Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প622 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. অর্জুনের মনে পড়ল

    অর্জুনের মনে পড়ল, এই থর বা পাহাড়ি ছাগলের কথা অমল সোমের মুখে সে এর আগে শুনেছে। অমল সোম ওর ভাল নামটিও বলেছিলেন। অর্জুন মনে করার চেষ্টা করল।

    সুন্দর বলল, কী ভাবছেন বাবু?

    ভাবছিলাম জন্তুটার আসল নাম কী? যাকগে, তুমি ওদের বলতে পারতে আর কোনও অবৈধ কাজ করবে না। তা না বলে জঙ্গলে পালিয়ে এলে কেন?

    বললে ওরা কথা শুনত না। এ অঞ্চলে নীলবাবু যা বলবেন, সেটাই আইন। কথা না শুনলে ওরা আমার সর্বনাশ করে দিত।

    কিন্তু জঙ্গলে খাবার নেই, বৃষ্টিবাদল আছে, বন্য জন্তু আক্রমণ করতে পারে, এভাবে তুমি কতদিন পালিয়ে থাকবে? অর্জুন জিজ্ঞেস করল।

    যে কদিন পারি। আমি শহরের দিকে চলে যেতে পারতাম, কিন্তু তা হলে যে আমার ছেলেবউকে দেখতে পাব না। জঙ্গলে থাকলে ওদের কাছাকাছি থাকব আমি। এই কদিনে অবশ্য একটা অন্যায় করেছি। বনমুরগি ধরে ছাড়িয়ে খেয়েছি। এই যা।

    কী হল?

     

    মাটির নীচের ওই ফলটার কথা খেয়ালই ছিল না। বাচ্চাগুলোর পর। মা-শেয়ালটা নিশ্চয়ই এতক্ষণে বাকিটা খেয়ে গেছে। হতাশ গলায় বলল সুন্দর।

    তুমি এক কাজ করে। আমার সঙ্গে চলো। বাংলোয় গিয়ে খাবে।

    অসম্ভব! ওখানে গেলে নীলবাবু ঠিক খবর পেয়ে যাবে।

    সে জানবে কী করে?

    ওই বাংলোর কর্মচারীদের মধ্যে যে ওর লোক নেই, তা জানব কী করে?

    ঠিক আছে। তুমি রাত হলে এসো। আমি জেগে থাকব।

    সুন্দর অর্জুনকে জঙ্গলের ধারে পৌঁছে দিয়ে ফিরে গেল। এই সময় টুপ টুপ করে বৃষ্টির ফোঁটা পড়তে লাগল। অর্জুন দৌড়ে বাংলোয় ফিরে এল। বিকেল হয়ে আসছে। আকাশে জমাট মেঘ। রাত্রে ভারী বৃষ্টি হবে।

    ফরেস্ট বাংলোর বারান্দায় বসে বৃষ্টি দেখা একটা দারুণ অভিজ্ঞতা। সন্ধের মুখ থেকে তুমুল বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। সুন্দরের জন্য চিন্তা হচ্ছিল অর্জুনের। বেচারা ভিজে যাবে একদম, অসুখ হওয়া বিচিত্র নয়। পাশের বেতের চেয়ারে বসে মেজর আফ্রিকান ভাষায় একটা বর্ষার গান গাইছিলেন গুনগুন করে। একটু আগে তিনি বলেছেন ফরেস্টে বৃষ্টি দেখলেই তাঁর আফ্রিকার কথা মনে পড়ে। হয়তো কোনও গল্পের ভূমিকা ছিল সেটা, কিন্তু কেউ প্রশ্ন না করায় গানে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন।

    হঠাৎ অমল সোম জিজ্ঞেস করলেন, আচ্ছা মেজর, এই গানের কবির নাম

    কী?

    খনাতিক মোজাম্বা। যে নৌকোয় চড়ে জঙ্গলে জঙ্গলে ঘুরতাম, তার মাঝি ছিল লোকটা। অথচ কবিতা লিল নির্ঘাত নোবেল পেয়ে যেত অ্যাদ্দিনে। লাইনটা শুনুন, হে বৃষ্টি, মেঘ না থাকলে তোমার অস্তিত্ব নেই যেমন, আমার দুঃখগুলোরও কোনও মূল্য নেই আমি না থাকলে। বিউটিফুল। কী বলেন? মেজর জিজ্ঞেস করলেন।

    সত্যিই ভাল। কিন্তু বৃষ্টির জন্যই বারান্দায় পোকা বাড়ছে। আমরা যদি তাড়াতাড়ি খেয়েদেয়ে শুয়ে পড়ি, তা হলে কারও অসুবিধে আছে? অমল সোম জানতে চাইলেন প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে।

    শুয়ে পড়ব। সবাই মিলে? মেজর অবাক!

    হ্যাঁ। কেন?

    আমাদের সতর্ক থাকা উচিত নয় কি? নীল চ্যাটার্জি তার বন্ধুর হেনস্থার বদলা নিতে এখানে আসবে না? যা ফেরোসাস লোক! মেজর কথা শেষ করেই কানখাড়া করলেন। বৃষ্টির আওয়াজ ছাপিয়ে একটা গাড়ির আওয়াজ ভেসে আসছে। তারপরেই দূরে হেডলাইটের আলো দেখা গেল, আবছা।

    মেজর উঠে দাঁড়ালেন, আমার অস্ত্রটা নিয়ে আসি। তিনি দ্রুত ঘরে ঢুকে গেলেন।

    বৃষ্টি মাথায় নিয়ে গাড়িটা একেবারে বাংলোর গায়ে এসে থামল। দরজা খুলে কে ভেতরে ঢুকে গেল, ওপর থেকে বোঝা গেল না। কিন্তু তৎক্ষণাৎ সিঁড়িতে পায়ের আওয়াজ হল। ওরা দেখল চৌকিদার দৌড়ে উঠে এসেছে, সাব, নীলবাবু এসেছেন, দেখা করতে চান।

    অমল সোম বললেন, নিয়ে এসো।

    চৌকিদার নেমে গেলে অমল সোম বললেন, ছেলেটা মোটেই মাথামোটা নয়।

    নীল উঠে এল। বৃষ্টির জল তার জ্যাকেটে লেগেছে। ওপরে এসে হাতজোড় করে বলল, নমস্কার। আপনাদের কি বিরক্ত করলাম?

    অমল সোম বললেন, মোটেই নয়। বসুন।

    চেয়ার টেনে পা ছড়িয়ে বসল নীল, আরে, আপনারা নিজেদের পরিচয় দেবেন তো, কীরকম মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়ে গেল বলুন তো! আপনি তো অর্জুন? আমি আপনার ফ্যান। সেই লাইটারের আমল থেকে। আপনার বাংলাদেশে গিয়ে রহস্য উদ্ধারের শেষটা অবশ্য আমাকে টানেনি। যাকগে, আমি এলাম অনেকটা দিদির চাপে। যা হয়েছে সব ভুলে যান। এনজয় ইওর টিপ।

    অনেক ধন্যবাদ।

    শুনলাম আপনারা নাকি একটা ফুলের খোঁজে এসেছেন, যা বিষের গন্ধ ছড়ায়। ইন্টারেস্টিং। এব্যাপারে যদি আমার সাহায্য দরকার হয়, তা হলে বলবেন।

    নিশ্চয়ই বলব। অমল সোম শান্ত গলায় বললেন।

    তা হলে আজ চলি। আপনারা গল্প করুন। নমস্কার। হঠাৎই উঠে দাঁড়িয়ে সিঁড়ির দিকে চলে গেল নীল। তারপর ঘুরে দাঁড়িয়ে অর্জুনের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনি যে ম্যাজিক জানেন, তা কখনও পড়িনি তো! আমার নির্বোধ বন্ধু যা করেছে তার উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছেন আপনি। হাত নেড়ে আগুন জ্বালাতে এদেশের সাধু-সন্ন্যাসীরা এককালে পারতেন। অবশ্য আমেরিকানরা বোতাম টিপে সেটা করতে পারে। নমস্কার।

    দ্রুত চলে গেল নীল। তারপরেই গাড়িটা পাক খেয়ে ফিরে গেল। সে উঠে এসেছিল গাড়ির হেডলাইট না নিভিয়ে। জায়গার অন্ধকার আরও বেড়ে গেল।

    অমল সোম হেসে জিজ্ঞেস করলেন, কিছু বুঝতে পারলে অর্জুন?

    অর্জুন মাথা নাড়ল, না। এ যে দেখছি একদম উলটো ব্যবহার।

    হ্যাঁ। আমি যা ভেবেছিলাম, নীলবাবু তার অনেক বেশি বুদ্ধিমান। উনি এসে এই বৃষ্টির মধ্যে জানিয়ে গেলেন আমাদের সম্পর্কে সমস্ত খবর ওঁর নেওয়া হয়ে গিয়েছে।

    মেজর বেরিয়ে এলেন, আমার মনে হয় ছেলেটা ভয় পেয়েছে। বন্ধুকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি দেখে বুঝতে পেরেছে ওরও ওই একই অবস্থা করব আমরা।

    অমল সোম উঠে পড়লেন, ভয় পেয়েছে কিনা জানি না, তবে অর্জুন যে বোম টিপে আগুন জ্বালিয়েছিল, সেটা ধরতে পেরেছে নীলবাবু। আর আপনি যে আমেরিকায় থাকেন, সেই খবর নিশ্চয়ই ওর জানা হয়ে গেছে।

    সন্ধের পরই রাতের খাবার দেওয়া হল। কিন্তু অর্জুন খেল না। সে বলল, এখন আমার একটুও খিদে পাচ্ছে না, আপনারা খেয়ে নিন, আমি পরে খাব।

    মেজর তাই শুনে খাওয়ার সময়টা পিছিয়ে দিচ্ছিলেন, কিন্তু অমল সোম সেটা করতে দিলেন না। ওঁরা যখন নীচের খাবার ঘরে যাচ্ছেন, তখন দোতলার বারান্দায় বসে অর্জুন বৃষ্টি দেখছিল। যদিও তার মন পড়ে ছিল জঙ্গলের মধ্যে। শালগাছ-ঘেরা জায়গাটায় নিশ্চয়ই এখন বৃষ্টির জল ঢুকে পড়েছে। বেচারা সুন্দর! অন্যায়ের সঙ্গে হাত মেলাবে না বলে এই শাস্তি পেতে হচ্ছে ওকে। নীল চ্যাটার্জি যখন তাদের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করল, তখন সে সুন্দরের কথা ওকে বলতে পারত। অর্জুনের অনুরোধ হয়তো নীল রাখত। কিন্তু না, তাতে সুন্দরেরই ক্ষতি বাড়ত। ওর মুখে থর শিকারের কাহিনী অর্জুনরা জেনে গিয়েছে, তা বোঝার পর নীল আর পিছিয়ে যেত না। বরং সুন্দর যে এ অঞ্চলে আছে তা জেনে যেত।

    সুন্দরকে সে রাত্রে এখানে আসতে বলেছে। সেই কারণে অমল সোম বলা সত্ত্বেও রাতের খাবার খেল না। এমন বৃষ্টির রাত্রে চৌকিদার বাবুর্চি বেশিক্ষণ জেগে থাকবে না। তখন সুন্দর এলে খাবারটা ওর সঙ্গে ভাগ করে খেতে পারবে। অর্জুন দেখল বাবুর্চি ওর খাবার ওপরে নিয়ে আসছে। শোওয়ার ঘরের টেবিলে যত্ন করে ঢেকে রেখে নেমে গেল।

    অমল সোম এবং মেজর খাওয়া শেষ করে ওপরে উঠে এলেন। মেজর বললেন,  খেতে পেলেই শুতে চায়, কথাটা আমার ক্ষেত্রে খুব খাটে। ভীষণ ঘুম পাচ্ছে।

    শুয়ে পড়ুন। অর্জুন বলল।

    আফ্রিকাতেও তাই করতেন? অমল সোম জিজ্ঞেস করলেন।

    আফ্রিকা ন্য। গ্রিনল্যান্ড থেকে একশো কিলোমিটার উত্তরে বরফের ওপর তাঁবু খাটিয়ে তিন রাত ছিলাম। তখন শুধুই রাত। সময় বুঝতে হলে ঘড়ি দেখতে হত। বিকেল পাঁচটার সময় খেয়েদেয়ে স্লিপিং ব্যাগের ভেতর ঢুকে যেতাম। আমার সঙ্গে ছিলেন এক বৃদ্ধ বিজ্ঞানী, স্ট্যানলি স্টিভেনসন। স্ট্যানলির ঘুম আসত না। সে জেগে জেগে হাওয়ার শব্দ শুনত। হাওয়াদের নাকি নিজস্ব ল্যাঙ্গুয়েজ আছে।

    থাকতে পারে। আমি চললাম। অমল সোম নিজের ঘরে ঢুকে গেলেন।

    সেদিকে তাকিয়ে মেজর বললেন, অমলবাবুর বয়স হয়ে যাচ্ছে, অল্পতেই টায়ার্ড হয়ে পড়েন। যাই, আমিও যাই। হাই তুলতে তুলতে নিজের ঘরে চলে গেলেন মেজর।

    মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই নাক ডাকার আওয়াজ ভেসে এল। মেজর ঘুমাচ্ছেন।

    সন্ধে সাড়ে সাতটা নাগাদ বৃষ্টির তেজ আরও বাড়ল। পোকার জন্য আলো নিভিয়ে দিয়েছিল অর্জুন। জঙ্গলে বাতাসের তুমুল লড়াই চলছে। তার আওয়াজ অবশ্য মেজরের নাসিকাগর্জনের ওপরে। নীচের আলোগুলো নিভে গেল। তার মানে বাবুর্চি, চৌকিদার তাদের কাজ শেষ করে শুয়ে পড়ল।

    বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। এক মুহূর্তের জন্য গাছপালা নেগেটিভ ছবি হয়েই মিলিয়ে যাচ্ছে।

    বাবু। চাপা গলায় ডাকটা ভেসে এল।

    চমকে মুখ ফেরাতেই অন্ধকারে ঝাপসা শরীরটা নজরে এল।

    সুন্দর! ফিসফিস করল অর্জুন।

    হ্যাঁ বাবু।

    অর্জুন তাজ্জব! কখন নিঃসাড়ে লোকটা খুঁটি বেয়ে দোতলার বারান্দায় উঠে এসেছে, তা সে টের পায়নি। অথচ সে সুন্দর কোন পথে আসবে তাই অনুমান করার চেষ্টা করছিল।

    তুমি তো ভিজে গেছ?

    হ্যাঁ বাবু।

    এসো।

    প্রায় নিঃশব্দে ওরা ঘরে ঢুকল। আলো জ্বালল না প্রথমে। মেজরের নাক ডাকছে। বড় ভোয়ালেটা অর্জুন সুন্দরের হাতে দিয়ে বলল, ওটা বাথরুম। ওখানে ঢুকে এটা পরো।

    সুন্দরের হাতে একটা প্যাকেট ছিল। প্যাকেটটা প্লাসটিকের। সেটা টেবিলের ওপর রেখে যখন তোয়ালে নিল, তখন বাইরে বিদ্যুৎ চমকাল। অর্জুন দেখল তার শরীর পুরো জলে ভেজা।

    ওটা কী?। আমার জামা। বৃষ্টির জন্য।

    ও, যাও।

    সুন্দর বেরিয়ে এল চটপট। অর্জুন খাবার খুলল। তারপর নিজে যতটা সম্ভব কম নিয়ে বাকিটা সুন্দরকে দিয়ে দিল। বুভুক্ষু মানুষ কীভাবে খায় তা অনুমান করল অর্জুন। খাওয়া শেষ করে জল খেয়ে সুন্দর ফিসফিস করল, কে ইনি?

    মেজর। তোমার কোনও চিন্তা নেই।

    জঙ্গলে একটা বুড়ো বাঘ আছে, ঘুমিয়ে পড়লে ওইভাবে নাক ডাকে।

    অর্জুনের হাসি পেল। মেজর শুনতে পেলে সুন্দরকে মেরে ফেলতেন। খাওয়ার পর ওরা বাইরে এসে বসল। সুন্দরের কোমর থেকে তোয়ালে অন্ধকারেও পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে রঙের ঔজ্জ্বল্যের জন্য। অর্জুন জিজ্ঞেস করল, খুব ভিজেছ?

    না। গাছের ঘরে তেমন জল পড়েনি। এখানে আসতে গিয়ে ভিজে গেলাম।

    তোমার নীলবাবু এসেছিল এখানে।

    অ্যাঁ? নীলবাবু! চমকে উঠে দাঁড়াল সুন্দর।

    অর্জুন, ওকে বলো ভয়ের কোনও কারণ নেই। পেছন থেকে নিচু গলা ভেসে এল। তারপবই অমল সোম এগিয়ে এসে চেয়ার টেনে বসলেন, বসো। তোমার নাম সুন্দর?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    অর্জুন বলল, সুন্দর, ইনি আমার দাদা।

    অ।

    অমল সোম বললেন, তুমি নীলবাবুকে এত ভয় পাচ্ছ কেন?

    কথার অমান্য করেছি, উনি মেরে ফেলবেন।

    সে কী! এর আগে কখনও মেরেছেন?

    হ্যাঁ। জঙ্গলে লাশ পাওয়া যায়।

    খুন?

    ঠিক বলতে পারব না। শরীরে কোনও চিহ্ন থাকে না। রক্ত বের হয়।

    কতজন এভাবে মারা গিয়েছে?

    অন্তত পাঁচজন।

    থানা থেকে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি?

    না। পুলিশ বলে প্রমাণ নেই কে মেরেছে!

    হুঁ। তুমি তো পাখি শিকার করো?

    করতাম বাবু, এখন ছেড়ে দিয়েছি।

    ও। তা জঙ্গলের নাড়িনক্ষত্র তো জানো?

    তা জানি।

    সেরাও-এর নাম শুনেছ?

    সেরাও?

    তখনই অর্জুনের মনে পড়ে গেল। সে উত্তেজিত গলায় বলল, সুন্দর, বিকেলে তুমি যাকে থর বলছিলে, তারই ভাল নাম সেরাও।

    সুন্দর বলল, হ্যাঁ চিনি।

    অমল সোম জিজ্ঞেস করলেন, কী কারণে এই প্রসঙ্গ উঠেছিল অর্জুন?

    অর্জুন জবাব দিল, নীলবাবু ওকে থর শিকার করতে বলেছে, অন্তত থর কোথায় আছে তার খবর দিতে হবে। সুন্দর রাজি হয়নি বলে জঙ্গলে লুকিয়ে আছে।

    অমল সোম বললেন, গুড। সুন্দর, সেরাও কোন অঞ্চলে থাকে?

    পাহাড় আর জঙ্গলের মাঝামাঝি জায়গায় ওদের দেখেছি।

    আমি জানি বক্সার পাহাড় থেকে এদিকের ভুটানের পাহাড় পর্যন্ত ওদের দেখা যায়। ওরা কখনওই পাহাড়ের বেশি ওপরে ওঠে না, আবার জঙ্গলের গভীরে ঢোকে না। তাই?

    আমি অতটা জানি না বাবু।

    সুন্দর, তুমি আমাকে থর খুঁজতে সাহায্য করবে?

    আমি? না বাবু, আমি আর পাপ করব না।

    তোমাকে কোনও পাপ করতে বলছি না। আমি কখনওই পশুপাখি মারি না। আমরা শুধু ওদের লক্ষ করব, ছবি তুলব, ব্যস! এর জন্যে তুমি টাকা পাবে।

    কিন্তু নীলবাবু?

    সে যাতে জানতে না পারে, সেই ব্যবস্থা আমরা করব।

    সুন্দর এবার অর্জুনকে জিজ্ঞেস করল, আপনি সঙ্গে থাকবেন তো বাবু?

    অর্জুন বলল, নিশ্চয়ই।

    ঠিক আছে। কিন্তু আপনাদের অনেকটা পথ হাঁটতে হবে।

    কতটা?

    তা এখান থেকে তিনপোয়া বেলা।

    হাঁটব। মনে হচ্ছে বৃষ্টি মাঝরাত্রেই থেমে যাবে। ভোর ভোর বেরিয়ে পড়তে পারি।

    কিন্তু–এখন জঙ্গল ভেজা থাকবে। পাতায়-পাতায় জোঁক বের হবে।

    তা হলে?

    একদিন রোদ উঠুক। গাছপালা ঠিক হোক, তারপর—

    তোমার কি এখানে একদিন থাকার ইচ্ছে আছে? অমল সোম জিজ্ঞেস করলেন।

    মিথ্যে কথা বলব না বাবু। নীলবাবুর বন্ধু আমার বউকে শাসিয়ে এসেছে। আমি তার বদলা নেব বলে এই জঙ্গলে এসেছি। উনি একা গাড়ি নিয়ে ঘুরতে ভালবাসেন। আমি এমন শাস্তি দেব…। কথা শেষ করল না সুন্দর।

    সে এখন থানায়। তাকে কোথায় পাবে?

    থানায়?

    হ্যাঁ। আমরাই ওকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।

    হা ভগবান!

    আফসোস কোরো না। তা ছাড়া কাউকে শাস্তি দেওয়া আইনের কাজ, তোমার নয়। তুমি আর পাপ করতে চাও না, ওটা করলে পাপ হবে।

    বেশ, তা হলে ভোরেই চলুন।

    অমল সোম একটু চিন্তা করলেন, না। কিছু জিনিসপত্র সঙ্গে নিতে হবে। আমরা এগারোটা নাগাদ বের হব। তুমি রাতটা এখানেই ঘুমিয়ে নাও। জঙ্গলে ঢুকে কোথায় খুঁজে পাওয়া যাবে বলো। অন্ধকার চলে গেলে সেখানে গিয়ে আমাদের জন্যে অপেক্ষা করবে।

    গাছবাড়ির কাছে পৌঁছতে পারবেন বাবু? অর্জুনকে জিজ্ঞেস করল সুন্দর।

    গাছবাড়ি? তার চেয়ে শেয়াল যেখানে ছিল, সেই জায়গাটায় যাওয়া সহজ। অর্জুন বলল।

    সঙ্গে সঙ্গে সুন্দর বলল, তাই হবে। ওখানেই থাকব আমি। তবে এখন আমি চললাম। এখানে থাকতে সাহস হচ্ছে না বাবু। সে ঘরে ঢুকে গেল। তারপর নিজের ভেজা খাটো প্যান্টটা পরে প্যাকেটটা নিয়ে যেভাবে এসেছিল, সেইভাবেই নেমে গেল বাংলো থেকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article তেরো পার্বণ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }