Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. কলকাতায় এর আগে

    কলকাতায় এর আগে কয়েকবার এসেছে অর্জুন, কিন্তু সল্ট লেকে কখনও যায়নি। শিয়ালদার কাছে একটা হোটেলে সুটকেস রেখে সে ট্যাক্সি নিয়েছিল। নতুন জায়গায় বাসে চেপে গেলে চিনতে অসুবিধে হবে। গতরাতে দার্জিলিং মেলে চমৎকার ঘুম হওয়ায় এখন বেশ ঝরঝরে লাগছে।

    টেলিগ্রামের ঠিকানা মিলিয়ে বাড়ির সামনে পৌঁছে ট্যাক্সি ছেড়ে দিল অর্জুন। কলকাতা শহরের সঙ্গে সল্ট লেকের পরিবেশ, বাড়িঘরের পার্থক্য আকাশপাতাল। মনে হচ্ছিল, এখানে সম্পন্ন মানুষেরাই বাস করেন। বাড়িটা দোতলা। সামনের দরজা বন্ধ। পাশের প্যাসেজের মুখে লোহার গেট। সেটাও শেকলবন্দি। অর্জুন বেলের বোতাম টিপল। মিনিটখানেক বাদে একটা জানলা খুলে গেল। গেঞ্জি গায়ে এক মধ্যবয়সী মানুষ প্রশ্ন করল, কাকে চাই? বাবুকে হলে দেখা হবে না, বাবুর শরীর খারাপ।

    বাড়িতে আর কেউ আছেন?

    আমি আছি। এখানে কাজ করি। নিশ্চয়ই আমার কাছে আসেননি।

    তা আসিনি। তুমি তোমার বাবুকে এই কাগজটা দাও। পকেট থেকে টেলিগ্রামের কাগজ বের করে জানলা দিয়ে লোকটার হাতে দিল সে। কয়েক মিনিটের মধ্যে দরজা খুলে গেল। অর্জুন দেখল অত্যন্ত সৌম্য চেহারার এক বৃদ্ধ মাথা বাড়িয়ে এপাশ-ওপাশ দেখছেন।

    নমস্কার। আপনি অমল সোমকে এই টেলিগ্রাম পাঠিয়েছিলেন?

    হ্যাঁ। তিনি কোথায়? তিনি আসেননি? বৃদ্ধ যেন থমকে গেলেন।

    আপনি যদি আমাকে ভেতরে ঢুকতে দেন তা হলে এব্যাপারে কথা বলতে পারি।

    ও, হ্যাঁ, আসুন। আমি টেলিগ্রাম পাঠিয়েছিলাম জলপাইগুড়ির অমল সোমকে। উনি দরজা থেকে সরে যেতে অর্জুন ঘরে ঢুকল। চেয়ার টেবিল এবং দেওয়ালে রবীন্দ্রনাথের ছবি ছাড়া এ-ঘরে উল্লেখযোগ্য কিছু নেই।

    অর্জুন বলল, আমার নাম অর্জুন। টেলিগ্রাম পাওয়ার পর অমলদা টেলিফোনে আপনাকে ধরতে চেয়েছিলেন। আপনার ফোন বেজে গিয়েছে, কেউ ধরেনি। সম্ভবত ফোন খারাপ। তাই অমলদা আমাকে আপনার কাছে পাঠিয়েছেন।

    আপনি এসে আমার কী উপকার করবেন? উনি কি খুব ব্যস্ত?

    না। এখন অমলদা কোনওরকম কাজের সঙ্গে নিজেকে জড়াতে চান না। আপনার সমস্যা কী, তা আমি জানি না, কিন্তু আমার যা কিছু শিক্ষা তা অমলদার কাছ থেকেই পাওয়া। অবশ্য আপনার যদি ভরসা না হয় তা হলে—! অর্জুন কথা শেষ করল না। সে বুঝতে পারছিল বৃদ্ধ তাকে অমল সোমের বিকল্প বলৈ ভাবতে পারছেন না। অমলদা তাকে এঁর পরিচয় দিয়েছেন। অত্যন্ত পণ্ডিত এবং বিজ্ঞানসাধক।

    কিন্তু আপনার কথা আমি বিশ্বাস করব কী করে?

    এবার অর্জুন পকেট থেকে খামটা বের করে এগিয়ে দিল। অমলদা নিজের হাতে তার পরিচয় দিয়ে চিঠি লিখেছেন। বৃদ্ধ সেটা পড়ে মাথা নাড়লেন, ও। বসুন। কলকাতায় আজই এসেছেন বোধ হয়?

    হ্যাঁ।

    কোথায় উঠেছেন।

    হোটেলে।

    হুঁ। অর্জুন দেখল বুদ্ধ উলটো দিকের চেয়ারে বসে চিবুকে হাত রাখলেন। তারপর বললেন, আমি এক অদ্ভূত সমস্যার মধ্যে পড়েছি ভাই। আপনার বয়স এত কম যে, দেখে ঠিক ভরসা হয়নি বলে আমি দুঃখিত। কিন্তু মিস্টার সোম যে চিঠি লিখেছেন তার ওপর তো কিছু বলার নেই।

    আপনার সমস্যা জানতে পারি?

    নিশ্চয়ই। বৃদ্ধ শুরু করলেন। একে-একে সব ঘটনা শোনার পর অর্জুন বিস্ময় চেপে রাখতে পারল না। আপনি একা এতবড় পরীক্ষা করছেন?

    শুরুটা ভো কাউকে কাউকে একাই করতে হয়।

    আপনি সফল হলে বিজ্ঞান অনেক এগিয়ে যাবে।

    হয়তো। আচ্ছা, তোমার কি মনে হচ্ছে ব্যাপারটা অবাস্তব!

    না। জুলে ভের্ন যখন গল্প লিখেছিলেন তখন কেউ কল্পনা করেনি ব্যাপারটা একসময় চূড়ান্ত বাস্তব হবে। কিন্তু এই আবিষ্কার যেমন মানুষের উপকারে আসবে, তেমনই মানুষের বিরুদ্ধে ব্যবহার করলে প্রলয় হয়ে যাবে।

    নিশ্চয়ই। যে ব্যবহার করবে তার চরিত্রের ওপর সেটা নির্ভর করছে।

    আপনি পুলিশকে জানিয়েছেন?

    লিখিত নালিশ করিনি। এখানকার অফিসার ইনচার্জ আমার পরিচিত, টেলিফোনে তাঁকে বলেছিলাম। এখনও পর্যন্ত তিনি এতে রহস্য দেখতে পাননি।

    আপনার বাড়িটা একবার দেখতে পারি?

    অবশ্যই। বৃদ্ধ উঠে দাঁড়ালেন।

    আপনি কেন, আর কাউকে বলুন না সঙ্গে যেতে।

    আর কেউ বলতে আমার কাজের লোক গঙ্গাপদ। এখন পর্যন্ত রাত্রে আমি একাই থাকি। সাধারণত একতলাটা বন্ধ থাকে। দোতলায় আমার শোয়ার ঘর। লাইব্রেরি। ওখানে আর-একটি বেডরুম রয়েছে। তিনতলায়, মানে ছাদের একপাশে আমার গবেষণার ঘর। বলতে বলতে আর-একটি ঘর পেরিয়ে বৃদ্ধ অর্জুনকে নিয়ে ভেতরের বারান্দায় চলে এলেন। একচিলতে শানবাঁধানো উঠোন রয়েছে। এই সময় কুকুরের চিৎকার ভেসে এল। অর্জুন দেখল দুটো কুকুর চেনে বন্দি হয়ে আছে। তার একটা চেঁচাচ্ছে, অন্যটা হিংস্র ভঙ্গিতে ছুটে আসার চেষ্টা করেও চেনে আটকে আছে। সে জিজ্ঞেস করল, যে চিৎকার করছে তার নাম মেয়?

    হ্যাঁ। বৃদ্ধ হাসলেন, নেড়ি কুকুরের বাচ্চাদুটোকে কুড়িয়ে নিয়ে এসে মনে হয়েছিল এদের কুকুর না বলে সারমেয় বললে কৌলীন্য বাড়বে।

    আপনি বিশ্বাস করেন আপনার যন্ত্র থেকে কোনওমতে শব্দকণা বের হয়ে মেয়র স্বরনালীতে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে তারই ফলে ও স্বর ফিরে পেয়েছে?

    এ ছাড়া তো অন্য কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।

    সারের ওপর একই পরীক্ষা করছেন না কেন?

    ওটা ঘটেছিল নিতান্ত দুর্ঘটনাবশত। ইচ্ছে করলেই এক দুর্ঘটনা ঘটানো যায় না। আর পদ্ধতিটা এখনও আমার অজানা!

    অর্জুন লক্ষ করল একটি লোক ওপাশের দরজার আড়াল থেকে উঁকি মারছে। সে জিজ্ঞেস করল, আপনার কাজের লোক কি অনেকদিনের?

    না। গঙ্গাপদ এদিকে এসো। বৃদ্ধ ডাকলেন।

    গঙ্গাপদ এগিয়ে এল। শক্তপোক্ত চেহারা, অশিক্ষার ছাপ চোখমুখে।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, তুমি কতদিন এখানে আছ গঙ্গাপদ?

    অল্পদিন।

    এর আগে কোথায় কাজ করতে?

    গঙ্গাপদ মাথা নিচু করল। বৃদ্ধ হেসে ফেললেন, গঙ্গাপদর পক্ষে নিজের ইতিহাস বলতে ভাল লাগবে না। বেচারা কোনও কাজকর্ম না পেয়ে লোরে বাড়ি বাড়ি ঘুরে জিনিসপত্র সরাত। তেমনই এক রাত্রে আমার বাড়িতে এসে কুকুরের মুখে পড়ে যায়। ওর সঙ্গে কথা বলার পর আমার মনে হয়, সুস্থ জীবনে ফিরে আসার জন্যে ওকে একটা সুযোগ দেওয়া উচিত। এখন ওর কাজকর্ম দেখে মনে হচ্ছে আমি ঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জন্মমাত্র মানুষ অপরাধী তৈরি হয় না।

    অর্জুন গঙ্গাপদকে আর একার দেখল। মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সে বলল, ঠিক আছে, পরে তোমার সঙ্গে কথা বলা যাবে।

    মাথা নেড়ে গঙ্গাপদ ফিরে গেল তার কাজে। অর্জুন বলল, তা হলে ব্যাপারটা এইরকম সাজানো যেতে পারে। প্রথমে গঙ্গাপদ আপনার বাড়িতে চুরি করতে এসেছিল। কিন্তু আপনার কুকুরের জন্যে সে ধরা পড়ে যায়। এর পর একটি ওরাং ওটাং আপনার বাড়িতে ঢোকে, গবেষণাঘরে যায়। কিন্তু সেও কুকুরের তাড়া খেয়ে নীচের ঘরে আশ্রয় নেয়। পরদিন তার মালিক এসে তাকে পালাবার পথ করে দেয়। এর পর টেলিফোনে আপনার কাছে অর্থসাহায্যের প্রস্তাব আসে। অর্থাৎ আপনার গবেষণার ওপর কারও নজর পড়েছে। এ ছাড়া আর কোনও ঘটনা ঘটেনি, তাই তো?

    বৃদ্ধ মাথা নাড়লেন, কিন্তু গঙ্গাপদর চুরি করতে আসার সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।

    আপনি কী করে নিশ্চিন্ত হচ্ছেন?

    আমি ওর সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছি। ও নেহাতই ছিচকে চোর ছিল।

    হয়তো। আচ্ছা, দ্বিতীয়বার টেলিফোন এসেছে? পরের দিন করার কথা ছিল না?

    হ্যাঁ, তাই বলেছিল। কিন্তু আমি বা গঙ্গাপদ কেউ টেলিফোন ধরিনি। ওটা বেজেবেজে থেমে গিয়েছে অনেকবার। বৃদ্ধ বললেন, না, গঙ্গাপদকে আমি সন্দেহ করতে পারি না। ওর যদি মতলব থাকত তা হলে যে-কোনওদিন আমার গবেষণাঘরের আলমারি খুলে কাগজপত্র নিয়ে হাওয়া হয়ে যেতে পারত। বাড়িতে তো তৃতীয় ব্যক্তি নেই।

    অর্জুন জবাব না দিয়ে বলল, চলুন, আপনার গবেষণার ঘরটা দেখে আসি।

    বৃদ্ধ অর্জুনকে নিয়ে সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠলেন। সিঁড়ির গায়ে জানলাটি এখন বন্ধ কিন্তু তার একটি শার্সি ভেঙে যাওয়ায় ফোকর হয়েছে। বৃদ্ধ সেটি দেখিয়ে বললেন, আমার সন্দেহ, এখান দিয়েই ওরাং ওটাংটা ঢুকেছিল।

    ও। এটাকে সারানো হয়নি কেন?

    গঙ্গাপদকে বলেছি মিস্ত্রি ডাকতে। সল্ট লেকে চাইলেই কাজের লোক পাওয়া যায় না। আগামী রবিবার আসবে। এইটুকু কাজের জন্যে পুরো দিনের চার্জ নেবে।

    গঙ্গাপদ ঢুকেছিল কোন পথে?

    প্রশ্ন শুনে বৃদ্ধ হকচকিয়ে গেলেন। তারপর বললেন, ও খিড়কি দরজা দিয়ে ঢুকে ভেতরে লুকিয়ে ছিল। বিকেলবেলায় খিড়কি দরজা খুলে আমি সার আর মেয়কে পটি করাতে বাইরে বেরিয়েছিলাম।

    একটা বাইরের লোক বাড়িতে ঢুকে লুকিয়ে আছে তা কুকুরদুটো বুঝতে পারেনি?

    একটু পরিবর্তন ঘটেছিল আচরণের, কিন্তু না ডাকলে কুকুরের মনের কথা কি বোঝা যায়? আসুন ভাই। বন্ধ দরজার তালা খুলে ভেতরে ঢুকলেন বৃদ্ধ। বললেন, আগে কখনও এ-ঘরের দরজায় তালা দিইনি, কিন্তু এখন দিচ্ছি।

    ঘরটি বড়। অজস্র যন্ত্রপাতি ছড়িয়ে আছে চারপাশে। ঠিক মাঝখানে বিদঘুটে দেখতে যে মেশিনটি, তার ওপরটা কাচ দিয়ে মোড়া, আবার নীচের দিকের একটা অংশ লোহার জালে ঢাকা। বৃদ্ধ বললেন, অনেক কষ্ট করে এই যন্ত্রটি তৈরি করেছি। এখন পর্যন্ত আকাশের শব্দগুলোর অনুরণন আমি শুনতে পাই। কখনও সখনও আকস্মিক ভয়ঙ্কর শব্দের হদিস আসে। ওরাং ওটাংটা এই যন্ত্রের ক্ষতি করেছিল কিন্তু আমি সেটাকে সামলে নিয়েছি। বৃদ্ধ সুইচ টিপতেই মাথার ওপর থেকে ছাদ সরে গিয়ে ঘরটি রোদুরে ভরে গেল। বৃদ্ধ বললেন, সমুদ্রের নীচে যে রহস্য রয়েছে, মাথার ওপরের আকাশে তার থেকে কয়েক সহস্র গুণ রহস্য এখনও অনাবিষ্কৃত। কিন্তু আমি একটি বিশেষ জায়গায় গিয়ে আটকে যাচ্ছি প্রতিবার। এবার এগোতে হলে যেসব যন্ত্রের সাহায্য দরকার তা সরকারি অনুদান ছাড়া আমার পক্ষে কেনা সম্ভব নয়। আমি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান কংগ্রেসের কাছেও আবেদন করেছি। আমার এক ইংরেজ বন্ধু এ ব্যাপারে চেষ্টা করছেন, দেখি কী হয়!

    অর্জুন ঘরের একপাশে দেওয়াল-ঘেঁষা আলমারির সামনে গিয়ে দাঁড়াল। সাধারণ আলমারি। তালা ভেঙে পাল্লা খুলতে কারও অসুবিধে হওয়ার কথা নয়। সে জিজ্ঞেস করল, আপনার গবেষণার কাগজপত্র এর মধ্যেই রয়েছে?

    হ্যাঁ।

    এর চেয়ে আর কোনও নিরাপদ জায়গা এবাড়িতে নেই?

    আছে। আমার শোয়ার ঘরে একটা লোহার সিন্দুক আছে। প্রতিদিন কাজের সময় প্রয়োজন হয় বলে কাগজপত্র ওখানে রেখেছি।

    কিন্তু আর রাখা উচিত হবে না। কাজ শেষ হয়ে গেলে ওগুলো লোহার সিন্দুকে চাবি দিয়ে রাখবেন। অর্জুন জানলার কাছে গিয়ে দাঁড়াল। সল্ট লেকের এই অঞ্চলে ড়ুয়ার্সের মতো লম্বা লম্বা দেবদারু গাছের ভিড় দেখা যাচ্ছে। চারপাশ বেশ সবুজ। হঠাৎ অর্জুনের মনে হল, রাস্তার উলটোদিকের দেবদারু গাছের ওপরের দিকের একটা ডাল যেন অস্বাভাবিকভাবে নড়ে উঠল। সে ভাল করে ঠাহর করতেই বানর জাতীয় কোনও প্রাণী চট করে পাতার আড়ালে হারিয়ে গেল। এত দ্রুত তার সরে যাওয়া যে, তার আদলও ভাল করে বোঝা গেল না। অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আপনাদের সল্ট লেকে বুঝি খুব বানর আছে?

    বৃদ্ধ বললেন, তাই নাকি? আমি দেখিনি তো?

    অর্জুন জানলা বন্ধ করে বলল, বানর না দেখতে পারেন, ওরাং ওটাং তো দেখেছেন?

    হোটেলে ফিরে গিয়ে অর্জুন জলপাইগুড়িতে টেলিফোন করল। মোটামুটি ঘটনাটা অমল সোমকে জানিয়ে দিল সে। অমল সোম বললেন, ওবাড়িতে যখন তৃতীয় ব্যক্তি নেই এবং যথেষ্ট জায়গা রয়েছে, তা হলে তুমি হোটেলে থাকছ কেন? তোমার ওখানেই থাকা উচিত।

    অর্জুন বলল, আমি নিজে থেকে বলতে পারিনি।

    উনি কি এখন টেলিফোন ধরছেন?

    আমি এব্যাপারে কিছু বলিনি।

    বেশ। তুমি আজই হোটেল থেকে কে আউট করে ওঁর বাড়িতে চলে যাও। গিয়ে বলবে আমি তোমাকে ওঁর বাড়িতে থাকতে বলেছি। প্রয়োজন মনে করলে উনি আমাকে টেলিফোন করতে পারেন। আমার নাম্বারটা দিয়ে দিয়ো ওঁকে।

    টেলিফোন রেখে অর্জুন একটু অখুশি হল। কারও বাড়িতে থাকার চেয়ে হোটেলে থাকার স্বাধীনতা অনেক। এই কেসের পাশাপাশি শহরটাকে ঘুরে দেখার সুযোগ পাওয়া যেত তা হলে। কিন্তু অমল সোম যখন বলছেন হোটেল ছেড়ে দিতে, তখন সেটা অমান্য করা সম্ভব নয়। বিকেলবেলায় সুটকেস নিয়ে সে চলে এল সল্ট লেকে।

    বাড়ির সদর দরজা বন্ধ। আজ সকালেও দেখেছে লেটার বক্সের গায়ে লেখা রয়েছে ডক্টর কে, পত্ৰনবীশ। অমল নোম যে খাম দিয়েছিলেন তার ওপরও লিখেছিলেন ডক্টর কে. পত্ৰনবীশ। এই কে. অক্ষরের মানে কী, জানা হয়নি।

    ভদ্রলোক এত প্রবীণ যে, নাম জিজ্ঞেস করতে কুণ্ঠা হয়েছিল।

    অর্জুনকে অমল সোম সল্ট লেকের বাড়িতে থাকতে বলেছেন শুনে বৃদ্ধ খুশি হলেন। তখনই টেলিফোন নাম্বার নিয়ে তিনি জলপাইগুড়িতে এস টি ডি করলেন। অর্জুন দেখতে পেল অমল সোমের সঙ্গে কথা বলার সময় বৃদ্ধের মুখে বেশ খুশি-খুশি ভাব ফুটে উঠল। রিসিভার রেখে বললেন, যাক, ভালই হল। সকালে আমি নিজেই একথা বলব ভাবছিলাম। তুমি বলছি, আঁ, তুমি এবাড়িতে থাকলে আমার ভরসা বাড়বে।

    কিন্তু আমি কতখানি উপযুক্ত তা আপনি জানেন না!

    জানার দরকার নেই আর। মিস্টার সোম যখন সার্টিফিকেট দিয়েছেন। হা, গঙ্গাপদকে বলছি দোতলার ঘরে তোমার জন্যে থাকার ব্যবস্থা করে দিতে। আমি পাশের ঘরে থাকব। আর হ্যাঁ, ইদানীং আমি, নিরামিষ খাই। কোনও কারণ নেই, শুধু মাছ মাংস ডিমে অরুচি এসেছে বলেই খাই না। তুমি চাইলে ওগুলো গঙ্গাপদ বেঁধে দিতে পারে। বৃদ্ধ হাসলেন।

    খাওয়ার ব্যাপারে আমার কোনও পছন্দ নেই। আচ্ছা, কিছু মনে করবেন।, আপনার নামের আদ্যক্ষরকে শব্দটা কী?।

    কে, ফর ক্ষেমঙ্কর। নামটা আগে কোথাও দেখেছ?

    আজ্ঞে হ্যাঁ। রবীন্দ্রনাথের মালিনী নাটকের অন্যতম প্রধান চরিত্র।

    গুড। বাঃ। তোমার সঙ্গে আমার জমবে হে। কথা বলে যদি রেসপন্স পাওয়া যায় তা হলে তার চেয়ে সুখের আর কিছু হয় না।

    সন্ধেবেলায় নিজের ঘরে বসে জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে ছিল অর্জুন। শিয়ালদার কাছে আজ যেটুকু সময় ছিল, শুধু শব্দই কানে এসেছে। অথচ এখানে কোনও আওয়াজ নেই। চারাগাছের বাংলাতে থাকলে চারপাশের নিস্তব্ধতা যেভাবে চেপে বসে, সল্ট লেকেও যেন তার আঁচ পাওয়া যাচ্ছে। একই শহরের দুটো আলাদা চরিত্রের কথা জলপাইগুড়িতে থাকার সময় অর্জুনের জানা ছিল না।

    দরজায় শব্দ হতে অর্জুন মুখ ফিরিয়ে দেখল গঙ্গাপদ ট্রে নিয়ে ঢুকছে। তাতে চায়ের কাপ আর প্লেটে কিছু খাবার রয়েছে। সামনের টেবিলে ট্রে নামিয়ে গঙ্গাপদ মাথা নিচু করে দাঁড়াল।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, কিছু বলবে?

    না, আজ্ঞে, আপনি বলেছিলেন পরে কথা বলবেন!

    অর্জুন চায়ের কাপ তুলল, তুমিই বলো।

    আমি কী বলব বাবু। আমার কপাল ভাল না হলে বুড়োবাবুর দেখা পেতাম। পেটের দায়ে যে কাজ করেছি তা তো নিজের মুখে বলা যায় না। বুড়োবাবু আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন।

    তাই? একাজ তো তুমি ইচ্ছে করলে আগেও জোগাড় করতে পারতে।

    সত্যি কথা বলব বাবু?

    বলো।

    আজকাল আমার বয়সী লোককে কেউ বাড়ির কাজে রাখে না। তা ছাড়া তখন মনে হত অন্যের বাড়িতে গোলামি করব না।

    সেটা তো এখন করছ।

    সেদিন ধরা পড়ার পর বুড়োবাবু যখন আমাকে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন না, উলটে এ বাড়িতেই কাজের সুযোগ দিলেন তখন আমার চক্ষু খুলে গেল। এখানে যাকে বলে গোলামি তা আমাকে করতে হয় না। বুড়োবাবু আমাকে ছেলের মতো দেখেন।

    কিন্তু তুমি এ বাড়িতে আসার পর থেকেই ডক্টর পত্ৰনবীশের দুশ্চিন্তা বেড়ে গেছে। তুমি নিশ্চয়ই জানো কিছু লোক ওঁর গবেষণার কাগজপত্র চুরি করতে চায়।

    আমি সবকিছু বুঝতে পারিনি। কিন্তু এবার থেকে কেউ যদি আসে তা হলে তাকে আর এ-বাড়ি থেকে ফিরে যেতে দেব না।

    তারাই যে তোমাকে এখানে পাঠায়নি তার প্রমাণ কী?

    হঠাৎ হাউমাউ করে কেঁদে উঠল গঙ্গাপদ। শব্দটা জোরে হওয়ায় নীচ থেকে মেয় তারস্বরে চেঁচাতে লাগল। কাঁদতে কাঁদতে গঙ্গাপদ জানাচ্ছিল সে এব্যাপারে বিন্দুবিসর্গ জানে না, তাকে কেউ এখানে পাঠায়নি। দরকার হলে থানায় গিয়েও সে এ কথা জানাতে রাজি আছে। অর্জুন তাকে শান্ত করার চেষ্টা করল। তার আশঙ্কা হচ্ছিল এখনই ডক্টর পত্ৰনবীশ এখানে হাজির হবেন। গঙ্গাপদ একটু শান্ত হলে অর্জুন জিজ্ঞেস করল, তোমার বুড়োবাবু এখন কোথায়?।

    ছাদের ঘরে কাজ করছেন।

    ঠিক আছে। আমি তোমার কথা বিশ্বাস করলাম।

    গঙ্গাপদ চোখ মুছল, তারপর ঘর থেকে বের হয়ে গেল। গঙ্গাপদকে দেখতে পেয়ে মেয় বোধ হয় শান্ত হয়েছে, কারণ তার চিৎকার আর শোনা যাচ্ছিল না।

    অর্জুন ভেবে পাচ্ছিল না কীভাবে এগনো যায়। ডক্টর পত্ৰনবীশের আশঙ্কা যদি সত্যি হয় তা হলে প্রতিপক্ষ নিজে যোগাযোগ না করলে অন্ধকারে ফুটবল-মাঠে আলপিন খোঁজার ব্যাপার হবে। সেই যোগাযোগ যতদিন না করে ততদিন চুপচাপ বসে থাকাও বেশ বিরক্তিকর। অর্জুন উঠে পড়ল। না বসে থেকে সল্ট লেকের সুন্দর রাস্তায় একটু হাঁটাহাঁটি করে এলে ক্ষতি নেই।

    গঙ্গাপদকে দরজা বন্ধ করতে বলে অর্জুন রাস্তায় পা রাখল। ছবির মতো দেখাচ্ছে আলোয়-আলোয় চারধার। বাড়িটার উলটো ফুটপাথে পৌঁছে সে দেখতে পেল ছাদের ঘরে আলো জ্বলছে। ডক্টর পত্ৰনবীশ ওখানে কাজ করছেন। ওই নিরীহদর্শন মানুষটিকে দেখে কে ভাববে এই বাড়িতে বসে তিনি কী বিরাট আবিষ্কারের নেশায় নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। অর্জুন দুপাশে তাকাল। বেশিরভাগ বাড়ির দরজা-জানলা বন্ধ। রাস্তায় লোকজনও খুবই কম। অর্থাৎ এখানে যে যার মতো থাকেন।

    খানিকটা এগিয়ে মোড় নিতেই সে কিছু সাজানো দোকানপাট দেখতে পেল। ওষুধের দোকানটায় বেশ ভিড়। আইসক্রিম পালার এবং সিগারেটের দোকানও রয়েছে। অর্জুন আর একটু এগোতেই একটা পার্ক দেখতে পেয়ে ঢুকে পড়ল। সন্ধে পেরিয়ে যাওয়ায় সম্ভবত পার্কে বাচ্চারা নেই। বড়দেরও দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। একটা খালি বেঞ্চিতে আরাম করে বসে সিগারেট ধরাল অর্জুন। এখন সারাদিনে গোটা দুয়েক সিগারেট খায় সে। সিগারেট শরীরের ক্ষতি করে জেনেও খায় বলে আজকাল অপরাধবোধ কাজ করে। কিন্তু খুব বিরক্তিকর সময়ে অথবা প্রচণ্ড টেনশনে সিগারেট ধরালে মস্তিষ্ক সাফ হয়ে যায় তার। এটা অবশ্য কখনও সিগারেটের সপক্ষে বিজ্ঞাপন নয়, তবু-।

    হঠাৎ অর্জুনের নজরে পড়ল কেউ একজন অন্ধকারে মাটিতে উবু হয়ে বসে কিছু করছে। লোকটার বসার ভঙ্গি বলে দিচ্ছে যে স্বস্তিতে নেই। একটু লক্ষ করে অর্জুন অনুমান করল লোকটা কিছু খুঁজছে। ওই অন্ধকার মাঠে পকেট থেকে কিছু পড়ে গেলে বেচারা কী করবে? একসময় লোকটা উঠে দাঁড়াল। চারপাশে তাকাল। তারপর গেটের দিকে এগিয়ে এল। ওকে যেতে হবে অর্জুনের বেঞ্চির পাশ ঘেঁষে। লোকটার একটা হাতের মুঠো যেন ইচ্ছে করেই আড়ালে রাখা। অর্জুন বেঞ্চিতে বসেই জিজ্ঞেস করল, পেলেন?

    লোকটা হকচকিয়ে গেল, আঁ?

    যা খুঁজছিলেন তা পেয়েছেন?

    ও হা। পেয়েছি। ফ্ল্যাটবাড়িতে থাকি, আশেপাশে তো শুধু বালি। এই পার্কে বালির ওপর মাটি ফেলা হয়েছিল বলে দুব্বো গজিয়েছে।

    দুব্বো? মানে দূর্বাঘাস?

    হ্যাঁ। লোকটা হাসল।

    আপনি এতক্ষণ ঘাস খুঁজছিলেন? আমি ভাবলাম কী না কী? অর্জুন উঠে পাশে এসে দাঁড়াল, পুজোআচ্চা আছে বুঝি?

    আরে না, না। ওসব কিছু নয়। অন্য কারণ—! আচ্ছা! লোকটা আর না দাঁড়িয়ে হাঁটতে লাগল। এই ভঙ্গিটা খারাপ লাগল অর্জুনের। সে পার্কের বাইরে এসে দেখল লোকটা দ্রুত হেঁটে যাচ্ছে এবং চলার সময় বারংবার আইনে বাঁয়ে তাকাচ্ছে। কোনও গোপন অপরাধ করলে মানুষ ওই ভঙ্গিতে হাঁটে। হাতে কোনও কাজ নেই, অর্জুন লোকটাকে অনুসরণ করল। বড় রাস্তা ছেড়ে লোকটা পাশের গলিতে ঢোকার সময় মুখ ফিরিয়ে পেছনে তাকাতেই অর্জুনকে দেখতে পেল। যদিও দূরত্ব অনেক তবু না দেখতে পাওয়ার কিছু নেই। দেখামাত্র লোকটা দ্রুত পা চালাল। অর্জুনের সন্দেহ আরও বাড়তে সে ব্যবধান কমাতে চেষ্টা করল। এবার লোকটা হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ল।

    কাছাকাছি পৌঁছে অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আপনার কী হয়েছে বলুন তো?

    আমার আবার কী হবে? আপনি কেন পেছন-পেছন আসছেন?

    আপনি যেভাবে দৌড়চ্ছেন তাতে মনে হচ্ছে কিছু লুকোচ্ছেন?

    বেশ, যদি লুকিয়েও থাকি সেটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আপনার কী?

    আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি। অর্জুন হাসল।

    দেখুন মশাই, আমার কোনও সাহায্যের দরকার নেই। আমি কিছু লুকোচ্ছি। আমার এই দুব্বো দরকার ছিল। বাড়ির কোনও পোষা জীবজন্তু অসুস্থ হলে তাকে দুব্বো খাওয়ালে ভাল কাজ দেয়। আচ্ছা ঝামেলা! বেড়ালকে অসুস্থ হলে দুব্বো খেতে দ্যাখেননি? এবার কেটে পড়ন। লোকটার মুখচোখ শক্ত হয়ে গেল।

    অর্জুন হেসে ফেলল। একটা সামান্য ব্যাপার নিয়ে বেশ নাটক করা গেল। এতে সন্ধেটা মন্দ অটল না। সে পেছন ফিরে কয়েক পা যেতেই ফুচকাওয়ালাকে দেখতে পেল। মোড়ের একপাশে আলো জ্বেলে ফুচকা সাজিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার সামনে এক বৃদ্ধ পাতায় দেওয়া ফুচকা গালে পুরছেন একটার পর একটা। তাকে দাঁড়াতে দেখে ফুচকাওয়ালা বলল, দেব বাবু? টাকায় দুটো। ফাস্ট ক্লাস জিনিস। এই বুড়োবাবুকে জিজ্ঞেস করুন। রোজ এই সময় উনি পাঁচ টাকার ফুচকা খান।

    খাই কি সাধে? ডাক্তারের নিষেধে বাড়িতে সেদ্ধ ছাড়া সব নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছে। নইলে এ-জিনিস মুখে তুলতাম না আগের দিনে। বেশিদূর হাঁটতেও পারি না যে, কোনও রেস্তরাঁতে বসে খাব। এ-পাড়ায় মনে হচ্ছে নতুন। বৃদ্ধ খাদ্যবস্তু গলা দিয়ে নামিয়ে জিজ্ঞেস করলেন। কাছে এসে দেখলেই বোঝা যায় ভদ্রলোক মোটেই সুস্থ নন।

    আমি আজই এসেছি। ডক্টর পত্ৰনবীশের বাড়িতে উঠেছি।

    সে আবার কে? এ-পাড়ায় তো ওনামের কেউ নেই। আমি এই ব্লকের প্রেসিডেন্ট, আমার অজানা কেউ তো এখানে নেই।

    আজ্ঞে, উনি এ-পাড়ায় থাকেন না।

    অ। তাই বলো। তা ফোটোগ্রাফারের সঙ্গে কী কথা হচ্ছিল?

    ফোটোগ্রাফার?

    আঃ। যার সঙ্গে এইমাত্র কথা বললে?

    উনি পার্ক থেকে দূর্বাঘাস নিয়ে এলেন। ওঁর কোনও পোষা প্রাণী অসুস্থ। দূর্বাঘাস খেলে সেটা বোধ হয় সুস্থ হয়ে যায়।

    কী যা-তা বলছ। তা হলে তো পৃথিবীর সব প্রাণী ওষুধপত্র ছেড়ে দূর্বাঘাস খেত। পশু চিকিৎসকদের ব্যবসা লাটে উঠে যেত। তা ছাড়া ফোটোগ্রাফারের বাড়িতে কোনও পোষা প্রাণী আছে বলে তো শুনিনি।

    ভদ্রলোককে আপনি চেনেন?

    বিলক্ষণ। ও যে বাড়িতে আছে সেটা ছিল ডক্টর হালদারের। ওঁর ছেলেমেয়ে দুটোই আমেরিকায় থাকে। বছরখানেক হল ডক্টর মারা গিয়েছে। মা এখানে একা কী করে থাকবে তাই ছেলে এসে নিয়ে গেছে নিজের কাছে। মাসদেড়েক আগে মেয়ে আবার এসেছিল। দুদিন থেকে চলে যাওয়ার সময় ওই ফোটোগ্রাফারকে বসিয়ে গেল কেয়ারটেকার হিসেবে। গোপনে ভাড়া নেয় কিনা জানি না। তবে ফোটোগ্রাফার একাই থাকে। একদিন আলাপ করেছিলাম। বিয়ে-থা করেনি। বিদেশে ছিল বলে বাড়ির সব কাজ নিজের হাতে করে। কাজের লোক রাখেনি। বৃদ্ধ বললেন, অ্যাই, আমার ফাউটা দে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }