Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প622 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. চারজনের খাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল

    চারজনের খাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। অর্জুন অন্ধকারে নড়াচড়া করতে দেখল প্রাণীটাকে। এই তা হলে ল্যাঙ্গো। পোড়া মাংসের গন্ধ পেয়ে চলে এসেছে।

    অমল সোম বললেন, একাধিক দেখছি। ওপরে উঠে আসবে না তো!

    সুন্দর বলল, অ্যাই! হ্যাট! ভাগ এখান থেকে। মুরগি খাবে! আমি কষ্ট করে ধরে আনলাম তোদের খাওয়াব বলে?

    অমল সোম জিজ্ঞেস করলেন, তুমি এদের আগে দেখেছ?

    কুকুর। বনে থাকে এই যা। খুব বদমাশ।

    ওপরে উঠে আসবে না তো?

    এতটা লাফাতে পারবে না। মাংস খেয়ে হাড়গুলো ফেলে দিন, তাতেই খুশি হবে।

    ল্যাঙ্গোগুলো সম্ভবত নীচে বসে পড়েছে। এভাবে কোনও ভাল খাবারও আরাম করে খাওয়া যায় না। মাঝে-মাঝে যখন হাড় ছুড়ে দেওয়া হচ্ছিল তখন সেটার জন্য ওরা একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়ছিল। চিৎকার, কামড়াকামড়ি শুরু হয়ে গেল।

    খাওয়া শেষ হতে অর্জুন বুঝল পেট দারুণ ভরে গিয়েছে। এভাবে কোনও দিন সে শুধু ঝলসানো মাংস দিয়ে ডিনার করেনি। অমল সোমের ওয়াটার বটল থেকে সকলে তিন ঢোক জল রেশন হিসেবে পেল। অর্জুন তার ব্যাগ থেকে চাদর বের করে পাথরের ওপর বিছিয়ে শুয়ে পড়ল। পাশে বসা মেজর জিজ্ঞেস করলেন, এই অবস্থায় তোমার ঘুম আসবে?

    আমরা তো বেশ নিরাপদেই আছি।

    চোখ বন্ধ করলেই ওরা ওপরে উঠে এসে টুটি ছিড়ে ফেলবে।

    তখন ঠিক জেগে যাব।

    বাতাস বইছিল। মশার হাত থেকে বাঁচার জন্য অর্জুন মুড়ি দিয়ে শুল। ভগবান যদি আজকের রাতটায় বৃষ্টি না দেন, তা হলে বাঁচোয়া।

    ঘুম ভেঙে যাওয়া মাত্র মনে হল, আর রক্ষে নেই। কুকুরগুলো ওপরে উঠে এসেছে। গজরাচ্ছে আক্রোশে, এখনই ঝাঁপিয়ে পড়বে। কিন্তু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেও যখন কিছু হল না, তখন খেয়াল হল। ধড়মড়িয়ে উঠে বসে পাশে তাকাতেই বুঝল, ওটা মেজরের নাসিকাগর্জন। অঘোরে ঘুমোচ্ছেন ভদ্রলোক। ডান হাত থেকে কলমটা খসে পড়েছে পাশে। ওটা তুলে নিল অর্জুন।

    ওপাশে অমল সোম এবং সুন্দর শুয়ে আছে। বিচিত্র সব আওয়াজ ভেসে আসছে জঙ্গল থেকে। এইসব শব্দাবলীর কোনও উৎস তার জানা নেই। সে নীচের দিকে তাকাল। ল্যাঙ্গোগুলো সম্ভবত হতাশ হয়ে চলে গিয়েছে। আকাশ এখন তেমনই ছাইরঙা মেঘে ছাওয়া। অর্জুন বাবু হয়ে বসল। তার খুব সিগারেট খেতে ইচ্ছে করছিল, কিন্তু অমলদার সামনে সে সিগারেট খাওয়ার কথা ভাবতেই পারে না। যদিও উনি এখন ঘুমোচ্ছেন, টের পাওয়ার সম্ভাবনা নেই, তবুও। একবার মনে হল নীচে নেমে একটু আড়ালে গিয়ে সেবন করে আসে। কিন্তু এই রাত্রে সে-সাহস হল না। হঠাৎ তার চোখ পড়ল পাথরের। প্রান্তে। কালোমতো কিছু নড়ছে। ধীরে-ধীরে উঠে আসছে ওপরে। ওটা যে একটা সাপ সেটা বুঝতে সময় লাগল। সাপটা এগিয়ে যাচ্ছে সুন্দরের দিকে। একটুও দেরি না করে সে মেজরের কলমের বোম টিপল। সঙ্গে সঙ্গে সাপটার মাথায় আগুনের শিখা আছড়ে পড়ল। পড়ামাত্র সাপটা মোচড় খেয়ে ঝটপটিয়ে নীচে পড়ে গেল।

    কী হয়েছে? অমল সোমের গলা শোনা গেল।

    সাপ উঠে আসছিল। অর্জুন তখন পাথরের কিনারে চলে গিয়ে নীচে তাকাচ্ছে। অন্ধকারে কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। সে কলমটা আবার সক্রিয় করল। নীচের দিকে তাক করে। ঘাস এবং আগাছায় আগুন পড়ল এবং তারই আলোয় সে সাপটাকে দেখতে পেল। তখনও শরীর নড়ছে। এত মোটা এবং লম্বা সাপ সচরাচর দেখা যায় না। সে কলমের বোতাম অফ করা সত্ত্বেও আগাছার আগুন নিভতে সময় লাগল। ভাগ্যিস গতকালের বৃষ্টি মারাত্মক হয়েছিল, নইলে আগুন ছড়িয়ে পড়া অস্বাভাবিক ছিল না। সে ফিরে তাকাল। আকাশ একটু একটু করে মেঘমুক্ত হচ্ছে। যদিও খুব উঁচু করলে গাছের পাতার আড়াল, তবু চারপাশের আকাশ দেখতে অসুবিধে হচ্ছে না। ওপাশে পাহাড় উঠে গেছে। হঠাৎ অর্জুনের মনে হল, পাহাড়ের গায়ে কিছু নড়ছে। সে ভাল করে দেখার চেষ্টা করল। ঘন-ছায়া মাখা বলে কিছুই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল না। কিন্তু সে নিঃসন্দেহে কিছু নড়তে দেখেছে ওখানে। বড়জোর একশো গজ দূরত্ব হবে। অর্জুন চুপচাপ তাকিয়ে রইল। মিনিট দেড়েক বাদে একটা জন্তু উঠে দাঁড়াল পাহাড়ের গায়ে গেঁথে থাকা পাথরের ওপর। এখন তাকে অনেকটা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে। জানোয়ারটা খুব চঞ্চল স্বভাবের। ঘাড় ঘুরিয়ে এপাশ ওপাশ দেখছে, মাঝে-মাঝেই লাফাচ্ছে।

    প্রথমে মনে হয়েছিল হরিণ, কিন্তু তারপরেই খেয়াল হল, সেরাও নয় তো। সে নিঃশব্দে অমল সোমের কাছে পৌঁছে গিয়ে মৃদু ধাক্কা দিল। অমল সোম জেগেই ছিলেন, চুপচাপ উঠে বসলেন। অর্জুন তাঁকে আঙুল তুলে দেখাতে তিনি উত্তেজিত হয়ে পড়লেন। তাড়াতাড়ি বাগ থেকে একটা দূরবিন বের করে চোখে লাগালেন। এই অল্প আলোয় দূরবিন কাজ করে কিনা অর্জুন জানে না। কিন্তু অমল সোম চাপা গলায় বললেন, ইয়েস। সেরাও। দ্যাখো।

    অর্জুন দূরবিনটা নিল। জানোয়ারটা তখনও ফোটোগ্রাফারকে পোজ দেওয়ার ভঙ্গি করে দাঁড়িয়ে আছে। দূরবিনটা কিছুটা ঘুরিয়ে লক্ষ্যস্থলে নিয়ে যাওয়ামাত্র অনেকটা স্পষ্ট দেখতে পেল। ওর মন নিশ্চয়ই খুব ভাবুক প্রকৃতির, নইলে আকাশের দিকে মুখ করে কী দেখছে দু-চোখ ভরে। পাথর, গাছ ইত্যাদি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, যদিও একটা নীলের আস্তরণ সামনে ছড়ানো। এই দূরবিনটা তা হলে সাধারণ নয়। হঠাৎ কানের কাছে ক্লিক শব্দ হতে অর্জুন মুখ ফেরাল। ক্লিক ক্লিক ক্লিক। অমল সোম ছবি তুলে যাচ্ছেন। হঠাৎ লাফ দিয়ে উধাও হয়ে গেল সেরাও।

    যাবেন?

    পাগল! এই অন্ধকারে কোথাও খুঁজে পাবে না ওদের।

    কিন্তু আলো নেই, আপনি ছবি তুললেন কেন?

    এই ক্যামেরায় তোলা যায়। প্রিন্ট করার পর দেখাব। যাক, সুন্দর আমাদের ঠিক জায়গায় নিয়ে এসেছে। ও যখন ফিরে এসে বলল, এদিকে মানুষের আনাগোনা হয়েছে, তখনই মনে হয়েছিল লক্ষ্যস্থলে পৌঁছে গিয়েছি। নাও, শুয়ে পড়ো।

    অর্জুন শুয়ে পড়ল। পাশে মেজর তখনও প্রবল বিক্রমে নাক ডেকে যাচ্ছেন। ওপাশে সুন্দর মড়ার মতো ঘুমোচ্ছে। ওরা দুজনেই জানল না এখন কী হয়ে গেল। অর্জুন পাশ ফিরে শুয়ে কলমটা হাতের মুঠোয় লাগাল। বলা যায় না, পোড়া সাপটার যদি কোনও সঙ্গী থাকে, সতর্ক থাকাই ভাল। হঠাৎ তার কানে অনেক ল্যাঙ্গোর ডাক ভেসে এল। ওরা ডাকছে পাহাড়ের গায়ে। কে জানে, সেরাওটাকে ওরা দেখতে পেয়েছে কিনা। কিন্তু এই সেরাও একা কেন? ওরা তো দল বেঁধে থাকে। দুরবিনে দেখে তার মনে হয়েছে ওরা খুব নিরীহ এবং অবলা। ঠিক ছাগলের মতো। ওর যে চাহিদা, তা কে বিশ্বাস করবে। বিদেশিরা কি ছাগল এবং সেরাও আলাদা করতে পারছে? নিশ্চয়ই পারে, নইলে এত দাম হয় কী করে?

    ঠিক গালের মাঝখানে একটা বড় জলের ফোঁটা পড়ামাত্র অর্জুন উঠে বসল। বসে দেখতে পেল বৃষ্টি নেমে গেছে। যেহেতু ওরা একটা পাতায় ছাওয়া ঝাঁকড়া গাছের নীচে শুয়ে ছিল, তাই এতক্ষণ জল পড়েনি এখানে। কিন্তু বাকিরা উঠে পড়েছে আগেই।

    মেজর বললেন, ওঃ, তোমার ঘুম বটে! বৃষ্টি পড়ছে টেরই পেলে না।

    অর্জুন অবাক হয়ে তাকাল। তার ঘুম? মেজরই তো সারা রাত নাক ডেকে গেলেন।

    অমল সোম বললেন, বয়স অল্প, একটু ঘুম তো হবেই। কিন্তু আমরা এখন কী করব?

    সুন্দর বলল, এরকম বৃষ্টি হলে এখানেও জল পড়বে।

    অর্জুন মুখ ফেরাল। ফোঁটা-ফোঁটা জল পড়ছে। বসে ভেজা ছাড়া কোনও উপায় নেই। অথচ মাঝরাত্রেও আকাশ দেখে মনে হচ্ছিল মেঘ সরে গেছে। বৃষ্টির জলের ফোঁটাগুলো খুব ঠাণ্ডা, শীত শীত করছিল।

    সুন্দর বলল, বাবু, আপনার চাদরটা দিন।

    কী করবে?

    মাথার ওপর তুলে ধরি, তাতে কিছুটা রক্ষে হবে।

    এখানে কোনও আড়াল পাওয়া যাবে না?

    সেটা পেতে গেলে পাহাড়ে যেতে হবে। যাওয়ার আগেই ভিজে যাবেন। তা ছাড়া এখন ভোরের সময়। জানোয়াররা এখন জলটল খেতে বের হয়।

    মেজর বললেন, ঠিক আছে। দাও তো, হে চাদরটা। হ্যাঁ, চারজনে চার কোণে ধরো। ঠিক চাঁদোয়ার মতো হবে ব্যাপারটা। চারটে লাঠি থাকলে অবশ্য হাত দিয়ে ধরে থাকতে হল না। বাঃ, গুড। আর জল পড়ছে না গায়ে। কী জিনিস কোন কাজে লেগে যায় কে বলতে পারে। এই যা। আমার কলম? ককিয়ে উঠলেন মেজর। পকেট দেখতে গিয়ে চাদর ছেড়ে দিলেন অজান্তে। সঙ্গে-সঙ্গে তাঁর শরীরটা চাদরে ঢেকে গেল।

    অর্জুন বলল, আপনার কলম আমার কাছে আছে।

    ওঃ, বাঁচালে! কিন্তু কী করে গেল?

    আপনি যখন ঘুমোচ্ছিলেন, তখন সাপ এসেছিল।

    মাই গড। তবে জানো তো, সাপ মানেই বিষধর বা হিংস্র নয়। বেশির ভাগ সাপ আক্রমণ করে ভয় পেয়ে। সাপের কোনও স্মৃতিশক্তি নেই। আমাদের প্রাচীন সাহিত্যে সাপ সম্পর্কে যেমন মিথ চালু হয়েছিল, তার সঙ্গে বিজ্ঞানের কোনও সম্পর্ক নেই। একবার অতলান্তিকের নীচে ড়ুবোজাহাজে যেতে-যেতে সাপ দেখেছিলাম। সে সাপ যদি তুমি দেখতে? মেজর থামলেন। অর্জুন জানে এই থামার কারণ তিনি প্রশ্ন আশা করছেন। শ্রোতা প্রশ্ন করলেই গড়গড়িয়ে সেই সামুদ্রিক সাপের কাহিনী শোনাবেন। সে গম্ভীর গলায় বলল, আপনার মাথার ওপর থেকে চাদর পড়ে গেছে।

    জানি হে। মনে হচ্ছে এইটে মোর কমফরটেল। গায়ে তো জল পড়ছে, দিব্যি মুড়ি দিয়ে বসে আছি। মেজর খুকখুক করে হাসলেন।

    চাদরটা ভিজে সপসপ করছে। সুন্দর মাঝে-মাঝে সেটা চিপে জল বের করে আবার মাথার ওপর ধরছে। হাত টনটন করলেও এখন এ ছাড়া উপায় নেই।

    বৃষ্টি থামল সকাল সাতটায়। তখনও জঙ্গলে পাতলা অন্ধকার মাখামাখি। ভিজে গিয়েছে চারজনেই। চাদরে মাথা মুছে অমল সোম বললেন, এবার একটু চা হোক। আমার ব্যাগটাকে বাঁচাতে পেরেছি। ওহে, সুন্দর, আগুন জ্বালো।

    এখন জঙ্গলে শুকনো কাঠকুটো খুঁজে পাওয়া অসম্ভব ব্যাপার। ভেজা ডালে আগুন জ্বলবে না। সুন্দর তবু নেমে গেল পাথর থেকে। মেজর বললেন, মুশকিল।

    কী হল? অমল সোম জানতে চাইলেন।

    ভোরবেলায় চা খেলেই আমাকে প্রকৃতি ডাকে। এখানে সেটা কী করে সম্ভব হবে, বুঝতে পারছি না।

    কেন? এখানে সারি সারি গাছের আড়াল, অসুবিধে হওয়ার কোনও কারণ নেই। আফ্রিকার জঙ্গলে কী করতেন?

    ওখানে টেন্ট ছিল। টেন্টের মধ্যে আলাদা টয়লেট।

    এখানে গাছের পাতাকে টয়লেট পেপার হিসেবে ব্যবহার করুন।

    জোঁক আছে যে। ডেঞ্জারাস জিনিস।

    জিনিস নয়, পোকামাকড়। অর্জুন হাসল।

    তোমার হাসি পাচ্ছে অর্জুন? করুণ গলায় বললেন মেজর।

    অর্জুন বলল, এসব সমস্যা কখনও আটকে থাকে না। প্রাকৃতিক ডাক এলে দেখবেন ঠিক ম্যানেজ করে নিতে পারছেন। কাল রাত্রে ওখানে সেরাও দেখেছি।

    সব ভুলে গেলেন মেজর, সেরাও? ওখানে? কখন?

    মাঝরাত্রে।

    আঃ! আমাকে ডাকোনি কেন?

    আপনি ঘুমোচ্ছিলেন। অমলদা বেশ কয়েকটা ছবি তুলেছেন।

    কীরকম দেখতে?

    ঠিক ছাগলের মতো।

    ছাগল। তা হলে সেরাও বলে মনে হল কেন? ওটা ছাগলও হতে পারে।

    এই বনে ছাগল চরে বেড়ায় না।

    ও। খুব মিস করেছি দেখছি। কেন যে ঘুমিয়ে পড়লাম।

    অর্জুন নীচে নামল। সাপটা আছে এখনও। একটা ডাল ভেঙে সেটাকে তুলতে চেষ্টা করল সে। এত ভারী যে, ডালটা বেঁকে যাচ্ছিল। ওপর থেকে অমল সোম বললেন, সাক্ষাৎ মৃত্যুদূত। থ্যাঙ্ক ইউ অর্জুন।

    মেজর বললেন, আমি ভেবেছিলাম জঙ্গলটা খুব নিরীহ, এখন দেখছি তা নয়। খুব ইন্টারেস্টিং। ল্যাঙ্গোগুলো মনে হয় ধারেকাছে নেই।

    সুন্দরের ক্ষমতা অসাধারণ। এরই মধ্যে আধশুকনো কিছু ডালপালা জোগাড় করে এনে চা বানিয়ে ফেলল। মেজরকে দেখা গেল তার সঙ্গে ফিসফিস করে কথা বলতে। চা খেয়েই তিনি সুন্দরকে নিয়ে ছুটলেন।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আমরা কি পাহাড়ে উঠব?

    অমল সোম মাথা নাড়লেন, না। ওই ডানহিলের প্যাকেটটা যেখানে পাওয়া গিয়েছে, সেখানে একবার যাব। সকালেই যাওয়া উচিত।

    পাততাড়ি গুটিয়ে রওনা হতে আরও মিনিট পঁয়তাল্লিশ লাগল। এখন আলো স্পষ্ট, কিন্তু সূর্য ওঠেনি। জঙ্গলের মধ্যে হাঁটতে অসুবিধে হচ্ছিল। অমল সোম এবং সুন্দর আগে যাচ্ছিলেন। মেজর তার পাশে হাঁটতে-হাঁটতে বললেন, সকালের কাজটা যদি ভালভাবে সারা যায়, তা হলে তার মতো আনন্দ আর কিছুতেই নেই। কিন্তু তোমার দাদা এত বড় অভিযানে বেরিয়েছেন আমাদের কিছু না জানিয়ে, এটা ঠিক হয়নি। সঙ্গে খাবার, জল, বিছানা কিছুই আনা হয়নি। তোমার খিদে পাচ্ছে না?

    এখনও পায়নি।

    পেলে কী করবে?

    দেখা যাক।

    মেজরের কথায় অর্জুনেরও মনে হল, ওদের তৈরি হয়ে আসা উচিত ছিল। এখনই যদি বাংলোয় ফিরে যাওয়া হত, তা হলে সমস্যা ছিল না। কিন্তু কে জানে, আজকের রাতও এখানে কাটাতে হবে কি না!

    অমল সোম হাত তুলে ইশারা করলেন। অর্জুন এবং মেজর নিঃশব্দে এগিয়ে গেল। সামনের কিছুটা জায়গায় জঙ্গল ফাঁকা। গাছের আড়াল থেকে ওরা জায়গাটা দেখল। একটা সরু পথ ওপাশ থেকে এসে ফাঁকা জায়গায় শেষ হয়েছে। মিনিট পাঁচেক আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকার পর সুন্দর ঘাড় নাড়ল। অমল সোম বললেন, অর্জুন, একবার গিয়ে দেখে এসো তো জায়গাটা। জঙ্গল কেটে জায়গাটা ন্যাড়া করা হয়েছে। সাবধান।

    অর্জুন এগোল। পাশে সুন্দর। ফাঁকা জায়গায় পৌঁছে ওরা প্রথমে সরু রাস্তাটাকে দেখল। সন্দেহজনক কিছু নজরে পড়ল না। ফাঁকা জায়গার একধারে পাহাড়ের শুরু। সুন্দর অর্জুনকে আঙুল দিয়ে মাটি দেখাল। সেখানে জুততার ছাপ স্পষ্ট। আর এই জুতোর দাগ বৃষ্টির আগে পড়েনি। পড়লে তার ওপর শুভ জুতো নয়, পুণ্ডর কাছে পো

    ওপর জল থাকত। বৃষ্টি শেষ হওয়ার পর কেউ এখান দিয়ে হেঁটে গিয়েছে। একজোড়া জুতো নয়, দুটো জুতোর ছাপ দেখতে পেল সে। সোজা পাহাড়ের দিকে এগিয়েছে। পাহাড়ের কাছে পৌঁছে সে ছাপগুলোকে খুঁজে পেল না। পাথরের ওপর কোনও চিহ্ন পড়েনি।

    ওরা ফিরে এল। সব শুনে অমল সোম নিচু গলায় বললেন, তা হলে ওরা একটু আগেই এখানে এসেছিল। এত ভোরে ওই গাড়ির রাস্তায় কেউ এলে আমরা ইঞ্জিনের শব্দ পেতাম। ওরা এখানেই কোথাও রাত্রে থেকেছে। আমাদের খুব কাছাকাছি ওরা রয়েছে। হঠাৎ অমল সোম চুপ করে গেলেন।

    দুটো লোক বড় বড় বাস্কেট আর ক্যান বয়ে নিয়ে এল সরু পথটা দিয়ে। এই লোকগুলো স্থানীয় মানুষ, কর্মচারী গোছের। ফাঁকা জায়গা পেরিয়ে ওরা পাহাড়ের খাঁজে পা রেখে-রেখে ওপরে উঠে মিলিয়ে গেল।

    অমল সোম বললেন, সাহেবদের ব্রেকফাস্ট এল মনে হচ্ছে। তার মানে সরু রাস্তাটার ওপাশে ওরা বেস ক্যাম্প করেছে। জঙ্গলের আড়াল রেখে আগে চলো, ক্যাম্পটাই দেখে আসি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article তেরো পার্বণ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }