Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প622 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. ডান হাতটা বাইরে বেরিয়ে এল

    হঠাৎ ডান হাতটা বাইরে বেরিয়ে এল, তার মুঠোয় রিভলভার।

    বরেন ঘোষালের ভাই চিৎকার করে উঠল, তিন গুনব, এর মধ্যে কথা না শুনলে গুলি চালাতে বাধ্য হব। ওয়ান–।

    মেজর হকচকিয়ে গেলেন। চাপা গলায় বললেন, এ দেখছি উন্মাদ। কী হবে?

    অমল সোম বললেন, গুলি করে সবাইকে মেরে ফেলতে পারবে না। যে বেঁচে থাকবে, সে থানায় যাবে। তোমার নির্ঘাত ফাসি হবে।

    মেজর বললেন, আশ্চর্য! আপনি এখনও ঠাণ্ডা মাথায় আছেন?

    অর্জুনের মাথায় একটা মতলব খেলে গেল, আপনার কলমটা দিন তো?

    কী করবে?

    দিন না। ব্যস্ত হয়ে হাত বাড়াতেই বরেন ঘোষালের ভাই চিৎকার করল, টু!

    তড়িঘড়ি কলমটা দিয়ে দিলেন মেজর। অর্জুন সেটা নিয়ে নীচে নামল। তারপর দুটো হাত মাথার ওপর তুলে এগোতে লাগল। ছেলেটা চিৎকার করল, গৌর-নিতাই হয়ে কোনও লাভ নেই, গাড়ি হঠাও, নইলে তিন বললেই গুলি চালাব।

    কজনকে মারবে? একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল অর্জুন।

    সবকটাকে। আমাকে তো চেনো না।

    কিন্তু তার আগে যদি তোমার শার্টে আগুন ধরে যায়?

    আমার শার্টে? হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ। আমার গায়ে আগুন দেবে এমন কেউ জন্মায়নি রে! আমি এবার থ্রি বলছি। রিভলভারটাকে অর্জুনের বুক লক্ষ করে ধরল সে।

    কথা বলার সময় হাত মাথার ওপর রেখেই পেনটাকে ঘুরিয়ে নিয়েছিল অর্জুন। এবার বলল, এক মিনিট। আমি ম্যাজিক জানি। সেটা কী রকম একটু দ্যাখো।

    তক্ষুণি বোম টিপল সে। সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির হুডটা জ্বলে উঠল। প্রাণপণে লাফ দিল বরেন ঘোষালের ভাই। ব্যালান্স রাখতে না পেরে চা-গাছের গায়ে হুমড়ি খেয়ে পড়তেই রিভলভার ছিটকে গেল হাত থেকে। অর্জুন দ্রুত সেটা তুলে নিল। ততক্ষণে গাড়ির নরম হুডটা পুড়ে ছাই। বরেন ঘোষালের ভাই ততক্ষণে উঠে দাড়িয়ে দৃশ্যটি দেখে বলে উঠল, আই বাপ!

    এবার বীরদর্পে মেজর নেমে এলেন। সোজা ছেলেটার পাশে পৌঁছে ওর কান টেনে ধরলেন, সেদিনের ছেলে, গুণ্ডামি করে বেড়াচ্ছ। মেরে হাড় ভেঙে দেব বানর! যা, তাড়াতাড়ি গাড়ি ব্যাক কর, নইলে তোকে পুড়িয়ে মারা হবে।

    ওপরের কভার পুড়িয়ে আগুন নিভে গিয়েছিল। অমল সোম ডাকলেন, শোনো, ওকে এই গাড়িতে নিয়ে এসো। মেজর, আপনি গাড়িটা চালাতে পারবেন?

    মেজর বললেন, আমার আবার গিয়ার-ছাড়া গাড়ি চালানো অভ্যেস। বুঝলে অর্জুন, আমেরিকায় গাড়িতে গিয়ার থাকে না।

    অর্জুন গাড়িটা পরিষ্কার করে উঠে বসল। বাইক চালানো অভ্যেস, গাড়ির হাত খুবই কঁচা। মেজর বললেন, ওটা দাও। সঙ্গে রাখা ভাল। চলো হে।

    টর্চ সঙ্গে নিয়ে তিনি ফিরে গেলেন বরেন ঘোষালের ভাইয়ের হাত ধরে। যে ছেলেটা এতক্ষণ বীরদর্পে তড়পাচ্ছিল, সে হঠাৎ ভেজা মুড়ির মতো মিইয়ে গেছে। বারংবার ঘুরে ঘুরে দেখছে অর্জুনকে।

    বেশ সজাগ হয়ে অমল সোমদের অনুসরণ করে গাড়িটা চালিয়ে নিয়ে এল অর্জুন। সামনের গাড়ির ড্রাইভার সোজা থানার সামনে দাড়িয়ে গেলে সেও ব্রেক চাপল। থানার বাইরে দুজন সেপাই দাড়িয়ে ছিল, তাদের ডাকলেন অমল সোম, বড়বাবু আছেন?

    হ্যাঁ সার।

    তা হলে একে নিয়ে ওঁর কাছে চলুন।

    সেপাইটি বরেন ঘোষালের ভাইকে দেখে হকচকিয়ে গেল। বোঝা যাচ্ছে সে চিনতে পেরেছে। তাকে ইতস্তত করতে দেখে অমল সোম ধমকালেন, যা বলছি তাই করুন।

    সেপাইটি নিতান্ত অনিচ্ছায় আদেশ পালন করল। হয়তো সে অমল সোমকে বড় অফিসার মনে করেছিল। অর্জুন রিভলভারটা সঙ্গে নিয়ে ওদের অনুসরণ করল।

    থানার বড়বাবুর বয়স হয়েছে। দেখলেই বোঝা যায় রিটায়ার করার মুখে এসে পৌঁছেছেন। হঠাৎ এইসব ব্যাপার দেখেশুনে খুবই অস্বস্তিতে পড়লেন। অমল সোম বললেন, এই ছেলেটির শিক্ষা হওয়া দরকার। আমার বক্তব্য

    রেকর্ড করে ওকে হাজতে পুরুন।

    বরেন ঘোষালের ভাই ততক্ষণে একটু সাহস ফিরে পেয়েছে। চাপা গলায় বলল, আপনারা ঝামেলা বাড়াবেন না। সেই স্যামিলটনের কেসটা মনে আছে তো!

    বড়বাবু সোজা হয়ে বসলেন, অল্পবয়সী ছেলের ব্যাপার, হঠাৎ মাথা গরম করে ফেলেছিল। এটা নিয়ে আর না এগোলেই তো ভাল।

    অল্পবয়সী ছেলে যখন গালাগাল দিয়ে রিভলভার থেকে গুলি চালাবার চেষ্টা করে, তখন তার শাস্তির জন্যে এগোতে হয়। আপনি ডায়েরি নিন। আপনার অসুবিধে থাকলে এস পি.কে ফোন করে বলুন জলপাইগুড়ির অমল সোম ইনসিস্ট করছেন, কিন্তু আপনি ডায়েরি নিচ্ছেন না। কী করবেন ভেবে দেখুন। অমল সোমের কথা শেষ হওয়ামাত্র কাজ শুরু হয়ে গেল। বরেন ঘোষালের ভাইকে পুলিশের হেফাজতে দিতে সে চিৎকার করে উঠল, আমিও ডায়েরি করব। আমার গাড়িতে এরা আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল।

    বড়বাবু বললেন, সে কী!

    হ্যাঁ। বাইরে চলুন, দেখাচ্ছি।

    বড়বাবু যেন উৎসাহিত হয়েই বাইরে এলেন। ছেলেটি দেখাল, ওই যে, কভার পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অল্পের জন্যে বেঁচে গিয়েছি আমি।

    আপনারা আগুন লাগিয়েছেন? বড়বাবু ঘুরে দাড়ালেন।

    অমল সোম জিজ্ঞেস করলেন, ওকে জিজ্ঞেস করুন আগুন যদি লাগানো হয়ে থাকে, তা হলে কী দিয়ে লাগানো হয়েছে?

    মাজিক, ম্যাজিক করে আগুন ধরিয়েছে ও। অর্জুনকে দেখিয়ে দিল ছেলেটা।

    ম্যাজিক? ম্যাজিকের আগুন আসল হয় নাকি! লোকে বিশ্বাস করবে?

     

    গাড়িতে উঠে অমল সোম জিজ্ঞেস করলেন, আপনাদের অস্ত্রটি একবার দেখতে পারি?

    মেজর সোৎসাহে এগিয়ে দিলেন। চোখের সামনে ধরে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখলেন অমল সোম। মেজর বললেন, আপনি যদি ইচ্ছে করেন, তা হলে রেখে দিতে পারেন।

    অমল সোম কলমটা ফিরিয়ে দিলেন, সঙ্গে অস্ত্র রাখা আমি অনেক দিন ছেড়ে দিয়েছি।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, ছেলেটার কী হবে মনে হয়?

    কী আর হবে? আধঘণ্টা বাদেই জামিন নিয়ে যাবে। কষ্ট করে কোর্টে তুলবে বলে মনে হয় না। তবে থানার রেকর্ডে ঘটনাটা লেখা থাকল, এইটেই লাভ।

    ওরা ফিরে এল জঙ্গলের ভেতর। আকাশে মেঘ জমছে। ড়ুয়ার্সের বৃষ্টি একবার শুরু হলে কদিন ধরে চলে। মেজর গম্ভীর হয়ে বললেন, সমস্যা হয়ে গেল।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, কীরকম?

    বৃষ্টি নামলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। বিষফুলের গন্ধ টের পাওয়া যাবে না। খুঁজে বের করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। কী মনে হয়, বৃষ্টি হবে?

    অর্জুন তাকাল। বৃষ্টি আসবে, কিন্তু সেটা যে প্রবল হবে এমন মনে হচ্ছে।

    অমল সোম বললেন, আচ্ছা মেজর, বৃষ্টি হবে কিনা তা ভবিষ্যতের ব্যাপার, আপনারা কেউ ওই লোকটাকে নিয়ে চিন্তা করছেন না কেন, যে আপনাকে জঙ্গলের ভেতর আঘাত করেছিল?।

    আমি ভাবিনি, তা কে বলল? ভেবেছি। এই সব জঙ্গলে প্রচুর বন্যজন্তু-শিকারি লুকিয়ে আছে। তাদের কেউ আমাকে দেখে ভয় পেয়ে আঘাত করেছে।

    এটা হওয়া সম্ভব। কিন্তু যারা গোপনে জঙ্গলে শিকার করে, তারা বাংলোর কিচেন থেকে খাবার চুরি করে খাবে বলে মনে হয় না।

    ও, খাবার চুরির ঘটনাটা একদম আলাদা। আমি বাবুর্চির সঙ্গে কথা বলেছি। এদিকে এমন ঘটনা না ঘটলেও ঘটা অসম্ভব নয়। পাঁচ-ছ কিলোমিটার দূরে গরিব মানুষের গ্রাম আছে। ওদের কেউ আসতে পারে। মেজর বললেন।

    অমল সোম মাথা নাড়লেন, তা ঠিক। তবে সেরকম হলে দিনের বেলায় খাবার চুরি যেত। সন্ধে নামলে কেউ জঙ্গলের ভেতর ঢুকবে না। চুরি করা খাবারের চেয়ে নিজের কাছে জীবন অনেক মূল্যবান।

    দুপুরের খাওয়ার পর মেজর নাক ডাকিয়ে ঘুমোচ্ছিলেন। এরকম মেঘলা দুপুরে ঘরে বসে থাকতে ইচ্ছে করছিল না। এখানে এসে কয়েকটা ফালতু ঝামেলায় জড়িয়ে পড়া ছাড়া তেমন কিছুই ঘটল না। অর্জুনের মনে হচ্ছিল অমল সোম তার স্বভাব অনুযায়ী কোনও কথাই বলতে চাইছেন না। অর্জুন বাংলো থেকে বেরিয়ে এল। চারধার খুব বেশি চুপচাপ। আকাশে মেঘ জমলে পাখিরাও বোবা হয়ে যায়? গতকাল যেদিক দিয়ে জঙ্গলে ঢুকেছিল তার বিপরীত দিকে ঢুকল সে। সঙ্গে কোনও অস্ত্র নেই। কলমটা মেজরের কাছে রয়ে গেছে। অবশ্য দিনের বেলায় অস্ত্রের তেমন প্রয়োজন হবে না। কিছুটা হাঁটতে চমৎকার গন্ধ নাকে এল। মিষ্টি গন্ধ। মাথা ঝিমঝিম করছে না। অর্জুন কিছুক্ষণ দাড়িয়ে থাকল। বিষফুল যদি হয়, তা হলে আর দেখতে হবে না। মিনিট দুয়েকেও যখন শরীরে কোনও প্রতিক্রিয়া হল না, তখন সে পা বাড়াল।

    হঠাৎ সামনের বুনো ঝোপের ভেতর ঝটপটানি শুরু হল। তারপরই একটা শেয়াল দ্রুত বাইরে বেরিয়ে এসে অর্জুনের দিকে তাকাল। এরকম ভয়-পাওয়া বোকা-বোকা চাহনি দেখে মজা লাগল অর্জুনের। সে কপট ধমক দিল, ভাগ।

    সঙ্গে সঙ্গে লাফিয়ে উধাও হল জন্তুটা। অর্জুন বুঝতে পারল, গন্ধটা আসছে ওই ঝোপের মধ্যে থেকে। শেয়ালটা যখন ওখান থেকে বের হল, তখন বোঝাই যাচ্ছে গন্ধটা বিষ ফুলের নয়। সে ঝোপটার ভেতর উঁকি মারার চেষ্টা করল। ডালপালা সরিয়ে এগিয়ে যেতে দৃশ্যটা দেখতে পেল অর্জুন, গোটাদুয়েক শেয়ালের বাচ্চা হতভম্ব হয়ে তাকে দেখছে। বাচ্চাগুলো দিন সাতেকের বেশি নয়। কুকুরের বাচ্চার মতোই আদুরে দেখতে। আর তাদের পাশে মাটি খানিকটা খোঁড়া রয়েছে। সেখানেই গন্ধের উৎস। কাজটা মা-শেয়ালের, গর্ত খুঁড়ে বাচ্চাদের নিয়ে খাওয়া শুরু করেছিল সে। মাটির তলায় কোনও ফল বড় হয়ে পেকে উঠেছিল, নিজস্ব ঘ্রাণশক্তিতে শেয়াল তার খবর পেয়ে গিয়েছিল। জলপাইগুড়ির বাড়িতে একটা কাঠালগাছ আছে। যার ফল মাটির নীচে হয়। সেই কঁঠাল পেকে যাওয়ার সময় ওপরের মাটিতে চিড় ধরে, তার ফঁক দিয়ে গন্ধ বের হয়। এটা কী ধরনের ফল, বোঝা যাচ্ছে না, কিন্তু ধরনটা ওইরকমের।

    এই সময় পেছনে পাতার শব্দ হতে চোখ ফেরাল অর্জুন। এবং তাকে অবাক করে দিয়ে সুন্দর এগিয়ে এল, নমস্কার বাবু।

    সুন্দরের মুখে খোঁচা-খোঁচা দাড়ি, পোশাকও ময়লা। তুমি এখানে?

    কাল থেকে এদিকেই আছি বাবু। সুন্দর হাসল, বাচ্চাগুলোকে খেতে দিন বাবু। পুরোটা খেতে পারবে না, বাকিটা আমি খাব। আসলে এই জঙ্গলে তেমন ফলমূল তো নেই। জন্তুগুলোর খুব অসুবিধে হয়।

    তুমি গতকাল মেজরের মাথায় আঘাত করেছিলে?

    আজ্ঞে। তিনি কে?

    ওঃ, মোটাসোটা মানুষ। পাতার ওপর অজ্ঞান হয়ে পড়ে ছিলেন।

    ও হ্যাঁ। নাহলে আমাকে ধরে ফেলতেন। পরে যখন আপনারা আমাকে খুঁজতে এসেছিলেন, তখন আমি দেখিয়ে দিয়েছিলাম উনি কোথায় শুয়ে আছেন।

    বাংলোর রান্নাঘর থেকে তুমিই খাবার চুরি করেছিলে?

    হ্যাঁ বাবু। এত খিদে পেয়েছিল যে, নিজেকে সামলাতে পারিনি। তা ছাড়া আপনি ওদের মধ্যে আছেন দেখে ভরসা হল। অন্যায়টা মাফ করে দেবেন।

    তুমি এই জঙ্গলে জঙ্গলে ঘুরছ কেন?

    আমার কথা থাক। আপনি শহরের মানুষ, আপনি কি বেড়াতে এসেছেন?

    কাজও আছে। শোনো সুন্দর, তোমার সঙ্গে আমার অনেক কথা আছে। আমি জানি, তুমি নীল চ্যাটার্জির ভয়ে জঙ্গলে লুকিয়ে বেড়াচ্ছ। অর্জুন জানিয়ে দিল।

    সুন্দরের চোখ ছোট হল। সে জিজ্ঞেস করল, আপনি নীলবাবুকে চেনেন?

    চিনতাম না। এখানে এসে চিনতে বাধ্য হয়েছি।

    এই জায়গা রাস্তা থেকে বেশি দূরে নয়। ওপাশে একটা ভাল জায়গা আছে। আসুন আমার সঙ্গে। সুন্দর হাঁটতে আরম্ভ করল। ড়ুয়ার্সের জঙ্গলের মধ্যে স্বচ্ছন্দে হাঁটা মুশকিল। বুনো ঝোপ আর লতাপাতা সরিয়ে রাস্তা করতে হচ্ছে। মিনিট দশেক হাঁটার পর ওরা একটা অদ্ভুত জায়গায় পৌঁছল। গোটাদশেক মোটা-মোটা শালগাছ গোল হয়ে দাড়িয়ে আছে। মাঝখানের জায়গাটা একদম ন্যাড়া। যেন গাছেরা দেওয়াল হয়ে ঘর তুলেছে।

    সেখানে দাড়িয়ে সুন্দর বলল, অল্প বৃষ্টি হলে এখানে জল পড়ে না। দেখুন মাথার ওপর পাতার ছাউনি কী ভাল। আকাশ দেখা যায় না।

    কথাটা ঠিক। আর সেই কারণেই জায়গাটা ছায়ায় ভরা। সূর্য ডোবার আগেই অন্ধকার হয়ে যাবে। সুন্দর বলল, এখানে কথা বললে কেউ টের পাবে না।

    শোনো, তোমার জন্যে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টে চাকরি ঠিক করে খবর দিতে গিয়েছিলাম। পার্বতী বড়ুয়ার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে। সেখানেই জানতে পারলাম, তুমি জঙ্গলে লুকিয়ে আছ।

    অ। দিদি তোতা জানবেনই। বউ তো ওঁকেই প্রথমে বলবে।

    কিন্তু সেই জঙ্গল তো অনেক দূরে। এখানে এলে কী করে?

    হেঁটে। জঙ্গলে জঙ্গলে হাঁটতে হাঁটতে চলে এলাম।

    কী হয়েছিল বলো তো?

    বাবু, এ-সবই পাপের শাস্তি। চাকরিবাকবি নেই, খেতজমি নেই অথচ সংসার চালাতে গেলে টাকার দরকার হয়। পাখি ধরা শুরু করলাম। প্রথমে ঘুঘু, বনমুরগি ধরতাম, ভাত না জুটুক মাংস খেতে পেত বউ ছেলে। তারপর ময়না, টিয়া ধরতে লাগলাম। সেগুলো বিক্রি করে দুটো পয়সা হত। সেই পাখি ধরার ধান্দায় জঙ্গলগুলো ঘুরতে হত। হঠাৎ একদিন একটা লোক এসে বলল আমি যদি আরও বেশি টাকা রোজগার করতে চাই, তা হলে সে হদিস দিতে পারে। যা পাচ্ছিলাম তাতে আমার চলছিল না। লোভ হল। গেলাম তার সঙ্গে। যার কাছে নিয়ে গেল সে নীলবাবুর লোক। এই এলাকায় সবাই চেনে। লোকটা বলল, ময়না টিয়া ধরা বন্ধ কর। নইলে পুলিশ তোকে ধরবে। ওই সব পাখি ধরা আইনের চোখে অপরাধ। তুই এখন থেকে এই সব পাখি ধরবি। আমাকে ছবি দেখাল লোকটা। ওই রকম পাখি আমি জঙ্গলে দেখেছি। তবে বেশি নয়। কথা বলে না আর মাংসও খাওয়া যায় না বলে কোনওদিন ধরার চেষ্টা করিনি। লোকটা বলল, অন্তত গোটা কুড়ি পাখি তোকে ধরতে হবে। সেই পাখি নিয়ে জলপাইগুড়ির স্টেশনের কাছে তোকে যেতে হবে। পাখি নিয়ে যাওয়ার আগে আমাকে দেখিয়ে যাবি। কুড়িটা পাখি পৌঁছে দেওয়ার জন্যে আড়াইশো করে টাকা পাবি। কি রে, খুশি তো?

    খুশি আমি হয়েছিলাম। আড়াইশো করে সপ্তাহে হলে মাসে হাজার টাকা। এর সঙ্গে ঘুঘু আর মুরগি ধরলে অসুবিধে নেই। কিন্তু লোকটা যে ছবি দেখিয়েছিল, সেই জাতের পাখি চাইলেই পাওয়া যায় না। সারাদিন ঘুরে হয়ত একটারও দর্শন পেলাম না, আবার একদিনেই আট-দশটা জুটে গেল। ফরেস্ট ডিপার্টের লোকদের আর আমি কেয়ার করতাম না। ওরা জেনে গিয়েছিল আমি নীলবাবুর লোক। ভয়ে আমাকে কিছু বলত না। এদিকের বাসে পুলিশ কিছু বলবে না জানি, মুশকিল হত জলপাইগুড়ির দিকে। তবু আমি এই ব্যবসা চালাচ্ছিলাম। রোজগারও হচ্ছিল মন্দ নয়।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, তোমার কৌতূহল হচ্ছিল না, ওই সব পাখি কী জন্যে ধরা হচ্ছে?

    হয়নি যে তা বলব না। তবে আমি গরিব মানুষ, যে যা ইচ্ছে করুক আমি আর মাথা ঘামাইনি। পাখি দিতাম টাকা নিতাম। লোকটা বসে থাকত স্টেশনের কাছে চায়ের দোকানে। আমি গেলেই টাকা ধরিয়ে দিয়ে পাখি নিয়ে চলে যেত।

    তা, এমন সুন্দর ব্যবসা বন্ধ করলে কী জন্যে?

    আপনি আমাকে লোভ খালেন। ভালভাবে বাঁচার লোভ। পাখিগুলোকে দেখে বউ বলত, আহা কী নিরীহ বেচারা, তোমার পাপ হচ্ছে, সেইসঙ্গে আমাদেরও।

    আমি ধমক দিতাম, পাপ-পাপ করিস না। আমি পাপ না করলে না খেয়ে মরতিস।

    বুঝতে পারি বউ কথাগুলো পার্বতীদিদিকে বলেছে। পার্বতীদিদি আমাকে ডেকে খুব ধমকাল। বলল আর পাখি ধরলে পুলিশের হাতে তুলে দেবে আমাকে। তা পার্বতীদিদির ক্ষমতা আছে। বড়বড় অফিসাররা আসেন তার কাছে। কিন্তু পার্বতীদিদির তো চাকরি দেওয়ার ক্ষমতা নেই। হাতির কাজ আমি জানি না। ছেলেটার সঙ্গে হাতিদের বন্ধুত্ব হয়েছে কিন্তু আমাকে দেখলে ওরা এমন রেগে যায় যে, ভয়ে ওদিকে যেতাম না। এই সময় আপনি লোভ দেখালেন। ফেরার সময় বাসে বসে ঠিক করলাম, আপনি যদি সত্যি কথা বলেন তা হলে জীবনে আর পাপ করব না। বাবু, লোকে মুখে অনেক উপকার করবে বলে আশা দেয়, কিন্তু কাজের বেলায় কথা রাখে না। তাই ভয়ও ছিল।

    তারপর? অর্জুন জিজ্ঞেস করল।

    ফিরে আসার পরই নীলবাবুর লোক আমাকে ডেকে পাঠালেন। গেলাম। তিনি বললেন, তোকে আর পাখি ধরতে হবে না।

    আমি অবাক হলাম। এভাবে নিষ্কৃতি পাব, কল্পনা করিনি।

    তিনি বললেন, তোকে একটা নতুন কাজ দিচ্ছি। এখন থেকে ভূটানের পাহাড়ের দিকে যে জঙ্গল আছে সেখানে থাকবি। সেখানে গিয়ে থর খুঁজবি। থর দেখেছিস?

    বললাম, দুবার দেখেছি।

    ব্যস! তোর আর চিন্তা নেই। থর দেখতে পেলেই আমাদের খবর দিবি। কী করে ফঁদ পেতে ওদের ধরতে হয়, শিখিয়ে দেওয়া হবে তোকে।

    বাবু, থর হল ছাগলের মতো দেখতে, কিন্তু ছাগল নয়। নেপালিরা ওদের থর বলে ডাকে। এদিকে দেখা যায় না বড় একটা। কেউ-কেউ অবশ্য ওদের জংলা ছাগল বলে। সহজে ধরা দেয় না ওরা।

    তুমি কী করলে?

    আমি আর পাপের পথে যাব না বলে ঠিক করলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article তেরো পার্বণ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Our Picks

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }