Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প622 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. এখন কিছু করার নেই

    সত্যি, এখন কিছু করার নেই। রাত্রে শুয়ে-শুয়ে ভাবছিল অর্জুন। বৃদ্ধ তারিণী সেনের ইচ্ছের ওপর সব কিছু নির্ভর করছে। তিনি যদি ওদের দিতে চান, তা হলে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে। মূর্তিসমেত ওদের ধরে ফেললে বিচারের ব্যবস্থা হতে পারে। কিন্তু যদি না দেন, তা হলে হাজার চাপ দিয়েও পুলিশ বৃদ্ধের কাছ থেকে খবর বের করতে পারবে না।

    আজ রাত্রে তিব্বতি ভদ্রলোক ডরোথির কাছে সব শুনবে। ওরা মূর্তির জন্য এসেছে, তা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় ওরা আরও সতর্ক হবে। ওরা নিশ্চয়ই জানে, পুলিশ ওদের কাছে মূর্তি পেলে ছাড়বে না। মূর্তি না পাওয়া পর্যন্ত ওদের কিছু করার ক্ষমতা পুলিশের নেই। এক্ষেত্রে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ওরা মূর্তি নিয়ে সরে পড়তে চাইবে। এবং সেটা আজ রাত্রেই।

    ময়নাগুড়ি থানা থেকে পুলিশ নিশ্চয়ই এর মধ্যে পূর্বর্দহে পৌঁছে গিয়েছে। পুলিশ থাকতে ওরা কী করে তারিণী সেনের কাছে পৌঁছবে? অর্জুন ভেবে পাচ্ছিল না। এই সময় মা ঘরে ঢুকলেন, কিরে ঘুমোসনি? সারাদিন কোথায় টো-টো করে ঘুরিস?

    অর্জুন উঠে বসল, আচ্ছা মা, একটা ধাঁধা শোনো। কালোর মধ্যে লাল আর লালের মধ্যে কালো/ ভক্তিভরে তারে নমো করাই ভালো। মানে কিছু বুঝলে?

    মা একটু ভাবলেন, এ কী রকম দেবতা রে?

    দেবতা বলে মনে হচ্ছে?

    হ্যাঁ। নমো করার কথা বলছে তো। নমো করা ভালো। তার মানে কেউ-কেউ নমো করে না তাই করতে বলছে।

    কেউ-কেউ করে না, তাই করতে বলছে? অৰ্জুন লাফিয়ে উঠল। মাকে জড়িয়ে ধরে সে চেঁচাল, ইউরেকা! পেয়ে গেছি। আর তখনই টেলিফোন বাজল।

    দৌড়ে গিয়ে রিসিভার তুলল অর্জুন, হ্যালো!

    এত রাত্রে বিরক্ত করলাম। দুঃখিত। অবনীবাবুর গলা, একটা খারাপ খবর আছে।

    বলুন।

    তারিণী সেন হঠাৎ খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    আপনি কোথেকে খবর পেলেন?

    এইমাত্র ময়নাগুড়ির পুলিশ জানাল। ওরা গ্রামে যাওয়ার পর ঘটনাটা ঘটে।

    কোন হাসপাতালে আছেন?

    সম্ভবত ময়নাগুড়ির হাসপাতালে।

    খোঁজ নিন। হাসপাতালে যেন পাহারা থাকে।

    আমি এস পি সাহেবকে বলেছি। উনিও ময়নাগুড়িকে নির্দেশ দিয়েছেন।

    ভাল। অবনীবাবু, আমি এখনই বের হচ্ছি। আপনি যাবেন?

    একটু দ্বিধা করলেন অবনীবাবু। তারপর বললেন, চলুন।

    ময়নাগুড়ির হাসপাতালে ওরা যখন পৌঁছল, তখন রাত বারোটা। অবনীবাবুর জিপেই এসেছে অর্জুন। হাসপাতালে পৌঁছে ওরা অবাক! তারিণী সেনকে ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়নি। সঙ্গে সঙ্গে থানায় যাওয়া হল। ও সি ছিলেন না। একজন এস আই বললেন, সন্ধের পর যে দুজন পুলিশকে পূর্বহে পাঠানো হয়েছিল, তারাই ফিরে এসে খবর দিয়েছে ওঁর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কথা। সেই পুলিশ কনস্টেবলদের সঙ্গে কথা বলতে চাইল অর্জন। দুজনেই থানায় ছিলেন। প্রশ্নের জবাবে তাঁরা বললেন, হুচলুডাঙা থেকে পূর্বহে যাওয়ার পথে ওঁরা একটা গাড়ি দেখতে পান। কৌতূহলবশে গাড়িটি থামাতেই কয়েকজন মানুষ বলে ওঠে, পেশেন্ট আছে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। গাড়িতে একজন বৃদ্ধের পাশে মহিলাও ছিলেন। তারপর তাঁরা পূর্বদহে পৌঁছে শুনতে পান, তারিণী সেন বিকেলবেলায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। ডাক্তার তাঁকে ইঞ্জেকশন দেন। কিন্তু অবস্থা খারাপ হতে থাকে। এই সময় একটা গাড়ি হঠাৎই গ্রামে আসে। সেই গাড়িতে কবে ওঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    অর্জুন গম্ভীরমুখে বলল, দোষ মাল। গাড়িটা কি কালো অ্যাম্বাসাডার?

    হ্যাঁ সার।

    অর্জুন উঠে দাঁড়াল। অবনীবাবু জিজ্ঞেস করলেন, জলপাইগুড়ির হাসপাতালে খবর নেব?

    নিন। কিন্তু লাভ হবে বলে মনে হয় না।

    টেলিফোনে যোগাযোগ করা হল। থানার টেলিফোন বলে লাইন পেতে অপেক্ষা করতে হল না। জলপাইগুড়ির হাসপাতাল জানাল, তারিণী সেন নামের কোনও বৃদ্ধকে আজ বিকেলের পর ওখানে ভর্তি করা হয়নি। অর্জুন বলল, চটপট পূর্বদহে চলুন। দেরি করলে দুকূলই যাবে।

    জিপে উঠতে-উঠতে অবনীবাবু জিজ্ঞেস করলেন, দুকূলই মানে?

    তারিণী সেনের জীবন এবং মূর্তি।

    পূর্বর্দহে তখন কোনও প্রাণী জেগে নেই। এমন কি গ্রামের কুকুরগুলোও গলা খুলছে না। অর্জুন সোজা ডাক্তারবাবুর দরজায় হাজির হল মন্দিরের সামনে গাড়ি রেখে। খানিকটা ডাকাডাকির পর ডাক্তারবাবু বেরিয়ে এলেন ঘুম-চোখে। অর্জুন অবনীবাবুর পরিচয় দিয়ে জিজ্ঞেস করল, আমি চলে যাওয়ার পর তারিণীবাবুর কী হয়েছিল?

    উত্তেজনা। আর তা থেকে বুকে ব্যথা শুরু হয়ে গিয়েছিল। হার্ট অ্যাটাক বলব না, তবে যে কোনও মুহূর্তে হতে পারত। হয়নি যে তা বলব না, কারণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর আমি কোনও খবর পাইনি। ভদ্রলোক ধাতস্থ হচ্ছিলেন।

    আপনি ইঞ্জেকশন দিয়েছিলেন?

    হ্যাঁ।

    যারা ওঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেল তাদের আপনি চিনতেন?

    ওই যারা সকালে এসে টাকা দিয়ে গিয়েছিল, তারাই ফিরে এসেছিল।

    আপনি জানতেন ওরা কী উদ্দেশ্যে আসা-যাওয়া করছে। জানতেন না?

    ডাক্তার বললেন, দেখুন মশাই, আমি চাইব পেশেন্টের প্রাণ বাঁচুক। ওরা হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইল, তখন দ্বিতীয় কোনও উপায় নেই এই গ্রাম থেকে বৃদ্ধ মানুষটাকে নিয়ে যাওয়ার, মনে হয়েছিল ভগবানই ওদের পাঠিয়েছেন। তা ছাড়া আমি তারিণীবাবুর গার্জেন নই যে, ঠিক করব কার সঙ্গে যাবে বা না যাবে। মৃত্যুপথযাত্রীর কোনও পছন্দ থাকে না।

    ওঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়নি।

    সে কী!

    অন্তত ময়নাগুড়ি বা জলপাইগুড়ির হাসপাতালে ওরা যায়নি। দ্রুত চিকিৎসার জন্যে এ-দুটো জায়গায় নিয়ে যাওয়া স্বাভাবিক ছিল। সঙ্গে কে গেছেন?

    ওঁর দ্বিতীয় স্ত্রী।

    প্রথমজন কোথায়?

    বোধ হয় বাড়িতেই আছেন।

    অর্জুন ওঁদের নিয়ে মন্দিরের সামনে এসে চারপাশে তাকাল। তারপর অবনীবাবুকে বলল, আপনি জিপটাকে এমনভাবে সরিয়ে রাখুন যাতে এখানে এসে কেউ দেখতে না পায়।

    কেন?

    যারা তারিণী সেনকে নিয়ে গেছে তাদের মনে হচ্ছে, আজই আবার এখানে আসতে হবে।

    অবনীবাবু যখন জিপটাকে আড়ালে নিয়ে যাচ্ছিলেন তখন অর্জুন ডাক্তারবাবুকে জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা, ওরা কেন ফিরে এসেছিল সে ব্যাপারে কিছু বলেছে?

    হ্যাঁ। শিলিগুড়িতে ফিরে যাওয়ার আগে ওরা দেখে নিতে চায় উনি কেমন আছেন? আমরা তখন হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছিলাম। এখন… আচ্ছা, শিলিগুড়িতে নিয়ে যায়নি তো?

    জানি না। ওরা তাই বলেছে?

    না। শুধু জিজ্ঞেস করেছিল যে দোমহনিতে যাওয়ার কোনও শর্টকাট রাস্তা আছে কি না।

    অর্জুন অবাক হল, দোমহনি?

    হ্যাঁ।

    তা হলে কি ভূল হল! রিচার্ড ম্যাকডোনাল্ড প্রায়ই তিস্তা পেরিয়ে দোমহনিতে আসতেন। কমলাকান্ত রায়কে ওখানেই অত্যাচারের শিকার হতে হয়েছিল। ওখান থেকেই তারিণী সেন তাঁকে বহন করে নিয়ে গিয়েছিলেন বার্নিশে। তারিণী সেনের হাতকাটা হয়েছিল দোমহনির লালকুঠিতে। সেখানকার খোঁজ নিয়েছে যখন, তখন…। অর্জুন বুঝতে পারছিল না। লালকুঠির রং নিশ্চয়ই লাল। ওই হেঁয়ালির ছড়া কি সেই লালকুঠিকে কেন্দ্র করে? ওখানেই কি মূর্তিটা রাখা আছে? এ কি সম্ভব হবে। তারিণী সেনের মতো মানুষ, যিনি ভাল করে হাঁটতে পারেন না, তিনি কাছাকাছি না রেখে অত দূরে লুকিয়ে রাখবেন? সে ধীরে-ধীরে লাল মন্দিরটার দিকে এগিয়ে যেতে অবনীবাবু তার সঙ্গ নিলেন। এখন আকাশে হাজার তারার ফিকে আলো। পৃথিবীতে অন্ধকার থাকলেও সেই আলোয় খানিকটা দৃষ্টি যায়। ছোট মন্দিরটাকে ঘুরে দেখল অর্জুন। কালোর মধ্যে লাল আর লালের মধ্যে কালো/ ভক্তিভরে তারে নমো করাই ভালো। লালের মধ্যে কালো দেখা যাচ্ছে, লাল মন্দিরের ভেতরে কালো শিবলিঙ্গ। কিন্তু কালোর মধ্যে লাল কোথায়? অবনীবাবু টর্চ জ্বেলে চারপাশে দেখে নিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কী খুঁজছেন?

    ছড়াটা মনে আছে? কালোর মন, লাল…?

    হ্যাঁ। কিন্তু এখানে কালো কোথায়?

    কিন্তু লালের মধ্যে কালো আছে। ওই শিবলিঙ্গ। টর্চটা দিন তো। সে জুতো খুলে মন্দিরে ঢুকল। দেওয়ালে আলো ফেলতেই দেখতে পেল ঠিক মাঝখান বরাবর একটা মোটা কালো দাগ চারপাশে আঁকা রয়েছে। এরকম দৃশ্য অভিনব। ভেতরে একমাত্র শিবলিঙ্গ ছাড়া আর কিছু নেই। সে লিঙ্গের সামনে হাঁটু মুড়ে বসল। কিছু শুকনো ফুলপাতা ছড়ানো রয়েছে। সেগুলোকে সরিয়ে মূর্তির পূর্ণ অবয়ব দেখল। মন্দিরের মেঝে ভেদ করে যেন উঠে এসেছে। অন্তত দশ ইঞ্চি মোটা। ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আলো ফেলতে হঠাৎ স্থির হয়ে গেল অর্জুন। কালো শিবলিঙ্গের ঠিক নীচের দিকটায় যেন জোড়ের দাগ। জায়গাটায় রঙ করে দেওয়া হয়েছিল কি। সে একটা শক্ত কাঠি তুলে ঘষতে লাগল। কিছুক্ষণ পরে সেখানে জোড়ের দাগ স্পষ্ট হল। এই ব্যাপারটা হয়তো অধার্মিক হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বাবা বিশ্বনাথ নিশ্চয়ই ক্ষমা করবেন।

    এই সময় ডাক্তারবাবুর গলা কানে এল, এটা আপনি কী করছেন?

    অর্জুন উঠে দাঁড়াল। দেবমূর্তিকে নষ্ট করার কোনও বাসনা তার নেই। তবু…। সে জিজ্ঞেস করল, এই শিবলিঙ্গ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?।

    আমার জন্মের আগে।

    অর্জুন ধীরে-ধীরে বেরিয়ে এল বাইরে, গ্রামের মানুষ মন্দিরটাকে গুরুত্ব দেয়?

    শিবরাত্রির দিন অবশ্যই দেয়।

    শিবরাত্রির দিন বটগাছের তলায় পড়ে-থাকা পাথরও তো গুরুত্ব পায়।

    আপনি কী বলতে চাইছেন?

    শিবলিঙ্গের নিচের দিকে একটা জোড় দেখতে পেলাম। তার মানে ওখানে কোনও মেরামতি হয়েছে। মন্দিরের বাইরের রঙ লাল, ভেতরে কালো দাগ, কালো দাগের মধ্যে আবার কালো শিবলিঙ্গ, এমন তো হতে পারে তারিণী সেন ছড়া মেলাতে ইচ্ছে করে শব্দ দুটো উলটে দিয়েছেন। লালের মধ্যে কালো না বলে কালোর মধ্যে লাল বলেছেন। শিবলিঙ্গের যেখানটা মেরামতি হয়েছে। সেখানে অল্প লাল রং মাখানো আছে। তা হলে অবশ্য কালোর মধ্যে লাল বলতে আপত্তি নেই। অর্জুন জোরে-জোরেই কথাগুলো উচ্চারণ করছিল। তারপর সে অবনীবাবুকে বলল, এই মন্দিরটাকে পাহারার ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা পুরাতত্ত্ব বিভাগকে জানাব। যা ব্যবস্থা করার, তারাই করবে।

    অবনীবাবু জিজ্ঞেস করলেন, আপনার কি সন্দেহ হচ্ছে মূর্তিটা ওখানেই লুকোন আছে?

    আমি যদি নিঃসন্দেহ হতাম, তা হলে তো এখনই খুঁড়ে ফেলতাম। আপনি এক কাজ করুন। জিপ নিয়ে ময়নাগুড়ি চলে যান। ওখানে ফোর্স পাবেন। আজই দোমহনির লালকুঠিতে তল্লাশি চালান। মনে হয়, তারিণী সেনকে ওখানে পেয়ে যাবেন।

    আপনি যাবেন না?

    আমি এখানে পাহারায় থাকতে চাই, যতক্ষণ না সকাল হয়।

    ডাক্তারবাবু বললেন, আপনি আমার ওপর ভরসা করতে পারেন। এটা আমার গ্রামের মন্দির। আমি এখনই লোকজনকে ডাকছি…।

    না। লোকজন ডাকলে চলবে না। আমার সন্দেহ যদি সত্যি হয়, তা হলে ওরা এখানে আসবে। লোকজন দেখলে ওরা ধরা দেবে না।

    অবনীবাবু চলে গেলেন। ওঁর জিপের আলো অন্ধকারে মিলিয়ে গেল। ডাক্তারবাবু উসখুস করছিলেন। মন্দিরের চাতালে অর্জুন বসেছিল তাঁর পাশে। চারপাশ নিঃশব্দ, পাতলা অন্ধকারে মাখামাখি। ডাক্তারবাবু হঠাৎ জিজ্ঞেস করলেন, আচ্ছা অৰ্জুনবাবু, এসব করে আপনার কী লাভ হয়? এই কেসে তো আপনার কোনও ক্লায়েন্ট নেই যে, টাকা দেবে।

    অর্জুন হাসল, টাকার চেয়ে অনেক বেশি পাব, যদি দেশের জন্যে মূর্তিটা বাঁচাতে পারি।

    কিন্তু আপনারও তো টাকা দরকার।

    তা তো অবশ্যই।

    চলুন, শুয়ে পড়বেন। আমার ওখানে ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। ভদ্রলোক উঠে দাঁড়ালেন।

    হঠাৎ অর্জুন প্রশ্ন করল, আপনাকে ওরা কত টাকা ফি দিয়েছে?

    লোকটি যেন হকচকিয়ে গেল, মা-মানে?

    আপনার সাহায্য ছাড়া ওরা তারিণী সেনকে নিয়ে যেতে পারত না।

    হ্যাঁ। উনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।

    আমি বিশ্বাস করি না। আপনাকে আমি ওদের সম্পর্কে সচেতন করে গিয়েছিলাম, কিন্তু আপনি টাকার লোভে সেটা শোনেননি।

    আপনি কি মনে করছেন তারিণী সেনের ক্ষতি করতে চেয়েছি আমি?

    না। ওরা আপনাকে বুঝিয়েছে যে, ওঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে রোগ সেরে যাবে, আর এটা আপনি টাকার বিনিময়ে বুঝেছেন। তাই তো?

    এবার ভদ্রলোকের গলার স্বর পালটাল, বিশ্বাস করুন, আমি ভাবতে পারিনি ওরা ওঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে না।

    আপনি যান। শুয়ে পড়ন।

    ডাক্তারবাবু মন্দিরটার দিকে তাকালেন। তারপর ধীরে ধীরে উঠে গেলেন।

     

    রাত থাকতেই গাড়ির হেডলাইট দেখা গেল। অর্জুন একা বসে ছিল, এবার দৌড়ে একটা আড়ালে চলে গেল। ওরা যদি তারিণী সেনের কাছে খবর নিয়ে মূর্তির জন্য ফিরে আসে, তা হলে তা পক্ষে একা বাধা দেওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে কোনও অস্ত্রও নেই। এক্ষেত্রে একমাত্র উপায়, গ্রামের লোকদের জাগানো।

    না, কালো অ্যাম্বাসাডার নয়। একটা পুলিশ ভ্যান থামল মন্দিরের সামনে। অর্জুন বেরিয়ে আসতেই ময়নাগুড়ি থানার এস আইকে চিনতে পারল। সে জানতে পারল, থানায় খবর দিয়ে অবনীবাবু ও সি-কে নিয়ে রওনা হয়ে গেছেন দোমহনির দিকে। ভদ্রলোককে কী করতে হবে বুঝিয়ে দিয়ে অর্জুন অনুরোধ করল তাকে ভ্যানে করে দোমহনিতে পৌঁছে দিতে।

    দোমহনি এমন কোনও বড় জায়গা নয়। এক সময় বেঙ্গল ড়ুয়ার্স রেলপথের স্টেশন ছিল। তখন একটা রেলওয়ের কারখানাও এখানে অনেককে অন্ন দিত। এখন ওসব নেই, দোমহনির দিন গিয়েছে। অর্জুন যখন পুলিশ ভ্যানে চেপে দোমহনিতে পৌঁছল, তখন অন্ধকার অনেক হালকা। কিছু কিছু মানুষ এই সময় বিছানায় থাকতে পারে না, তাদের একজনকে জিজ্ঞেস করে ওরা লালকুঠিতে পৌঁছল। অনেকটা নির্জনে ব্রিটিশ আমলের প্রায় পোড়ড়া বাড়িটির সামনে অবনীবাবুর জিপ দাঁড়িয়ে আছে। দুজন পুলিশ পাহারায়। তাদের কাছে জানা গেল, সাহেবরা ভেতরে গিয়েছেন।

    সাহেব শব্দটার অর্থ এখন বদলে গেছে। উচ্চপদস্থ মানুষকে সম্মান জানানোর জন্য সাহেব বলা হচ্ছে। অর্জুনের এটা পছন্দ হয় না। কেমন একটা কমপ্লেক্স আছে,যেন শব্দটিতে। অর্জুন গেট পেরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই অবনীবাবুর সঙ্গে দেখা। তিনি ময়নাগুড়ির ও সির সঙ্গে বেরিয়ে আসছিলেন, না, মশাই। এখানে কেউ নেই। সমস্ত বাড়ি খুঁজেছি। সব খালি। কিছু লোক এখানে রাত্রে শোয়, তারা বলল কয়েক বছরের মধ্যে কেউ এখানে আসেনি।

    অর্জুন মাথা নাড়ল। তাপপর বলল, চলুন, জলপাইগুড়িতে ফিরে যাই।

    যাওয়ার আগে ময়নাগুড়ির ও সি-কে সে বিস্তারিত বলে গেল লাল মন্দিরটার সম্পর্কে। এস আই যে ওখানে পাহারায় আছেন তা যেন কখনওই তুলে নেওয়া না হয়।

    তিস্তা ব্রিজ পেরিয়ে থানার দিকে যেতে-যেতে ভোর হয়ে এল। অর্জুন বলল, আমাদের একবার তিস্তা ভবনে যাওয়া উচিত।

    কেন?

    অনেকক্ষণ ডরোথির খবর নেওয়া হয়নি।

    অবনীবাবু থানা পেরিয়ে গেলেন।

    দূর থেকেই কালো অ্যাম্বাসাডারটাকে দেখতে পেল ওরা। তিস্তা ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। ঠিক পেছনে জিপ দাঁড় করিয়ে অবনীবাবু রিভলভারটা বের করলেন। গাড়িতে কেউ নেই। ওরা গেট পেরিয়ে ভেতরে ঢুকল। চৌকিদারটার দর্শন পাওয়া যাচ্ছে না। সোজা সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতেই নীচের লনে শব্দ হল। কয়েকজন যেন দ্রুত ছুটে যাচ্ছে। তড়িঘড়ি নেমে এলেন অবনীবাবু। দুটো মানুষ ততক্ষণে গেটের কাছে পৌঁছে গেছে। গুলি করবেন কি না চিন্তা করার আগেই ওরা কালো অ্যাম্বাসাডারে উঠে বসল। অবনীবাবু ছুটে গেলেন চিৎকার করতে করতে। গাড়িটি ততক্ষণে মুখ বদল করে ছুটে যাচ্ছে শহরের দিকে।

    অবনীবাবু চিৎকার করলেন, চলে আসুন! ওদের ধরবই!

    অর্জুন হাত নেড়ে না বলল। অবনীবাবু শুনলেন না। জিপ চালু করে অনুসরণ করলেন।

    অর্জুন ওপরে উঠে এল। ডরোথির ঘরের দরজা খোলা। ঘরে ঢুকে সে অদ্ভুত দৃশ্য দেখতে পেল। তারিণী সেন তার বিছানায় শুয়ে আছেন। পায়ের কাছে ওঁর দ্বিতীয় স্ত্রী গালে হাত দিয়ে বসে আছেন। পাশের চেয়ারে বসে ডরোথি ওর দিকে তাকাল, উনি ঘুমোচ্ছন।

    কেমন আছেন উনি?

    ভাল।

    ওঁকে এখানে নিয়ে এসেছ কেন?

    উনি নিজের ইচ্ছায় এসেছেন। আমি জোর করে আনিনি। ওঁর স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করো।

    ওঁকে তোমরা হাসপাতালে ভর্তি করবে বলে নিয়ে এসেছ!

    আমি তো কিছুই জানি না। আমি কোনও প্রমিস করে ওঁকে আনিনি। উনিই আমার সঙ্গে সস্ত্রীক দেখা করতে এসেছেন। জিজ্ঞেস করো।

    অর্জুনের মনে হল তারিণী সেনের দ্বিতীয় স্ত্রীকে প্রশ্ন করলে ওই জবাবই পাওয়া যাবে। সে জিজ্ঞেস করল, তোমার সঙ্গীরা পালাল কেন?

    এর উত্তর ওরা দিতে পারবে। আমি নই।

    মূর্তির সন্ধান পেয়েছ?

    নাঃ। এই বৃদ্ধ বড় শক্ত মানুষ। কিছুতেই ভাঙবেন না। আমি ওঁকে শেষ পর্যন্ত দু লক্ষ টাকার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। কিন্তু উনি ওই একই কবিতা বলে যাচ্ছেন।

    অর্জুন বৃদ্ধাকে জিজ্ঞেস করল, দু লক্ষ টাকাতেও উনি বলতে রাজি নন?

    বৃদ্ধা বিকৃত মুখ করে জবাব দিলেন, মাথাটা একদম খারাপ হয়ে গেছে।

    এই সময় তারিণী সেন চোখ খুললেন। অর্জুনকে দেখে হাসলেন।

    অর্জুন এগিয়ে এল, মূর্তিটার হদিশ দিলেন না?

    যে পারো খুঁজে নাও।

    আপনাকে এখানে জোর করে ধরে নিয়ে আসা হয়েছে?

    তারিণী সেন ডরোথির দিকে তাকালেন, ছেলেমানুষ।

    টাকার লোভেও ওদের মূর্তিটা দিলেন না? অর্জুন বিছানার পাশে দাঁড়াল।

    হাত বাঁচাতে যখন দিইনি, তখন…।

    কেন দিচ্ছেন না?

    আমি ছিলাম ডাকাত। কমলাবাবু স্বাধীনতা সংগ্রামী। তাঁর কাছে কিছু। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, আমিও তো কিছু করতে পারি। দেশের জন্যে।

    অর্জুন শিহরিত হল। তারপর বৃদ্ধের কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে ফিসফিস করে কিছু বলল। বৃদ্ধ মাথা নাড়তে লাগলেন, হল না, হল না।

    তা হলে?

    কমলা খাও। বুদ্ধি খুলবে।

    ঠিক এই সময় অবনীবাবু ফিরে এলেন। লোক দুটো ধরা পড়েছে। তাদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ডরোথির ব্যাপারে কী করা হবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা দরকার। ওদের কারও বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগ টিকবে না। মূর্তিটা পাওয়া না গেলে সেটাকে চুরি করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা যাবে না। অর্জুনের মতে ডরোথিকে তার দেশে চলে যেতে দেওয়া উচিত। মেয়েটা কখনওই জাত-অপরাধী নয়। অপরাধীরা নিজের অন্যায় আগেভাগে স্বীকার করে না। তারিণী সেনকে পূর্বহে ফিরিয়ে দেওয়ার আগে জলপাইগুড়ির হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডাক্তার দেখাতে হবে।

    অবনীবাবু একা বৃদ্ধকে পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি বলছেন লাল মন্দিরে মূর্তি নেই?

    কিছুই বলিনি। বড্ড ঘুম পাচ্ছে।

    অনুগ্রহ করে বলুন না!

    কমলার রঙ লাল। কমলা খেয়েছ কখনও? বৃদ্ধ হাসতে লাগলেন।

    ওঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল চেক-আপের জন্য। ওঁর স্ত্রীও সঙ্গে গেলেন। ডরোথির পাসপোর্ট নিয়ে গেলেন অবনীবাবু। সে রইল তিস্তা ভবনেই। সিদ্ধান্ত নিয়ে দুপুরের মধ্যে জানিয়ে দেবেন, ডরোথি ফিরে যেতে পারবে কি না!

    সকালের রাস্তায় হাঁটছিল অর্জুন। বাবুপাড়ায় কমলাকান্ত রায়ের বাড়ির সামনে পৌঁছে সে বৃদ্ধকে দেখতে পেল। ভদ্রলোক একটি শিশুকে নিয়ে পায়চারি করছেন। অর্জুন তাঁকে নমস্কার করতেই তিনি বললেন, আসুন। আপনার চেহারা অমন কেন?

    অর্জুন হাসল, রাত জাগতে হয়েছিল।

    চা খাবেন?

    আপত্তি নেই।

    আসুন। একটু অপেক্ষা করতে হবে। পুজো শেষ হলেই প্রসাদও নেবেন।

    আপনার বাড়িতে রোজ পুজো হয় নাকি?

    হ্যাঁ। বাবা এটা চালু করেছেন। হরেক রকম দেবদেবী।

    দেখা যাবে?

    নিশ্চয়ই।

    বৃদ্ধ ওকে ভেতরে নিয়ে এলেন। ঠাকুরঘরের সামনে এসে অবাক হল অর্জুন! দরজাটা কালো রঙ করা। ভেতরে একজন মহিলা পুজো করছেন। আসনে অনেক রকম ঠাকুর। রাধাকৃষ্ণ চোখে পড়ল। পাশে একটি লালচে অদ্ভুত মূর্তি।

    ওটা কোন দেবতা?

    জানি না। বাবা এনেছিলেন। বলেছিলেন ভক্তিভরে পুজো করতে; করা হচ্ছে।

    কাছে যেতে পারি?

    যান।

    অর্জুন লালচে পাথরের মূর্তিটাকে দেখল। বুদ্ধের সঙ্গে মিল আছে। সে জিজ্ঞেস করল, এই মূর্তি উনি কোথায় পেয়েছিলেন?

    তা তো জানি না। সাতচল্লিশের পনেরোই আগস্ট সকালে ওটাকে বাড়িতে এনে বলেছিলেন, লোকটা আমাকে অবাক করে দিল। এই দিনে এমন উপহার, আশা করিনি! যত্ন কোরো একে, আর সাবধানে রেখো। বাবাকে প্রশ্ন করার সাহস আমাদের ছিল না, তাই করিওনি। আসুন। পুজো হয়ে গিয়েছে।

    আধঘণ্টা পরে অর্জুন করলা নদীর সামনে দাঁড়িয়ে ছিল একা। তারিণী সেন ডাকাত ছিলেন, কিন্তু সারাজীবনে তাঁর অর্থাভাব মেটেনি। শেষ সময়েও কিন্তু টাকার কাছে নিজেকে বিক্রি করলেন না। কমলাকান্তবাবুর প্রতি তিনি দুর্বল ছিলেন। নিজে যা পারেননি, তার জন্য হয়তো আফসোস ছিল; নইলে স্বাধীনতার দিনে ওই উপহার কেন কমলাকান্তকে দেবেন!

    এমন মানুষ দ্রুত কমে যাচ্ছে ভারতবর্ষ থেকে। বৃদ্ধের হাসিমুখ মনে পড়ল। ফিক করে হেসে বলেছিলেন, কমলা খাও। বুদ্ধি বাড়বে।

    বাড়েনি। রিচার্ড ম্যাকডোনাল্ড যে বিনা কারণে তারিণী সেন আর কমলাকান্তকে এক ব্র্যাকেটে রাখেননি, এটা সে যেমন বুঝতে পারেনি, তেমনই ডরোথি বা তিব্বতিরাও পারেনি।

    অতএব এই রহস্য ফাঁস করে কোনও লাভ নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article তেরো পার্বণ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }