Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প622 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. সুধীর মৈত্রের কথায় যুক্তি আছে

    সুধীর মৈত্রের কথায় যুক্তি আছে। যা তিনি দেখেননি, যা আদৌ ছিল কিনা তার কোনও প্রমাণ নেই, সেটা সাধারণ না অসাধারণ, তা নিয়ে তিনি গবেষণা করতে রাজি নন। ঠিক কথা। কিন্তু জিনিসটি যে অসাধারণ, তা রিচার্ড ম্যাকডোনাল্ড অনুমান করেছিলেন বলেই এত বছর বাদে তাঁর নাতনি ভারতবর্ষে এসে হাজির হয়েছে। তারিণী সেনের হাত কেটে ফেলে অত্যাচার করেও তো ভদ্রলোক মূর্তিটাকে পাননি। সরকারি ক্ষমতা তাঁর হাতে ছিল, তা সত্ত্বেও বিফল হয়েছিলেন তিনি। এত বছর পরে ডরোথি কী করে বুঝল যে সে সফল হবে? আর ডরোথি তো এখন একা নয়। দু-দুবার এদেশে এসে ভালই সঙ্গী জোগাড় করতে পেরেছে। তিস্তা ভবনের দিকে যেতে-যেতে এই সব ভাবছিল অর্জুন।

    ডরোথি তৈরি ছিল। বলল, আমাদের যেতে দেরি হয়ে গেল না তো?

    অর্জুন ঘড়ি দেখল। এখন তিনটে বাজে। বলল, না। সন্ধের মধ্যে ফিরে আসতে পারব।

    মেয়েটা সাবলীলভাবে মোটরবাইকের পেছনে উঠে বসল। ওর মুখ দেখে বোঝাই যাচ্ছে না যে, ওর দাদুর হয়ে ক্ষমা চাইতে নয়, স্রেফ মূর্তির লোভে এ-দেশে আছে। বেশ চমৎকার অভিনয় করতে পারে মেয়েটা। তিস্তা ব্রিজের ওপর এসে অর্জুনের ইচ্ছে করছিল ডরোথির সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে। কিন্তু নিজেকে সামলে নিল সে। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।

    পূর্বদহে যখন ওরা পৌঁছল তখনও মাটিতে হালকা রোদ। চারধার ঝরঝরে। বাইক থেকে নেমেই  দেখল ডাক্তারবাবু মন্দিরের চত্বরে দাঁড়িয়ে আছেন। ওদের দেখে এগিয়ে এলেন তিনি। অর্জুন বলল, ডরোথি আবার এল দেখা করতে। ক্ষমা চাইতে। কথাগুলো ইচ্ছে করেই সে ইংরেজিতে বলল। ডরোথি তখন মন্দিরের পূর্ব দিকে পুকুরটার দিকে তাকিয়ে আছে। সংস্কার হয়নি অনেককাল। পানায় ঢেকে গেছে এতকালের পদ্মদিঘি।

    ডাক্তারবাবুকে সঙ্গে নিয়েই তারিণী সেনের বাড়িতে এল। তারিণী সেন এখনও ঘুমোচ্ছন। ওষুধে ভাল কাজ হয়েছে। হঠাৎ ডরোথি জিজ্ঞেস করল, উনি এবাড়িতে কতদিন আছেন?

    আজ দ্বিতীয়া বৃদ্ধাকে দেখতে পেল অর্জুন। ওঁর বয়স হয়েছে তবে প্রথমার মতো নয়। ডাক্তারবাবু তাঁকে প্রশ্ন করলেন ডরোথির হয়ে। দ্বিতীয়া বললেন, হিসেব নেই।

    এর আগে ওঁর বাড়ি ছিল কোথায়? অর্জুন জিজ্ঞেস করল।

    আগে তো জঙ্গলে ঘুরত। এই বাড়িতে ওর বাপও থাকত।

    তথ্যটা ডরোথিকে জানিয়ে দিল অর্জুন।

    ইতিমধ্যে প্রথমা তারিণী সেনকে ঘুম থেকে তুলে বাইরে নিয়ে এসেছেন। অর্জুন জিজ্ঞেস করল, কেমন আছেন এখন? জ্বর ছেড়েছে?

    ভগবান নিচ্ছে না, তাই যেতে পারছি না। এটাকে কি থাকা বলে! গলার স্বর এখনও মিনমিনে। ডাক্তারবাবু বললেন, আমি উঠি। পেশেন্ট আসবে। যাওয়ার সময় দয়া করে যদি আসেন!

    অর্জুন নিঃশব্দে মাথা নাড়তে ভদ্রলোক চলে গেলেন।

    ডরোথি বলল, ওঁকে বলো যে, আমি দাদুর হয়ে ক্ষমা চাইতে এসেছি।

    অনেক কষ্টে হাসি চেপে অর্জুন সেকথা তারিণী সেনকে জানিয়ে দিল।

    হঠাৎ তারিণী সেন নিজের হাত দুটো ডরোথির দিকে তুলে ধরলেন, এ দুটো ফিরে পাব?

    ডরোথি জিজ্ঞেস করল, উনি কী বলছেন?

    অর্জুন দোভাষীর কাজ করতে লাগল। ডরোথি বলল, একথা আমাকে জিজ্ঞেস করছেন কেন?

    কারণ, তোমার দাদু আমাকে সারাজীবনের জন্যে ঠুঁটো করে গেছেন।

    অসম্ভব। আমি বিশ্বাস করি না।

    তারিণী সেন হাসল, কবরে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করে দ্যাখো, উত্তর পেয়ে যাবে।

    আপনি কী অন্যায় করেছেন, যাতে তিনি এত বড় শাস্তি দিতে বাধ্য হয়েছেন?

    অর্জুন বাধ্য হয়েছেন শব্দ দুটো শুনে মজা পেল। ডরোথি তার দাদুকে বাঁচাতে চাইছে।

    তারিণী সেন বললেন, ওই যে বয়ে নিয়ে গিয়েছিলাম কমলাবাবুকে। নইলে মানুষটা মরেই যেত। সেই ব্যাপারটাকে অপরাধ বলে মনে করলেন গোরাসাহেব। বললেন, হাত কেটে ফেলবেন, যদি না আমি তাকে মূর্তিটা দিয়ে দিই।

    কথাটা ইংরেজিতে অনুবাদ করে ডরোথির দিকে তাকাল অর্জুন। মেয়েটার মুখে একটুও অন্য ছাপ ফুটল না। সে জিজ্ঞেস করল, কিসের মূর্তি?

    তারিণী বললেন, তোমায় গোরাসাহেব বলেননি মূর্তির কথা?

    আমার সঙ্গে দাদুর কোনও কথা হয়নি। আমি তাঁর লেখা ডায়েরিতে যে তিনজনের নাম পেয়েছি তাঁদের মধ্যে আপনি আছেন। তাই এখানে এসেছি।

    অ। তা হবে। মুর্তিটা পেয়েছিলাম তিব্বতিদের কাছ থেকে। ওটার ওপর গোরাসাহেবের খুব লোভ ছিল। একটা হাত কাটার পর বলেছিল মূর্তি দিলে দ্বিতীয়টা কাটবে না। তাও যখন রাজি হলাম না, তখন এটাও কাটল। ডান হাত দেখালেন বৃদ্ধ, জানে মারল না। মারলে তো মূর্তি কোনওদিনই পাওয়া যাবে না।

    ডরোথি জিজ্ঞেস করল, মূর্তিটা কি খুব দামি?

    নাঃ। কেউ কিনতে চায়নি। ময়নাগুড়ির মাড়োয়ারি দোকানদার আট আনা দাম দিয়েছিল।

    আমার দাদু আপনাকে টাকা দিতে চাননি?

    হ্যাঁ। একশো টাকা। চোখ বড় করলেন তারিণী সেন। পঞ্চাশ বছর আগে একশো টাকার দাম ছিল কয়েক হাজার টাকার সমান।

    দিলেন না কেন?

    দিলেই তো আমাকে খতম করে দিত গোরাসাহেব। মূর্তিটার লোভে আমাকে জেল থেকে বাঁচিয়েছে। আমাকে মেরে ফেলতে পারেনি। তারিণী সেন ফিকফিক করে হাসতে লাগলেন। মূর্তিটার শেষপর্যন্ত কী হল?

    কালোর মধ্যে লাল আর লালের মধ্যে কালো/ভক্তিভরে তারে নো করাই ভাল।

    এর মানে কী?

    তারিণী সেন এর জবাব দিলেন না। একই ভাবে হাসতে লাগলেন।

    কত টাকা দিলে মূর্তিটা আপনি দিতে পারবেন?

    কেন? মূর্তিটা তুমি কেন চাইছ?

    আমার দাদুর ইচ্ছে ছিল, ওটা নিজের কাছে রাখার। সেই ইচ্ছে পূর্ণ করতে চাই।

    তারিণী সেন হাসলেন, তা লে ক্ষমা চাইতে নয়, মূর্তির জন্যে এসেছ আমার কাছে?

    এই গোপন সত্যটা মুখের ওপর বলে দিলেন বৃদ্ধ। অনুবাদ করতে করতে নিজেকে ঠিক রাখা বেশ মুশকিল হচ্ছিল অর্জুনের। ডরোথি হঠাৎ গলার স্বর পালটাল, কত টাকা পেলে মূর্তিটা দিতে পারবেন? দশ হাজার টাকা?

    তারিণী সেন অঙ্কটা শুনে যেন অবাক হয়ে গেলেন! কোনও কথা বলতে পারলেন না।

    ডরোথি আবার প্রশ্ন করল, ঠিক আছে, আপনাকে কুড়ি হাজার টাকা দেব আমি।

    এবার দ্বিতীয়া বৃদ্ধা চিৎকার করে উঠলেন, কথা বলছেন না কেন? কুড়ি হাজার টাকা। ওমা, আর ভাত-কাপড়ের অভাব হবে না।

    তারিণী সেন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর দিকে তাকালেন। টাকার অঙ্কটাকে বোধ হয় বিশ্বাস করতে পারছিলেন না ভদ্রলোক। অর্জুনের ভয় হচ্ছিল, উনি রাজি হয়ে যাবেন। সে চটপট বলে উঠল, ডরোথি, তুমি ভুল করছ। ভারত সরকারের অনুমতি ছাড়া এ-দেশ থেকে কোনও মূর্তি তুমি নিয়ে যেতে পারবে না। আর মূর্তির যদি পুরাতাত্ত্বিক মূল্য থাকে, তা হলে কখনওই সেই অনুমতি পেতে পারো না।

    ডরোথি শক্ত গলায় জবাব দিল, কীভাবে নিয়ে যাব সেটা আমার চিন্তা। ওঁকে তুমি জিজ্ঞেস করো মূর্তিটা ওই টাকায় দেবেন কি না!

    অর্জুন এবার মিথ্যাচার করল, আপনি যেটা ওর দাদুকে দেননি তা কি এখন মাত্র কুড়ি হাজার টাকায় দিয়ে দেবেন?

    মাত্র? কুড়ি হাজার মাত্র নাকি? মাড়োয়ারি দোকানদার আট আনাও দাম দেয়নি।

    অর্জুন কথাগুলো অনুবাদ করল না। সে বলল, ডরোথি, উনি বলছেন সে সময় ওই মূর্তির দাম ছিল তোমাদের টাকায় এক হাজার পাউন্ড।

    একথা উনি জানলেন কী করে?

    অর্জুন তারিণী সেনের দিকে তাকিয়ে বলল, তখন একশো টাকার লোভ ছেড়েছিলেন প্রাণের ভয়ে। এখন তো সেই ভয় নেই!

    তারিণী সেন এবার নীরবে মাথা নাড়লেন। সেটা দেখিয়ে অর্জুন বলল, উনি রাজি হচ্ছেন না। সেই সময় হাজার পাউন্ড দাম উঠলে এখন তো কোটি টাকা হবে ডরোথি। তুমি মাত্র কুড়ি হাজার টাকায় সেটা পাওয়ার আশা করতে পারো না।

    এটা ওঁর কথা, না তুমি আমাকে বলছ?

    আমিই বলছি।

    দ্যাখো অর্জুন, আমি আশা করছি তুমি আমাকে সহযোগিতা করবে। ওই মূর্তির জন্যে আমি অনেক খরচ করেছি। তুমি ভেবো না আমি তোমাকে বঞ্চিত করব। তুমি তোমার কমিশন পাবে। এখন ওঁকে বলো পঁচিশ হাজার টাকা আমি দেব। এরকম ভিখিরির মতো অবস্থায় পঁচিশ হাজার পেলে এরা বর্তে যাবেন।

    দ্বিতীয়া জিজ্ঞেস করলেন, কী বলছে?

    অর্জুন জবাব দিল, পঁচিশ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে পারে।

    দ্বিতীয়া স্বামীকে বললেন, অনেক কষ্ট করেছি। আর না। কোথায় রেখেছেন ওই মূর্তিটাকে? আপনি আমাকে কখনও বলেননি, দিদিকে বলেছেন?

    পেছনে দাঁড়ানো প্রথমা মাথা নেড়ে না বললেন নীরবে।

    দ্বিতীয়া এখন রুখে দাঁড়িয়েছেন, তা হলে দেখুন কী রকম মানুষ আপনি। এই বয়সেও গতর খাটিয়ে খাচ্ছি আর আপনি গুপ্তধন মাটিতে পুঁতে বসে আছেন। ফট করে মরে গেলে আমরা জানতেই পারব না ওটার কথা। আমাদের একটু ভাল থাকতে আপনি দেবেন না?

    বৃদ্ধ মাথা নিচু করে রইলেন কিছুক্ষণ। তারপর অর্জুনের দিকে তাকিয়ে বললেন, কালোর মধ্যে লাল আর লালের মধ্যে কালো/ভক্তিভরে তারে নমো করাই ভাল। চিতায় পা দিয়ে বসে আছি, এখন টাকা নিয়ে কী করব? অ্যাাঁ?

    অর্জুন কথাটা অনুবাদ করে ডরোথিকে শোনাতেই ডরোথি ব্যাগ খুলে কয়েকটা একশো টাকার নোট বের করে দ্বিতীয়া বৃদ্ধার কাছে এগিয়ে গেল, প্লিজ, ওকে রাজি করাও।

    দ্বিতীয় বৃদ্ধা ইংরেজি বুঝতে না পারলেও বেশ অনুমান করলেন ডরোথি কী বলতে চাইছে। কাঁপা হাতে টাকাগুলো নিয়ে তিনি স্বামীর কাছে ছুটে গেলেন, এই দ্যাখো টাকা, আগাম দিয়েছে। বলো, কোথায় রেখেছ মূর্তিটাকে?

    তারিণী সেন মাথা নাড়তে-নাড়তে বললেন, ভুলে গেছি।

    মিথ্যে কথা! তুমি ভুলে যাওয়ার লোক নও। ওই হেঁয়ালিটা প্রায়ই শোনাও। তোমাকে বলতেই হবে কোথায় রেখেছ।

    বললাম তো, ভুলে গেছি।

    আবার মিথ্যে কথা! রাজ্যের গল্প তোমার মনে আছে আর এটা ভুলে গেছ?

    অর্জুন উঠল। সে দেখল ইতিমধ্যে উঠোনে ভিড় জমে গেছে। গুঞ্জন শুরু হয়ে গেছে। তারিণী সেনের কাছে একটা মূর্তি আছে যার দাম অনেক। পঁচিশ হাজার দাম দিচ্ছে মেমসাহেব। এত টাকা পাওয়া যেতে পারে, এই গ্রামের মানুষ ভাবতেই পারে না! তারিণী সেনের সৌভাগ্যে তাদের মনে ঈর্ষা বাড়ছে। অর্জুন বলল, আপনি চিন্তা করে দেখুন। আমরা নাহয় কাল আসব।

    তারিণী সেন মাথা নাড়লেন ৷ ঃশব্দে। অর্জুনের মনে হচ্ছিল, বৃদ্ধ পুরো ব্যাপারটা বেশ উপভোগ করছেন। কিন্তু ওঁর ওপর যে অর্থনৈতিক চাপ, তাতে এখন মূর্তির হদিশ বলে না দেওয়া ছাড়া কোনও উপায় নেই। ওরা মন্দিরের সামনে ফিরে এল। ইতিমধ্যে জনতার আকার বেড়ে গেছে। একজন এগিয়ে এসে বলল, আমার কাছে ছোট-ছোট কিছু মূর্তি আছে। কিনবেন?

    ডরোথি জানতে চাইলে অর্জুন অনুবাদ করে শুনিয়ে দিল।

    কী ধরনের মূর্তি?

    পাথরের। আসুন না।

    অর্জুন তাকে বোঝাল, না ভাই। উনি বিশেষ একটা মূর্তির জন্যে এসেছেন, যে-কোনও মূর্তি কেনার বাসনা ওঁর নেই। কিন্তু লোকটি নাছোড়বান্দা। মূর্তি সে দেখাবেই। অর্জুনরা যাচ্ছে না দেখে সে একজনকে দিয়ে বাড়ি থেকে আনিয়ে নিল মূর্তিটা। অর্জুন দেখল চার ইঞ্চিটাক একটি মানুষের অবয়ব পাথর কেটে তৈরি করা হয়েছে। ডরোথি হাতে নিয়ে ঘুরিয়ে-ঘুরিয়ে দেখে বলল, এর জন্যে আমি বড়জোর পঞ্চাশ টাকা দিতে পারি।

    লোকটি ছোঁ মেরে ফিরিয়ে নিল, মামার বাড়ি! না দেখা মূর্তির জন্যে পঁচিশ হাজার, আর আমার জিনিস দেখে মাত্র পঞ্চাশ?

    ডরোথি কিনবে না, আর লোকটি বিক্রি করবেই। এই সময় ডাক্তারবাবু এসে উদ্ধার করলেন ওদের। একটু ফাঁকায় সরিয়ে নিয়ে বললেন, কী শুনছি মশাই! পঁচিশ হাজার…।

    ঠিকই শুনেছেন। তারিণীবাবুর মাথা এখনও ঠিক কী করে আছে জানি না!

    দিয়ে দিক। বাকি কটা দিন খেয়ে-পরে বাঁচবে তা হলে!

    আপনি একথা বলছেন?

    দেখুন, আমরা বাধা দিলে ওঁর তো কোনও উপকার হবে না। মূর্তি উদ্ধার হলে সরকার নিয়ে নেবে। হয়তো একটা নামমাত্র মূল্য দিতে পারে। তাও সেই টাকা উনি জীবিত অবস্থায় পাবেন কি না সন্দেহ। তার চেয়ে দিয়েই দিক।

    কিন্তু আমাদের দেশের কোনও অমূল্য সম্পদ বিদেশে চলে যাবে?

    এখন যে ওটা দেশে আছে তা আপনি কি জানেন? এতকাল যেখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছে সেখানেই তো চিরকাল থেকে যেতে পারত, ওই মেমসাহেব না এলে?

    অর্জুন মন্দিরটার দিকে তাকাল। ডাক্তারবাবু যা বলছেন তাতে নিশ্চয়ই যুক্তি আছে। কিন্তু পুরো ব্যাপারটার মধ্যে একটা লুকোচুরি আছে। এইটে কিছুতেই মেনে নেওয়া যেতে পারে না। অর্জুন অন্যমনস্ক হয়ে মন্দিরটাকে দেখছিল। ডাক্তারবাবু এখন ডরোথির সঙ্গে কথা বলছেন। বিকেল ঘন হয়ে এসেছে। পদ্মদিঘির পানায় এখন ঘন ছায়া। চোখ তুলতেই লাল মন্দিরটা নজরে এল। ছোটখাটো মন্দির। সে ধীরে ধীরে মন্দিরটার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। সেই গাইড হতে-চাওয়া লোকটি এসে বলল, এখন এই লাল মন্দিরে একটি শিবলিঙ্গ আছে। বেশিদিনের পুরনো না।

    মন্দিরটার রং লাল কেন?

    জানি না বাবু। এটার কথা কেউ ভাবে না। আমাদের বড় মন্দিরই আসল মন্দির।

    অর্জুন উঁকি মেরে শিবলিঙ্গ দেখতে পেল। কালো পাথরের গায়ে কেউ সাদা দাগ এঁকে রেখেছে মাহাত্ম্য বাড়াতে। সে জিজ্ঞেস করল, এখানে পুজো হয় না?

    জল-বেলপাতা পড়ে। তবে শিবরাত্রির দিন ঘটা করে হয়।

    সন্ধে হয়ে আসছিল। অর্জুন ডরোথিকে নিয়ে বাইকে উঠল। মিনিট কুড়ির মধ্যে ওরা তিস্তা ব্রিজে পৌঁছে গেল। চমৎকার সূর্যাস্ত হয়ে চলেছে তিস্তার বুকে। বাইক থামিয়ে ওরা রেলিঙের ধারে চলে এল। তিস্তায় এখন শীর্ণ জলের ধারা। আকাশে নানা রঙের মাখামাখি চলছে।

    হঠাৎ ডরোথি বলল, আমি খুব দুঃখিত, কিন্তু তোমার কাছে মিথ্যে না বলে উপায় ছিল না!

    অর্জুন হাসল, কিন্তু কিছু বলল না।

    ডরোথি বলল, আমি মূর্তি নিয়ে যাওয়ার জন্যে এসেছি এটা তোমাদের সরকার মেনে নেবে না তা এর আগের বার দিল্লিতে এসে জেনেছিলাম। অতএব এই কথাটা আমি প্রকাশ্যে বলতে পারব না। তোমাকেও বলিনি।

    মূর্তিটার কথা তোমার দাদু ডায়েরিতে লিখেছিলেন?

    হ্যাঁ। তারিণী সেন ছাড়া ওই দুজন বিপ্লবীর নামও ছিল ডায়েরিতে। দাদুর ধারণা ছিল তারিণী সেনের সঙ্গে কমলাকান্ত রায়ের যোগাযোগ আছে। মূর্তিটা কমলাকান্ত রায়কে লোকটা দিয়ে দিতে পারে। পরে বুঝেছিলাম, ভাবনাটা ভুল।

    ভুল কেন?

    ওঁর কাছে খবর এসেছিল কমলকান্ত রায় মূর্তিটার কথা জানেনই না।

    বেশ। এ-দেশে একটি মূর্তির কথা তোমার দাদু জেনেছিলেন। মূর্তিটা তাঁরও নয়। তবু এত বছর পরে সেটা পাওয়ার জন্যে তুমি মরিয়া হলে কেন?

    আমি বাধ্য হয়েছি।

    তার মানে?

    আট মাস আগে আমার বাড়িতে হামলা হয়েছিল। আমরা তখন বাড়িতে ছিলাম না। ফিরে এসে দেখি সমস্ত জিনিসপত্র তছনছ করে কিছু খোঁজা হয়েছে। পুলিশকে জানিয়েছিল। তারাও কোনও হদিশ করতে পারল না। এরপর ফোন পেলাম। তখনই জানলাম মূর্তিটার কথা। তার আগে আমি কখনও দাদুর ডায়েরি পড়িনি, ইচ্ছেও হয়নি।

    কার ফোন পেয়েছিলে?

    লোকটা তিব্বতি। যে তিব্বতিদের ওপর তারিণী সেন ডাকাতি করেছিল, ও তাদের বংশধর। শুধু ও না, তিব্বতীদের একটা সংগঠন ওই মূর্তি ফেরত চায়। ওদের ধারণা, আমার দাদু ওটা ইংল্যান্ডে নিয়ে এসেছেন। আমি ব্যাপারটা জানি না বললে ওরা বিশ্বাস করেনি। আমার ওপর সমানে চাপ দিয়ে যাচ্ছে। পুলিশের কাছে গেলে ওরা আরও মারাত্মক হতে পারে। শেষ পর্যন্ত ওরা আমার বাড়িতে আসা-যাওয়া আরম্ভ করল। আমি ওদের দাদুর লেখা ডায়েরি দেখালাম। ওরা সেই সময়ের একটা খবরের কাগজ এনে আমাকে দেখাল, যাতে দাদুর ইন্টারভিউ ছাপা হয়েছে। দাদু বলেছেন এক হাজার পাউন্ড পেলে মূর্তিটা তিনি বিক্রি করতে রাজি আছেন। কাগজটি অবাক হয়ে লিখেছিল, মিস্টার রিচার্ড ম্যাকডোনান্ড কী এমন জিনিসের মালিক হয়েছেন জানা নেই, তবে এক হাজার পাউন্ড মূল্য জিনিসটিকে আরও মূল্যবান করে দিয়েছে। তিব্বতিরা বলল, ওই কাগজের ইন্টারভিউ প্রমাণ করছে দাদু মূর্তিটা পেয়ে গিয়েছিলেন। আমি ফাঁপরে পড়ি। আমার পূর্বপুরুষের দায় মেটানো ছাড়া কোনও উপায় নেই। গত বার দিল্লিতে এসে খোঁজখবর নিলাম। ওদের একজন লোক আমাকে সাহায্য করল। ওরা চাইছে আমি সব করি, কারণ মূর্তিটা যে আমার কাছে নেই, সেটা আমাকেই প্রমাণ করতে হবে।

    তার মানে তারিণী সেন মুর্তিটা দিয়ে দিলে তুমি তিব্বতিদের সেটা ফিরিয়ে দেবে?

    হ্যাঁ। ঠিক তাই।

    গতরাত্রে তুমি যাদের সঙ্গে গ্রামে যেতে চেয়েছিলে, তারা কে?

    ডরোথি একটু অবাক হল! কিন্তু সেটা সহজেই কাটিয়ে উঠে বলল, ওদের একজনের বাবা তিব্বতি মা ব্রিটিশ। আর-একজন বাঙালি। বাঙালি লোকটি শিলিগুড়িতে থাকে, আর প্রথমজন আমার সঙ্গে এসেছে। এয়ারপোর্টে তুমি বুঝতে পারোনি।

    অমল সোমের সঙ্গে তোমার আলাপ হয়েছিল?

    হ্যাঁ। ওই তিব্বতিরাই আলাপ করিয়ে দেয়। একজন বিদেশির পক্ষে এত বছর পরে তারিণী সেনকে খুঁজে বের করা মুশকিল। আমরা পুলিশকেও জানাতে চাইনি। এই শহরে তুমি প্রাইভেট গোয়েন্দাগিরি করো। তোমাকে মিস্টার সোম অনুরোধ করলে তুমি কিছুতেই না বলবে না, এটা ওরা জেনেছিল।

    অর্থাৎ আমার সব কিছুই তুমি জানো?

    কিছুটা। তাই তোমার সঙ্গে অভিনয় করতে হচ্ছে।

    এখন তো তারিণী সেনকে পেয়ে গেছ। তিব্বতিদের বলছ না কেন ওর কাছে গিয়ে মূর্তিটা নিয়ে নিতে। তারিণী সেন তো স্বীকার করেছে ওর কাছেই আছে।

    ওরা তাই করবে। কিন্তু আমি চাইনি, ওরা তারিণী সেনের ওপর অত্যাচার করুক। মানুষটি কী গরিব! আমার দাদু ওর ওপর যে অত্যাচার করেছেন, তা নিজের চোখেই দেখেছি। আমার মনে হয়েছে অন্তত পঁচিশ হাজার টাকা দিলে ও যদি ভালভাবে থাকে তাহলে দাদুর পাপের কিছুটা প্রায়শ্চিত্ত করতে পারি।

    মুর্তিটার জন্যে তিব্বতীরা এত বছর পরে সক্রিয় হল কেন?

    ওরা নাকি দীর্ঘদিন ধরে সন্ধান চালিয়েছে। ওই মূর্তি ওদের সৌভাগ্যের প্রতীক। শেষ পর্যন্ত ওরা আমার দাদুর দেওয়া ইন্টারভিউ পড়ে আমার কাছে আসে।

    অর্জুন চুপচাপ শুনল। ডরোথির কথা বিশ্বাস করবে কিনা সেটা নিয়ে পরে ভাবা যাবে। সে চুপচাপ বাইক চালিয়ে ডরোথিকে তিস্তা ভবনে পৌঁছে দিল। বাইক থেকে নেমে ডরোথি জিজ্ঞেস করল, তুমি কিছু বললে না?

    না। আমার মনে হয় তুমি আগামীকাল বন্ধুদের সঙ্গে ফিরে যেতে পারো। সেক্ষেত্রে আমার সাহায্য আর দরকার হবে না। আজ রাত্রেই তো তোমার বন্ধুরা জেনে যাবে, তারিণী সেনের কাছে মুর্তিটা আছে। কিন্তু লোকটার যদি কোনও ক্ষতি হয়, তা হলে আমি চুপ করে বসে থাকব না। ডরোথি কোনও জবাব দিল না। অর্জুন ওকে চুপচাপ দাঁড় করিয়ে রেখে বাইকে স্পিড তুলল।

    থানায় পৌঁছে দেখল অবনীবাবু জিপে উঠতে যাচ্ছেন। ওকে দেখে বললেন, ফিরে এলেন? ঠিক বিকেলবেলায় মিনিস্টার এসে হাজির। ইচ্ছে থাকলেও বেরোতে পারলাম না!

    মিনিস্টার আছেন না গেছেন?

    আছেন। সার্কিট হাউসে। কিন্তু এখন আমি ফ্রি।

    আপনার সঙ্গে অনেক কথা আছে।

    ভেতরে ঢুকে সমস্ত ঘটনা খুলে বলল অর্জুন। ভদ্রলোক বেশ উত্তেজিত হয়ে পড়লেন, অসম্ভব। জিনিসটা যে তিব্বতিদের, তা ওদের প্রমাণ দিতে হবে। দেশের আইন মেনে ওদের আবেদন করতে হবে, যদি ওটা ধর্মীয় মূর্তি হয়। এভাবে নিয়ে যেতে পারে না এবং দেব না।

    দেবেন না ঠিক, কিন্তু আপনার কাছে থাকলে তো ওই প্রশ্ন উঠছে।

    তারিণী সেন তা পঁচিশ হাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে?

    এখনও রাজি হয়নি।

    তা হলে ওঁকে গিয়ে বলা যাক মূর্তিটার হদিশ দিতে।

    যে-মানুষ টাকার বিনিময়ে এ র দেয়নি, সে পুলিশের ধমকে দেবে—এটা বোধ হয় একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে।

    আশ্চর্য! আরে, হাজার হোক জিনিসটা তো ডাকাতি করে পাওয়া। ডাকাতির জিনিস তো ইললিগ্যাল জিনিস। সেটা লুকিয়ে রাখা তো অবৈধ ব্যাপার। এটা বুঝিয়ে বলব।

    পঞ্চাশ বছর লুকিয়ে রাখলে সেটা আর অবৈধ কতখানি থাকে তা জানি না। এদেশ থেকে কয়েক শো বছর আগে হিরে-মানিক ডাকাতি করে বিদেশিরা নিয়ে গিয়েছিল। তার একটাও ফেরত পেয়েছি কি আমরা? ওভাবে হবে না। আমার খুব ভয় হচ্ছে তারিণী সেন রাজি না হলে ওরা ওঁর ওপর অত্যাচার করবেই। এত দূরে যারা এত বছর পরে আসতে পারে, তারা কিছুতেই হার মানবে না। ওঁকে প্রোটেক্ট করা উচিত।

    ঠিক আছে, আমি ময়নাগুড়ি থানাকে অনুরোধ করছি যাতে ওঁর বাড়ির সামনে পুলিশ পাহারা দেয়। এস.পি সাহেবের সঙ্গেও কথা বলতে হবে। অবনীবাবু ফোন তুললেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article তেরো পার্বণ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }