Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প622 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. জলপাইগুড়ির সদর থানার দারোগা

    জলপাইগুড়ির সদর থানার দারোগা অবনীবাবুর সঙ্গে গল্প করা অর্জুনের এখন অভ্যেসের মধ্যে দাঁড়িয়ে গেছে। পুলিশের কিছু লোক এখনও বইপত্র পড়েন। অবনীবাবু তাঁদের একজন। কিন্তু তিনি প্রায়ই অর্জুনকে বলেন, দুর মশাই, আপনি নিজেকে নষ্ট করছেন। এই শহরে না থেকে কলকাতায় চলে যান। টাকা হবে, নামও হবে।

    অর্জুন কখনওই জবাব দেয় না। মিটিমিটি হাসে।

    আজ সন্ধেবেলায় চায়ের কাপে আড্ডা জমেছিল। অবনীবাবু বললেন, আজ একটা দারুণ দিন। ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনও ক্রাইম হয়নি এ-শহরে।

    অর্জুন বলল, এখন ছটা বেজে পঁয়তাল্লিশ। রাত বারোটা পর্যন্ত তারিখ বদলাবে না।

    জানি। কিন্তু আমার মন বলছে তেমন কিছু হবে না আজ। অবনীবাবু চোখ বন্ধ করলেন। এই সময় একটি ছেলে দরজায় এসে দাঁড়াল, আসতে পারি?

    চোখ খুললেন অবনীবাবু, অবশ্যই।

    ছেলেটি ঘরে ঢুকল। জিনসের ওপর হলুদ টিশার্ট। মাথার চুল প্রায় কাঁধ পর্যন্ত স্টাইল করে রাখা। ছেলেটি বলল, আমার নাম কাজল মুখার্জি। কদমতলায় আমাদের একটা দোকান আছে। এর আগে আপনার সঙ্গে কয়েকবার কথা হয়েছিল। ছেলেটির মুখভর্তি সাজানো দাড়ি।।

    আপনি একটা ফুটবল ক্লাবের সঙ্গে জড়িত? অবনীবাবু জিজ্ঞেস করলেন।

    হ্যাঁ। আমি কিছুদিন আগে পাশপোর্টের জন্য দরখাস্ত করেছিলাম। ওরা বলছে পুলিশের রিপোর্ট পেলেই পাশপোর্ট ইস্যু করবে। রিপোর্টটা যদি দয়া করে পাঠান। ছেলেটি চেষ্টা করছিল ভদ্র গলায় কথা বলতে। বলার সময় দাড়িতে হাত বোলাচ্ছিল।

    আমার এখানে কোনও কাজ পেন্ডিং থাকে না কাজলবাবু। তবু আপনি যখন বলছেন তখন একটু অপেক্ষা করুন, আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি। বেল বাজিয়ে সেপাইকে ডেকে অবনীবাবু হুকুম দিলেন পাশপোর্ট-সংক্রান্ত এনকুয়ারির ফাইল আনতে।।

    অর্জুন লক্ষ করছিল কাজল মুখার্জিকে। নামটা তার খুব চেনা-চেনা লাগছিল। সে ফট করে জিজ্ঞেস করল, কদমতলায় আপনাদের কিসের দোকান?

    কাজল জবাব দিল, সাইকেল রিপেয়ারিংয়ের।

    এবং তখনই মনে পড়ল তার। বিজনবিহারীবাবু তা হলে এরই কথা বলেছিলেন। বিজনবিহারীর নাতনি টুকুকে বিয়ে করতে চায় এই ছেলেটি।

    ইতিমধ্যে ফাইল এসে গেল। অবনীবাবু বিশেষ রিপোর্টটি খুঁটিয়ে দেখছিলেন। মুখ তুলে বললেন, কিন্তু কাজলবাবু, আপনি দরখাস্তে লিখেছেন স্কুল ফাইনাল পাশ করেছেন, কিন্তু লেখেননি হায়ার সেকেন্ডারি পরীক্ষা দেওয়ার সময় নকল করার অভিযোগে আপনাকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়নি। তাই না?

    কাজল দাঁড়িয়ে ছিল! বলল, ফর্মে লেখা আছে এড়ুকেশন কোয়ালিফিকেশন কী? আমার যা, তাই লিখেছি। বাড়তি কিছু লিখিনি।

    হুম। অবনীবাবু মাথা নাড়লেন, সাব ইনস্পেক্টর লিখছেন আপনি এর আগে দুটো মারামারিতে জড়িয়ে ছিলেন। তার একটাতে মাডার পর্যন্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু প্রমাণের অভাবে আপনাকে ধরা হয়নি।

    একদম বাজে কথা। একটা ফুটবল-সংক্রান্ত ব্যাপার এবং আমি তখন শহরে ছিলাম না। দ্বিতীয়টা ইলেকশনের সময়। আমার কোনও ভূমিকা ছিল না। কাজল বলল।

    আপনি পাশপোর্টের জন্য চেষ্টা করছেন কেন?

    প্রথম কথা, যে-কোনও নাগরিকের একটা পাশপোর্ট থাকা উচিত। দ্বিতীয়ত, আমি কয়েকদিনের জন্য বাংলাদেশে যেতে চাই।

    বাংলাদেশে কেন? অবনীবাবু ফাইলে কিছু লিখছিলেন, সেখানে কি আপনার কোনও আত্মীয় আছেন? বাংলাদেশের কোথায় যাবেন?

    ঢাকা এবং কালীগঞ্জে। ওখানে যাব বেড়াতে। আমার কোনও আত্মীয় ওখানে নেই। আমরা পশ্চিমবঙ্গের লোক। কাজল বলল।

    অবনীবাবু বললেন, আপনার কপাল খুব ভাল।

    কাজল বলল, আপনার কথা বুঝতে পারছি না।

    অবনীবাবু হাসলেন, আজ আমি কারও পেছনে শুধুই সন্দেহের বশে লাগব। আই ওয়ান্ট টু কিপ দি ডে ক্লিন। তবে দেখবেন এরপর যেন কোনও ঝামেলায় না জড়ান।

    কাজল ধন্যবাদ দিয়ে চলে গেল। চুপচাপ বসে এঁদের কথাবার্তা শুনে যাচ্ছিল অর্জুন। এবার বলল, অবনীবাবু, আপনার এলাকায় আজ কোনও অপরাধ হবে কিনা জানি না, তবে আমি কাজ পেয়ে গেলাম।

    অবনীবাবু বললেন, তার মানে?

    আমি একটা টেলিফোন করতে পারি?

    অবশ্যই।

    এখন জলপাইগুড়িতে অপারেটারের মাধ্যমে কানেকশন চাইতে হয় না। একবারেই অর্জুন লাইন পেয়ে গেল। বিজনবিহারীবাবু রিসিভার তুলে বললেন, কে বলছেন?

    আমি অর্জুন।

    হ্যাঁ। কিছু জানতে পারলে?

    শুনুন। আমি আপনার কেসটা নেব বলে এখন ঠিক করলাম।

    তার মানে? তুমি আমার ব্যাপারটা এতদিন ভাবনি?

    না। কিন্তু এখন থেকে ভাবতে হবে।

    আমি তোমার কথা কিছুই বুঝতে পারছি না।

    খুবই সরল ব্যাপার। আমি কেসটা নিচ্ছি। আপনি সমস্ত খরচ দেবেন তো?

    দ্যাখো ভাই, কে চুরি করেছে তা যদি ধরতে পারো তার জন্য যা পাবে তা নিশ্চয়ই ওসব জিনিস ওখান থেকে তুলে আমার কাছে নিয়ে এলে যা দেওয়া

    উচিত তার সমান হবে না। তুমি বুঝতেই পারছ।

    আপনি কালই ভবাকে দিয়ে হাজার চারেক টাকা পাঠিয়ে দিন।

    হাজার চারেক। সে কী!

    এই টাকার হিসেব আপনাকে দেব।

    এত টাকা! বিজনবিহারীবাবু বিড়বিড় করলেন। আপনি নিশ্চয়ই আমাকে পকেটের টাকা খরচ করে তদন্ত করতে বলবেন।

    তা তো নয়। বিজনবিহারীবাবু বললেন, বেশ। ভবা কাল যাবে।

    রিসিভার নামিয়ে রাখল অর্জুন। অবনীবাবু হতভম্ব। জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার বলুন তো? কাকে ফোন করলেন?

    বিজনবিহারী ঘোষ। এক্স টি-প্ল্যান্টার।

    আচ্ছা। হঠাৎ কী কারণে তাঁর কেস নিলেন? মনে হচ্ছে আগে রাজি হননি। অবনীবাবু কৌতূহলে ফেটে পড়ছিলেন।

    আগে ভেবেছিলাম কোনও রহস্য নেই। এখন মনে হচ্ছে আছে।

    এই কাজল মুখার্জিকে দেখার পর মনে হচ্ছে রহস্য আছে?

    এখন পর্যন্ত কোনও ক্রাইম হয়নি। কেন আর প্রশ্ন করছেন? অর্জুন উঠে দাঁড়াল।

    অবনীবাবু বললেন, আপনার রিঅ্যাকশন ইন্টারেস্টিং।

    অর্জুন বলল, আমি যেটা সন্দেহ করছি সেটা যদি সত্যি হয় তা হলে একটা ক্রাইমের সূত্রপাত হচ্ছে। একটু দেখা যাক, তারপর আপনাকে বলব।

     

    অমল সোম বলতেন, হঠাৎ কোনও সূত্র পেয়ে সিদ্ধান্তে ঝাঁপিয়ে পোডড়া। নানাভাবে সেটাকে বিশ্লেষণ করো, সুযোগ থাকলে অপেক্ষা করো। অর্জুন তাই করবে বলে ঠিক করল।

    কাজলকে থানায় ভাল করে দেখে তার পছন্দ হয়নি। ছেলেটার মধ্যে অদ্ভুত একটা শীতলতা আছে যা অর্জুনকে বিচলিত করছিল। সে সময় পেলেই বাইক নিয়ে কদমতলায় যায়। কাজলের সাইকেল কারখানা খুঁজে পেতে অসুবিধে হয়নি। সকাল-বিকেলে সেখানে যে-ধরনের চেহারার ছেলেরা কাজলের সঙ্গে আড্ডা মারে, তাদের কোনও ভবিষ্যৎ ভাবনা নেই তা দেখেই বোঝা যায়। পোশাক দামি এবং যথেষ্ট উদ্ধত, সিনেমার আর্টিস্টের নকল করা চুল, হাতে বালা। এদের মধ্যে কাজল খুব স্বাভাবিক। অর্জুন ইচ্ছে করেই কাজলের দোকানে ঢোকেনি। সে ল্যাংড়া-পাঁচুকে ধরল। লোকটা এককালে এই শহরের বিখ্যাত তালা-খুলিয়ে ছিল। টাকা নিয়ে চোর-ডাকাতদের এব্যাপারে সাহায্য করত সে। অর্জুন তাকে একটা সময় বাঁচিয়ে দিয়েছিল। ওকে দিয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়েছিল আর ওইসব কাজ করবে না। এখন পর্যন্ত কথা রেখে চলেছে ল্যাংড়া-পাঁচু। কদমতলায় লটারির টিকিট বিক্রি করে সে।

    কাজলের নাম শুনে পাঁচু একটু চুপসে গেল, কাজলদা হেভি মাস্তান।

    তাতে কী হল?

    যদি জানতে পারে আমি টিকটিকি হয়েছি, তা হলে মেরে হাড় ভেঙে দেবে।

    যতক্ষণ তুমি অন্যায় না করছ ততক্ষণ তোমার কোনও ভয় নেই।

    অবশ্য আপনার জন্য আমি সব করতে পারি।

    সব করতে হবে না। শুধু লক্ষ রাখবে ও রোজ দোকানে আসে কি না! ব্যবসার বাইরে কারা কারা ওর দোকানে আসে। ও কোথাও যাচ্ছে কিনা।

    অর্জুন বুঝিয়ে বলল।

    বিজনবিহারী টাকাটা ভবাকে দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেই তাঁর তাগাদা শুরু হয়ে গেছে। দিনে অন্তত একবার টেলিফোন করে প্রোগ্রেস রিপোর্ট চান। অর্জুন শুধু জিজ্ঞেস করেছিল, আপনি আপনার নাতনিকে কতখানি বিশ্বাস করেন?

    নাতনি? সে এর মধ্যে আসছে কোত্থেকে? বিরক্ত হলেন বিজনবিহারী।

    ওই বাড়িতে থাকে বলেই বলছি।

    পৃথিবীতে যদি কাউকে বিশ্বাস করি, তবে সে টুকু। ওর সব কথা আমাকে বলে। মেয়েটা ওর মা বাবার ধরন পায়নি বলে রক্ষে।

    কথা বাড়ায়নি অর্জুন। কাজলের ঢাকায় যাওয়াটা কাকতালীয় হতে পারে, কিন্তু সে থানায় গিয়ে অবনীবাবুকে পাশপোর্টের জন্য তদ্বিরের সময় কালীগঞ্জের নাম উল্লেখ করেছিল। কোনও আত্মীয়স্বজন যে-দেশে নেই, সেখানে বেড়াতে গেলে কালীগঞ্জের কথা আগে মাথায় আসতেই পারে না। যে ছেলে দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা মেরে কাটায়, সে হঠাৎ উদ্যোগী হয়ে একা বাংলাদেশে বেড়াতে যাবে, এমনটা ভাবাও যায় না। কোনও বিশেষ মতলব ছাড়া ও ওদেশে যাচ্ছে না। আর এই মতলবটা ওকে জুগিয়েছে টুকু। অর্জুনের মনে হচ্ছিল টুকুই বিজনবিহারীবাবুর ব্যাগ থেকে খামটা সরিয়েছে। চিঠি পড়ার পর সে বুঝতে পেরেছে ওর গুরুত্ব। তারপর কাজলকে ব্যাপারটা বলেছে। কাজল ধান্দাবাজ ছেলে। সঙ্গে সঙ্গে কাজে নেমে পড়েছে। গোয়ালন্দে পোঁছতে গেলে পাশপোর্ট-ভিসার প্রয়োজন হয় বলে অপেক্ষা করছে এখন।

    দিন-পাঁচেক বাদে এক বিকেলে ল্যাংড়া-পাঁচু এসে হাজির, কাজলদা নেই।

    নেই মানে? অর্জুন এইটেই আশা করছিল।

    গতকাল পিওন একটা রেজিষ্ট্রি চিঠি নিয়ে এসেছিল। সেটা পেয়ে খুব খেপে গিয়েছিল কাজলদা। পুলিশকে গালাগাল করছিল। আমি পিওনকে পরে আলাদা পেয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম কী চিঠি এসেছে। পিওন বলল, পাশপোর্ট অফিস থেকে এসেছে।

    অর্জুন খুব নিরাশ হল, তার মানে পাশপোর্ট পায়নি?

    না।

    তা হলে গেল কোথায়?

    তা তো বলতে পারব না। আজ বাড়ি থেকেই দোকানে আসেনি। এখানে আসার আগে আমি একবার ওর দোকানের কর্মচারীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। বলল, দাদা বেড়াতে গেছে বাইরে।

    হুম। আর কোনও খবর আছে?

    না। ও হ্যাঁ। আজ দুপুরে একটি অল্পবয়সী মেয়ে দোকানে এসেছিল রিকশায় চেপে।

    কীরকম দেখতে?

    খুব সুন্দরী। কর্মচারী হযতো একই কথা বলেছে। শোনার পর দেখলাম মুখ শুকিয়ে গেল। তাড়াতাড়ি রিকশায় উঠে পড়ল।

    এই মেয়েটিকে তুমি আগে দেখেছ?

    না। লক্ষ করিনি।

    গতকাল কাজল দোকান থেকে কখন বেরিয়েছিল?

    সন্ধের একটু আগে। ওর বন্ধুরা এসে ওকে পায়নি। আমাদের হরির রিকশায় চলে গিয়েছিল। দোকান বন্ধ করার সময়ও ফেরেনি।

    হরিকে কোথায় পাওয়া যাবে?

    কদমতলার স্ট্যান্ডে।

    অর্জুন দশটা টাকা ল্যাংড়া-পাঁচুকে দিতে গেল, কিন্তু সে জিভ বের করে সরে দাঁড়াল, ছি ছি ছি। এত সামান্য কাজের জন্য পয়সা নেব, তা হয় না।

    অর্জুন থানায় টেলিফোন করল। অবনীবাবু ছিলেন।

    কাজল মুখার্জিকে পাশপোর্ট পেতে দিলেন না শেষপর্যন্ত?

    ও, খবর পেয়ে গেছেন? আমি না দেওয়ার কে? পাশপোর্ট অফিসকে যা সত্যি তাই জানিয়ে দিয়েছিলাম। ওঁরা যদি না ইসু করেন, তা হলে—

    আপনি ওকে বলেছিলেন ওর পাশপোর্ট যাতে হয় সেইভাবে রিপোর্ট দেবেন।

    ভেবেছিলাম। কিন্তু ওকে দেখার পর আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে দেখে বুঝলাম যা সত্যি তাই বিশদে লেখা ভাল।

    অর্জুন টেলিফোন রেখে দিল। পাশপোর্ট না পেলে কাজল বাংলাদেশে যেতে পারছে না। তা হলে গেল কোথায়? সে সন্ধের পব কদমতলায় এসে হরিকে ধরল। অল্পবয়সী ছেলে। অর্জুনকে চিনতে পারল। বলল, পাঁচুদা আপনার কথা আমাকে বলেছে বাবু। কিন্তু আমি কখনও কোনও অন্যায় করিনি।

    তুমি অন্যায় কবেছ কে বলল?

    পাঁচুদা বলেছিল আপনার সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক আছে।

    তা একটু আছে। তবে তোমার কাছে এসেছি সম্পূর্ণ অন্য কারণে। তোমার সাহায্য চাই আমি।

    বলুন বাবু।

    অর্জুন দেখল আশেপাশে দাঁড়ানো রিকশাওয়ালারা কানখাড়া করে তাদের কথাবার্তা শুনছে নেহাতই কৌতূহলী হয়ে। সে বলল, চলো, তোমার রিকশায় ওঠা যাক।

     

    অর্জুন সিটে বসতেই হরি কয়েক পা প্যাডেল করে এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনাকে কোথায় নিয়ে যেতে হবে বাবু?

    পাঁচু কিছু বলেনি ওব্যাপারে?

    না।

    গতকাল সন্ধের সময় তুমি সাইকেলকারখানার কাজলকে নিয়ে কোথায় গিয়েছিলে?

    হরি আবার দাঁড়িয়ে পড়েছিল। পেছনে রিকশাওয়ালা, সাইকেল-বেল বাজাচ্ছে। সে রাস্তার একপাশে সরে এসে বলল, কাজলবাবু কোনও অন্যায় করেছে, না?

    অর্জুন হাসল, আরে, সে অন্যায় করতে যাবে কেন?

    কাজলবাবু এমনিতেই …। তার ওপর যার কাছে গিয়েছিল সেই লোকটা সুবিধের নয়। আপনি তার কাছে একা যাবেন না। ধান্দা ছাড়া কেউ ওর কাছে যায় না।

    আমি একা নই। তুমি লোকটার কাছে নিয়ে চলো। কোন পাড়ায় থাকে?

    সেনপাড়ায়। বলে হরি রিকশা চালাতে লাগল।

    ছেলেটা একটু বেশি কথা বলে কিন্তু অনেক খবর রাখে বলে মনে হল অর্জুনের।

    লোকটার নাম জানো? চলন্ত রিকশায় বসে জিজ্ঞেস করল অর্জুন।

    কাজলবাবু ওকে দাসবাবু বলে ডেকেছিল। রিকশাওয়ালা জবাব দিল।

    তুমি কি কাজলকে ওখানে নামিয়ে দিয়েই চলে এসেছিলে?

    না। বাইরে থেকে ডাকাডাকি করে সাড়া পাওয়ার পর আমাকে দাঁড়াতে বলে কাজলবাবু ভেতরে ঢুকে গিয়েছিলেন। কী কথা হল জানি না। সেই সময় আরও দুজন লোক ভটভটি নিয়ে ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেল। গুণ্ডা ধরনের লোক। এখানে কখনও দেখিনি।

    তারপর?

    আধঘণ্টা পরে কাজলবাবু হাসিমুখে বেরিয়ে এলেন দাসবাবুর সঙ্গে। তিনি বললেন, আপনি এই শহরের ছেলে। পুরো ব্যাপারটা আমার ওপর ছেড়ে দিন। তবে টাকাটা। সঙ্গে সঙ্গে কাজলবাবু বললেন, রাত্রে যখন আসব পুরো টাকাটাই পাবেন। আমি কাজলবাবুকে ওঁর বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে ভাড়া নিয়ে চলে এসেছিলাম। রিকশা তখন করলা নদীর ব্রিজে।

    এতে তোমার কি করে মনে হল লোকটা সুবিধের নয়?

    বাবু, দেখলেই বোঝা যায়।

    ঠিক আছে। তুমি আমার জন্য বাইরে অপেক্ষা করবে।

    সেনপাড়ার একেবারে ভেতরে যে বাড়িটার সামনে রিকশা থামাল হরি, সেটার চেহারা নিতান্তই মধ্যবিত্ত। রাস্তায় আলো জ্বলছে না। অর্জুন বলল, একটু লক্ষ করা যাক।

    হরি বলল, আজও ভটভটি ওখানে আছে বাবু।

    মিনিট তিনেকের মধ্যে দৃশ্যের হেরফের না হওয়াতে অর্জুন নামল। বাড়ির সামনে কোনও গেট বা বেড়া নেই। মোটর বাইক রয়েছে দরজার গায়ে। সে ডাকল, দাসবাবু, দাসবাবু।

    একটু বাদে দরজা খুলে গেল। সিল্কের লুঙ্গি আর পাঞ্জাবি পরা এক প্রৌঢ় দরজা খুলে জিজ্ঞেস করলেন, বলুন।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আপনি কি দাসবাবু?

    হ্যাঁ।

    একটু কথা আছে।

    দাঁড়ান। ভদ্রলোক ঘুরে দাঁড়ালেন, তা হলে তুমি চলে যাও। ওদের বলল যা কথা ছিল তাই দেওয়া হচ্ছে। এরপর এরকম হলে আমরা অর্ডার বদলাব।

    ভদ্রলোকের কথা শেষ হওয়ামাত্র একটি চামড়ার জ্যাকেট পরা লোক মাথা নেড়ে বেরিয়ে গিয়ে বাইকে উঠল। সে স্টার্ট নিয়ে চলে যাওয়ার পর দাসবাবু বললেন, আসুন।

    বাইরের ঘরটি অতি সাধারণ। চারটে বেতের চেয়ার এবং টেবিল, যা জলপাইগুড়ির ফুটপাথে বিক্রি হয় শস্তায়, তাই পাতা। তারই একটাতে বসল অর্জুন। সামনে দাসবাবু।

    দাসবাবু জিজ্ঞেস করলেন, বলুন, কী করতে পারি?

    অর্জুন বুঝতে পারছিল না সে ভুল করছে কি না। তার হাতে কোনও প্রমাণ নেই। শুধুই অনুমানের ওপর ভিত্তি করে সাহসী হওয়া। সে খুব সিরিয়াস গলায় বলল, বাংলাদেশে যেতে চাই।

    যান না। আমি কী করতে পারি?

    আমার পাশপোর্ট নেই। ভিসা পাব না। এত তাড়াতাড়ি পাশপোর্ট পাব বললেন, অরটি অতি পক্রি হয় শত না।

    আমার কথা আপনাকে কে বলল?

    আমার এক বন্ধু কাজল।

    কাজলবাবু আপনার বন্ধু?

    হ্যাঁ। আমরা একসঙ্গে স্কুলে পড়তাম। অর্জুন বলল, ওরও বাংলাদেশে যাওয়ার কথা। আজ সকাল থেকে ব্যাটার দেখা পাচ্ছি না।

    আপনি কোন পাড়ায় থাকেন?

    কদমতলায়।

    কী করেন?

    একদম বেকার। সেইজন্য ওখানে যেতে চাই। যদি কিছু হয়।

    আত্মীয়স্বজন আছে?

    তা আছে।

    কালীগঞ্জে?

    কালীগঞ্জ মানে?

    বাংলাদেশের একটা গ্রাম। কাজলবাবুর আত্মীয় থাকেন সেখানে। দেখুন মশাই, আমি আপনাকে চিনি না। এখনই কোনও কথা বলব না। আপনি নিশ্চয়ই জানেন এভাবে বর্ডার পেরিয়ে যাওয়া বেআইনি। জেল হতে পারে ধরা পড়লে। ওখানেও পুলিশ জেরা করলে বিপদে পড়বেন।

    আমি খরচ করতে রাজি আছি।

    দেখুন, আমি এত খুচরো কাজ করি না। তার জন্য অন্য লোক আছে।

    কাজল বলেছিল আপনি সব দায়িত্ব নেবেন।

    কাজলের রেফারেন্স আলাদা। আপনি কাল আসবেন। এই সময়। কী। নাম যেন?

    অর্জুন। সে উঠে দাঁড়াল। নমস্কার করল।

    দাসবাবু বললেন, কদমতলায় নিশ্চয়ই অনেকে আপনাকে চিনবে? আসলে আমি কোনও ঝুঁকি নিতে চাই না। দিনকাল খারাপ।

    কত টাকা লাগবে ঢাকায় পৌঁছতে?

    বললাম তো, আগামীকাল কথা হবে।

    অর্জুন মাথা নেড়ে বেরিয়ে এসে রিকশায় উঠে চাপা গলায় বলল, থানায় চলো।

     

    হাসিমুখে অবনীবাবু জিজ্ঞেস করলেন, রাগ কমেছে?

    অর্জুন সেটা এড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনার কোনও আইডিয়া আছে, মাঝরাত্রে জলপাইগুড়ি থেকে রওনা হয়ে বর্ডার পেরিয়ে গোয়ালন্দে পৌঁছাতে কীরকম সময় লাগে?

    অ্যাঁ! না। কে যাবে?

    গিয়েছে। যাকে আপনি পাশপোর্ট নিতে দেননি, সে চলে গেছে।

    অবনীবাবু বললেন, সে কী! উইদাউট পাশপোর্ট?

    হ্যাঁ।

    এটা তো ক্রাইম।

    ধরতে পারলে।

    আপনি জানলেন কী করে?

    যে লোকটি টাকা নিয়ে বর্ডার পারাপার করায়, তাকে মিট করে এলাম।

    এই শহরে? চোয়াল শক্ত হল অবনীবাবুর।

    আজ্ঞে হ্যাঁ। তবে এটা তার খুচরো ব্যাপার, অন্য কিছু আছে, যা মনে হয় সলিড।

    নামটা বলুন।

    প্রমাণ ছাড়া ধরে কোনও লাভ নেই। অর্জুন বলল, সেনপাড়ায় দাসবাবু নামে এক প্রৌঢ় ভদ্রলোক থাকেন। বাড়ির সামনে সন্ধেবেলায় মোটরবাইক পার্ক করা থাকে। নজর রাখুন। সেইরকম সময়ে বাইকে যারা আসে তাদের সমেত ধরুন। অর্জুন উঠল।

    উঠছেন কোথায়?

    হাতে সময় নেই। গোছগাছ করতে হবে। একটা টেলিফোন করতে পারি?

    নিশ্চয়ই।

    অর্জুন ডায়াল করল। বিজনবিহারীবাবু ধরলেন।

    অর্জুন বলছি। আমি কলকাতায় যাচ্ছি। ওখান থেকে ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ। ফিরে এসে দেখা করব।

    যাক। এতদিনে …। কিন্তু চিঠিটা?

    আপনার ঠাকুর্দার চিঠি যার কাছে আছে, সে এখন বাংলাদেশের পথে।

    তার মানে? কে সে? বিজনবিহারী উত্তেজিত।

    অর্জুন জবাব না দিয়ে রিসিভার নামিয়ে রাখল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article তেরো পার্বণ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }