Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প622 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. দুটো হাতিকে সঙ্গী করে

    দুটো হাতিকে সঙ্গী করে একজন মহিলা এমন নির্জন জঙ্গলে আছেন এবং তিনি নিজেকে বাঙালি ভাবেন। যদিও ওঁর কাজের মহিলা এখানে আছেন, কিন্তু সেই বৃদ্ধার থাকা আর না-থাকা একই। মেজর খুব নরম গলায় জিজ্ঞেস করলেন, আপনার অসুবিধে হয় না?

    না। কিসের অসুবিধে? সবই তো আছে এখানে। নিজের নলকূপ, ইলেকট্রিক আনিয়েছি খুব লড়াই করে। খাই-দাই, বংশী বাজাই। অবশ্য প্রায়ই বেরিয়ে যেতে হয় এ-জঙ্গল সে-জঙ্গল। এখানে আর থাকি কতদিন! এই মাসি থাকে। এদিকের মানুষ, সাহস খুব।

    পার্বতী বললেন, আসুন, কাজের কথা বলি। এত কষ্ট করে এখানে এলেন কেন?

    মেজর বললেন, বিদেশের একটা কাগজে পড়েছি, এদিকের জঙ্গলে নাকি এখন এক ধরনের ফুল ফোটে, যার গন্ধ নাকে গেলে বড় জন্তুও মারা যায়। আসলে আমি একজন অভিযাত্রী। পৃথিবীর নানা প্রান্ত ঘুরেছি। অভিযান করেছি মেরুতেও। খবরটা পেয়ে স্থির থাকতে পারলাম না।

    ফুলটাকে পেয়েছেন?

    আমরা আজই জলপাইগুড়ি থেকে এখানে এসেছি।

    কী জানি বাবা। এতকাল এখানে পড়ে আছি, কোনও দিন তো শুনলাম এমন ফুলের কথা!

    আপনিও শোনেননি? মেজর যেন অবিশ্বাস করলেন।

    না। কাগজে ওরকম উলটোপালটা কথা খুব লেখে। এই যেমন আমাকে নিয়ে বিদেশের কাগজ লিখল আমি নাকি ম্যাজিক জানি, তাই হাতিরা আমার কথা শোনে। একটা কাগজ লিখল আমি নাকি কুইন অব ফরেস্ট। ভাবুন। কিন্তু আমার কাছে কেন?

    একটু আগে, যখন পরিচয় হয়েছিল, তখন পার্বতী অর্জুনের দিকে কিছুটা অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলেন। সে সত্যসন্ধান করে, জানার পরেও কিছু বলেননি। অর্জুন এতক্ষণ চুপচাপ শুনছিল। এবার বলল, আমি আপনার কথা খুব শুনেছি। আপনাকে দেখার আগ্রহ ছিল। বুদ্ধদেব গুহর লেখায় আপনার বাবার কথাও পড়েছি। এত কাছাকাছি যখন এলাম, তখন ঠিক করলাম আলাপ করতে হবে।

    এই সময় দুটো প্লেটে গরম-গরম হালুয়া এসে গেল। পার্বতী একটা বেতের টুলে ডিশদুটো রেখে বললেন, নিন, খেয়ে নিন।

    মেজর তাকালেন, সুজি? মিষ্টি দেওয়া?

    আপনার মিষ্টি খাওয়া বারণ?

    হ্যাঁ, মানে, রক্তে চিনির পরিমাণ বাড়ছে।

    বাড়ুক। আপনাকে একটা টোটকা দিচ্ছি। সপ্তাহে দু দিন বাজার থেকে একটা ছোট চারাপোনা কিনে আনন। মাছটা যেন জ্যান্ত হয়। ওর পিত্তিটা ঠিকঠাক বের করে পাকা কলার ভেতর ঢুকিয়ে খেয়ে নেবেন। সুগার বেশি থাকলে একদিন অন্তর খেতে হবে। দেখবেন অসুখটা আর শরীরে নেই। খান।

    মেজর অর্জুনের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, চারাপোনা মানে?

    অর্জুন বলল, রুই-মৃগেলের বাচ্চা। আপনাকে বাজারে নিয়ে গিয়ে দেখিয়ে দেব।

    ওরা সুজির প্লেটে হাত দিল। এক চামচ মুখে পুরে মেজর বললেন, ডিলিসিয়াস।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, হাতির সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কত দিনের?

    ছ মাস বয়স থেকে। বাবার কোলে চেপে জঙ্গলে-জঙ্গলে ঘুরতাম। আমি যা জেনেছি, তা বাবার কাছ থেকেই পাওয়া। ওঁকে সরকার খুব সম্মান করত, উপদেষ্টা করে রেখেছিল। তখন আবহাওয়া অন্যরকম ছিল। এখন বেশির ভাগ মানুষ দায়িত্বহীন। জঙ্গলকে না ভালবেসে ফরেস্টের চাকরি করে। এই কিছু দিন আগে রাত্তিরবেলায় জিপ এল আমার কাছে। শুনলাম মাদারিহাট জঙ্গলে একটা হাতি খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছে। গেলাম। সারা রাত থেকে হাতিটাকে সুস্থ করে তুললাম। এর পরে কী কী করতে হবে, বলে এলাম। কিন্তু নিশ্চয়ই তা করেনি। পরে খবর পেলাম বেচারা মরে গেছে। এসব দেখলে মন খারাপ হয়ে যায়।

    আমি শুনেছি ভুটান থেকে একদল মানুষ আসে হাতি ধরার জন্যে।

    হ্যাঁ। ওরা আমার বাবার আমল থেকে আসে। বছরে দু-তিন মাস। অদ্ভুত ধৈর্য। সরকার যেকটা বাচ্চা হাতি চান, ত আমি ওদের নিয়ে ধরে দিই। যে টাকা পাওয়া যায়, তার অনেকটাই ওদের দিয়ে দিই। জীবন বিপন্ন করে রোজগার করতে হয়।

    বিপন্ন বলছেন কেন?

    যে-কোনও মুহূর্তেই, একটু অসতর্ক হলে প্রাণ যাবে বনের হাতির পায়ে।

    আপনার কথা সেই হাতি শুনবে না?

    শোনে কখনও? যে মা জানছে তার বাচ্চাকে আমি নিতে এসেছি, সে কখনও আমাকে পছন্দ করবে? কক্ষনো না। সে অনেক গল্প। নিন, চা খান।

    চা এসেছিল। কাপে চুমুক দিয়ে অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আপনি সুন্দরকে চেনেন?।

    কোন সুন্দর?

    কাছাকাছি কোনও গ্রামে থাকে। জঙ্গলে ঘুরে ঘুরে পাখি ধরে।

    পার্বতীর মুখ আচমকা কঠিন হয়ে গেল, ওকে আপনি চিনলেন কী করে?

    দু দিন আগে ওকে দেখেছি জলপাইগুড়িতে। অদ্ভুত ধরনের পাখি খাঁচায় করে নিয়ে গিয়েছিল বিক্রি করতে। আমি ওকে পুলিশে দিতে চেয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত ও কথা দিয়েছে, চাকরি পেলে আর পাখি চুরি করবে না। আমার সঙ্গে ডি এফ ওর কথা হয়েছে। তাই ওর খোঁজ করছি। অর্জুন বলল।

    আপনি কি মনে করেন চাকরি পেলে সুন্দর পালটে যাবে?

    ও শপথ করে তাই বলেছে।

    কী জানি! তবে আজকাল বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। লোকটা একটা ক্রিমিন্যাল। প্রথম-প্রথম টিয়া, ময়না ধরত। সংসারী মানুষের শখ মেটাতে ওই সব পাখিদের খাঁচায় ঢুকতে হত। তারপর কানে এল সুন্দর আর টিয়া, ময়না ধরে না। ও ধরছে হিল প্যাট্রিজ, লেসার ফ্লোরিকান অথবা রিটার্ন। আমি অনেক বলেছি, কিন্তু কানে তোলেনি। শুনেছি, মাঝে-মাঝেই ওর কাছে গাড়ি চালিয়ে তোকজন আসে। কী বলে তা জানি না, কিন্তু অবস্থা ফিরে যাচ্ছে সুন্দরের। ওই সব পাখি ধরার জন্যে ওর যেমন শাস্তি হওয়া উচিত, তেমনই রোজগার ছিথাকতে খুব ভাল পিঠে উঠে যায়।

    যারা ওর কাছে পাখিগুলো কেনে, তাদেরও জেলে পাঠানো দরকার।

    সুন্দর রায় কোথায় থাকে?

    বেশি দূরে নয়। আমার বাড়িতে আসতে যে ভাঙা ব্রিজটা দেখলেন, তার থেকে সিকি মাইল মাদারিহাটের দিকে গেলে ডান হাতে ছোট্ট গ্রাম পাবেন। এদিকে পায়ে হাঁটা পথ আছে, আরও কম দূরত্বের। আমি তো আজকাল ওর মুখ দেখতে চাই না।

    কিন্তু ও আপনার নাম করেছে। এমনভাবে বলেছে যাতে মনে হয় সম্পর্ক ভাল।

    বদমাশ। আসলে ও জানে, আমি ওর বউ-ছেলেকে ভালবাসি। যখন ওর রোজগার ছিল না তখন ওদের ডেকে এনে খাওয়াতাম। সুন্দরের ছেলেটা হাতির সঙ্গে থাকতে খুব ভালবাসে। হাতির কাজ শিখতে চায়। মাত্র সাত বছর বয়স কিন্তু স্বচ্ছন্দে হাতির পিঠে উঠে যায়। দেখুন, ওর বাপকে যদি চাকরি করাতে পারেন, তা হলে পরিবারটা রক্ষা পায়।

    কথা বলায় ব্যস্ত থাকলেও পার্বতীর কান যে পরিষ্কার, তা বোঝা গেল। তিনি আপন মনে বললেন, এই সময়ে আবার কে আসছে।

    খুব ক্ষীণ একটা আওয়াজ এগিয়ে আসছিল। আওয়াজটা গাড়ির ইঞ্জিনের। তারপরেই ওরা গাড়িটাকে দেখতে পেল। নীল মারুতি। বাঁক নিয়ে যেই দেখল আর-একটি জিপসি দাড়িয়ে আছে, অমনি মারুতিটা থেমে গেল। মারুতিতে দুজন আরোহী। তারপরই হর্ন বাজাল।

    অর্জুন দেখল আওয়াজ হওয়ামাত্র হাতিদুটো ধীরে-ধীরে এদিকে এগিয়ে আসছে। তাই দেখে তাদের ড্রাইভার চটপট গাড়িতে উঠে বসল। একেবারে বাড়ির সামনে পৌঁছে হাতিদুটো স্থির হয়ে দাড়াল। যেন তাদের অতিক্রম করে কেউ যেন পার্বতীর কাছে পৌঁছ: না পারে এমন ভঙ্গি। মারুতির লোকদুটো কী করবে বুঝতে পারছিল না। হাতিদুটোর ভঙ্গি ওদের সাহস কেড়ে নিয়েছে। একজন চিঙ্কার করল, ওখানে কেউ আছেন?

    পার্বতী উঠে ব্যালকনির একধারে এগিয়ে গেলেন, কী চাই ভাই?

    আপনি পার্বতী বড়ুয়া?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    সুন্দর কি এখানে এসেছে?

    প্রশ্নটা শুনে অর্জুন চমকে তাকাল। এবং তারপরেই সে চিনতে পারল। অমলদার খবর নিয়ে হাবু যে-সকালে তাকে ডাকতে গিয়েছিল, সেই সকালেই ওই নীল মারুতিটাকে সে জলপাইগুড়ির রাস্তায় বেপরোয়া চালাতে দেখেছে। এক ঝলক যে-মুখটাকে সেদিন দেখেছিল, তার সঙ্গে আজকের ড্রাইভারের কোনও পার্থক্য নেই। রামদা বলেছিলেন বরেন ঘোষালের ছোট ভাই।

    পার্বতী চেঁচিয়ে জবাব দিলেন, এখানে সে আসবে কেন?

    সেটা আপনি জানেন। আমরা খবর পেলাম ও এখানে আসতে পারে, তাই জিজ্ঞেস করছি।

    আপনারা কারা?

    এবার জবাব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করল না ওরা। ওই ছোট রাস্তাতেই গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরে গেল দ্রুতগতিতে। গাড়ির আওয়াজ মিলিয়ে যাওয়ামাত্র কচি গলায় অদ্ভুত শব্দ বাজল। অর্জুন দেখল হাতিদুটো বেশ সহজ হয়ে শুড় নেড়ে ফিরে যাচ্ছে নিজের জায়গায়। আর পাশের জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসছে একটি বাচ্চার সঙ্গে ঘোমটা টানা মহিলা।

    পার্বতী বললেন, নিশ্চয়ই কোনও গোলমাল হয়েছে। সুন্দরের বউ-ছেলে আসছে।

    বাচ্চাটা এদিকে না এসে হাতিদের কাছে চলে গেল। নিজের মনে কথা বলে। চলেছে সে। একটা হাতি বসে পড়তেই সে চট করে পিঠে উঠে একেবারে আকাশের দিকে মুখ করে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ল। মহিলাটি সিঁড়ির নীচে এসে দাড়াতেই পার্বতী জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার? সুন্দরের কী হয়েছে?

    মহিলা দিশি ভাষায় জড়ানো গলায় যা বলল, তার সারার্থ হল : এবার শহর থেকে ফিরে এসে সুন্দরের হাবভাব পালটে গিয়েছিল। কেবলই বলত, অনেক অন্যায় করেছি, আর নয়। এবার পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে। ঘর থেকে বের হত না। গম্ভীর মুখ দেখে মহিলা কিছু বলতে সাহস পায়নি। গতকাল হাসিমারা থেকে একটা লোক এসেছিল ডাকতে, সে দেখা করেনি। স্ত্রীকে বলেছিল বলতে, বাড়ি নেই। লোকটা বলে গিয়েছিল সুন্দর যেন নীলুবাবুর সঙ্গে দেখা করে। শোনার পর বেশ ভয় পেয়ে যায় সুন্দর। স্ত্রীকে বলে, কিছু দিনের জন্য সে এই জঙ্গল ছেড়ে চলে যাবে। দরকার হলে আরও ভেতরে ভুটানের জঙ্গলে ঢুকে যাবে। যা টাকা আছে, তাতেই বউ যেন কোনও মতে চালিয়ে যায়। জলপাইগুড়ি থেকে কেউ যদি তাকে চাকরি করার জন্য খোঁজ করে, তা হলে বলতে হবে পরে দেখা করবে। মহিলা অনেক জিজ্ঞেস করা সত্ত্বেও সুন্দর কারণ বলেনি। আজ একটু আগে ওই নীল গাড়িটা সুন্দরের খোঁজে এসেছিল। ও সঙ্গে-সঙ্গে পেছনের দরজা দিয়ে জঙ্গলে ঢুকে যায়। এখন দুশ্চিন্তায় মাথা ঠিক রাখতে পারছে না মহিলা। তাই ছেলেকে নিয়ে ছুটে এসেছে পার্বতীর কাছে।

    সব শোনার পর পার্বতী জিজ্ঞেস করলেন, আমার কথা ওদের কে বলেছে? তুমি?

    মহিলা মাথা নাড়ল, হ্যাঁ। কারণ, একটা লোক এমন শাসাচ্ছিল যে, মহিলা মনে করেছিল দিদির কাছে পাঠিয়ে দিলে ওরা শায়েস্তা হয়ে যাবে।

    পার্বতী ঘুরে দাড়ালেন, কী করি বলুন তো! এই মেয়েটার স্বামী হল সুন্দর রায়। নিশ্চয়ই কোথাও কোনও অন্যায় করে এসেছে, তাই লোকজন ওকে খুঁজছে। এখন উপায় না দেখে বউ-ছেলেকে ফেলে জঙ্গলে পালিয়ে গেছে। এইরকম লোককে কখনও বিশ্বাস করা যায়?

    অর্জুন বলল, আপনি যা ভাবছেন, তা নাও হতে পারে। শুনলেন তো, শহর থেকে ফিরে আসার পর ওর মধ্যে পরিবর্তন এসেছিল। লোকটার মধ্যে অন্যায়বোধ ছিল, হয়তো আমার সঙ্গে কথা বলার পর সেটা বেড়ে যাওয়ায় ও নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিল। এই লোকগুলো হয়তো কোনও অন্যায় কাজে লাগাতে চায় বলেই ও জঙ্গলে লুকিয়ে থাকতে চাইছে। সুন্দরকে না পেলে এর কারণ জানা যাবে না। তা ছাড়া ওই নীলগাড়ির ড্রাইভার লোক ভাল নয়। ওর সম্পর্কে শহরের লোকদের ধারণা ভাল নয়।

    মেজর জিজ্ঞেস করলেন, কে ও?

    জলপাইগুড়ির শিল্পসমিতি পাড়ায় বরেন ঘোষালের ছোট ভাই। উনি থাকেন বোম্বাইয়ে, সম্প্রতি উদয় হয়েছেন। কিন্তু অর্জুন হঠাৎ চুপ করে গেল। সে দুটো মানুষের মধ্যে সম্পর্ক কী হতে পারে ভেবে পাচ্ছিল না। মেজর বললেন, সেন্টেন্স শেষ করোনি।

    ওই মহিলা বললেন একটা লোক এসে হুকুম করে গিয়েছিল, নীলুবাবুর সঙ্গে দেখা করতে। এই নীলুবাবুর পরিচয় আপনি জানেন? অর্জুন পার্বতীকে জিজ্ঞেস করল।

    পার্বতী মাথা নাড়লেন, ব্যানার্জি টি এস্টেটের ওনারের ভাই। শুনেছি খুব বাজে লোক, কিন্তু আমার সঙ্গে কখনও পরিচয় হয়নি।

    বাঃ। নীলুবাবুর সঙ্গে বরেন ঘোষালের ছোটভাইয়ের একটা যোগসূত্র থাকা অসম্ভব নয়। গাড়ি চালানোর ব্যাপারে দুজনের তো চমৎকার মিল। কিন্তু এই জঙ্গলে কোনও মানুষের পক্ষে বেশি দিন লুকিয়ে থাকা কি সম্ভব? যত দূর জানি, এদিকের জঙ্গলে ফলটল তেমন নেই। অর্জুন বলল।

    ঠিকই শুনেছেন। মানুষ যেসব ফল খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে, তা পাওয়া যাবে না। তবে মাটির নীচে যেসব হয়, যেমন শাঁকালু খুঁজে পাওয়া অসম্ভব নয়। তাই সুন্দরকে খাবারের জন্য বেরিয়ে আসতেই হবে। তবে এদিকে সে নাও আসতে পারে। জঙ্গলের বুকেই ছোট-ছোট পাহাড়ি গ্রাম আছে। সেখানেই যাওয়া ওর পক্ষে স্বাভাবিক। কিন্তু এদের এখন কী বলি। পার্বতীকে চিন্তিত দেখাল। তিনি ব্যালকনি থেকেই গলা তুললেন, ঠিক আছে। তুমি ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যাও। মনে হয়, রাত নামলে সুন্দর বাড়িতে ফিরে যাবে। আর যদি না যায়, তা হলে কাল সকালে এসো। বাচ্চাটাকে কিছু খাইয়েছ?

    হ্যাঁ। কিন্তু যে-টাকা ও শহর থেকে পাখি বিক্রি করে এনেছে, তাতে হাত দেইনি। ও বলেছে, পাপের টাকা।

    সেই টাকা কোথায়?

    হাঁড়িতে রেখে দিয়েছে।

    পার্বতী একটু চিন্তা করলেন, তা হলে ও এখানে থাক। তুমি জামা কাপড় নিয়ে চলে এসো।

    মহিলা দ্রুত জঙ্গলের মধ্যে ঢুকে গেল। ওপাশে ছেলেটা তখনও হাতির পিঠে শুয়ে আছে। মেজর সেটা লক্ষ করে মন্তব্য করলেন, জুনিয়ার টারজান।

    পার্বতী চিৎকার করলেন, মধু, নেমে আয়। সন্ধে হয়ে আসছে।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক-এর যে সংখ্যায় আপনার ছবি ছাপা হয়েছিল, সেটা কি এখানে আছে? থাকলে দেখতাম।

    পার্বতী ভেতরে চলে গেলেন। এই সময় দূরে রেলের কয়লার ইঞ্জিনের হুইল শোনা গেল। আর তারপরই চরাচর কঁপিয়ে একটা রেলগাড়ি দূরের জঙ্গলের মধ্য দিয়ে চলে গেল আসামের দিকে। শেষ আলোয় মাখামাখি আকাশ এবং জঙ্গলের পটভূমিকায় রেলগাড়ির চলন্ত দৃশ্য কী মনোরম! ছেলেটা চট করে হাতির ওপর উঠে দাড়িয়ে সেই রেলগাড়ির ছুটে যাওয়া দেখছিল। হঠাই অর্জুনের মনে পড়ে গেল পথের পাঁচালির অপুর রেলগাড়ি দেখার দৃশ্য। ওই ছেলেটার সঙ্গে অপুর এই মুহূর্তে কোনও পার্থক্য নেই। দুজনের চোখের অভিব্যক্তি একই।

    পার্বতী একটা ঝকঝকে রঙিন পত্রিকা নিয়ে এলেন। পৃথিবীর অন্যতম মূল্যবান পত্রিকা, যার মলাটে হাতির পিঠে বসে থাকা পার্বতীকে দেখা যাচ্ছে। পার্বতী সম্পর্কে একটা সুন্দর ক্যাপশন রয়েছে মলাটে। ভেতরেও তাকে নিয়ে অনেকটা লেখা।

    এটা বের হওয়ার পর কেউ যোগাযোগ করেনি আপনার সঙ্গে?

    হ্যাঁ, বিদেশিরা করেছেন। তাঁরা ক্যামেরা নিয়ে আসেন টিভির জন্যে। এই তো, বিখ্যাত এক ইংরেজ সাহেব আসছেন দিল্লিতে। তিনি আমার সঙ্গে দেখা করতে চান। তার অফিসের লোকজন আমাকে দিল্লিতে যেতে লিখেছেন। কে যাবে? আমার কাজ নেই নাকি? যাদের দরকার, তাঁরা আসুন আমার কাছে। আমি কেন যাব? তাই জানিয়ে দিয়েছি।

    অর্জুনের খুব শ্রদ্ধা বাড়ল। সে বলল, দিদি, আপনার কাছে আবার আসব।

    আসুন ভাই। এসেই জিজ্ঞেস করেছিলেন, এখানে একা থাকতে ভয় লাগে কি না। বনের জন্তুকে আমি মোটেই ভয় করি না। ভয় মানুষকে। মানুষের মতো লোভী জানোয়ার ভগবান আর সৃষ্টি করেননি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article তেরো পার্বণ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }