।

    ও। তা আপনি এখনকার কোনও আত্মীয়ের নাম মনে করতে পারেন না, যাঁরা ওখানে থাকেন? একটু ভেবে বলুন। অর্জুন জিজ্ঞেস করল।

    ওই তো, যে ছেলেটি এসেছিল সাহায্য চাইতে, তার নাম মনে আছে। বিমানবিহারী। অবশ্য এখন তার বয়স আমার ছেলের সমান হবে।

    আপনার বাবার নাম পবনবিহারী। তাঁর কয় ছেলে?

    আমিই একমাত্র সন্তান।

    আপনার ছেলে-মেয়ে?

    দুজন ছিল। এখন একজন বলেই মনে করতে পারেন।

    আর-একজন কি মারা গিয়েছেন?

    না, তার সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্ক নেই।

    তিনি কোথায় আছেন?

    আমি খবর রাখি না।

    আপনার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হিসেবে..।

    আমি একটা উইল করেছিলাম কয়েক বছর আগে, তাতে তার নাম নেই।

    গগনবিহারী মনোযোগ দিয়ে এসব কথা শুনছিলেন, হঠাৎ বললেন, অবশ্য দাদাকে বাবা এখনও আইনসম্মতভাবে ত্যাগ করেননি। আমি বলছি আদালতে গিয়ে …।

    বিজনবিহারী মাথা নাড়লেন, তার কোনও প্রয়োজন হয় না। উইলে আমি যার নাম লিখব, সে-ই বিষয়সম্পত্তি পাবে। আর বিষয় বলতে রেখেছই বা

    কী! সবই তো উড়িয়ে দিয়েছ।

    অর্জুনের মনে হল, গগনবিহারী ইশারা করলেন এ-বিষয়ে কথা না বলতে। তিনি অর্জুনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বলে ওঁকে ভাল করে দেখার জন্য মুখ ফেরাতেই তিনি বললেন, আপনি বসুন, আমি একটু আসছি।

    গগনবিহারীর চলে যাওয়াটাও অস্বাভাবিক। বিশেষ করে চিঠি চুরির সঙ্গে উনি যদি যুক্ত থাকেন তা হলে কখনওই অর্জুনকে একা তাঁর বাবার সঙ্গে রেখে যাবেন না। কথাবার্তা যা হচ্ছে, শুনতে চাইবেন। তিনি চলে গেলে অর্জুন বলল, আমার পক্ষে এই অভিনয় করা সম্ভব নয়।

    আমার জন্য করো ভাই। এই বাড়িতে শত্ৰুবেষ্টিত হয়ে আছি।

    শত্রু? এই ছেলেকেই তো সব কিছু দিয়ে যাচ্ছেন।

    আমি এখনও যাচ্ছি না। যাওয়ার দেরি আছে অনেক। হ্যাঁ, একটা উইল করেছিলাম, এবার সেটাকেও পালটাতে চাই। কিন্তু চিঠিটা হাতছাড়া হওয়ার পর আমার মন ভেঙে গেছে। কুড়ি লক্ষ টাকার সম্পত্তি মাটির তলায় পড়ে আছে, আর এই হতভাগা সেগুলো ঠিক তুলে আনবে। বিজনবিহারী ফোঁস করে নিশ্বাস ফেললেন।

    আশ্চর্য! আপনি নিজে যদি ওগুলো পেতেন তা হলে পরে আপনার ছেলেই মালিক হত!

    সে আমি ভেবে দেখতাম। এখন ও তো সব জেনে গেল …!

    আপনি ওঁকে জিজ্ঞেস করেছেন চিঠির কথা?

    হ্যাঁ। বলেছিলাম আমার ব্যাগ থেকে একটা কাগজ খোয়া গিয়েছে। সে জানে কি না? বলল, আমার ব্যাগে এই জীবনে হাত দেয়নি।

    এ-ঘরে আর কে-কে আসে?

    পুত্রবধূ আসেন না। শ্বশুরের প্রতি তাঁর কোনও শ্রদ্ধাভক্তি নেই। টুকু, আমার নাতনি, আসে। সে একটি ছেলেকে পছন্দ করে। ছেলেটিকে আমি দেখিনি। তার মা বাবা ব্যাপারটা জানেন না। জানলে রেগে যাবেন। সেইজন্যই টুকু আমার সাহায্য চায়। স্বার্থ নিয়েই আসে।

    ছেলেটি কী করে?

    কদমতলায় একটা সাইকেল রিপেয়ারিংয়ের দোকান আছে। নাম কাজল। বলতে বলতে সচকিত হলেন, ওঃ, তুমি বড় আজেবাজে কথা বলছ! চিঠি চুরির সঙ্গে কাজলের কী সম্পর্ক?

    আমার মনে হচ্ছে আপনার চিঠি চুরি যায়নি।

    তার মানে? এবার যেভাবে চমকালেন, তাতে বোঝা যাচ্ছে বিজনবিহারী অভিনয় করছেন না, আমি তোমাকে বানিয়ে বানিয়ে এসব বলছি?

    চিঠিটা যদি সত্যি চুরি গিয়ে থাকে, তা হলে আপনার বাড়ির সবাইকে আমার জেরা করা দরকার। অথচ আপনি চাইছেন ব্যাপারটা গোপনে থাকুক। এক্ষেত্রে আমি কী করতে পারি?

    তাই বলে আমাকে বদনাম দেবে? প্রশ্ন করামাত্র বিজনবিহারী মুখ ফিরিয়ে নিতেই অর্জুন দেখল ওঁর ছেলে ঘরে ঢুকছেন। অর্জুন বলল, আপনাকে সন্দেহ করি না, বদনাম দেওয়ার প্রশ্ন নেই। আপনি প্রবীণ মানুষ। কিন্তু আমাকে অন্তত একটা প্রমাণ দেখান।

    কী প্রমাণ দেখতে চাইছেন আপনি? এবার গগনবিহারী প্রশ্ন করতেই বিজনবিহারীর মুখ ফ্যাকাসে হয়ে গেল। অর্জুন হাসল, আপনার বাবাকে জিজ্ঞেস করেছি যে, নুটুবিহারী ঘোষের সঙ্গে ওঁর অথবা ওঁর বাবার যে সম্পর্ক ভাল ছিল, তার কোনও প্রমাণ দিতে।

    এই প্রমাণ কীভাবে দেওয়া যায়! ওঁরা তো অনেককাল মারা গিয়েছেন।

    কাগজপত্র নেই? আপনাদের কিছু দান করে যাননি? আপনাদের মানে আপনার ঠাকুর্দা অথবা ওঁকে? যা থেকে বোঝা যাবে সম্পর্ক ভাল ছিল। অর্জুন বানিয়ে যাচ্ছিল প্রশ্নগুলো।

    গগনবিহারী বললেন, এটা বাবা বলতে পারেন।

    বিজনবিহারী ততক্ষণে সামলে নিয়েছেন। অর্জুনকে চাহনি দিয়ে তারিফ করলেন। তারপর বললেন, হা। চিঠিপত্র দেওয়া-নেওয়া ছিল। বাবা প্রতি সপ্তাহে ঠাকুদাকে চিঠি লিখতেন। উনিও সবার খোঁজ-খবর নিতেন। কিন্তু সেসব চিঠি এতই সাধারণ যে, বাবা জমিয়ে রাখার কথা ভাবেননি। আমিও না। বাবার যা কাগজপত্র, তা ওই আলমারিতে ছিল। সেদিন ভবাকে দিয়ে সব নামিয়ে নেড়েচেড়ে দেখছিলাম। ঠাকুদার চিঠি পেয়েছি বলে মনে হয় না।

    সেটা খুব দরকার হবে। আরও ভাল কবে খুঁজে দেখুন। আজ আমি উঠি। অর্জুন উঠে দাঁড়াতেই গগনবিহারী হাঁ-হাঁ করে বাধা দিলেন, এবাড়িতে এসে একটু মিষ্টিমুখ না করে যাওয়া চলবে না। আমার মেয়ের ভাল বিয়ে হবে নাভাই।

    অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু আমি মিষ্টি একদম ভালবাসি না।

    বিজনবিহারী বললেন, আমার নাতনিও মিষ্টি খেতে চায় না। তাতে তার ফিগার খারাপ হয়ে যাবে। তোমারও কি সেই এক চিন্তা?

    না। অর্জুন দরজার দিকে এগোল, আবার হয়তো আপনার কাছে আসতে হবে।

    বিছানায় বসেই বিজনবিহারী বললেন, ওই বিশ্রামের সময়টুকু বাদ দিয়ে এলে কথা হবে।

    বারান্দায় বেরিয়ে গগনবিহারী ছাড়লেন না। এককাপ চা খেয়ে যেতেই হবে। অতএব পাশের ঘরে ঢুকতে হল অর্জুনকে। এটাই এঁদের বসার ঘর। কারণ কোনও খাট দেখা যাচ্ছে না। ঘরের মাঝখানে একটা সোফাসেট রয়েছে। অর্জুনকে বসিয়ে গগনবিহারী বেরিয়ে গেলেন। ঘরে কোনও ছবি নেই। জলপাইগুড়ির বড়লোকদের বাপ্লিতে এমনটা দেখা যায় না। আমার স্ত্রী, আরতি, একটু আগে এঁর কথা বলছিলাম অর্জুন।

    অর্জুন নমস্কার করল। ভদ্রমহিলা হাতজোড় করলেন। বললেন, বসুন। কী খাবেন, চা, না কফি? আপনাদের এই শহরে ভাল কোল্ড ড্রিঙ্কস পাওয়া যায় না।

    চা। অর্জুন বলতেই মহিলা বেরিয়ে গেলেন। সম্ভবত হুকুম করতে। কিন্তু অর্জুন বিস্মিত! জলপাইগুড়ি শহরের কোনও মহিলা এই সাতসকালে এত সেজেগুজে বাড়িতে বসে থাকেন বলে সে জানে না। ভদ্রমহিলা কি একাই কোথাও বের হচ্ছেন? চল্লিশের ওপর বয়স। কিন্তু মাথা থেকে পা পর্যন্ত তিনি সাধারণ বাঙালি মহিলাদের থেকে নিজেকে আলাদা করে রেখেছেন।

    গগনবিহারী সোফায় বসে বললেন, মুশকিল হল বাবার শরীর খারাপ হওয়ার পর থেকে সব কথা মনে থাকে না। বয়সও অনেক হল।

    আরতি দেবী ফিরে এলেন। সোফায় বসে বললেন, কীরকম টাকা পাওয়া যাবে?

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, কোন টাকার কথা বলছেন?

    ওই যে, ও বলল বাংলাদেশে নাকি এখনও সম্পত্তির শেয়ার আছে। কথাগুলো বলতে বলতে আরতি দেবী স্বামীর দিকে তাকালেন।

    অর্জুন বলল, আমি সে কথা একবারও বলিনি। সেখানে বিষয়সম্পত্তি নিয়ে বিতর্ক দেখা দেওয়ায় আপনাদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। কী হবে তা আমার জানা নেই।

    আরতী দেবী কাঁধ নাচালেন, তাই বলুন। আমাকে এমনভাবে বলা হল। গগনবিহারী বললেন, শেয়ার না দিলে কেন খোঁজ-খবর করবে। আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে একবার ঢাকায় গেলে হত!

    আরতি দেবী মাথা নাড়লেন, কক্ষনো না।

    না, মানে বেড়াতেও তো যাওয়া যেতে পারে।

    আরতি দেবী বললেন, আমার বোনেরা ইউরোপ-আমেরিকায় বেড়াতে যায়। আমি কোথাও যেতে পারি না সেটা এক জিনিস, কিন্তু বিদেশ বলতে ঢাকায় যাচ্ছি তা আমি কাউকে বলতে পারব না। বলুন তো, ঢাকা কি একটা বেড়াতে যাওয়ার জায়গা হল?

    অর্জুন বলল, আমি শুনেছি ঢাকা খুব আধুনিক শহর।

    চা এল। সেটা খেয়ে অর্জুন উঠে পড়ল। ভদ্রমহিলা বারংবার অনুরোধ করলেন ওবাড়িতে যাওয়ার জন্য। বিয়ের পর জলপাইগুড়িতে এসে ভাল করে কথা বলার মানুষ পাননি তিনি। অর্জুন যখন বিলেত-আমেরিকায় গিয়েছে, তখন সেসব গল্প শোনা যেতে পারে।

    গগনবাবু গেট পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে গেলেন। অর্জুন বাইক চালু করার সময় দোতলার বারান্দার দিকে তাকিয়ে কাউকে দেখতে পেল না। ব্যাপারটা একটু অদ্ভুত। বাড়ির সবাই তার সঙ্গে আলাপ করেছে। শুধু টুকু নামের মেয়েটি এড়িয়ে গেল! ওকে দেখে খুব লাজুক বলে মনে হয় না।

    ব্যাপারটা নিয়ে অর্জুন মাথা ঘামানো ছেড়ে দিয়েছিল। ওর ক্রমশ বিশ্বাস হচ্ছিল, পুরো ব্যাপারটাই বিজনবিহারীবাবুর বানানো গল্প। সময় কাটাতে এমন একটা কাণ্ড তিনি করেছেন। যদিও তারপরেও কদিন হঠাৎ-হঠাৎ টেলিফোন করে জিজ্ঞেস করেছেন কোনও হদিস পাওয়া গেল কি না, কিন্তু অর্জুন উৎসাহিত হয়নি। কিন্তু শেষপর্যন্ত তাকেও ভাবতে হল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article তেরো পার্বণ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }