Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প622 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. লাল বাইকটা ছুটে যাচ্ছিল

    লাল বাইকটা ছুটে যাচ্ছিল ড়ুয়ার্সের সুন্দর চওড়া পথ ধরে। গয়েরকাটা বীরপাড়ার মোড় হয়ে যখন অর্জুনরা জলদাপাড়ার জঙ্গলের গায়ে পৌঁছল তখন সূর্যদেব পাততাড়ি গোটাতে ব্যস্ত। ব্যাক সিটে মেজর এখন অনেকটা স্বচ্ছন্দ হয়ে বসে আছেন। সারাটা পথ আর মুখ খোলেননি। খুন হওয়ার গল্পটা শোনার পর থেকেই তিনি চুপচাপ। ভুল হল, ঠিক চুপচাপ নন তিনি, ঠোঁট বন্ধ করে সমানে একটা সুর বের করে যাচ্ছেন নাকের ফুটো দিয়ে। কানের কাছে সেটা খুব শ্রুতিকর নয় কিন্তু অর্জুন সেটা সহ্য করেছিল। পুরনো দিনের বাংলা গান থেকে আরম্ভ করে আধুনিক ইংরেজি গান, কিছুই বাদ যাচ্ছে না।

    অর্জুনের অস্বস্তি শুরু হল মাদারিহাট টুরিস্ট বাংলো ছাড়ানোর পর থেকেই। দিনে-দিনে ফিরে না এলে অস্বস্তিটা যাবে না। অথচ সেটা যে আর সম্ভব নয় তা এখন বোঝা যাচ্ছে। এসব অঞ্চলে সন্ধের মুখেই হাতি বেরিয়ে আসে জঙ্গল যুঁড়ে। সেটা নিয়েও সে ভাবছে না। যাদের এড়াতে মিসেস মমতা দত্ত নিজের গাড়ি ছেড়ে অন্যভাবে জলপাইগুড়িতে তাদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, তাদের নিয়েই এখন চিন্তা। অবশ্য এখন সে একা নেই, মেজর সঙ্গে থাকায় কিছুটা সাহস পাওয়া যাচ্ছে। অর্জুন বাইকের গতি আরও বাড়াল।

    পথে কোনও বাধা পাওয়া যায়নি। হাসিমারার মোড়ে একটা প্রাইভেট কার দাঁড়িয়েছিল। মোড় বলেই গতি কমাতে বাধ্য হয়েছিল অর্জুন। এবং তখনই সে ভানুদাকে দেখতে পেল! লম্বা পেটা শরীর। ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় সুভাষিণী চা বাগানের ম্যানেজার। বছরখানেক আগে অমল সোমের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন ভদ্রলোক। না, কোনও প্রয়োজনে নয়। গল্প শুনে আলাপ করে গিয়েছিলেন। দারুণ মানুষ। এডমণ্ড হিলারির সঙ্গে এভারেস্টের ওপর তলায় উঠে ছবি তুলেছেন প্রচুর। সেই সময় বরফের কামড়ে পায়ের কয়েকটা আঙুল ক্ষতবিক্ষত হয়েছিল। এক সময় একটি ইংরেজি দৈনিকের চাকুরে ছিলেন।

    এডমন্ড সাহেবের বইয়ে ওঁর ভোলা প্রচুর ছবি আছে। সত্যিকারের স্পোর্টসম্যান মানুষটি এখন চাবাগানের ম্যানেজার। অর্জুন তাঁর গাড়ির পাশে নিজের বাইক দাঁড় করাল।

    মুখ ফিরিয়ে দেখতে পেয়েই ভানুদা চিৎকার করলেন, আরে সাহেব যে! এদিকে কী ব্যাপার? একগাল হাসলেন ভদ্রলোক।

    বাইক দাঁড় করাতেই মেজরও জিজ্ঞেস করলেন, আমরা কি পৌঁছে গিয়েছি?

    অর্জুন মাথা নাড়ল, এখনও কিছুটা পথ বাকি। আসুন এর সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিই। ভানুদা, ইনি মেজর, আমাদের খুব কাছের মানুষ, সারা পৃথিবী জুড়ে অনেক অ্যাডভেঞ্চার করেছেন। আর ইনি ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, টি প্ল্যান্টার, এডমণ্ড হিলারির সঙ্গে এভারেস্ট গিয়েছিলেন।

    বাইকে বসেই মেজর জিজ্ঞেস করলেন, কতটা?

    মানে? ভানুদা জানতে চাইলেন।

    কতটা উঠেছেন?

    সামান্যই। মাত্র বাইশ হাজার ফুট।

    গুড। এবার যখন নর্থ পোলে আমার জাহাজড়ুবি হল তখন ভেবেছিলাম এভারেস্টের ওপরে নিশ্চয়ই এর চেয়ে বেশি ঠাণ্ডা হবে না। কেমন ঠাণ্ডা?

    প্রচণ্ড। কিন্তু কোথায় জাহাজড়ুবি হয়েছিল বললেন?

    নর্থ পোলে। বেড়াতে গিয়েছিলাম। ওখানকার পেঙ্গুইনদের ছবি তুলব এমন ইচ্ছে ছিল। জাহাজের ক্যাপ্টেন একটা আমেরিকান গোঁয়ার। চার্লি বলে ডাকতাম। হাজারবার বলেছিলাম, কুয়াশায় যখন চারপাশ ঢাকা তখন আর এগিয়ো না। শুনল না কথা। চোরা বরফে ধাক্কা খেলাম। আইসবার্গ। ব্যস। ড়ুবল। লাইফ জ্যাকেট পরে ওই ঠাণ্ডায় পাক্কা আট ঘণ্টা খাবি খেয়েছি জলে। হেলিকপ্টার এসে না তুললে আপনার সঙ্গে আলাপ হত না।

    কথা শুনতে-শুনতে ভানুদা এতখানি মুগ্ধ যে, তাঁর গলায় সেটা ফুটে উঠল, আরে কী আশ্চর্য, আপনাকে তো ছাড়ছি না। চলুন আমার বাগানে।

    মেজর মাথা নাড়লেন, না, নামতে পারব না।

    মানে?

    এতক্ষণ বাইকে বসে শরীর জমে গিয়েছে। এখন নেমে দাঁড়ালে আর উঠতে পারব না। এইভাবে এতক্ষণ বসা যে কী পরিশ্রমের! সেটা ভুলতে গান গাইছিলাম। শরীরের সব কজা এখন একেবারে আটকে গিয়েছে।

    এই বাইকে আপনাকে উঠতে হবে না। আমার গাড়িতে পা ছড়িয়ে বসুন।

    এবার অর্জুন আপত্তি করল, ভানুদা, আমি একটা জরুরি কাজে হৈমন্তীপুর চাবাগানে যাচ্ছি। এখন আপনার ওখানে যাওয়া যাবে না।

    হৈমন্তীপুর? চমকে উঠলেন ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, সেখানে কেন?

    মিসেস মমতা দত্তকে একটা খবর দিতে।

    হৈমন্তীপুরের এখনকার অবস্থা সম্পর্কে ধারণা আছে তো?

    কিছুটা আছে।

    গতকালও মিসেস দত্তের বাবুর্চি খুন হয়েছে।

    হঠাৎ মেজর বলে উঠলেন, অ্যানাদার খুন? তা হলে তো আমাদের সেখানে যেতে হচ্ছেই। নো মিস্টার বন্দ্যোপাধ্যায়, এর পরের বার আপনার সঙ্গে দেখা করব।

    ভানুদা হাত নাড়লেন, জাস্ট এ মিনিট। সন্ধে হয়ে এসেছে। আমার মনে হয় আজকের রাতটা আমার ওখানে কাটিয়ে কাল সকালে গেলেই ভাল হবে।

    অর্জুন মাথা নাড়ল, তাহলে কথার খেলাপ হয়ে যাবে। মিসেস দত্তকে আমি কথা দিয়েছি আজই খবর দেব। আপনি কি কিছু আশঙ্কা করছেন?

    হ্যাঁ। বাগানে ঢোকার আগেই বিরাট নীলগিরি ফরেস্ট। একটার পর একটা খুন হচ্ছে সেখানে। তা হলে চল, লোকাল থানায় তোমাদের নিয়ে যাই। ওদের এসকর্টকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে।

    কিন্তু থানায় যাওয়াটা এই মুহূর্তে ঠিক কাজ হবে না। আপনি যাদের ভয় পাচ্ছেন তাদের নজর নিশ্চয়ই থানার ওপরেও আছে।

    ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় একটু চিন্তা করলেন। তারপর বললেন, বাইকটাকে এখানে রেখে তোমরা আমার গা তে ওঠো। তিনজনেই যাই। মেজর চটপট বলে উঠলেন, দ্যাটস নট এ ব্যাড আইডিয়া।

    এই সময় একটা পুলিশের জিপকে দেখা গেল। সম্ভবত ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি দেখেই দারোগাবাবু দাঁড়িয়ে গেলেন, কেমন আছেন সার?

    ভানুদা হাত নাড়লেন, ভাল। কী খবর?

    জিপে বসেই দারোগা উত্তর দিলেন, এই চলছে। এমন একটা চাকরি মশাই যে, একটু শান্তিতে থাকার জো নেই।

    ভানুদা জিজ্ঞেস করলেন, হৈমন্তীপুরে শুনলাম গত রাত্রেও মাডার হয়েছে?

    আর বলবেন না। আজ ভোরে নাকি একটা অ্যাম্বাসাডার এসেছিল এ তল্লাটে, শিলিগুড়ি থেকে। খবরটা পেয়ে ছুটোছুটি করলাম কিন্তু কোনও লাভ হল না। হৈমন্তীপুরে ঢোকার মুখে যে সাঁকোটা ছিল সেটা কেউ উড়িয়ে দিয়েছে। গাড়ি যাচ্ছে না আর। মনে হচ্ছে ভদ্রমহিলাকে বাগানটা বিক্রি করে দিয়ে যেতে হবে। দারোগাবাবু বললেন।

    ওঁকে আপনারা প্রোটেকশন দিচ্ছেন না?

    কাকে দেব? আমাদের না জানিয়ে হুটহাট জলপাইগুড়ি চলে যাচ্ছেন। এঁরা কারা? দারোগার চোখের দৃষ্টি ঘুরল।

    আমার বন্ধু। ভানুদা জানাতেই দারোগা হাত নেড়ে চলে গেলেন।

    অর্জুন এবার জিজ্ঞেস করল, কী করবেন? আপনার গাড়ি তা হলে হৈমন্তীপুরে ঢুকবে না। সাঁকো থেকে বাংলো কতদূর?

    মাইলখানেক তো বটেই। মনমরা হয়ে গেলেন ভানুদা।

    তা হলে আমরা চলি। এখন সাঁকোর নীচে জল থাকার কথা নয়। বাইকটাকে পার করাতে পারব। ফেরার সময় আপনার সঙ্গে দেখা করে যাব।

    অগত্যা যেন রাজি হতে বাধ্য হলেন ভানুদা, বেশ। রাত নটা পর্যন্ত তোমাদের জন্য আমি অপেক্ষা করব। খুব চিন্তায় ফেলে দিলে ভাই।

    অর্জুন আর অপেক্ষা করল না। মেজর বললেন, এই নামে একজন অ্যাক্টর ছিলেন না? খুব হাসাতেন?

    হ্যাঁ। সেটা প্রথম দর্শনে ওঁকে বলেছিলেন অমলদা। শুনে ভানুদা জবাব দিয়েছিলেন, কার সঙ্গে কার তুলনা করছেন? উনি জিনিয়াস, আমি ওয়ান অব দ্য ম্যান। অর্জুনের কথা শুনে মেজর এমন হেসে উঠেছিলেন যে, বাইকটা জোর নড়ে উঠল। মেজর বললেন, সরি।

    একটু বাদেই হেডলাইট জ্বালাতে হল। রাস্তা নির্জন। দুপাশে বাড়িঘরও নেই। হাসিমারা ছাড়াবার পরেই কেমন জঙ্গুলে আবহাওয়ায় এসে গিয়েছিল ওরা, এবার সেটা গভীর হল। হঠাৎ মেজর অর্জুনের পিঠে টোকা মারলেন। অর্জুন ঘাড় না ঘুরিয়ে জিজ্ঞেস করল, কিছু বলছেন?

    মেজর গলা নামিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কানের কাছে মুখ এনে, তোমার সঙ্গে রিভলভার আছে তো? গুলি ভরা আছে কিনা দেখে নাও।

    অর্জুন স্বাভাবিক গলায় জবাব দিল, আমার কাছে কোনও অস্ত্র নেই।

    যাচ্চলে। মেজর ককিয়ে উঠলেন। আপনি কি ভয় পাচ্ছেন?

    নো, নেভার। সেবার হার্লেমে মারপিট করেছিলাম খালি হাতে। ভয় আমি পাই না হে। তবে সাবধানের তো মার নেই। আর কত দূর? আমার দুটো পা এমন অবশ হয়ে গিয়েছে যে, ও দুটো আছে কিনা তাই বুঝতে পারছি না।

    মেজরের গলার স্বর শুনে অর্জুনের মায়া হল। ভারী শরীর নিয়ে একভাবে বসে থাকা সহজ কথা নয়। কিন্তু এই মানুষটাই কী করে তা হলে আফ্রিকা, নর্থ পোলে অথবা তিব্বতে অভিযান করে বেড়ান? মাঝে-মাঝে মনে হয় মেজর সমানে গুল মেরে যাচ্ছেন, কিন্তু বিষ্ঠুসাহেব বলেছেন ওঁর সবচেয়ে বড় গুণ কখনওই মিথ্যে কথা বলেন না।

    অর্জুন নজর রাখছিল। প্রত্যেক চা-বাগানের সামনে নাম লেখা বোর্ড থাকে। সেটা থেকেই হৈমন্তীপুরের হদিস পেতে হবে। হঠাৎ দারোগার কথাটা মনে এল। সকালে তিনি একটা অ্যাম্বাসাডারের খোঁজ করেছিলেন? কোন অ্যাম্বাসাডার? ভদ্রলোক বিশদে বলেননি। আজ সকালে শিলিগুড়ি যাওয়ার পথে মিষ্টির দোকানে যেটা দাঁড়িয়ে ছিল, অমলদার অনুরোধে যে-গাড়িটা তাদের লিফট দিয়েছিল সেইটে কি? শিলিগুড়িতে পৌঁছবার পর এ নিয়ে অমলদার সঙ্গে কথা বলার আর সুযোগ হয়নি। তবু ব্যাপারটা মনে বিধতে লাগল। পরক্ষণেই সে চিন্তাটাকে ঝেড়ে ফেলতে চাইল। হৈমন্তীপুরের কেসটা যখন সে নিচ্ছে না তখন এ নিয়ে মাথা ঘামিয়ে কী লাভ?

    বাইকের হেডলাইটের আলো সাইনবোর্ডের ওপর পড়তেই অর্জুন গতি কমিয়ে বলল, আমরা এসে গিয়েছি। মেজর পেছন থেকে বললেন, কোথায় এলাম? চারপাশে তো অন্ধকার!

    ততক্ষণে রাস্তাটা দেখতে পাওয়া গিয়েছে। পিচের রাজপথ থেকে একটু নুড়িতে ভরা পথ নেমে গিয়েছে বাঁ দিকে। চা-বাগানের রাস্তা যেমন হয়। অর্জুন বাঁ দিকে বাইক ঘোরাল। মেজর বলে উঠলেন, ভাঙা ব্রিজটাকে খেয়াল কর। উঃ কী অন্ধকার রে বাবা। সেবার নিউ ইয়র্কে এক ঘণ্টার জন্য পাওয়ার চলে গিয়েছিল। ঠিক এমন অন্ধকার হয়েছিল সেখানে। অমন ঘটে না বলে কেউ তো বাড়িতে মোমবাতি পর্যন্ত রাখে না।

    গতি কম ছিল। মিনিট দেড়েক যাওয়ার পর সাঁকোটাকে দেখা গেল। কাঠের সাঁকো। বড়জোর হাত পনেরো হবে। ঠিক মাঝখানের কাঠগুলো উধাও। গাড়ি যাওয়া-আসা অসম্ভব, কিন্তু অর্জুনের মনে হল সার্কাসের বাইক ড্রাইভাররা ওই ফাঁকটুকু বাইক নিয়ে লাফিয়ে যেতে পারে। হেডলাইটের আলোয় সাঁকোর নীচেটা দেখল অর্জুন, তারপর বলল, এবার আপনাকে নামতে হবে। বাইকটাকে নীচে নামাতে হবে।

    একদম ইচ্ছে ছিল না মেজরের। গাঁইগুঁই করে তিনি কোনও রকমে নীচে নেমে চিৎকার করে বসে পড়লেন। বোঝা যাচ্ছিল পায়ে বিন্দুমাত্র জোর নেই। একনাগাড়ে বসে বসে ও দুটোতে ঝিঝি ধরে গেছে। অর্জুন হেসে বলল, মোটর বাইকের পেছনে বসে আপনার এই অবস্থা! আর ভাবুন তো, কালাপাহাড়ের কথা? ভদ্রলোক দিনের পর দিন রাতের পর রাত ঘোড়ার পিঠে বসে থাকতেন।

    খিঁচিয়ে উঠলেন, ইঃ, আমাকে কালাপাহাড় দেখিও না। আমি কি ওরকম লোক? অদ্ভুত তুলনা।

    মেজরের পা ঠিক হতে যে সময় লাগল তার মধ্যে অর্জুন দেখে নিল সাঁকোর নীচে দিয়ে কোনওমতে বাইকটাকে পার করা সম্ভব হবে। যা ভেবেছিল ঠিক তাই, জল নেই। কয়েকটা বড় বোল্ডার পড়ে আছে শুকনো হয়ে। মাঝে মাঝে বাইকটাকে দুহাতে তুলতে হবে এই যা। পায়ে-পায়ে শুকনো ঝোরাটা পার হয়ে আবার রাস্তায় উঠতেই ওরা পায়ের শব্দ শুনতে পেল। আওয়াজ লক্ষ করে তাকাতেই অন্ধকারের মধ্যেই একটা ছায়ামূর্তিকে ছুটে যেতে দেখা গেল। মেজর চিৎকার করলেন, অ্যাই কে? হু আর ইউ?

    অর্জুন মোটর বাইকের হেডলাইট ঘুরিয়ে লোকটির পেছনটা দেখতে পেল এক ঝলক। চট করে পাশের চা বাগানের মধ্যে মিলিয়ে গেল সে।

    মেজর বললেন, লোকটা কে হে? পালাল কেন ওভাবে?

    হয়তো গার্ড দিচ্ছিল। আমরা এসেছি এই খবর দিতে গেল।

    কাকে?

    সেটাই তো জানি না। অর্জুন আবার বাইক চালু করল। মেজর জিজ্ঞেস করলেন, উঠতে হবে?

    না হলে যাবেন কী করে? হাঁটবেন?

    হাঁটা আমাকে দেখিও না তৃতীয় পাণ্ডব? এক রাত্রে সাহারায় আমি কুড়ি মাইল হেঁটেছিলাম। ঠিক আছে, উঠছি। বাইকে উঠে তিনি বললেন, ভানুবাবুর প্রস্তাবটা খারাপ ছিল না। আজ রাত্রে ওঁর বাড়িতে রেস্ট নিয়ে কাল সকালে এলে হত।

    পরিশ্রমই হয়নি যখন, তখন রেস্ট নেওয়ার কী দরকার?

    মেজর নাক দিয়ে যে শব্দটা করলেন তাতে কথাটা যে খুব অপছন্দের, তা বোঝা গেল।

    অন্ধকার চিরে হেডলাইটের আলো এগিয়ে যাচ্ছিল। রাত্রে বাগানের চেহারা ভাল বোঝা যাচ্ছে না বটে কিন্তু রাস্তার ওপর যেভাবে শুকনো ডালপালা ছড়ানো আছে, তাতেই স্পষ্ট, ইদানীং যত্ন নেওয়া হচ্ছে না। একটু বাদে বাগানের ফ্যাক্টরি এবং অফিসগুলো নজরে এল। কোথাও আলো নেই। একটি মানুষকেও কাছেপিঠে দেখা যাচ্ছে না।

    অর্জুন দুবার হর্ন দিল। তারপর এগিয়ে গেল সামনে। ডান দিকে বাঁক নিতেই আচমকা একটি আলোকিত বাংলা চোখে পড়ল। অনুমান করা গেল এটিতেই মমতা দত্ত থাকেন। বাংলোয় বিদ্যুৎ আছে। টেলিফোন মৃত কিন্তু বিদ্যুতের লাইন যদি ঠিক থাকে তা হলে আর সব জায়গা অন্ধকার কেন?

    গেট বন্ধ। ভেতর থেকে তালা দেওয়া। অর্জুন হর্ন দিল। মমতা দত্তের নিজস্ব কর্মচারীরা নিশ্চয়ই পাহারায় থাকবেন কিন্তু তাদের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। অর্জুন আরও কয়েকবার হর্ন দিল। মেজর নেমে দাঁড়ালেন। গেটের সামনে গিয়ে চিৎকার করলেন, বাড়িতে কেউ আছেন? আমরা জলপাইগুড়ি থেকে এসেছি।

    বাড়িটা ছবির মতো নিশ্চল রইল।

    অর্জুন বলল, আপনি বাইকটার কাছে থাকুন, আমি ভেতরে ঢুকছি।

    ভেতরে ঢুকবে কী করে? গেট তো বন্ধ।

    গেটটা টপকাতে হবে। আলো জ্বলছে যখন, তখন মানুষ নিশ্চয়ই ভেতরে আছে।

    বাইকটাকে দাঁড় করিয়ে অর্জুন এগিয়ে গেল। গেটের উচ্চতা ফুট ছয়েকের। খাঁজে পা দিয়ে সে শরীরটাকে ওপরে তুলে লাফিয়ে নামল নীচে। দুপাশে বাগান, মাঝখানে গাড়ি চলার পথ। সেই পথ ধরে বাংলোর দিকে এগোতেই সে দাঁড়িয়ে পড়ল। বাংলোর গাড়িবারান্দার নীচে সিঁড়ির ওপর উপুড় হয়ে আছে একটা শরীর। রক্তের ধারা বেরিয়ে এসে জমাট বেঁধে গেছে পাশে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article তেরো পার্বণ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }