Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প622 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. হাসিমারার তেমাথায় অমলদা

    ঠিক হয়েছিল হাসিমারার তেমাথায় অমলদা সকাল এগারোটায় ওদের জন্যে অপেক্ষা করবেন। সকালের বাস ধরে গেলে ওঁর পক্ষে ওই সময়ে পৌঁছতে অসুবিধে হবে না। অর্জুন আটটা নাগাদ অমলদার বাড়িতে গিয়ে দেখল, মেজর তৈরি হয়ে বসে আছেন। দেখা হওয়ামাত্র দাঁড়িয়ে উঠলেন, লেটস স্টার্ট। যাওয়ার আগে হাবুর হাতের চা খেয়ে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল অর্জুনের, কিন্তু মেজরের ভঙ্গি দেখে সেটা বলতে পারল না। মেজরের হাত খালি, দুই কাঁধে স্ট্র্যাপ ঝোলানো ব্যাগ পিঠে ঝুলছে।

    বাইকের ইঞ্জিন চালু করার পর মেজর বসতেই মনে হল চাকা কিছুটা ছোট হয়ে গেল। সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই। মেজর বললেন, অল রাইট?

    বাইক চালু করে অর্জুন বলল, ঠিক আছে, আপনি চেষ্টা করুন সহজ হয়ে বসতে।

    সহজ? আমার মতো সহজ পৃথিবীতে আর কে আছে জানি না। একবার আল্পসে স্কি করছিলাম। বাধ্য হয়ে নয়, নটোরিয়াস একটা গ্যাং পেছনে তাড়া করছিল, হঠাৎ বাঁ হাঁটুতে অসম্ভব যন্ত্রণা। নিজেকে বললাম, সহজ হও, সঙ্গে সঙ্গে সহজ হয়ে গেলাম। বরফের ওপর আমার স্পিড় দেখে ব্র্যালবার্ন তো হতভম্ব। পাঁচ মিনিট কথা বলতে পারেনি। ছোট্ট হাসি বের হল মেজরের দাড়ির জঙ্গলে ঢাকা ঠোঁট থেকে।

    অর্জুন জানতে চাইল, ব্র্যালবার্ন কে?

    জুরিখে থাকে ছোকরা। তিন-তিনবার স্কিতে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ান।

    অর্জুন আর কথা বাড়াল। মেজরের ভারী শরীর ব্যাক সিটে মাঝে-মাঝে নড়ছে। অর্জুন সতর্ক হয়ে চালাচ্ছিল। মেজর যা বলেন তা শুনলে স্রেফ গুল বলে মনে হয়। কিন্তু আমেরিকা ইংল্যান্ডে গিয়ে মেজরের পরিচিতি সে নিজের চোখে দেখে এসেছে এবং তারপর তো অবিশ্বাস করার উপায় নেই।

    তিস্তা ব্রিজ ছাড়িয়ে ময়নাগুড়ি বাইপাস দিয়ে যেতে-যেতে অর্জুনের মনে হল মেজরকে বলা দরকার। এদিকে উনি আগে আসেননি। অর্জুন মুখ ঘুরিয়ে বলল, ওই যে রাস্তাটা দেখছেন, ওটা জল্পেশ্বর মন্দির পর্যন্ত গিয়েছে। ড়ুয়ার্সের সবচেয়ে নামকরা শিবমন্দির।

    বিশেষত্ব কী?

    খুব প্রাচীন মন্দির। কোচবিহারের রাজা স্বপ্নে আদেশ পেয়ে ওখানে এমন একটা শিবলিঙ্গ পেয়েছিলেন, যার কোনও শেষ নেই। অর্জুন বলতে বলতে বাইক মোড়টা পেরিয়ে গেল।

    হল্ট। মেজর চিৎকার করে উঠতেই অর্জুন ব্রেক কষল।

    মেজর বললেন, শেষ নেই। তার মানে পাথরটা মাটির তলায় পোঁতা। তাই তো?

    হ্যাঁ।

    কিন্তু তার শেষ নেই মানে? মাটি খুঁড়ে দেখা হয়নি?

    হয়েছিল। বলা হয়েছে অখণ্ড শিব।

    ইন্টারেস্টিং। লেটুস গো, নিজের চোখে দেখে আসি। এরকম পাথর গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে প্রচুর পাওয়া যায়। তুমি জানো কি, ওখানে যেসব পাহাড়ের চূড়া রয়েছে, তাদের নাম সব ভারতীয় দেবতাদের নামে। শিব, বিষ্ণু, ইত্যাদি। দুটোর মধ্যে মনে হচ্ছে যোগসূত্র আছে।

    অর্জুন খবরটা শুনে অবাক হল। কিন্তু এখন যদি বাইক ঘুরিয়ে জল্পেশ্বরের রাস্তা ধরা হয়, তা হলে হাসিমারায় পৌঁছতে অনেক দেরি হয়ে যাবে। যদিও অমলদা বাসে যাচ্ছেন এবং পৌঁছতে দেরি হবে, তবু ফেরার সময় নাহয় মন্দিরটা দেখা যেতে পারে। মেজর রাজি হলেন।

    অর্জুন বাইকের গতি বাড়াল। খানিকক্ষণ পরে মেজর কিছু সময় গুনগুন করে গলা তুলে জিজ্ঞেস করলেন, হিন্দিতে র‍্যাপ গাইতে শুনেছি, বাংলায় কেউ গাইছে?

    র‍্যাপ? অর্জুন হাওয়ার জন্যে চেঁচাল। হ্যাঁ।

    জানি না। তবে এখন জীবনমুখী গান খুব হচ্ছে।

    কী মুখী?

    জীবনমুখী।

    ও, সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতাগুলোয় সুর দেওয়া হচ্ছে বুঝি? ওটা তো হেমন্তকুমার অনেক দিন আগেই গেয়েছেন। নতুন কী হল! র‍্যাপ ব্যাপারটা একদম আলাদা। আফ্রিকাতে এক ধরনের পাখি আছে, যাদের ডানা তিন ফুট লম্বা। রেগে গেলে তারা হাততালি দেওয়ার মতো করে ডানাতালি দেয়। তাতে যে আওয়াজ ওঠে তার সঙ্গে র্যাপের রিদমের মিল আছে। বুঝলে?

    মেজরের সঙ্গে থাকলে অনেক তথ্য জানতে পারা যায়। কিন্তু এই র‍্যাপ গান বেশিক্ষণ শুনতে অর্জুনের একটুও ভাল লাগে না। মেজর যদি উৎসাহিত হয়ে হেঁড়ে গলায় র‍্যাপ গাইতে আরম্ভ করেন, তা হলে বিপদ। সে প্রসঙ্গ ঘোরাবার জন্যে বলল, ওই দেখুন, জলঢাকা নদী।

    দুপাশে ধানের মাঠ, বড় পিচের রাস্তাটা উঁচুতে উঠছে ব্রিজে পৌঁছতে এবং তারপরেই বেশ চওড়া নদী। যদিও এসময় নদীতে জল নেই তেমন, তবু দৃশ্যটি দেখতে ভালই লাগে। মেজর বললেন, পাঁচ মিনিটের জন্যে বিশ্রাম নেওয়া যাক।

    বিশ্রাম? অর্জুন গতি কমাল ব্রিজের ওপর।

    আমার পা অসাড় হয়ে আসছে হে। একটু স্বাভাবিকভাবে রক্ত সঞ্চালন করুক, তারপর আবার পেছনের সিটে বসব।

    অতএব অর্জুন ব্রিজের একধারে বাইকটাকে রাখল। নীচে পা দিয়ে কয়েক সেকেন্ড মেজর নড়বড় করলেন। বোঝা যাচ্ছিল ওঁর পায়ে জোর নেই। সেটা ফিরে এলে চারপাশে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, জলপাইগুড়ি, ময়নাগুড়ি তারপরে কী?

    ধুপগুড়ি।

    আচ্ছা! এরকম নাম আরও আছে?

    হ্যাঁ, লাটাগুড়ি, বিনাগুড়ি। ড়ুয়ার্সে গুড়ি ছাড়া আর একটা শব্দ পাওয়া যায়, কাটা। যেমন নাগরাকাটা, গয়েরকাটা, ফালাকাটা।

    এই গুড়ি আর কাটার মানে জানো?

    অর্জুন একটু ভাবল। একসময় কার কাছে যেন ঐতিহাসিক কিছু তথ্য শুনেছিল। ভুটান এবং তিব্বতের মানুষেরা এই অঞ্চলে নিয়মিত আসতেন এবং তাঁদের ব্যবহৃত শব্দ থেকে এদিকের অনেক জায়গার নাম হয়েছে। সে বলল, আলাদা করে বলা মুশকিল। যেমন জলপাইগুড়ি। লোকে ভাবে এখানে অনেক জলপাই গাছ ছিল। গুড়ি মানে জায়গা। কিন্তু এ তথ্য ঐতিহাসিকরা মানেননি। আসল শব্দ হল জিলেপিগোড়ি। জিলে মানে বাজার বা বিনিময় কেন্দ্র, পে মানে উল বা কম্বল, গো মানে দরজা আর রি-এর অর্থ পাহাড়। ভোট-তিব্বতিতে এই জিলেপিগগাড়ির নামে পাহাড়ের দরজায় কম্বল উল বিক্রি করার জায়গা বা বাজার।

    মেজর বললেন, মাথা গুলিয়ে যাচ্ছে। আমি ভাই গুড়ি মানে জায়গা আর কাটা মানে টুকরো করা ভেবে নিচ্ছি। ওসব জায়গায় গাছটাছ টুকরো হত।

    ভাবুন, কিন্তু কাউকে বলবেন না। জলপাইগুড়িতে ফিরে গিয়ে একজনের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেব, যাঁর কাছে সমস্ত তথ্য পাবেন। অর্জুন বলল।

    মেজর নদীর দিকে তাকালেন, জলঢাকা। তার মানে জলে ঢেকে যায় চারদিক।

    মোটেই নয়। অর্জুন হেসে ফেলল, শব্দটা হল জলঢাক্কা। ভোট-তিব্বতিতে একে বলা হত দিচু। দি মানে এই, this, আর চু-এর অর্থ নদী। এই নদীর ধার দিয়েই শুনেছি ভোট-তিব্বতে যাওয়ার রাস্তা ছিল।

    ইন্টারেস্টিং। এই নদীকে ফলো করলে তিব্বতে যাওয়া যায়? ইদানীং কেউ কি গিয়েছে?

    জানি না। সম্ভবত না।

    তা হলে এটা নিয়ে পরে ভাবতে হবে।

    ওরা যখন কথা বলছিল, তখন জলপাইগুড়ির দিক থেকে একটা নীল মারুতি জিপসিকে ছুটে আসতে দেখা গেল। জিপসি যে চালাচ্ছে হয় তার হাত পাকা নয়, অথবা নেশা করে স্টিয়ারিং-এ বসেছে। জিপসিটা প্রচণ্ড গতিতে রাস্তার এপাশ-ওপাশ করতে-করতে ছুটে আসছে। ব্রিজের ওপর উঠেও সেটার ধরন যখন পালটাল না, তখন অর্জুন তার বাইকটাকে ফুটপাতের ওপর তুলে আনার চেষ্টা করল।

    একচুলের জন্যে বেঁচে গেল অর্জুনের বাইক। হাওয়ার ধাক্কায় টলে গিয়েছিল অর্জুন, মেজর চিৎকার কবে গালাগালি করছিলেন। জিপসিটা কিন্তু কোনও রকম ভুক্ষেপ না করে তেমনই এলোমেলো হয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল। মেজর চিৎকার করলেন, ফলো হিম। ওকে ধরে থানায় নিয়ে যেতে হবে।

    মেজরকে পেছনে বসিয়ে বাইক চালাল অর্জুন। গতি বাড়াতেই ওরা তীরের মতো ছুটল। যেহেতু রাস্তার এপাশ ওপাশ মাড়িয়ে জিপসিটা এগোচ্ছে তাই কাছাকাছি পৌঁছতে বেশি দেরি হল না। কিন্তু ওই রাস্তা জুড়ে চলার জন্যেই টপকে যাওয়া যাচ্ছে না। মেজর চিৎকার করলেন থামার জন্যে, অর্জুন হর্ন বাজাল। কিন্তু গাড়ির ড্রাইভারের কোনও ভুক্ষেপ নেই। এবার উলটো দিক থেকে একটা বাস আসছে দেখা যেতেই জিপসিটা আচমকা রাস্তার ডান দিকে ব্রেক কষে দাঁড়িয়ে পড়ল। বাসটা চলে যেতে অর্জুন বাইক নিয়ে এল পাশে। জিপসির একমাত্র আরোহী তখন কালো চশমার আড়াল থেকে তাদের দেখছে।

    মেজর সদর্পে এগিয়ে গেলেন, এ কী রকম গাড়ি চালানো হচ্ছে, অ্যাাঁ? ড্রিঙ্ক করেছ নাকি?

    লোকটি কোনও উত্তর দিল না। অর্জুন লক্ষ করল লোকটি আদৌ নেশাগ্রস্ত নয়। গায়ের রং টকটকে ফর্সা, রোগা, ঠোঁটের ওপর ধনুকের মতো কুচকুচে কালো গোঁফ।

    তোমার ঠাকুদার নাম কী? অদ্ভুত শীতল গলায় প্রশ্নটা এল।

    অ্যাাঁ? মানে? হোয়াট ইজ দিস? মেজরের শরীর এক পা পিছিয়ে গেল।

    আমার সঙ্গে ওই ভাষায় কথা বললে সেই নামটি তোমাকে ভুলে যেতে হবে। এটা অবশ্য দ্বিতীয়বারে। তৃতীয়বারে ঠাকুর্দার ছেলের নাম তোমাকে ভুলতে হবে। চতুর্থবারে …। গিয়ার চেঞ্জ করল লোকটি, ড়ুয়ার্সে এসেছ, জেনে রেখো আমি নিজেকে ছাড়া অন্য কাউকে কৈফিয়ত দিই না। আচমকা গতি বাড়িয়ে এগিয়ে গেল জিপসি। এবার আর এঁকেবেঁকে নয়, সোজা, মুহূর্তেই চোখের আড়ালে চলে গেল বাঁক নিয়ে।

    বদমাশ, ভিলেন। মেজর আকাশে মুঠো করা দু হাত ছুঁড়লেন, আমাকে ভয় দেখাচ্ছে? অন্যায় করেও আমার সঙ্গে এই ব্যবহার! দাঁড়াও দেখাচ্ছি মজা, তোমার মতো পুঁটি মাছকে এই শমা তোয়াক্কা করে না। যদি আবার দেখা পাই। শুন্যে শব্দগুলো ছুড়ে দিচ্ছিলেন মেজর সশব্দে।

    এইসময় একটা অ্যাম্বাসাডার গাড়ি জলপাইগুড়ির দিক থেকে ধীর গতিতে এগিয়ে আসছিল। মেজরের উত্তেজিত চেহারা দেখে উলটো দিকে দাঁড়িয়ে গেল সেটা। গাড়িতে ড্রাইভারের পাশে এক বৃদ্ধ বসে আছেন। বৃদ্ধের আদেশে ড্রাইভার জিজ্ঞেস করল, কী হয়েছে?

    মেজর আড়চোখে তাকালেন। তারপর বৃদ্ধ বুঝেই গলা চড়ালেন, এই ড়ুয়ার্সে কি জঙ্গলের আইন চলে? মগের মুল্লুক? আমার বাপ-ঠাকুদার নাম ভুলিয়ে দেবে বলল?

    এবার ওপাশের দরজা খুলে বৃদ্ধ নেমে এলেন, যিনি বলেছেন, তিনি কি নীল জিপসিতে ছিলেন?

    ইয়েস। নীল জিপসি।

    বৃদ্ধ সঙ্গে-সঙ্গে হাতজোড় করলেন, যদি কোনও তিক্ততা হয়ে থাকে, তা হলে আমি তার জন্যে দুঃখপ্রকাশ করছি। আপনাকে অনুরোধ করব ভুলে যেতে।

    অর্জুন এতক্ষণ নাটকের দর্শকের মতো দেখে যাচ্ছিল। এখন ওই বৃদ্ধের বক্তব্য শোনার পর তার আগ্রহ বাড়ল। সে বৃদ্ধের সামনে এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনার পরিচয়?

    আমার নাম হরপ্রসাদ সেন। আপনারা যাঁকে দেখেছেন, তিনি আমাদের ছোটসাহেব। ব্যানার্জি টি গার্ডেনসের পরবর্তী মালিক। আমাদের বড় সাহেব স্বৰ্গত অশ্বিনী ব্যানার্জি ড়ুয়ার্সে গোটা চারেক চা বাগানের মালিক ছিলেন। উনি চলে যাওয়ার পর মিসেস ব্যানার্জিই সব দেখাশোনা করেন। ওঁদের কোনও সন্তান নেই। ছোট সাহেব মিসেস ব্যানার্জির ভাই। মানুষটি খুব খামখেয়ালি। আজ আমাদের একসঙ্গে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু উনি আগে চলে এলেন। বৃদ্ধ বললেন।

    আপনি কী করে আন্দাজ করলেন যে উনি এখানে গোলমাল করেছেন।

    এর আগে পথে দুটো গোলমাল থামিয়ে এসেছি। আশংকা হল এখানেও করতে পারেন।

    অর্জুন মাথা নাড়ল, এরকম লোককে তো জেলে পোরা উচিত।

    তা সম্ভব নয়। ওঁর প্রতাপ-প্রতিপত্তি প্রচুর। তবে আমাদের মালকিন অন্য ধরনের মানুষ। তিনি ভাই-এর ব্যবহার সমর্থন করেন না, আবার তাকে শাসনও করতে পারেন না।

    আপনারা কোন চা বাগানে যাচ্ছেন?

    নিম টি এস্টেট।

    এবার মেজর এগিয়ে এলেন, শুনুন মশাই, আপনাদের ছোট সাহেব যে অভদ্র ব্যবহার করেছেন তার ফল ওঁকে ভোগ করতে হবে। ওঁকে সামনে এসে ক্ষমা চাইতে হবে।

    প্লিজ, এ নিয়ে আর জোরাজুরি করব না। এই যে আমি আপনাদের সঙ্গে কথা বলেছি, তা জানতে পারলে উনি চিবিয়ে খাবেন। অবশ্য আমি স্বেচ্ছায় এটা করিনি, মিসেস ব্যানার্জির নির্দেশ আছে বলেই করেছি। তবে ছোট সাহেবকে না ঘাটানোই ভাল।

    ভদ্রলোকের পুরো নাম কী?

    নীল চ্যাটার্জি। ড়ুয়ার্সে সবাই ওকে নীল বলেই জানে। আচ্ছা নমস্কার। বৃদ্ধ ফিরে গেলেন গাড়িতে। অ্যাম্বাসাডারটা বেরিয়ে গেল।

    মেজর বললেন, বড়লোকের অপদার্থ ছেলে। চাবকে সোজা করে দিতে হয়।

    অর্জুন আর কথা বাড়াল। মেজরকে পেছনে বসিয়ে সে স্পিড তুলল। বেশ দেরি হয়ে গেছে। অমলদা হাসিমারা বাজারে অপেক্ষা করবে। তবে যাই হোক, নীল চ্যাটার্জি বেশ ইন্টারেস্টিং চরিত্র। মনে হচ্ছে লোকটার সঙ্গে এ যাত্রায় আবার দেখা হবে।

    অপমানিত হয়েছেন বলেই মেজর আর একটাও কথা বলেননি। মন খারাপ হলে মানুষ চুপ করে যায়। ধুপগুড়ি গয়েরকাটা পেরিয়ে বীরপাড়া ছাড়ানোর পর অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আপনার কী হল?

    তোমার ব্যবহার দেখলাম। পেছনে বসা মেজর জবাব দিলেন। কী রকম?

    লোকটা, আমার পূর্বপুরুষের কথা বলে অপমান করল, আর তুমি সেটা কান পেতে শুনলে? আমি তোমার বয়সে হলে রক্তগঙ্গা বইয়ে দিতাম।

    তাতে জেলে যেতে হত। তা ছাড়া আমি দেখলাম, আপনি বেশ দক্ষ হাতে সিচ্যুয়েশন ট্যাক্স করছিলেন। তাই মাথা গলালাম না।

    বলছ? দক্ষ হাতে! বাংলা ভাষার কোন মাথামুণ্ডু নেই।

    তার মানে? হঠাৎ এমন মন্তব্যে হকচকিয়ে গেল অর্জুন।

    দক্ষ মানে এফিসিয়েন্ট। তাই তো? আবার শিবের শ্বশুরের নাম দক্ষ। সেই পাজি লোকটার যজ্ঞ নষ্ট করতে শিবকে কী কাণ্ড করতে হয়েছিল। ওই লোকের নাম দক্ষ হয় কী করে?

    অর্জুন হাসল, দক্ষ ব্রহ্মার মানসপুত্র। ব্রহ্মার বুড়ো আঙুল থেকে জন্ম বলে ওঁর নাম দক্ষ।

    তুমি দেখছি পুরানের গল্পগুলো ভাল জানেনা।

    না। শুধু পৌরাণিক অভিধান বলে একটা বই পড়েছি। দারুণ ইন্টারেস্টিং। একবার ধরলে আর ছাড়তে পারবেন না। ডান দিকে জলদাপাড়া ফরেস্ট।

    ওরা বাঁক নিচ্ছিল। মেজর তাকালেন, এমন কিছু জঙ্গল নয়। বাঘ সিংহ তো থাকবে না, হাতি, গণ্ডার আছে বলছে। আসলে বাঘ, সিংহ ছাড়া জঙ্গল একেবারেই আলুনি।

    ওরা হাসিমারার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। সুন্দর পিচের নির্জন রাস্তা। পাখি ডাকছে। দু পাশে জঙ্গল। একটা নদী পড়ল। অর্জুনের মনে পড়ল সেই পাখি শিকারী সুন্দরের কথা। লোকটার চাকরির জন্যে ফরেস্ট অফিসে নিয়ে যেতে হবে। কাছাকাছি যেখানে প্রকৃতীশ বড়ুয়ার মেয়ে পার্বতী বড়ুয়া থাকেন, সেখানে গেলে সুন্দরের ঠিকানা পাওয়া যাবে।

    সে বলল, এই সামনের জঙ্গলের কোথাও এমন একজন ভদ্রমহিলা থাকেন, যাঁর ছবি ছাপা হয়েছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক-এর মলাটে।

    তাই নাকি? কেন? মেজর জানতে চাইলেন।

    ড়ুয়ার্সের হাতিরা তাঁর কথায় ওঠেবসে। হাতিকে ওঁর মতো আর কেউ চেনে না।

    দারুণ ব্যাপার! আলাপ করা যাবে? মেজর নড়ে-চড়ে বসলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article তেরো পার্বণ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Our Picks

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }