Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প622 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. মেজরের মাথার ঠিক পেছনে

    মেজরের মাথার ঠিক পেছনে যেন আধখানা আলু বসানো হয়েছে। ঘুম থেকে উঠেই তিনি তাঁর ব্যাগ খুলে দু-তিনটে ক্যাপসুল খেয়ে নিয়েছেন। খেয়ে বললেন, কারও ভাল করতে নেই, বুঝলে? অর্জুন চুপচাপ দেখছিল। এখন সদ্য ভোর। জঙ্গলে হাজার পাখির ডাক। সূর্যদেব উঠি উঠি করছেন। পৃথিবীটা বড় শান্ত।

    অমল সোম দরজায় এসে বললেন, গুড মর্নিং।

    মেজর বললেন, মর্নিং।

    আপনি সুস্থ?

    আমার মাথা বলে আঘাতটা হজম করেছে, একটু ফুলে উঠেছে, এই যা।

    আঘাতটা করল কে?

    অন্ধকারে মুখ দেখিনি। শুনুন, আমি পেয়ে গেছি। বিষফুল আর মাংসখাদক পিঁপড়ে পেয়ে গেছি। আমাদের এক্ষুনি যাওয়া দরকার। ক্যামেরাটা–।

    আমরা আপনার আঘাত নিয়ে কথা বলছিলাম।

    ও। বিশ্বাস হল না বুঝি। কী ভাবেন বলুন তো? আমি আপনার চেয়ে গগায়েন্দাগিরি কম বুঝি? এই ক বছর ইংরেজি সাহিত্যের সব গোয়েন্দা বই তো শেষ করেছি, তার ওপর স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের পাঠ্যপুস্তকও নাড়াচাড়া করেছি। গত বছর…। মেজর উত্তেজিত গলায় কথা বলছিলেন, কিন্তু তাকে হাত তুলে থামতে বললেন অমল সোম, আমি গোয়েন্দাগিরি করি না।

    অ। মেজর থতমত হয়ে গেলেন।

    অন্ধকারে মুখ দেখেননি বললেন, তাই না?

    হ্যাঁ। টর্চ সঙ্গে ছিল না তো! প্রথমে মাংসখাদক পিপড়ে তারপর বিষ ফুলের গন্ধ আবিষ্কার করে আমি আপনাদের জানাতে ছুটে আসছিলাম। হঠাৎ দেখি জঙ্গলে জোনাকি জ্বলছে, নিবছে। একটা জোনাকি। তারপরেই বুঝতে পারলাম ওটা বিড়ির আগুন। কাছে গিয়ে লোকটার হাত শক্ত করে ধরে জিজ্ঞেস করলুম, এই তুই কে? এখানে কী করছিস? লোকটা বলল, বিড়ি খাচ্ছি। হাত ছাড়ো। বলার ভঙ্গিতে মনে হল অ্যান্টি সোশ্যাল। হয়তো চোরা শিকারিদের কেউ। বললাম, রেঞ্জারের কাছে চল। বলল, ঠিক আছে কিন্তু আমার ইয়ে পেয়েছে। করে নিই আগে। বিশ্বাস করলাম। করতেই বিড়ির আগুন নিবে গেল। তারপরেই মাথার পেছনে আঘাত। আমার আর কিছু মনে নেই। মেজর গড়গড় করে বলে গেলেন। বলতে বলতে তাঁর হাত উঠে স্পর্শ করল ফোলা জায়গাটা।

    অর্জুন বলল, আমরা আপনাকে খুঁজতে জঙ্গলে গিয়েছিলাম। তখন ওই লোকটাই হঠাৎ সামনে এসে হদিস দিয়েই আবার উধাও হয়ে গেল।

    তাই নাকি। লোকটা কিন্তু ক্রিমিন্যাল। মেজর বললেন।

    অমল সোম বললেন, হ্যাঁ। এখানে দেখছি ক্রিমিনালদের সংখ্যা কম নয়। যাক, এখনও ঘণ্টা দুয়েক সময় আছে গাড়ি আসার। আমি একটু হাঁটাহাঁটি করে আসি।

    মেজর তাঁকে সতর্ক করলেন, জঙ্গলে গেলে কোনও গাছের গা ধরে হাঁটবেন না।

    কেন? গাছ আমার ক্ষতি করবে নাকি?

    মেজর তখন তাঁর দেখা মাংসখাদক পিঁপড়ের কাহিনী শোনালেন। অমল সোম বললেন, পিঁপড়েগুলোকে দেখাতে পারবেন?

    অফ কোর্স।

    অতএব তিনজনেই রওনা হল। অর্জুন এর আগে পিরানহা মাছের গল্প শুনেছে। সেই ছোট্ট মাছ অবলীলায় একটা মানুষকে টুকরো টুকরো করে ফেলতে পারে। আর এক ধরনের পিঁপড়ে নাকি হাতির মৃতদেহ খেয়ে নিতে পারে কয়েক দিনে। কিন্তু একটা জ্যান্ত হরিণের বাচ্চাকে পিপড়েরা যা করেছে বলে মেজর বললেন, সেটা পৃথিবীর কেউ শুনেছে কিনা তার জানা নেই। মিনিট পনের হাঁটাহাঁটি হল। মেজর কিছুতেই জায়গাটা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। যদিও এই হাঁটাহাঁটি খুব আরামপ্রদ নয়, তবুও কৌতূহলের কারণে কেউ আপত্তি করছিল না। শেষ পর্যন্ত মেজরই জিজ্ঞেস করলেন, আমাকে কোথায় খুঁজে পেয়েছিলে বলো তো?

    অর্জুন আরও খানিকটা ডান দিকে হেঁটে জায়গাটা দেখিয়ে দিল। গর্তের মধ্যে শুকনো পাতা মেজরের দেহের চাপে বসে গেছে অনেকটা। মিনিট পাঁচেক হাঁটাহাঁটির পর মেজর চিৎকার করে উঠলেন, ইউরেকা!

    মেজরকে ছুটে যেতে দেখে ওরাও পা চালালো। একটা গাছের সামনে গিয়ে থমকে দাঁড়ালেন মেজর। গাছটার নিচে পরিষ্কার ধবধবে কয়েকটা হাড় পড়ে আছে। কিন্তু গাছের গুঁড়ির কোনও অংশেই একটাও পিঁপড়ে নেই।

    মেজর উত্তেজিত গলায় বললেন, এইখানে পিঁপড়েগুলো ছিল মিস্টার সোম। ওই দেখুন, হরিণটার হাড় পড়ে আছে।

    অর্জুন বলল, হরিণটার মাথার খুলি, পা কোথায়?

    অমল সোম এগিয়ে গিয়ে একটা হাড় তুলে পরীক্ষা করলেন। তারপর বললেন, উনি ঠিকই বলছেন। কয়েক ঘণ্টা আগে এটা কোনও জন্তুর শরীরে ছিল। মাংস মজ্জা খেয়ে নিয়ে, মেজরের দেখা যদি ঠিক হয়, পিঁপড়েরা চলে গেছে। আর জঙ্গলে তো শেয়াল-হায়েনার অভাব নেই, খুলিটুলিগুলো তারাই নিয়ে গেছে।

    একটা হালকা দাগ গাছের গুঁড়িতে ছিল। বোঝাই যাচ্ছে ওখানে কিছু চেপে ছিল অনেকক্ষণ। অমল সোম বললেন, আপনি বলছিলেন পিঁপড়ের চাকের আড়ালে ঢাকা পড়ে গিয়েছিল এই জায়গাটা, তাই কালো দেখাচ্ছিল। তা হলে তো হাজার হাজার পিঁপড়ে থাকার কথা। একসঙ্গে ওগুলো গেল কোথায়?

    মেজর বললেন, নিশ্চয়ই কাছাকাছি আবার ফাঁদ পেতেছে।

    না। জন্তুজানোয়ার থেকে পাখি পর্যন্ত খিদে না পেলে খাবার খোঁজে না। এখন ওদের পেট ভর্তি। যতক্ষণ না খিদে পাবে, ততক্ষণ ওরা ফাঁদ পাতবে না। মানুষের সঙ্গে এটাই পার্থক্য।

    অর্জুন আশেপাশে পিঁপড়ে খুঁজল। না কোথাও নেই।

    আপনার বিষফুল কোথায়? অমল সোম প্রশ্ন করলেন।

    মেজর আবার উৎসাহে এগিয়ে গেলেন, অন্ধকার ছিল, তবু আমি একটা পাতাঝরা গাছকে চিহ্ন হিসেবে রেখে এসেছি।

    ন্যাড়া গাছটাকে খুঁজে বের করতে সময় লাগল না। হাত বাড়িয়ে ওদের দেখতে বললেন, একটু এগিয়ে গেলেই গন্ধ পাওয়া যাবে। সাবধান!

    অর্জুন চারপাশে তাকাল। সকালের জঙ্গলে পাখিদের ব্যস্ততা থাকে। চার পাশেই তারা চেঁচামেচি করছে। কয়েকটা বাঁদর গাছের ডাল ধরে ওপাশে চলে গেল। সে জিজ্ঞেস করল, আপনি কোন দিকে গন্ধ পেয়েছিলেন?

    ওই দিকে।

    কিন্তু ওদিকে যদি বিষফুল থাকে, তাহলে পাখি বা বানরের কিছু হচ্ছে না কেন?

    অমল সোম বললেন, ঠিক কথা। মেজর, আপনার বোধহয় ভুল হচ্ছে।

    অসম্ভব। ওই গন্ধ নাকে ঢোকামাত্রই আমার শরীর ঝিমঝিম করছিল। মেজর প্রতিবাদ জানিয়ে একপা একপা করে এগোতে লাগলেন।

    অর্জুন স্বচ্ছন্দে হাঁটতে লাগল তাঁকে ডিঙ্গিয়ে। তারপরেই ওরা হাসনুহানার ঝোপটাকে দেখতে পেল। সকালেও সেই ফুলের গন্ধ বাতাস জুড়ে রয়েছে। মেজর অর্জুনের হাত ধরে টানলেন, খবরদার। আর এগিও না।

    গন্ধ নাকে লাগলেও শরীরে কোনও প্রতিক্রিয়া হচ্ছিল না। অর্জুন ফুলটাকে লক্ষ করছিল। জলপাইগুড়িতে এ রকম হাসনুহানা গাছ সে অনেক দেখেছে। তার ফুলের সঙ্গে এর কোনও পার্থক্য নেই। হাসনুহানার গন্ধে সাপ আসে বলে প্রচার আছে। এ ছাড়া আর কোনও ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। অমল সোম শব্দ করে হাসলেন, জঙ্গলে ঢুকে গন্ধ পেয়েই ভাবলেন, বিষ ফুলের গন্ধ? তিনি এগিয়ে গিয়ে ফুলের ঘ্রাণ নিলেন। সত্যিই কড়া গন্ধ। কিন্তু দেখুন, আমি ঠিকই আছি। কাল রাত্রে আপনি মানসিকভাবে গোলমেলে ছিলেন।

    মেজর ততক্ষণে বুঝেছেন তিনি ভুল করেছেন।

    অমল সোম এবার ফিরলেন। তাঁর পাশে হাঁটতে হাঁটতে মেজর বললেন, হতে পারে। হতে পারে কেন, ভুল নিশ্চয়ই হয়েছে। কিন্তু পিঁপড়েদের ব্যাপারটা একশো ভাগ সত্যি।

    ঠিক। ওই হাড়গুলো তো মিথ্যে নয়। তবে জঙ্গলের এত কাছাকাছি যদি আপনার বিষফুল থাকত, তাহলে রেঞ্জার খবর পেয়ে যেতেন। অমল সোম এগিয়ে চললেন।

     

    ব্রেকফাস্ট খাওয়া শেষ না হতেই গাড়ি এসে গেল। অমল সোম বললেন, তা হলে আপনারা চারপাশে ঘোরাঘুরি করুন।

    মেজর বললেন, তার মানে? আমাদের তো নিম টি এস্টেটে যাওয়ার কথা।

    আপনারা যেতে চান?

    হ্যাঁ, আপনাকে একা ছেড়ে দেওয়া যায় না।

    অমল সোম হাসলেন, মুখে কিছু বললেন না।

    ফরেস্ট থেকে বেরিয়ে গতকালের সেই রাস্তা ধরে বেশ কিছুটা পথ যাওয়ার পর চা বাগানের গায়ে নিম টি এস্টেটের সাইনবোর্ড চোখে পড়ল। অমল সোম বললেন, মনে হচ্ছে বাগানটা বেশ বড়। বাঙালি মালিকের বাগান তো এখন হাতে গোনা।

    এখানে আসার পথে যে কটা চায়ের বাগান নজরে পড়েছে, তার সাইনবোর্ডে হয় বিদেশি নামের কোম্পানি নয় অবাঙালি নাম চোখে পড়েছে। এসব নিয়ে অর্জুন কখনও মাথা ঘামায়নি। এককালে জলপাইগুড়ির এস পি রায় এবং বীরেন ঘোষ অনেক চা বাগানের মালিক ছিলেন। ওঁদের মৃত্যুর পর এস পি রায়ের ছেলেরা খুব ভালভাবে ব্যবসা করলেও বীরেন ঘোষ মশাই-এর ছেলে তাদের চাবাগান বিক্রি করে দিয়েছেন। এই নিয়ে জলপাইগুড়ির পুরনো মানুষেরা আফসোস করেন। অমল সোমের কথা শুনে মনে হল তাঁরও আফসোস ওই কারণে।

    গাড়ি বাগানের গেট পেরিয়ে সরু রাস্তায় ঢুকে পড়ল। সাদা নুড়ি পাথরের রাস্তা। ওপাশে ফ্যাক্টরির শেড দেখা যাচ্ছে। এপাশে অফিস। বেশ নির্জন জায়গা। গাড়ি থেকে নেমে ওরা এপাশ ওপাশে তাকাতেই একজন মঙ্গোলিয়ান যুবক এগিয়ে এসে নমস্কার করল। অমল সোম জিজ্ঞাসা করলেন, মিসেস ব্যানার্জি আছেন?

    মেমসাহেব বড়া বাংলোতে আছেন।

    বড়া বাংলো?

    হ্যাঁ। ওই ওপাশে বড়া বাংলো, আর ডানদিকে ছোটা বাংলো।

    মেজর জিজ্ঞেস করলেন, মিস্টার হরপ্রসাদ সেন কি এখানে আছেন?

    হ্যাঁ। আসুন আমার সঙ্গে। ছেলেটি এগোল।

    অমল সোম অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, এঁকে চিনলেন কী করে?

    অর্জুন জবাব দিল, জলঢাকার কাছে আলাপ হয়েছিল। উনি নীল চ্যাটার্জির পেছন পেছন আসছিলেন। ওই যে ঝামেলাটা।

    বুঝেছি। অমল সোম মাথা নাড়লেন।

    অফিসটি ছিমছাম। ছেলেটি জানাতেই তাদের ভেতরে নিয়ে আসতে বললেন হরপ্রসাদ সেন। মেজরকে দেখে বৃদ্ধের কপালে ভাঁজ পড়ল, কোথায় যেন—ওহো, কী ব্যাপার?

    চিনতে পারছেন? মেজর গম্ভীর গলায় বললেন।

    বিলক্ষণ।

    ইনি অমল সোম। সত্যসন্ধানী।

    অমল সোম নমস্কার করলেন, ওসব কিছু নয়। আমি এই বাগানের মিসেস ব্যানার্জির সঙ্গে দেখা করতে চাই। কিছু ব্যক্তিগত কথা বলব।

    হরপ্রসাদ সেন ঘড়ি দেখলেন, ওঁর অফিসে আসার সময় হয়ে গিয়েছে। যদিও ব্যক্তিগত কথা বললেন, তবু জানতে পারি প্রসঙ্গটি আমাদের ছোট সাহেবকে নিয়ে কি?

    আপনার অনুমান ঠিক।

    তা হলে বলব, কথা বলে কোনও লাভ হবে না। উনি স্পষ্ট বলে দিয়েছেন যে, ছোট সাহেবের কোনও ব্যাপারে থাকবেন না।

    সেটা আপনাদের বলেছেন। আমি নিজের কানে শুনে যেতে চাই।

    হরপ্রসাদ সেন দরজার দিকে তাকালেন। মঙ্গোলিয়ান ছেলেটি ওদের এই ঘরে পৌঁছে দিয়ে বেরিয়ে গেছে। হরপ্রসাদবাবু গলা নামালেন, নতুন কোনও ঘটনা ঘটেছে?

    অমল সোম বললেন, অনুমান করছি আপনি স্বৰ্গত অশ্বিনী ব্যানার্জীর আমলের লোক।

    ঠিক তাই। এসব দেখে শুনে আমি ছুটি চেয়েছিলাম কিন্তু মিসেস ব্যানার্জি আমাকে ছাড়তে চান না। বয়েসও হয়েছে, মানাতে পারছি না তাই। কথা বলতে বলতে কান খাড়া করলেন হরপ্রসাদ সেন, ওই যে, মেমসাহেব এসে গেছেন। আপনারা বসুন।

    হরপ্রসাদ সেন তড়িঘড়ি উঠে গেলেন। ততক্ষণে একটা গাড়ি এসে থেমেছে অফিসে। বড়া বাংলো পাথর ছোঁড়া দুরত্বে হলেও মিসেস ব্যানার্জি গাড়িতেই অফিসে আসেন। তাঁকে এই ঘর থেকে দেখা যাচ্ছিল না।

    মেজর জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি ওই বদমাসটার বিরুদ্ধে নালিশ করতে চান?

    তাতে কি কোনও লাভ হবে? শুনলেন তো ভাইয়ের ব্যাপারে উনি থাকেন না।

    বারান্দায় শব্দ হল। তারপরই হরপ্রসাদ সেনের গলা, আসুন, আসুন।

    গটগট করে ভদ্রমহিলা ঘরে ঢুকলেন। অমলদাকে অনুসরণ করে ওরা দাঁড়িয়ে পড়ল। মিসেস ব্যানার্জির বয়স পঞ্চাশের কাছে, মাথার সামনের দিকের চুল ইন্দিরা গান্ধীর মতো সাদা। সাদা জামা আর শাড়িতে বেশ ব্যক্তিত্বময়ী বলেই মনে হচ্ছে।

    অমল সোম নমস্কার করে নিজেদের পরিচয় দিলেন।

    অর্জুন লক্ষ করল, বাগানের মালিক হওয়া সত্ত্বেও ভদ্রমহিলা হরপ্রসাদ সেনের চেয়ারে না বসে পাশের একটা চেয়ার টেনে নিয়ে বললেন, বসুন মিস্টার সেন। বসুন আপনারা। হ্যাঁ, কী ব্যাপার? আমি তো ভাবতেই পারছি না, আপনাদের মতো নামী লোক, অকারণে আমার বাগানে সময় নষ্ট করতে আসবেন।

    হরপ্রসাদ সেন নিচু গলায় বললেন, মিস্টার সোম আপনার সঙ্গে ব্যক্তিগত কথা বলতে চান। বিষয়টা আমাকে বলেননি।

    অমল সোম বললেন, মিসেস ব্যানার্জি, আপনাকে বিরক্ত করছি বলে দুঃখিত। কোনও এক সময় আমি আপনার স্বৰ্গত স্বামীকে চিনতাম। অশ্বিনীবাবু মানুষ হিসেবে শ্রদ্ধেয় ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পরে আপনি যেভাবে এই বাগান চালাচ্ছেন, তা প্রশংসনীয়।

    অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু যেভাবে চালানো উচিত তা পেরে উঠছি না। মডার্ন মেশিনারি ব্যবহার করার মতো আর্থিক সঙ্গতি আমার নেই। আপনি কি আলাদা কথা বলতে চান? আচমকা গলার স্বর বদলে গেল।

    দরকার নেই। শুনেছি আপনার ভাই নীল চ্যাটার্জি আপনাদের সমস্ত সম্পদের উত্তরাধিকারী। অতএব তাঁর আচার-আচরণ সম্পর্কে আপনার দায়িত্ব থেকে যাচ্ছে। তিনি এই এলাকায় যেভাবে রাজত্ব করছেন, তা মাফিয়া ডনেরাই করে থাকে। আপনার স্বামী বেঁচে থাকলে নিশ্চয়ই সহ্য করতেন না। আমার একমাত্র প্রশ্ন, আপনি কী করে আপনার ভাইয়ের গুণ্ডামিকে প্রশ্রয় দিয়ে চলেছেন? অমল সোম খুব শান্ত গলায় প্রশ্ন করলেন। অর্জুন ভাবছিল এসব শুনে মিসেস ব্যানার্জি খুব চটে যাবেন। কিন্তু নিঃশব্দে হাসলেন মাত্র, আর কিছু?

    না।

    আপনি নিশ্চয়ই তার গুণ্ডামির প্রমাণ পেয়েছেন, নইলে আমাকে বলতে আসতেন না। আপনি বললেন, আমি তাকে প্রশ্রয় দিচ্ছি। ভাল কথা। কিন্তু একই সঙ্গে স্থানীয় পুলিশ, সরকারী সংস্থাগুলো, জেলার এস পি, স্থানীয় মানুষজন তাকে কি প্রশ্রয় দিচ্ছে না? কোনও এক ব্যক্তির কতখানি ক্ষমতা থাকতে পারে যে, সবাইকে সে হাতের মুঠোয় রাখতে পারে?

    আমার প্রশ্নের এটা উত্তর হল না।

    মিস্টার সোম, আমি কীভাবে ক্ষতিপূরণ করতে পারি, বলুন?

    ক্ষতিপূরণ?

    নিশ্চয়ই সে আপনাকে অপমান করেছে?

    করেছে। কিন্তু কুৎসিত গালাগাল আর হুমকির ক্ষতিপূরণ কিসে হওয়া সম্ভব?

    আমি জানি না।

    বেশ। আমি আপনাকে সতর্ক করে দিতে এসেছিলাম। নিশ্চয়ই আপনি ভাই সম্পর্কে অত্যন্ত দুর্বল। কিন্তু এই কারণ আপনার স্বামীর ব্যবসায় বদনাম তৈরি করছে। আচ্ছা, আপনার সময় নষ্ট করার জন্যে আমি দুঃখিত। নমস্কার! অমল সোম উঠে দাঁড়ালেন।

    এইসময় বাইরের নুড়ি পাথর ছিটকে ব্রেক কষে গাড়ি থামার আওয়াজ এল। হরপ্রসাদ সেন চাপা গলায় বলে উঠলেন, ছোট সাহেব এসেছেন।

    অমল সোম এবং অর্জুন ততক্ষণে বাইরের বারান্দায় পা রেখেছে। মেজর পেছনে। গাড়ি থেকে নেমে নীল চ্যাটার্জি ওদের দেখতে পেয়ে বেশ অবাক হয়েছে বোঝা যাচ্ছে। দ্রুত পা ফেলে কাছে এসে সে জিজ্ঞেস করল, এখানে কী ব্যাপার? আপনারা তো ফরেস্ট বাংলোয় উঠেছেন?

    অমল সোম বললেন, কাল তুমি তুই শুনেছিলাম, আজ আপনি। এসো অর্জুন।

    দাঁড়ান, দাঁড়ান, ওরকম চালিয়াতের মতো আমার সঙ্গে কথা বলার সাহস হল কী করে? এটা আমার বাগান, ফরেস্ট বাংলো নয়। চিৎকার করে উঠল নীল।

    বাগানটা এখনও মিসেস ব্যানার্জির। উনি মরে না যাওয়া পর্যন্ত তাঁরই। অমল সোম এগিয়ে গেলেন গাড়ির দিকে।

    নীল চ্যাটার্জি কিছু বলতে যাচ্ছিল, কিন্তু তার আগেই বারান্দা থেকে মিসেস ব্যানার্জির গলা ভেসে এল, নীল!

    নীল পেছন ফিরে তাকাল। আর একটা কথাও আমি শুনতে চাই না। এদিকে এসো।

    ওরা গাড়িতে উঠল। গাড়িটা যখন বাগান ছাড়াতে যাচ্ছে, তখন ওপাশ থেকে মারুতিটা বাঁক নিল। দুটো গাড়ি মুখোমুখি দাঁড়িয়ে গেল। ওপাশের গাড়ির স্টিয়ারিং-এ বসে আছে জলপাইগুড়ির বরেন ঘোষালের ছোট ভাই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article তেরো পার্বণ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }