Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প622 Mins Read0
    ⤶

    ১৭. গলা শুনে মেজর চমকে গেলেন

    গলা শুনে মেজর চমকে গেলেন। এই ঘন জঙ্গলে মহিলা কী করে আসবেন? যদি কোনও সাহসিনী জঙ্গল দেখতে গাড়িতে চেপে আসেনও, তিনি ওই নীল চ্যাটার্জিদের হাতে পড়ে বিপদ ডেকে আনবেন। মেজরের মনে হল, ভদ্রমহিলাকে সতর্ক করে দেওয়া তাঁর কর্তব্য।

    তিনি উঠে দাঁড়াতে চেষ্টা করতেই খাঁচায় মাথা ঠুকে গেল। বেশ ব্যথা পেলেন। সেটা একটু সামলে উঠে খেয়াল করলেন আর মহিলার গলা শুনতে পাচ্ছেন না। অর্থাৎ এ-তল্লাটে উনি নেই। তিনি যে খাঁচায় বসে আছেন সেটা কেন যে খেয়ালে ছিল না, থাকলে ওই মহিলাকে তিনি বাঁচাতে পারতেন। আর তখনই সারাওটাকে তীব্র গতিতে তাঁর দিকে ছুটে আসতে দেখলেন তিনি। ওর মাথা নিচু করা, শিং তাঁর দিকে সোজাসুজি।

    সঙ্গে-সঙ্গে প্রচণ্ড জোরে চিৎকার করলেন মেজর, এই, কী হচ্ছে? অ্যাাঁ। পাজি, ছুঁচো, বদমাশ। আমাকে ঢ়ুঁস মারতে আসা হচ্ছে? মেরে বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে দেব তোমার। সম্ভবত সেই চিৎকার শুনে একেবারে তাঁর গায়ের কাছে এসে হকচকিয়ে দাঁড়িয়ে গেল সারাও। বিপুল বিস্ময় ফুটে উঠল তার চোখে।।

    মেজর চিৎকার করল, অ্যাই, কে আছ? কাম হিয়ার, জলদি। এবার কালো কাপড় তুলে একটা মুণ্ডু উঁকি মারল। তার মুখে কৌতুক। অ্যাই। হয় ওকে, নয় আমাকে এখান থেকে বের করে দাও, কুইক!

    কেন?

    কেন! একটা মানুষকে খাঁচায় বন্দি করে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, কেন? রাস্কেল।

    গালি দেবেন না বলে দিলাম।

    আলবৎ দেব, একশোবার দেব। তোর থেকে ওই সারাওটা বেশি বুদ্ধিমান।

    তা হলে থাকুন ওর সঙ্গে। লোকটা কালো কাপড় ফেলে চলে গেল।

    মেজর হতাশ হলেন। আপাতত তাঁর কিছুই করার নেই। অর্জুন অথবা অমল সোম নিশ্চয়ই তাঁকে এক সময় উদ্ধার করবে। ততক্ষণ বসে না থেকে শুয়ে পড়াই ভাল। মেজর পা ছড়িয়ে পাশ ফিরে শুলেন ডান হাতের কনুইয়ে মাথা রেখে। সারাটা একমনে তাকে দেখে যাচ্ছিল। জন্তুরা সম্ভবত মানবচরিত্র ভাল বোঝে। একটু পরে সেও শুয়ে পড়ল মেজরের কোল ঘেঁষে। মেজর মনে মনে বললেন, গুড বয়।

    অর্জুন দ্বিতীয়বার চিৎকার করতে দেয়নি ঘোষালকে। একবার গলা ফাটানোর পরই সে তার মুখে রুমাল গুঁজে দিয়েছিল, বাঁধার কাজটা সুন্দর করেছিল। ওরা আশঙ্কা করেছিল ঘোষালের চিৎকার শুনে নীল ওপরে ছুটে আসবে। কিছুক্ষণ প্রস্তুত হয়ে থেকেও যখন তেমন কিছু হল না, তখন ওরা সামনের দিকে এগোল। ঘোষালকে দুটো পাথরের খাঁজে এমনভাবে ফেলে রাখল, যাতে সে কোনওভাবে বেরিয়ে আসতে না পারে।

    ঢালের কাছে গাছের আড়ালে পৌঁছবার আগেই গাড়ির আওয়াজ কানে এল। ওরা অবাক হয়ে ওপর থেকে দেখল, দামি গাড়িটা তাঁবুর কাছে এসে দাঁড়াল। নীল, অমল সোম বা মেজরকে দেখা যাচ্ছে না। গাড়ির দরজা ড্রাইভার খুলে দিলে ওরা চমকে উঠল।

    নিম টি এস্টেটের মিসেস ব্যানার্জি এরকম জায়গায় কেন এলেন। তিনি কি তাঁর ভাইয়ের এই সব কারবারের কথা জানতে পেয়ে বাধা দিতে এসেছেন? ভদ্রমহিলা গাছপালার আড়ালে হারিয়ে যাওয়ামাত্র সুন্দর বলল, উনি হলেন মেমসাব। নীল সাহেবের দিদি।

    অর্জুন বলল, এবার আমাদের নীচে যাওয়া উচিত। চলো।

    ওরা আর-একটু নীচে নেমে এল। এবার সেই ন্যাড়া জায়গাটা পেরিয়ে যেতে হবে। আর সেটা করতে গেলে ওদের চোখে পড়ার সম্ভাবনা শতকরা পঁচানব্বই ভাগ। অর্জুন সুন্দরকে বলল, একসঙ্গে যাওয়া উচিত হবে না। তুমি ওই দিক দিয়ে ঘুরে যাও। অমলদাব কাছাকাছি থেকে সঙ্কেতে জানিয়ে দিয়ে সেটা। যাও। সুন্দর দ্রুত সরে গেল।

    এক দৌড়ে ফাঁকা জায়গাটা পার হতেই অর্জুন দেখতে পেল মিসেস ব্যানার্জি সামনেই দাঁড়িয়ে আছেন। তাকে ওইভাবে ছুটে আসতে দেখে খুব অবাক হয়েছেন মহিলা। কিন্তু মুখে কিছু না বলে তাকিয়ে আছেন দেখে অর্জুনই প্রথম কথা বলল, আপনি এখানে?

    প্রশ্নটা আমিই করছি। আপনি সেদিন ডিটেকটিভ অমল সোমের সঙ্গে আমার বাগানে গিয়েছিলেন, তাই তো? কিন্তু এখানে কী করছেন? ওটা তো ইন্ডিয়া নয়, ভুটান। পাহাড় থেকে দৌড়ে নামলেন, কিছু হয়েছে কি? মিসেস ব্যানার্জি জিজ্ঞেস করলেন।

    নিশ্চয়ই কিছু হয়েছে। নইলে আমরা এখানে আসব কেন? আপনার ভাই…। অর্জুন এবার নীলকে আসতে দেখল। এখনও একটু দূরে রয়েছে সে।

    হ্যাঁ বলুন, আমার ভাই কী করেছে?

    উনি খুব মূল্যবান এবং নিষিদ্ধ প্রাণী এখান থেকে ধরে চালান দিচ্ছেন বিদেশে। এটা গুরুতর অপরাধ। অর্জুন বলল।

    তাই নাকি? ঠিক আছে, ও যাতে কাজটা না করে, সেটা আমি দেখব। ও এখানে এসেছে খবর পেয়েই আমি চলে এলাম। এবার আপনারা ফিরে যেতে পারেন। মিসেস ব্যানার্জির কথা শেষ হওয়ামাত্র নীল পাশে এসে দাঁড়াল, এই লোকগুলো আমার পেছনে লেগেছে দিদি, এদের চলে যেতে দেওয়া ঠিক হবে না।

    মিসেস ব্যানার্জির গলা ওপরে উঠল, তোমার সাহস খুব বেড়ে গেছে নীল। অনেক সহ্য করেছি, আর নয়। যাও, এই ছেলেটিকে গাড়িতে তুলে দিয়ে এসো।

    নীল বাধ্য হল মেনে নিতে, ঠিক আছে, চলুন।

    কিন্তু আমার সঙ্গে যাঁরা ছিলেন অর্জুন আপত্তি করল।

    তারা ওদিকেই আছে। আসুন। নীল কঠিন মুখে বলল।

    মিসেস ব্যানার্জি জিজ্ঞেস করলেন, নীল, তোমার বন্ধু কোথায়?

    ওপরে আছে। ইডিয়টটার জন্যেই ঝামেলা বাড়ল। নীল ইশারা করতে অর্জুন হাঁটতে লাগল। দিদির কথা নীল নিশ্চয়ই মান্য করবে। পেছনে নীল আসছে এবং ওর সঙ্গে অস্ত্র আছে। সে ঠিক করল নীল তাকে কোথায় নিয়ে যায়, দেখবে। পাহাড়ি পথ ধরে হাঁটছিল ওরা। মাঝে-মাঝে বুনো ঝোপ। হঠাই সে ফাঁদটাকে দেখতে পেল। গাছপাতায় গর্তের মুখ কখনও ঢেকে রাখা হয়েছিল, কিন্তু এখন তার খানিকটা সরে যাওয়ায় ফাঁদ বলে বুঝতে অসুবিধে হচ্ছে না। সে দাঁড়াতেই পেছন থেকে প্রচণ্ড ধাক্কা খেল। ব্যালান্স রাখতে পারল না অর্জুন। টলমলিয়ে শুকনো ডালপালায় পা পড়তে শরীর নীচেব দিকে নেমে গেল। অন্ধকারে অনেকটা যাওয়ার পর সে আছাড় খেয়ে পড়তেই গলা শুনতে পেল, হাড়গোড় ভাঙেনি তো? অমল সোমের গলা।

    অমলদা।

    হ্যাঁ। আমার মতো তোমাকেও ট্র্যাপে ফেলেছে ওরা। বাইরের সাহায্য ছাড়া ওপরে ওঠার কোনও সুযোগ নেই।

     

    মিসেস ব্যানার্জি গাছের নীচে দাঁড়িয়ে ছিলেন। নীল ফিরে আসামাত্র বললেন, এসব আমার ভাল লাগছে না। ওরা এখানে আসছে জানতে পারলে…

    জানতে পারলে কী করতাম? কালকের মধ্যেই এক লট পাঠাতে হবে।

    অ্যাট লিস্ট ওদের সঙ্গে ভদ্র ব্যবহার করে ম্যানেজ করা যেত। মিসেস ব্যানার্জি মাথা নাড়লেন, কজন এসেছে?

    তিনজন। তিনটেকেই কবজা করেছি। আমেরিকায় যেটা থাকে, সেটাকে খাঁচায় রাখা আছে। ওকে বের করে ওই গর্তে ফেলতে পারলে চিন্তা থাকবে না। এ-জীবনে আর বের হতে পারবে না ওপরে। হাজার চিৎকার করলেও সাড়া দিতে কেউ আসবে না এখানে।

    তোমার বন্ধু কোথায়?

    প্রশ্ন শুনে নীলের খেয়াল হল। সে চিৎকার করে ডাকল। তিনবারেও ওপর থেকে সাড়া এল না। নীল বিরক্ত হয়ে বলল, ওকে আমি ঠিক ম্যানেজ করতে পারছি না। হয়তো পাহাড়ের ভেতরে কোথাও চলে গিয়েছে। দায়িত্বজ্ঞানহীন।

    ওকে ছাড়া তো চলবে না। যাও, খুঁজে নিয়ে এসো।

    নীল বাধ্য হয়েই পাহাড়ে উঠতে লাগল। তার হাতে অস্ত্র। মনে-মনে সে ঘোষালকে গালাগাল দিচ্ছিল। এবার কাজটা হয়ে গেলে ঘোষালকে কাটাতে হবে। সে ওপরে উঠে এল। অনেকবার ডাকাডাকি করার পরও যখন সাড়া পাওয়া গেল না, তখন সে রিভলভারের ট্রিগার টিপল। পাহাড় কেঁপে গেল আওয়াজে, পাখিরা উড়ল কিন্তু ঘোষালের সাড়া পাওয়া গেল না। পাথরের খাঁজে পড়ে-থাকা ঘোষাল নিজের নাম এবং গুলির শব্দ শুনতে পেয়েও সাড়া দিতে পারছিল না মুখ বন্ধ থাকায়। নীল তার খুব কাছে এগিয়ে এসেছে। সে প্রবলভাবে নড়াচড়া করতেই পায়ের যন্ত্রণা বেড়ে গেল।

    ঝটপট শব্দ কানে গিয়েছিল নীলের। সে সতর্ক চোখে চারপাশে দেখতে লাগল। ঠিক তখনই কিছু একটা তীব্র গতিতে ছুটে এসে তার কপালে আঘাত করল। চেষ্টা করেও মাথা সরাতে পারল না নীল। মুহূর্তেই পৃথিবীটা অন্ধকারে ঢেকে গেল। দু হাতে মাথা চেপে হাঁটু মুড়ে বসে পড়তেই আর একটা পাথরের টুকরো তার কানের ওপর আঘাত করল। সে ছিটকে পড়ে গেল মাটিতে। রিভলভার পড়ে গেল একপাশে। নীল জ্ঞান হারাল।

    সুন্দর দ্রুত দৌড়ে এল কাছে। তার খুব আনন্দ হচ্ছিল। নীলের পরনের জামা ছিড়ে ফেলে তাই দিয়ে দুটো শত পিছমোড়া করে বেঁধে ফেলল সে। পা দুটোও বাদ দিল না। তারপর রিভলভার তুলে নিল। এটা কী করে ব্যবহার করতে হয় সে জানে না। একটু ভেবে একটা পাথরের আড়ালে লুকিয়ে রাখল সেটা।

    এত সব কাণ্ড ঘটে গেল ওপরে, কিন্তু ক্যাম্পের কাছে থাকা নীলের কর্মচারীরা তা টের পায়নি। তারা মেজরের কাণ্ডকারখানা নিয়ে হাসাহাসি করছিল। সুন্দর নীচে নেমে আড়ালে থেকে তাদের দেখল। সে অমল সোম বা অর্জুনকে খুঁজে পাচ্ছিল না। ওঁদের খবরটা দিলে এখনই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। সে চিৎকার করে ডাকবে কি না ভাবছিল, ঠিক তখনই নাক ডাকার আওয়াজ পেল। যে খাঁচাটার কাছে সে দাঁড়িয়ে ছিল, শব্দ বের হচ্ছে সেখান থেকেই। ওটা যে নাক ডাকার শব্দ তা, প্রথমে ঠাওর করতে পারেনি সুন্দর। শেষ পর্যন্ত কৌতূহলে কাপড়টা তুলতেই দেখল, পা ছড়িয়ে বসে মেজর ঘুমোচ্ছেন। তাঁর কোল ঘেঁষে শুয়ে রয়েছে সেই রং করা পাহাড়ি ছাগলটা।

    সুন্দর খোঁচা মারতেই মেজর হকচকিয়ে সোজা হলেন। ঠোঁটে আঙুল চেপে তাঁকে শব্দ করতে নিষেধ করল সুন্দর। তারপর কাপড়ের আড়ালে-আড়ালে খাঁচার মুখটায় চলে গিয়ে দরজা খুলে দিল। মেজর দ্রুত বেরিয়ে এসে বললেন, ধন্যবাদ।

    কথা বলবেন না। লোকজন কাছেই আছে।

    মেজর ওকে অনুসরণ করে কিছুটা দূরে চলে আসামাত্র সেই ফুলটার কথা মনে করতে পারলেন। সঙ্গে-সঙ্গে তিনি ব্যস্ত হয়ে পড়লেন ওই গাছটার কাছে যাওয়ার জন্য। তিনি বললেন, তুমি বুঝতে পারছ না সুন্দর। ওই ফুলটার রহস্য আছে। ওটা আমাকে পেতেই হবে। এই রকম রহস্যের জন্যে পৃথিবী তোলপাড় করি আমি।

    যে মানুষটা একটু আগে খাঁচায় বসে নাক ডাকছিল, সে পৃথিবী কী করে তোলপাড় করে, বুঝতে পারল না সুন্দর। সে জিজ্ঞেস করল, ফুল কোন গাছে আছে?

    ওই ওপাশে। অত বড় গাছে মাত্র একটাই ফুল। কিন্তু এত উঁচুতে আর ডাল খুব সরু বলে আমি উঠতে পারিনি। বাট আই মাস্ট ট্রাই এগেইন।

    মেজরকে অনুসরণ করে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে কিছুটা যেতেই মেজর দাঁড়িয়ে পড়লেন, হু ইজ শি? মিসেস ব্যানার্জি বলে মনে হচ্ছে, উনি এখানে কেন?

    তা তো বলতে পারব না। তবে কাছে না যাওয়াই ভাল।

    কিন্তু উনি তো খুব বিদুষী মহিলা। ভাইয়ের অন্যায় সমর্থন করেন না।

    সমর্থন না করলে ভাই এত অন্যায় করার সাহস পায় কী করে?

    ঠিক। কিন্তু উনি ওখানে দাঁড়িয়ে থাকলে আমি গাছটার কাছে যেতে পারব। মুশকিল হয়ে গেল! ওই যে গাছটা দেখছ, ওর মগডালে ফুল ফুটেছে।

    মেজরের কথা শুনে সুন্দর এপাশ ও-পাশে ঘুরে ঘুরে ফুলটাকে দেখার চেষ্টা করে বিফল হয়ে কাছাকাছি একটা গাছে উঠে গেল। বেশ কিছুটা ওঠার পর দূরের গাছের মগডালে ফুলটাকে দুলতে দেখল। এমন ফুল সে কোনও দিন দেখেনি। হঠাৎ মাথায় বুদ্ধিটা খেলল। সে গুলতি বের করে টিপ করল। সাঁ করে ছুটে গেল ছোট্ট পাথরটা। বোঁটার একটু ওপরে আঘাত করতেই ফুলটা টুক করে খসে পড়ল নীচে।

    মিসেস ব্যানার্জি উদ্বিগ্ন হয়ে নীচে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ দেখলেন গাছের ওপর থেকে একটা ফুল খসে পড়ল নীচে। বেশ বড়সড় এবং নধর ফুল, যা তিনি কখনও আগে দেখেননি। ফুলটা এত টাটকা যে, বোঁটা খসে পড়ার কোনও কারণ নেই। তিনি একটু এগিয়ে গিয়ে ওটাকে তুললেন। তারপর মাথা তুলে দেখার চেষ্টা করলেন।

    সুন্দর ঘাবড়ে গেল। মেমসাহেব যে ফুলটা কুড়িয়ে নিতে পারেন, তা ওর মাথায় আসেনি। এখন যদি তিনি ফুলটা না দেন, তা হলে মেজর তাকে…।

    সে দ্রুত গাছ থেকে নেমে এল, আমি ফুলটাকে পেড়ে ফেলেছি।

    পেড়ে ফেলেছ? কোথায়? মেজর উত্তেজিত।

    মেমসাব তুলে নিয়েছেন। ওঁর সামনে পড়েছিল।

    সর্বনাশ! মেজর আর দাঁড়ালেন না। সুন্দর আপত্তি করছে জেনেও দৌড়ে গেলেন সামনে। মিসেস ব্যানার্জি ফুল হাতে দাঁড়িয়ে দেখলেন দাড়িওয়ালা মোটাসোটা একটি মানুষ তাঁর দিকে দ্রুত এগিয়ে আসছে।

    এক্সকিউজ মি ম্যাডাম।

    আপনি?

    আমি আপনার বাগানে মিস্টার সোমের সঙ্গে গিয়েছিলাম। আমি একজন অভিযাত্রী। আপনার হাতে যে ফুলটা রয়েছে, তার সন্ধানে এখানে এসেছি। অনুগ্রহ করে ফুলটা আমাকে দিন। হাত বাড়ালেন মেজর।

    এটা কী ফুল?

    আমি নাম জানি না।

    আপনি এখানে ফুলের সন্ধানে এসেছেন?

    হাঁ।

    আপনার সঙ্গীরা?

    ওদের আসার উদ্দেশ্য আলাদা। দিন।

    আপনি এতক্ষণ কোথায় ছিলেন?

    খাঁচায়। আপনার ভাই আমাকে বন্দি করে রেখেছিল। ক্রিমিন্যাল অফেন্স।

    কী করে বেরিয়ে এলেন?

    সেটা বলা যাবে না। দিন ফুলটা।

    আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। আমার ভাই এখনই ফিরে আসবে।

    আপনার ভাই একজন ক্রিমিন্যাল। আপনি তাকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন? মেজর চিৎকার করলেন, আপনার স্বামী খুব শ্রদ্ধেয় মানুষ ছিলেন।

    তাঁর সঙ্গে আমার ভাইয়ের কোনও রক্তের সম্পর্ক ছিল না। বেশ অহঙ্কারী গলায় বললেন মিসেস ব্যানার্জি। মেজর ফাঁপরে পড়লেন। একজন মহিলার ওপর জোর খাটানো যায় না। হঠাৎ তাঁর মাথায় বুদ্ধি খেলে গেল, মিসেস ব্যানার্জি। এটা একটা অসাধারণ ফুল, প্যারিসের একটি বিখ্যাত পারফিউম ওই ফুল থেকে তৈরি হয়। দশ আউন্সের দাম দেড়শো ডলার। দারুণ গন্ধ।

    মিসেস ব্যানার্জি ফুলটার দিকে তাকালেন। তারপর সেটাকে নাকের নীচে নিয়ে এসে ঘ্রাণ নেওয়ার চেষ্টা করলেন। দ্বিতীয়বারেই তাঁর চোখ বন্ধ হল। মেজর লক্ষ করলেন ওঁর পা টলছে। মাটিতে পড়ার আগেই তাঁকে ধরে ফেললেন মেজর। ধীরে-ধীরে ঘাসের ওপর বসে পড়ে দু হাতে মাথা চেপে ধরলেন মহিলা। আর ঠিক তখনই পেছনে হই-হই আওয়াজ উঠল। মেজর চমকে পেছনে তাকালেন। কালো গোলার মতো কিছু ছুটে আসছে। কোনওমতে তিনি সরে দাঁড়াতেই সেটা মিসেস ব্যানার্জির শরীর ঘেঁষে বেরিয়ে গেল। কিন্তু আর্তনাদ করে উঠলেন মেজর। ছুটে যাওয়া সারাওয়ের পায়ের চাপে ফুলটা থেতলে গিয়েছে পুরোপুরি। ঘাসের সঙ্গে মিশে গিয়েছে বলা যায়। কোনও মতেই তাকে আর ফুল বলা যায় না।

    পেছন-পেছন যারা ছুটে আসছিল, তারা এবার মেজর এবং সুন্দরকে দেখে থমকে গেল। মেজর চিৎকার করলেন, কে ওকে তাড়া করেছিল? কে? এগিয়ে এসো। আমি ধড় থেকে মুণ্ডুটা ছিড়ে ফেলব। শয়তানের দল সব।

    সঙ্গে সঙ্গে লোকগুলো উলটো দিকে দৌড়াল। রুমাল পেতে মেজর ফুলের অবশিষ্টাংশ তোলার চেষ্টা করলেন। আর তখনই চিৎকার ভেসে এল। চাপা অস্পষ্ট মানুষের গলা। একাধিক। সুন্দর ছুটল।

     

    ফরেস্ট বাংলোয় বসে কথা হচ্ছিল। ডি এফ ও সাহেব, থানার বড়বাবু, রেঞ্জারও আছেন সঙ্গে। ঘোষাল স্বীকার করেছে। নীল মুখ খোলেনি, কিন্তু ঘোষালের স্টেটমেন্ট তাকে বাঁচাতে পারবে না। অমল সোম বলছিলেন, সবচেয়ে অবাক হয়েছি মিসেস ব্যানার্জির ভূমিকা দেখে। তিনি যে ভাইয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন, আমি কল্পনা করিনি। তবে এবারে আমরা শেষ পর্যন্ত কী করতে পারতাম, তাতে সন্দেহ আছে। যা কিছু কৃতিত্ব, তা সুন্দরের। কী বলো অর্জুন?

    অর্জুন বলল, হ্যাঁ। ও না থাকলে আমরা হয়তো আর ফিরতাম না।

    ডি এফ ও জিজ্ঞেস করলেন, সে কোথায়? আমি তাকে ফরেস্টে চাকরি দিতে চাই। ওর মতো লোক আমাদের দরকার।

    অর্জুন বলল, সে এখন বুক ফুলিয়ে বাড়ির লোকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছে। কিন্তু অমলদা, আপনি লক্ষ করেছেন, জঙ্গল থেকে ফেরার পর মেজর একদম চুপ করে গিয়েছেন। একটাও কথা বলছেন না।

    একটু দূরে বসা মেজর শব্দ করে নিশ্বাস ফেললেন, পরশমণি পেয়েও যে হারায়, তার দুঃখ তোমরা বুঝবে না হে। তবে মিসেস ব্যানার্জির কথা বলছিল মিস্টার সোম, ফুলেও যে বিষের গন্ধ থাকে, সেটা আর একবার প্রমাণিত হল, তাই না?

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article তেরো পার্বণ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }