Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. মিস্টার আলাম্বার বয়স

    মিস্টার আলাম্বার বয়স সত্তরের ওপরে। মাথায় পাকা চুল, রোগা এবং মুখে মিষ্টি হাসি লেগেই রয়েছে। আফ্রিকার মানুষ বলে গায়ের রং কালো কিন্তু আজ নিউ ইয়র্কে যেসব ভয়ঙ্কর চেহারার কালোকে অর্জুন দেখেছে, তাদের সঙ্গে কোনও মিল নেই। মিস্টার আলাম্বার পরনে ফুলপ্যান্ট এবং ফতুয়া গোছের রঙিন জামা। অত্যন্ত আন্তরিকভাবে তিনি ওদের বসতে বললেন।

    মেজরের সঙ্গে পাশাপাশি সোফায় বসল অর্জুন। উলটোদিকে মিস্টার আলাদা। অর্জুন দেখছিল এই ঘরটি আফ্রিকার বিভিন্ন রকমের শিল্পদ্রব্যে সাজানো। কাঠের সরু অথচ প্রায় সাত ফুট দুটি নারী-পুরুষ মূর্তি চোখে পড়ার মতো।

    মেজর পরিচয় করিয়ে দিলেন, এ হল আমার জুনিয়ার বন্ধু অর্জুন। ইন্ডিয়ার পূর্বপ্রান্তে হিমালয়ের নীচে একটি শহরে থাকে। অর্জুন একজন সত্যসন্ধানী। অনেকবার আমি ওর সঙ্গে কাজ করেছি।

    মিস্টার আলাদা চোখ বড় করলেন, তাই নাকি? এ তো খুব ভাল খবর। আপনি ভগবানে বিশ্বাস করেন অর্জুন?

    অর্জুন হাসল, যাঁরা বিশ্বাস করেন তাঁদের অমর্যাদা করি না।

    ভদ্রলোককে খুব চিন্তিত দেখাল, ও, আই সি।

    অর্জুন বলল, আমাকে আপনি ভুল বুঝবেন না। আমি নাস্তিক নই। যখন আমাদের পুজো হয় তখন ভগবানের প্রতীক হিসেবে যে মূর্তিগুলো পূর্বপুরুষরা তৈরি করেছেন তাঁদের দিকে হাতজোড় করে মস্কার করতে আমার বিন্দুমাত্র আপত্তি নেই। কিন্তু কোনও কাজে সফল হওয়ার জন্যে নিজে উদ্যোগী না হয়ে ভগবানের ওপর ভরসা করে বসে থাকাটাকে আমি ঘৃণা করি। আপনি নিশ্চয়ই মাদার টেরিজার নাম শুনেছেন। অসহায় মানুষের উপকার করার জন্যে তিনি প্রতিনিয়ত ভগবানকে স্মরণ করেন। মানুষের উপকার যদি ভগবানকে স্মরণ করলে সম্ভব হয় আমি নিশ্চয়ই সেটা করতে রাজি আছি। তবে আমার কাছে মাদার ভগবান।

    মিস্টার আলাম্বার মুখ এবার হাসিতে ভরে গেল। মাথা নাড়লেন তিনবার, তারপর বললেন, আপনি সত্যসন্ধানী। আফ্রিকা আমার মহাদেশ। একদিকে মোজাম্বিক আর জিম্বাবোয়ে, অন্যদিকে অ্যাঙ্গোলা, জাইরে আর তানজানিয়া, মাঝখানে আমার দেশ জাম্বিয়া। লিভিংস্টোন নামের এক শহরের কাছে আমার বাড়ি। প্রায় প্রতি বছর আমি আমার দেশের বাড়িতে গিয়ে এক মাস করে থাকতাম। কিন্তু গতবছর যেতে পারিনি। এবারও যাওয়া হবে না।

    মেজর জিজ্ঞেস করলেন, কেন?

    দুবছর আগে দিনপাঁচেক বাড়িতে থেকে বসওয়ানা গিয়েছিলাম। আফ্রিকার উপজাতিদের শিল্প নিয়ে অনেক পড়াশোনা করেছি। বসওয়ানার। গ্যাবর্নেতে পৌঁছে দুদিন ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। পাশেই কালাহারি মরুভূমি। মরুভূমি পেরিয়ে বেদুইন, যাযাবরের দল গ্যাবর্নে আসে বিশ্রামের জন্যে। সেই সুযোগে কেনাবেচা চলে। কালাহারিতে এখনও কিছু হিংস্র উপজাতি রয়েছে। তারা সাধারণত শহরে আসে না। একদিন বাজারে এলোমেলো ঘুরছি, একটি লোককে দেখলাম কাঁধে ব্যাগ নিয়ে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে। লোকটা যে মরুভূমির উপজাতিদের একজন তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। লোকটি একটি কিউরিও শপে ঢুকে যেতে আমি তাকে অনুসরণ করলাম। সম্ভবত দোকানদার তখন দোকানে ছিল না। একটি বাচ্চা ছেলে কাউন্টারে ছিল। লোকটি তাকে নিচু গলায় কিছু বললে সে জিনিসটা দেখতে চাইল। আমি তখন দোকানের অন্য জিনিস মন দিয়ে দেখার ভান করছিলাম। আড়চোখে দেখলাম লোকটা একটা কালো চকচকে জিনিস দেখাচ্ছে। ছেলেটার সেটা ঠিক পছন্দ হল না। লোকটা একটু অনুরোধ করায় ছেলেটা যা দাম বলল তা শুনে জিনিসটা ব্যাগে ঢুকিয়ে বেরিয়ে গেল রাস্তায়। আমি সঙ্গে-সঙ্গে ওকে অনুসরণ করে একটু নির্জন জায়গায় গিয়ে ধরে ফেললাম। বললাম, তুমি যে জিনিস বিক্রি করতে চাইছ তা যদি আমার পছন্দ হয় তা হলে কিনে নিতে পারি। জিনিসটা দেখাও।

    লোকটা জিজ্ঞেস করল, আপনার পরিচয় জানতে পারি?

    বললাম, আমার নাম আলাদা। আমি লিভিংস্টোন শহরের কাছে থাকি। বিরল জিনিস সংগ্রহ করার শখ আছে বলে দেখতে চাইছি।

    লোকটা বলল, যে জিনিস আপনাকে দেখাব তা খুব মূল্যবান। শহরের লোক এর মূল্য ঠিক বুঝবে না। কিন্তু গ্রাম জঙ্গল, মরুভূমির লোক এই জিনিসকে ভয় যেমন করে, ভক্তিও।

    সে ব্যাগ থেকে যা বের করল তাকে আমি সহজেই চিনতে পারলাম। ওটা একটা ব্ল্যাক কোবরার মাথা এবং শরীরের অংশ। বাকিটা, লেজের দিকটা নেই। কালো পাথরজাতীয় কোনও বস্তু খোদাই করে তৈরি করা হয়েছে। এক সময় এই অঞ্চলের মানুষের কাছে সাপ, বিশেষ করে এই সাপ ভগবানের প্রতিনিধি ছিল। যখন আমেরিকার জন্যে শ্রমিক সংগ্রহ করতে ক্রীতদাস করে এদের নিয়ে যাওয়া হয় তখন ওই ধারণাটাই চালু ছিল। পরবর্তীকালে স্বাধীন আমেরিকার কিছু কালো মানুষ ওই সাপকে কেন্দ্র করে একটি সঙ্ঘ তৈরি করে বলে শুনেছি। তা লোকটির সঙ্গে দরাদরি করে আমি পাথরের সাপটিকে কিনে ফেললাম। ইঞ্চি আটেকের ওই পাথুরে বস্তুটির ওজন বেশি নয়। বড়জোর দেড় পাউন্ড।

    পরদিন কাগজে দেখলাম সেই লোকটি খুন হয়ে গেছে। যে ডেরায় সে উঠেছিল সেখানে এসে কেউ তাকে খুন করে গেছে। লোকটার ছবি ছাপিয়ে পুলিশ অনুরোধ করেছে কেউ যদি কোনও হদিস জানে তা হলে অবিলম্বে যোগাযোগ করলে ভাল হয়। লোকটির মৃতদেহের পাশে একটা কাগজে লেখা ছিল, ভগবানকে যে চুরি করে কাছে রাখবে তারই এই দশা হবে।

    আমি সেদিনই বত্‌সওয়ানা ছেড়ে জাইরেয় ফিরে এলাম।

    মিস্টার আলাম্বা থামতেই অর্জুন জিজ্ঞেস করল, ওরা কিছু জানতে পেরেছে?

    আমি ঠিক জানি না। তবে সেবার দেশের বাড়িতে থাকার সময়েই টের পেলাম অচেনী কিছু লোক গ্রামের আশেপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। গ্রামের লোকজন তাদের তাড়িয়ে দিলেও তারা শাসিয়ে গিয়েছে আবার ফিরে আসবে বলে। আমি আর ঝুঁকি নিলাম না। রাতের অন্ধকারে গাড়ি ভাড়া করে সোজা চলে এলাম লুসাকায়। সেখান থেকে হারারে পৌঁছে প্লেন ধরলাম। জাম্বিয়ার কোনও এয়ারপোর্টে যাওয়ার ভরসা পাইনি।

    সেই সাপটি আপনার এ-ফ্ল্যাটে এখনও আছে?

    হ্যাঁ আছে। আমি তোমাদের বিশ্বাস করেছি, কারণ তোমরা হিন্দু, ভারতবর্ষের মানুষ। তা ছাড়া তুমি সত্যসন্ধানী। আশা করি এসব কথা তোমরা গোপনেই রাখবে। আমি খুব বিব্রত হয়ে আছি। কারও সঙ্গে আলোচনা করার সুযোগ পাইনি। তোমাদের এ কথা বলার কারণ সেটাও। এসো আমার সঙ্গে।

    মিস্টার আলাম্বা তাদের পাশের ঘরে নিয়ে গেলেন। ঘরে ঢুকতেই দৃশ্যটি দেখতে পেল ওরা। টেবিলের ওপর একটি কাচের বাক্সে আলো জ্বালা রয়েছে। তার মধ্যে সেই লেজ খসে যাওয়া সাপটিকে রেখেছেন মিস্টার আলাম্বা। সাপের মুখের কাছে একটা ছোট বাটিতে দুধ দেওয়া হয়েছে।

    সাপটিকে খুঁটিয়ে দেখছিল অর্জুন। মেজর জিজ্ঞেস করলেন, পাথরের সাপকে দুধ দিয়েছেন কেন? ও দুধ খাবে নাকি? হা হা হা!

    মেজরের হাসি থামলে মিস্টার আলাম্বা বললেন, বেশ কিছুদিন আগে টিভিতে দেখেছিলাম ভারতবর্ষের এক হিন্দু দেবতা যাকে হাতির মতো দেখতে তাঁর পাথরের মূর্তি নাকি দুধ খেয়ে নিচ্ছে অবলীলায়। এটা কি সত্যি?

    মেজর হকচকিয়ে গেলেন, হ্যাঁ, আমিও শুনেছি। তবে ব্যাপারটা বুজরুকি।

    আপনি বুজরুকি মনে করলেও যারা দুধ খাইয়েছিল তারা মনে করেছে যে, ভগবান তুষ্ট হয়ে দুধ খেয়েছেন। মরুভূমিতে সাপকে যারা ভগবান মনে করে তারা নিয়মিত উটের দুধ দিয়ে পুজো করে। এক বাটি দুধ দিলে যদি তাদের ওই সংস্কারটাকে মান্য করা যায় তাতে কোনও দোষ তো আমি দেখি না।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আপনি যে আমেরিকায় থাকেন তা নিশ্চয়ই আপনার গ্রামের মানুষজন জানেন। আপনার আত্মীয়স্বজনের ওপর চাপ দিলে এই ফ্ল্যাটের ঠিকানা পেতে অসুবিধে হওয়ার কথা নয়। কিন্তু এই দু বছরে ওরা এখানে যখন পৌঁছয়নি তখন বোঝা যাচ্ছে সেই ক্ষমতা ওদের নেই।

    আপনি ভুল করছেন মিস্টার অর্জুন। এই দু বছরে আমি ঠিক পাঁচবার ফ্ল্যাট পালটেছি। কোথায় কোন ফ্ল্যাটে যাচ্ছি তা বলে আসিনি। এখানে এসেছি মাস পাঁচেক হল। আমি এখন অবসরে আছি। কাগজে প্রবন্ধ লিখে যা পাই আর জমানো টাকার সুদে ভালই চলে যায় আমার। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে যাই না। ওঁর সঙ্গে আমার আলাপ হয় লিফটে। একটি সাদা ছেলে মাতাল হয়ে আমাকে খারাপ কথা বলছিল লিফটে ওঠার সময়। উনি সতর্ক করেন তাকে। সেকথা কানে না নিয়ে আরও খারাপ গালাগাল করলে উনি তাকে উত্তমমধ্যম দেন। শেষপর্যন্ত ছেলেটি ক্ষমা চাইলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই সময় আমাদের পরিচয় হয়। কোনও ভদ্রলোক দীর্ঘকাল এইভাবে প্যাঁচার মতো বাস করতে পারে না। আমরা দুবার পরস্পরের ফ্ল্যাটে গিয়েছি। উনি অভিযাত্রী। পৃথিবীর রহস্য উদ্ধার করতে এই বয়সেও কত আগ্রহ ওঁর। যাই হোক, ওদের ক্ষমতাকে ছোট চোখে দেখা ঠিক নয়। ধর্মবিশ্বাস যখন অন্ধ হয় তখন মানুষ পারে না এমন কাজ নেই।

    মেজর জিজ্ঞেস করলেন, আপনি পুলিশকে জানাচ্ছেন না কেন?

    আমি প্রথমে ভেবেছিলাম জানাব। কিন্তু পরে মনে হল, তাতে কোনও লাভ হবে না। পুলিশ আমাকে কতদিন পাহারা দিয়ে থাকবে? বরং, তারা উদ্যোগী হলে লোকে আমার অস্তিত্ব জেনে যাবে। হ্যাঁ, এখানে যদি ওরা এসে পড়ে তখন পুলিশকে জানাতেই হবে। মিস্টার আলাম্বাকে বিমর্ষ দেখাচ্ছিল।

    মেজর ভরসা দিলেন, সেটা কখনওই ঘটবে না মিস্টার আলাম্বা। কালাহারি মরুভূমির কিছু মানুষের পক্ষে এই নিউ ইয়র্ক শহরে এসে আইনবিরুদ্ধ কাজ করা সম্ভব হবে না। এ নিয়ে কোনও দুশ্চিন্তা করবেন না।

    মিস্টার আলাদা মাথা নাড়লেন, ওদের এখানে আসার দরকার নেই। এই আমেরিকায় খ্রিস্টান হয়ে যাওয়া অনেক কালো মানুষের রক্তে ওই ধর্মবিশ্বাস এখনও সক্রিয়। যে-সমস্ত কালো মানুষকে জাহাজে তুলে ক্রীতদাস হিসেবে এখানে নিয়ে আসা হয়েছিল তাদের উত্তরপুরুষদের কেউ কেউ এখনও মনে করে আফ্রিকাই তাদের দেশ। ক্রীতদাস প্রথা লোপ করে যখন কালোদের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়া হল তখন অনেকেই পূর্বপুরুষের দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এখানকার স্বাচ্ছন্দ্য ওখানে পাওয়া যাবে না, এখানকার রোজগার ওখানে হবে না, তাই আফ্রিকায় ফিরে যেতে অনেকেই চায়নি। যায়নি। কিন্তু আফ্রিকানদের যাওয়া-আসা আরম্ভ হয়ে গেল। এবার নিশ্চয়ই আপনারা আমার বক্তব্য বুঝতে পারছেন।

    এবার অর্জুন মাথা নাড়ল, বুঝলাম। কিন্তু মিস্টার আলাদা, আপনি কালাহারি মরুভূমি থেকে বেশি দূরে থাকেন না। ওখানকার মানুষের ধর্মবিশ্বাস থেকে আপনি মুক্ত হয়ে আছেন কী করে?

    আমি পড়াশোনা করেছি বিদেশে। ফিরে গিয়েছিলাম গবেষকের চোখ নিয়ে। যা দেখেছি তা বিশ্লেষণ করেছি বাস্তবের ওপর দাঁড়িয়ে। তারপর এখানে অধ্যাপনা করার সময় বারংবার গিয়েছি সেখানে। কুয়ো থেকে বেরিয়ে এসে পুকুরে স্নান করলেই বোঝা যায় পার্থক্য কী! সেটা বুঝেছিলাম বলেই ওই অন্ধবিশ্বাস আমাকে প্রভাবিত করতে পারেনি।

    আছা, ওই সাপের মূর্তি যাদের সম্পত্তি তাদের কাছে ফেরত পাঠানো যায় না?

    আমি সেকথাই বলতে চাইছি। স্রেফ কৌতূহলে আমি ওটা কিনেছিলাম। ভেবেছিলাম ওটাকে কিউরিও হিসেবে রাখব। পরে যখন পরিস্থিতি এরকম হল তখন ফিরিয়ে দিতে চেয়েছি। আমার কাছে ওটাকে রেখে জীবনের ঝুঁকি নেওয়া তো বোকামি। কিন্তু সমস্যা হল, কাকে ফেরত দেব? মরুভূমির কোন উপজাতি ওর সত্যিকারের মালিক? এ প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নেই।

    মেজর বললেন, আপনি ওটাকে আমেরিকান মিউজিয়ামে দিয়ে দিতে পারেন। ওরা ইতিহাস জানলে সাগ্রহে নেবে।

    মিস্টার আলাদা বললেন, ঠিক। কিন্তু চিরজীবনের জন্যে হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় আমার ওপর ওদের রাগ আরও বেড়ে যাবে। ভদ্রলোক হাসলেন, মিস্টার অর্জুন। আপনার বয়স অল্প? আফ্রিকা সম্পর্কে আপনার কতটুকু ধারণা আছে তা আমি জানি না। কিন্তু আপনি তো সত্যসন্ধানী। আমার জন্যে এই সত্যটির সন্ধান করে দিতে পারেন? ওই মূর্তির প্রকৃত মালিক কারা?

    মেজর বললেন, তার জন্যে তো আফ্রিকায় যেতে হবে?

    হ্যাঁ। সে সমস্ত খরচ আমি বহন করব। আর আপনি যদি সফল হন তা হলে উপযুক্ত পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত হবেন না।

    অর্জুন বলল, এই মুহূর্তে আপনাকে আমি কোনও কথা দিচ্ছি না। আমাকে ভাবতে হবে। অন্তত একটা দিন আমার সময় চাই।

    বেশ। তাই হবে। এই নিন আমার কার্ড। আগামীকাল যে-কোনও সময়ে ফোন করবেন। নিতান্ত বাধ্য না হলে আমি বাইরে যাই না। যাক গে, অনেক কথা বলেছি। এবার বলুন, কী খাবেন? চা, না কফি?

    অর্জুন কিছু বলার আগেই মেজর বললেন, অনেক ধন্যবাদ। অর্জুন আজ প্রথমবার আমার কাছে এসেছে। ওকে আমিই খাওয়াব। ইচ্ছে হলে আপনি আমাদের সঙ্গে আসতে পারেন।

    মিস্টার আলাম্বা বললেন, আজ থাক। অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু, এই দেখুন, আসল কথাটাই আমি জিজ্ঞেস করিনি। আমার কাছে ওঁকে কীজন্যে নিয়ে এসেছিলেন? কোনও প্রয়োজন?

     

    মেজর বললেন, সে তো বটেই। কিন্তু আপনার সমস্যা এত তীব্র যে, আমরা ভুলেই গিয়েছিলাম কথাটা। অৰ্জুন বলো!

    অর্জুন গলা থেকে লকেটটা খুলে সামনে ধরল, এরকম জিনিস আগে দেখেছেন?

    মিস্টার আলাম্বার চোখ ছোট হয়ে এল। অর্জুন লক্ষ করল একটু-একটু করে তাঁর ঠোঁটে কাঁপুনি শুরু হল। শেষপর্যন্ত তিনি বলে উঠলেন, মাই গড!

    মেজর জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার?

    প্রায় ছোঁ মেরে লকেটটা হাতে নিয়ে ঝুঁকে পড়লেন ভদ্রলোক। উলটেপালটে খুঁটিয়ে দেখে তাকিয়ে উঠে গেলেন দেওয়ালজোড়া র্যাকে সাজানো বইয়ের সামনে। তিন-চারটে বই হাতড়ে পাতা ওলটাতে লাগলেন। তাঁকে খুব উত্তেজিত দেখাছিল। শেষপর্যন্ত একটি পাতায় তিনি স্থির হলেন। খানিকটা পড়ে আবার লকেট দেখে ঘুরে দাঁড়ালেন মিস্টার আলাম্বা, এই লকেট আপনি কোথায় পেয়েছেন?

    অর্জুন গোরক্ষনাথের ব্যাপারটা বলল। গোরক্ষনাথের গুরুদেব আফ্রিকার কোনও বন্দর থেকে এই লকেটটি সংগ্রহ করে। সেটা জানাজানি হয়ে যাওয়ায় লোকটির প্রাণসংশয় হয়। কোনওমতে পালিয়ে জাহাজে ওঠে সে। কিন্তু সেই জাহাজ সমুদ্রে ড়ুবে যায়। তবে লোকটি কোনওরকমে বেঁচে যায়। ওর শিষ্য গল্প বলেছে যে, কাঠ ভেবে সাপকে জড়িয়ে ভেসে ছিল লোকটা। এটা আমি বিশ্বাস করি না। যা হোক তারপর থেকে এই লকেটটাকে খুব পুজো করেছে। লোকটা। এইটুকু আমি জানি।

    মিস্টার আলাম্বা এগিয়ে এলেন বই আর লকেট নিয়ে। এই দেখুন, এই স্কেচটার সঙ্গে লকেটের কী মিল!

    ওরা দেখল। সত্যি, এই লকেটের সাপের সঙ্গে স্কেচের সাপের পার্থক্য নেই বললেই চলে। মিস্টার আলাম্বা বললেন, অদ্ভুত ব্যাপার। আমার কাছে যে সাপের মূর্তি রয়েছে সেটাও এই শ্রেণীর সাপ। মুখের গঠন এক। কিন্তু ভঙ্গি আলাদা। এরা অত্যন্ত বিষধর সাপ।

    অর্জুন বলল, কাল রাত্রে টিভিতে বারংবার সাপের কথা বলা হচ্ছিল। আমি যখন এয়ারপোর্টের কাস্টমসকে লকেটটা দেখাই তখন একটা লোক এটাকে দেখতে পায়। পরে লোকটা কাছে এসে ভাল করে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। আমি জানি না তার কাছ থেকে খবর পেয়েই হয়তো টিভিতে বারংবার আবেদন করা হয়েছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যে।

    হয়তো। কারণ এই বইতে লেখা হয়েছে আফ্রিকার নীচের দিকের দেশগুলোর উপজাতিরা একসময় এই সাপকে ভগবান বলে মনে করত। ওদের এক দলের সদার স্বপ্নে আদেশ পায় সর্পদেবতা মাটিতে পোঁতা আছেন। সেই সাপটিকে তিনি উদ্ধার করেন। অদ্ভুত ধাতব বস্তুতে তৈরি সেই সাপ। ওটা পাওয়ার সঙ্গে-সঙ্গে সেই সর্দার এবং তার দলের উন্নতি হতে শুরু করে। অন্য দলগুলো ঈর্ষা করছে বুঝে সদার ঠিক এর ড়ুপ্লিকেট সাপ তৈরি করে। কিন্তু সেটি স্লেট পাথরের তৈরি বলে পার্থক্য বোঝা যায়। মূল সাপের মূর্তির চোখের তলায় একটি গর্ত আছে, যার মধ্যে কোবরার বিষ সঞ্চিত ছিল। ওই আসল মূর্তি চুরি হয়ে যায় সর্দারের মৃত্যুর পর। নকলটির মালিকানা নিয়েও ঝামেলা হয়। কিন্তু আসলটিকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তারা তখন আর একটি বড় পাথরের সাপ তৈরি করে পুজো শুরু করলেও আসলটিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা অব্যাহত থাকে। পড়া শেষ করে লকেটটাকে ওপরে তুলে মিস্টার আলাম্বা বললেন, এই সেই আসল সাপ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Our Picks

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }