Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প622 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. ডুয়ার্সের বৃষ্টি সম্পর্কে

    ডুয়ার্সের বৃষ্টি সম্পর্কে পন্ডিতরাও কোনও পূর্বাভাস দিতে পারেন না। ওরা যখন আজ জঙ্গলের ভেতর দিয়ে হাঁটছিল, তখন আকাশ পরিষ্কার। গাছপালা এখনও ভেজা, কিন্তু পায়ের তলায় জল জমেনি। সুন্দর আগে-আগে যাচ্ছিল।

    বাংলো থেকে ওরা একসঙ্গে জঙ্গলে ঢোকেনি। মেজর এবং অর্জুন যেমন বেড়াতে যায় তেমনই একটু আগেভাগে বেরিয়েছিল। নুড়ির রাস্তাটা ধরে কিছুটা এগিয়ে ওরা জঙ্গলে পা রেখেছিল। অমল সোম এসেছিলেন মিনিট দশেক পরে। প্রত্যেকেই সঙ্গে একটা ব্যাগ অথবা প্যাকেট নিয়ে এসেছে। তাতে দু-একদিনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রয়েছে। মেজর বেশ উত্তেজিত। সুন্দরের কথা তিনি জানতেন না। একটু আগে অর্জুনের মুখে সব শুনে মাথা নাড়লেন, মুশকিলে ফেললে আমাকে?

    কেন? অর্জুন বুঝতে পারল না।

    যেভাবেই হোক একবার না একবার ওই সুন্দরের মাথায় মারতে হবে আমাকে। মার খেয়ে হজম করে যাচ্ছিলাম কে মেরেছে জানি না বলে। জানার পর বদলা না নিলে নিজেকেই অসম্মান করব।

    অসম্মান?

    হ্যাঁ, মনে হবে আমি খুব ফালতু, শক্তিহীন, মুখ বুজে মার খেয়ে যাই।

    কিন্তু সুন্দর তো জেনেশুনে আপনাকে মারেনি। অন্ধকার জঙ্গলে আপনাকে শত্রু ভেবে সে আত্মরক্ষা করতে চেয়েছিল। পরে আপনার জ্ঞানহীন শরীরটাকে পাহারা দিয়েছে। আমরা আপনাকে খুঁজতে গেলে সেই জায়গাটা চিনিয়ে দিয়েছে। এটা ভাবুন।

    মাথা নাড়লেন মেজর, সব ঠিক, কিন্তু…দেখি।

    শেষ পর্যন্ত বিকেল হয়ে এল। মাঝে মাঝে জঙ্গল এত ঘন যে, চলতে অসুবিধে হচ্ছিল। তবে ভুটানের পাহাড় কাছে এসে পড়েছে, চোখেই দেখা যাচ্ছে। অমল সোম সুন্দরের সঙ্গে তাল রেখে চলছিলেন। অর্জুন তাদের পায়ে-পায়ে, মেজব মাঝে মাঝেই পিছিয়ে পড়ছেন। তাঁর পিছিয়ে পড়ার কারণ নাকি বুটজোড়া। ওটা তিনি আফ্রিকার জঙ্গলে স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করতেন। আজ জঙ্গলে অভিযান জেনে পায়ে গলিয়েছিলেন কিন্তু ড়ুয়ার্সের জঙ্গলে যে আফ্রিকার জিনিস অচল, তা জানতেন না।

    অর্জুন লক্ষ করছিল এতটা দূর জঙ্গল ভেঙে আসতে তেমন কোনও বন্য প্রাণীর দেখা পাওয়া যায়নি। কয়েকটা বনমুরগি, খরগোশ এবং দুটো শেয়াল ছাড়া কেউ ওদের সামনে আসেনি। গতকালের বৃষ্টির জন্য আজ ওরা যে-যার ডেরায় লুকিয়ে আছে কিনা কে জানে! কিন্তু উলটোটাই তো হওয়া উচিত।

    অমল সোম বললেন, দিন শেষ হওয়ার আগে আমরা যতটা সম্ভব পাহাড়ের কাছাকাছি চলে যেতে চাই। এসব জায়গায় রাত কাটানো মোটেই আরামদায়ক হবে না।

    সুন্দর বলল, সাহেব ঠিক বলেছেন। তা ছাড়া রাত্রে বৃষ্টিতে ভেজা খুব কষ্টের।

    মেজর চোখ বড় করলেন, আকাশ দেখে মনে হচ্ছে না তিন দিনের মধ্যে বৃষ্টি হবে। তবে আপনি যখন বলছেন মিস্টার সোম, তখন আমাদের হাঁটতে হবেই।

    আপনি কি টায়ার্ড?

    টায়ার্ড আমি কখনও হই না, একটু খিদে খিদে ভাব হয়েছে এই যা।

    অমল সোম তাঁর ব্যাগে হাত ঢোকালেন। ব্যাগটা বেশ ভারী। তা থেকে একটা বিস্কুটের প্যাকেট বের করে এগিয়ে দিলেন, খেয়ে নিন।

    আমি একা খাব কি! মেজর লজ্জিত হলেন।

    যার-যার খিদে পেয়েছে, খাবে। জঙ্গলে সঙ্কোচের কোনও মূল্য নেই। নিজেকে সুস্থ রাখাই বড় কথা। বিস্কুটের প্যাকেটের মুখ খুলে নিজে একটা নিয়ে মেজরের হাতে ধরিয়ে দিলেন। দেখা গেল খিদে কারও কম পায়নি।

    খানিকটা এগোতেই গাড়ির শব্দ পাওয়া গেল। সম্ভবত ট্রাক চলছে। অমল সোম তাকালেন সুন্দরের দিকে, এদিকে মোটরের রাস্তা আছে নাকি?

    মাটির রাস্তা। জঙ্গল থেকে কাঠ কেটে নিয়ে যাওয়ার জন্যে লরি চলে।

    কতদূর গিয়েছে?

    আমি দেখিনি।

    চলো, একবার দেখা যাক, ট্রাকে কী যাচ্ছে?

    শর্টকাট পথ করে ওরা মিনিট পাঁচেক যেতেই রাস্তাটাকে দেখতে পেল। বোঝাই যাচ্ছে, ওই রাস্তা সচরাচর ব্যবহার করা হয় না। তারপরেই ইঞ্জিনের আওয়াজ শোনা গেল। দেখা গেল একটা খালি ট্রাক ফিরে যাচ্ছে। ড্রাইভার এবং খালাসি ছাড়া গাড়িতে কেউ নেই।

    অমল সোম নিচু স্বরে বললেন, খালি ট্রাক ফিরে যাচ্ছে। ওদের তো কাঠ বোঝাই করে নিয়ে যাওয়ার কথা। এমনি বেড়াতে নিশ্চয়ই আসেনি।

    অর্জুন বলল, কোনও জিনিসপত্র নিয়ে এসেছিল হয়তো!

    হ্যাঁ। কোথায় গিয়েছিল?

    দৌড়ে গেলে ট্রাকটাকে ধরা যায়।

    নাঃ। তাতে কিছু লাভ হবে না। উলটে আমাদের অস্তিত্ব জানিয়ে দেওয়া হবে। চলল।

    মেজর চুপচাপ শুনছিলেন, আমি একটা কথা বুঝতে পারছি না।

    কী? অমল সোম তাকালেন।

    এইরকম একটা রাস্তা থাকতে আমরা এত কষ্ট করে জঙ্গল ভেঙে এলাম কেন? একটা ট্রাক বা জিপ ভ করে অনেক কম সময়ে চলে আসতে পারতাম।

    পারতাম, যদি রাস্তাটার কথা জানা থাকত। জঙ্গলের ম্যাপে এই রাস্তাটার কোনও হদিস নেই। ব্যাপারটা খুবই ইন্টারেস্টিং। অবশ্য থাকলেও ওই রাস্তা না ব্যবহার করে আমরা ভাল করেছি। মেজর, কষ্ট করলেও তো কেষ্ট মেলে। চলুন।

    একটু আগেও ওরা ভোলা মনে হাঁটছিল। অর্জুন গুনগুন করে গানও গেয়েছে। কিন্তু ওরা এখন নিঃশব্দে সতর্ক-পায়ে হাঁটছিল। ভুটানের পাহাড়ের প্রায় গায়ে পৌঁছাতেই অন্ধকার নেমে এল জঙ্গলে। সুন্দর চটপট তল্লাশি করে একটা জায়গা বাছল। সমতল থেকে জঙ্গল উঠে গেছে পাহাড়ে। ভূটান এবং ভারতবর্ষের মধ্যে কোনও দেওয়াল বা কাঁটাতারের বেড়া নেই। এ-দেশের মানুষ ওদেশে চলে যাচ্ছে পাসপোর্ট ছাড়াই। পাহাড়ের নীচে একটা চওড়া পাথর পড়ে ছিল। পাথরটার ওপরের দিক বেশ মসৃণ। ফুট-দশেক হবে পাথরটা। মাথার ওপর একটা ঝাঁকড়া গাছ আছে।

    অমল সোমেরও পছন্দ হল পাথরটা। রাত্রিবাসের পক্ষে ভালই। অল্প বৃষ্টি হলে গাছ তাদের রক্ষা করবে, আবার মাটিতে ঘোরা জীবজন্তু সহজে নাগাল পাবে না। তিনি মেজরকে বললেন, প্রাকৃতিক কাজকর্ম সেরে উঠে পড়ুন ওপরে।

    মেজর বললেন, আগে জানলে তাঁবু সঙ্গে আনতাম।

    অর্জুন বলল, সেটা আনলে মন্দ হত না। তাঁবুতে থাকা একটা দারুণ ব্যাপার।

    মেজর বললেন, তোমাকে নিয়ে একবার আফ্রিকায় যাব। দেখবে কী থ্রিল।

    ওপরে উঠতে মেজরের একটু কষ্ট হল। ভারী শরীরটাকে টানাহ্যাঁচড়া করে তুলতে অর্জুনের সাহায্য নিতে হল। ওঠার পর হাত-পায়ের জড়তা ছাড়াতে কয়েকবার শুন্যে ছুঁড়ে বললেন, ফ্যান্টাস্টিক। শুধু যদি চাঁদ উঠত আজ রাত্রে।

    অর্জুন দেখল আকাশের নীল এখন হারিয়ে যাচ্ছে। পাতলা মেঘের আস্তরণ ছড়াতে শুরু করেছে। বৃষ্টি যতক্ষণ না থামছে ততক্ষণ এই পাথরের বিছানা বেশ আরামদায়ক। নীচে একটা আড়াল দেখে আগুন জ্বালিয়েছে সুন্দর। অমল সোমের সঙ্গে তর্ক চলছে তার। অর্জুন পাথরের ধারে এসে কান পাতল। সুন্দর বলছে, সাহেব, আপনি আমাকে আধঘণ্টা সময় দিন, আমি চারটে মুরগি ধরে আনছি। এই মুরগিগুলো রাত্রে ভাল দেখতে পায় না। এদিকে মানুষজন আসে না বলে ওদের পেতে অসুবিধে হবে না।

    অমল সোম বললেন, কোনও দরকার নেই। আমার সঙ্গে ড্রাই ফুডের কৌটো রয়েছে। টিন-ফিশের কৌটো খুলে একটু গরম করে নিলে দিব্যি চলে যাবে। সঙ্গে একটু কফি করে নেওয়া যাক।

    অর্জুন বলল, অমলদা, ও যখন বলছে ধরে আনতে পারবে, তখন টিন-ফিশগুলো কালকের জন্যে থাকলে মন্দ হয় না।

    অমল সোম ওপরের দিকে তাকিয়ে বললেন, প্রাণী-হত্যা করতে চাও?

    বাংলোয় বসেও তো আমরা মুরগি খেয়েছি।

    ঠিক আছে। একটু কফি খেয়ে নেওয়া যাক।

    অমলদার ব্যাগে যে কফি বানাবার সরঞ্জাম ছিল, অর্জুন জানত না। প্লাস্টিকের গ্লাসে লাল গরম কফি খুব ভাল লাগল। আগুন নিভিয়ে দিয়ে নিজের ঝোলা নিয়ে সুন্দর ঢুকে গেল জঙ্গলে। অমল সোম পাথরের ওপরে উঠে এলেন, জায়গাটা দেখছি ভালই।

    শেষ চুমুক দিয়ে গ্লাসটা ফেলে দিতে গিয়ে সামলে নিলেন মেজর। পাশে রেখে জিজ্ঞেস করলেন, আমরা ঠিক কীসের অভিযানে এসেছি মিস্টার সোম?

    এটাকে কি অভিযান বলা যায়!

    তো কী? জঙ্গলে রাত কাটানো, মাইলের পর মাইল হাঁটা। আমি খুব দুঃখের সঙ্গে বলতে বাধ্য হচ্ছি, আপনি কিন্তু বিষাক্ত ফুল খুঁজতে আমাকে সাহায্য করছেন না।

    কীভাবে করব সেটাই তো বুঝতে পারছি না। প্রথম কথা, এখানে কেউ বলল না ওরকম ফুলের কথা আগে শুনেছে। জঙ্গলে তো অনেক ঘোরাঘুরি হল, সেই রকম ফুলের অস্তিত্ব নজরে পড়ল না। আমার মনে হয় কেউ মনগড়া গল্প প্রচার করেছে।

    তার কী লাভ? মেজর প্রতিবাদ করলেন।

    গুজব যারা ছড়ায়, তারা কি সব সময় নিজের লাভের কথা চিন্তা করে?

    আমি কিন্তু এত সহজে ছাড়ছি না। সমস্ত পৃথিবীর লোক ভগবান ভগবান করে মরছে, ভগবানকে কেউ চোখে দ্যাখেনি বলে সেটাকে মিথ্যে বলে বাদ দিচ্ছে না তো!

    ভয়ে।

    ভয়ে, মানে?

    ভগবান না থাকলে মানুষের আর কিছুই থাকবে না।

    মেজর গুম মেরে গেলেন। অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আমরা ক দিন জঙ্গলে থাকব?

    কালই ফিরে যেতে পারি। আমি একটা সেরাও ধরতে চাই।

    সেরাও? মেজর অবাক হলেন।

    হ্যাঁ। পাহাড়ি ছাগল। খুব বিরল প্রজাতির। ওর আঞ্চলিক নাম থর। যেহেতু ওরা আমাদের বনাঞ্চলে কম আসে, তাই বনবিভাগ সরাসরি কিছু করতে পারছে না। ওরা সাধারণত ভুটানের পাহাড়ের নীচের দিকে ঘোরাফেরা করে। হঠাৎ এই নিরীহ প্রাণীটির চাহিদা পশ্চিমের বাজারে বেড়ে গিয়েছে। ফলে আমাদের দেশের লোভী মানুষেরা আরও বড়লোক হওয়ার নেশায় মেতে উঠেছে। ভুটানের রাজাও চাইছেন ওদের রক্ষা করতে। কিন্তু ওদের সংখ্যা কত, ঠিক কোথায় থাকে, তাও কারও জানা নেই। আর জায়গাটা যেহেতু দুই দেশের সীমান্ত অঞ্চল, তাই বিধিনিষেধের বেড়া টপকানো মুশকিল হয়ে গিয়েছে। আমি, যদি কপালে থাকে, একটা সেরাও ধরব। তারপর তাদের দলের সন্ধান পেতে অসুবিধে হবে না। অমল সোম বললেন।

    অর্জুন বলল, ওদের তো অনেক দল থাকতে পারে।

    অনেক হলে তো সংখ্যায় ভারী হবে। দল কত তা জানা যাচ্ছে না।

    আপনাকে কী করতে হবে?

    একটা রিপোর্ট দিতে হবে। সেরাওদের কীভাবে সংরক্ষণ করা যায় এবং চোরাশিকারিদের হাত থেকে বাঁচানোর উপায় কী, তা জানাতে হবে সরকারকে।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, ব্যাপারটা যখন সরকারি, তখন তো আপনি প্রকাশ্যে দলবল নিয়ে আসতে পারতেন। এই রিপোর্ট দুটোর জন্যে গোপনীয়তার কোনও দরকার ছিল কী?,

    ছিল। প্রথমত… অমল সোম থেমে গেলেন। জঙ্গলে তখন গভীর অন্ধকার নেমে গেছে। কিন্তু তার মধ্যেই অজস্র জোনাকি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে চারদিকে। পাখিরাও চুপ করে গেছে অনেকক্ষণ। কিন্তু মাঝে মাঝেই অদ্ভুত ডাক ভেসে আসছে। এই ডাক কোনও পরিচিত জানোয়ারের নয়। কী রকম গা ছমছমে হয়ে উঠছিল পরিবেশ।

    হঠাৎ মেজর ফিসফিস করে বলে উঠলেন, ল্যাঙ্গো।

    সেটা কী জিনিস? অর্জুন জানতে চাইল।

    অদ্ভুত জীব। একে আমি দেখেছি ব্রাজিলে। ড়ুয়ার্সে এ এল কী করে?

    কী রকম দেখতে?

    শেয়াল, হায়েনা, নেকড়ে পাঞ্চ করলে যেমন দাঁড়ায়, মুখটা কিছুটা বুলড়গের মতো।

    বুনো কুকুর?

    তা বলতে পারো। খুব হিংস্র হয়। বড় দলে থাকলে বাঘও ওদের এড়িয়ে চলে। চোয়াল খুব শক্ত। এই পাথরের ওপর লাফিয়ে উঠতে পারবে বলে মনে হয় না।

    অমল সোম বললেন, আপনার কলমটাকে হাতের কাছে রাখুন। দরকার হলে পুড়িয়ে দেবেন। একটা পুড়লে আর কেউ আসবে না।

    ল্যাঙ্গো ডেকে যাচ্ছিল। বেশ করুণ ডাক। সম্ভবত সঙ্গীদের সন্ধান করছে। অর্জুনের মনে হল রাত না নামলে জঙ্গল রহস্যময় হয় না। কিন্তু সুন্দর তো এখনও ফেরেনি। সে যদি ওই ল্যাঙ্গোর সামনে পড়ে? তার মনে অস্বস্তি ঢুকল।

    অমল সোম বললেন, হ্যাঁ, যে কথা বলছিলাম। প্রথমত, সরকারি দল আমাকে ইচ্ছেমতন সেরাও দেখাতে পারত না। ওরা জনপদ এড়িয়ে চলে। দুই, চোরাশিকারিরা আমাদের অস্তিত্ব জেনে যেতই এবং নিজেদের ক্রিয়াকলাপ বন্ধ রাখত। তাই আমি এখানে এসে একজন লোকাল লোকের খোঁজ করছিলাম, যে কখনও সেরাও দেখেছে। ডি এফ ও বলেছিলেন হদিস দেবেন। কিন্তু গতকাল পর্যন্ত সে রকম কারও সন্ধান তিনি পাননি। তখন ভাবলাম, নিজেরাই জঙ্গলে ঘুরব। এই সময় তোমার সুন্দরবাবুর খবর পেলাম।

    এই চোরাশিকারিদের, যারা সেরাও এক্সপোর্ট করতে পারে, তাদের সন্ধান পেয়েছেন?

    না। অনুমানের ওপর নির্ভর করে আমি কখনও সিদ্ধান্ত নিইনি।

    তা হলে সুন্দরকে পেয়ে আমাদের লাভ হয়েছে, বলুন।

    অবশ্যই।

    সুন্দর পাখি ধরত, বিক্রি করত। আমার কথা শোনার পর লোকটার মধ্যে সত্যিই পরিবর্তন এসেছিল। কিন্তু নীলবাবু ওকে অন্য একটি কাজের দায়িত্ব দিলেন। ওকে সেরাও ধরতে হবে। বুঝতেই পারছেন বিদেশে সেরাও এক্সপোর্ট করা নীলবাবুর পক্ষে সম্ভব।

    এসব হয়তো সত্যি, কিন্তু প্রমাণ করতে পারবে না। সুন্দর যে বানিয়ে বলছে না, তারই বা প্রমাণ কী? কোনও অন্যায় করে ও হয়তো জঙ্গলে লুকিয়ে আছে।

    কার কাছে অন্যায় করবে?

    আমি জানি না। শুধু বলতে চাইছি প্রমাণ ছাড়া কোনও কিছু কাউকে বিশ্বাস করতে পারবে না। অমল সোম চুপ করতেই পাতার শব্দ হল। মেজর হাত উঁচু করলেন। অন্ধকারেও বোঝা গেল সেই হাতের মুঠোয় কলমটি ধরা রয়েছে।

    কে, সুন্দর? অমল সোম জিজ্ঞেস করলেন।

    হ্যাঁ, সাহেব। দুটো ধরেছি। বেশ বড়সড়, চারজনের হয়ে যাবে।

    কোথায় পেলে?

    ওই পাহাড়ের খাঁজে। সিকি মাইল দূরে। কিন্তু সাহেব, আপনারা আস্তে কথা বলুন। আমি দূর থেকে শুনতে পাচ্ছিলাম।

    কেন?

    জঙ্গলে লোক ঢুকেছিল। এখনও আছে কিনা জানি না, আমি এই প্যাকেটটা কুড়িয়ে পেয়েছি পাহাড়ের গায়ে। খেয়ে দেখুন, একেবারে টাটকা। হয়তো কারও পকেট থেকে পড়ে গিয়েছে। সুন্দর প্যাকেটটা ওপরে ছুঁড়ে দিল। অর্জুন কোনওমতে ধরে ফেলল। যত অন্ধকারই হোক আকাশ একটু চোরা আলো পাঠায়। মেজর চাপা গলায় বললেন, শাবাশ।

    প্যাকেটটা দেখে অর্জুন বলল, ডানহিল। অর্ধেকের বেশি সিগারেট আছে।

    অমল সোম বললেন, হুঁ। এদিকের লোকের ডানহিল পাওয়ার কথা নয়।

    ওদিকে সুন্দর বসে গিয়েছে মুরগি নিয়ে। অত দ্রুত মুরগি ছাড়িয়ে কাউকে আগুন জ্বালাতে দেখেনি সে। দুটো লম্বা কাঠির মধ্যে একটা কাঠি আড়াআড়ি পেতে তার তলায় আগুন জ্বালিয়ে দিল সুন্দর। তারপর মুরগি দুটোকে আড়াআড়ি কাঠির মধ্যে কায়দা করে ঝুলিয়ে দিল। দিয়ে বলল, বড্ড জোঁক হয়েছে জঙ্গলে। কাল জল হওয়ায় ওদের বাড় বেড়েছে।

    সঙ্গে সঙ্গে ওরা তিনজন নিজেদের প্যান্ট-শার্ট-জুতো পরীক্ষা করতে লাগল। না, জোঁক কারও শরীরে হানা দেয়নি। নিবিষ্ট হয়ে মুরগি ঝলসাচ্ছিল সুন্দর। বেশ পাকা হাতের কাজ। মিনিট কুড়ি লাগল। তারপর এক-একটা মুরগি দুটুকরো করে ওপরে চালান করে দিয়ে বলল, নুন কম লাগবে। তা আর কী হবে।

    অমল সোম বললেন, আমার সঙ্গে নুন আছে। যার যেমন ইচ্ছে মাখিয়ে নাও।

    সুন্দর ওপরে উঠে এল। প্রায় পাঁচশো গ্রাম ঝলসানো মুরগির মাংসে কামড় দিয়ে অর্জুনের মনে হল, এর চেয়ে ভাল রোস্টেড চিকেন সে কখনও খায়নি।

    ঠিক তখনই কয়েক হাত দূরে বীভৎস ডাকটা আচমকা শোনা গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article তেরো পার্বণ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }