Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০১. হাতে কোনও কাজ না থাকলে

    হাতে কোনও কাজ না থাকলে অমল সোমের বাড়িতে আড্ডা মারার সুযোগ হয়। আর এই সুযোগ মানে অনেক কিছু অজানা তথ্য জেনে নেওয়া। কিন্তু অমল সোম এখন জলপাইগুড়িতে নেই। তিনি আজকাল মাঝে-মাঝেই উধাও হয়ে যান। সত্যসন্ধানে তাঁর তেমন আগ্রহ নেই। এইরকম সময় অর্জুনের খুব খারাপ কাটে। মা এককালে বলতেন, ওসব শখের গোয়েন্দাগিরি ছেড়ে চাকরিবাকরির চেষ্টা কর। এখন তো তোর সঙ্গে কত বড় বড় লোকের জানাশোনা হয়েছে। এস পি রায়ের ছেলে এ পি রায় তোকে তো খুব পছন্দ করে। ওকে গিয়ে কল, চা-বাগানে চাকরি দিতে। কথাগুলো অর্জুনের কানে ঢোকেনি। বাঁধাধরা চাকরি করা তার পোষাবে না। মাঝেমধ্যে সে যেসব কেস পেয়েছে তার দক্ষিণায় মোটামুটি চলছে। জলপাইগুড়ি বলে সত্যসন্ধানের কাজ বেশি পাওয়া যায় না। যদি সে কলকাতায় থাকত তা হলে অন্য চিন্তা করতে নিশ্চয়ই মা বলতেন না।

    অমল সোম না থাকলে রোজ একবার ওঁর বাড়িতে যায় অর্জুন। অমল সোমের পরিচারক বোকালা হাবু তাকে দেখতে পেয়ে খুশি হয়। আজ সকালে নিজের লাল বাইকে চেপে অর্জুন হাকিমপাড়ায় গেল। অমল সোমের বাড়ি বাগানের গেটের পাশে দুজন বসে আছে। একজন তো হাবু, অন্যজন কালো পোশক পরা দাড়িওয়ালা এক প্রৌঢ়। দাড়িতে সাদা ছোপ লেগেছে। দাড়িওয়ালা একনাগাড়ে বলে যাচ্ছিল আর হাবু মাথা নেড়ে যাচ্ছে সমানে। অর্জুনের হাসি পেল। ইশারা ছাড়া যে কোনও কথা শুনতে পায় না বলেই বোঝে না সেই হাবু ওভাবে মাথা নাড়ছে কেন? বাইকের আওয়াজও হাবু শুনতে পেল না, দাড়িওয়ালা কথা বন্ধ করে তার দিকে মুখ ঘোরায়। এবার হাবু তাকে দেখতে পেয়েই তড়াং করে উঠে দাঁড়িয়ে আঁ-আঁ শব্দ তুলে ইশারায় বোঝাবার চেষ্টা করতে লাগল কিছু।

    বাইক থেকে নেমে অর্জুন দাড়িওয়ালাকে জিজ্ঞেস করল, কী ব্যাপার?

    দাড়িওয়ালা বলল, ব্যাপারটা কী তা জানতে-জানতে জীবন কেটে যায় কিন্তু জানা হয় কই? আচ্ছা বলুন তো, আমার বাপ-ঠাকুদা, তাঁর বাবা কেন জন্মেছিলেন?

    অর্জুন বলল, তাঁরা না জন্মগ্রহণ করলে আপনি এখানে বসে থাকতে পারতেন না, তাই। হাবুকে কী বোঝাচ্ছিলেন?

    বেচার খুব ভয় পাচ্ছে একা থাকে বলে। আমি বললাম তোর কোনও ভয় নেই! তবে ওকে তিনটে জিনিস জোগাড় করতে হবে।

    কীরকম?

    একটা কালো বেড়াল যার চোখ অন্ধকারে জ্বলে। দু নম্বর হল, একটা কানা কাক। জন্ম থেকেই তাকে কানা হতে হবে, কেউ ঢিল ছুড়ে কানা করে দিলে চলবে না। তিন নম্বর হল, একটা খোঁড়া শকুন। ওই একই ব্যাপার, জন্ম থেকেই খোঁড়া হতে হবে। এই তিনরকম প্রাণী জোগাড় করলে ওর কোনও ভয় থাকবে না আর।

    অর্জুনের হাসি পাচ্ছিল। মানুষের বিশ্বাস অন্ধ হলে সে কী না ভাবতে পারে। তবে ওই তিন পশু ও পাখির নির্বাচনে বুদ্ধির ছাপ আছে। কালো বেড়াল, কানা কাক আর খোঁড়া শকুনের কথা শুনলে বেশ ছমছমে পরিবেশ তৈরি হয়।

    এদের দিয়ে কী হবে? অর্জুন জিজ্ঞেস করল।

    আমরা যা দেখতে পাই না এরা তা দেখতে পায়। এই যে আমাদের চারপাশে অজস্র আত্মা ঘুরে বেড়াচ্ছে আপনি তাদের দেখতে পাচ্ছেন?

    না থাকলে কী করে দেখতে পাব?

    লোকটি উঠে দাঁড়াল, অর্জুন দেখল ওর কাঁধে একটা বড়সড় ঝোলা রয়েছে। লোকটি শান্তমুখে জিজ্ঞেস করল, আপনাকে একটা প্রশ্ন করব বাবু?

    নিশ্চয়ই।

    আপনার মা বাবা বেঁচে আছেন? মা আছেন। বাবা নেই।

    ও। তা তিনি যখন গত হয়েছিলেন তখন তাঁর শ্রাদ্ধ হয়েছিল?

    হ্যাঁ।

    তা হলে? শ্রাদ্ধ কেন করা হয়? মৃত মানুষের আত্মাকে মুক্তি দিতে। ওই যে পিণ্ডদান করা হয় তা তো আত্মার উদ্দেশেই। তাতেও যাদের মন ভরে না তারা গয়ায় গিয়ে পিণ্ডদান করে। এর পর আপনি বলবেন আপনার বাবার আত্মা ছিল না, সবাই মিছিমিছি শ্রাদ্ধ করেছে?

    অর্জুন ভাল করে দেখল। লোকটি অবশ্যই বুদ্ধিমান। কিন্তু কী উদ্দেশ্যে ও হাবুর মাথা খাওয়ার চেষ্টা করছে তা ধরা যাচ্ছে না। লোকটি বলল, চুপ করে থাকবেন না, জবাব দিন বাবু।

    এটা হিন্দুদের প্রচলিত বিশ্বাস। কোনও প্রমাণ নেই। যেহেতু যুগ যুগ ধরে করে আসা হচ্ছে তাই সবাই করে।

    যার পেছনে কোনও যুক্তি নেই তা যুগ-যুগ ধরে চলতে পারে না বাবু। আত্মা নেই একথা আপনি প্রমাণ করতে পারবেন না বলেই ব্যাপারটা মেনে নিচ্ছেন। তা যা বলছিলাম, সেই তেনাদের ওই বেড়াল, কাক আর শকুন

    দেখতে পায়।

    চমৎকার!

    আপনার বিশ্বাস হচ্ছে না?

    কালো বেড়াল প্রচুর দেখা যায়, বাকি দুটো পাখির খবর আপনি জানেন?

    অবশ্যই। সেনপাড়ায় বলাই মিত্তিরমশাইকে আপনি চেনেন? ব্যবসা করতেন। তিন বছর হল গত হয়েছেন। শ্রদ্ধশান্তি হয়েছে, গয়ায় গিয়ে পিণ্ডি দিয়ে আসা হয়েছে, কিন্তু তবু তাঁর আত্মার শান্তি হয়নি। ও বাড়ি ছেড়ে তিনি কিছুতেই যাচ্ছেন না। শেষপর্যন্ত আমার কথায় মিত্তিরমশাই-এর ছেলে ওই তিনটে প্রাণীকে জোগাড় করেছেন আজ। আমি সেই উদ্দেশ্যেই এসেছিলাম। আগে এসে পড়েছি বলে ভাবলাম, যাই, একবার বড়বাবুর সঙ্গে দেখা করে আসি। লোকটি হাবুর দিকে তাকিয়ে বলল, চলি ভাই, যা বললাম খেয়াল রেখো। দ্যাখো, ভয় করলেই ভয়, নইলে কিছুই নয়।

    কথাগুলো বলে লোকটি অমল সোমের বাড়ির দিকে তাকাল। তারপর গেট খুলে কয়েক পা হেঁটে একটা টগর গাছের পাশে দাঁড়িয়ে সেখানকার মাটিকে প্রণাম করল। অর্জুন দেখল লোকটার দেখাদেখি হাবুও সেই জায়গাটার মাটিকে প্রণাম করল। এবার লোকটি প্রসন্ন মুখে হাঁটা শুরু করতেই অর্জুন বলল, আচ্ছা, এইসব বিশ্বাস নিয়ে আপনারা একটা আলাদা জগৎ তৈরি করে বেশ আছেন, না?

    লোকটি বলল, তা আসুন না আজ।

    কোথায়?।

    ওই যে, যেখানে আমি যাচ্ছি। সেনপাড়ার মিত্তিরমশাইয়ের বাড়িতে। নিজের চোখে সব দেখেশুনে নেবেন। বড়বাবু শুনলে বলবে, ঠিক করেছ গোরক্ষনাথ। চলি।

    গোরক্ষনাথ! যে নাম রেখেছিল তার তারিফ না করে পারল না অর্জুন। এদের কী করে বোঝানো যাবে যে, এইসব কুসংস্কার দূর করা দরকার। এখন একটু একটু করে শ্রাদ্ধের প্রচলিত অনুষ্ঠান উঠে যাচ্ছে। মৃতের আত্মীয়বন্ধুরা সেই দিনে একত্রিত হয়ে তাঁর আত্মার শান্তি প্রার্থনা করেন, তাঁর প্রিয় গান গাওয়া হয়।

    অর্জুন দেখল বাগানে হাবু কেমন জবুথবু হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। হাবুর গায়ে যে শক্তি আছে তার ব্যবহার ও যদি ঠিকঠাক করতে পারে তা হলে কোনও কিছুতেই ভয় পাওয়া ওর উচিত নয়। সেই হাবু ভয় পেয়েছে কেন? সে সামনে গিয়ে ইশারা করে জিজ্ঞেস করল, কী হয়েছে? হাবু মাথা নেড়ে বোঝাল তার কিছু হয়নি। অর্জুন ইশারায় বোঝাল ওই লোকটাকে বাড়িতে ঢুকতে না দিতে। হাবু একটু ভাবল, তারপর আঙুল তুলে টগর গাছের পাশের মাটি দেখাল। অর্জুনের মনে পড়ল ওই জায়গাটার দিকে তাকিয়ে লোকটা প্রণাম করেছে, দেখাদেখি হাবুও। কিন্তু ঘাসমাটি ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ছে না। লোকটা বড়বাবু বলল কাকে? অমলদাকে? প্রশ্নটা হাবুকে করতেই সে ঘাড় নেড়ে হ্যাঁ বলল। অর্জুন বেশ অবাক হল। তার পক্ষে অমল সোম বাড়িতে থাকলে কে আসছে না আসছে তা জানা সম্ভব নয়, যদি অমলদা না বলেন। এ লোকটার কথা সে কখনও শোনেনি। ইদানীং অমল সোম একটু অন্যরকম হয়ে গিয়েছেন। ইদানীং বলা ভুল হল, কয়েক বছর ধরে তিনি সত্যসন্ধানের কাজ আর করেন না। সারাক্ষণ হয় বই পড়েন, নয় চুপচাপ ভাবেন। আবার হঠাৎ-হঠাৎ উধাও হয়ে যান হাবুর ওপর বাড়ি ছেড়ে দিয়ে। কিন্তু চিরকাল যে মানুষ বিজ্ঞানের সপক্ষে কথা বলে এলেন, তাঁর পক্ষে এই লোকটাকে কী করে মেনে নেওয়া সম্ভব? অর্জুনের মনে পড়ল, অমলদার শেলফে বেশ কিছু পরলোক-সংক্রান্ত বই সে দেখেছে।

    অর্জুন এগিয়ে গিয়ে হাবুর দেখানো মাটিতে পা রাখতেই হাবু দ্রুত তাকে টেনে সরিয়ে দিল। তারপর চোখ পাকিয়ে রাগত ভঙ্গিতে ওরকম করতে নিষেধ করল। অর্জুন খুব অবাক হয়ে গেল। এরকম আচরণ হাবু কখনও তার সঙ্গে করেনি। এখন ওকে দেখে মনে হচ্ছে প্রয়োজন হলে শক্তিপ্রয়োগ করতে ও দ্বিধা কবে না। ব্যাপারটা বিশ্বাস করতেই কষ্ট হচ্ছিল অর্জুনের। সে খুব বিমর্ষ ভঙ্গিতে ঘুরে দাঁড়াল। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে হাবু শান্ত হয়ে গেল। তারপর মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল। অর্জুনের মনে হল ওখানকার জমি ভাল করে দেখা দরকার।

    সে ইশারা করে হাবুকে ডাকতেই হাবু মাথা নিচু করেই এগিয়ে এল। পকেট থেকে টাকা বের করে অর্জুন হাবুকে দিয়ে ইশারায় বলল সিগারেট কিনে আনতে। এই কাজটা হবু এর আগেও করেছে। কোন ব্র্যান্ড, তাও জানে। টাকা নিয়ে সে বেরিয়ে গেল। দোকান থেকে ফিরে আসতে হবুর মিনিট দশেক লাগবে। অর্জুন দ্রুত বাগানের এককোণে রাখা কোদাল নিয়ে এসে জায়গাটা খুঁড়তে লাগল। সামান্য গর্ত খুঁড়তেই খট করে শব্দ হল। হাত ঢুকিয়ে জিনিসটাকে বের করল অর্জুন। একটা আট ইঞ্চি চওড়া স্টিলের বাক্স। বাক্সর ঢাকনা খুলতেই একটা লকেট দেখতে পেল সে। চেন ছাড়া লকেটটি চকচক করছে। একটা কালো সাপ কুণ্ডলী পাকিয়ে লকেটের চেহারা নিয়েছে। মুখটা সামান্য উচুতে, ফণা তোলা। খুব হালকা গালা বা ওই জাতীয় পদার্থে লকেটটা তৈরি।

    অর্জুন দ্রুত বাক্সটাকে পুঁতে ফেলে মাটি চাপা দিল। কোদাল সরিয়ে রেখে চেষ্টা করল যতটা সম্ভব মাটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে। কিন্তু সেটা সম্ভব হচ্ছিল না কিছুতেই। টগর গাছ থেকে পাতা ছিঁড়ে খোঁড়া জায়গাটার ওপর ছড়িয়ে দিয়ে সে গেটের পাশে চলে এল লকেটটাকে হাতে নিয়ে।

    এই সময় টিপটিপ বৃষ্টি শুরু হল।

    জলপাইগুড়িতে এ-সময় একবার বৃষ্টি নামলে আর রক্ষে নেই। অর্জুন দেখল হাবু দৌড়ে আসছে। সিগারেটের প্যাকেট হাতে নিয়ে রেখে দিতে ইশারা করতে হবু দৌড়ে চলে গেল বাগান পেরিয়ে বারান্দায়, বৃষ্টির ছাঁট থেকে বাঁচতে। অর্জুন তাকে ইশারা করে বাইকে উঠে বসল। তার মনে হচ্ছিল বৃষ্টি আরও জোরে নামলে বাঁচা যায়। হাবুর পক্ষে বোঝা সম্ভব হবে না মাটিটা খোঁড়া হয়েছিল।

    বাড়িতে এসে জামাপ্যান্ট ছেড়ে অর্জুন লকেটটাকে নিয়ে বসল। যিনি বানিয়েছেন তাঁকে শিল্পী হিসেবে উচুদরের বলতেই হবে। নিটোল সাপ। কালনাগিনী? এমনকী চোখ দুটো ভীষণ রকমের জীবন্ত। এখন কথা হল, এই সাপের লকেটকে কেন টগর গাছের নীচে পুঁতে রাখা হয়েছে? লোকটা এবং হাবু যখন প্রণাম করেছে তখন ওরা এর অস্তিত্ব জানে। লকেট রাখা ছিল স্টিলের বাক্সে, যাতে জল-মাটি এর কোথাও ক্ষতি করতে না পারে। অমলদা কি জানেন? অর্জুনের বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করছিল না অমল সোম এরকম অবৈজ্ঞানিক কাজকে প্রশ্রয় দেবেন? এটাকে মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছে কেন? কোথায় যেন পড়েছিল অর্জুন, তান্ত্রিকরা মন্ত্রপূত লোহার সাপ মাটিতে পুঁতে দেয়, যাতে গৃহস্থের বাড়িতে অকল্যাণ প্রবেশ করতে না পারে। অসম্ভব। অমলদা এটা কিছুতেই করতে পারেন না। নিশ্চয়ই ওই লোকটা হাবুকে ম্যানেজ করে এ করেছে।

    টেবিলের ওপর লকেটটা রাখতেই মা ঘরে ঢুকলেন, ্যাঁ রে, শুনেছিস, সেনপাড়ার এক বাড়িতে খুব ভূতের উপদ্রব হয়েছে।

    অর্জুন হে-হো করে হাসল, মা! তুমিও?

    না রে! সবাই বলছে। তোর খোঁজে সুধাদি এসেছিলেন। উনিও গিয়েছেন দেখতে।

    সুধামাসি গিয়েছেন ভূত দেখতে?

    যে বাড়িতে উপদ্রব হচ্ছে সেই বাড়ির লোকদের তিনি চেনেন।

    তা হলে ভূতকেও চিনতে পারবেন।

    ইয়ার্কি মারিস না। সুধাদি বলছিলেন তোর সঙ্গে জরুরি দরকার আছে। এই, এটা কী? মা এগিয়ে এলেন টেবিলের কাছে।

    লকেট।

    কী ভয়ঙ্কর লকেট! কোথায় পেলি?

    ভয়ঙ্কর কেন?

    জানি না। দেখেই কেমন গা ছমছম করছে। ফেলে দে, ফেলে দে। ওরকম অমঙ্গল জিনিস বাড়িতে রাখিস না।

    সুন্দর সাপের মূর্তি, অমঙ্গল বলছ কেন?

    না বাবা, চোখ দুটো দ্যাখ, গিলে খাবে। কিনেছিস?

    নাঃ। পেলাম।

    দূর করে দে। চলে যাওয়ার আগে মা বললেন, সুধাদির সঙ্গে দেখা করিস।

    সঙ্গে-সঙ্গে অর্জুনের মনে হল এখনই সেনপাড়ার বলাই মিত্তিরের বাড়িতে গেলে হয়! সুধামাসির সঙ্গে দেখা হয়ে যাবে, সেইসঙ্গে গোরক্ষনাথের ভেলকিও।

    সুধামাসি মায়ের বন্ধু। জলপাইগুড়ির অভিজাত পরিবারের বউ। ওঁর একমাত্র মেয়ে এখন আমেরিকায়। স্বামী মারা গিয়েছেন কয়েক বছর আগে। এখানে তিনি একাই থাকেন। সুধামাসি বই পড়তে খুব ভালবাসেন। মায়ের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল বাবুপাড়া পাঠাগারে। মাকে উনি বলেন অর্জুনকে ওর মতো থাকতে দিতে। বলেছিলেন, সবাই তে চাকরি করে কিন্তু কেউ-কেউ সত্যসন্ধানী হয়। সেটা শোনার পর থেকে ভদ্রমহিলাকে শ্রদ্ধা করে এসেছে অর্জুন।

    বাড়ির সামনে পৌঁছে অর্জুন বুঝল জলপাইগুড়ি শহরের অনেকেই খবর জেনে গেছেন। শপাঁচেক লোকের ভিড় জমেছে বাড়ির সামনে। উলটোদিকে কিছু ছেলে চিৎকার করে বলছে, ভূত বলে কিছু নেই! এসব বুজরুকি, আপনারা বিশ্বাস করবেন না।

    থানার সেকেন্ড অফিসার তাঁর বাহিনী নিয়ে এসে ভিড় সামলাচ্ছেন। অর্জুনকে দেখে বললেন, এখানে কীসের সন্ধানে? ভেতরে যাবেন? যান।

    বাড়ির ভেতরেও লোজন কম নেই। তবে তাঁরা আত্মীয়বন্ধুজন। অর্জুন দেখল শ্রাবাড়িতে যেমন আয়োজন হয় তেমনই ব্যবস্থা হয়েছে। একজন প্রবীণা মহিলা আসনে বসে আছেন মাথায় ঘোমটা দিয়ে। তাঁর সামনে নিলডাউন হয়ে গোরক্ষনাথ বিড়বিড় করে যাচ্ছে। একসময় গলা খুলল সে, বাবু, আপনি তো মানুষ ভাল ছিলেন। তা হলে এরকম করছেন কেন? গিন্নিমা যে কষ্ট পাচ্ছেন বুঝতে পারছেন না? আমি আপনাকে বলছি পিণ্ড গ্রহণ করে এখান থেকে চলে যান। আপনি হ্যাঁ বলুন। ওই ডালটাকে সরিয়ে দিন। ও, দেবেন না? বেশ। তবে মনে রাখবেন, খারাপ হতে চাইলে আমার চেয়ে খারাপ কেউ হবে না। যাই কে আছিস? নিয়ে আয় ওদের।

    বলমাত্র একজন প্রৌঢ় এবং একজন যুবক তিনটে খাঁচা নিয়ে এল। অর্জুন বাড়ির ভেতরে যমন আয়োজ-মাথায় ঘোম দেখল খাঁচা তিনটেতে বসে আছে কালো বেড়াল, কানা কাক আর খোঁড়া শকুন। গোরক্ষনাথ বলল, গিন্নিমা, আপনি বিশ্রামে যান। সন্ধে না হলে কাজ শুরু করা যাবে না। ততক্ষণ এরা পাহারায় থাকুক।

    বৃদ্ধা উঠে ভেতরে চলে যেতেই অর্জুন দেখল সুধামাসি এগিয়ে আসছেন ওর দিকে। সে জিজ্ঞেস করল, কী ব্যাপার সুধামাসি?

    সুধামাসি বললেন, এই, তুই আমাকে আমেরিকায় নিয়ে যাবি?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }