Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. জলপাইগুড়ির রাজবাড়ির পাশ দিয়ে

    জলপাইগুড়ির রাজবাড়ির পাশ দিয়ে গোরক্ষনাথের দেখানো পথ ধরে এগিয়ে পিচের রাস্তা ছেড়ে প্রায় মেঠো পথে বাইক নামাল অর্জুন। কিছু গাছগাছালি রয়েছে, টিনের বাড়িটা ভাঙাচোরা, অনেককাল হাত পড়েনি।

    বাইক থেকে নেমে অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে গোরক্ষনাথ বলল, পেটের ব্যবস্থা করতে হিমশিম খাই, বাড়িটা যে পড়ে যায়নি এই ঢের। আসুন, আসুন।

    ভাঙা টিনের দরজা খুলে গোরক্ষনাথ অর্জুনের সঙ্গে একচিলতে উঠোনে ঢুকল। উঠোনের একপাশে একটা পিড়িতে যে মহিলা বসে আছেন তাঁর বয়স অনুমান করা মুশকিল। মাথায় শনের মতো সাদা কিছু চুল, মুখের চামড়ায় মোটা মোটা ভাঁজ। ওদের দেখে চোখ ঘুরিয়ে তাকালেন তিনি।

    বেড়ালটাকে মাছ দিয়েছ? গোরক্ষনাথ জিজ্ঞেস করল।

    দিয়েছি। খায়নি ওটা। বিদায় কর, বিদায় কর গোরক্ষ।

    গোরক্ষনাথ অর্জুনের দিকে তাকাল, এই হয়েছে বিপদ। বড়লোকের বাড়িতে দামি মাছ খেয়ে খেয়ে ব্যাটা এমন মুখ করেছে, শস্তার মাছে মন ভরছে না। খাবে, খিদে যখন ছোবল মারবে তখন ওই মাছ গিলতে হবে ব্যাটাকে।

    এই সময় বুড়ি চিৎকার করে উঠল, ওটা কী? অ্যাাঁ, ওটা কী?

    গোরক্ষনাথ পাখিসুষ্ঠু হাতটা ওপরে তুলল, শকুন। খোঁড়া শকুন।

    ছ্যা ছ্যা ছ্যা। যত অমঙ্গল বাড়িতে ঢোকাচ্ছে। আমি থাকব না, এখানে আর কিছুতেই থাকব না। কালো বেড়াল, খোঁড়া শকুন। বুড়ি সমানে চেঁচিয়ে যেতে লাগল।

    গোরক্ষনাথ একটা বড় খাঁচা বের করল। তারপর শকুনের একটা পা থেকে দড়ি খুলে মাটিতে রাখতেই সেটা টলতে টলতে উঠে দাঁড়াল। দড়ির অন্য প্রান্ত একটা গাছের ডালে বেঁধে বলল, এটার ব্যবস্থা হয়ে গেল।

    উঠোনের ওপাশে একটা ছোট্ট ঘরের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে চিৎকার করল গোরক্ষনাথ, এ কী, তুমি গোটাকয়েক মাছ খেয়েছ বলে মনে হচ্ছে? অর্জুন দেখল, বুড়ি মুখ বন্ধ করে মাথা দোলাল অস্বীকারের ভঙ্গিতে।

    গোরক্ষনাথ রান্নাকরা দুটো ছোট মাছ নিয়ে বাইরে এসে শকুনটার সামনে ফেলে দিতেই পাখিটা মুখ ঘুরিয়ে দেখল। ওর মুখ এখনও বাঁধা, গোরক্ষনাথ বাঁধন খুলে দিতেই বোঝা গেল শকুনটা অত্যন্ত ক্ষুধার্ত। নিমেষেই মাছ দুটোকে গলায় পুরে দিল পাখিটা। এবার খাঁচাটাকে নিয়ে বড় ঘরটার ভেতর ঢুকল গোরক্ষনাথ। অর্জুন লক্ষ করল ঘরটির দরজা-জানলা ভাল করে বন্ধ করে রাখা আছে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই গোরক্ষনাথ বেরিয়ে এল। ওর হাতের খাঁচার ভেতর একটা কালো বেড়াল বসে আছে। এমন গাঢ় কালো রঙের বেড়াল কখনও দেখেনি অর্জুন। সে এগিয়ে গেল। এবং তখনই নজরে পড়ল বেড়ালের গলায় একটা কালো কাপড়ের বেল্ট লাগানো রয়েছে। লোমের রঙের সঙ্গে মিশে থাকায় দূর থেকে আলাদা করে বোঝা যায়নি। বেড়ালটা চোখ বন্ধ করে আছে, সম্ভবত অনেকক্ষণ অন্ধকারে থাকায় বাইরের আলো সহ্য করতে পারছে না। অর্জুন জিজ্ঞেস করল, এই সেই বেড়াল?

    হ্যাঁ বাবু। ওই বুড়িকে জিজ্ঞেস করে, দেখুন। সন্দীপবাবু গতকালই এটাকে আমার হাতে দিয়ে গেছেন। ভীষণ বদমাশ। দাঁড়ান, পরীক্ষা করি। নিজের জামা খুলে খাঁচাটার ওপর চাপিয়ে দিল গোরক্ষনাথ। বেড়ালটাকে এখন আর দেখা যাচ্ছে না। দড়ি ধরে শকুনটাকে টানতেই ওটা খোঁড়াতে খোঁড়াতে অনিচ্ছা সত্ত্বেও খাঁচার দিকে এগিয়ে আসছিল। একেবারে খাঁচার গায়ে নিয়ে আসার পর গোরক্ষনাথ জামাটাকে তুলে নিতেই বেড়ালটা সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে রাগী আওয়াজ গলা থেকে বের করল। ওর চোখ এই দিনের আলোতেও বোঝা গেল, জ্বলছে। সঙ্গে সঙ্গে শকুনটা চোখ বন্ধ করল। তারপর ধীরে ধীরে পা মুড়ে মাটিতে বসে পড়ল। ওটা বসামাত্র বেড়ালটা শান্ত হয়ে গিয়ে চোখ বন্ধ করে পা মুড়ে বসল।

    হঠাৎ গোরক্ষনাথ দুহাত তুলে নাচতে লাগল, মিল গিয়া। দুটো পেয়ে গেছি। খোঁড়া শকুন আর কালো বেড়াল। খুশিতে ডগমগ হয়ে উঠেছিল সে।

    বেশ অবাক হয়ে গিয়েছিল অর্জুন। পরস্পরকে দেখামাত্র এই প্রাণীদুটো এমন আচরণ করল কেন? বেড়ালটার রেগে যাওয়া খুব স্বাভাবিক। কিন্তু তারপরে এই যে সন্ন্যাসী সন্ন্যাসী ভাব, এটার কারণ কী? শকুনটা যে সেই চোখ বন্ধ করেছে, আর খুলছে না।

    অর্জুন হেসে জিজ্ঞেস করল, এবার আপনার কানা কাক দরকার?

    হ্যাঁ বাবু। গোরক্ষনাথ গাছগাছালির দিকে তাকাল। সেখানে এখন কোনও কাক নেই। বলল, দেখি এদের টানে সে ব্যাটা যদি এখানে এসে পড়ে–।

    অর্জুন বলল, একটা অনুরোধ করছি। আজ সন্ধেবেলায় বাড়িতে থাকবেন।

    সন্ধেবেলায়? কেন বাবু?

    আপনি যেমন কানা কাকের সন্ধান করছেন আমিও তেমন কিছু করছি। সেটা পেতে আপনার সাহায্য চাই।

    ঠিক আছে বাবু, আমি থাকব। গোরক্ষনাথ মাথা নাড়ল।

    বাইকে বসে অর্জুনের মনে হল একবার মেজরের খবর নেওয়া দরকার। ওঁরা। খাওয়াদাওয়া করছেন কোথায় সেটা জানা তার কর্তব্য। কিন্তু তার পরেই মনে হল মেজর তো একবারও ওব্যাপারে কথা বলে গেলেন না। সম্ভবত সঙ্গে নিয়ে আসা টিনফুড খেয়ে ওঁদের দিব্যি চলে যাচ্ছে।

    বাড়িতে ফিরে এসে সে ফাঁপরে পড়ল। মা একগাদা রান্না করে বড় টিফিন ক্যারিয়ারে ভর্তি করে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেছিলেন। দুপুর শেষ হয়ে যাচ্ছে অথচ ছেলে বাড়িতে ফিরছে না দেখে পাড়ার একটি ছেলেকে দিয়ে সেই টিফিন ক্যারিয়ার সার্কিট হাউসে পাঠিয়ে দিয়েছেন মেজরের লাঞ্চের জন্যে। মা যে নিজে থেকেই ওঁদের জন্যে রান্নাবান্না করবেন তা অৰ্জুন জানত না। তাই যখন বকুনি শুনতে হল, সে চুপচাপ মেনে নিল। স্নান খাওয়া শেষ করে সে ছুটল সার্কিট হাউসে। এখন বেলা তিনটে। মেজর তাঁর ঘরে নেই। ওঁদের পাওয়া গেল ডাইনিং রুমে। সেখানে দুজন মুখোমুখি বসে। মাঝখানে মায়ের পাঠানো টিফিন ক্যারিয়ারের বাটিগুলো সাজানো।

    ওকে দেখামাত্র মেজর চিৎকার করলেন, আমি জীবনে কখনও দুবার লাঞ্চ করিনি। কিন্তু এরকম খাবার পেলে দুশোবার করতে আপত্তি নেই। ওঃ, কী দারুণ রান্না। ড়ু ইউ নো গোরান, একে বড়ি বলে। তোমার চোদ্দ পুরুষ আজ খুশি হবে, কারণ তুমি বড়ি খাচ্ছ।

    হঠাৎ গোরানসাহেব উঠে দাঁড়ালেন। উনি ভুলে গেলেন ওঁর ডান হাত এঁটো সেই অবস্থায় অর্জুনের হাত জড়িয়ে ধরে বললেন, তুমি খুব ভাগ্যবান মানুষ। তোমাকে খুব হিংসে হচ্ছে আমার। তুমি এই রান্না রোজ খাও! আহা।

    গতকাল থেকে এই লোকটিকে অর্জুন গোমড়া হয়ে থাকতে দেখেছে। বরং কিছু কিছু সময়ে ওঁর অভিব্যক্তি দেখে ভয়ঙ্কর বলে মনে হয়েছে। কিন্তু এখন ওঁকে এরকম আবেগে আক্রান্ত দেখে বেশ মজা লাগল অর্জুনের। সে বলল, আপনারা বাড়িয়ে বলছেন।

    ওঁরা একথা মানতে রাজি নন। চেটেপুটে খাওয়ার পর মেজর বললেন, এখন একটু না গড়িয়ে নিলে অপরাধ হবে ভাই। তুমি জানো, আজ কী করেছি?

    কী?

    ফিরে এসে এক টিন সার্ডিন মাছ আর পাউরুটি খেয়ে হুইস্কির বোতলটা খুলব খুলব করছি, এই সময় টিফিন ক্যারিয়ার এসে হাজির। ছোকরা বলল, তোমার মা পাঠিয়ে দিয়েছেন। খুলে দেখতে গিয়ে যে চমৎকার গন্ধ নাকে এল, তাতে মনে হল না খেয়ে থাকা যাবে না। কিন্তু গোরান তখন বাথরুমে। হুইস্কি খেতে গিয়ে মনে হল অ্যালকোহল যদি জিভের বারোটা বাজিয়ে দেয় তা হলে রান্নার স্বাদ থেকে বঞ্চিত হব। তাই তখন থেকে হুইস্কি না খেয়ে বসে ছিলাম। গোরান বের হলে ওকে বললাম, ও প্রথমে যেতে রাজি হচ্ছিল না। তারপর ওর সামনে যখন আমি খাওয়া আরম্ভ করলাম তখন একটু টেস্ট করছি বলে বসে বেশিরভাগটাই মেরে দিল। বুঝলে হে, নিরামিষ রান্না যদি এমন হয় তা হলে হুইস্কি খাওয়ার কোনও মানে হয় না।

    অর্জুন হাসল, তা হলে এখন থেকে নিরামিষ শুরু করুন।

    আমার আপত্তি নেই। কিন্তু এই জলপাইগুড়িতে আমি তো সারাজীবন থাকতে পারব না। যাগ গে; তোমার প্রোগ্রাম কী?

    ওই যে গোরান রাত্রে হুতুমপুরে যাবে!

    গোরানসাহেব হাসলেন, অর্জুন, তুমিও চলো না আমাদের সঙ্গে।

    অর্জুন একটু ভেবে নিল। তারপর বলল, আপনারা যে উদ্দেশে যাচ্ছেন সেটার জন্যে রাত একটু গভীর হওয়া উচিত। হুতুমপুরে দশটা নাগাদ পৌঁছলে কোনও আপত্তি আছে? এখান থেকে নটায় বের হওয়া যাবে।

    মেজরের যে ঘুম আসছিল তা বোঝা গেল, পাঁচ সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা না ঘুমোলে শরীর ঠিক বুঝতেই পারছ।

    মেজর ঘুমোতে চলে গেলে অর্জুন গোরানসাহেবকে জিজ্ঞেস করল, আপনি এখন একটু বিশ্রাম নেবেন না?

    না। আমি একটুও ক্লান্ত নই।

    চলুন, নীচের লবিতে গিয়ে বসি।

    গোরানসাহেব আপত্তি করলেন না। এখন দ্রুত রোদ বদলাচ্ছে। পাশাপাশি বসার পর অর্জুন সোজাসুজি জিজ্ঞেস করল, আপনি ভূতপ্রেত আছে বলে বিশ্বাস করেন?

    গোরানসাহেব বললেন, ওয়েল, অবিশ্বাস করার জন্যে অনেকদিন ধরে খোঁজখবর নিয়ে যাচ্ছি, এখনও কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারিনি।

    কেন?

    দ্যাখো, এই যে এত মানুষ প্রতিদিন মারা যায়, কোথায় যায়? তোমরা মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেললো, ছাই হয়ে যায়। আমরা সমাধি দিই। মাটিতে মিশে যায়। কিন্তু সেটা তো রক্তমাংসের শরীর। তার? আর কী হয়? যে মানুষটা দীর্ঘকাল পৃথিবীতে হেঁটেচলে বেড়ালো, শরীরের সঙ্গে সঙ্গে তার সবকিছু শেষ হয়ে গেল? বিজ্ঞান মানছে না বটে, কিন্তু তোমাদের শাস্ত্রগুলো, আমাদের পৌরাণিক কাহিনী, ধর্মীয় গ্রন্থগুলোয় আত্মার উপস্থিতি স্বীকার করেছে অনেকবার। এসব যাঁরা লিখেছেন তাঁরা নির্বোধ মানুষ ছিলেন না। দেখবে, কোনও কোনও বয়স্ক মানুষ বলেন তাঁদের আত্মা দেখার অভিজ্ঞতা আছে। কিন্তু তাঁরা প্রমাণ দিতে পারেন না। আমি ওই প্রমাণটার খোঁজে আছি। গোরানসাহেব গুছিয়ে কথাগুলো বললেন।

    আপনি এখানে এসেছেন ড্রাকুলার সন্ধানে। কিন্তু ড্রাকুলা কনসেপ্ট ভারতবর্ষে কখনও চালু হয়নি। আপনি কি ভুল জায়গায় আসেননি?

    আমি জানি না। আজ থেকে কুড়ি বছর আগে আমার হাতে একটা ডায়েরি এসেছিল। একজন স্কটিশ টি-প্ল্যান্টার সেই ডায়েরিতে লিখেছেন হঠাৎই তাঁর এলাকায় ড্রাকুলার আবির্ভাব হয়েছে। প্রায় রাত্রেই মানুষকে আক্রমণ করে তার গলায় দাঁত বসিয়ে রক্তপান করছে। এই ডায়েরির কথা আমি ভুলে গিয়েছিলাম। মাসখানেক আগে নিউ ইয়র্ক মিরর কাগজের এশিয়ান নিউজে একটা ছোট্ট খবর ছাপা হয়েছিল। মানুষের শরীর থেকে রক্ত চুষে নিয়ে যাচ্ছে ভ্যাম্পায়ার জাতীয় প্রাণী। যে এলাকায় এটা হয়েছে, মিলিয়ে দেখলাম সেটা ওই স্কটিশ টি-প্ল্যান্টার্সের এলাকা।

    সে কী! এরকম কোনও খবর আমি এখানকার কাগজে পড়িনি।

    তাই?

    হ্যাঁ। এমন ঘটনা ঘটলে নিশ্চয়ই হইচই পড়ে যেত।

    তা হলে দুটো ব্যাপার হতে পারে। কেউ ভুল খবর পাঠিয়েছে অথবা তোমাদের এখানকার কাগজগুলো খবরটা পায়নি। যাই হোক, আমি জায়গাটায় কিছুদিন থাকতে চাই।

    আপনি এর আগে কোনও ড্রাকুলা দেখেছেন?

    না। ড্রাকুলা আছে খবর পেয়ে স্পেনের একটি গ্রামে পৌঁছেছিলাম। যে বাড়িতে ড্রাকুলা বাস করত বলে লোকে ভাবত সেটা একটা পোড়ো বাড়ি। কোনও মালিক ছিল না। আমি পৌঁছবার একদিন আগে সরকারি লোকজন বাড়িটাকে ভেঙে মাঠ করে দিয়েছিল। জিজ্ঞেস করে জেনেছিলাম ওই বাড়ির একটা ঘরে কফিনে কঙ্কাল ছিল। গ্রামের লোকজন পেট্রল ঢেলে আগুনে ছাই করে দিয়েছে।

    একটা কথা জিজ্ঞেস করতে পারি?

    অনায়াসে।

    গতকাল আপনি ওই বিষধর শঙ্খচূড়কে খালি হাতে কী করে ধরলেন?

    সাপ যখন আক্রমণ করে তখন ভয়ঙ্কর হয়। কিন্তু যেই আত্মরক্ষা করার কথা ভাবে তখনই বোকামি আরম্ভ করে। তা ছাড়া–। কথা শেষ করে হঠাৎ আকাশের দিকে মুখ করে থেমে গেলেন গোরানসাহেব।

    সাপের ওপর আপনার বেশ রাগ আছে, তাই না?

    হ্যাঁ। আমি এখনও মনে করি সাপ শয়তানের সঙ্গী। কোনও সাপকে মারতে পারলেই আমি তার মাথা কেটে ফেলি।

    কেন?

    কারণ মাথা কেটে ফেললে আর কোনও ভয় থাকবে না।

    সেই কাটা মাথা কি আপনি সঞ্চয় করেন?

    কে বলল তোমাকে?

    আমার অনুমান।

    হ্যাঁ। আমার বাড়িতে বেশ কয়েকটা জারে সাপের বিভিন্ন ধরনের মাথা ওষুধে ড়ুবিয়ে রাখা আছে। যেখানেই যাই সাপ পেলে মাথা কেটে প্লাস্টিক বাক্সে ঢুকিয়ে ওষুধে ভিজিয়ে রাখি ওই জারগুলোর জন্যে। যাক গে, তুমি আজ কী করছ? প্রোগ্রাম কী?

    সন্ধেবেলায় একটা কাজ আছে। বেশি সময় লাগবে বলে মনে হয় না।

    ঠিক আছে। আমরা নটা নাগাদ এখান থেকে বের হব। ও হ্যাঁ, এর জন্যে কি পুলিশের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন আছে?,

    পুলিশকে জানিয়ে যাওয়াই ভাল। আমি আপনাদের হয়ে ওটা জানিয়ে দেব। অর্জুন উঠে দাঁড়াল। ঠিক তখনই সার্কিট হাউসের লনের নুড়ির ওপর একটা ছোট সাপকে এঁকেবেঁকে আসতে দেখা গেল। সঙ্গে সঙ্গে গোরানসাহেব সোজা হয়ে দাঁড়ালেন। তাঁর চোখ চকচক করে উঠল। অর্জুন লক্ষ করল ওঁর মুখ ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। ঝট করে একটা পাথর কুড়িয়ে বৃদ্ধ ছুড়লেন সাপটাকে লক্ষ্য করে। কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট হল। সাপটা দ্রুত চোখের আড়ালে চলে যেতেই গোরাসাহেবের মুখে হতাশা ফুটে উঠল।

    অর্জুন আর কথা না বাড়িয়ে বাইকে উঠে বসল। এই সাপ নির্বিষ, হেলে সাপ। তবু গোরানসাহেব হিংস্র হয়ে উঠেছিলেন। সাপ দেখলে এই ভদ্রলোক আর স্থির থাকতে পারেন না। মানুষের স্বভাব কত বিচিত্র ধরনের।

    সোজা থানায় চলে এল অর্জুন। অবনীবাবু তাঁর চেয়ারে ছিলেন। ঘরে ঢুকতেই বললেন, কোথায় ছিলেন মশাই, সারাদিন দেখা নেই।

    কেন? কী ব্যাপার? অর্জুন চেয়ারে বসল।

    আর বলবেন না। এমন ধড়িবাজ ছেলে, কোনও ক্লু পাওয়া গেল না।

    সন্দীপের কথা বলছেন?

    হ্যাঁ, আজ সকালে গিয়েছিলাম তদন্ত করার নাম করে। ওঁর মা সত্যি খুব ভালমানুষ। ছেলের জন্যে চিন্তায় আছেন তা বোঝা গেল। কিন্তু অনেক প্রশ্ন করেও হেলের মুখ থেকে কথা বের করতে পারলাম না। মাকে জিজ্ঞেস করলাম বেড়ালটার কথা। তিনি বললেন ওটা ছেলের ঘরেই বন্দি থাকত। রুই মাছের পেটি রান্না হত বেড়ালটার জন্যে। ভাবুন।

    ওর বন্ধুদের সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন?

    হ্যাঁ। স্রেফ বলে দিল, আমার বেড়াল চুরি গিয়েছে আর তার সঙ্গে আমার বন্ধুদের কোনও সম্পর্ক নেই। আমি কার সঙ্গে মিশছি সেটা আমার নিজস্ব ব্যাপার। বুঝুন।

    অর্জুন ঘড়ি দেখল। সন্ধে হয়ে আসছে। সে বলল, আপনাকে একটু উঠতে হবে। বেশিদূরে যাব না।

    আবার কী হল? আটটা নাগাদ এস. পি. সাহেব ডেকেছেন। তাঁকে কৈফিয়ত দিতে যেতে হবে ভাই।

    দেবেন। কিন্তু আপনি নিশ্চয়ই হাইওয়েতে ডাকাতির সমাধান চান।

    একশোবার। চলুন আমি রেডি।

    জিপে উঠে অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আপনি আমাকে কোনও প্রশ্ন না করেই চলে এলেন যে! সময়টা তো অকারণে নষ্ট হতে পারে।

    পারে। তবে সারাদিন যখন আপনার দেখা পাইনি তখন একটা কিছু না জেনে বলবেন বলে মনে হয় না। অবনীবাবু হাসলেন।

    রাস্তায় আলো জ্বলে উঠতেই ওরা গোরক্ষনাথে বাড়িতে পৌঁছে গেল। অবনীবাবু জিজ্ঞেস করলেন, এখানে কী ব্যাপার? আসামি এখানে আছে নাকি? আগে বলবেন তো, ফোর্স নিয়ে আসতাম।

    না, না। আসামি নেই। সে জিপ থেকে নেমে ভাঙা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে চেঁচাতে লাগল, গোরক্ষনাথবাবু, ও গোরক্ষনাথবাবু।

    ভেতর থেকে সেই বুড়ি চেঁচিয়ে বলল, যজমান ডেকে নিয়ে গিয়েছে, এক্ষুনি ফিরে আসবে। দাঁড়াতে বলেছে।

    উনি কি কানা কাক পেয়েছেন?

    মর, মর। সন্ধেবেলায় যত্তসব অকথা কুকথা। বুড়ি চেঁচাল।

    অবনীবাবুকে গল্পটা শোনানো শেষ করা মাত্রই গোরক্ষনাথ এসে গেল। অর্জুনদের দেখে দুটো হাত মাথার ওপর তুলে বলল, অপরাধ মার্জনা করে দেবেন বাবু। আপনাকে কথা দিয়েছি তাই যেতে চাইনি। কিন্তু এমন করে ধরল। বলল, বুড়ি মা আমার সঙ্গে একটু কথা বলবেন।

    আপনার যজমান।

    ওই আর কি! বাড়ির ঝিটাকে ধরেছে। ধরে আর ছাড়ে। আমাকে গিয়ে শান্তিস্বস্ত্যয়ন করতে হবে। কিন্তু এখনও তো কানা কাক পেলাম না। তিন মাথা এক না হলে তাকে তাড়ানো মুশকিল হবে।

    ঠিক আছে। এখন আপনাকে আমাদের সঙ্গে যেতে হবে।

    আমাকে? কোথায়?

    অবনীবাবু বললেন, সন্দীপ ডায়েরি করেছে তার বেড়াল চুরি গিয়েছে। তুমি অর্জুনকে বলেছ সে নিজে এসে তোমাকে দিয়ে গেছে। বেড়ালটাকে তোমার হেফাজতে পাওয়া গেলে আমার উচিত তোমাকে অ্যারেস্ট করা। তারপর তুমি প্রমাণ করো সন্দীপ মিথ্যে বলেছে।

    আপনি বিশ্বাস করুন—। ককিয়ে উঠল গোরক্ষনাথ।

    সেটা করব তুমি যদি বেড়ালটাকে নিয়ে আমার গাড়িতে ওঠো।

    থানায় নিয়ে যাবেন? কাঁদোকাঁদো গলায় বলল লোকটা।

    না। থানায় নয়।

     

    তিস্তা ব্রিজ পেরিয়ে বাঁকের মুখে গাড়ি দাঁড় করালেন অবনীবাবু। এখন চারপাশে ঘন অন্ধকার। জিপের পেছনে বেড়ালটাকে কোলে নিয়ে গোরক্ষনাথ চুপচাপ বসে আছে। অর্জুন দেখল অন্ধকারে ওটার চোখ জ্বলছে।

    অবনীবাবু জিজ্ঞেস করলেন, এই জায়গাটা চলবে?

    ঠিক আছে। গাড়িটাকে ওই জঙ্গলের আড়ালে নিয়ে যান।

    ওরা নেমে দাঁড়াতে ড্রাইভার নির্দেশ পালন করল।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, এটাকে কোলে নিলে কামড়াবে?

    বোধ হয়। কাল থেকে ভাব করেছি বলে আমাকে কিছু বলছে না।

    অর্জুন বলল, অবনীবাবু, আপনি রাস্তার ওপাশের গাছের আড়ালে চলে যান। আপনি আমার সঙ্গে আসুন।

    গোরক্ষনাথকে নিয়ে রাস্তার উলটো দিকে চলে যেতেই হুসহাস গাড়ি বেরিয়ে গেল। অর্জুন গোরক্ষনাথকে বলল, বেড়ালটার গলার কাপড়ের বেল্টের সঙ্গে একটা দড়ি বেঁধে ফেলুন তো?

    দড়ি! দড়ি কোথায় পাব?

    আপনার ঝোলায় দড়ি থাকা উচিত। ঝোলা খুঁজে হাতকতক লম্বা দড়ি বের করে বেড়ালটার গলায় আটকানো কাপড়ের বেল্টের সঙ্গে ওটা বেঁধে মাটিতে নামিয়ে গোরক্ষনাথ উঠে দাঁড়াতেই দড়ির প্রান্ত অর্জুন নিয়ে নিল।

    কী করবেন বাবু?

    ওপারে যান। ওখানে থানার বড়বাবুর পাশে এমনভাবে গিয়ে দাঁড়াবেন যাতে কোনও গাড়ি থেকে আপনাকে না দেখা যায়।

    গোরক্ষনাথ আদেশ পালন করলে অবনীবাবুর চিৎকার ভেসে এল, ওকে?

    ঠিক তখনই একটা অ্যাম্বাসাড়ার গাড়ি বার্নিশের দিক থেকে ছুটে আসছিল। হেডলাইট দেখা যাচ্ছে। গাড়িটাকে দেখামাত্র বেড়ালটা রাস্তার ওপাশে যাওয়ার জন্যে এগোতেই দড়িতে টান পড়ল। অর্জুন দড়ি ছেড়ে দিতে ওটা তীরের মতো রাস্তার মাঝখানে চলে গেল। সঙ্গে-সঙ্গে প্রচণ্ড জোরে ব্রেক করে গাড়িটা দাঁড়িয়ে গেল। বেড়ালটা ক্রুদ্ধ চোখে একবার তাকিয়ে রাস্তার ওপাশে গিয়ে গোরক্ষনাথের সামনে দাঁড়িয়ে ফ্যাঁচ শব্দ করল। কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে গাড়িটা চলে যেতেই ওরা আড়াল থেকে বেরিয়ে এল। অবনীবাবু বললেন, থ্যাঙ্ক ইউ অর্জুন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }