Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প622 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. তুমি আমাকে গাড়ি চালানো শেখাচ্ছ চাঁদু

    তুমি আমাকে গাড়ি চালানো শেখাচ্ছ চাঁদু? অদ্ভুত গলায় বলল চালক।

    বয়স্কদের সঙ্গে তুমি এ ভাষায় কথা বলো বুঝি? গাড়ি সরাও নইলে একে বলব তোমার ওই টিনের বাক্সটাকে গুঁড়িয়ে দিতে। ড্রাইভার ভাই, আপনি ব্যাক করুন তো! অমল সোমের হুকুম হওয়া মাত্র ড্রাইভার বেশ কিছুটা পিছিয়ে নিয়ে গেল জিপসিটাকে। তারপর নিচু গলায় বলল, ধাক্কা মারতে বলবেন না,

    আমি কখনও অমন কাজ করিনি।

    জিপসিটাকে পেছনে হটে গিয়ে রাস্তার মাঝখানে দাঁড়াতে দেখে উলটো দিকের গাড়ির চালক অনুমান করল পরিস্থিতি ভাল নয়। সে চিৎকার করল,

    কী হচ্ছে এসব? ইচ্ছে করে অ্যাকসিডেন্ট করবেন নাকি?

    তুমি থেকে আপনিতে ওঠায় অমল সোম ঈষৎ খুশি হলেন। তিনি গলা তুলে বললেন, সেই রকমই ইচ্ছে আছে। বেয়াদপ বানরদের শিক্ষা দিতে আমার খুব ভাল লাগে। তবে তুমি যদি গাড়িটাকে এক পাশে সরিয়ে নিয়ে যাও, তা হলে আলাদা কথা।

    আপনি কার সঙ্গে এসব করছেন, তা জানেন? নীল চ্যাটার্জি আমার বন্ধু।

    সে আবার কে? অমল সোম যে চমক্কার অভিনয় করতে জানেন, তা মেজর বুঝতে না পেরে ব্যাখ্যা করতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু ওঁকে হাত তুলতে দেখে থেমে গেলেন।

    বুঝবেন, বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে নীল চ্যাটার্জি কে? কথা শেষ করেই ওই ছোট রাস্তাতেই গাড়িটা ঘুরিয়ে নিল চালক। তারপর একরাশ ধুলো উড়িয়ে ছুটে চলল, যেদিক থেকে এসেছিল সেদিকে। ড্রাইভার বলল, এবার নীলবাবু এসে ঝামেলা করবেন।

    আমরা যেখানে যাচ্ছি সেই জায়গাটা প্রোটেকটেড প্লেস। ঝামেলা করতে এলে তিনি বিপদে পড়বেন। তা ছাড়া আমরা কোথায় যাচ্ছি তা জানতে তো সময় লাগবে। অমল সোম তাকে আশ্বস্ত করলো।

    চাপা গলায় মেজর বললেন, আম্পর্দ্ধা দ্যাখো।

    অর্জুন বলল, আমেরিকায় শুনেছি অল্প বয়সীরা এর চেয়েও খারাপ ব্যবহার করে।

    একটু হকচকিয়ে গেলেন মেজর, তা করে। কিন্তু আমাদের বেশ সাবধানে থাকতে হবে। এই সব চুনোপুঁটি গুণ্ডাদের আর যাই হোক বিশ্বাস করা চলে না। মেজর তাঁর ব্যাগটা কোলে টেনে নিলেন। যেন সেটাই তাঁর আত্মরক্ষার অস্ত্র।

    অর্জুন নিচু গলায় জিজ্ঞেস করল, আপনি কি সঙ্গে কোনও অস্ত্র এনেছেন?

    দাড়ি-গোঁফের ফাঁক দিয়ে বিরাট মুখে এবার হাসি ফুটল, সাসপেন্সে থাকো।

    আগের গাড়িটাকে আর দেখা যাচ্ছিল না। ধুলোর ঝড়টাও মিলিয়ে গেল। কিছুটা চলার পর অমল সোম ড্রাইভারকে বললেন গাড়ি থামাতে। তারপর মুখ ফিরিয়ে অর্জুনকে ইশারা করলেন নামতে।

    মেজর জিজ্ঞেস করলেন, এখানে আবার কী দরকার?

    অমল সোম বললেন, অর্জুনের সঙ্গে একটু ব্যক্তিগত কথা বলব।

    ওরা গাড়ি দাঁড় করিয়েছিল একটা বাঁক ঘুরে। অমল সোমের আচরণে একটুও অবাক হয়নি অর্জুন। রাস্তার একপাশে সেগুন গাছের আড়ালে পৌঁছে অমল সোম প্রশ্ন করলেন, আমাদের নেমে আসার উদ্দেশ্য কী বলো তো?।

    আপনি সন্দেহ করছেন শিল্প সমিতি পাড়ার বরেন ঘোষালের ছোট ভাই আদৌ এগিয়ে যায়নি। সে রাস্তার পাশে কোথাও গাড়ি লুকিয়ে আমাদের পিছন নেবে বলে অপেক্ষা করছে। এখন তাকে দেখা যাবে। তাই তো? অর্জুন উত্তর দিল।

    গুড! এই কাজটা তুমি হলে করতে না?

    হ্যাঁ। আমার শত্রুদের ঠিকানা নিশ্চয়ই আমি জানতে চাইতাম। তবে ছেলেটাকে যে রকম নিশ্চিত দেখাচ্ছিল, তাতে ও বোধ হয় নীল চ্যাটার্জিকে সরাসরি জানাবার কথাই ভাবছে।

    অর্জুনের অনুমানই ঠিক হল। মিনিট পনেরোর মধ্যে কোনও গাড়িকে পেছনে আসতে দেখা গেল না। অগত্যা ওরা আবার জিপসি চালু করল। এখন থেকেই একপাশে চায়ের বাগান, অন্যপাশে ফরেস্ট শুরু হয়ে গিয়েছে। ফরেস্টে ঢোকার চিহ্নিত পথে ওরা এগোল। খানিকটা যাওয়ার পর চেকপোস্ট। লোহার রড় ব্যারিকেড তৈরি করেছে। পাশের ওয়াচ কম থেকে বনরক্ষী এগিয়ে এলে ড্রাইভার পরিচয় দিল। ডি এফ ও সাথে যে এখানেও খবর দিয়ে রেখেছেন, তার প্রমাণ পাওয়া গেল বনরক্ষীর সন্ত্রস্ত হয়ে সেলাম করার ভঙ্গি দেখে। এখন দুপাশে ঘন জঙ্গল আর অজস্র পাখির চিঙ্কার। মাঝে-মাঝে বানরেরা রাস্তার ধারে নির্লিপ্তের মতো বসে আছে।

    অমল সোম বললেন, উত্তর বাংলায় মোট ৩১৫১ প্রজাতির উদ্ভিদ আছে।

    উদ্ভিদ? মেজর সোজা হলেন।

    হ্যাঁ। তার মধ্যে গাছ হল ৫৪০ রকমের, গুল্ম ১৮৭৯, লতা ২১৬ আর মস, লাইকেন, ফার্ন ৫১৬ ধরনের। ঠিক একশো বছর আগে জে এম কোয়ান একটা বই লিখেছিলেন, দি ট্রিস অব নদার্ন বেঙ্গল ইনক্লডিং শ্রাবস, উডি ক্লাইম্বার্স, বাম্বুস, পাম অ্যান্ড ট্রি ফার্নস। তাতে তিনি ৯৮৮ প্রজাতির উল্লেখ করেছিলেন।

    মেজর জিজ্ঞেস করলেন, কী ধরনের গাছ সংখ্যায় বেশি?

    শাল, নিম, কাওলা, শিশু আর গামার। এ ছাড়া খয়ের, শিরীষ, ওদাল, শিমুল, বনকাপাস, জামরুল, অমলতাস, নাগেশ্বর গাছ দেখতে পাবে। এখানে ইউক্যালিপটাস গাছ কম, কিন্তু চাপ এবং বহেড়া গাছ পরিমাণে বেশি। এদের ফলও হয় প্রচুর। তাই এদিকে জীবজন্তুর আধিক্য বেশি। অমল সোম বললেন।

    বাঘ আছে? মেজর প্রশ্ন করলেন।

    তিনি যে আছেন, তা সুহাসিনীতে ভানু ব্যানার্জি প্রমাণ দিয়েছেন।

    মেজর শব্দ করে হাসলেন, তবু রক্ষে সিংহ নেই। বুঝলে অর্জুন, ওই। প্রাণীটিকে আমি একদম বুঝতে পারি না। তুমি সিংহ দেখেছ?

    সাকাসে দেখেছি।

    কেমন সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসী ভাবভঙ্গী। একবার আফ্রিকায়–।

    আমরা বোধহয় এসে গিয়েছি। অমল সোম গল্পটাকে গড়াতে দিলেন।

    ততক্ষণে চোখের সামনে চমৎকার একটা বাংলো ভেসে উঠেছে। গাড়ির আওয়াজ পেয়েই বোধহয় একজন সুবেশ যুবক বাংলোর সামনে এসে দাঁড়াল।

    জিপসি থামতেই যুবক এগিয়ে এসে নমস্কার করল, মিস্টার সোম?

    অমল সোম জিপসি থেকে নেমে বললেন, আমি।

    আসুন সার। বড়সাহেব জানিয়ে দিয়েছেন আপনাদের আসার কথা। আমার নাম রঞ্জিত দত্ত, এখানকার রেঞ্জের দায়িত্বে আছি।

    অমল সোম তাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবার পর একজন আদলি ব্যাগপত্র বয়ে ভেতরে নিয়ে গেল। জিপসির ড্রাইভার জিজ্ঞেস করল, আমাকে কি দরকার আছে?

    অমল সোম মাথা নাড়লেন, না। কিন্তু তুমি একা ফিরবে?

    প্রশ্নের অর্থ বুঝতে পেরে ড্রাইভার বলল, আমি লোকাল মানুষ, আমার কিছু হবে না। আর হলে কে আটকাবে? চলি।

    জিপসি চলে গেলে রঞ্জিত দত্ত জিজ্ঞেস করল, কী ব্যাপার?

    অমল সোম বললেন, তেমন কিছু নয়।

    দোতলায় ব্যালকনি-সমেত দুটো পাশাপাশি ঘরে থাকার ব্যবস্থা। চমৎকার আয়োজন। মেজর বললেন, গুড।

    দোতলা থেকে জঙ্গলের চেহারা আরও সুন্দর দেখাচ্ছে। সামনে খানিকটা ফাঁকা জায়গা। মনে হচ্ছিল ছুটতে ছুটতে জঙ্গল ওই ফাঁকা জায়গায় এসে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। পাখি ডাকছে খুব। মিষ্টি একটা গন্ধ ভেসে আসছে মাঝে-মাঝে। কাঁঠালি চাঁপার গন্ধ।

    রঞ্জিত দত্ত বলল, এই বাংলোতে একজন বাবুর্চি আর একজন আদালি চব্বিশ ঘণ্টা থাকবে। আপনাদের যখন যা দরকার ওদের বললেই হবে।

    গাড়ি থেকে সবজির ঝুড়ি নামানো হয়েছিল। সেদিকে তাকিয়ে রঞ্জিত বললেন, আরে ব্বাস, এসব আনতে গেলেন কেন? আমি তো মাছমাংসের ব্যবস্থা করেছি।

    অমল সোম বললেন, আমাদের না লাগলে আপনার সংসারে লাগতে পারে।

    আমি সার একা। কলকাতার ছেলে, জঙ্গলের চাকরি নিয়ে এখন আর শহরে ফিরতে ইচ্ছে হয় না। আপনারা চা খাবেন?

    অমল সোম কাঁধ নাচালেন, তারপর পাশের ঘরে ঢুকে গেলেন। রঞ্জিত দত্ত ইশারা করতেই আদালি নীচে নেমে গেল। অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আপনি কতদূরে থাকেন?

    হাফ কিলোমিটার দূরে। এদিকে এখন হাতির উৎপাত বেশি।

    কেন? মেজর মুখ খুললেন।

    এই সময়টা ওরা আশেপাশের গ্রামে হানা দেয় খাবারের জন্যে। কেউ কেউ এই বাংলোর সামনে চলে আসে কিছু পাওয়া যাবে বলে। মনে হয় ওদের দর্শন আপনারা পেয়ে যাবেন দু-এক দিন থাকলেই। রঞ্জিত দত্ত মাথা নাড়ল।

    আপনি আফ্রিকান হাতি দেখেছেন? আচমকা মেজর প্রশ্ন করলেন।

    না। হকচকিয়ে গেলেন রঞ্জিত দত্ত।

    তাদের কাছে ভারতীয় হাতিকে শিশু মনে হবে। বাই দ্যা বাই, মিস্টার দত্ত, আপনি যখন এখানকার রেঞ্জার, তখন নিশ্চয়ই আপনার কাছে জঙ্গলের একটা ম্যাপ পাওয়া যাবে।

    রঞ্জিত দত্ত বললেন, ম্যাপ আছে, তবে সেটা দেখতে আমার অফিসে আপনাকে যেতে হবে। দেওয়ালে টাঙানো তো, খুলে আনা যাবে না।

    আপনি এখানে কতদিন আছেন?

    আট মাস।

    এই জঙ্গলের কোনও রহস্যময় বস্তু, যেমন ধরুন, গাছপালা, পশুপাখি, ফুল, এসবের সন্ধান পেয়েছেন? মেজর এমন ভাবে প্রশ্ন করলেন যে অর্জুন বুঝল তিনি আসল উদ্দেশ্য প্রকাশ করতে চান না।

    রঞ্জিত দত্ত মাথা নাড়লেন, সত্যি কথা বলতে কী এখন জঙ্গল তার সমস্ত রহস্য হারিয়েছে। তবে আমরা একটা হরিণের বাচ্চা পেয়েছিলাম যার চামড়া দেখলে মনে হবে নেকড়ে বা শেয়াল জাতীয় কোনও প্রাণীর।

    মাথা নাড়লেন মেজর, এমন কোনও ফুলের সন্ধান পাননি, যার গন্ধ নাকে গেলে মানুষ মরে যেতে পারে। কিলার ফ্লাওয়ার!

    রঞ্জিত দত্ত মাথা নেড়ে না বললেন।

    আপনি সমস্ত জঙ্গল চষে দেখেছেন?

    সেটা কি সম্ভব? হঠাৎ মনে পড়ে গিয়েছে এমন ভঙ্গিতে রঞ্জিত দত্ত বললেন, অবশ্য ঘুম থেকে সান্দাকফু যাওয়ার পথে বিকেভঞ্জন নামে একটা জায়গার কথা শুনেছি। সেখানে খানিকটা জায়গা জুড়ে যখন ফুল ফোটে, তখন বাতাসে অক্সিজেন কমে যায়। ওই ফুল নাকি অক্সিজেন শুষে নেয়। ফুলটার নাম লোকেতি।

    লোকেতি?

    হ্যাঁ।

    আচ্ছা মিস্টার দত্ত, আপনার এই জঙ্গলে স্বাধীনভাবে ঘোরাঘুরি করা। যাবে?

    না করাটাই ভাল। হঠাৎ যদি কোনও হিংস্র জন্তুর সামনে পড়ে যান, তা হলে বিপদ হবে। আপনারা যখন ঘুরতে চান বলবেন, আমি সঙ্গে গার্ড দিয়ে দেব। আচ্ছা, আমি কি এখন একটু অফিসে যেতে পারি, অনেক কাজ ফেলে এসেছি। সবিনয়ে বললেন রঞ্জিত দত্ত। মেজর তৎক্ষণাৎ মাথা নাড়লেন। ভদ্রলোক একবার অমল সোমের ঘরের দিকে তাকিয়ে নীচে নেমে গেলেন। একটু পরে তাঁকে সাইকেলে চেপে উলটো দিকের জঙ্গলে মিলিয়ে যেতে দেখা গেল। আধ কিলোমিটার দূরত্ব এমন কিছু বেশি নয়।

    অমল সোম তাঁর ঘরে বসেই চা খেলেন। বারান্দার বেতের চেয়ারে বসে মেজর বললেন, আমি লক্ষ করেছি অর্জুন, তোমার দাদার মধ্যে একটুও রোমান্টিক ব্যাপার নেই। এই জঙ্গলে এসে কেউ কি ঘরে বসে থাকে? আমার ইচ্ছে করছে এখনই বেরিয়ে পড়ি।

    যাবেন?

    যেতে পারি। তবে প্রথম দিন তো, বেশিদূর না যাওয়াই ভাল। ওই রেঞ্জার ছছাকরার অফিস থেকে ঘুরে আসা যাক। ম্যাপটা নোট করে নেওয়া যাবে। মেজর উঠে দাঁড়ালেন।

    বেরোবার আগে অর্জুন অমল সোমের দরজায় যেতে তিনি বললেন, ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে ঘুরে এসো।

    অমল সোম শুয়েছিলেন চোখ বন্ধ করে। একটু আগেও ওঁকে যখন অসুস্থ বলে মনে হয়নি, তখন এভাবে শুয়ে থাকা বিস্ময়ের।

    নীচে নেমে মেজর বললেন, সাসপেন্সটা এবার ভাঙি?

    অর্জুনের খেয়াল ছিল না। সে জিজ্ঞেস করল। কোন সাসপেন্স?

    বাঃ, তখন তুমি জিজ্ঞেস করলে না, আমি সঙ্গে কোনও অস্ত্র এনেছি কিনা?

    অর্জুনের মনে পড়ল। মেজর বললেন, জঙ্গলে ঢুকতে হবে বলে আমি তৈরি হয়েই এসেছি। চলো, আর একটু এগিয়ে যাই, আদালিটা বারান্দা থেকে আমাদের লক্ষ করছে।

    অর্জুন মুখ ঘুরিয়ে দেখল লোকটাকে। আদৌ কোনও মতলব আছে বলে মনে হল না। গাড়ি চলার পথ ছেড়ে মেজর জঙ্গলে ঢুকলেন। গা ছাড়া-ছাড়া গাছগাছালি। পাতা মাড়িয়ে হাঁটা যায়। অর্জুন জিজ্ঞেস করল, এখানে ঢুকলেন কেন?

    গায়ের পাশে গাছ না থাকলে জঙ্গলে হাঁটার থিম থাকে না। কাঠঠোকরা ডাকছে শুনতে পাচ্ছ? কী রকম একটা ছন্দ আছে। গুড। হ্যাঁ, এইবার দ্যাখো। মেজর বুক পকেট থেকে একটা কলম বের করলেন। মোটা ডট পেন।

    এটা কী?

    কলম।

    ঠিকই, কিন্তু এ কলম সে ক নয়। দাঁড়াও। মেজর মুখ ঘুরিয়ে চারপাশে তাকালেন। হতাশ হয়ে বললেন, সব নিরীহ পাখি। আরও একটু চলো।

    কিছুক্ষণ হাঁটার পর গাছের পাতায় সরসর শব্দ বাজল। ওরা দাঁড়িয়ে দেখার চেষ্টা করল। পাতার ভূপ রয়েছে যেখানে, শব্দটা সেই স্কুপের মধ্যে ঢুকে পড়েছে। মেজর ফিসফিস করে বললেন, এই কলমে টর্চের মতো একটা সুইচ আছে দেখতে পাচ্ছ?

    হ্যাঁ।

    এবার ওই পাতাগুলোর দিকে টিপ করে সুইচটা টিপলাম। কথা বলা মাত্র মেজরের আঙুল সুইচটাকে সরাতেই পাতাগুলোয় আগুন জ্বলে উঠল। সঙ্গে সঙ্গে একটা বড়সড় গিরগিটি লাফিয়ে উঠেই পড়ে গেল আগুনে।

    মেজর বললেন, স্যরি। আমি সাপ ভেবেছিলাম।

    পাতাগুলো জ্বলছিল। অর্জুন দ্রুত এগিয়ে গিয়ে সেটাকে নেভাবার চেষ্টা করল। মেজর এসে পা লাগাতে আগুন নিভে গেল। এখন উট ধোঁয়া চারপাশে ছড়াচ্ছে। অর্জুন বলল, সাঙ্ঘাতিক জিনিস তো।

    হ্যাঁ হে। আমার বন্ধু মাইকেল এটা উপহার দিয়েছে। এর রেঞ্জ কম-সেকম কুড়ি মিটার। পুরো টিপলে একটা হাতির শরীরের অনেকটা জ্বলে যাবে। অথচ পকেটে রাখলে কেউ বুঝতেই পারবে না এটা কী বস্তু। একবার ট্রাই করবে নাকি?

    না। দেখলাম তো। চলুন, আলো পড়ে আসছে।

    ওরা জঙ্গলের ভেতর দিয়ে চলছিল। হঠাৎ গাড়ির আওয়াজ কানে এল। তারপরেই বোঝা গেল ওটা গাড়ি নয়, মোটর বাইক। বেশ জোরে বাইকটা ছুটে গেল পাশ দিয়ে। যেহেতু ওরা জঙ্গলের খানিকটা ভেতরে দাঁড়িয়েছিল, তাই মোটরবাইকের আরোহীর নজরে পড়েনি। আবার একইভাবে লোকটির পরিষ্কার চেহারা তাদেরও নজরে আসেনি।

    মেজর বললেন, জঙ্গলের ভেতর এমন উৎকট শব্দ করে বাইক চালাচ্ছে, ওর পানিশমেন্ট হওয়া উচিত। ননসেন্স।

    কিছুদুর যাওয়ার পর ওরা গাছ-ভাঙার শব্দ পেল। এবং তারপরেই ক্যানেস্তারা বাজার আওয়াজ। বেশ কিছু লোক একসঙ্গে চেঁচাচ্ছে। অর্জুন মেজরের হাত ধরল, ফিরে চলুন।

    কেন?

    মনে হচ্ছে কোনও বন্যজন্তু এদিকে এসে পড়েছে। আর না এগোনোই ভাল।

    সঙ্গে সঙ্গে মেজর জঙ্গল ছেড়ে রাস্তায় পা বাড়ালেন। শব্দটা ওদিকে হচ্ছে খুব। এবার পটকা ফাটতে লাগল। আর তার পরেই অর্জুন দেখতে পেল ওদের। গোটা তিনেক হাতি জঙ্গল ছেড়ে এসে দাঁড়িয়েছে রেঞ্জারের অফিসে যাওয়ার পথে। অন্তত একশো গজ দূরে দাঁড়িয়ে তাদের দেখছে একরোখা ভঙ্গিতে।

    মেজর বললেন, বিউটিফুল। কী অহঙ্কারী ভঙ্গি। ক্যামেরা আনা উচিত ছিল।

    আর তখনই একটা লোক পাশের গাছপালার মধ্যে দিয়ে ছিটকে রাস্তায় উঠে চিৎকার করে বলল, পালাও, পালাও, হাতি বেরিয়েছে।

    লোকটাকে বাংলোর দিকে ছুটতে দেখে ওরাও দৌড়ল। মেজর ভারী শরীর নিয়ে তাল রাখতে পারছিলেন না। সামনে, ছোটা লোকটাকে ছুটতে ছুটতে অর্জুন লক্ষ করছিল। ওর শার্ট ছিড়ে গেছে। পায়ে জুতো রয়েছে একপাটি। পাম্প-শ্য গোছে। ডান হাত থেকে রক্ত পড়ছে। নির্ঘাত লোকটার অ্যাকসিডেন্ট হয়েছে।

    বাংলোর কাছাকাছি পৌঁছে ধপ করে বসে পড়ল লোকটা। অর্জুন দৌড় থামিয়ে ওর পাশে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, কী হয়েছে?

    মরে গিয়েছিলাম। জোর বেঁচে গিয়েছি আজ। ওরে বাবা, সাক্ষাৎ যম। হাঁপাতে হাঁপাতে কথাগুলো বলে যাচ্ছিল লোকটা।

    আপনি হাতিদের সামনে গেলেন কেন?

    কী করে জানব ওরা বাঁকের আড়ালে আছে? উঃ, কী যন্ত্রণা হচ্ছে হাতটায়। বাইকে স্পিড ছিল, ব্রেক কষতে কষতে একেবারে ওদের সামনে আছড়ে পড়েছি। একটা গুড় দিয়ে মারতে আমি ছিটকে প্রাণ নিয়ে দৌড়ালাম জঙ্গলের ভেতরে। বাইকটা শেষ হয়ে গিয়েছে। ওরে বাবা। লোকটা কাতরাতে লাগল।

    অর্জুন ওকে বাংলোয় তুলে নিয়ে এল। সঙ্গে ফার্স্ট এইড বক্স সব সময় রাখেন অমল সোম। লোকটিকে ব্যান্ডেজ বেঁধে দিতে দিতে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, মেজর কোথায়?

    অর্জুনের মনে পড়ল। সতি তো! মেজর তো তার পেছনে ছুটে আসছিলেন। কোথায় গেলেন তিনি? বুকের ভেতর হাতুড়ির শব্দ শুরু হয়ে গেল অর্জুনের।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article তেরো পার্বণ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Our Picks

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }