Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প622 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. সাধারণত একজন টি প্ল্যান্টার

    সাধারণত একজন টি প্ল্যান্টার আর একজন সমশ্রেণীর মানুষ সম্পর্কে কটু কথা বলেন না। ড়ুয়ার্স দার্জিলিং এবং আসামে যেকটি চা বাগান আছে, তার মালিক ম্যানেজারের খবর প্রত্যেকের কম-বেশি জানা। একজন ভাল ম্যানেজার টানা একই বাগানে দীর্ঘকাল চাকরি করেছেন এমনটা অবশ্য খুব বেশি দেখা যায় না। যিনি ভাল কাজ জানেন, তাঁকে অন্য কোম্পানি বেশি মাইনে দিয়ে নিয়ে যায়। তাই কেউ চট করে অন্য বাগান সম্পর্কে মন্তব্য করে জনপ্রিয়তা হারাতে চায় না। ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ম্যানেজার হিসেবে সুনাম প্রচুর এবং সেইসঙ্গে ভদ্রলোক বলেও স্বীকৃত। তাই ব্যানার্জি টি এস্টেট সম্পর্কে তিনি আর মুখ খুললেন না। বললেন, এবার আপনাদের বিশ্রাম নেওয়া উচিত। আমার পাশের বাংলোয় সব ব্যবস্থা রয়েছে, চলুন ওখানে।

    অর্জুনের নীল-সম্পর্কিত কথাবার্তা চালিয়ে যেতে আগ্রহ ছিল। তার মনে পড়ল শিল্পসমিতি পাড়ার বরেন ঘোষালের ছোট ভাই ওই একই রকম বেপরোয়া গতিতে মারুতি চালায়। নীলের সঙ্গে ওর এত মিল কী করে হয়? চাবাগান এলাকায় মালিক এবং সেইসঙ্গে ম্যানেজারই সব ছিল এতকাল। দিন বদলালেও যা কর্তৃত্ব থেকে গেছে, তাতে নীলের পক্ষে নিজের এলাকায় যা করা সম্ভব, তা বরেন ঘোষালের ভাইয়ের পক্ষে জলপাইগুড়ি শহরে কী করে সম্ভব হচ্ছে?

    ওরা যে বাংলোয় গেল, সেটি কাঠের এবং বিশাল। সমস্ত আধুনিক ব্যবস্থা আছে। দোতলার বিরাট বারান্দায় চাবাগানের দিকে মুখ করে চেয়ার টেবিল পাতা। তার সামনে সিলিং-এ একটা প্রমাণ সাইজের মৌচাক ঝুলছে। মৌমাছিদের ভিড়ে সেটা টসটস করছে। অর্জুন জিজ্ঞেস করল, ওরা কামড়ায় না?

    ভানু ব্যানার্জি হাসলেন, না। আমাদের খুব বন্ধু ওরা। তবে বিরক্ত করলে একটু-আধটু হুল ফুটিয়ে দিলেও দিতে পারে। প্রত্যেক বছর ওরা এখানে চাক বাঁধে।

    আপনারা মধু পান?

    ইচ্ছে করলেই পেতে পারি, কিন্তু এই চাক ভাঙা হয় না। মধু শেষ হলে ওরা নিজেরাই উড়ে যায়, তখন চাক শূন্য। ওরা বোধ হয় সেটা জানে আর তাই আমাদের বন্ধু ভাবে।

    মেজর বললেন, ইন্ডিয়ান মৌমাছিদের হুলে তেমন বিষ থাকে না হে।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, কোন মৌমাছি বেশি বিষাক্ত?।

    অমল সোম হেসে ফেললেন, তুমি কী হে! কবিরা মৌমাছি নিয়ে কত সুন্দর কবিতা, গান লেখেন, আর তুমি তাদের বিষাক্ত বলছ? হুল ওদের আত্মরক্ষার একটা অস্ত্র মাত্র, কিন্তু ওরা বিষাক্ত হবে কেন? নিজেদের মধ্যে কী সুন্দর ভাব দ্যাখো তো, শতশত মৌমাছি কী চমৎকার একসঙ্গে আছে। আমরা সেটা ভাবতে পারি না। চলুন, ঘরে যাই।

    মৌমাছিদের সম্মিলিত আওয়াজ অদ্ভুত ভারী সুর তুলছিল। অর্জুন দেখল, বেশ কিছু মরা মৌমাছি নীচে পড়ে আছে। ওরা নিশ্চয়ই অসুস্থ অথবা বৃদ্ধ হয়ে মারা গিয়েছে, নিজেরা তো মারামারি করে না।

    ভানু ব্যানার্জি অমল সোমকে একটি ঘরে নিয়ে গিয়েছিলেন। মেজর মৌমাছির চাকের নীচে চলে গেলেন। তাঁর মাথার ঠিক দু হাত উঁচুতে চাকের শেষ। ওপর দিকে তাকাতেই কিছু একটা তাঁর নাকের ডগায় পড়ল। সেটা আঙুলে তুলে দেখে নিয়ে জিভে ঘষলেন মেজর। তাঁর চোখ বন্ধ হয়ে গেল, ডিলিসিয়াস। ভারী মধুর মধু। তারপরেই সচেতন হয়ে বললেন, সুহাসিনী বাগান থেকে নীলগিরির জঙ্গল খুব বেশি দূরে নয়, উনি তাই বললেন তো?

    হ্যাঁ। অর্জুন মাথা নাড়ল।

    তা হলেও এই মৌমাছিগুলো কাছাকাছি থেকেই মধু সংগ্রহ করছে। যদি সেই বিষাক্ত ফুলের মধু ওরা আনত, তা হলে এতক্ষণে আমার মৃতদেহ দেখতে পেতে তোমরা।

    অর্জুন মাথা নাড়ল, মৌমাছিরা সেই ফুলের কাছে গেলে গন্ধেই মারা যাবে, মধু নিয়ে আসবে কী করে? তা ছাড়া সেই সব ফুলে মধু নাও থাকতে পারে।

    কারেক্ট। তবে প্রকৃতির ব্যাপার তো, মৌমাছিরা নিশ্বাস বন্ধ করেও ফুলের বুকে ঢুকে পড়তে পারে। তবে ওই মধু সেই সব ফুলের নয়। বলতে বলতে চাকের নীচ থেকে সরে এলেন মেজর। কয়েকটা মৌমাছি ওই সময়ে তাঁর কাঁধ-মাথায় এসে বসেছিল, চলে আসামাত্র তারা উড়ে গেল।

    দুটো ঘর। এক্টায় অমলদা, অন্যটিতে মেজরের সঙ্গে অর্জুন। অমলদা বললেন, দেখছি, ওঁদের ভাব বেশি, একসঙ্গে থাকলে অনেক গল্প করতে পারবেন। আসলে অমলদা একা থাকতে বেশি পছন্দ করেন, তা চমৎকার ঘুরিয়ে বললেন।

    দ্বিতীয় ঘরে ঢুকে মেজর প্রথমেই বললেন, হুম, ব্রিটিশ কালচার।

    তার মানে? অর্জুন ব্যাগ রাখছিল।

    ফুটবল খেলার মাঠের মতো বেডরুম, বাথরুমটায় না গিয়েও বলতে পারি হাড়ুড়ু খেলা যাবে। সঙ্গে নিশ্চয়ই সাজগোজ করার ঘর আছে। দ্যাখো গিয়ে।

    অর্জুন দেখল এবং মিলে গেল মেজরের অনুমান। ভানু ব্যানার্জি এসে দাঁড়িয়ে ছিলেন দরজায়, এদেশে চা বাগানের চর্চা ব্রিটিশরাই শুরু করেছিল, তাই ওদের প্রভাব সর্বত্র থাকবেই। আচ্ছা, আমাকে এখন কাজে যেতে হচ্ছে, কোনও দরকার নেই তো?

    মেজর বললেন, নাথিং। পেট ভর্তি খাওয়ার পর ভাল বিছানা পাচ্ছি, আর কিসের দরকার?

    অর্জুন বলল, বাঘটাকে দেখা যাবে?

    ভানু ব্যানার্জি মাথা নাড়লেন, নিশ্চয়ই। ঠিক আছে, আমি আধঘণ্টা বাদে একটা জিপসি পাঠিয়ে দিচ্ছি, ওটা নিয়ে যেখানে ইচ্ছে সেখানে যেতে পারেন। ড্রাইভার ছেলেটি বেশ ওস্তাদ।

    ভানু ব্যানার্জির পায়ের শব্দ কাঠের সিঁড়ি থেকে মিলিয়ে যাওয়ার আগেই মেজর বিছানায় শরীর এলিয়ে দিয়ে বললেন, আজকাল টের পাই, বুঝলে, বয়স হচ্ছে একটু একটু করে। এখন শুতে পেলে আর কিছুর দরকার হয় না, আবার বেশিক্ষণ শোওয়াও যায় না। যন্ত্রণা। আধ ঘণ্টা পর ডেকে দিয়ো, সঙ্গে যাব, তাই চেঞ্জ করলাম না।

    কথা শেষ হওয়ামাত্র নাক ডাকতে লাগল মেজরের। একটা মানুষ কতটা ভাগ্যবান হলে এমন সহজে ঘুমাতে পারে এবং অন্যের ঘুম নষ্ট করে অনায়াসে, তা মেজরকে না দেখলে বোঝা যাবে না। অর্জুন বাইরে বেরিয়ে চেয়ারে বসে মৌচাকের দিকে তাকাল। মোটা-মোটা মৌমাছিরা জানালা দিয়ে উড়ে এসে চাকের গায়ে সেঁটে যাচ্ছে। পাশের গাছগাছালিতে পাখি ডাকছে। পৃথিবীটা কী সুন্দর এখানে!

    অমলদা কিছু বললে সে আজ পর্যন্ত অবাধ্য হয়নি। সেই কারণে বলামাত্র এখানে চলে এসেছে। এখানে আসার কারণ হিসেবে সেই ফুলটার হদিস জানার কথা বলা হয়েছে, যার বুকের গন্ধে বিষ আছে। কিন্তু এধরনের ফুল থাকলে এত দিন নাম শোনা যায়নি কেন? জঙ্গল যতই বড় হোক, ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে তো সঙ্গে সঙ্গে এলাকাটা ঘিরে ফেলে ফুলের গাছগুলো নষ্ট করে দেবে। তা দিচ্ছে না কেন? যদি ধরে নেওয়া যায় ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট ব্যাপারটা জানে না, তা হলে তো আরও অবিশ্বাস্য হবে। যেখানে বিষ ছড়াচ্ছে সেখানে কেউ জানে না, আর বিদেশের কাগজে সে-সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ছাপা হচ্ছে? অবশ্য অমলদা যেখানে আছেন, সেখানে তার মাথা ঘামানোর কোনও দরকার নেই। অর্জুন ঠিক করল সে নিজেকে একজন টুরিস্ট ছাড়া কিছু ভাববে না। এ যাত্রায় নিছকই বেড়াতে আসা, এইভাবেই উপভোগ করবে। হঠাৎ ওর নজর গেল মৌমাছির চাকটার ওপর। চাকের নীচের দিকের একটা অংশ আচমকা ঝুলে পড়েছে। এমনভাবে ঝুলছে যে, নীচে পড়ে যাওয়া অনিবার্য। সঙ্গে-সঙ্গে একদঙ্গল মৌমাছি ওপরের অংশ থেকে উড়ে এসে ঘিরে ফেলল জায়গাটাকে। তারপর ধীরে ধীরে আবার আগের আকারে নিয়ে গেল ওরা। অর্জুন মুগ্ধ হয়ে দৃশ্যটি দেখল। দুর্ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে এ খবর ওরা কী করে পেল এবং সবাই একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়ার অভ্যেস কেমন করে তৈরি হল, তা নিয়ে ভাবতে গেলে কোনও থই পাওয়া যাবে না। শুধু এই শিক্ষা যদি মানুষেরা পেত!

    অমলদা শুয়ে-শুয়ে বই পড়ছিলেন। সি এইচ স্টকলির লেখা স্টকিং ইন দ্য হিমালয়াজ অ্যান্ড নর্দার্ন ইন্ডিয়া। খাঁচায় আটকানো চিতা বাঘ দেখার চেয়ে সেই বই পড়া নাকি বেশি সুখের, তাই তিনি গেলেন না। প্রায় নতুন জিপসিতে অর্জুন আর মেজর বসে পড়ল।

    ড্রাইভারের নাম বৃন্দাবন। বয়স তিরিশের নীচে। কথা বলার জন্যে মুখিয়ে ছিল। ফ্যাক্টরি এলাকা ছাড়িয়ে চা বাগানের মধ্যে ঢুকেই বলল, সার, এর আগে চিতাবাঘের গায়ে হাত দিয়েছেন?

    মেজর মাথা নাড়লেন, চিতাবাঘ কি বাড়ির কুকুর যে, গায়ে হাত বোলাব?

    আমি বুলিয়েছি সার। আসলে খাঁচাটা ছোট ত, পেছন থেকে গায়ে হাত দিলে বাঘটা কিছু বলতে পারে না। এটা একদম খাঁটি চিতা।

    দূর থেকেই জায়গাটা বোঝা গেল। বেশ কিছু আদিবাসী মানুষ ভিড় করে আছে। জিপসি দেখে তারা একটু সরে দাঁড়াল। বৃন্দাবন তাঁদের নিয়ে এল খাঁচার সামনে। ফুট দশেক লম্বা, পাঁচ ফুট চওড়া একটা মজবুত খাঁচা জঙ্গলের মধ্যে এমনভাবে লুকিয়ে রাখা আছে যে, চট করে বোঝা যায় না। চিতাবাঘটি প্রমাণ সাইজের। দুটো থাবা সামনে রেখে চুপচাপ বসে মানুষ দেখছে। পাশে একটা ছাগলের অবশিষ্ট অংশ পড়ে আছে। ওই ছাগলটাকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।

    মেজর একটু ঝুঁকে এগোতেই চিতাবাঘটা চট করে সোজা হওয়ার চেষ্টা করল এবং সেইসঙ্গে চাপা গর্জন করে উঠল। মেজর হকচকিয়ে গিয়ে দু পা পিছিয়ে এসে বললেন, কী ব্যাপার।

    চিতা থাবা তুলে সামনের বন্ধ দরজায় আঘাত করল। চারপাশের দর্শকরা এতে খুব মজা পেল। এতক্ষণ জন্তুটা চুপচাপ বসে থাকায় তাদের আনন্দ হচ্ছিল না। বাঘটাকে খোঁচানো নিষেধ, তাই তারা ধৈর্য ধরে বসে ছিল। মেজরকে দেখে বাঘের প্রতিক্রিয়া হওয়ায় তারা উৎসাহিত হয়ে মেজরকে অনুরোধ করতে লাগল আবার খাঁচার সামনে এগিয়ে যেতে।

    মেজর গম্ভীর মুখে দেখলেন লোকগুলোকে। তারপর অর্জুনকে জিজ্ঞেস করলেন, ওরা আমাকে কী মনে করছে? ক্লাউন? দেব নাকি তিম্পেনির ধমক?

    সে জিনিসটা কী?

    তিম্পেনির ঢাকের নাম শোনোনি? আফ্রিকায় খুব জনপ্রিয়। সেই ঢাক বাজলে জঙ্গলে-জঙ্গলে খবর ছড়িয়ে যায়। ওই ঢাক থেকেই আমার ধমক।

    কিন্তু বাঘটা আপনাকে দেখে খেপে যাচ্ছে কেন বলুন তো?

    খেপে যাচ্ছে? কোথায়? আবার সেই একই ভুল। গর্জন শুনেই মনে করলে খেপে যাচ্ছে? জন্তু-জানোয়ারের ল্যাঙ্গুয়েজ বোঝার চেষ্টা করো। ও আমার সাহায্য চাইছে। মেজর বৃন্দাবনের দিকে তাকালেন, ওকে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে কখন নিয়ে যাবে?

    আজই নিয়ে যাওয়ার কথা।

    এই এলাকায় আর কোনও বাঘ আছে?

    আরও দুটো আছে।

    তারা নিশ্চয়ই এর ধরা পড়ার কথা জেনে গেছে। এই খাঁচায় আর নতুন বাঘ ধরা পড়বে না। বড়সাহেবকে বলল এটাকে ছেড়ে দিতে।

    ওকে ছেড়ে দিলে কুলিরা খেপে যাবে। গত সপ্তাহেই একটা বাঘ দু-দুটো গোক মেরেছে। এখন বাগানের সবাই বাঘের ওপর খুব রেগে আছে। ওকে ছাড়া চলবে না। বৃন্দাবন মাথা নাড়ল।

    তা হলে এখান থেকে বেরিয়ে চলল। বাঘটাব অসহায় অবস্থা দেখতে আমার ভাল লাগছে না।

    ওরা জিপসিতে বসতেই চিতা ডেকে উঠল। মেজরের চলে যাওয়া যেন বেচারা পছন্দ করছে না, এরকম মনে হচ্ছিল। বৃন্দাবন হেসে বলল, আপনাকে ওর মনে হয় পছন্দ হয়েছে।

    মেজর অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন।

    খানিকটা যাওয়ার পর অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আমরা একটু আশেপাশে ঘুরে আসতে চাই।

    বলুন সার, কোথায় যাবেন?

    সুহাসিনী বাগানের কাছেই কোনও জঙ্গলে পার্বতী বড়ুয়া নামে একজন বিখ্যাত মহিলা থাকেন।

    কথা শেষ করতে দিল না বৃন্দাবন, বুঝেছি। পার্বতীদি কি এখন এদিকে আছেন? চলুন, ঘুরে আসি। বেশি দূরে তো নয়।

    মেজর জিজ্ঞেস করলেন, সেই লেডি উইদ অ্যান এলিফ্যান্ট?

    আমি যা শুনেছি, তা ঠিক হলে কম বলা হল। উনি গৌরীপুরের রাজ পরিবারের মেয়ে। ওঁর বাবার নাম ছিল প্রকৃতীশ বড়ুয়া। অর্জুনকে কথা শেষ করতে দিল না বৃন্দাবন, লালজি, ওঁকে লালজি বললে সবাই চিনত। একদম বুড়ো বয়সেও হাতি নিয়ে ঘুরতেন।

    বড়ুয়া টাইটেল তো অসমের মানুষের হয়?

    গৌরীপুর অসমেরই। তবে প্রকৃতীশ বড়ুয়ার দাদা ছিলেন বাঙালির গর্ব। আমাদের বাংলা সিনেমার প্রথম দিকে যাঁর অবদান চিরস্মরণীয়, সেই প্রমথেশ বড়ুয়ার ছবি নিশ্চয়ই আপনি দেখেছেন। আমি একটা ছবি দেখেছি, মুক্তি। অর্জুন বলল।

    মাই গড। আমার ফেভারিট হিরো ছিল হে। ওঁকে নকল করে একসময় আমি শার্ট বানাতাম, বড়ুয়া কলার। রাজকুমার ছিলেন। আচ্ছা। ইন্টারেস্টিং। ওঁর ভাইঝি পার্বতী বড়ুয়া? মেজরকে এতক্ষণে বেশ উৎফুল্ল দেখাল। পিচের রাস্তায় গাড়ি ওঠামাত্র পঙ্কজ মল্লিককে নকল করে গাওয়ার চেষ্টা করলেন, দিনের শেষে ঘুমের দেশে…।

    একটা ভাঙা ব্রিজের পাশ দিয়ে জিপসি নেমে গেল, বোরাতে এখন জল নেই। তারপর কাঁচা পথ ধরে এগোতে লাগল দুলতে-দুলতে। গাড়ির পেছনে ধুলোর ঝড় উঠেছে। এখন বিকেল, তবে সন্ধে নামতে কিছুটা সময় বাকি। মিনিট পাঁচেক যাওয়ার পর ওরা নীচের মাঠে একটা কাঠের বাড়ি দেখতে পেল। বৃন্দাবন বলল, যাক, পার্বতাদিদি আছে।

    কী করে বুঝলে? মেজর জানতে চাইলেন।

    ওপাশে দেখুন, দুটো হাতি দাঁড়িয়ে আছে।

    জিপসির আওয়াজ পেয়ে গাছের তলায় দাঁড়ানো হাতি দুটো কান খাড়া করল। একজন কয়েক পা এগিয়ে এসে থমকে দাঁড়াল। বাড়িটার কাছে এসে নিরাপদ দূরত্বে থেকে হর্ন বাজাতে লাগল বৃন্দাবন। খুব সাধারণ হালকা কাঠের বাড়ি। কোনও রকম জাঁকজমক নেই। তার দোতলার বারান্দায় একটি শীর্ণ শরীর দেখা গেল। বৃন্দাবন গাড়ি থেকে নেমে চিৎকার করল, সাহেবের বন্ধুরা এসেছেন আপনার সঙ্গে দেখা করতে। নিয়ে আসব?

    মহিলা হাত নেড়ে আসতে বললেন। মেজর ফিসফিস করলেন, এই সেই লেডি, আই মিন রাজকুমারী? অর্জুন জবাব দিল না।

    ততক্ষণে মহিলা নীচে নেমে এসেছেন। ওরা নেমে এগিয়ে গেল। ফরসা, ছিপছিপে, রোগা বলাই ভাল, আটপৌরে চেহারার তিরিশের কাছাকাছি মহিলা তখন হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে আছেন। কাছাকাছি হতেই বললেন, আসুন। আপনারা ভানুদার বন্ধু যখন, তখন আমারও দাদা।

    কল্পনার সঙ্গে বাস্তবের সংঘাত প্রায়ই হয়, কিন্তু তাই বলে এইরকম? অর্জুন ভেবেছিল এই পার্বতী বড়ুয়া হান্টারওয়ালী টাইপের কেউ হবেন, কিন্তু আটপৌরে শাড়ি পরা মহিলাকে দেখে দিদি ছাড়া কিছু ভাবা যায় না! এঁরই ছবি ন্যাশনাল জিওগ্রাফি-র মলাটে ছাপা হয়েছে?

    খুব যত্ন করে পার্বতী ওদের দোতলার বারান্দায় নিয়ে এলেন। কয়েকটা বেতের চেয়ার আছে সেখানে। বৃন্দাবন নীচে রইল। পার্বতী জিজ্ঞেস করল, চা খাবেন? লেবু দিয়ে দেব, দুধ-চা দিতে পারব না। না কি কফি?

    মেজর চারপাশে তাকাচ্ছিলেন। এই জঙ্গলের মধ্যে একজন মহিলা এভাবে একা থাকতে পারেন, তা যেন বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল। অর্জুন জিজ্ঞেস করল, চা কি আপনি করবেন?

    না, না। লেবু চা বলি, অ্যাঁ? তারপর বারান্দার এক কোণে গিয়ে নীচের দিকে মুখ করে কাউকে চা তৈরির নির্দেশ দিলেন। মেজর বললেন, অদ্ভুত।

    ফিরে এসে পার্বতী জিজ্ঞেস করলেন, কে অদ্ভুত?

    আপনি এখানে একা থাকেন, ভাবতেই পারছি না।

    অসুবিধে কোথায়? পার্বতী হাসলেন। আপনার ভয় লাগে না?

    পার্বতী মাথা নেড়ে আঙুল তুলে দেখালেন, ওরা আছে। জঙ্গলের দেবতা। ওরা সঙ্গে থাকলে আমি যমকেও ভয় পাই না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article তেরো পার্বণ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }